Blog

  • ডিপো থেকে জ্বা’লানি তেল সরবরাহে নতুন সময় নির্ধারণ

    ডিপো থেকে জ্বা’লানি তেল সরবরাহে নতুন সময় নির্ধারণ

    দেশের ফিলিং স্টেশন ও পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ডিপো থেকে তেল খালাসের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (২৮ মার্চ) বিপিসির এক বার্তায় নতুন এই সময়সূচির কথা জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী বিপণন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে সারা দেশে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দেশের সব ফিলিং স্টেশন, পড পয়েন্ট, ডিলার ও পাম্পগুলোতে জ্বালানি পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিপিসির অধীনস্থ প্রধান স্থাপনা ও ডিপোগুলো থেকে পণ্য সরবরাহের নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, এখন থেকে প্রধান স্থাপনা ও ডিপোগুলো থেকে জ্বালানি পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম প্রতিদিন সকাল ৭টায় শুরু হবে এবং শেষ হবে বিকেল ৩টায়। সারা দেশের জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিপিসি।

  • গাড়ির উ’ল্টো দিকে বসলেই ব’মি? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার

    গাড়ির উ’ল্টো দিকে বসলেই ব’মি? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার

    বাস, ট্রেন বা গাড়ির জানালার পাশের সিট ভ্রমণকে করে তোলে আনন্দদায়ক; কিন্তু সেই সিট যদি যাতায়াতের বিপরীত দিকে মুখ করা হয়, অনেকের জন্যই তা হয়ে ওঠে অস্বস্তিকর। মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব—এসব সমস্যার মূল কারণ হলো ‘মোশন সিকনেস’, যার পেছনে রয়েছে আমাদের শরীরের জটিল স্নায়ুবিক প্রক্রিয়া।

    মস্তিষ্ক সবসময় চায় চোখ ও শরীরের ভেতরের ভারসাম্য রক্ষাকারী অংশ (অন্তকর্ণ) থেকে একই ধরনের সংকেত পেতে; কিন্তু উল্টো দিকে বসলে এই সমন্বয় নষ্ট হয়ে যায়। চোখ দেখে মনে হয় আপনি পেছনের দিকে সরে যাচ্ছেন, অথচ অন্তকর্ণ অনুভব করে আপনি সামনের দিকে এগোচ্ছেন। এই দ্বৈত সংকেত মস্তিষ্কে বিভ্রান্তি তৈরি করে, যার ফলেই শুরু হয় মাথাঘোরা বা বমি।

    এছাড়া সোজা দিকে বসলে মস্তিষ্ক আগাম বুঝতে পারে কখন গাড়ি মোড় নেবে বা গতি পরিবর্তন করবে; কিন্তু উল্টো দিকে বসলে এই পূর্বাভাস পাওয়া যায় না। ফলে হঠাৎ ঝাঁকুনি বা বাঁকে শরীর প্রস্তুত থাকতে পারে না, যা সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়—বিশেষ করে পাহাড়ি বা আঁকাবাঁকা রাস্তায়।

    উপায় কী
    কিছু সহজ উপায় মেনে চললে এ অস্বস্তি কমানো সম্ভব। যেমন—চোখ বন্ধ রাখা বা দূরের স্থির কোনো কিছুর দিকে তাকানো মস্তিষ্কের বিভ্রান্তি কমায়। মাথা যতটা সম্ভব স্থির রাখলে অন্তকর্ণের উপর চাপ কম পড়ে। গাড়ির মাঝামাঝি জায়গায় বসলে ঝাঁকুনি কম অনুভূত হয়। পাশাপাশি গান শোনা বা গল্পে মন দিলে মনোযোগ অন্যদিকে সরে যায়, ফলে অস্বস্তি কমে।

    তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—উল্টো দিকে বসে মোবাইল বা বই পড়া এড়িয়ে চলা উচিত। এতে চোখ ও মস্তিষ্কের সংকেতের অসামঞ্জস্য আরও বেড়ে যায়। সচেতনতা আর কিছু সহজ কৌশলই পারে ভ্রমণকে আরও স্বস্তিদায়ক করে তুলতে।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে রবিবার, মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে রবিবার, মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা

    পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের টানা ছুটি শেষ হচ্ছে শনিবার (২৮ মার্চ)। আগামীকাল রবিবার থেকে দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুখর হয়ে উঠবে শিক্ষার্থীদের পদচারণে।

    এদিকে ছুটি শেষে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং বছরব্যাপী তদারকি নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ আন্ত মন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    বুধবার (২৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই জরুরি নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

    প্রধান নির্দেশনাসমূহ

    আসন্ন ঈদুল ফিতর ২০২৬-এর ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৫টি বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে :

    ১. ছুটি-পরবর্তী প্রস্তুতি : ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে।

    ২. নিয়মিত তদারকি : প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য তদারকি কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে।

    ৩. সাপ্তাহিক অভিযান : প্রতি সপ্তাহে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সরাসরি অংশগ্রহণে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

    ৪. সবুজায়ন ও বাগান : প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ এবং নিয়মিত বাগান পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে।

    ৫. সচেতনতা বৃদ্ধি : শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পরিবেশগত পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে নিয়মিত উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পালন করতে হবে।

  • রানা প্লাজা থেকে বেঁ’চে ফেরা নাসিমার জী’বন শেষ হলো পদ্মায় বাসডু’বিতে

    রানা প্লাজা থেকে বেঁ’চে ফেরা নাসিমার জী’বন শেষ হলো পদ্মায় বাসডু’বিতে

    ২০১৩ সালের ভয়াবহ রানা প্লাজা ধস থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছিলেন দিনাজপুরের পার্বতীপুরের নাসিমা বেগম (৪০)। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা সেই নাসিমার জীবনের লড়াই শেষ পর্যন্ত থেমে গেল রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে এক মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায়।

    গত বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে ঢাকা ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যাতে অন্যদের সঙ্গে নাসিমাসহ একই পরিবারের চারজন প্রাণ হারান।

    শুক্রবার (২৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে নিহতদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহত অন্যরা হলেন—নাসিমার অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ এবং চার বছর বয়সী শিশু আব্দুর রহমান।

    পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে নাসিমা তার ভাগনি, ভাগনি জামাই ও শিশুকে নিয়ে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশে বাসে রওনা হন। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ভাগনি জামাই আব্দুল আজিজকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অন্য তিনজন নিখোঁজ থাকেন। প্রায় ছয় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে নদী থেকে নাসিমাসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    মর্মান্তিক এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নিহতদের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কুষ্টিয়া এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি আবারও দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তবে নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু জানিয়েছেন, দ্বিতীয় দফায় এই দুর্ঘটনায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

    নাসিমা বেগমের জীবনের গল্পটি ছিল লড়াই আর সংগ্রামের। ২০১৩ সালে সাভারের রানা প্লাজা ধসের সময় তিনি ওই ভবনে কর্মরত ছিলেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা তিন দিন আটকে থাকার পর তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর দীর্ঘদিন গ্রামে থাকলেও স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তিনি আবারও ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। আর সেই যাত্রাই ছিল তার জীবনের শেষ যাত্রা।

    পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

    পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করেছেন। মৃত্যু আর ভাগ্য বিড়ম্বনার এমন সমাপতন পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

  • অজুর পর মূ’ত্র ফোঁ’টা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন

    অজুর পর মূ’ত্র ফোঁ’টা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন

    প্রস্রাব করার পর ভালো করে ঢিলা ব্যবহার করা সত্ত্বেও বারবার মনে হতে থাকে— মূত্রফোঁটা বের হয়েছে। নামাজে রুকুতে বা সিজদায় যাওয়ার সময় এমনটা খুব হয়। কিন্তু যাচাই করে কিছুই পাই না। জানার বিষয় হলো- এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? আর নামাজে মূত্রফোঁটা বের হলে কি নামাজ ভেঙে যাবে?

    এই প্রশ্নের উত্তর হলো- প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার কর্তব্য উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জনের পর সেখানে কিছু পানি ছিটিয়ে দেওয়া। তারপর আর যাচাই করতে না যাওয়া এবং নামাজে দাঁড়িয়ে মূত্রফোঁটা আসল কি না— সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে নামাজ চালিয়ে যাওয়া।

    আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-কে এক লোক তার এই সমস্যার কথা জানালে— তিনি তাকে এমনটি করতে বলেন এবং তাকে এই আদেশ দেন যে, ‘তুমি ওযু করার পর তোমার লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে নেবে। অতঃপর যদি আর্দ্রতা অনুভব হয়— তবে সেটাকে তোমার ছিঁটানো পানির আর্দ্রতা বলে মনে করবে।’ (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, বর্ণনা : ৫৮৩)

    সুতরাং আপনিও এভাবে পবিত্রতা অর্জন করবেন এবং নামাজ আদায় করবেন। আর ওয়াসওয়াসা বা সন্দেহকে মোটেও মনে স্থান দেবেন না।

    তথ্যসূত্র : মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, বর্ণনা : ৫৯৫; কিতাবুল আছল : ১/৫৩; খুলাসাতুল ফাতাওয়া : ১/১৮; আল-মুহিতুল বুরহানি : ১/২১৮, ২৬৯; বাদায়িউস সানায়ি : ১/১৪০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/৯

    প্রশ্নটি করেছেন : হাফিজ উদ্দিন, উত্তরা, ঢাকা

  • নেপালে নতুন সরকার শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রে’প্তার

    নেপালে নতুন সরকার শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রে’প্তার

    নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে গত বছরের প্রাণঘাতী জেনজি বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ শপথ নেওয়ার পরদিনই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

    শনিবার (২৮ মার্চ) কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, নেপাল পুলিশ ভক্তপুরের গুন্ডু এলাকার বাসা থেকে তাকে আটক করে। ওলির সঙ্গে তার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    কাঠমান্ডু ভ্যালি পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী বলেন, শনিবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনের বিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। ওলিকে গ্রেপ্তারের কিছুক্ষণ পরই নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং বলেন, প্রতিশ্রুতি মানেই প্রতিশ্রুতি এবং আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।

    তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে আটক করেছি। এটি কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়; এটি ন্যায়বিচারের শুরু মাত্র। আমি বিশ্বাস করি, এখন দেশ একটি নতুন পথে এগোবে। তবে ওলি দাবি করেছেন, তাকে প্রতিহিংসামূলকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।

    গত বছরের ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুর্নীতিবিরোধী যুব আন্দোলনে ৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন। এর মধ্যে কমপক্ষে ১৯ জন তরুণ। এই বিক্ষোভ শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বল্প সময়ের এক নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এর পেছনে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অসন্তোষ কাজ করছিল। পরের দিন এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সংসদ ও সরকারি ভবনগুলোতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ফলে কেপি শর্মা ওলির সরকারের পতন ঘটে।

    এরপর নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশিলা কার্কি স্বল্প সময়ের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেন। অবসর ভেঙে দায়িত্ব নেওয়া তার এই সময়কালকে নেপালের নাজুক গণতন্ত্রে স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে দেখা হয়। পরবর্তীতে র‌্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ বালেন্দ্র শাহ নির্বাচনে জয়লাভ করার পর বিক্ষোভের সহিংসতা তদন্তে একটি প্যানেল গঠন করা হয়। শুক্রবার বালেন্দ্র শাহের সভাপতিত্বে নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চপদে থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভ চলাকালে অবহেলার কারণে ওলি ও লেখকসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে গুলি বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণে আনার কোনো চেষ্টা করা হয়নি এবং দায়িত্বহীন আচরণের কারণে অপ্রাপ্তবয়স্করাও প্রাণ হারিয়েছে।

    তদন্ত কমিশন আরও অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে নেপাল পুলিশের তৎকালীন মহাপরিদর্শক চন্দ্র কুবের খাপুংও রয়েছেন।

  • জ্বা’লানি সাশ্রয়ে ৮ সহজ উপায়: বাইক ও গাড়ির মাইলেজ বাড়ানোর কার্যকর কৌ’শল, জেনে নিন

    জ্বা’লানি সাশ্রয়ে ৮ সহজ উপায়: বাইক ও গাড়ির মাইলেজ বাড়ানোর কার্যকর কৌ’শল, জেনে নিন

    বর্তমান প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিগত যানবাহনের জ্বালানি খরচ সামলানো অনেকের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে শুধু দামী জ্বালানি ব্যবহার করলেই যে খরচ কমবে, তা কিন্তু নয়। বরং গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানোর সঠিক অভ্যাস এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে তেলের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব। আপনার পকেটের সাশ্রয় এবং ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব বাড়াতে নিচের ৮টি কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:

    ১. টায়ারের বায়ুচাপের দিকে নজর দিন

    চাকায় হাওয়া কম থাকলে রাস্তার সঙ্গে ঘর্ষণ বেড়ে যায়, যা ইঞ্জিনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। ফলে জ্বালানি খরচও বেড়ে যায়। নিয়মিত টায়ার প্রেশার চেক করুন; সঠিক বায়ুচাপ থাকলে চাকা অনায়াসেই ঘুরতে পারে এবং মাইলেজ বৃদ্ধি পায়।

    ২. যানজটে ইঞ্জিন বন্ধ রাখার অভ্যাস

    শহরের যানজট বা সিগন্যালে যদি ১ মিনিটের বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তবে ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। অলসভাবে ইঞ্জিন চালু থাকলে অপ্রয়োজনীয় প্রচুর জ্বালানি অপচয় হয়।

    ৩. পরিমিত গতি বা ‘ইকোনমি স্পিড’

    হুটহাট গতি বাড়ানো বা ঘনঘন হার্ড ব্রেক করার প্রবণতা তেলের খরচ বাড়িয়ে দেয়। সাধারণত ঘণ্টায় ৪০-৬০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি বা বাইক চালানো সবচেয়ে সাশ্রয়ী। এই গতিসীমায় ইঞ্জিন সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেয়।

    ৪. গিয়ার পরিবর্তনে সতর্কতা

    গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক গিয়ার ব্যবহার করা জরুরি। কম গতিতে হাই-গিয়ার কিংবা উচ্চ গতিতে লো-গিয়ারে গাড়ি চালালে ইঞ্জিনের ওপর বাড়তি ধকল যায়, যা সরাসরি জ্বালানি ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলে।

    ৫. যানবাহনের ওজন কমান

    গাড়ির ডিকি বা বাইকের পেছনের অংশে অপ্রয়োজনীয় ভারী বস্তু বহন করা থেকে বিরত থাকুন। যানের ওজন যত বেশি হবে, সেটিকে টেনে নিতে ইঞ্জিনকে তত বেশি শক্তি খরচ করতে হবে, যার ফলে তেল বেশি পুড়বে।

    ৬. এসির নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার

    গাড়ির এসি সরাসরি ইঞ্জিন থেকে শক্তি গ্রহণ করে। তীব্র গরম না থাকলে এসি বন্ধ রেখে জানালা খুলে গাড়ি চালাতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, হাইওয়েতে উচ্চ গতিতে গাড়ি চালানোর সময় জানালা খোলা রাখলে বাতাসের বাধায় (Air Drag) উল্টো জ্বালানি খরচ বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে এসি চালানোই শ্রেয়।

    ৭. নিয়মিত সার্ভিসিং ও লুব্রিকেন্ট পরিবর্তন

    একটি সচল ইঞ্জিনের জন্য সময়মতো সার্ভিসিং অপরিহার্য। নির্দিষ্ট সময় পরপর ইঞ্জিন অয়েল বা লুব্রিকেন্ট পরিবর্তন করুন। নোংরা এয়ার ফিল্টার ও পুরনো স্পার্ক প্লাগ ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই এগুলো পরিষ্কার বা পরিবর্তন করলে মাইলেজ ঠিক থাকে।

    ৮. চেইনের যত্ন (মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে)

    বাইকের চেইন যদি ঢিলে হয়ে যায় বা শুকিয়ে খসখসে হয়ে থাকে, তবে ঘর্ষণজনিত কারণে জ্বালানি অপচয় হয়। চেইন নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা এবং সঠিক টানটান অবস্থায় রাখা মাইলেজ বাড়ানোর একটি সহজ উপায়।

    সামান্য কিছু সচেতনতা এবং এই নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার শখের যানবাহনটি যেমন সচল থাকবে, তেমনি জ্বালানি বাবদ আপনার মাসিক খরচও অনেকটা কমে আসবে।

  • জ্বা’লানি তেলের অবৈ’ধ মজুতের তথ্য দিলেই পুরস্কার

    জ্বা’লানি তেলের অবৈ’ধ মজুতের তথ্য দিলেই পুরস্কার

    দেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করার সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

    শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকি করতে ইতোমধ্যে দেশের সব জেলায় ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। অবৈধ মজুতদারি বন্ধে যারা তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন, তাদের জন্য দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের ঘোষণা আসতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সচেতন নাগরিকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

    এদিকে অবৈধ মজুতদারি রুখতে মাঠপর্যায়ে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে ৩০টি ড্রামে অবৈধভাবে মজুত করা আনুমানিক ৬ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অবৈধ মজুত প্রতিরোধের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন এখন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে দেশের সব তেল ডিপো, পেট্রল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট তেল কারবারিরা প্রশাসনের নিবিড় নজরদারির আওতায় রয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

  • কালোজিরার আ’শ্চর্যজনক ৭ উপকারিতা, ব্যবহারের নিয়ম জানালেন বিশেষজ্ঞ চি’কিৎসক

    কালোজিরার আ’শ্চর্যজনক ৭ উপকারিতা, ব্যবহারের নিয়ম জানালেন বিশেষজ্ঞ চি’কিৎসক

    নাইজেলা স্যাটিভা উদ্ভিদের বীজ বা কালোজিরা হচ্ছে ওষধি ও এক ধরনের মশলাজাতীয় উদ্ভিদ। ওষধি হিসেবে সেই প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে এর তেল। হজম প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্নভাবে শরীরকে সহায়তা করে কালোজিরা।

    উপাদানটির প্রধান কার্যকারিতা মূলত থাইমোকুইনোন থেকে আসে, যা জৈব-সক্রিয় যৌগ এবং এর শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহবিরোধী ও জীবাণুবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. অলোক চোপড়া বলেন, কালোজিরার তেল বা কালোজিরা প্রকৃতির অন্যতম শক্তিশালী প্রতিকার।

    এ চিকিৎসক বলেন, কালোজিরা আকারে ছোট হলেও স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এর প্রভাব ব্যাপক শক্তিশালী। বিপাকক্রিয়াকে সহায়তা ও প্রদাহের ভারসাম্য রক্ষা থেকে শুরু করে অন্ত্র, ত্বক ও হরমোনের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে কাালোজিরা। তাহলে এই তেলের স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নেয়া যাক-

    বিপাকীয় স্বাস্থ্য ভালো করে:
    কালোজিরার তেল নিয়মিত ব্যবহারে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়তে পারে এবং খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করে। আবার বিপাক ক্রিয়া বাড়িয়ে এবং ক্ষুধা কমিয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

    প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ:
    কালোজিরার তেল শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। এটি আর্থ্রাইটিস ও হাঁপানির মতো রোগের ক্ষেত্রে উপকারী। কালোজিরায় থাইমোকুইনোন রয়েছে, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী কার্যক্রমের জন্য পরিচিত।

    রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
    থাইমোকুইনোন একটি প্রাকৃতিক রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী হিসেবে কাজ করে এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। যা অটোইমিউন রোগ বা আর্থ্রাইটিসের মতো গাঁটের ব্যথায় আক্রান্তদের জন্য উপকারী। নিয়মিত কালোজিরার তেল ব্যবহারে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে।

    অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা:
    পেট ফাঁপা ও হজমের অস্বস্তি রোধে ঐতিহ্যগতভাবে কালোজিরার তেল ব্যবহার হয়ে আসছে। ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো সমস্যায় উপকার পেতে অনেকেই এই তেল ব্যবহার করেন।

    হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা:
    গবেষণায় দেখা গেছে, কালোজিরার তেল হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। যা পিসিওএস’র মতো হরমোনজনিত সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য উপকারী।

    অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর:
    কালোজিরার তেলে প্রচুর পরিমাণ শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিন্টে রয়েছে। যা কোষকে ফ্রি র‌্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করতে পারে। এ কারণে দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমে যেতে পারে।

    ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য:
    এই তেলের প্রদাহবিরোধী ও জীবাণুরোধী গুণের জন্য এটি ব্রণ, একজিমা ও শুষ্ক ত্বকের চিকিৎসায় বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়। এটি ত্বকের সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো করে।

    এছাড়াও কালোজিরার তেল নিয়মিত ব্যবহারে চুল শক্তিশালী হয় এবং এর বৃদ্ধিতে সহায়তার পাশাপাশি খুশকি ও মাথার ত্বকের শুষ্কতা দূর করে। এবার তাহলে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. অলোক চোপড়ার পরামর্শ অনুযায়ী এই তেল ব্যবহারের উপায় জেনে নেয়া যাক-

    ব্যবহারের উপায়:
    অভ্যন্তরীণ সহায়তা: বিপাকক্রিয়াকে সচল রাখার জন্য এবং প্রদাহ কমাতে খাবারের পর আধা থেকে এক চা চামচ পরিমাণ গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা।

    মধু দিয়ে: হজমশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সকালে মধুর সঙ্গে কালোজিরা মিশিয়ে খেতে পারেন।

    গরম পানি: ভালোভাবে শোষণ ও সহনশীলতার জন্য একটু হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে তারপর খেতে পারেন।

    বাহ্যিক ব্যবহার: অন্যসব তেলের সঙ্গে মিশিয়ে পাতলা করে ব্রণপ্রবণ বা প্রদাহযুক্ত জায়গায় দিতে পারেন।

    চুল মজবুত করতে: চুলের শক্তি বাড়াতে ও মজবুত করার জন্য মাথার ত্বকে তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটি মাথার ত্বকের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করবে।

  • ‘ফুয়েল কার্ড’ চালু হতে পারে, থাকবে যেসব সুবিধা

    ‘ফুয়েল কার্ড’ চালু হতে পারে, থাকবে যেসব সুবিধা

    জ্বালানি তেল নিয়ে চলমান পরিস্থিত মোকাবেলায় সব গাড়ির জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর চিন্তা করছে সরকার। জ্বালানি বিভাগ বিষয়টি নিয়ে কাজও শুরু করেছে।

    জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শিগগির শেষ না হলে তেলের চাহিদা মেটাতে ‘ফুয়েল কার্ড’ চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে। কারণ বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে আসবে এবং তেলের জন্য অনেক মূল্য দিতে হবে।

    সে অনুযায়ী বাংলাদেশ দাম বাড়াতে পারবে না।

    ‌এক্ষেত্রে কার্ড দিয়ে মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাস তার পরিবহণের চাহিদা অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এ জন্য থাকবে একটি কিউআর কোড। সেই কোড দিয়ে নির্দিষ্ট পাম্প থেকে তেল নেওয়া যাবে।

    তবে এটি চালু করতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ফুয়েল কার্ড কি

    ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিটকার্ড হলো- পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত কম্পানি বা গাড়ির মালিকরা ব্যবহার করে থাকেন। এটি ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতো কাজ করে এবং এর মাধ্যমে জ্বালানি খরচ ট্র্যাকিং, নিয়ন্ত্রণ এবং নগদবিহীন লেনদেনের সুবিধা পাওয়া যায়। 

    ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা

    সহজ পেমেন্ট

    এটি ব্যবহার করে চালকরা সহজেই ফিলিং স্টেশনে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন এবং প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড রাখা যায়।

    খরচ নিয়ন্ত্রণ

    কম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারে। এটি ডিজিটালভাবে জ্বালানি ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান করে।

    নিরাপত্তা

    কার্ডটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যা চুরি বা অপব্যবহার রোধ করে।

    সময়ের সাশ্রয়

    কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা কমে এবং এককালীন চালান পাওয়ার ব্যবস্থা থাকে।