Blog

  • মুসলমানের জন্য জামায়াতকে ভোট দেওয়া হারাম : হেফাজত আমির

    মুসলমানের জন্য জামায়াতকে ভোট দেওয়া হারাম : হেফাজত আমির

    আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ ঘোষণা করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে সমর্থন জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।


    তিনি বলেছেন, সমস্ত মুসলমানের জন্য জামায়াতকে ভোট দেওয়া হারাম, এটা কোনোভাবেই জায়েজ নয়।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির কাজিরহাট মাদরাসায় হাদিস গ্রন্থ সহিহ বুখারি শরিফের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় হেফাজত আমির এই ঘোষণা দেন। 

    এ সময় তিনি উপস্থিত আলেম সমাজের উদ্দেশে বলেন, “মওদুদির জামায়াতের সঙ্গে যারা জোট করেছে, তারাও মওদুদি।

    আমার কাছে এটা নির্বাচন নয়, এটা জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’। সমস্ত মুসলমানের জন্য জামায়াতকে ভোট দেওয়া হারাম, এটা কোনোভাবেই জায়েজ নয়।’’

    মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী আরো বলেন, ‘‘জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আমাদের মৌলিক ও আকিদাগত বিরোধ রয়েছে। তারা দ্বিনের সঠিক ব্যাখ্যা দেয় না।

    তাই এই বাতিল শক্তির উত্থান ঠেকাতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’’

    অনুষ্ঠানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরসহ শীর্ষ আলেম-ওলামা ও বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
     

  • ভোটের সিলসহ গ্রে’প্তার ১, জা’মায়াত নেতা পলা’য়নের ঘটনায় চাঞ্চল্য

    ভোটের সিলসহ গ্রে’প্তার ১, জা’মায়াত নেতা পলা’য়নের ঘটনায় চাঞ্চল্য

    লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুত ভোটের ৬টি সিল জব্দের ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে শরীফ ও সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

    জানা গেছে, এ মামলায় আটক সোহেলকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।

    জাল ভোট প্রদানের লক্ষ্যে জামায়াত নেতা শরীফ অর্ডার দিলে সোহেল সিলগুলো বানিয়ে দোকানে রাখেন। তবে আত্মগোপনে রয়েছেন জামায়াত নেতা।

    এদিকে সিল জব্দের পরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে আটক সোহেলকে জামায়াত কর্মী দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিল বানানোর অর্ডার দেওয়া জামায়াত নেতা শরীফের ছবিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

    শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে। তিনি হাসপাতাল রোডের ‘আধুনিক অফসেট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’-এর মালিক।

    গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকায় বশির ভিলা হলরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এই সিল-কাণ্ডে তিনি জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন।

    জাল ভোটসহ জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্র করার লক্ষ্যে জামায়াত পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।

    এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিভাবে হয় এটা প্রমাণসহ মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে। শুধু বোরকা নয়, বোরকার ভেতরে সিলকৃত ব্যালট থাকার মতো পরিস্থিতি জামায়াত সৃষ্টি করেছে। বোরকার ভেতরেই এই প্রচেষ্টা তারা করবে’। এ ঘটনায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নন বলে জানান। শরীফের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি ঘটনার তদন্ত করে যেই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।

    জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ‘সিলগুলো জব্দের পরপরই শরীফকে আমরা দল থেকে বহিষ্কার করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এর প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।’

    পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে তার দোকান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ৬টি ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    আটক সোহেল রানার বরাত দিয়ে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতের শরীফ গত ৩০ জানুয়ারি সোহেলের কাছে ৫টি নির্বাচনী সিলের অর্ডার করে। এ সংক্রান্ত একটি ভয়েস মেসেজ তিনি সোহেলকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে জাল ভোট প্রদানের জন্য অবৈধভাবে ভোটের সিল তৈরি করানো হয়েছে।

    সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বলেন, ‘আসামি সোহেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো রিমান্ড চাওয়া হয়নি। অপর আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কি না ঘটনাটি তদন্ত চলছে।’

  • নির্বাচনের আগে পে স্কেলের গেজেট দাবি, যা জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়

    নির্বাচনের আগে পে স্কেলের গেজেট দাবি, যা জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র কিছুদিন বাকি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন। তবে এর আগেই নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে আন্দোলন করছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। গত তিন দিন ধরে টানা কর্মবিরতির পর আগামীকাল বৃহস্পতিবারও (৫ ফেব্রুয়ারি) কর্মবিরতি পালন করার কথা রয়েছে তাদের।

    এতে সরকারি অফিসগুলোতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

    কর্মচারীদের টানা কর্মবিরতি এবং আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মহাসমাবেশ ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা বলছেন, এর আগেও কর্মচারীরা আন্দোলন করেছেন। নবম পে স্কেল যেন বাস্তবায়ন করা যায় সে জন্য অন্তর্বর্তী সরকার অর্থের সংস্থান করে রেখেছে।

    কর্মচারীদের এ আন্দোলন এবং নির্বাচনের পূর্বে নবম পে স্কেলের গেজেট নিয়ে সরাসরি নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা।

    তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, নির্বাচনের আগে নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কেননা উপদেষ্টা পরিষদের সভায় পে স্কেল নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এ অবস্থায় নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এত বড় সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকার নেবে না বলেই মনে করেন তারা।

    কর্মচারীদের সমাবেশ ও ভুখা মিছিল সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, এর আগে সচিবালয়ে কর্মরচারীরা অর্থ উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন।

    এর বিনিময়ে কয়েকজন গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। নির্বাচনের পূর্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘটনা সরকার ভালোভাবে নেবে বলে মনে হয় না।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পরবর্তী সরকারের জন্য একটা স্বস্তিদায়ক অর্থনৈতিক অবস্থা রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। ৫ আগস্টের পর নড়বড়ে অর্থনীতি দেড় বছরে ঠিক হয়েছে। তবে আগের সরকারের অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থান কমে গেছে।

    সেটা চ্যালেঞ্জ হবে কিছুটা, যোগ করেন অর্থ উপদেষ্টা।

    তিনি আরো বলেন, পে স্কেলের জন্য অর্থের যোগান করে দিয়ে গেছে এই সরকার। পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকার এসে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবে না। হয়তো বাস্তবায়ন করতে কিছুটা সময় লাগবে।

  • পে স্কেলের জন্য অর্থের ব্যবস্থা নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা

    পে স্কেলের জন্য অর্থের ব্যবস্থা নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করে গেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ফলে ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার এ সিদ্ধান্ত সহজে পরিবর্তন করতে পারবে না, যদিও বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগতে পারে।’

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    বর্তমান সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী প্রশাসনের জন্য তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক অর্থনৈতিক ভিত্তি রেখে যেতে কাজ করছে।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যে নড়বড়ে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা দেড় বছরের চেষ্টায় অনেকটাই স্থিতিশীল করা সম্ভব হয়েছে।’

    গণভোট প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকার গণভোট আয়োজনের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রেখেছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট ফলাফলের পক্ষে নয়।’ গণভোট আয়োজনের কারণে এবারের নির্বাচনী ব্যয় আগের তুলনায় বেশি হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি আরো বলেন, ‘আগের সরকারের নেওয়া বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ায় সাময়িকভাবে কর্মসংস্থান কমেছে।

    ভবিষ্যতে এটি একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে, তবে দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় এসব সিদ্ধান্ত প্রয়োজনীয় ছিল।’

  • এমপিওভুক্ত পৌনে ৪ লাখ শিক্ষকের জন্য দুঃসংবাদ

    এমপিওভুক্ত পৌনে ৪ লাখ শিক্ষকের জন্য দুঃসংবাদ

    বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত প্রায় পৌনে ৪ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর জানুয়ারি মাসের বেতন এখনো অনুমোদন পাননি। ফলে চলতি সপ্তাহে তাদের বেতন দেওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের বেতন অনুমোদন মেলেনি। সরকারি ছুটির কারণে বেতন অনুমোদন হলেও তা জিও জারি এবং এজি অফিসে পাঠানোর প্রক্রিয়া হবে আগামী বৃহস্পতিবার।

    এই কারণে চলতি সপ্তাহে বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাউশির কর্মকর্তা বলেন, ‘সরকারি ছুটি এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সপ্তাহে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের বেতন দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের বেতন-ভাতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

    জানা গেছে, প্রতি মাসে শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব তাদের প্রতিষ্ঠান প্রধান পাঠান।

    অনলাইন বিল দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া মাত্র বেতন ব্যাংকে পাঠানো হয়।

    সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চালু করেছে, যা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতার প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ করেছে। মাউশির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই প্রক্রিয়ার ফলে বেতন অনুমোদন ও বিতরণ আগের তুলনায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য হচ্ছে।

    তবে শিক্ষকদের মধ্যে এই বিলম্ব নিয়ে হতাশা বিরাজ করছে। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি সরকারি ছুটি বা অন্যান্য প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে অনুমোদন আরো বিলম্বিত হয়, তবে মার্চ মাসের বেতনও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নিয়মিতভাবে বেতন পাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। তাই তাদের জীবনযাত্রা ও পরিবারের দৈনন্দিন খরচ পরিচালনায় এই বিলম্ব এক প্রকার চাপ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী সপ্তাহের শেষের মধ্যে বেতন-ভাতা বিতরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।

  • যে আসনগুলোয় থাকছে না ধানের শীষ প্রতীক

    যে আসনগুলোয় থাকছে না ধানের শীষ প্রতীক

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০টি আসনে বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ থাকছে না। এর মধ্যে কুমিল্লার দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থিতা চূড়ান্তভাবে বাতিল হওয়ায় ওই আসনগুলোতে দলটির কোনো প্রার্থী আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছেন না।

    কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপি নেতা ও প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহের করা ঋণখেলাপির অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৭ জানুয়ারি বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়ন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে ২১ জানুয়ারি তা সরাসরি খারিজ হয়ে যায়। পরে তিনি আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন।

    অন্য দিকে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি। প্রার্থিতা ফিরে পেতে তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন, যা গত ২২ জানুয়ারি সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এরপর তিনি হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন।

    আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ দুটি আবেদনই খারিজ করে দেন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে ওই দুই প্রার্থীর অংশগ্রহণের আর কোনো সুযোগ থাকছে না।

    এ দিকে বিএনপি মিত্র দলগুলোর জন্য মোট ৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছে। এর মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ পেয়েছে ৪টি আসন। এছাড়া গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) এবং গণ অধিকার পরিষদ একটি করে আসন পেয়েছে। এসব দলের প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

    জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুক ‘খেজুরগাছ’ প্রতীক নিয়ে সিলেট-৫ আসনে নির্বাচন করছেন। একই প্রতীক নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নীলফামারী-১ আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি মনির হোসেন কাসেমী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    অন্য দিকে গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক নিজ দলের প্রতীক ‘কোদাল’, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ‘ট্রাক’ এবং ভোলা-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, সব মিলিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ১০টি আসনে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীক থাকছে না।

  • পে স্কেলের দা’বিতে কর্মবিরতিতে সরকারি কর্মচারীরা

    পে স্কেলের দা’বিতে কর্মবিরতিতে সরকারি কর্মচারীরা

    বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশের সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসগুলোতে কর্মচারীরা দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোম ও মঙ্গলবারও একই কর্মসূচি পালন করা হবে।

    আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করে আসছেন। এ লক্ষ্যে সরকার একটি কমিশন গঠন করে, যে কমিশনের রিপোর্ট সরকারের হাতে ইতিমধ্যে চলে এসেছে। কিন্তু গেজেট প্রকাশের গড়িমসির কারণে এবং সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা যখন বলেছেন, এই সরকার কমিশন বাস্তবায়ন করবে না, তখন ক্ষোভের আগুনে জ্বলে উঠেছেন সরকারি কর্মচারীরা।

    সকাল থেকে সারাদেশের অফিসগুলোয় ২ ঘণ্টার জন্য সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এতে জনগণ ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হন। এ বিষয়ে কর্মচারীরা বলছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্য ধরা অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু সরকার তাদের পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য ন্যূনতম বেতনটুকু যদি না দেয়, তাহলে তারা কতদিন আর ধৈর্য ধারণ করবেন? তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন বলে জানিয়েছেন।

    সরকার দাবি বাস্তবায়ন করলে সাথে সাথে কাজে ফিরে যাবেন বলে তারা জানিয়েছেন। মৌলিক চাহিদা পূরণের ন্যূনতম বেতন দেওয়ার জন্য তারা সরকারের প্রতি আহবান জানান।

    উল্লেখ্য, গত ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন দুই ঘণ্টা করে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে ৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখী ভুখা মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

  • ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে স্বর্ণের বড় উত্থান, কত বাড়ল দাম?

    ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে স্বর্ণের বড় উত্থান, কত বাড়ল দাম?

    ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

    শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে, সবশেষ আজ ৩১ জানুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ভরিতে ভরিতে ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ১৯ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৫ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

    স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ৩১ জানুয়ারি সকালে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ২৯০ টাকায়।

    এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বেচাকেনা হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৫ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

  • পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য জায়গা চূড়ান্ত

    পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য জায়গা চূড়ান্ত

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি জায়গা চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গণভবনের পাশেই নির্মাণ করা হবে এই বাসভবন। ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত মতামত নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন’ তৈরির কাজ শুরু করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর।

    তবে সেটি তৈরি হতেও দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। সে সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। এটি নির্ভর করবে হবু প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে লাগোয়া ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকেও যুক্ত করে দেওয়া হবে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পরই শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে শেরেবাংলানগরের ‘গণভবন’ নির্ধারিত ছিল। জুলাই অভ্যুত্থানের পর সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে তৈরির উদ্যোগ নেয় এবং জাদুঘর তৈরির কাজ এখন শেষের পথে।

    প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন যে এলাকায় নির্মিত হচ্ছে, তাতে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো ব্যত্যয় হবে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলরা এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

  • বিএনপি-জা’মায়াতের ভোট কত শতাংশ, জানাল জরিপ সংস্থা

    বিএনপি-জা’মায়াতের ভোট কত শতাংশ, জানাল জরিপ সংস্থা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আরেকটি জরিপ উঠে এলো। এতে দেখা গেছে, ৫২ দশমিক ৮০ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চান, আর জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি জোটকে ভোট দিতে আগ্রহী ৩১ শতাংশ ভোটার। জনগণের নির্বাচন ভাবনা নিয়ে ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের তৃতীয় ধাপের জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সামাজিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন কনসাল্টিং এ জরিপ প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।

    জরিপে দেখা যায়, প্রস্তাবিত গণভোটে অংশ নিতে হলে ৬০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার পক্ষে। তবে এ বিষয়ে ২২ শতাংশ মানুষ কিছুই জানেন না।

    জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন রয়েছে ১ শতাংশ মানুষের। ভোট নিয়ে কোনো ধরনের ভাবনা নেই ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ মানুষের।

    এ ছাড়া জরিপে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কোন দল সরকার গঠন করতে পারে, সে সম্পর্কেও সম্ভাব্য চিত্র তুলে ধরা হয়।

    উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ৫ হাজার ১৪৭ জন উত্তরদাতার মধ্যে ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ আগামী সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমানকে এগিয়ে রেখেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে এগিয়ে রেখেছেন ২২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৭ শতাংশ নাহিদ ইসলামকে সমর্থন জানিয়েছেন।

    জরিপে আরও উঠে এসেছে, ২২ দশমিক ২ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে কোনো মত দেননি। তবে জরিপে অংশগ্রহণকারী নারীদের মতামত প্রদানের হার তুলনামূলক কম ছিল। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ নারী কোনো মতামত জানাননি।

    জরিপ উপস্থাপনকালে জানানো হয়, এসব তথ্য বাস্তবিক অর্থে ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রতিফলন না-ও হতে পারে।