Blog

  • শিক্ষিকার ভাইরাল রিলস নিয়ে যা বললেন সেই গানের শিল্পী

    শিক্ষিকার ভাইরাল রিলস নিয়ে যা বললেন সেই গানের শিল্পী

    ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে, অঝোরে নামবে বুঝি শ্রাবণের ধারা…’ তিন দশকেরও বেশি সময় আগে প্রকাশিত এই জনপ্রিয় গানটি সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের এক স্কুলশিক্ষিকার রিলস ভিডিওকে ঘিরে বিতর্কের পর গানটির শিল্পী ও ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের প্রধান ভোকাল মেজবাহ রহমান বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।

     

    তার মতে, ভিডিওটিতে নেতিবাচক কিছু নেই এবং ঘটনাটি নমনীয়ভাবে দেখা উচিত।

    গণমাধ্যমকে মেজবাহ রহমান বলেন, ‘এই গানটা আমরা সব সময়ই গাই। এটা চিরন্তন বৃষ্টির গান, বর্ষার গান, প্রকৃতির গান। ১৯৮৯ সালে গানটি তৈরি করি, ১৯৯০ সালে প্রকাশ করি।

    ৩৬ বছর পরও এর আবেদন একটুও কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে এটি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এটাও এক ধরনের ভিন্ন অনুভূতি।’

    সম্প্রতি ফেঞ্চুগঞ্জের স্কুলশিক্ষিকা বিউটি পাল এই গান ব্যবহার করে একটি রিল ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

    স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তবে এরই মধ্যে তার সহকর্মীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অনেক শিক্ষক একই গান ব্যবহার করে রিল তৈরি করে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন।

    বিউটি পালকে ঘিরে চলা বিতর্ক প্রসঙ্গে মেজবাহ রহমান বলেন, ‘আমরা সব সময়ই মা-বাবার পরে শিক্ষকদের স্থান দিই। শিক্ষকদের অবশ্যই কিছু বিষয় শিক্ষার্থীদের জন্য মেনে চলতে হয়। তবে এই রিল ভিডিও নিয়ে যেটা করা হচ্ছে, সেটা মোটেও কাম্য নয়।

    আমার কাছে এতে নেতিবাচক কিছু মনে হয়নি। এখানে একটি শ্রেণি কী অনৈতিক বিষয় খুঁজে পেল, আমি বুঝতে পারছি না।’

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমকে আমরা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না। প্রয়োজনেই সবাই এর দ্বারস্থ হয়। তাই একটি দিক দেখে কাউকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।’

    এদিকে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল মোল্লা জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তবে এই ঘটনায় শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মেজবাহ রহমান। তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হলে সেটি ঠিক হবে না। আমার মনে হয়, বিষয়টি নমনীয়ভাবে দেখা উচিত। কারণ এটি কোনো নেতিবাচক ভিডিও ছিল না।’

  • যে ৮ টুথপেস্টে পাওয়া যায়নি মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক

    যে ৮ টুথপেস্টে পাওয়া যায়নি মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক

    প্রতিদিন সকালে দাঁত মাজার ফাঁকেই অজান্তে শরীরে ঢুকছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক। দেশে বিক্রি হওয়া প্রতি চারটি টুথপেস্টের মধ্যে প্রায় তিনটিতেই মিলেছে এই কণা।

    আমদানি করা ও দেশে তৈরি ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই এই বিষাক্ত উপাদান পেয়েছে বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। এমনকি শিশুদের জন্য তৈরি টুথপেস্টেও মিলেছে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক।

    সংস্থাটির এক বছরের গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে ২৬টিতে, অর্থাৎ ৭৬.৫ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। তবে এর মধ্যে ৮ টি (২৩.৫ শতাংশ) টুথপেস্টে কোন মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

    মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি, এ ধরনের ৮ টি টুথপেস্ট-এর তালিকা:

    ১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)

    ৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)

    ৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)

    ৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)

    ৮. কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)।

  • অবশেষে এসএসসির ফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা

    অবশেষে এসএসসির ফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা

    মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

    সোমবার (২৭ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল খালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

     

    এর আগে গত ৮ জুন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২০ জুলাই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছিলেন, ২০ তারিখে ফলাফল প্রকাশ হচ্ছে না। তবে জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।

    উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নেয় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীন দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় বসে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

     

    গত ২০ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বিধান থাকলেও এ বছর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে।

  • ন’তুন পে স্কে’ল মন্ত্রিসভায় অ’নুমো’দনের প্রস্তুতি

    ন’তুন পে স্কে’ল মন্ত্রিসভায় অ’নুমো’দনের প্রস্তুতি

    আর্থিক সক্ষমতা ও সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য চাপের কথা বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নতুন পে স্কেল অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তবে সরকার সে পথে না হেঁটে আগামী অক্টোবরে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার আগেই নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা সফররত আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে নতুন পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে সংস্থাটি বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আরো দুই বছর স্থগিত রাখার পরামর্শ দেয়। তাদের যুক্তি, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারের রাজস্ব ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে, যা বাজেট ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    সূত্র বলছে, আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার আগেই গেজেট প্রকাশ করে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় সরকার।

    আর আইএমএফ চায় বিষয়টি অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষমাণ থাকুক, যাতে বার্ষিক সভায় এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যায়। পাশাপাশি নভেম্বরে সম্ভাব্য নতুন মিশন ঢাকায় এসে পে স্কেল ও নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আরো গভীরভাবে আলোচনা করতে পারে। কিন্তু সরকার বিষয়টি দীর্ঘায়িত করতে আগ্রহী নয়।
    এদিকে নতুন পে স্কেলের প্রস্তাবনা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে অর্থ বিভাগ।
    চলতি সপ্তাহের শেষদিকে কিংবা আগামী সপ্তাহের যেকোনো মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।

    এরই অংশ হিসেবে গতকাল রবিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সচিব কমিটির সুপারিশ, আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়ন কৌশল এবং আইএমএফের আপত্তির বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, পে স্কেলসংক্রান্ত ফোকাল কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    বৈঠকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থমন্ত্রী নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমান আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় সরকার নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখান থেকে সরে আসার সুযোগ নেই। তবে এককালীন চাপ কমাতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।’

    সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব, বাজেট ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব সক্ষমতা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে চলতি বাজেটে পে স্কেলের জন্য যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তা যথেষ্ট কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বর্তমান অষ্টম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হয় ২০১৫ সালে। এক দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ সময় জীবনযাত্রার ব্যয়, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর দাবি দীর্ঘদিন ধরে জোরালো হয়ে উঠেছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের অধীনে কর্মরত প্রায় ১৫ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কয়েক লাখ পেনশনভোগী নতুন পে স্কেলের আওতায় আসবেন। মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। এর ফলে সরকারের পেনশন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।

    বর্তমানে বাংলাদেশ আইএমএফের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। একই সঙ্গে নতুন প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের আরেকটি ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে। আইএমএফের আশঙ্কা, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক রাজস্ব ব্যয় বড় আকারে বৃদ্ধি পাবে। এতে বাজেট ঘাটতি বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ওপরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

    কোনো কোনো অর্থনীতিবিদ ধারণা করছেন, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় অন্তত ৮২ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে। বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি পেনশন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধির কারণে প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ আরো বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমান অর্থবছরে সরকারের পরিচালন ব্যয়ের বড় অংশই বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে ব্যয় হচ্ছে। ফলে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনায় অধিক দক্ষতা নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।

    তবে সরকারের নীতিনির্ধারকদের মতে, দীর্ঘদিন বেতন কাঠামো অপরিবর্তিত থাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি, মেধাবী জনবল আকর্ষণ এবং কর্মীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য নতুন পে স্কেল প্রয়োজন।

    এ কারণে অর্থ বিভাগ বিকল্প কয়েকটি বাস্তবায়ন মডেল নিয়েও কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি, নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং কয়েক ধাপে আর্থিক প্রভাব সমন্বয়ের পরিকল্পনা। নীতিনির্ধারকদের বিশ্বাস, এ ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করলে এককালীন আর্থিক চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।

    সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হতে পারে। অনুমোদন মিললে আগামী অক্টোবরে আইএমএফের বার্ষিক সভার আগেই নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের পথ খুলে যাবে। তবে সচিব কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ না পাওয়া পর্যন্ত অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটছে না।

    সূত্র: কালের কণ্ঠ

  • জানা গেল এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ

    জানা গেল এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পেতে অধীর অপেক্ষায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী। তাদের ফল নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় অভিভাবক-শিক্ষক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরাও। বিশেষ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ না করায় এ উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

    অবশ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, পরীক্ষার্থীদের এ অপেক্ষা ও অভিভাবকদের উদ্বেগ খুব বেশি দীর্ঘ হবে না। চলতি মাসেই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

    তবে ঠিক কবে ফল প্রকাশ করা হবে, তার দিনক্ষণ এখনো ঠিক করা হয়নি। 

    শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ২৭ থেকে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রস্তুত করতে কাজ করছেন। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ২০ তারিখের (জুলাই) মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা করেছিলাম। সেটা সম্ভব হয়নি। এখন ২৭ থেকে ২৮ তারিখের মধ্যে ফল রেডি করে ফেলব। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় যেদিন বলবে, সেদিন ফল প্রকাশ করা হবে।’

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ‘বোর্ড যদি ২৮ তারিখের মধ্যে ফল প্রস্তুত করে তাহলে চলতি মাসেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব। সেটা হতে পারে ৩০ জুলাই।’

    তিনি বলেন, ‘২৭ জুলাই নতুন কুঁড়ি ক্রীড়ার উদ্বোধন হবে, প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। ওই প্রোগ্রাম নিয়ে এখন মন্ত্রী, সচিবসহ শিক্ষা প্রশাসনে ব্যস্ততা। আবার ৩১ জুলাই শুক্রবার। সে ক্ষেত্রে ৩০ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা বেশি।’

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ২০ মে। নিয়মানুযায়ী—পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। সে হিসাবে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এবার ফল প্রকাশ করতে পারেনি শিক্ষা বোর্ড।

    গত ২১ এপ্রিল এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার এসএসসিতে বহিষ্কার ছিল খুবই কম।

  • আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৩ দিনের ছুটি

    আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৩ দিনের ছুটি

    আগামী আগস্ট ও সেপ্টেম্বর- এই দুই মাসে সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি ছুটি মিলিয়ে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৩ দিনের অবকাশ থাকবে। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দুই মাসে মোট ৩৮ দিন শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির পঞ্জিকা বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

    ছুটির পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগস্ট মাসে মোট ১২ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন সাপ্তাহিক ছুটি এবং ৩ দিন সরকারি ছুটি। সরকারি ছুটিগুলো হলো ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী।

    আগস্ট মাসে শ্রেণি কার্যক্রম চলবে ১৯ দিন।

    অন্যদিকে, সেপ্টেম্বর মাসে মোট ১১ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি ও নির্ধারিত সরকারি ছুটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ মাসেও ১৯ দিন শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বা বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত বা ঐচ্ছিক ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে।

  • বাজারে পাওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলেছে মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক

    বাজারে পাওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলেছে মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক

    দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে এক গবেষণায় দাবি করেছে পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)।

    রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক বছরব্যাপী পরিচালিত এ গবেষণার ফল প্রকাশ করে সংস্থাটি।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৩২০টি কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরাইড জেল’-এ।

    এসডো জানায়, গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে’ স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড (এফটিআইআর) স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, পরীক্ষা করা ২৫টি দেশীয় টুথপেস্টের মধ্যে ২২টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এছাড়া ভারতের পাঁচটির মধ্যে একটিতে, থাইল্যান্ডের দুটির মধ্যে একটিতে এবং ভিয়েতনামের দুটি টুথপেস্টের দুটিতেই এ ক্ষতিকর কণা শনাক্ত হয়েছে।

    উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য তৈরি ছয়টি টুথপেস্টের চারটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

    গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম হিসেবে মেডিপ্লাস ফ্লুরাইড জেলে ৩২০টি, ক্লোজ আপ রেড হটে ১৬০টি, ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশে ১৬০টি, কোডোমো আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টিতে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্টে ১০০টি, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ারে ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

    শিশুদের টুথপেস্টের মধ্যে কোডোমো আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

    তবে গবেষণায় বাংলাদেশে উৎপাদিত জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এছাড়া শিশুদের জন্য আমদানি করা কোডোমো অরেঞ্জ টুথপেস্টেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • পে স্কেল নিয়ে নতুন দুঃ’সং’বাদ

    পে স্কেল নিয়ে নতুন দুঃ’সং’বাদ

    দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে আবারও আলোচনা তুঙ্গে। গত ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকরের প্রত্যাশা থাকলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে চাকরিজীবীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বাড়ছে।

    নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সম্প্রতি অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে সংস্থাটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নতুন পে স্কেল সময়ের দাবি। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থানই সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    সরকারের রাজস্ব আয় এখনো প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌঁছায়নি। একই সঙ্গে বাজেট ঘাটতির চাপও রয়েছে। এ অবস্থায় বড় পরিসরে বেতন বৃদ্ধি সরকারি ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি বাজারে অতিরিক্ত অর্থের প্রবাহ মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলেও সংস্থাটির আশঙ্কা।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হলে তাদের বেতন-ভাতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার জন্য প্রায় ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।

    এ ছাড়া ‘জনপ্রশাসন-নিট’ খাতে সংশোধিত বাজেটের তুলনায় অতিরিক্ত ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা সংরক্ষণ করা হয়েছে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য। এ অর্থ সরকারি কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।

    তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারি ব্যয় বাড়লেও রাজস্ব আদায় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে একসঙ্গে পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়ন করলে বাজেট ঘাটতি বাড়তে পারে এবং দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতেও তারল্য সংকটের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

    সরকারি সূত্রগুলোও ইঙ্গিত দিচ্ছে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এক ধাপে পুরো পে স্কেল বাস্তবায়ন করা কঠিন হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথম ধাপে মূল বেতন (বেসিক) বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা যুক্ত করা হতে পারে।

    এদিকে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সম্প্রতি অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে সংস্থাটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    আইএমএফের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সরকারের রাজস্ব আয় এখনো প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌঁছায়নি। একই সঙ্গে বাজেট ঘাটতির চাপও রয়েছে। এ অবস্থায় বড় পরিসরে বেতন বৃদ্ধি সরকারি ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি বাজারে অতিরিক্ত অর্থের প্রবাহ মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলেও সংস্থাটির আশঙ্কা।

    বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন প্রয়োজন। তবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কৌশলই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত হতে পারে।

    এখন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৃষ্টি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের দিকে।

  • নতু’ন ক্লা’বে যো’গ দিলেন বিশ্বকাপ মা’তানো কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষক

    নতু’ন ক্লা’বে যো’গ দিলেন বিশ্বকাপ মা’তানো কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষক

    রূপকথার বিশ্বকাপ অভিযান এবার ভোজিনিয়াকে নতুন ঠিকানায় এনে দিলো। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বমঞ্চে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নজর কাড়ার পর চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো কোলোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ৪০ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।

    শুক্রবার (২৪ জুলাই) ক্লাবটির সভাপতি আনিবাল মোসা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভোজিনিয়া কোলো কোলোর খেলোয়াড় হতে যাচ্ছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তিনি চিলিতে আসবেন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।’

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ফ্রি এজেন্ট হিসেবে থাকা ভোজিনিয়া শিগগিরই চিলিতে যাবেন। সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন তিনি। এরপর এস্তাদিও মনুমেন্তালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কোলো কোলোর সঙ্গে ১৮ মাসের চুক্তি করেছেন ভোজিনহা।

    আসল নাম জোসিমার দিয়াস হলেও ফুটবল বিশ্বে তিনি পরিচিত ভোজিনিয়া নামেই। আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলের ছোট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দেকে শেষ ৩২-এ নেওয়ার পথে গোলপোস্টের নিচে দুর্দান্ত ছিলেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেয় নবাগত দলটি।

    তবে বিদায়ের আগেই নিজের অসাধারণ নৈপুণ্যে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে আসেন ভোজিনিয়া। দুই ফাইনালিস্ট স্পেন এবং আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে বিশ্বকাপের আলো কেড়ে নেন। অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

    জানা যায়, ৪০ বছর বয়সী ভোজিনিয়া পেশাদার ক্যারিয়ারে আরও এক বা দুই মৌসুম খেলতে চান। সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভোজিনিয়া বলেন, ‘আমি এমন একটি দল চাই, যারা আমার খেলোয়াড়ি দক্ষতাকে মূল্যায়ন করবে, শুধু মার্কেটিংয়ের জন্য কিনবে না।’ সে সময় তার ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জনও উঠেছিল।

    বিশ্বকাপে দারুণ পারফরম্যান্সের প্রভাব পড়েছে ভোজিনিয়ার জনপ্রিয়তাতেও। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ৫০ হাজারেরও কম। বিশ্বকাপ শেষে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখে। এখন সেই জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো কোলোর জার্সিতে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন কেপ ভার্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিয় মুখ ভোজিনিয়া নতুন দল পাওয়ার ঘোষণা ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন লিখেছেন, ‘তার কারণে কত শিশু যে গোলরক্ষক হতে চাইবে! এটি দারুণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’ এমনকি ইংরেজ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহামও এই চুক্তির পোস্টে মন্তব্য করে লিখেছেন, ‘দ্য বেস্ট।’

  • যেসব ভি’টামিনের অ’ভাবে রাতে ঘুম কম হয়, জেনে নিন

    যেসব ভি’টামিনের অ’ভাবে রাতে ঘুম কম হয়, জেনে নিন

    প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ঘুমানো শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারী। সুস্থ থাকতে দৈনিক অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। তবে আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে অনেকেই ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। এর পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে শরীরে নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিনের ঘাটতি।

    আসুন জেনে নেই কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

    ভিটামিন সি: ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যা রোধ করে এবং ভালো ঘুম আনে। পালং শাক, ফুলকপি, সাইট্রাস ফল যেমন— কমলা, লেবু ইত্যাদি ভিটামিন সির ভালো উৎস।

    ভিটামিন বি-৬: এ ভিটামিন অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে এবং রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করে। কলা, গাজর, পালং শাক, আলু, ডিম, চিজ, মাছ এবং গোটা শস্যদানায় প্রচুর ভিটামিন বি-৬ পাওয়া যায়।

    ভিটামিন বি-১২: এটি মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ঘুমের সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। প্রাণিজ প্রোটিন এবং দুধজাতীয় খাবারে এ ভিটামিন পাওয়া যায়।

    ভিটামিন ডি: ভিটামিন ডি হাড়ের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঘুমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি খেলে ভালো ঘুম হয় এবং অ্যানিমিয়া বা অনিদ্রার সমস্যা কমে যায়। সূর্যালোক ছাড়াও আপনি সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ ও ফলের রস থেকে ভিটামিন ডি পেতে পারেন।

    ভিটামিন ই: এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা কোষের সুস্থতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

    ভিটামিন-ই ঘুমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পালং শাক, ব্রকলি এবং টমেটো থেকে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।

    সূত্র: স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইট