Blog

  • মধ্যরা’তে বা’ইকে দুই ত’রুণের মাঝে অ’চেত’ন ত’রুণী, সা’মনে এল নতুন চা’ঞ্চল্য’কর ত’থ্য

    মধ্যরা’তে বা’ইকে দুই ত’রুণের মাঝে অ’চেত’ন ত’রুণী, সা’মনে এল নতুন চা’ঞ্চল্য’কর ত’থ্য

    রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে মাঝরাতে মোটরসাইকেলে তরুণের মাঝে এক তরুণীকে নিথর অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার রহস্যময় ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশনে দেওয়া ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর নিয়ে নতুন রহস্য তৈরি হয়েছে। 

    কারণ আলোচিত সেই মোটরসাইকেলটির (ঢাকা মেট্রো-ল ৫১-৫৩২৪) রেজিস্ট্রেশনে দেওয়া দুটি মোবাইল নম্বরই ভুয়া বলে ধারণা করছে পুলিশ।

    নম্বর প্লেটের তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলটির মালিকের বাড়ি কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে। পাশাপাশি দুটি মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে। এর একটির শেষ তিন সংখ্যা ১৫২। নম্বরটি এক শোরুম মালিকের। 
     
    তবে তিনি দাবি করেছেন, ওই মোটরসাইকেলটি তার শোরুম থেকে বিক্রি হয়নি এবং কীভাবে তার নম্বর সেখানে গেল, তা তিনি জানেন না। অন্য একটি নম্বর দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পাওয়া গেছে।

    প্রসঙ্গত, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা ১৫ থেকে ৩টা ২০ মিনিটের দিকে বাইকের তিন আরোহীকে ঢাকার রাস্তায় দেখা যায়। ওমরাহ সফর শেষ করে বগুড়ায় ফেরার পথে মুফতি মনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত একটি মোটরসাইকেলকে অনুসরণ করেন। 

    তিনি দেখতে পান, মোটরসাইকেল চালকের পেছনে বসা এক যুবক এক তরুণীকে জাপটে ধরে রেখেছেন। তরুণীটির পা দুটি খালি ছিল এবং অস্বাভাবিকভাবে নিথর হয়ে ঝুলছিল।

    সন্দেহজনক এই দৃশ্য দেখে প্রত্যক্ষদর্শী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করার চেষ্টা করেও সংযোগ পাননি। পরে তিনি মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেটসহ স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    টঙ্গী পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মোটরসাইকেল আরোহীদের শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের অসংগতি ও মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় ঘটনার রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

    ফেসবুক পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর ‘জারা চৌধুরী রাত্রি’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে কমেন্টে দাবি করা হয়, মেয়েটি উত্তরার একটি বারে মদ্যপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে তিনি দেখেছেন।

    ওই আইডি থেকে কমেন্ট করা হয়, ‘এই মেয়েটা উত্তরায় একটি বারে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে অসুস্থ হয়ে যায়। পরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিচে নামানো হয়। আমি ওই বারে ছিলাম। তাই বিষয়টি জানি।’

    এই দাবি নিয়ে কয়েকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী সন্দেহ প্রকাশ করলে আইডি থেকে পাল্টা রিপ্লাই দিয়ে বলা হয়, ‘এটা আজকের ঘটনা। আমি ড্রেস দেখে মেয়েটিকে চিনেছি। আমি শিওর হওয়ার পর আমার বন্ধুদের দেখালাম। ওরাও শিওর হলো যে ওই মেয়েটাই।’

    ‘জারা চৌধুরী রাত্রি’ নামের ওই ফেসবুক আইডির দাবির সত্যতা যাচাই করা যায়নি। এছাড়া মোটরসাইকেল মালিকের আসল ঠিকানা এবং পরিচয় নিয়ে সন্দেহ থাকায় এই প্রতিবেদনে তার নাম-ঠিকানা প্রকাশ করা হয়নি।

  • যে ৪ ধরনের মা’নুষের জন্য নি’রাপদ নয় চি’য়া সি’ড, জেনে নিন

    যে ৪ ধরনের মা’নুষের জন্য নি’রাপদ নয় চি’য়া সি’ড, জেনে নিন

    চিয়া সিড সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুপারফুড হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ভিটামিন বি১, প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ছোট বীজগুলি ওজন নিয়ন্ত্রণ, ত্বক ও চুলের যত্ন এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে সব মানুষের জন্য চিয়া সীড সমানভাবে নিরাপদ নয়। বিশেষ কিছু গ্রুপের মানুষের জন্য অতিরিক্ত সেবন ক্ষতিকর হতে পারে।

    ১. হজমের সমস্যা থাকা ব্যক্তিরা

    চিয়া সিডের উচ্চ ফাইবার কন্টেন্ট হজমের জন্য সাধারণত ভালো হলেও, আইবিএস বা অন্যান্য অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য এটি সমস্যার কারণ হতে পারে। ফলে পেট ব্যথা, ক্র্যাম্প, ডায়রিয়া এবং ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।

    পুষ্টিবিদ আবনি কৌল বলেন, ‘হজমের সমস্যা থাকলে চিয়া সিড পরিমাণমতো এবং ভিজিয়ে খাওয়া ভালো, এতে হজম সহজ হয়।’

    ২. ডায়াবেটিস রোগী ও রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণ ওষুধে থাকা ব্যক্তি

    চিয়া সিড রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ হাইপোগ্লাইসিমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যার ফলে ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগার ওষুধে থাকা ব্যক্তিরা পরিমাণ মনিটর করে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিয়া সীড খাওয়া উচিত।

    ৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক ওষুধে থাকা ব্যক্তি

    চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে রক্ত পাতলা করতে সাহায্য করে। ফলে অতিরিক্ত সেবনে রক্তচাপ অনেকটা কমে যেতে পারে, যা মাথা ঘোরা বা মৃদু বমির ঝুঁকি বাড়ায়। এতে রক্তচাপ ওষুধে থাকা ব্যক্তিরা চিয়া সিড যুক্ত করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং রক্তচাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।

    ৪. এলার্জি প্রবণ ব্যক্তি

    কিছু ক্ষেত্রে চিয়া সিড এলার্জি সৃষ্টি করতে পারে। উপসর্গ হিসেবে ত্বকে লালচে দাগ, চুলকানি, বমি বা অজানা রকম অসুবিধা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমবার চিয়া সিড খাওয়ার আগে ছোট পরিমাণ দিয়ে পরীক্ষা করুন। কোনো অসুবিধা দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

    চিয়া সিড সঠিকভাবে খাওয়ার নিয়ম

    পরিমাণমতো গ্রহণ: দিনে ১-২ টেবিল চামচ পর্যাপ্ত।

    ভিজিয়ে খাওয়া: চিয়া সিড ভিজিয়ে খেলে হজম সহজ হয় এবং অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যা কমে।

    পর্যাপ্ত পানি পান করুন: চিয়া সিড অনেক পানি শোষণ করে, তাই দিনে প্রচুর পানি পান করা জরুরি।

    চিকিৎসকের পরামর্শ নিন: অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে, গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদান অবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জানান।

    তথ্যসূত্র: হেলথ শটস

  • শ্বে’তী রো’গটি কি? এটি কাদের হয়, সময় থাকতে জানা দরকার, জেনে নিন

    শ্বে’তী রো’গটি কি? এটি কাদের হয়, সময় থাকতে জানা দরকার, জেনে নিন

     শ্বেতী রোগটি কি? এটি কাদের হয়, সময় থাকতে জানা দরকার। এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান ও প্রয়োগের অভাবে রোগ থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন না। এই নিবন্ধে আমরা চেষ্টা করেছি সেই সঠিক তথ্যাদি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে, যাতে আপনারা বিষয়টি সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

    শ্বেতী রোগ আ’ক্রা’ন্তদের মনের কষ্ট বুঝতে পেরে তাদের সহযোগিতায় আমা’দের এ ছোট্ট নিবেদন। এই প্রবন্ধের শেষের দিকে আরো কিছু রোগের কারণ ও প্রতিকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এসকল রোগ থেকে আরোগ্য লাভের নানা পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। আপনারা এ রোগ থেকে মুক্ত হন এবং অ’পরকে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্যের জন্য সংবাদটি শেয়ার করুন-এটাই আমা’দের কামনা। বাংলাদেশের মতোই সারাবিশ্বে শ্বেতী – বড় অদ্ভুত একটি রোগ, তবে ভ’য়াবহ নয় মোটেও! শুধুমাত্র রোগটি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগীকে দেখলে ভয়ে আঁতকে ওঠেন অনেকেই।

    অনেকেই ভ্রূ কুঞ্চিত করেন ভাবনায়, ছোঁয়াচে নয়তো! একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই অ’ভিব্যক্তি দেখে শ্বেতী রোগীর মনে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? কেউ হয়তো অ’পমানিতবোধ করেন, কেউ বা পান কষ্ট! যেহেতু শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধাপে ধাপে করতে হয় তাই এটি অনেক সময়সা’পেক্ষ। ৬ মাস থেকে ১৮ মাস এমনকি এক দুই বছর ধরে ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মতে চিকিৎসা চালাতে পারলে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে দে’হের লোমশ

    অংশের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয় কিন্তু যেসব অংশে লোম থাকে না, যেমন আঙুল, ঠোঁট ইত্যাদির চিকিৎসায় দীর্ঘসময় লেগে যেতে পারে। শ্বেতী রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো ল্যাব’রেটরি পরীক্ষা ছাড়া শুধু রোগের লক্ষণ দেখেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর’্শ অনুযায়ী ঔষধ ব্যবহার করা হয়। প্রয়োজনে রোগীর বয়স, রোগের সময়কাল, রোগের স্থান এবং ব্যা’প্তিভেদে চিকিৎসা প’দ্ধতি বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় Recap ক্রিম, Vitiligo

    Natural, Vitiligo Natural Harbs, Vitiligo Remover সহ চিকিৎসকের নির্দেশনামতে আরো কিছু ঔষধ কয়েক মাস এমনকি প্রয়োজনে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে সেবন করতে হয়। এ চিকিৎসায় ধীরে ধীরে শ্বেতী থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এবং সারাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন। এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে আপনি নিজে সরাসরি গিয়ে ঔষধ গ্রহণ করতে পারলে তা হবে পারফেক্ট।

    শ্বেতী রোগের চিকিৎসায় সাফল্য : ধানমন্ডির এই শিশুটি শ্বেতী মুক্ত হয়েছে-তবে যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয় তবে বাংলাদেশের যে কোনো জে’লায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও দু’ থেকে তিন দিনের মধ্যেই ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন। প্রবন্ধের শেষে হাকীম মিজানুর রহমান-এর সাথে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া আছে। তাঁর সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।

    এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় এ চিকিৎসা গ্রহণ করলে শরীরে মেলানিন উৎপন্য ’হতে শুরু করে এবং আ’ক্রা’ন্ত স্থান ক্রমে কমে শরীরের অন্যান্য স্থানের মতোই সুন্দর হয়ে উঠে এবং শ্বেতী রোগের পরিসমা’প্তি ঘটে। সেই সাথে ভবি’ষ্যতে আবার যাতে শ্বেতী আ’ক্রা’ন্ত না ’হতে হয় সেজন্য ডাক্তারের নির্দেশমতো চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। ফলে পরবর্তীতে এ রোগে আ’ক্রা’ন্ত হবার সম্ভাবনা আর থাকে না। যাদের শ্বেতী রোগ আছে তারা এ চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন৷ এটা একটা ভাল মানের চিকিৎসা সেবা।

    কারো কারো শ্বেতীরোগ চিকিৎসায় ভালো ’হতে একটু সময় লাগে। কারো কারো এক বছর বা দেড়-দুই বছরও সময় লাগে। কারো কারো কম সময়ে ভাল হয়। তবে শ্বেতীরোগের পরিমানের উপর সময় কম বা বেশী লাগে। তাই নিরাশ না হয়ে চিকিৎসা সেবা নিলে ভাল ফল পাবেন। প্রাথমিক পর্যায় হলে সম্প্রতি আবি’ষ্কৃত Recap নামের ঔষধ ব্যবহারে এর সফল চিকিৎসা আছে। সেই সাথে Vitiligo Natural ব্যবহার করতে হবে। এটি শ্বেতী রোগের মহৌষধ। এছাড়াও আরো কিছু ঔষধ রয়েছে, যা পরবর্তীতে অবস্থা ভেদে প্রদান করা হয়।

    রোগের বয়স দীর্ঘ বা ক্রনিক হলে দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করতে হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দু’জনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। কারণ শ্বেতী একটি জটিল রোগ। এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে ধৈয্যের পরিচয় দিতে হয়। যাদের এ রোগটি শুরুর সাথে সাথেই চিকিৎসা শুরু করা যায় অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগ করা যায় এবং নিম্নে বর্ণিত খাবার বিধি-নিষে’ধের বি’ষয়ে সচেতন হওয়া যায়। তাদের এ রোগ সহজেই নির্মূল হয়।

    আর এ রোগটি দু’তিন বছর যারা লালন পালন করছেন। খাবার দাবার বিধি-নিষে’ধমতো গ্রহণ করছেন না, ঔষধ প্রয়োগ করছেন না তাদের সুস্থ ’হতে তিন, চার বা ছয়মাস এমনকি দু’এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে ঔষধ প্রয়োগের বি’ষয়ে ধৈর্য হারাবেন না। ঔষধ ব্যবহার করতে হবে এবং খাবার-দাবারের বি’ষয়ে নিম্নে বর্ণিত বিধি নিষে’ধগু’লো মেনে চলতে দ্রুত এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।

  • শ’রীরের যে সম’স্যা থাকলে ভু’লেও র’সুন খা’বেন না! জেনে নিন

    শ’রীরের যে সম’স্যা থাকলে ভু’লেও র’সুন খা’বেন না! জেনে নিন

    রসুন আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকার বয়ে আনে। বেশিরভাগ বাড়িতেই রসুনের ব্যবহার হয়ে থাকে। রসুনের স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য প্রচুর পরিমাণে মানুষ রসুন খেতে পছন্দ করেন।

    তবে রসুনের মধ্যে এমন কয়েকটি বড় গুণ আছে যার জন্যই রসুনকে ওষুধের মত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। রসুনের ব্যবহার বিশেষত আমিষ রান্নাতেই হয়ে থাকে। যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, আচার, সস, পিৎজা, পাস্তা ইত্যাদি।

    এক কথায় রসুনকে বলা যেতে পারে সর্বগুণ সম্পন্ন। অনেক বড় বড় গুণ আছে যা কঠিন ব্যাধি থেকে মুক্তি দিতে পারে। তবুও বেশ কিছু ক্ষেত্রে রসুন খেলে বিরাট সমস্যা হতে পারে।

    একনজরে জেনে নেওয়া যাক কাদের রসুন খাওয়া উচিৎ নয়-

    যাদের কয়েকদিন ছাড়া ছাড়া অ্যাসিডির সমস্যায় ভুগতে হয়। তাদের রসুনের সেবন করাটা মোটেই উচিৎ নয়। এতে সমস্যা কমার বদলে বেড়েই যাবে।

    পেটের অবস্থা যাদের ভাল নয়, অর্থাৎ হজমশক্তি দুর্বল, তারা মোটেই রসুন খাবেন না। সমস্যা বাড়বে এমনভাবে, বুঝতেই পারবেন না।

    যাদের ঘামের গন্ধ আছে তারা ভুলেও রসুন খাবেন না। যারা রক্ত তরল করার ওষুধ খান তারাও রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

    যারা গ্যাস্ট্রো সমস্যায় ভুগছেন, তাদের অল্প পরিমাণে রসুন খাওয়া দরকার। তাই সামান্য পরিমাণে রসুন খেলে সবদিকই বজায় থাকবে।

    একজন মানুষকে ঠিক কতখানি রসুন খেতে হবে। এর কোনও বিশেষ পরিমাপ নেই। তবে রিসার্চ বলছে প্রতিদিন ৩ থেকে ৬ গ্রাম রসুন শরীরের পক্ষে ভালো।

  • ব’য়স কম কিন্তু মনে হচ্ছে বেশি, যে তিন ভি’টামিনের অ’ভাব

    ব’য়স কম কিন্তু মনে হচ্ছে বেশি, যে তিন ভি’টামিনের অ’ভাব

    আমাদের ত্বক সুস্থ রাখার প্রথম শর্তই হলো পুষ্টিকর খাবার। খাদ্যাভ্যাস ভালো না হলে সুন্দর ত্বক পাওয়া অসম্ভব। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়— বয়স কম কিন্তু মনে হচ্ছে বয়স বেশি। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন— কয়েকটি ভিটামিনের অভাবে এমনটা হয়। এমন অবস্থায় শরীরকে দিতে হবে এই তিন ভিটামিন। পুষ্টি বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ বিষয়ে জানানো হলো।

     

    ভিটামিন সি
    এটা ত্বকের ভেতর ও বাইরে দুই স্তরেই কাজ করে। ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত ও ক্যান্সার প্রতিরোধক। এটা কোষকলা উৎপাদন করে ও প্রোটিন ত্বককে দৃঢ় ও নমনীয় করে। ভিটামিন সি বয়সের ছাপ কমায় ও ত্বক টানটান ও কোমল রাখে।

    ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার
    টক ফল যেমন- কমলা, লেবু, আঙুর-জাতীয় ফল, মিষ্টি লেবু। স্ট্রবেরি, কিউই, পেঁপে। টমেটো। সবজি যেমন- ব্রকলি, ফুলকপি।

     

    ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
    সুন্দর ত্বকের জন্য খাবারে নায়াসিন অথবা ভিটামিন বি-থ্রি যোগ করা প্রয়োজন। ত্বকের মসৃণভাব বাড়াতে, বলিরেখা দূর করতে ও কোমলভাব আনতে ভিটামিন বি-থ্রি জরুরি। এটা ত্বকে সেরামাইডস ও ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরিতে ভূমিকা রেখে ত্বকে সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এছাড়াও ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করে কোমল ভাব ধরে রাখতে ভিটামিন বি গ্রহণ করা প্রয়োজন। ফলিক অ্যাসিড অথবা ভিটামিন বি-নাইন কোষ উৎপাদন ও কোষের বৃদ্ধির জন্য জরুরি। তারুণ্যময় ত্বকের প্রথম শর্ত হল স্বাস্থ্যকর কোষ।

    ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার
    বাদামি চাল ও শস্য যেমন- বাজরা, বার্লি। ডিম ও দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। সবজি, বীজ ও বাদাম।

    ভিটামিন ই
    আরেকটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উন্মুক্ত রেডিকেলের কারণে হওয়া ত্বকের জারনের ক্ষয় হ্রাস করে। এই ভিটামিনে আছে প্রদাহনাশক উপাদান যা ত্বক কোমল ও মসৃণ করতে সাহায্য করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ভিটামিন ই ত্বককে গভীর থেকে আর্দ্র রাখে। ত্বক কোমল ও মসৃণ করতে সহায়তা করে।

    ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার
    সবুজ সবজি যেমন- পালংশাক ও ব্রকলি। বাদাম- চিনা বাদাম, কাঠ বাদাম ও হ্যাজেল বাদাম। সূর্যমুখীর বীজ।

  • সকালে খা’লি পে’টে র’সুন-ম’ধু  এ’কস’ঙ্গে খে’লে যা হয়

    সকালে খা’লি পে’টে র’সুন-ম’ধু এ’কস’ঙ্গে খে’লে যা হয়

    কেবল খাবার হিসেবে নয়, বহুকাল আগে থেকে রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জাতিই রসুনকে বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করে আসছে।

    প্রাচীন গ্রিকরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই রসুনের ব্যবহার করত। এ ছাড়া অলিম্পিক গেমের ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য রসুন খেতেন। প্রাচীন চীন ও জাপানে রসুনকে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ভারতে হৃদরোগ ও গাঁটে ব্যথা প্রতিরোধে দীর্ঘকাল ধরেই রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে।

    আবার বিভিন্ন দেশে রোগ নিরাময়কারী উপাদান হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসঙ্গে হয়, তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।

    রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের  সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।

    জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট রাইস আর্থ জানিয়েছে মধু ও রসুনের এই মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি।

    উপাদান

    একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম, মধু, তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলো বের করুন।)

    প্রণালি

    প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো নিন। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালুন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করুন।

    প্রতিদিন খালি পেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খান। ঠান্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে কাজ করবে।

  • ফ্যা’টি লি’ভার দূ’র করার প্রা’কৃতিক উ’পায়, জেনে নিন কা’জে লা’গবে

    ফ্যা’টি লি’ভার দূ’র করার প্রা’কৃতিক উ’পায়, জেনে নিন কা’জে লা’গবে

    ফ্যাটি লিভার ডিজিজ নীরবে তৈরি হয়। এর কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ বা তাৎক্ষণিক সতর্ক সংকেত থাকে না, লিভার ধীরে ধীরে চর্বিতে ভরে যায়। অনেকের কাছে এই রোগ নির্ণয়টি উদ্বেগজনক মনে হয়। কিন্তু একটি আশ্বস্তকারী সত্য হলো, এটি এমন কয়েকটি রোগের মধ্যে একটি যেখানে সঠিক সহায়তা পেলে শরীর সত্যিই নিজেকে সুস্থ করে তুলতে পারে। আসল প্রশ্নটি এটা নয় যে ওষুধ ছাড়া এটি সেরে উঠতে পারে কি না। বরং প্রশ্নটি হলো, লিভারের প্রকৃত প্রয়োজনের সঙ্গে দৈনন্দিন অভ্যাসগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না।

    শরীরের অভ্যন্তরে ফ্যাটি লিভারের আসল অর্থ কী

    ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, বিশেষ করে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD), তখন দেখা দেয় যখন লিভারের কোষগুলোতে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়। এটি শুধু চর্বি জমার বিষয় নয়। এটি একটি লক্ষণ যে শরীর সঠিকভাবে শক্তি প্রক্রিয়াকরণে হিমশিম খাচ্ছে।

    এর কেন্দ্রে রয়েছে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। শরীর ইনসুলিনের প্রতি ভালোভাবে সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেয়, ফলে রক্তে শর্করা বেশিক্ষণ থেকে যায়। এরপর লিভার এই অতিরিক্ত শর্করাকে চর্বিতে রূপান্তরিত করে এবং তা সঞ্চয় করে।

    কেন ওষুধ সবসময় প্রথম সমাধান নয়

    প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভারের জন্য ওষুধ প্রধান সমাধান নয়। ওষুধের অভাবে লিভার অকার্যকর হয়ে পড়ছে না। এটি দৈনন্দিন বিভিন্ন উপাদান, খাবার, নিষ্ক্রিয়তা, মানসিক চাপ এবং অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    ফ্যাটি লিভার ডিজিজ মানে শুধু একটি ওষুধের প্রয়োজন নয়, বরং এর মূল কারণটি বোঝাটাই বেশি জরুরি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, বিশেষ করে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজে, ওষুধ ছাড়াই এর প্রতিকার করা সম্ভব, তবে এর জন্য জীবনযাত্রার পরিবর্তনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা প্রয়োজন।

    বিজ্ঞান-সমর্থিত সত্য: ওজন কমালে কাজ হয়

    বিশ্বব্যাপী গবেষণায় সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলাফলের মধ্যে একটি হলো, পরিমিত ওজন কমালে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে দূর করা যায়। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস-এর একটি বড় গবেষণায় দেখা গেছে যে, শরীরের ৭-১০% ওজন কমালে লিভারের চর্বি, প্রদাহ এবং এমনকি প্রাথমিক ক্ষতও হ্রাস পেতে পারে।

    খাদ্য নির্বাচন

    লিভার প্রতিদিন যা খাওয়া হয় তাতে দ্রুত সাড়া দেয়। তাই খাদ্যাভ্যাসের মান উন্নত করুন। এর মূল কথা হলো কম প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া, চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলা এবং কার্বোহাইড্রেট অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ না করা, পাশাপাশি খাবারে আরও বেশি ফাইবার যোগ করা নিশ্চিত করা। পরিশোধিত ময়দার পরিবর্তে গোটা শস্য, তাজা শাক-সবজি এবং ফল, বাদাম এবং অলিভ অয়েলের মতো স্বাস্থ্যকর চর্বি, মাছ এবং ডালের মতো চর্বিহীন প্রোটিন নিয়মিত খান। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লুকানো চিনি এবং অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো।

    ব্যায়াম: সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে উপেক্ষিত উপায়

    কার্যকর হওয়ার জন্য ব্যায়ামকে তীব্র হতে হবে না। লিভার নিয়মিত নড়াচড়ায় সাড়া দেয়, মাঝেমধ্যে হঠাৎ করে করা নড়াচড়ায় নয়। বেশিরভাগ দিন ৩০-৪০ মিনিটের দ্রুত হাঁটাও ধীরে ধীরে লিভারের চর্বি কমাতে পারে। ব্যায়াম পেশীগুলোকে ভালোভাবে গ্লুকোজ ব্যবহার করতে সাহায্য করে, যা লিভারের ওপর চাপ কমায়। বেশিরভাগ দিন ৩০-৪০ মিনিটের সাধারণ হাঁটাও ধীরে ধীরে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

    ঘুম এবং ধৈর্যের ভূমিকা

    জীবনযাত্রা শুধু খাবার এবং ব্যায়ামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ঘুম এবং মানসিক চাপ সরাসরি বিপাকীয় স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। অপর্যাপ্ত ঘুম ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ কর্টিসলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা শরীরকে লিভারসহ অন্যান্য স্থানে আরও বেশি চর্বি জমা করতে উৎসাহিত করে। এই অবস্থার পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটিও ধীর। দৈনন্দিন জীবনে এর কোনো দৃশ্যমান লক্ষণ দেখা যায় না, যা প্রায়শই হতাশার কারণ হয়।

  • ঘু’মের মধ্যে হ’ঠাৎ পা’য়ের র’গে টা’ন ধ’রলে যা করবেন, জেনে নিন

    ঘু’মের মধ্যে হ’ঠাৎ পা’য়ের র’গে টা’ন ধ’রলে যা করবেন, জেনে নিন

    শীতে পায়ের রগে টান ধরার ঘটনা বেড়ে যায়। ঘুমের মধ্যেই বেশিরভাগ মানুষের পায়ের রগে টান ধরে। আবার ঘুম থেকে উঠতে গেলে কিংবা সকালে হাঁটা শুরু করতেই পায়ের শিরায় টান ধরে অনেকেরই। কখনো আবার হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎই বেঁকে যায় পায়ের আঙুল।

    আসলে রগে পা পেশিতে টান ধরার কারণ হলো ডিহাইড্রেশন। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে এই টান ধরার প্রবণতা বাড়ে। শীতে পানি খাওয়ার পরিমাণ কম হয়। ফলে শরীরে দেখা দেয় পানিশূন্যতা। এছাড়া আরও কিছু কারণে পায়ের রগে টান ধরতে পারে যেমন-

    >> শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামের ঘাটতি।>> অতিরিক্ত ব্যায়াম, পরিশ্রম বা পায়ের পেশির বেশি ব্যবহার।>> পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন। >> খুব ঠান্ডা আবহাওয়া।>> গর্ভকালীন খনিজের অভাব।>> বেশিক্ষণ সময় বসে থাকা, শক্ত জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা বা ঘুমের সময় ভুল দেহভঙ্গির কারণে এমন হতে পারে।

    হঠাৎ পায়ের রগে টান ধরলে দ্রুত যা করবেন-

    >> হাত-পা-আঙুলের ক্র্যাম্প থেকে মুক্তি পেতে আক্রান্ত স্থান ও এর চারপাশে আঙুলের চাপে ম্যাসাজ করুন। এমনভাবে ম্যাসাজ করতে হবে যাতে শক্ত হয়ে যাওয়া পেশি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।

    >> পায়ে ক্র্যাম্পের ক্ষেত্রে হালকা করে চাপ দিয়ে ধীরে ধীরে স্ট্রেচিং করুন। অন্য কোনো ব্যায়াম এ সময় না করাই ভালো।

    >> হট ব্যাগ ব্যবহার করুন টান ধরার জায়গায়। ১০ সেকেন্ড রাখার পর সেখানে বরফ সেঁক দিন। আবার ১০ সেকেন্ড পর হট ব্যাগ দিন। এভাবে ঠান্ডা ও গরম সেঁক দিলে ব্যথা কমতে শুরু করবে।

    >> হঠাৎ পায়ে টান ধরলে শক্ত কোনো কাজ করবেন না। এতে টান ধরা জায়গায় চাপ পড়তে পারে। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

    >> সারা দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। শরীরে পানির ভারসাম্য রক্ষা করতে ডাবের পানি বা লেবুর পানিও পান করতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পানির ঘাটতির জন্যই এমনটি হয়।

    সূত্র: জি নিউজ

  • দাঁ’ত ও ন’খের সা’দা দা’গ থেকে সা’বধান! না হলে অপেক্ষা করছে ভ’য়ংকর বি’পদ

    দাঁ’ত ও ন’খের সা’দা দা’গ থেকে সা’বধান! না হলে অপেক্ষা করছে ভ’য়ংকর বি’পদ

    দাঁত ও নখের সাদা দাগ থেকে সাবধান! না হলে মানব দেহের ভেতরে রোগের প্রতিফলন ঘটে শরীরের বাহ্যিক নানা লক্ষণের মাধ্যমে।অনেক সময় দাঁত ও নখের উপর তৈরি হওয়া সাদা ছোপ ছোপ দাগ রোগের কারণ হতে পারে। সম্প্রতি

    মান্থলি হেলথ জার্নাল অফ টরোন্টোতে এই বিষয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যে কারণে দাঁতের উপরে সাদা দাগ- যদিও বাচ্চাদের দাঁতের মধ্যে এই ধরনের দাগ সাদা দেখা যায়।

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই দাগ মিলিয়েও যায়।কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদের দাঁতে এই সাদা দাগ সাধারণ ভাবে এনামেল ঘটিত সমস্যাকে চিহ্নিত করে।ডাক্তারি পরিভাষায় এই

    রোগের ন‌াম ‘এনামেল হাইপোপ্ল্যাসিয়া’। এটা দাঁতের ক্ষয়ের প্রথম লক্ষণ। এই রোগের কোন ঘরোয়া প্রতিকার খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ক্যালসিয়াম পাউডার দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে কিছুটা প্রতিকার সম্ভব। ফলে দাঁতের ডাক্তারের দ্বারস্থ হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া অনেক সময়ে ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের কারণেও দাঁতে এরকম সাদা দাগ দেখা দিতে পারে।

    তাকে বলা হয় প্লাক। যে কারণে নখের উপর সাদা দাগ- সাধারণত কোন আঘাতজনিত কারণে অধিকাংশ সময়েই নখের উপর এই ধরনের দাগ তৈরি হয়। যার হাতে আঘাত লাগছে, তিনি অনেক সময় টেরও পান না যে আঘাত লেগেছে। কিন্তু পরে নখের উপর দেখা দেয় ওই সাদা দাগ। এছাড়া নখের উপর সাদা দাগের সৃষ্টি হতে পারে শরীরে জিংকের

    অভাবের কারণে। জিংকের অভাবের ফলে তৈরি হওয়া এই ধরনের দাগকে বলা হয় ‘লিউকোনিচিয়া’। জিংকের অভাবের কারণে আপনার শরীরে কোন ক্ষত শুকোতে যেমন সময় লাগে, তেমনই মুখের ভিতর কিংবা অন্য কোন স্পর্শকাতর জায়গায় দেখা দিতে পারে ঘা বা আলসার। এছাড়া জিংকের অভাবের ফলে দেখা দেয় নারী পুরুষের যৌন সমস্যাও। জিংকের অভাব মেটাতে ডিম,

    মাছ, দুধ, বিনস, বাদাম এবং মুসুর ডালের মতো খাবার অত্যন্ত উপকারী।কাজেই নখে যদি এই রকম সাদা দাগ দীর্ঘদিন ধরে থেকে যায়, তাহলে অবিলম্বে এই জাতীয় খাবার খাওয়া শুরু করাই বুদ্ধিমানের কাজ

  • ফ্যা’টি লি’ভার থাকলে কোন তে’ল খা’ওয়া উ’চিত? জানালেন বি’শেষ’জ্ঞ

    ফ্যা’টি লি’ভার থাকলে কোন তে’ল খা’ওয়া উ’চিত? জানালেন বি’শেষ’জ্ঞ

    আধুনিকতার এই সময়ে ব্যস্ত জীবনধারা এবং সেডেন্টারি লাইফস্টাইল আমাদের শরীরের জন্য নানা ঝুঁকি তৈরি করছে। অফিসের কাজ, ঘরে বসে প্রযুক্তি ব্যবহার আর খাদ্যাভ্যাসে জাঙ্কফুডের বৃদ্ধি; এসব মিলিয়ে লিভারের ওপর চাপ বাড়ছে।

    বিশেষ করে ফ্যাটি লিভার বা লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার সমস্যা এখন ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী মানুষের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। অথচ লিভার আমাদের শরীরের বিপাক হার নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টি শোষণ এবং টক্সিন নিঃসরণের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এই অঙ্গের যত্ন না নিলে শরীরের স্বাস্থ্য দ্রুত বিঘ্নিত হয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়েট ও খাদ্যাভ্যাসে সতর্কতা অবলম্বন করলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব। তাদের দাবি, লিভার সুস্থ রাখতে বিশেষ করে সঠিক খাবার তেল নির্বাচন খুব জরুরি।

    এ বিষয়ে দেশের প্রথমসারির একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন আল্-হায়াত হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কনসালটেন্ট ডায়টেসিয়ান ও পুষ্টিবিদ মোহাম্মদ আরিফ ইকবাল।

    তিনি বলেন, ফ্যাটি লিভারের রোগীদের জন্য সবচেয়ে উপকারী তেল হলো অলিভ অয়েল বা জলপাই তেল। এতে থাকা মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারে চর্বি জমা কমায় এবং লিভারের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    তিনি আরও জানান, সয়াবিন তেল ও ক্যানোলা তেলও পরিমিতভাবে নিরাপদ। এগুলোতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম, ফলে লিভারের কোষে প্রদাহ কমে এবং চর্বি জমার ঝুঁকি হ্রাস পায়। তবে সরিষা, নারিকেল বা পাম তেল অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন এই বিশেষজ্ঞ। কারণ এসব তেলে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা বেশি, যা লিভারে ফ্যাট জমার ঝুঁকি বাড়ায় এবং ফ্যাটি লিভারের অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে।

    এ ছাড়া ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করা, নিয়মিত হাঁটা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদ আরিফ।