Blog

  • সু’পারকম্পি’উটারের বিশ্লেষণে উঠে এলো কোন দল জিতবে বিশ্বকাপ

    সু’পারকম্পি’উটারের বিশ্লেষণে উঠে এলো কোন দল জিতবে বিশ্বকাপ

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে ফুটবলবিশ্বে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে একটি সুপারকম্পিউটার বিশ্লেষণ। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লিভারপুলের ম্যানেজমেন্ট স্কুলের গবেষকদের তৈরি এই মডেল জানিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে পারে ইংল্যান্ড ও স্পেন—যেখানে শিরোপা জয়ের সবচেয়ে বড় ফেভারিট হিসেবে এগিয়ে রাখা হয়েছে স্পেনকে।

    গবেষকদের দাবি, উন্নত মেশিন লার্নিংভিত্তিক এই সিস্টেম খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত দক্ষতা, দলের সমন্বয়, ইনজুরি পরিস্থিতি, ফিটনেস এবং প্রতিপক্ষ বিশ্লেষণসহ একাধিক ভেরিয়েবল ব্যবহার করে ফলাফল পূর্বাভাস দেয়। এক হাজার সিমুলেশন চালিয়ে প্রতিটি দলের সম্ভাব্য পথ, নকআউট পর্বে অগ্রগতি এবং শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা ২৬.১ শতাংশ, যা তালিকার শীর্ষে। এরপর রয়েছে ইংল্যান্ড ১৭ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে। ফ্রান্সের সম্ভাবনা ১৩.৫ শতাংশ, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ১২.৪ শতাংশ এবং পর্তুগালের ১০.৬ শতাংশ।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে উঠতে পারে। শেষ ষোলোতে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে ডিআর কঙ্গো ও মেক্সিকোর নাম উঠে এসেছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল এবং সেমিফাইনালে পর্তুগালের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও দেখানো হয়েছে।

    স্কটল্যান্ডের ক্ষেত্রেও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তারা গ্রুপে তৃতীয় স্থানে থাকতে পারে এবং শেষ ষোলোতে ওঠার সম্ভাবনা ১১.৮ শতাংশ।

    গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সমান সম্ভাবনায় এগিয়ে রয়েছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড এবং স্পেনের মিকেল ওইয়ারজাবাল। সিমুলেশন অনুযায়ী দুজনই গড়ে ৫.২টি করে গোল করতে পারেন।

    গবেষণার সহ-প্রধান ড. বেঞ্জামিন হোমস জানান, ইউরো ২০২৪-এর পর মডেলটি আরও উন্নত করা হয়েছে। এতে এখন ইনজুরি, নিষেধাজ্ঞা, ম্যাচের কৌশল, আবহাওয়া এবং ভৌগোলিক বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা তিনটি স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    তিনি বলেন, বাজিকরদের পূর্বাভাসের সঙ্গে মিল রেখে স্পেনই ফেভারিট অবস্থানে রয়েছে। তবে নরওয়ে এখানে ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে উঠে এসেছে, যার শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা ৩.৬ শতাংশ।

    অন্য একটি পৃথক গবেষণায় ইনসব্রুক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্লেষণেও স্পেনকে সামান্য ব্যবধানে ফেভারিট হিসেবে দেখানো হয়েছে। সেখানে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও জার্মানি কাছাকাছি অবস্থানে থাকলেও স্পেন এগিয়ে রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, টুর্নামেন্টে ফেভারিট দলের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা সাধারণত সীমিত থাকে, ফলে অপ্রত্যাশিত কোনো দলও বড় সাফল্য পেতে পারে।

    সব মিলিয়ে সুপারকম্পিউটারের এই পূর্বাভাস বিশ্বকাপের আগে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে—প্রযুক্তির হিসাব কি মাঠের বাস্তবতাকে ধরতে পারবে, নাকি আবারও ফুটবলই প্রমাণ করবে শেষ কথা খেলা নিজেই?

    সূত্র: ডেইলি মেইল

  • আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়ার আগের দেখায় কার জয় বেশি! দেখেনিন পরিসংখ্যান

    আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়ার আগের দেখায় কার জয় বেশি! দেখেনিন পরিসংখ্যান

    বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু হচ্ছে আলজেরিয়ার বিপক্ষে। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ২৭ নম্বরে থাকা আফ্রিকানদের বিপক্ষে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচ তারা খেলবে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে।

    স্বাভাবিকভাবে দুই দলের হেড টু হেড নিয়ে কৌতূহল রয়েছে। আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যে খুব বেশি দেখা হয়নি। এটি হবে এই দুই দলের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দেখা। এর আগে ২০০৭ সালে তারা মুখোমুখি হয়েছিল। ভেনিজুয়েলায় অনুষ্ঠিত কোপা আমেরিকার মাত্র কয়েক দিন আগে—যে আসরে ব্রাজিলের কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়েছিল আর্জেন্টিনা।

    ২০০৭ সালের ৫ জুন, আলফিও বাসিলের অধীনে আর্জেন্টিনা দল বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুতে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল। সেটি ছিল এমন এক স্কোয়াডের চূড়ান্ত পরীক্ষামূলক ম্যাচ, যেখানে রবার্তো আয়ালা, সেবাস্টিয়ান ভেরন ও রোমান রিকুয়েলমের মতো অভিজ্ঞ তারকাদের পাশাপাশি লিওনেল মেসি ও ফার্নান্দো গ্যাগোর মতো প্রতিভাবান তরুণরা ছিলেন।

    সেদিন বিকেলে আলবিসেলেস্তেরা মাঠে নেমেছিল গোলপোস্টে রবার্তো আবোনদানজিয়েরি, রক্ষণভাগে গ্যাব্রিয়েল মিলিতো, রবার্তো আয়ালা, নিকোলাস বুরদিসো এবং হাভিয়ের পিনোলাকে নিয়ে। মাঝমাঠে ছিলেন হাভিয়ের জানেত্তি, ফার্নান্দো গ্যাগো ও এস্তেবান ক্যাম্বিয়াসো। আর আক্রমণভাগে ছিলেন লিওনেল মেসি, কার্লোস তেভেজ ও ডিয়েগো মিলিতো।

    ম্যাচের মাত্র দেড় মিনিটের মাথায় তেভেজ পেনাল্টি থেকে গোল করে আর্জেন্টিনার খাতা খোলেন। তবে আলজেরিয়াও দ্রুত জবাব দেয়। নয় মিনিট পর সমতা ফেরান আনথার ইয়াহিয়াহ। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই মাজিদ বুঘেরা আফ্রিকান দলটিকে এগিয়ে নেন।

    তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল—প্রথমটি মেসির এবং দ্বিতীয়টি ক্যাম্বিয়াসোর। তাতে কোকোর (কোচ বাসিল) দল আবারও লিড পায়। এরপর ৭৩ মিনিটে মেসির আরেকটি গোলে দলের জয় নিশ্চিত হয়। ম্যাচ শেষ হওয়ার পনেরো মিনিট বাকি থাকতে বেলহাদজ একটি গোল শোধ করে আলজেরিয়ার হারের ব্যবধান কিছুটা কমান।

    উনিশ বছর পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’এর উদ্বোধনী ম্যাচে ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এই দুই দল। লিওনেল স্কালোনির দল শিরোপা ধরে রাখার মিশনটি দারুণভাবে শুরু করতে চাইবে, অন্যদিকে ‘ডেজার্ট ফক্সেস’ তাদের গতিময় আক্রমণ ও ফরোয়ার্ডদের দুর্দান্ত টেকনিক্যাল দক্ষতা দিয়ে চমক দেখানোর চেষ্টা করবে। আর ১৯ বছর আগের সেই ৪-৩ ব্যবধানে লড়াকু হার নিশ্চয় অনুপ্রেরণা দেবে আলজেরিয়াকে। 

  • নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় ধাক্কা!

    নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় ধাক্কা!

    বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় ধাক্কা। হাইতির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তারকা ফরোয়ার্ড নেইমারকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় এখনও চিকিৎসক দলের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।

    ব্রাজিল দলের মেডিকেল বিভাগের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে চিকিৎসা ও ফিটনেস পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। তবে এখনো তিনি পুনরুদ্ধারের পরবর্তী ধাপ, অর্থাৎ মাঠে ফেরার প্রস্তুতির ট্রানজিশন পর্যায়ে প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে হাইতির বিপক্ষে তার মাঠে নামার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।

    বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্র করে হতাশাজনক সূচনা করেছে ব্রাজিল। সেই ম্যাচেও দলের বাইরে ছিলেন নেইমার। আক্রমণভাগে সৃজনশীলতার ঘাটতি স্পষ্ট হওয়ায় তার অনুপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা ও আলোচনা দুটোই হয়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচটি ব্রাজিলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপ পর্বে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী খেলোয়াড়দের একজনকে ছাড়া সেই লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে না।

  • ২০২৬ বিশ্বকাপ কে জিতবে? চার এআই চ্যাট বক্সের একই উত্তর

    ২০২৬ বিশ্বকাপ কে জিতবে? চার এআই চ্যাট বক্সের একই উত্তর

    দীর্ঘ চার বছরের অপেক্ষা শেষে আবারও শুরু হলো ফিফা বিশ্বকাপ। কিন্তু ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভবিষ্যদ্বাণী। এখনও পর্যন্ত কয়েকটি হেভিওয়েট দল যাত্রা শুরু করেনি। যে তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স এবং স্পেন। ৪৮ দলের বিশ্বকাপে একাধিক দলের খেতাব জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আর এই তালিকায় রয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, রানার্স ফ্রান্স এবং শক্তিশালী স্পেন। একাধিক চ্যালেঞ্জার রয়েছে। কিন্তু ১৯ জুলাইয়ের রাতে শেষ হাসি কে হাসবে? চারটে এআই চ্যাট বটসকে একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। সবাই একই দলের নাম নেয়। এই তালিকায় ছিল চ্যাট জিপিটি, ক্লাউড এআই, গুগল জেমিনি এবং কো পাইলট। প্রত্যেককেই একই প্রম্পট দেওয়া হয়। জিজ্ঞেস করা হয়, কে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ জিতবে? সবাই স্পেনের নাম নেয়। দ্বিতীয় স্থানে ফ্রান্স।

    চ্যাট জিপিটি জানায়, ‘পরিসংখ্যানের বিচারে এই মুহূর্তে যদি কোনও দলকে বেছে নিতে হয়, সেক্ষেত্রে ফেভারিট স্পেন।’ গুগল জেমিনাই বলে, ‘বর্তমান পরিসংখ্যানে সবচেয়ে এগিয়ে স্পেন। ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে ফ্রান্স।’ ক্লাউড অ্যাপের সঙ্গে ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যায় প্রথম দুইয়ের। ক্লাউড জানায়, ‘এই মুহূর্তে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাবনা স্পেনের। কিছুটা ফ্রান্সের থেকে এগিয়ে। ৪৮ দলের মধ্যে ওদের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। প্রতিভাবান দলে লামিন ইয়ামাল রয়েছে। তবে টুর্নামেন্ট সবে শুরু হয়েছে। অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে।’

    কো পাইলটও এই ভবিষ্যদ্বাণীতে সায় দেয়। জানায়, ‘সম্প্রতি বেটিং মার্কেট, ডেটা মডেল, র‍্যাঙ্কিয়ের বিচারে নির্দিষ্ট একটা দলকে ফেভারিট বাছা যায় না। তবে একটা দলের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, সেটা স্পেন। তাদের ১৬-১৭ শতাংশ সুযোগ রয়েছে। যা সর্বোচ্চ। শক্তিশালী দলের পাশাপাশি ইউরো চ্যাম্পিয়ন।’

    ১৯ বছর পর মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

    অর্থাৎ, সবকিছু বিচার করে দেখা যাচ্ছে, এআইয়ের জগতে বিশ্বকাপ জয়ের দৌড়ে সব ঠিক এগিয়ে স্পেন। কিন্তু এখনও বিশ্বমঞ্চে নামেননি ইয়ামালরা। আজ সোমবার রাতে স্পেনের প্রথম ম্যাচ। প্রতিপক্ষ আনকোরা কেপ ভার্দে। জার্মানির মতো বিশাল জয় দিয়ে কি শুরু করতে পারবে ইউরোপ সেরারা?

  • রাজধানীর চারটি বাস টার্মিনাল দ্রুত সরানোর নির্দেশ, কোনটি কোথায় যাবে?

    রাজধানীর চারটি বাস টার্মিনাল দ্রুত সরানোর নির্দেশ, কোনটি কোথায় যাবে?

    রাজধানীর চারটি বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জনপ্রশাসন কক্ষে রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।

    তিনি জানান, ঢাকার যানজট নিরসনে চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল শহরের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল হচ্ছে- ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল।

    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনালটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর হবে। মহাখালী বাস টার্মিনাল অস্থায়ীভাবে যাবে পূর্বাঞ্চলে এবং পরে স্থায়ীভাবে টঙ্গির কাছে স্থানান্তরিত হবে। গাবতলী আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল হেমায়েতপুর এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল যাবে কাঁচপুরে।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ছড়িয়ে থাকা বাস কাউন্টারগুলো দ্রুত সরিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নেওয়ার তাগাদা দিয়েছেন।

     

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন, এআই ক্যামেরা স্থাপনসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    সভায় ট্রাফিক সিগন্যালিং এআই ক্যামেরা স্থাপনের সুফল প্রাপ্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক।

    সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • যে কারণে বিশ্বকাপে গোলাপি বুটের ছড়াছড়ি

    যে কারণে বিশ্বকাপে গোলাপি বুটের ছড়াছড়ি

    ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শুরুতেই মাঠে চোখে পড়ছে এক অদ্ভুত কিন্তু দৃষ্টি-কাড়া প্রবণতা—প্রায় সব দলের খেলোয়াড়দের পায়ে একই রঙের বুট, উজ্জ্বল গোলাপি। ভিন্ন ভিন্ন দেশের জার্সি থাকলেও পায়ের নিচে যেন একই রঙের ছাপ, যা দর্শকদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    বিশ্বের শীর্ষ ক্রীড়া সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো—নাইকি, অ্যাডিডাস, পুমা, নিউ ব্যালান্স ও স্কেচার্স—এবার বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে প্রায় একই থিমে গোলাপি রঙের বিশেষ সংস্করণের বুট বাজারে এনেছে। ফলে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই মাঠে তৈরি হয়েছে এক ধরনের ‘পিংক স্ট্রিট’ ট্রেন্ড।

    দুর্লভ ফুটবল বুট সংগ্রাহক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিডব্লিউ বুটস ইউকে–এর প্রতিষ্ঠাতা বেন ওয়ারেন মনে করেন, এটিকে নিছক কাকতালীয় বলা কঠিন। তার মতে, ফুটবল বুটের ডিজাইন ও রঙে ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে এক ধরনের সমান্তরাল ট্রেন্ড কাজ করে, আর বড় টুর্নামেন্টগুলোতে সেই ট্রেন্ড আরও দ্রুত একসঙ্গে মিলিত হয়। তার ভাষায়, ‘এটা নতুন কিছু নয়, তবে এবারের বিশ্বকাপে একই রঙের আধিপত্যটা চোখে পড়ার মতো বেশি।’

    ফলে মাঠে এখন শুধু খেলার লড়াই নয়, চোখে ধরা দিচ্ছে ফ্যাশন ও ব্র্যান্ডিংয়ের এক নতুন রঙিন প্রতিযোগিতাও।

  • জানা গেল আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচের দায়িত্ব পাওয়া রেফারির নাম

    জানা গেল আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচের দায়িত্ব পাওয়া রেফারির নাম

    আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখার মিশন শুরু হচ্ছে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে খেলতে নামবেন লিওনেল মেসিবাহিনী।

    এই ম্যাচে প্রধান রেফারির দায়িত্বে থাকবেন পোল্যান্ডের সিজমন মারচিনিয়াক। তাকে সহায়তা করবেন তার স্বদেশী তোমাশ লিস্তকিয়েভিচ এবং আদাম কুপসিক। চতুর্থ অফিসিয়াল হিসেবে থাকবেন অস্ট্রেলিয়ার শন ইভান্স। অতিরিক্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন পোল্যান্ডের আইজ্যাক ত্রেভিস।

    পোল্যান্ডের এই রেফারি এর আগেও আর্জেন্টিনার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের মধ্যকার ঐতিহাসিক ম্যাচেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

    মারচিনিয়াক ২০১১ সাল থেকে ফিফার স্বীকৃত আন্তর্জাতিক রেফারি হিসেবে কাজ করে আসছেন। আসন্ন ম্যাচটি হবে বিশ্বকাপে তার ষষ্ঠ ম্যাচ। এর আগে তিনি রাশিয়া বিশ্বকাপে ২ ও কাতার বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন। ওই ৫ ম্যাচে ১৬ হলুদ কার্ডের পাশাপাশি দিয়েছেন একটি লাল কার্ড।

    রেফারি হওয়ার আগে মারচিনিয়াক ফুটবলার ছিলেন। খেলতেন নিজের জন্মশহরের ক্লাব ভিসওয়া প্লকের হয়ে। এক ম্যাচে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পর তার জীবনের মোড় ঘুরে যায়। সেই ম্যাচের রেফারির সঙ্গে পরবর্তী আলাপচারিতা তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে এবং এরপরই তিনি রেফারিং পেশায় নিজেকে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।

  • বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড জার্মানির

    বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড জার্মানির

    দুই বিশ্বকাপ ধরে হতাশার গল্প। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের শুরুটা তারা করল একেবারে নতুন রূপে। কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শুধু বড় জয়ই পায়নি জার্মানি, বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোল করা দলের রেকর্ডও নিজেদের করে নিয়েছে।

    ম্যাচের আগে বিশ্বকাপে জার্মানির গোলসংখ্যা ছিল ২৩২। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে সাত গোল যোগ হওয়ায় তাদের মোট গোল দাঁড়িয়েছে ২৩৯-এ। এর মাধ্যমে ২৩৮ গোল নিয়ে এতদিন শীর্ষে থাকা ব্রাজিলকে পেছনে ফেলেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা, তাদের গোলসংখ্যা ১৫২।

    সব মিলিয়ে জার্মানির সাত গোল এসেছে ছয়জন ভিন্ন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে, যা দলটির আক্রমণভাগের শক্তিরই প্রমাণ। একসময় ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত জার্মানদের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেনি কুরাসাও।

    দাপুটে এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজেদের নতুন যাত্রা শুরু করেছে জার্মানি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা দল হিসেবে নতুন একটি রেকর্ডও গড়ে ফেলেছে তারা।

  • এই ব্রাজিল বিশ্বকাপে কতদূর যেতে পারে?

    এই ব্রাজিল বিশ্বকাপে কতদূর যেতে পারে?

    ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে পাশাপাশি থাকলেও মরক্কোর সঙ্গে ব্রাজিল যে এমন ছন্নছাড়া পারফরম্যান্স করবে, তা হয়তো কল্পনাতেও ছিল না। বিশ্বকাপ অভিষেকে কার্লো আনচেলত্তির কৌশল সুবিধা করতে পারেনি। মরক্কোর সঙ্গে ঘাম ছুটেছে ব্রাজিলের। ম্যাচটি হয়েছে ১-১ গোলে ড্র। 

    এমন পারফরম্যান্স থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে ব্রাজিলের ২৪ বছরের ট্রফি খরা যে কাটবে না, তা বলে দেওয়া যায়। গ্রুপ পর্বে পরের দুটি ম্যাচ হাইতি ও স্কটল্যান্ডের মতো সহজ প্রতিপক্ষের সঙ্গে। প্রথম ম্যাচের ভুল শুধরে নিতে না পারলে পরের দুটি খেলাতেও যে ব্রাজিল অঘটনের শিকার হবে না তা কিন্তু নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। টুর্নামেন্টে বহুদূর যেতে চাইলে ট্যাকটিক্যাল বোর্ডে আনচেলত্তিকে দ্রুত কিছু বড় পরিবর্তন আনতে হবে।

    প্রথমত, মরক্কো ম্যাচে ব্রাজিলের আক্রমণে যে ধারহীনতা ছিল, তা দূর করতে নেইমারের দ্রুত প্রত্যাবর্তন জরুরি। তিনি মাঠে ফিরলে দলের আক্রমণভাগে বৈচিত্র্য আসবে এবং ফাইনাল থার্ডে পাসিংয়ের যে ঘাটতি ছিল, তা-ও পূরণ হবে।

    দ্বিতীয়ত, মাঝমাঠের পুনর্গঠন। কাসেমিরোর অফ-ফর্ম ও বয়সের ছাপ এখন স্পষ্ট। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হওয়ার কারণেই রক্ষণে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। এই দুর্বলতা ঢাকতে ব্রুনো গুইমারায়েস ও ফাবিনহোর নতুন রসায়ন অথবা মাঝমাঠের অন্য কোনো কার্যকরী বিকল্প নিয়ে ভাবতে হবে আনচেলত্তিকে।

    তৃতীয়ত, আরেকটি পরিবর্তন আনা যেতে পারে ভিনিসিয়ুসের ওপর চাপ কমিয়ে। তিনি তার ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে হয়তো এক-দুটি ম্যাচ জেতাতে পারবেন, কিন্তু একা ট্রফি জেতানো তার জন্য অসম্ভব। হেক্সা মিশনের স্বপ্ন সফল করতে হলে রাফিনিয়া, পাকেতা ও কুনিয়াদের নিজেদের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে ছন্দে ফিরতে হবে।

    চতুর্থত, পরের ম্যাচগুলোতে জেতার সহজ সুযোগ রয়েছে ব্রাজিলের। গ্রুপ ‘সি’ তে তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ তুলনামূলক দুর্বল হাইতি। প্রায় ১০ বছর আগে কোপা আমেরিকায় সাত গোল দেওয়া দলটির বিপক্ষে ২০ জুন ফিলাডেলফিয়াতে খেলবে সেলেসাওরা। শেষ ম্যাচ স্কটল্যান্ডের সঙ্গে। গ্রুপ পর্ব পার করা ব্রাজিলের জন্য খুব একটা কঠিন হবে না। তবে তার আগে দলের বোঝাপড়া বাড়ানো ও আমেরিকার তীব্র গরমের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার এটাই সেরা সুযোগ।

    গ্রুপ পর্বের বাধা টপকানো সহজ হলেও আসল পরীক্ষা শুরু হবে নকআউটে। প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো দ্রুত সংশোধন করতে না পারলে ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন বা ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলগুলোর সামনে ব্রাজিলের বিদায়ঘণ্টা বেজে যেতে পারে।

  • মরক্কোর বিপক্ষে ড্রয়ের পর যে দুর্বলতার কথা স্বীকার করলেন আনচেলত্তি

    মরক্কোর বিপক্ষে ড্রয়ের পর যে দুর্বলতার কথা স্বীকার করলেন আনচেলত্তি

    ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান ভালোভাবে শুরু করতে পারেনি ব্রাজিল। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে তারা ১-১ গোলে ড্র করেছে। ম্যাচের পর দলের পারফরম্যান্স নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

    ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় ব্রাজিল। ২১ মিনিটে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারির গোলে পিছিয়ে পড়ে দলটি। পরে ভিনিসিউস জুনিয়র দুর্দান্ত এক গোলে ম্যাচে সমতা ফেরান। তবে প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে বেশ অগোছালো ও চাপের মধ্যে খেলতে দেখা যায়।

    ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি বলেন, শুরুটা ভালো ছিল না। তার ভাষায়, দল কিছুটা নার্ভাস ছিল এবং অনেক বল হারিয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ডুয়েলেও পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। তিনি স্বীকার করেন, প্রথমার্ধে দল ভালো খেলতে পারেনি, তবে দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

    তবে ফল নিয়ে পুরোপুরি হতাশ নন এই অভিজ্ঞ কোচ। তার মতে, মরক্কো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হওয়ায় ম্যাচটি সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ সবসময় কঠিন হয়। এখানে কেউই টুর্নামেন্ট জেতে না। ফল খুব খারাপ নয়, তবে উন্নতি দরকার।’

    পরবর্তী ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে আরও ভালো পারফরম্যান্সের আশা করছেন আনচেলত্তি। তিনি জানান, দলের ভেতর থেকেই সমস্যা খুঁজে সমাধান করতে হবে এবং ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হবে।

    ভিনিসিউস জুনিয়রের পারফরম্যান্সে সন্তোষও প্রকাশ করেন ব্রাজিল কোচ। তার মতে, তিনি ম্যাচে সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড় ছিলেন এবং বড় টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।