Blog

  • এপ্রিল ও মে মাসের জ্বা’লানি নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

    এপ্রিল ও মে মাসের জ্বা’লানি নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

    এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে জ্বালানি পূর্ণ মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী জানান,  এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে পূর্ণ মজুদ রয়েছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

    জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

    পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুদ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে।

    পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিকল্প উৎসে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

  • বাড়ল বাৎসরিক ছুটি

    বাড়ল বাৎসরিক ছুটি

    ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এই দিনটিকে ‘ক-শ্রেণি’ ভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।

    ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে পূর্বের ন্যায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়নি। এখন থেকে এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে এবং এ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।’

  • শরীরে যেসব স’মস্যা থাকলে গরম বেশি লাগে, জেনে নিন উপকারে আসবে

    শরীরে যেসব স’মস্যা থাকলে গরম বেশি লাগে, জেনে নিন উপকারে আসবে

    একই তাপমাত্রা কারও কাছে স্বাভাবিক মনে হলেও, অন্য কেউ গরমে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়েন—ঘাম, মাথা ঘোরা কিংবা অস্বস্তি বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আবহাওয়া নয়; শরীরের ভেতরের কিছু স্বাস্থ্যগত কারণও গরম সহ্য করার সক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।

    শরীর স্বাভাবিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে গরম বেশি অনুভূত হয়। এমন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক অবস্থা নিচে তুলে ধরা হলো—

    থাইরয়েডের সমস্যা:

    বিশেষ করে হাইপারথাইরয়েডিজমে মেটাবলিজম বেড়ে যায়। এতে শরীরে অতিরিক্ত তাপ তৈরি হয়, ফলে বেশি গরম লাগে এবং ঘামও বাড়ে।

    ডায়াবেটিস:

    রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে স্নায়ু ও ঘামগ্রন্থির কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে শরীর ঠিকভাবে ঘাম ঝরাতে পারে না এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়।

    হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ:

    এই অবস্থায় রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক না থাকায় শরীরের তাপ ছড়িয়ে পড়তে বাধা পায়। এতে গরমে অস্বস্তি বাড়ে।

    অতিরিক্ত ওজন:

    শরীরে জমে থাকা চর্বি তাপ ধরে রাখে। ফলে শরীর সহজে ঠান্ডা হতে পারে না এবং দ্রুত ক্লান্তি দেখা দেয়।

    রক্তস্বল্পতা:

    অ্যানিমিয়ার কারণে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। এতে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা ও গরমে অস্বস্তি বেশি হয়।

    হরমোনজনিত পরিবর্তন:

    নারীদের মেনোপজের সময় ‘হট ফ্ল্যাশ’ বা হঠাৎ গরম লাগা সাধারণ ঘটনা। এছাড়া গর্ভাবস্থা বা মাসিক চক্রের সময়ও হরমোনের ওঠানামায় তাপমাত্রা সহনশীলতা কমে যেতে পারে।

    পানিশূন্যতা:

    শরীরে পর্যাপ্ত পানি না থাকলে ঘাম কম হয়। এতে শরীরের স্বাভাবিক শীতল হওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

    কিছু ওষুধের প্রভাব:

    কিছু ওষুধ শরীর থেকে পানি কমিয়ে দেয় বা তাপ সহনশীলতা কমায়, ফলে গরমে ঝুঁকি বাড়ে।

    গরমে এসব সমস্যায় আক্রান্তদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। পর্যাপ্ত পানি পান, রোদ এড়িয়ে চলা, ঢিলেঢালা পোশাক পরা এবং অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    তবে গরমে অস্বাভাবিক দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা অতিরিক্ত ঘাম হলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সচেতন থাকলে তীব্র গরমেও অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত থাকা সম্ভব।

  • নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি

    নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি

    প্রতিবছর ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস এবং ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গণি।


    বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তবে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে না।

    এ ছাড়া ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি ছুটি হিসেবে দিনটি পালিত হবে।

    বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা-২০২৫ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

    এর জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে।

    এ সময় সরকার মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গণি।

    এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমসহ অন্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রা’ণ বাঁ’চাতে ৮ তলায় উঠেন কলেজছাত্র, সেখান থেকে ফেলা হয় লিফটের গ’র্তে

    প্রা’ণ বাঁ’চাতে ৮ তলায় উঠেন কলেজছাত্র, সেখান থেকে ফেলা হয় লিফটের গ’র্তে

    কলেজছাত্র আশফাক কবির সাজিদকে (১৭) মারধরের পর ভবনের আটতলা থেকে লিফটের গর্তে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাতে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানার ডিসি রোড এলাকার মৌসুমি আবাসিকের নির্মাণাধীন ভবনে এ ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার চকবাজার থানায় মামলা করেছেন নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ ভবনটির নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে।

    নিহত আশফাক কবির নগরের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায়। সে বাকলিয়া ডিসি রোড কবরস্থানের পাশের একটি বাসায় ভাড়া থাকত।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে আশফাককে তার বন্ধু ফারদিন হাসান মুঠোফোনে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার মোড়ে ডেকে নেয়। সেখানে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, রানা মাইকেল, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ একদল তরুণ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আশফাককে জোর করে নিয়ে যান।

    একপর্যায়ে ওই তরুণদের হাত থেকে বাঁচতে আশফাক কৌশলে কাছের একটি নির্মাণাধীন ভবনে ঢুকে ভেতর থেকে গেট বন্ধ করে দেয় এবং দৌড়ে আটতলায় উঠে যায়; কিন্তু হামলাকারীরা গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন। পরে হামলাকারীরা ওপর তলায় উঠে আশফাককে মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

    নিহত আশফাকের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বলেন, ‘আমার ছেলে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। কেন তাকে হত্যা করা হলো, সেটি দ্রুত তদন্ত করে বের করতে হবে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

    গুরুতর আহত অবস্থায় আশফাককে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    চকবাজার থানার ওসি বাবুল আজাদ বলেন, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

    খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

    প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তার নাতনি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। 


    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি। 

    এর আগে, বিকেল ৪টার দিকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুরু হয় এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকা, জাতীয় জীবনে গৌরবোজ্জ্বল ও উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সদস্য, উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত আছেন। 

    এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া, ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    খালেদা জিয়া ছাড়াও স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত অন্য ১৪ ব্যক্তি হলেন, মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।

    এছাড়া, স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো, মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

    স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

  • যে ভি’টামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়, জেনে নিন

    যে ভি’টামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়, জেনে নিন

    অতিরিক্ত ঘুম বা সবসময় ক্লান্তি অনুভব করা অনেকের কাছেই সাধারণ সমস্যা বলে মনে হলেও, চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু নির্দিষ্ট ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে শরীরে শক্তি উৎপাদন কমে যায়, ফলে ঘুমঘুম ভাব, অবসাদ ও মনোযোগহীনতা দেখা দেয়।

    কোন ভিটামিনের অভাবে বেশি ঘুম পায়?

    ১. ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12): শরীরের স্নায়ুতন্ত্র ও রক্তকণিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ভিটামিন বি১২। এর অভাবে—

    সবসময় ঘুম পেতে পারে
    দুর্বলতা ও মাথা ঘোরা দেখা দেয়
    মনোযোগ কমে যায়

    চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন বি১২-এর ঘাটতি থাকলে অ্যানিমিয়া (রক্তস্বল্পতা) তৈরি হয়, যা ক্লান্তি বাড়ায়।

    ২. ভিটামিন ডি (Vitamin D): ভিটামিন ডি শুধু হাড়ের জন্য নয়, শরীরের শক্তি নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ। এর অভাবে—

    অতিরিক্ত ঘুম
    শরীর ব্যথা
    মানসিক অবসাদ

    অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি কম থাকলে দিনের বেলায় ঘুমঘুম ভাব বাড়ে।

    ৩. ভিটামিন বি৬ (Vitamin B6): এটি মস্তিষ্কে সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। এর ঘাটতি হলে ঘুমের স্বাভাবিক চক্র বিঘ্নিত হয় এবং অস্বাভাবিক ক্লান্তি দেখা দেয়।

    কেন এমন হয়?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভিটামিন শরীরে এনার্জি মেটাবলিজম বা শক্তি উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ঘাটতি হলে কোষ পর্যায়ে শক্তি কম তৈরি হয়, ফলে শরীর বিশ্রাম চায়—যা অতিরিক্ত ঘুমের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

    কী বলছে চিকিৎসা বিজ্ঞান?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (এনআইএইচ)-এর তথ্য অনুযায়ী:

    ভিটামিন বি১২ ও ডি-এর ঘাটতি বিশ্বব্যাপী খুব সাধারণ
    ক্লান্তি ও অতিরিক্ত ঘুম এই ঘাটতির অন্যতম প্রধান লক্ষণ
    বিশেষ করে যারা রোদে কম যান বা নিরামিষ খাদ্য বেশি খান, তাদের ঝুঁকি বেশি
    কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

    যদি—

    প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও ক্লান্ত লাগে
    কাজের মাঝেও ঘুম পায়
    সঙ্গে মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা থাকে

    তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা করে ভিটামিনের মাত্রা নির্ণয় করা হয়।

    প্রতিকার কী?
    পুষ্টিকর খাবার (ডিম, মাছ, দুধ, মাংস)
    পর্যাপ্ত রোদে থাকা (ভিটামিন ডি-এর জন্য)
    চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট

    সতর্কতা

    নিজে নিজে ভিটামিন খাওয়া ঠিক নয়। অতিরিক্ত ভিটামিনও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীই গ্রহণ করা উচিত।

    অতিরিক্ত ঘুম সবসময় অলসতার লক্ষণ নয়—এটি শরীরের ভিটামিন ঘাটতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেতও হতে পারে। সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা নিলে সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

  • প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই

    প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘দ্রুতই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।’ বুধবার (১৫ এপ্রিল) সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস মিলনায়তনে এক মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন। 


    মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে সিলেট অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। 

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক পদের মামলা জটিলতা নিরসনের চেষ্টা চলছে।

    দ্রুতই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘পুল’ গঠন করা হচ্ছে, শিক্ষক সংকট থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তাদের পার্ট-টাইম শিক্ষক হিসেবে কাজে লাগানো হবে।

    সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক প্রশস্তকরণে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনর্নির্মাণ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষার কারণে সাধারণ পাঠদান যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আধুনিক ‘মাল্টিপারপাস পরীক্ষা কেন্দ্র’ নির্মাণ করবে সরকার। বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতির কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে মূল্যবান দুটি বছর ঝরে যাচ্ছে, যা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অর্জনে বড় বাধা।

    তিনি বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। আমরা শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং শিক্ষার গুণগত মান ও সংস্কারে গুরুত্ব দিচ্ছি।

    প্রতিটি ক্লাসরুমে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যাতে পাঠদানের মান নিশ্চিত করা যায়। আমি সংসদ সদস্যদের অনুরোধ করব, আপনারা নিজ নিজ এলাকার স্কুলের সিসি ক্যামেরা কোড নিয়ে স্মার্টফোনের মাধ্যমেই তদারকি করুন।

    নকলের বর্তমান ধরন সম্পর্কে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এখন আর আগের মতো সনাতন পদ্ধতিতে নকল হয় না, এখন ডিজিটাল নকলের ভ্যারিয়েন্ট এসেছে। শিক্ষক যদি ক্লাসে না পড়ান, তবেই শিক্ষার্থীরা নকলের আশ্রয় নেয়। তাই মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমেই এই ব্যাধি দূর করতে হবে।

    এ সময় পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষকদের আরো আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

  • কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল কবির সম্পর্কে যা জানা গেল

    কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল কবির সম্পর্কে যা জানা গেল

    পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কৃষক কার্ড নেওয়া একজনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। বিভিন্ন আইডি, ফেসবুক পেজ থেকে ওই কৃষকের একাধিক ছবি পোস্ট করে প্রশ্ন তোলা হয়।

    দাবি করা হয়, ওই কৃষক একজন ধনাঢ্য ব্যক্তি, দলীয় পরিচয়ে পেয়েছেন কৃষক কার্ড।

    আলোচিত ওই ব্যক্তির নাম কবির হোসেন। কালের কণ্ঠ খোঁজ নিয়ে জেনেছে, তার বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামে। তিনি পেশায় আসলেই একজন কৃষক।

    নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন ভিডিও কননেন্টও তৈরি করেন কবির হোসেন।

    স্থানীরা জানান, কবির ১৯৯২ সালের এসএসসি পরীক্ষা দেন। তবে অকৃতকার্য হয়ে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে চলে যান। প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে কৃষিকাজ শুরু করেন।

    নিজে একটি সেচ মেশিন কিনেছেন, যার মাধ্যমে নিজের জমি এবং অন্যের জমিতে সেচ দিয়ে থাকেন।

    কৃষিকাজের পাশাপাশি কবির ফেসবুক পেজ পরিচালনা করেন। সেখানে ছবি-ভিডিও করে প্রচার করেন। সেই সুবাদে তিনি এলাকায় পরিচিত মুখ।

    কৃষক কবির হোসেন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন দাবি করেছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান।

    তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কবির হোসেন একজন কৃষক। সেচ মেশিন পরিচালনা করেন। ফেসবুকের মাধ্যমে তিনি এলাকায় সুপরিচিত। তার দলীয় পদ-পদবি নেই।’

    কবিরের পাশের গ্রামের বাসিন্দা রিফাত ইসলাম বলেন, ‘কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল কবির হোসেন কাকার যে ছবিগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলো এআই দিয়ে তৈরি। আর এই ছবিগুলো দেখে অনেকেই ভাবছেন তিনি অনেক ধনী মানুষ এবং কৃষক নন। তিনি আমার পাশের গ্রামের মানুষ, উনি নিজের কৃষিজমি চাষ করেন এবং কৃষিজমিতে পানি সেচ দেওয়ার একটা মেশিন চালান।’

    গতকাল কৃষক কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কবির হোসেন বক্তৃতা দেন। তিনি বলেন, ‘এতদিন কৃষকদের রাষ্ট্রীয় কোনো স্বীকৃতি ছিল না। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো তারা এই স্বীকৃতি পাচ্ছেন।’

    এদিকে আলোচনা শুরু হওয়ার পর নিজের ফেসবুকে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন কবির কৃষক। এসব ভিডিওতে নিজের কৃষিকাজের প্রমাণ দেন তিনি।

    এক ভিডিওতে কবির হোসেন বলেন, ‘কৃষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়ায় আমাকে নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। সত্যিকার অর্থে আমি একজন কৃষক মানুষ। যারা আমাকে ভাইরাল করেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

  • জ্বা’লানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

    জ্বা’লানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

    বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে দেশেও দেখা দিয়েছে এর প্রভাব। জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার একের পর এক নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমাতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বিভিন্ন সভা, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে মাঠ পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া সশরীরে সভা আয়োজন পরিহারেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব সিনিয়র সচিব/সচিব, সব বিভাগীয় কমিশনার, সব জেলা প্রশাসক ও সব উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশে জ্বালানি তেলের সাশ্রয় করার পাশাপাশি সরকারি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন ও কার্যকরভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 

    এ অবস্থায় মন্ত্রণালয়/বিভাগ থেকে আয়োজিত বিভিন্ন প্রোগ্রাম (যেমন; সভা, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ)-এ মাঠ পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিভাগীয় পর্যায়ের প্রোগ্রামে জেলা পর্যায় থেকে এবং জেলা পর্যায়ের প্রোগ্রামে উপজেলা পর্যায় থেকে অংশগ্রহণ ভার্চুয়াল মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

    একান্ত প্রয়োজন ব্যতীত সশরীরে সভা আয়োজন পরিহার করতে হবে যাতে যানবাহনের জ্বালানি সাশ্রয় করা যায়। 

    পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ বিষয় যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠিতে অনুরোধ করা হয়।