Blog

  • যে ৫ ভু’লে দ্রুত শেষ হয় ফোনের ব্যা’টারি, জেনে রাখুন কাজে লাগবে

    যে ৫ ভু’লে দ্রুত শেষ হয় ফোনের ব্যা’টারি, জেনে রাখুন কাজে লাগবে

    স্মার্টফোনে এখন অসংখ্য ফিচার রয়েছে, তবে সব ফিচার সবসময় চালু রাখার প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় এমন কিছু সেটিংস অকারণে সারাক্ষণ চালু থাকে, যার ফলে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে ফোন আগের তুলনায় কম ব্যাটারি ব্যাকআপ দিচ্ছে, তাহলে নিচের ৫টি সেটিংস পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

    ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ সবসময় চালু রাখবেন না

    ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ ব্যবহার না করলেও যদি এগুলি চালু থাকে, তাহলে ফোন আশপাশের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস খুঁজতে থাকে। এই ব্যাকগ্রাউন্ড স্ক্যানিংয়ের কারণে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যাটারি খরচ হয়। তাই প্রয়োজন শেষ হলে ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ বন্ধ করে দিন।

    কুইক শেয়ার বন্ধ রাখুন

    স্যামসাংয়ের কুইক শেয়ার ফিচার বড় ফাইল দ্রুত শেয়ার করতে সাহায্য করে। তবে এটি চালু থাকলে ফোন সবসময় আশপাশের ডিভাইস খুঁজতে থাকে এবং ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ ব্যবহার করে। ফলে ব্যাটারি দ্রুত কমতে পারে। ব্যবহার না করলে কুইক শেয়ার সেটিংস থেকে কাওকে ফাইল শেয়ার করার অপশনটি বন্ধ রাখুন।

    হ্যাপটিক ফিডব্যাক বা ভাইব্রেশন কমিয়ে দিন

    কীবোর্ডে টাইপ করা, নম্বর ডায়াল করা বা বিভিন্ন কাজে ফোনে যে ছোট ছোট কম্পন অনুভূত হয়, তাকে হ্যাপটিক ফিডব্যাক বলা হয়। প্রতিবার ভাইব্রেশনের জন্য মোটর কাজ করে, যা দীর্ঘ সময়ে ব্যাটারির উপর প্রভাব ফেলে। তাই প্রয়োজন না হলে এই ফিচারটি বন্ধ রাখুন।

    ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ সীমিত করুন

    অনেক অ্যাপ ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা সিঙ্ক ও আপডেট করতে থাকে। এতে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। তাই যে অ্যাপগুলির ব্যাকগ্রাউন্ডে চলার প্রয়োজন নেই, সেগুলির ব্যাটারি সেটিংসে গিয়ে রেস্ট্রিক্টেড নির্বাচন করুন এবং ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ইউজেস বন্ধ করুন।

    লোকেশন সবসময় চালু রাখবেন না

    ডিসপ্লের পর ফোনের সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি খরচ করে জিপিএস বা লোকেশন সার্ভিসেস। অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনার অবস্থান ব্যবহার করে। তাই প্রয়োজন না থাকলে লোকেশন বন্ধ রাখুন এবং শুধুমাত্র নেভিগেশন বা লোকেশন-নির্ভর কাজের সময় এটি চালু করুন।

    এই কয়েকটি সহজ পরিবর্তন করলে ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ রাখা, স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমানো এবং পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করলেও ব্যাটারির আয়ু আরও বাড়ানো সম্ভব।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে অ’তিরি’ক্ত ঘা’ম ঝরে, জেনে রাখুন উপকারে আসবে

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে অ’তিরি’ক্ত ঘা’ম ঝরে, জেনে রাখুন উপকারে আসবে

    তীব্র গরম অথবা বাতাসে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত ঘামের মাধ্যমে শরীরে জমা টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। কিন্তু ঘাম বের হওয়ারও একটা মাত্রা থাকতে হয়। অকারণে অস্বাভাবিক হারে ঘাম হলে তা জটিল কোনো রোগের উপসর্গ বলে ধরে নেওয়া হয়। 

    শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামঝরার পেছনে ভিটামিন ডি–এর ঘাটতি একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, বিশেষ করে মাথায় ঘাম বেশি হলে। তবে ভিটামিন ডি ঘাটতির অন্যতম লক্ষণ হিসেবে নবজাতকদের ক্ষেত্রে মাথায় অতিরিক্ত ঘামকে ধরা হয়।

    এছাড়া, ভিটামিন বি–এর অভাব (বিশেষ করে বি১ বা থায়ামিন) থেকেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে, কারণ এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। আবার 
    ভয়, উদ্বেগ বা আতঙ্ক থেকেও অনেক সময়ে ঘাম হয়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলেই এই উপসর্গটি প্রকট হয়ে ওঠে।

    অতিরিক্ত ঘাম ছাড়া এই ভিটামনের অভাবে আর কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়?

    হাড়ের ক্ষয়

    হাড় মজবুত ও শক্তিশালী রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। যার জোগান দেয় ভিটামিন ডি। তবে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ভিতর থেকে ক্ষয়ে যেতে থাকে।

    অত্যধিক ক্লান্তি

    শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাবে ঘটলে সব সময়ে একটা ক্লান্তি ঘিরে থাকে। অতি অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়।

    ওজন বৃদ্ধি

    হু হু করে ওজন বাড়ার একটি বড় কারণ কিন্তু হতে পারে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। শরীরে পরিমাণ মতো ভিটামিন ডি-র অভাব ঘটলে বাড়তে পারে ওজন।

    চুল পড়া

    মূলত পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবেই চুল পড়ে। কিন্তু চুল পড়ার আরও একটি কারণ হলো ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। ভিটামিন ডি চুল ভালো রাখতে ব্যাপক সাহায্য করে। ফলে শরীরে ভিটামিন ডি যদি কোনো কারণে কমে যায়, তার একটি লক্ষণ হতে পারে চুল ঝরা।

    ক্ষত শুকোতে দেরি হওয়া

    ভিটামিন ডি শরীরের যেকোনো ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। দীর্ঘদিন ধরে যদি কোনো ক্ষতস্থান না শুকোয়, তা হলে ধরে নেওয়া যেতে পারে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

    তবে ভিটামিনের ঘাটতি ছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে নানা কারণে—যেমন হরমোনজনিত সমস্যা, ইনফেকশন, মানসিক চাপ বা হাইপারহাইড্রোসিস।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে সারাক্ষণ ঘুম পায়, জেনে নিন উপকারে আসবে

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে সারাক্ষণ ঘুম পায়, জেনে নিন উপকারে আসবে

    সাধারণত, একজন ব্যক্তির জন্য দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম পর্যাপ্ত। কিন্তু সারারাত ঘুমিয়েও সকালে উঠতে অনেকের ক্লান্তি অনুভব হয়। সকালের নাস্তা সারতেই চোখে যেন ঘুম আবারও জেঁকে বসে। ঘুম পাওয়া খুবই স্বাভাবিক, তবে মাত্রাতিরিক্ত ঘুম কী কারণে হয় তা জেনে নিন-

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত দুটি ভিটামিনের অভাবেই এই লক্ষণ দেখা যায়। এর কারণে কাজ করতে ভালো লাগে না। প্রবল আলস্য ঘিরে ধরে শরীরকে। এ থেকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যেতে পারে। 

    মূলত ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির কারণে শরীরে এই আলস্য ভাব দেখা যায়। 

    ভিটামিন ডি ও  ভিটামিন বি১২-

    ভিটামিন ডির কমতির জন্য হাড়ের জোর কমে, চুল পড়তে শুরু করে। দীর্ঘদিন যাবৎ রোদে না বের হওয়ার ফলে এই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হতে পারে। ভালো খাবারের অভাবেও এই ঘাটতি দেখা দেয়। তাই এই সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন দুধ, দই বা পনির জাতীয় খাবার পাতে রাখতে হবে, যা থেকে ভালো মাত্রায় ভিটামিন ডি মিলবে।

    ভিটামিন ‘বি’, বিশেষ করে বি-১২ হলো সেই অন্যতম প্রধান ভিটামিন যার অভাবে ক্লান্তি বাড়ে ও ঘুম বেশি পেতে থাকে। এছাড়া, রক্তস্বল্পতার কারণে ক্লান্তি পেতে পারে, যা অতিরিক্ত ঘুমের দিকে পরিচালিত করে। 

    লোহিত রক্তকণিকা এবং ডিএনএ উৎপাদনের জন্য ভিটামিন বি১২ অপরিহার্য। এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতার জন্যও অপরিহার্য। যখন আপনার শরীর পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ পায় না তখন আপনি সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করতে পারেন। এমনকি ঘুম ঘুম বোধ হতে পারে।

    অন্যদিকে সয়াবিন খেলেও ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২ দুটির চাহিদাই পূরণ হয় ভালোভাবে। 

    ভিটামিনের ঘাটতির এই লক্ষণ আগে থেকে দেখে সচেতন না হলে পরে বড় কোনো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তাই সতর্ক হোন। মনে রাখবেন আমাদের শরীরে এই ভিটামিন তৈরি হয় না। খাদ্য থেকে এটি আহরণ করতে হয় শরীরকে। ভিটামিন বি১২ এর খাদ্য উত্স হলো মাছ, মাংস, ডিম, স্যামন। 

    সূত্র : এবিপি লাইভ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

  • SSC Result 2026: অনলাইনে ও SMS-এ দ্রুত ফলাফল দেখার উপায়

    SSC Result 2026: অনলাইনে ও SMS-এ দ্রুত ফলাফল দেখার উপায়

    বাংলাদেশের লাখো শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। ফল প্রকাশের পর ঘরে বসেই খুব সহজে অনলাইনে কিংবা মোবাইল ফোনের SMS-এর মাধ্যমে ফলাফল জানা যাবে।

    ফলাফল প্রকাশের দিন অতিরিক্ত সার্ভার চাপের কারণে অনেক সময় ওয়েবসাইটে প্রবেশে সমস্যা হতে পারে। তাই আগেভাগেই জেনে রাখুন কীভাবে সরকারি ওয়েবসাইট, বিকল্প ওয়েবসাইট এবং SMS-এর মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে SSC Result 2026 দেখবেন।

    অনলাইনে SSC Result 2026 দেখার উপায়

    এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে জানার দুটি জনপ্রিয় মাধ্যম রয়েছে।

    ১. শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে

    শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ফলাফল প্রকাশের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে ফলাফল জানা যায়।

    ধাপ ১: ব্রাউজারে প্রবেশ করুন
    www.educationboardresults.gov.bd

    ধাপ ২: প্রয়োজনীয় তথ্য নির্বাচন করুন

    Examination: SSC/Dakhil/Equivalent
    Year: 2026
    Board: আপনার শিক্ষা বোর্ড

    ধাপ ৩: রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন।

    ধাপ ৪: ক্যাপচা পূরণ করে Submit বাটনে ক্লিক করুন।

    কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার ফলাফল প্রদর্শিত হবে। প্রয়োজনে ফলাফল প্রিন্ট বা সংরক্ষণও করা যাবে।

    ২. eBoard Results ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল দেখার নিয়ম

    শিক্ষা বোর্ডের বিকল্প ওয়েবসাইট eboardresults.com থেকেও ফলাফল ও মার্কশিট দেখা যায়।

    ধাপ ১: প্রবেশ করুন
    https://eboardresults.com

    ধাপ ২: Examination, Year ও Board নির্বাচন করুন।

    ধাপ ৩: রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ক্যাপচা পূরণ করুন।

    ধাপ ৪: View Result-এ ক্লিক করুন।

    সঠিক তথ্য দিলে আপনার ফলাফল ও মার্কশিট প্রদর্শিত হবে।

    SMS-এর মাধ্যমে SSC Result 2026 দেখার নিয়ম

    ফলাফল প্রকাশের পর ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত চাপ থাকলে SMS-এর মাধ্যমে কয়েক মিনিটেই ফল জানা যায়।

    ধাপ ১

    মোবাইলের Message অপশনে লিখুন—

    SSC <বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর> <রোল নম্বর> 2026

    উদাহরণ

    SSC DHA 123456 2026

    ধাপ ২

    মেসেজটি পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে।

    ধাপ ৩

    কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরতি SMS-এ আপনার ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    শিক্ষা বোর্ডের SMS কোড
    শিক্ষা বোর্ড    কোড
    ঢাকা    DHA
    রাজশাহী    RAJ
    কুমিল্লা    COM
    যশোর    JES
    চট্টগ্রাম    CHI
    বরিশাল    BAR
    সিলেট    SYL
    দিনাজপুর    DIN
    ময়মনসিংহ    MYM
    মাদ্রাসা    MAD
    কারিগরি    TEC
    মার্কশিট কীভাবে দেখবেন?

    মার্কশিট দেখতে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট অথবা eboardresults.com-এ প্রবেশ করে রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে হবে। সেখানে বিষয়ভিত্তিক নম্বর ও GPA দেখা যাবে।

    ফলাফল চ্যালেঞ্জ (বোর্ড চ্যালেঞ্জ)

    ফলাফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে পুনর্নিরীক্ষণের (বোর্ড চ্যালেঞ্জ) আবেদন করা যাবে।

    SSC Result 2026: সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

    SSC Result 2026 কবে প্রকাশ হবে?

    আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    সব শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল কি একই দিনে প্রকাশ হবে?

    হ্যাঁ। দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল একই দিনে প্রকাশ করা হবে।

    SMS-এর মাধ্যমে কত সময়ে ফল পাওয়া যায়?

    সাধারণত ফল প্রকাশের ৫–১০ মিনিটের মধ্যেই SMS-এর মাধ্যমে ফল জানা যায়। তবে সার্ভারের চাপ থাকলে কিছুটা সময় বেশি লাগতে পারে।

    মার্কশিটসহ ফলাফল কীভাবে দেখব?

    রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট অথবা eboardresults.com থেকে মার্কশিট দেখা যাবে।

    শুধু রোল নম্বর দিয়ে কি ফল দেখা সম্ভব?

    কিছু ক্ষেত্রে শুধু রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখা গেলেও, মার্কশিট দেখতে সাধারণত রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর উভয়ই প্রয়োজন হয়।

    ফলাফল ভুল মনে হলে কী করবেন?

    ফলাফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন করা যাবে।

    SSC Result 2026 জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। এছাড়া eboardresults.com এবং SMS (16222) ব্যবহার করেও দ্রুত ফলাফল জানা যাবে। ফল প্রকাশের দিন আগে থেকেই রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রস্তুত রাখলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফলাফল ও মার্কশিট দেখে নিতে পারবেন।

  • শিক্ষিকার ভাইরাল রিলস নিয়ে যা বললেন সেই গানের শিল্পী

    শিক্ষিকার ভাইরাল রিলস নিয়ে যা বললেন সেই গানের শিল্পী

    ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে, অঝোরে নামবে বুঝি শ্রাবণের ধারা…’ তিন দশকেরও বেশি সময় আগে প্রকাশিত এই জনপ্রিয় গানটি সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের এক স্কুলশিক্ষিকার রিলস ভিডিওকে ঘিরে বিতর্কের পর গানটির শিল্পী ও ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের প্রধান ভোকাল মেজবাহ রহমান বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।

     

    তার মতে, ভিডিওটিতে নেতিবাচক কিছু নেই এবং ঘটনাটি নমনীয়ভাবে দেখা উচিত।

    গণমাধ্যমকে মেজবাহ রহমান বলেন, ‘এই গানটা আমরা সব সময়ই গাই। এটা চিরন্তন বৃষ্টির গান, বর্ষার গান, প্রকৃতির গান। ১৯৮৯ সালে গানটি তৈরি করি, ১৯৯০ সালে প্রকাশ করি।

    ৩৬ বছর পরও এর আবেদন একটুও কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে এটি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এটাও এক ধরনের ভিন্ন অনুভূতি।’

    সম্প্রতি ফেঞ্চুগঞ্জের স্কুলশিক্ষিকা বিউটি পাল এই গান ব্যবহার করে একটি রিল ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

    স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তবে এরই মধ্যে তার সহকর্মীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অনেক শিক্ষক একই গান ব্যবহার করে রিল তৈরি করে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন।

    বিউটি পালকে ঘিরে চলা বিতর্ক প্রসঙ্গে মেজবাহ রহমান বলেন, ‘আমরা সব সময়ই মা-বাবার পরে শিক্ষকদের স্থান দিই। শিক্ষকদের অবশ্যই কিছু বিষয় শিক্ষার্থীদের জন্য মেনে চলতে হয়। তবে এই রিল ভিডিও নিয়ে যেটা করা হচ্ছে, সেটা মোটেও কাম্য নয়।

    আমার কাছে এতে নেতিবাচক কিছু মনে হয়নি। এখানে একটি শ্রেণি কী অনৈতিক বিষয় খুঁজে পেল, আমি বুঝতে পারছি না।’

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমকে আমরা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না। প্রয়োজনেই সবাই এর দ্বারস্থ হয়। তাই একটি দিক দেখে কাউকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।’

    এদিকে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল মোল্লা জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তবে এই ঘটনায় শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মেজবাহ রহমান। তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হলে সেটি ঠিক হবে না। আমার মনে হয়, বিষয়টি নমনীয়ভাবে দেখা উচিত। কারণ এটি কোনো নেতিবাচক ভিডিও ছিল না।’

  • যে ৮ টুথপেস্টে পাওয়া যায়নি মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক

    যে ৮ টুথপেস্টে পাওয়া যায়নি মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক

    প্রতিদিন সকালে দাঁত মাজার ফাঁকেই অজান্তে শরীরে ঢুকছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক। দেশে বিক্রি হওয়া প্রতি চারটি টুথপেস্টের মধ্যে প্রায় তিনটিতেই মিলেছে এই কণা।

    আমদানি করা ও দেশে তৈরি ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই এই বিষাক্ত উপাদান পেয়েছে বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। এমনকি শিশুদের জন্য তৈরি টুথপেস্টেও মিলেছে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক।

    সংস্থাটির এক বছরের গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে ২৬টিতে, অর্থাৎ ৭৬.৫ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। তবে এর মধ্যে ৮ টি (২৩.৫ শতাংশ) টুথপেস্টে কোন মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

    মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি, এ ধরনের ৮ টি টুথপেস্ট-এর তালিকা:

    ১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)

    ৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)

    ৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)

    ৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)

    ৮. কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)।

  • অবশেষে এসএসসির ফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা

    অবশেষে এসএসসির ফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা

    মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

    সোমবার (২৭ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল খালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

     

    এর আগে গত ৮ জুন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২০ জুলাই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছিলেন, ২০ তারিখে ফলাফল প্রকাশ হচ্ছে না। তবে জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।

    উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নেয় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীন দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় বসে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

     

    গত ২০ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বিধান থাকলেও এ বছর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে।

  • ন’তুন পে স্কে’ল মন্ত্রিসভায় অ’নুমো’দনের প্রস্তুতি

    ন’তুন পে স্কে’ল মন্ত্রিসভায় অ’নুমো’দনের প্রস্তুতি

    আর্থিক সক্ষমতা ও সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য চাপের কথা বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নতুন পে স্কেল অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তবে সরকার সে পথে না হেঁটে আগামী অক্টোবরে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার আগেই নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা সফররত আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে নতুন পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে সংস্থাটি বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আরো দুই বছর স্থগিত রাখার পরামর্শ দেয়। তাদের যুক্তি, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারের রাজস্ব ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে, যা বাজেট ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    সূত্র বলছে, আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার আগেই গেজেট প্রকাশ করে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় সরকার।

    আর আইএমএফ চায় বিষয়টি অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষমাণ থাকুক, যাতে বার্ষিক সভায় এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যায়। পাশাপাশি নভেম্বরে সম্ভাব্য নতুন মিশন ঢাকায় এসে পে স্কেল ও নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আরো গভীরভাবে আলোচনা করতে পারে। কিন্তু সরকার বিষয়টি দীর্ঘায়িত করতে আগ্রহী নয়।
    এদিকে নতুন পে স্কেলের প্রস্তাবনা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে অর্থ বিভাগ।
    চলতি সপ্তাহের শেষদিকে কিংবা আগামী সপ্তাহের যেকোনো মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।

    এরই অংশ হিসেবে গতকাল রবিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সচিব কমিটির সুপারিশ, আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়ন কৌশল এবং আইএমএফের আপত্তির বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, পে স্কেলসংক্রান্ত ফোকাল কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    বৈঠকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থমন্ত্রী নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমান আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় সরকার নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখান থেকে সরে আসার সুযোগ নেই। তবে এককালীন চাপ কমাতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।’

    সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব, বাজেট ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব সক্ষমতা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে চলতি বাজেটে পে স্কেলের জন্য যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তা যথেষ্ট কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বর্তমান অষ্টম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হয় ২০১৫ সালে। এক দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ সময় জীবনযাত্রার ব্যয়, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর দাবি দীর্ঘদিন ধরে জোরালো হয়ে উঠেছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের অধীনে কর্মরত প্রায় ১৫ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কয়েক লাখ পেনশনভোগী নতুন পে স্কেলের আওতায় আসবেন। মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। এর ফলে সরকারের পেনশন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।

    বর্তমানে বাংলাদেশ আইএমএফের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। একই সঙ্গে নতুন প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের আরেকটি ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে। আইএমএফের আশঙ্কা, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক রাজস্ব ব্যয় বড় আকারে বৃদ্ধি পাবে। এতে বাজেট ঘাটতি বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ওপরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

    কোনো কোনো অর্থনীতিবিদ ধারণা করছেন, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় অন্তত ৮২ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে। বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি পেনশন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধির কারণে প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ আরো বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমান অর্থবছরে সরকারের পরিচালন ব্যয়ের বড় অংশই বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে ব্যয় হচ্ছে। ফলে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনায় অধিক দক্ষতা নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।

    তবে সরকারের নীতিনির্ধারকদের মতে, দীর্ঘদিন বেতন কাঠামো অপরিবর্তিত থাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি, মেধাবী জনবল আকর্ষণ এবং কর্মীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য নতুন পে স্কেল প্রয়োজন।

    এ কারণে অর্থ বিভাগ বিকল্প কয়েকটি বাস্তবায়ন মডেল নিয়েও কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি, নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং কয়েক ধাপে আর্থিক প্রভাব সমন্বয়ের পরিকল্পনা। নীতিনির্ধারকদের বিশ্বাস, এ ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করলে এককালীন আর্থিক চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।

    সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হতে পারে। অনুমোদন মিললে আগামী অক্টোবরে আইএমএফের বার্ষিক সভার আগেই নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের পথ খুলে যাবে। তবে সচিব কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ না পাওয়া পর্যন্ত অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটছে না।

    সূত্র: কালের কণ্ঠ

  • জানা গেল এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ

    জানা গেল এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পেতে অধীর অপেক্ষায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী। তাদের ফল নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় অভিভাবক-শিক্ষক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরাও। বিশেষ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ না করায় এ উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

    অবশ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, পরীক্ষার্থীদের এ অপেক্ষা ও অভিভাবকদের উদ্বেগ খুব বেশি দীর্ঘ হবে না। চলতি মাসেই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

    তবে ঠিক কবে ফল প্রকাশ করা হবে, তার দিনক্ষণ এখনো ঠিক করা হয়নি। 

    শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ২৭ থেকে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রস্তুত করতে কাজ করছেন। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ২০ তারিখের (জুলাই) মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা করেছিলাম। সেটা সম্ভব হয়নি। এখন ২৭ থেকে ২৮ তারিখের মধ্যে ফল রেডি করে ফেলব। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় যেদিন বলবে, সেদিন ফল প্রকাশ করা হবে।’

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ‘বোর্ড যদি ২৮ তারিখের মধ্যে ফল প্রস্তুত করে তাহলে চলতি মাসেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব। সেটা হতে পারে ৩০ জুলাই।’

    তিনি বলেন, ‘২৭ জুলাই নতুন কুঁড়ি ক্রীড়ার উদ্বোধন হবে, প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। ওই প্রোগ্রাম নিয়ে এখন মন্ত্রী, সচিবসহ শিক্ষা প্রশাসনে ব্যস্ততা। আবার ৩১ জুলাই শুক্রবার। সে ক্ষেত্রে ৩০ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা বেশি।’

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ২০ মে। নিয়মানুযায়ী—পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। সে হিসাবে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এবার ফল প্রকাশ করতে পারেনি শিক্ষা বোর্ড।

    গত ২১ এপ্রিল এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার এসএসসিতে বহিষ্কার ছিল খুবই কম।

  • আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৩ দিনের ছুটি

    আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৩ দিনের ছুটি

    আগামী আগস্ট ও সেপ্টেম্বর- এই দুই মাসে সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি ছুটি মিলিয়ে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৩ দিনের অবকাশ থাকবে। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দুই মাসে মোট ৩৮ দিন শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির পঞ্জিকা বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

    ছুটির পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগস্ট মাসে মোট ১২ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন সাপ্তাহিক ছুটি এবং ৩ দিন সরকারি ছুটি। সরকারি ছুটিগুলো হলো ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী।

    আগস্ট মাসে শ্রেণি কার্যক্রম চলবে ১৯ দিন।

    অন্যদিকে, সেপ্টেম্বর মাসে মোট ১১ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি ও নির্ধারিত সরকারি ছুটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ মাসেও ১৯ দিন শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বা বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত বা ঐচ্ছিক ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে।