কাল ভোর সাড়ে ৬টায় হাইতির মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল- এটা হয়তো সবারই জানা। মরক্কোর বিপক্ষে আগের ম্যাচে ড্র করায় এই ম্যাচের আগে কিছুটা চাপে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ব্রাজিল পারবে তো! হাইতি কেমন দল, তাদের র্যাঙ্কিং কত, ব্রাজিলের মুখোমুখি দেখায় অতীত ইতিহাসই বা কেমন?
ব্রাজিল-হাইতির অতীত ইতিহাস খুব বেশি দীর্ঘ নয়। দুদল এখন পর্যন্ত কেবল ৩টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। এই ৩ ম্যাচের পরিসংখ্যান ব্রাজিলকে স্বস্তিই দেওয়ার কথা। হারবে তো বহুদূরের আলাপ, ব্রাজিল একটি ম্যাচে ড্র পর্যন্ত করেনি। এক গোল হজমের বিপরীতে দিয়েছে ১৭টি। সবশেষ ২০১৬ সালের মুখোমুখি দেখায়ই জিতেছিল ৭-১ গোলে।
ফিলাডেলফিয়ায় দুদলের এবারের মুখোমুখি হওয়ার ব্যাপারটি ভিন্ন। এই ম্যাচ রোমাঞ্চে বাড়তি মাত্রা যোগ করছে। কেননা ১৯৭৪ ও ২০০৪ সালের দুটি ম্যাচই ফিফা প্রীতি। এবারই বিশ্বকাপে প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে তারা।
হাইতির ফিফা র্যাঙ্কিং ৮৫। যা ২০১৬ সালে ব্রাজিল ৭ গোল দেওয়ার সময়ের থেকে খারাপ। ওই ম্যাচের সময় হাইতি ছিল র্যাঙ্কিংয়ের ৭৪ নম্বরে। ব্রাজিল ছিল সাতে, এখন আছে পাঁচে।
হাইতি স্কটল্যান্ডের কাছে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে হেরেছে। স্কটল্যান্ড আছে র্যাঙ্কিংয়ের ৪২ নম্বরে। এটা থেকেই দলটির শক্তিমত্তা সম্পর্কে ধারণা করে নেওয়া যায়। তাছাড়া ২০২৬ সালে খেলা পাঁচ ম্যাচের মধ্যে হাইতির জয় কেবল একটি, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই জয়টি অবশ্য ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে।
হাইতি যেমন দলই হোক, ব্রাজিল নিজেদের খেলায় আরও উন্নতির চেষ্টায়। এ লক্ষ্যে হাইতির বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন দলটির কোচ। আনচেলত্তি বলেছেন, ‘আমরা কিছু পরিবর্তন করব। দলের পারফরম্যান্স আরও ভালো হওয়া দরকার। আমরা জানি, আমাদের সামর্থ্য আরও বেশি এবং সেটাই মাঠে দেখাতে হবে।’
প্রথম ম্যাচে রাফিনিয়া, ক্যাসেমিরোসহ কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলার নিজেদের সেরা খেলাটা উপহার দিতে পারেননি। তবে তাদের ওপর আস্থা হারাননি ব্রাজিল কোচ। বরং তিনি মনে করেন, প্রথম ম্যাচের চাপ খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলায় প্রভাব ফেলেছিল।








