Blog

  • সকালে না দুপুরে, কখন পে’ট ভরে খা’ওয়া ভালো, যা জানালেন পু’ষ্টিবি’দ

    সকালে না দুপুরে, কখন পে’ট ভরে খা’ওয়া ভালো, যা জানালেন পু’ষ্টিবি’দ

    কখনো তীব্র গরম, আবার কখনো বৃষ্টি। কখনো কখনো আবার রোদের ঝলকানির মধ্যেই বৃষ্টি পড়তে দেখা যায়। তবে গরমের দাপটের কারণে সকাল সকাল গোসল করা হয়। আবার বাসা-বাড়ির বাইরে দীর্ঘ সময় থাকা হলে ফিরেই গোসল করা হয়। মূলত ঘামের কারণে অস্বস্তির শেষ থাকে না। এ কারণে গরমে খাবার খাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না।

    এ সময় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন থাকে, সকালে নাকি দুপুরে, কখন পেট ভরে খাওয়া হলে শরীর ঠিক থাকবে বা কখন পেট ভরে খাওয়া উচিত? সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শ্রাবণী মুখার্জি এ ব্যাপারে কথা বলেছেন। তাহলে এই পুষ্টিবিদের পরামর্শ জেনে নেয়া যাক।

    পেট ভরে খেলেই বিপদ:
    গরমের সময় পেট ভরে খাওয়া ঠিক নয়। এতে গরমে আরও হাঁসফাঁস বেড়ে যাবে। খাবারও ঠিকমত হজম হবে না। সেই সুবাদে গ্যাস, অ্যাসিডিটি থেকে শুরু করে নানা জটিল রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য গরমে একসঙ্গে অনেক খাবার না খেয়ে, অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া উচিত। এই নিয়ম মেনে চললেই উপকার মিলবে।

    সকালে না দুপুরে, কখন ভারী খাবার খাওয়া ঠিক:
    এ ব্যাপারে শ্রাবণী মুখার্জি বলেন, শুধু গরমের দিনে নয়, বরং বছরজুড়েই সকালের নাশতা ভারী খাবার খেয়ে শুরু করা ঠিক। আর দুপুরের খাবারে সকালের তুলনায় হালকা খাবার খাওয়া ভালো। রাতে যতটা না খেলে নয়, ততটা খাওয়া উচিত। এই নিয়মে চললে শরীর সুস্থ থাকবে। এমনকি শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যানার্জির ঘাটতিও দূর হবে।

    সকালের নাশতা বাদ নয়:
    এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা ওজন কমানোর জন্য সকালে নাশতা করতে চান না। এতে শরীরে শক্তির ঘাটতি হয় বলে জানিয়েছেন শ্রাবণী। তার ভাষ্যমতে―সকালের নাশতা হলো দিনের প্রথম খাবার। এই খাবার ঠিকমত খেলে দুর্বলতা কাটে। শরীরের সব অঙ্গ ঠিকঠাক কাজ করে। বিপরীতে, যদি সকালের নাশতা না করেন, তাহলে মেটাবোলিজম রেট ধীর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাতে মেদ জমার আশঙ্কাও থাকে। এ জন্য ওজন কমাতে চাইলেও নিয়মিত সকালে নাশতা করতে হবে।

    সুষম খাবার খাওয়া:
    সকালে নাশতা, দুপুরে ও রাতের খাবার হচ্ছে দিনের তিনটি বড় খাবার। এসব খাবারে প্রোটিন, ফ্যাট, কার্ব, খনিজ ও ভিটামিনের উপস্থিতি থাকা উচিত। প্রোটিনের উৎস হচ্ছে ডিম, মাছ, মাংস ও সোয়াবিন। তেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ফ্যাট থাকে। অপরদিকে কার্বের ঘাটতি মেটানোর জন্য ভাত, রুটি, ডালিয়, ওটস ও শস্যদানা খেতে পারেন। আর ভিটামিন ও খনিজের চাহিদা পূরণের জন্য শাক-সবজি ও ফল খেতে হবে।

    পর্যাপ্ত পানি পান:
    গরমে পানিশূন্যতা কাটাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। না হলে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হতে পারে। তাই সচেতন নাগরিক হিসেবে দিনে অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পরিমাণ পানি পান করুন। তবে কিডনিজনিত সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি পানের বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

  • শ’রীরে যে ভি’টামিনের ঘা’টতি হলে অ’তিরি’ক্ত ঘু’ম পায়, জেনে নিন

    শ’রীরে যে ভি’টামিনের ঘা’টতি হলে অ’তিরি’ক্ত ঘু’ম পায়, জেনে নিন

    সারারাত ঘুমিয়ে সকালে উঠতেই ক্লান্তি অনুভব হয় অনেকের। সকালের নাস্তা সারতেই চোখে ঘুম যেন জেঁকে বসে। এছাড়া, আড্ডা কিংবা ঘরে অলস সময় পার করলেও ঘুম পায় অনেকের। ঘুম পাওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়গুলোর মধ্যে পড়ে, তবে কী কারণে মাত্রাতিরিক্ত ঘুম পায় জানেন কি?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ‘বি’, বিশেষ করে বি-১২ হলো সেই অন্যতম প্রধান ভিটামিন যার অভাবে ক্লান্তি বাড়ে ও ঘুম বেশি পেতে থাকে। এছাড়া, রক্তস্বল্পতার কারণে ক্লান্তি পেতে পারে, যা অতিরিক্ত ঘুমের দিকে পরিচালিত করে।

    লোহিত রক্তকণিকা এবং ডিএনএ উৎপাদনের জন্য ভিটামিন বি১২ অপরিহার্য। এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতার জন্যও অপরিহার্য। যখন আপনার শরীর পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ পায় না তখন আপনি সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করতে পারেন। এটি দুর্বলতাও হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীর পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ না পেলে আপনি সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করতে পারেন। এমনকি ঘুম ঘুম বোধ হতে পারে।

    তাই সতর্ক হোন। মনে রাখবেন আমাদের শরীরে এই ভিটামিন তৈরি হয় না। খাদ্য থেকে এটি আহরণ করতে হয় শরীরকে। ভিটামিন বি১২ এর খাদ্য উত্স হলো মাছ, মাংস, ডিম, স্যামন।

  • চু’ল পড়া ক’মাতে নিয়মিত খা’বেন ১৪টি খা’বার, জেনে নিন

    চু’ল পড়া ক’মাতে নিয়মিত খা’বেন ১৪টি খা’বার, জেনে নিন

    বর্তমানে চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা। খারাপ জীবনধারা, মানসিক চাপ, সঠিক খাবার না খাওয়ার অভ্যাস, শব্দ দূষণ ইত্যাদি চুলের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে চুল পড়ার সমস্যা কমাতে সঠিক যত্ন নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি সঠিক পুষ্টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের গোড়া মজবুত রাখতে সবচেয়ে জরুরি হলো ভেতর থেকে পুষ্টি জোগানো। আর সেই পুষ্টির বড় একটি অংশ আসে আমাদের প্রতিদিনের খাবার থেকেই। সামান্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলে, নিয়মিত কিছু পুষ্টিকর খাবার রাখলে চুল পড়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। 

    তাহলে জেনে নেওয়া যাক, চুল পড়া কমাতে ও চুল ঘন করতে কোন খাবারগুলো নিয়মিত খাওয়া উচিত-

    বাদাম

    চুল নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন? তাহলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন আখরোট, আমন্ড ও কাজুর মতো বাদাম। এসব বাদামে রয়েছে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ও মিনারেল, যা চুলের গোড়া মজবুত করতে সহায়তা করে এবং চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখে।

    চিয়া বীজ

    চিয়া বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা চুলের পুষ্টির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দই বা সালাদের সঙ্গে নিয়মিত চিয়া বীজ খেলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।

    শিমের বীজ

    চুল পড়া আটকাতে চান, একই সঙ্গে চুল ঘন করতে চান? সে ক্ষেত্রে শিমের বীজ হতে পারে দারুণ উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, যা চুলের গঠন ও বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত খেলে চুলের শক্তি বাড়ে।

    পনির

    নিরামিষাশীদের জন্য প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস কটেজ চিজ। শোভন সাহা বলেন, ‘এতে উচ্চমানের প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা চুলের গঠনের জন্য অপরিহার্য।’ তিনি আরও বলেন, এর ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের সংমিশ্রণ সরাসরি আপনার চুলের গঠনগত অখণ্ডতা বজায় রাখতে সহায়ক এবং চুলের জন্য প্রয়োজনীয় কেরাটিন সংশ্লেষণে সহায়তা করে।

    মেথি বীজ

    মেথির বীজ ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে সমৃদ্ধ। এটি চুল পড়া বন্ধ করতে অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত।

    পালং শাক

    পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন এ-এর ভালো উৎস। এই ভিটামিন চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং মাথার ত্বককে সুস্থ রাখে। চুল পড়া কমাতেও পালং শাক বেশ কার্যকর।

    ডিম

    চুলের যত্নে সবচেয়ে উপকারী ডিম। ডিম প্রোটিন, বায়োটিন, ভিটামিন বি১২, আয়রন, জিংক এবং ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস। এই ভিটামিন এবং খনিজগুলোর মধ্যে যে কোনো একটির অভাব হলেও, চুলের গুণমান খারাপ হতে পারে। তাই চুল পড়া বন্ধ করতে খাদ্য তালিকায় ডিম অবশ্যই রাখুন।

    ওটস

    ওটস কেবলমাত্র ফাইবার সমৃদ্ধ নয়, এতে জিংক, আয়রন এবং ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিও আছে। ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বক ভাল রাখে, চুলের বৃদ্ধিতেও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই আপনার রোজকার ব্রেকফাস্টের তালিকায় ওটস অন্তর্ভুক্ত করুন।

    আমলকি

    প্রতিদিন অল্প পরিমাণে আমলকি খেলে চুল পড়ার সমস্যা অনেকটাই কমে যেতে পারে। আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায় এবং চুলকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে।

    অঙ্কুরিত মুগ ডাল

    চুলের গোছা মজবুত করার জন্য এটি অব্যর্থ উদ্ভিদভিত্তিক উপাদান। শোভন সাহা ব্যাখ্যা করেন, ‘অঙ্কুরিত মুগ ডাল উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, বায়োটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড সরবরাহ করে, যা একেবারে গোড়া থেকে চুল শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।’ যেহেতু অঙ্কুরিত শস্য সহজে হজম হয়, তাই শরীর কোনো রকম জড়তা ছাড়াই এই গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো শোষণ করতে পারে।

    গাজর

    গাজর কেবলমাত্র চোখের ক্ষেত্রে নয়, ত্বক এবং চুলের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত উপকারী। গাজর ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ। এটি স্ক্যাল্পে পুষ্টি সরবরাহ করে। চুলের গোড়া শক্ত হয়, চুলকে ময়শ্চারাইজড রাখে। তাই গাজরকে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

    লো ফ্যাট ডেয়ারি প্রোডাক্ট

    চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে, প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। তাই আপনার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই দই কিংবা পনির অন্তর্ভুক্ত করুন। ভালো ফল পেতে চাইলে, জিংক এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ আখরোট কিংবা ফ্ল্যাক্সসিডও যোগ করতে পারেন।

    মিষ্টি আলু

    মিষ্টি আলু ভিটামিন-এ শোষণ করতে পারে। এ ছাড়া এগুলো বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ। চুলের ঘনত্ব এবং সিবাম উৎপাদনের জন্য ভিটামিন এ অপরিহার্য, যা আপনার চুলকে সুস্থ এবং প্রাকৃতিকভাবে আর্দ্র রাখে। তাই ডায়েটে মিষ্টি আলু অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

    সবুজ কড়াইশুঁটি

    চুলের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সবুজ কড়াইশুঁটি অত্যন্ত উপকারী। সবুজ কড়াইশুঁটি ভিটামিন বি, জিংক এবং আয়রনের উৎস। স্বাস্থ্যকর চুল বজায় রাখার জন্য এগুলো অপরিহার্য। তাই খাদ্য তালিকায় অন্যান্য শাকসবজির পাশাপাশি, সবুজ কড়াইশুঁটিও অন্তর্ভুক্ত করুন।

     

  • টানা ৩০ দিন কাঁ’চা র’সুন খেলে শ’রীরে যা ঘ’টবে, জেনে নিন

    টানা ৩০ দিন কাঁ’চা র’সুন খেলে শ’রীরে যা ঘ’টবে, জেনে নিন

    আমরা সবাই খাবারে রসুনের স্বাদ এবং গন্ধ পছন্দ করি। কিন্তু এর তীব্র গন্ধ এবং ঝাঁঝালো স্বাদের কারণে সবাই এটিকে কাঁচা খেতে পছন্দ করেন না। তবে, আপনি যদি ৩০ দিন প্রতিদিন এক কোয়া কাঁচা রসুন খেতে পারেন, তাহলে আপনি আপনার শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখতে পারেন।

    কাঁচা রসুন কেন বেছে নেবেন?

    রসুন শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, রসুনের কোয়া থেঁতলে বা কুচি করলে সালফার-যুক্ত যৌগ তৈরি হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। রান্না করার চেয়ে কাঁচা খেলে এই যৌগগুলো আরও সম্পূর্ণরূপে অটুট থাকে।

    প্রতিদিন কাঁচা রসুন খেলে কী হয়, কাঁচা রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতা

    বিজ্ঞাপন

    কাঁচা রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রাও ঠিক করতে পারে। বিশেষ করে ক্ষতিকারক লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরল ঠিক করার ক্ষমতা আছে রসুনের। টানা ৩০ দিন কাঁচা রসুন খেলে এ দুই ক্ষেত্রে আপনি পরিবর্তন দেখতে পারেন। তবে নাটকীয়ভাবে সব ঠিক হয়ে যাবে এমন কিছু প্রত্যাশা করা যাবে না। কাঁচা রসুন খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনযাপনেও পরিবর্তন আনতে হবে।

    গবেষণায় দেখা গেছে, রসুনের সক্রিয় যৌগগুলো জীবাণু-রোধী, ভাইরাস-রোধী এবং ছত্রাক-রোধী হিসেবে কাজ করে।

    ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় পাওয়া যায়, রসুনে অ্যালিসিন রয়েছে, যা জীবাণু-রোধী এবং প্রদাহ-রোধী হিসেবে কাজ করে। এছাড় রসুন রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।

    বিজ্ঞাপন

    এছাড়া রসুন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এবং এটি অক্সিডেটিভ চাপ কমাতে পারে। যা বার্ধক্য, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ এবং মস্তিষ্কের ক্ষয়জনিত রোগের অন্যতম কারণ

    পুষ্টিবিদ ড. সিমরান সাইনির মতে, “রসুনে উচ্চ সালফার উপাদান রয়েছে যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় এবং হজমতন্ত্রকে ঠিক রাখে।”

    এছাড়া রসুন ত্বকের জন্যও উপকারী। রসুন খেলে আপনার শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

    টানা ৩০ দিন কাঁচা রসুন খেলে যা হবে—

    প্রথম ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে

    আপনার নিঃশ্বাসে তীব্র গন্ধ আসতে পারে, এবং কাঁচা রসুন খাওয়ার সময় পেটে সামান্য অস্বস্তি বা অনুভূতি হতে পারে।

    ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে

    যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা খারাপ কোলেস্টেরলের (এলডিএল) মাত্রা বেশি, তাদের শরীরে উন্নতি দেখা যেতে পারে।

    অসুস্থ হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালোভাবে কাজ করতে সহায়তা করতে পারে, ফলে সর্দি-কাশি বা অসুস্থতা কম হতে পারে।

    প্রশান্তিদায়ক খাবারের সাথে রসুন না খেলে হজমের সমস্যাগুলো (যেমন পেটের গোলমাল) থেকে যেতে পারে।

    ব্রণ কম হওয়ার কারণে ত্বক আরও পরিষ্কার হতে পারে।

    ৩০ দিন পর

    যদি আপনি এর ফলাফল পছন্দ করেন এবং আপনার শরীর ভালোভাবে সহ্য করে, তবে আপনি এটি চালিয়ে যেতে পারেন।

    যদি আপনি কোনো সুবিধা না পান এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি বিরক্তিকর মনে হয়, তবে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে কাঁচা রসুন আপনার জন্য উপযুক্ত নয়।

    কাঁচা রসুন খাওয়ার নিয়ম

    রসুন থেঁতলে বা কুচি করুন, তারপর মূল উপাদান অ্যালিসিন তৈরি হওয়ার জন্য ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন।

    এর তীব্রতা কমাতে কাঁচা রসুন সালাদ, দইয়ের চাটনি, বা সামান্য মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।

    যদি কাঁচা রসুনে অভ্যস্ত না হন, তবে অর্ধেক কোয়া দিয়ে শুরু করুন। শরীর সহ্য করলে ধীরে ধীরে একটি পূর্ণ কোয়া পর্যন্ত বাড়ান।

    কাঁচা রসুন খাওয়ার সম্ভাব্য সমস্যা

    নিঃশ্বাসে ও শরীরে তীব্র গন্ধ আসা খুবই স্বাভাবিক।

    বিশেষ করে খালি পেটে বা সংবেদনশীল হজমতন্ত্র থাকলে পেটে গোলমাল, বুকজ্বালা, গ্যাস বা পেট ফোলা হতে পারে।

    রক্তপাতের ঝুঁকি— রসুনকে রক্ত পাতলা করে। আপনি যদি রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এমন ওষুধ খান বা আপনার অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা থাকে, তবে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

    আপনার কি প্রতিদিন কাঁচা রসুন খাওয়া উচিত?

    প্রতিদিন এক কোয়া কাঁচা রসুন এক মাস ধরে খেলে বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    এটি হৃদপিণ্ড ও রক্তনালী সংক্রান্ত ঝুঁকির উপাদানগুলো এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য সামান্য উপকার এনে দিতে পারে।

    তবে এটি কোনো অলৌকিক সমাধান নয় এবং নির্ধারিত ওষুধ বা অন্যান্য স্বাস্থ্য অভ্যাসকে (ব্যায়াম, খাবার, ঘুম) বিপরীত হতে পারে না।

    আপনি যদি রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, হজমের সমস্যা থাকে বা গর্ভবতী বা শিশুকে দুধ পান করান, তবে আপনার অবশ্যই প্রথমে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

  • শ’রীরের যে সম’স্যা থাকলে ভু’লেও রসুন খা’বেন না, জেনে নিন

    শ’রীরের যে সম’স্যা থাকলে ভু’লেও রসুন খা’বেন না, জেনে নিন

    প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে থেকেই রসুনের গুণাগুণ সম্পর্কে জানা যায়। এর বোটানিক্যাল নাম হলো Allium Salivan linn। রসুন যেমন উষ্ণ, তেমনি স্নিগ্ধ। এটি শরীরকে গরম রাখে। রসুন এন্টিবায়োটিক, সর্দি কাশি সারায়। একজিমা দূর করে। ঘাম হতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল ও রক্ত শর্করা কমায়। দুধে রসুনের রস পড়লে ছানা হয় না।

    তবে এর গন্ধ পারদের মতো সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় রসুন বেশ কার্যকর। যেমন-হাড়ের রোগ, কৃমি, চর্মরোগ, উচ্চরক্তচাপ, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, প্রস্রাবে সংক্রমণ ইত্যাদি। এক বা দুই কোয়া রসুন গরম দুধের সঙ্গে খেলে শরীরের জড়তা দূর হয় এবং এতে সামান্য জ্বরেও উপকার পাওয়া যায়। পেটে গ্যাস হলেও রসুনের রস উপকারী। রসুনের রসের শ্বাস নিলে মাথাব্যথা উপশম হয়। এ ছাড়া রসুন দিয়ে সরিষার তেল গরম করে মালিশ করলে বাতের ব্যথা দূর হয়।

    আরও পড়ুন: ভালো ঘুমের জন্য যা দরকার

    রসুনের মধ্যে সালফাইড থাকার কারণে এটি জীবাণুনাশক হিসাবে কাজ করে। এর ই-কোলাই ও টাইফয়েডের জীবাণু ধ্বংস করার ক্ষমতা আছে। এর রাসায়নিক উপাদানগুলো হলো-Organic sulphide, sulphar bearing amino acid, Essential oil. রসুন পরজীবী ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, মানসিক চাপ কমায়, শ্বাসকষ্ট সারায়, স্নায়ুবিক সমস্যা রোধ করে এবং যকৃতের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। রসুনে থাকা ডাই-অ্যালাইন সালফাইড ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

    রসুন নিয়ে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, এর এলিসিন নামক পদার্থটি দেহের ওজন বাড়া প্রতিহত করে। এছাড়া নিউইয়র্ক স্টেট ইউনির্ভাসিটির অধ্যাপক ডক্টর এরিক ব্লক রসুনের মধ্যে কিছু দ্রব্যের সন্ধান পেয়েছেন যা রক্ত জমাট বাঁধা দূর করে।

    সবচেয়ে সক্রিয় এজেন্টটির নাম এজোনাইন। এটি অনুচক্রিকার পিঠের কোষকে এমনভাবে পরিবর্তন করে যে, এগুলো আর আঠালো থাকে না। তাই জমাট বেঁধে পিণ্ডও তৈরি হয় না। এ প্রসঙ্গে ডা. ব্লক বলেন, ‘রসুনের গোটা কোয়া খাওয়াই উত্তম।’ ওষুধের জনক হিপোক্রেটস বলেছেন, বনৌষধির মধ্যে রসুনের স্থানই প্রথম। এটি শরীর ও মনের সার্বিক উন্নতি ঘটায়।

    লেখক : চিফ নিউট্রিশন অফিসার ও বিভাগীয় প্রধান (অব.), বারডেম। সভাপতি, ডায়াবেটিস নিউট্রিশনিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শ্যামলী ও অ্যাডভান্স হাসপাতাল, ঢাকা

  • প্রত্যেক বি’বাহি’ত পু’রুষ’কে অবশ্যই ল’বঙ্গ খে’তে হবে, কারণ অজা’না থাকলে জেনে নিন

    প্রত্যেক বি’বাহি’ত পু’রুষ’কে অবশ্যই ল’বঙ্গ খে’তে হবে, কারণ অজা’না থাকলে জেনে নিন

    অনেক সময় সর্দি বা গলাব্যথা হলে লবঙ্গ চিবিয়ে খেতে বলা হয়। লবঙ্গের তেলও দাঁতের ব্যথায় দারুণ উপশম করে। এছাড়াও, যখন আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি ক্বাথ তৈরি করি, তাতেও লবঙ্গ রাখা হয়। লবঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে Syzygium Aromaticum নামে পরিচিত। লবঙ্গ ভারতীয় রান্নাঘরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এটিতে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিকার্সিনোজেনিকের মতো অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

    লবঙ্গ সব বয়সের মানুষের জন্য ভালো হলেও পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পুরুষদের জন্য লবঙ্গের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন
    ​শুক্রাণু উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে

    জীবনযাত্রার অনেক কারণ যেমন বয়স, ধূমপান, খারাপ খাদ্য, মদ্যপান এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ পুরুষদের খারাপভাবে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে শুক্রাণুর সংখ্যা কম হয়। পুরুষের উর্বরতা বজায় রাখতে ডায়েট একটি বড় ভূমিকা পালন করে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, লবঙ্গে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকলাপ রয়েছে, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রজনন অঙ্গের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটি শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শুক্রাণুর গুণমান এবং গতিশীলতা উন্নত করে।

    ​উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করেঃ গবেষণা অনুসারে, পুরুষদের উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা মহিলাদের তুলনায় বেশি। লবঙ্গে উপস্থিত কার্ডিওপ্রোটেক্টিভ অ্যাক্টিভিটি শুধুমাত্র কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় না কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হৃদপিণ্ডের পেশির স্বাস্থ্য বজায় রাখে।

    ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে পুরুষদের ডায়াবিটিস হওয়ার সম্ভাবনা মহিলাদের তুলনায় দ্বিগুণ। লবঙ্গে উচ্চ অ্যান্টিহাইপারগ্লাইসেমিক, হেপাটোপ্রোটেকটিভ, হাইপোলিপিডেমিক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ রয়েছে। এটি শরীরের গ্লুকোজ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং লিভারের কোষগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

    সঙ্গমের ইচ্ছে বাড়াতে সাহায্য করেঃ লবঙ্গে ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে যেমন ফ্ল্যাভোনয়েড, অ্যালকালয়েড এবং স্যাপোনিন, যা যৌন ইচ্ছাকে উদ্দীপিত করতে বা কামশক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। যৌন ক্ষমতা এবং টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি, এটি অকাল বীর্যপাত রোধ করতে বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। সমীক্ষা অনুসারে লবঙ্গ স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে যৌন উত্তেজনা বাড়াতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

    ​দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীঃ লবঙ্গে অ্যান্টিজিনজিভাইটিস এবং অ্যান্টিপ্লাক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা দাঁত সুস্থ রাখার জন্য অপরিহার্য। লবঙ্গ শুধুমাত্র মুখের জীবাণু প্রতিরোধে সাহায্য করে না, মাড়িতে সংক্রমণ, প্রদাহ এবং ব্যথা থেকেও মুক্তি দেয়। এটি পুরুষদের নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এবং পিরিয়ডোনটাইটিস প্রতিরোধের একটি ঘরোয়া প্রতিকারও। একটি সমীক্ষা অনুসারে, এই স্বাস্থ্যকর মশলা খাওয়া দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়।

    লবঙ্গ শুধুমাত্র পুরুষদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে না বরং তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত করতে পারে। পুরুষদের প্রতিদিনের খাবারে রান্নাঘরে উপস্থিত এই মশলাটি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। যাইহোক, মনে রাখবেন যে লবঙ্গ একটি ভেষজ এবং শুধুমাত্র পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

    ডিসক্লেইমার: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য আরও বিস্তারিত জানতে হলে বিশেষজ্ঞের থেকে পরামর্শ নিন।

  • কোন ভি’টামিনের অ’ভাবে চো’খের নিচে কা’লি পড়ে, জেনে নিন প্র’তিকা’রের উপায়

    কোন ভি’টামিনের অ’ভাবে চো’খের নিচে কা’লি পড়ে, জেনে নিন প্র’তিকা’রের উপায়

    কোন ভিটামিনের অভাবে চোখের নিচে কালি পড়ে, জেনে নিন প্রতিকারের উপায়
    মুখের সৌন্দর্য অনেকাংশেই নির্ভর করে সুন্দর ও উজ্জ্বল চোখের ওপর। কিন্তু ক্লান্ত ও কালো দাগ পড়া চোখ সৌন্দর্যে ব্যাঘাত ঘটায়।
    সপ্তাহে অন্তত তিন দিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে মাত্র ২০-৩০ মিনিট সূর্যস্নান করলেই শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পেতে পারে।অনেকেই মনে করেন, রাত জাগার কারণেই চোখের নিচে কালি পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর মূল কারণ হতে পারে শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব।
    কেন চোখের নিচে কালি পড়ে? : চিকিৎসকদের মতে, শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হলে তা প্রথমে চোখে প্রভাব ফেলে। শুধু চোখের নিচে কালি নয়, এই ঘাটতির ফলে আরও কিছু লক্ষণ দেখা যেতে পারে, যেমন— অতিরিক্ত ক্লান্তি, ঘুমের সমস্যা, হাড় ও পেশিতে ব্যথা, অবসাদ, চুল পড়ার সমস্যা।
    ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দূর করার সহজ উপায় : ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দূর করতে প্রাকৃতিকভাবে সূর্যালোক গ্রহণ করা সবচেয়ে কার্যকর। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে মাত্র ২০-৩০ মিনিট সূর্যস্নান করলেই শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পেতে পারে।
    তাই, যদি চোখের নিচে কালি বা ওপরের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে দেরি না করে প্রাকৃতিক উপায়ে ভিটামিন ডি-এর অভাব পূরণের চেষ্টা করুন।

  • নিয়মিত আ’দা খেলে শ’রীরে যে পরিবর্তন হয়, জেনে নিন

    নিয়মিত আ’দা খেলে শ’রীরে যে পরিবর্তন হয়, জেনে নিন

    তরকারির স্বাদ বাড়াতে আদার ব্যবহার বহু পুরোনো। শুধু স্বাদের জন্য নয়, আদায় থাকা কিছু সক্রিয় উপাদানের কারণে এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসেরও অংশ হতে পারে। 

    টানা এক মাস প্রতিদিন নিয়মিত আদা খেলে শরীরে কী ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে?

    বমিভাব কমায়

    আদার সবচেয়ে পরিচিত গুণগুলোর একটি হলো বমিভাব ও বমির প্রবণতা কমাতে সহায়তা করা। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের বমিভাবের ক্ষেত্রে আদার উপকারিতা নিয়ে গবেষণা রয়েছে। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণ আদা রাখলে অনেকের ক্ষেত্রে পেটের অস্বস্তি ও বমিভাব কিছুটা কমতে পারে।

    হজমে স্বস্তি

    আদা হজমপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে। এটি পাকস্থলী থেকে খাবার দ্রুত অন্ত্রে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা বদহজমের মতো কিছু সাধারণ অস্বস্তিতে উপকার মিলতে পারে।

    ব্যথা কমায়

    আদায় থাকা জিঞ্জেরল ও অন্যান্য যৌগের প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিয়মিত আদা খাওয়ার ফলে শরীরের প্রদাহজনিত কিছু প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

    আদার প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে নিয়মিত সেবনে কিছু ধরনের ব্যথা ও পেশির অস্বস্তি কমতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়। বিশেষ করে মাসিকের সময়ের ব্যথা নিয়েও আদার সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে গবেষণা হয়েছে।

    পেট পরিষ্কার রাখে

    হজমের ওপর ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি আদা অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও সহায়তা করতে পারে। ফলে নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে আদা খেলে কারও কারও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

    রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের ওপর প্রভাব

    আদা নিয়ে কিছু গবেষণায় রক্তে শর্করা ও রক্তের চর্বির মাত্রার ওপর সম্ভাব্য ইতিবাচক প্রভাবের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে শুধু এক মাস আদা খেলেই ডায়াবেটিস বা উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, এমন দাবি করার মতো প্রমাণ নেই। এসব ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও চিকিৎসকের পরামর্শই গুরুত্বপূর্ণ।

    কীভাবে খাওয়া যায় আদা

    প্রতিদিন আলাদা করে কাঁচা আদার টুকরা চিবিয়ে খাওয়ার প্রয়োজন নেই। চা, স্যুপ, তরকারি, স্মুদি কিংবা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে পরিমিত পরিমাণে আদা খাওয়া যেতে পারে। আদার ঝাঁঝালো স্বাদ অনেকের কাছে তীব্র মনে হতে পারে, তাই নিজের সহনশীলতা অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক করাই ভালো।

    এক মাস প্রতিদিন আদা খেলেই সবার শরীরে একই ধরনের পরিবর্তন হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। পরিমাণে আদা দৈনন্দিন খাবারের একটি উপকারী অংশ হতে পারে। এর সম্ভাব্য উপকারের মধ্যে হজমে সহায়তা, বমিভাব কমানো এবং প্রদাহজনিত অস্বস্তি কমাতে ভূমিকা রাখার বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি আলোচিত।

  • ও’য়াই-ফা’ইয়ের গ’তি বাড়াতে করুন কয়েকটি কাজ, জেনে নিন

    ও’য়াই-ফা’ইয়ের গ’তি বাড়াতে করুন কয়েকটি কাজ, জেনে নিন

    এক ঘরে রাউটার রাখলে অন্য ঘরে ইন্টারনেটের গতি থাকে খুবই কম। এমন সমস্যায় সবাই কমবেশি পড়েন। সেলুলার নেটওয়ার্কের ইন্টারনেটের চেয়ে নিঃসন্দেহে বেশি স্পিড দেয়। কিন্তু তার পরেও ওয়াই-ফাই নিয়ে একটা অভিযোগ অনেকেরই থেকে যায়। ওয়াই-ফাইয়ের সিগন্যাল বাড়ির প্রতি কোণে একই রকম গতিতে কাজ করে না।

    তবে কয়েকটি কাজ করলে আপনি ঘরের যে প্রান্তেই রাউটার রাখুন না কেন, সব জায়গায় সমান ইন্টারনেটের গতি পাবেন। জেনে নিন সেসব-

    ১.রাউটারটি সঠিক অবস্থানে রাখুন। রাউটারটি বাড়ির কেন্দ্রীয় কোনো স্থানে রাখার চেষ্টা করুন। যাতে সর্বাধিক কভারেজ বাড়ির বেশিরভাগ অংশে পৌঁছাতে পারে। মনে রাখতে হবে যে এক্ষেত্রে রাউটারটি একটু উঁচু জায়গায় রাখতে হবে এবং এটিকে খোলা রাখতে হবে। অর্থাৎ উপরে কোনো ঢাকনা থাকলে চলবে না।

    ২.একটি ওয়াই-ফাই রেঞ্জ এক্সটেন্ডার বা মেশ ওয়াইফাই সিস্টেম কেনা আমাদের পুরো বাড়িতে বিদ্যমান ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের কভারেজ বাড়ানোর একটি ভালো উপায় হতে পারে।

    ৩.হাই পারফরম্যান্স রাউটারে আপগ্রেড করুন। কেউ যদি পুরোনো রাউটার ব্যবহার করেন তবে তার কর্মক্ষমতা খুব স্বাভাবিকভাবেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রভাবিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আরও ভালো রেঞ্জ এবং ক্ষমতা সহ আরও শক্তিশালী রাউটার কেনা একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।

    ৪.ওয়াই-ফাই সেটিংস অপ্টিমাইজ করতে পারেন। কাছাকাছি নেটওয়ার্ক থেকে বাধা কমাতে রাউটারে ওয়াই-ফাই চ্যানেল অ্যাডজাস্ট করা দরকার। অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করতে ওয়াই-ফাইয়ের সিকিউরিটি ফিচারও এনেবল করে রাখতে পারেন।

    ৫. বিদ্যমান ওয়াই-ফাই সিগন্যাল ক্যাপচার করতে একটি ওয়াই-ফাই রিপিটার রাখলে ভালো হয় এবং আমাদের বাড়ির বাকি অংশেও সিগন্যাল পৌঁছানোর জন্য এটি কাজে আসবে।

  • স’হবা’সের পর যে ৭টি কাজ অবশ্যই করা উচিত

    স’হবা’সের পর যে ৭টি কাজ অবশ্যই করা উচিত

    শারীরিক মিলনের আগে পরিবেশ তৈরি করা বা পার্টনারের সঙ্গে সঠিক যোগাযোগের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা অনেকেই সচেতন। কিন্তু মিলনের পরবর্তী সময়টুকুও আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন গণমাধ্যম ‘হাফপোস্ট লাইফ’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সহবাসের ঠিক পরেই কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তা কেবল আপনার স্বাস্থ্যই ভালো রাখবে না, বরং সঙ্গীর সাথে আপনার আত্মিক বন্ধনকেও আরও গভীর করে তুলবে।

    বাংলাদেশে বেশিভাগ মানুষই মিলনের পর ঘুমিয়ে পড়া বা চুপচাপ শুয়ে থাকাকে পছন্দ করেন, তবে বিশেষজ্ঞরা শারীরিক সুস্থতা এবং দীর্ঘস্থায়ী অন্তরঙ্গতা বজায় রাখতে নির্দিষ্ট কিছু কাজের পরামর্শ দিয়েছেন।

    নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য সহবাসের পর পালনীয় ৭টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ তুলে ধরা হলো:

    ১. প্রস্রাব করা ও পরিচ্ছন্নতা: ক্লিনিকাল সেক্সোলজিস্ট সানি রজার্সের মতে, সহবাসের পর প্রস্রাব করা অত্যন্ত জরুরি। এটি মূত্রনালি থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া বা টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এটি ইউটিআই বা মূত্রনালির সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এরপর হালকা গরম পানি এবং সুগন্ধিহীন মাইল্ড সাবান দিয়ে শরীর পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো।

    ২. সুতির ও আরামদায়ক অন্তর্বাস ব্যবহার: পরিচ্ছন্নতার পর সঠিক অন্তর্বাস নির্বাচন করা জরুরি। রজার্স পরামর্শ দিয়েছেন সুতির অন্তর্বাস পরার জন্য, কারণ এটি প্রাকৃতিকভাবে বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। সুতি ফেব্রিক হাইপোঅ্যালার্জেনিক এবং আর্দ্রতা শোষণ করে নেয়, যা মিলনের পর স্পর্শকাতর অঙ্গে কোনো ধরনের অস্বস্তি বা সংক্রমণ হতে দেয় না।

    ৩. আলিঙ্গন ও কথা বলা (পিলো টক): শারীরিক মিলনের সময় শরীরে ‘অক্সিটোসিন’ নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়, যাকে ‘লাভ হরমোন’ বলা হয়। সাইকোথেরাপিস্ট চ্যামিন আজান জানান, এই হরমোন পার্টনারের প্রতি একাত্মতা এবং ভালোবাসার অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়। তাই এই সময়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে গল্প করা বা নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্ন নিয়ে কথা বলা সম্পর্কের গভীরতা বাড়িয়ে তোলে।

    ৪. পর্যাপ্ত পানি পান করা: শারীরিক মিলনের ফলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে এবং শক্তির ক্ষয় হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা মিলনের পর অন্তত ৮ আউন্স বা এক গ্লাস পানি পানের পরামর্শ দেন। এটি শরীরকে রিহাইড্রেট করার পাশাপাশি মূত্রনালি থেকে ব্যাকটিরিয়া বের করে দিতেও সহায়তা করে।

    ৫. হালকা নাস্তা গ্রহণ: মিলনের সময় ক্যালরি ক্ষয় হয় এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, যার ফলে ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। এসময় পুষ্টিকর কিছু খাবার (যেমন: চিয়া সিড বা গ্রিন টি) খাওয়া যেতে পারে। এমনকি সঙ্গীকে নিয়ে একসঙ্গে রান্নাঘরে গিয়ে ওমলেটের মতো সহজ কোনো খাবার তৈরি করাও সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক হতে পারে, যা একে অপরের সাথে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে।

    ৬. একে অপরের প্রশংসা করা: সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে এবং ভবিষ্যতে শারীরিক অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক করতে একে অপরের প্রশংসা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। থেরাপিস্ট কার্লা ইভানকোভিচ জানান, মিলনের পরপরই অক্সিটোসিনের মাত্রা বেশি থাকে, তাই সঙ্গীর কোন দিকগুলো আপনার ভালো লেগেছে তা প্রকাশ করার এটাই সেরা সময়। এতে উভয়েরই মানসিক তৃপ্তি বৃদ্ধি পায়।

    ৭. হাসি-আনন্দ ভাগ করা: সহবাসের পর একটি ইতিবাচক ও আনন্দময় মানসিক অবস্থা বজায় রাখা জরুরি। ইভানকোভিচ পরামর্শ দেন, মিলনের পর হাসিখুশি থাকা বা একে অপরকে মজার জোকস শোনানো সম্পর্কের একঘেয়েমি দূর করে। মিলনের পরপরই বিছানা ছেড়ে উঠে না গিয়ে কিছুক্ষণ সময় কাটানো উচিত, যাতে সঙ্গী নিজেকে অবহেলিত মনে না করেন।

    পরিশেষে, যৌন জীবনকে কেবল একটি শারীরিক প্রক্রিয়া হিসেবে না দেখে একে স্বাস্থ্য ও সম্পর্কের যত্ন নেওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখা উচিত। উপরের এই ছোট বিষয়গুলো মেনে চললে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি আপনার দাম্পত্য জীবনও হবে আরও সুখময় ও দীর্ঘস্থায়ী।

    তথ্যসূত্র: হাফপোস্ট