Blog

  • পে স্কেল নিয়ে মেগা সুখবর, যেসব বিষয়ে অগ্রগতি

    পে স্কেল নিয়ে মেগা সুখবর, যেসব বিষয়ে অগ্রগতি

    বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় আবারও গতি এসেছে। ইতোমধ্যে পে স্কেল বাস্তবায়নের আগে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরির জন্য সাত সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার।

    কমিটির সভাপতি করা হয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে।

    সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫’-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করাই হবে কমিটির মূল দায়িত্ব। প্রয়োজন হলে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের শেষ দিকে অথবা আগামী সপ্তাহে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে। এর পরই পে স্কেল নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্তের পথ আরো স্পষ্ট হতে পারে।

    অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে পরবর্তী ধাপে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে নতুন পে স্কেল কবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এর আর্থিক প্রভাব। সরকারের ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য চাপ বিবেচনায় পে স্কেল বাস্তবায়ন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

    তবে বিষয়টি পুরোপুরি পিছিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে সরকার। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

    ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে নতুন কোনো জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা হয়নি।

    এ সময়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রতিবছর নির্ধারিত হারে বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে নবম জাতীয় পে স্কেলের দাবি জোরালো হয়। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে নবম পে কমিশন সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়। পরে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২১ এপ্রিল পে স্কেলের সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির পর্যালোচনা ও সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

    অর্থনীতিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরো দক্ষতা আনার প্রয়োজন হবে।

    এদিকে, নতুন পে স্কেল নিয়ে প্রত্যাশা বাড়ছে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে। মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি কবে উঠবে, অনুমোদনের পর কখন প্রজ্ঞাপন জারি হবে এবং কোন কাঠামোয় নতুন বেতন কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

  • শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

    শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

    বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদারে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে এবং সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে।

    বুধবার (১২ আগস্ট) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

    বার্তায় বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের ১১ জুন তারিখের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি ছিল। তবে বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে, যা ১২ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে। এসব ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।

    যদিও খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ফার্মেসি ও ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দেশনার আওতার বাইরে থাকবে।

    বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয় আনতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে সরকার এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

  • এসএসসি উত্তীর্ণদের ৯ শিক্ষাবৃত্তি, কখন ও কীভাবে আবেদন করবেন

    এসএসসি উত্তীর্ণদের ৯ শিক্ষাবৃত্তি, কখন ও কীভাবে আবেদন করবেন

    অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অনেক শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হিমশিম খায়। এসব শিক্ষার্থীর জন্য সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হয়ে উঠেছে। এসব বৃত্তির মাধ্যমে টিউশন ফি, বই-খাতা, পোশাকসহ শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন খরচ মেটানোর সুযোগ রয়েছে।

    চলতি ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এবার মোট ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের অনেকেই এখন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মধ্যে কিছু বৃত্তির আবেদন শুরু হয়েছে, আবার কিছু বৃত্তির আবেদন ফল প্রকাশের কয়েক মাস পর শুরু হবে।

    এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লেখযোগ্য ৯টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাবৃত্তি ও উপবৃত্তির তথ্য তুলে ধরা হলো—

    ১. বোর্ড বৃত্তি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রতিবছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হয়।

    সাধারণত ফল প্রকাশের কয়েক মাস পর বৃত্তির কার্যক্রম শুরু হয়। এ জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নিয়মিত নজর রাখতে হবে।

    ২. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক শিক্ষাবৃত্তি

    মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য ডাচ্-বাংলা ব্যাংক শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে। ২০২৬ সালের বৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রাথমিকভাবে বাছাই করা প্রার্থীদের তালিকা ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

    সিটি করপোরেশন ও জেলা শহর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয় বাদে জিপিএ-৫ থাকতে হবে। তবে গ্রামীণ ও অনগ্রসর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম জিপিএ ৪.৮৩ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এইচএসসি পর্যায়ে দুই বছর বৃত্তি দেওয়া হবে। প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা, বছরে পাঠ্য উপকরণের জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং পোশাকের জন্য ১ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

    গ্রামীণ ও অনগ্রসর এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য মোট বৃত্তির ৯০ শতাংশ এবং ছাত্রীদের জন্য ৫০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সরকারি বৃত্তি ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য যোগ্য হবেন না।

    ৩. শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে। বর্তমানে ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য আবেদন নেওয়া হচ্ছে।

    বিভাগীয় শহর বা সিটি করপোরেশন এলাকার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ ৫.০০ এবং অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের ৪.৮০ থাকতে হবে।

    সিটি করপোরেশনের বাইরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ ৪.৮০ এবং অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের ৪.৫০ থাকতে হবে।

    এ ছাড়া আবেদনকারীর বাবা, মা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার বেশি হলে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

    আগ্রহীদের অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র দিয়ে ২৭ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে। সরাসরি বা অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদনের সুযোগ নেই।

    ৪. প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় একাদশ ও আলিম প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়।

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদনের সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ বৃত্তির ক্ষেত্রে আবেদনকারীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা বা তার কম হতে হয়।

    ৫. সোনালী ব্যাংক শিক্ষাবৃত্তি

    সোনালী ব্যাংক পিএলসি সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র, মেধাবী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে।

    সাধারণত এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির আওতায় আসে। নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে নির্ধারিত যোগ্যতা ও সময়সীমা অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

    ৬. সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচি

    সরকারের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেওয়া হয়।

    তবে কোনো শিক্ষার্থী অন্য সরকারি উৎস থেকে উপবৃত্তি বা অভিভাবকের কাছ থেকে শিক্ষা ভাতা পেলে এ উপবৃত্তির জন্য যোগ্য হবে না। একইভাবে শিক্ষা বোর্ড থেকে মেধা বা সাধারণ বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরাও এ উপবৃত্তির আওতায় আসবে না।

    ৭. ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের বৃত্তি

    প্রবাসী কর্মীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ রয়েছে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে এ বৃত্তি দেওয়া হয়।

    প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের জন্য এটি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তা হিসেবে কাজ করে।

    ৮. মেঘনা গ্রুপের ‘নাম্বার ওয়ান বাবার কৃতী সন্তান’

    মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘নাম্বার ওয়ান’-এর উদ্যোগে প্রান্তিক পর্যায়ের চা-দোকানি বাবা-মায়ের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া সন্তানদের জন্য ‘নাম্বার ওয়ান বাবার কৃতী সন্তান সংবর্ধনা ২০২৬’ আয়োজন করা হচ্ছে।

    নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা এককালীন শিক্ষাবৃত্তির পাশাপাশি এইচএসসির সব বিষয়ের অনলাইন কোর্স, সনদ, ক্রেস্ট, সংবর্ধনা মেডেল ও বিশেষ উপহার পাবেন।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া যোগ্য শিক্ষার্থীরা ২৫ আগস্ট পর্যন্ত বিনামূল্যে আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ও তাঁদের বাবা-মাকে ঢাকায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

    ৯. মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক দাতব্য সংগঠন ‘মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তির আবেদন নিয়েছিল।

    উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তিতে সহায়তা এবং মাসিক বৃত্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। চলতি বছর নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করতে পারবেন।

    আবেদনের আগে যা খেয়াল রাখবেন

    বিভিন্ন শিক্ষাবৃত্তির যোগ্যতা, আবেদনের সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এক নয়। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সরকারি দপ্তরের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ে নেওয়া জরুরি।

    বিশেষ করে অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। ভুল তথ্য, অসম্পূর্ণ ফরম বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • এ’সির চেয়েও বেশি বি’দ্যুৎ খরচ হয় যেসব গ্যা’জেটে, জেনে নিন

    এ’সির চেয়েও বেশি বি’দ্যুৎ খরচ হয় যেসব গ্যা’জেটে, জেনে নিন

    এসি ব্যবহারের ফলেই বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু এমন কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় গ্যাজেট বা বৈদ্যুতিক যন্ত্র রয়েছে যেগুলো এসির চেয়েও অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। বেশি ওয়াটের এ সাধারণ যন্ত্রগুলো অল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করলেও, এগুলো অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। তাই ওয়াট এবং ব্যবহারের সময়ের এ সহজ সমীকরণটা বুঝে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

    শীতকালে গোসলের জন্য ব্যবহৃত ওয়াটার হিটার বা গিজার সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করা যন্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। একটি সাধারণ গিজারের পাওয়ার রেটিং প্রায় তিন হাজার ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে, যা মাত্র এক ঘণ্টা চললেই প্রায় তিন ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। তবে গিজার অল্প সময়ের জন্য চলে বলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব খুব একটা চোখে পড়ে না।

    গোসলের পর চুল শুকানোর জন্য যে হেয়ার ড্রায়ার আমরা প্রায়শই ব্যবহার করি, সেটি আকারে ছোট হলেও বিদ্যুৎ খরচের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী। একটি হেয়ার ড্রায়ারের পাওয়ার রেটিং সাধারণত প্রায় ২২০০ ওয়াট হয়ে থাকে, যা টানা এক ঘণ্টা চললে ২.২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে। অল্প সময়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও এটি কিন্তু বিল বাড়াতে বড় ভূমিকা নেয়।

    বর্তমানে দ্রুত সময়ের মধ্যে রান্না করতে অনেকেই ইন্ডাকশন কুকার ব্যবহার করেন, যা কাজ সহজ করলেও প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করে। একটি সাধারণ ইন্ডাকশন কুকার প্রায় ২১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করে, ফলে টানা এক ঘণ্টা এটি ব্যবহার করলে ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই নিয়মিত দীর্ঘক্ষণ ইন্ডাকশন কুকারে রান্না করলে মাসের শেষে বেশি বিল আসাটা খুবই স্বাভাবিক।

    পানি গরম করা বা চা বানানোর জন্য ইলেকট্রিক কেটলি এখন বহুল ব্যবহৃত, যা প্রায় ২২০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করে। এটিও এক ঘণ্টায় প্রায় ২.২ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে, তবে ব্যবহারের সময়কাল খুব সামান্য হওয়ায় বিদ্যুৎ বিলে এর প্রভাব কম থাকে। তা সত্ত্বেও দিনে বারবার পানি গরম করলে বিদ্যুতের খরচ কিন্তু অনেকটাই বেড়ে যায়।

    খাবার গরম করতে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ব্যবহার এখন প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, আর এর পাওয়ার রেটিংও সাধারণ দেড় টন এসির তুলনায় বেশ কিছুটা বেশি। সাধারণত প্রায় ২১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করা এ যন্ত্রটি টানা এক ঘণ্টা ব্যবহার করলে ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। 

    বিদ্যুৎ বিল কমাতে চাইলে এ ধরনের উচ্চ ক্ষমতার বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলির ব্যবহার যতটা সম্ভব সীমিত রাখা প্রয়োজন। কাজ শেষে অবশ্যই সুইচ বন্ধ করে রাখুন এবং খুব প্রয়োজন না পড়লে এ গ্যাজেটগুলোর বদলে অন্য সাধারণ বিকল্প খোঁজার চেষ্টা করুন। একটু সচেতন হয়ে এ সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে মাস শেষে আপনার বিদ্যুৎ বিল অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারবেন।

  • বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিলেন জ্বা’লানি প্রতিমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিলেন জ্বা’লানি প্রতিমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সমস্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গ্যাস পর্যাপ্ত সরবরাহ করা না গেলে পাওয়ার প্ল্যান্টে সংকট হবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। আশা করছি, আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে।

    বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না। এক্সিলারেট টার্মিনালটি আংশিক সক্ষমতায় চলছে। এটিকে পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হবে। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে কথা বলছি। আজ দুপুরেও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক আছে। কোন সময়ে টার্মিনালটি বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

    অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে, এটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। এ কারণে আমরা বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কারও কিছু করার থাকে না। আমরা অসহায়, প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। প্রকৃতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করতে পারব এবং সেই ক্ষেত্রে গ্যাসের সরবরাহও স্বাভাবিক হবে।

    তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে মিটিং করেছি, টিমও সেখানে গেছে। তাদের অফার নিয়ে কাজ চলছে। তাদের কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাব বলে আশা করছি। এটি একটি মধ্যমেয়াদি সমাধান। হাতে যতগুলো বিকল্প আছে, সবগুলো নিয়েই কাজ করছি।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে, সেটি দিনক্ষণ বেঁধে বলা সম্ভব নয়। তবে জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার প্রাণান্তকর চেষ্টা করছে। এটি জনগণ নিশ্চয়ই বোঝেন। চেষ্টার ন্যূনতম কোনো ত্রুটি নেই। ইউএস বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজির ব্যাপারে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারগুলো মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজেনি; বরং তাৎক্ষণিক সমাধানের পথে গেছে। এ কারণে হঠাৎ করে সংকট এসেছে। একটি সময়ে এই পরিস্থিতির মুখে পড়তেই হতো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালীন সময়ে এ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে।

  • ‘বিএনপির সেক্রেটারি হইতে ৫০ লাখ খরচ করেছি, তোরা একটাও পৌরসভায় আসবি না’

    ‘বিএনপির সেক্রেটারি হইতে ৫০ লাখ খরচ করেছি, তোরা একটাও পৌরসভায় আসবি না’

    একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হতে না পেরে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়াকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়েছেন রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশ।

    সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি কলরেকর্ডে এই হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়। অডিওটিতে পদ পেতে ৫০ লাখ টাকা খরচের চাঞ্চল্যকর দাবিও করতে শোনা যায় পৌর বিএনপির এই নেতাকে।

    কলরেকর্ডে শোনা যায়, গিয়াস উদ্দিন পলাশ রাগান্বিত হয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মারুফ ভূঁইয়াকে বলছেন, ‘আমি পৌর বিএনপির সেক্রেটারি, আমার নাম ব্যানারে আসে নাই। আপনি নাকি বলেছেন পলাইশশা কে? নির্বাচিত সেক্রেটারি, সেক্রেটারি হতে ৫০ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছি। তোরা কেউ পৌরসভায় আসবি না।’

    অডিওর কথোপকথন অনুযায়ী, পানিওয়ালা নামক একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে মনোয়ার নামের একজনকে প্রধান অতিথি এবং মারুফকে বিশেষ অতিথি করায় ক্ষুব্ধ হন পলাশ। তিনি বারবার প্রশ্ন তোলেন কেন তাকে প্রধান অতিথি করা হলো না। জবাবে মারুফ ভূঁইয়াকে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কিছু বলিনি ভাই।’ একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়, যেখানে কিছু অশ্রাব্য শব্দও ব্যবহৃত হয়।

    পলাশ আরও বলেন, ‘সাংগঠনিক রাজনীতি যদি না বোঝেন, তাহলে করবেন না। আমি পানিওয়ালাতে যাব, সেখানেই কথা হবে।’

    এ বিষয়ে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটি স্বীকার করেন। তবে তিনি দাবি করেন, ‘অডিওটি পুরোনো। সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি ইতিমধ্যে মীমাংসা হয়ে গেছে এবং পলাশ ভাই আমার কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন।’

    হুমকি ও পদ পেতে অর্থ খরচের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল এবং খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। তবে তার এক ঘনিষ্ঠ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, রাগের বশবর্তী হয়ে পলাশ ওই কথাগুলো বলেছিলেন। বর্তমানে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

    ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত রামগঞ্জ পৌর বিএনপির কাউন্সিলে ভোটে নির্বাচিত হয়ে সাধারণ সম্পাদকের পদ পান গিয়াস উদ্দিন পলাশ। একই কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ কামরুল ইসলাম। তবে একটি স্কুলের অনুষ্ঠানের ব্যানারকে কেন্দ্র করে নিজ দলের নেতার সঙ্গে পলাশের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ এবং অর্থ খরচের স্বীকারোক্তি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা ও চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে।

  • সালমান-শাবনূরের স’ম্পর্ক নিয়ে মু’খ খু’ললেন নীলা চৌধুরী

    সালমান-শাবনূরের স’ম্পর্ক নিয়ে মু’খ খু’ললেন নীলা চৌধুরী

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসে জনপ্রিয় জুটিগুলোর তালিকায় সালমান শাহ ও শাবনূরের নাম এখনো আলাদা করে উচ্চারিত হয়। পর্দায় তাদের দুর্দান্ত রসায়ন যেমন দর্শকের হৃদয় ছুঁয়েছিল, তেমনি ব্যক্তিজীবন ঘিরেও তৈরি হয়েছিল নানা আলোচনা।

    বিশেষ করে এই দুই তারকার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না, তা নিয়ে গত তিন দশক ধরেই চলছে নানা জল্পনা। এবার সেই পুরনো প্রসঙ্গেই মুখ খুলেছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী।

    সম্প্রতি সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল অভিনেতা ডন গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ছেলে ও শাবনূরের সম্পর্ক প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন নীলা চৌধুরী।

    তার দাবি, শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না।

    বরং শাবনূরকে নিজের ছোট বোনের মতোই স্নেহ করতেন সালমান।

    নীলা চৌধুরীর কথায়, শাবনূর সালমানের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল ছিল। অন্যদিকে সালমানও তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা করত। যেহেতু সালমানের কোনো বোন ছিল না, তাই শাবনূরকে  বোনের মতোই দেখত এবং সেভাবেই স্নেহ করত।

    তবে শাবনূরকে নিয়ে কিছু অভিযোগও করেছেন সালমানের মা। তার দাবি, শাবনূর কখনো কখনো সালমানের সঙ্গে তার বিশেষ কোনো সম্পর্ক রয়েছে—এমন একটি ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করতেন। পরবর্তী সময়ে তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়েই নানা ধরনের গল্প ছড়িয়ে পড়ে।

    অবশ্য শাবনূর বরাবরই সালমান শাহর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জন অস্বীকার করে এসেছেন। তার বক্তব্য, সালমানকে তিনি কখনো প্রেমিক হিসেবে দেখেননি; বরং ভাইয়ের মতোই সম্মান করতেন।

    তাদের বন্ধুত্ব ও পর্দার রসায়নকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষ ও গণমাধ্যম মুখরোচক গল্প তৈরি করেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

    ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে ঢালিউডে অভিষেক হয় সালমান শাহর। এতে তার নায়িকা ছিলেন মৌসুমী। এরপর ‘তুমি আমার’ সিনেমার মাধ্যমে শাবনূরের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে সালমান শাহ অভিনয় করেন ২৭টি সিনেমায়। এর মধ্যে ১৪টি সিনেমাতেই তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর।

    সালমান-শাবনূর জুটির ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘বিক্ষোভ’, ‘বিচার হবে’, ‘তোমাকে চাই’ ও ‘আনন্দ অশ্রু’র মতো ব্যবসাসফল সিনেমা আজও দর্শকের মনে জায়গা করে আছে। তাদের পর্দার রসায়নও বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে হয়ে আছে স্মরণীয়।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর পরও তার ব্যক্তিজীবন, সম্পর্ক ও ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা থামেনি। সময়ের সঙ্গে সেই আলোচনা আরো নানা মাত্রা পেয়েছে।

  • টানা ২ সপ্তাহ ডিম খে’লেই শ’রীরে আসবে যে ৩ বড় পরি’বর্তন, জেনে নিন

    টানা ২ সপ্তাহ ডিম খে’লেই শ’রীরে আসবে যে ৩ বড় পরি’বর্তন, জেনে নিন

    বাংলাদেশের খাবারের তালিকায় ডিম বেশ পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি খাবার। সকালের নাশতায় ভাজি, দুপুরে ডিমের ঝোল কিংবা রাতে ডিমভুনা—বিভিন্নভাবে প্রতিদিনের খাবারে জায়গা করে নিয়েছে এটি। বিশেষ করে মাসের শেষদিকে বাজেটের হিসাব মেলানো কিংবা অল্প সময়ে পুষ্টিকর খাবার তৈরি করতে ডিমের ওপর অনেকেই ভরসা করেন।

    ডিমের দাম তুলনামূলকভাবে নাগালের মধ্যে, রান্নাও সহজ। পাশাপাশি এতে রয়েছে শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। তবে প্রতিদিন ডিম খাওয়া নিয়ে অনেকের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন রয়েছে—এতে কি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়, নাকি নিয়মিত ডিম খেলে শরীর আরও উপকৃত হয়?

    এই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, টানা দুই সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে কয়েকটি ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

    তিনি জানান, ডিমকে ‘সম্পূর্ণ প্রোটিনের’ অন্যতম সেরা উৎস বলা হয়। একটি ডিমে উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি থাকে ভিটামিন, মিনারেল, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং কোলিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। ডা. শেঠির মতে, ডিমের কুসুমে প্রায় ২.৫ গ্রাম এবং সাদা অংশে প্রায় ৪ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

    একটানা ১৪ দিন ডিম খেলে যে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হতে পারে জানিয়েছেন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি।
    এগুলো হলো:  

    ১. চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে
    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। ডিমে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো পুষ্টি উপাদান চোখের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিকিৎসকের মতে, নিয়মিত ডিম খেলে বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন ও ছানিপড়া (ক্যাটারাক্ট) হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

    ২. মস্তিষ্ক ও লিভারের জন্য উপকারী
    ডিমে প্রচুর কোলিন থাকে, যা স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে। বর্তমানে অনিয়মিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে পরিমিত ডিম খাদ্যতালিকায় রাখা উপকারী।

    ৩. স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরল
    ডিম নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত ধারণা হলো এটি কোলেস্টেরল বাড়ায়। তবে ডা. শেঠির মতে, ডিম শরীরের ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া সকালের নাশতায় ডিম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে, ফলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূত হয় এবং সারাদিন শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়া সাধারণত নিরাপদ। তবে যাদের হৃদরোগ, উচ্চ কোলেস্টেরল বা বিশেষ কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ডিমের পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।  যারা ডিম খান না, তাদের জন্য ডা. শেঠি টোফুকে ভালো বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করেছেন। টোফুতেও উচ্চমানের উদ্ভিজ্জ প্রোটিন রয়েছে, যা শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে পারে।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

  • প্রতিদিন ইয়ারবাড ব্যবহারে কি কানের ক্ষ’তি হয়? জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    প্রতিদিন ইয়ারবাড ব্যবহারে কি কানের ক্ষ’তি হয়? জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    ইয়ারবাডের ব্যবহার আমাদের বেশিরভাগের জন্যই একটি দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, যা যাতায়াতের সময়, ব্যায়ামের সময়, ফোনে কথা বলার সময় এবং এর মাঝের সবকিছুতেই পরা হয়। কিন্তু এই দীর্ঘ সময় কি নীরবে আপনার শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যাঁ, দীর্ঘ সময় ধরে এবং ঘন ঘন ইয়ারবাড ব্যবহার, বিশেষ করে উচ্চ ভলিউমে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে।

    ইয়ারবাড কীভাবে কানের ক্ষতি করে?

    ঝুঁকিটি কেবল শব্দের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে না, বরং কান কতক্ষণ এবং কত ঘন ঘন এর সংস্পর্শে আসছে তার ওপরও নির্ভর করে, কারণ ইয়ারবাড বাইরের স্পিকারের চেয়ে কানের পর্দার অনেক কাছে থাকে এবং উচ্চ তীব্রতার শব্দ সরাসরি কানের মধ্যে পৌঁছে দিতে পারে।

    দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ শব্দের সংস্পর্শে থাকলে অন্তঃকর্ণের ভেতরের ক্ষুদ্র হেয়ার সেলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এগুলো শব্দ শনাক্ত করার জন্য দায়ী, এবং এই কোষগুলো একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে আর পুনরুজ্জীবিত হয় না। ইয়ারবাড কানের পর্দার খুব কাছে থাকে, তাই একই ভলিউমে থাকা বাইরের স্পিকারের তুলনায় শব্দ বেশি তীব্রতায় অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়।

    ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা ব্যবহার, এমনকী মাঝারি ভলিউমেও, এক ব্যবহারের পর আরেক ব্যবহারের মাঝে কান পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না।
    কানে ঠিকমতো না বসা ইয়ারবাডের কারণে ব্যবহারকারীরা পারিপার্শ্বিক শব্দ চাপা দেওয়ার জন্য ভলিউম আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন, যা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।

    দীর্ঘদিন ধরে ইয়ারবাড ব্যবহারের ফলে কানে খৈল জমে যাওয়াও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শ্রবণশক্তির প্রকৃত ক্ষতি ছাড়াও কান বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনুভূতির কারণ হতে পারে।

    কিউরিয়াস (Cureus)-এ প্রকাশিত ২০২২ সালের একটি সাহিত্য পর্যালোচনা অনুসারে, গবেষকরা সারা বিশ্বের ২৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করেছেন, যেখানে ইয়ারফোন ও হেডফোনের ব্যবহার এবং শব্দজনিত শ্রবণশক্তি হ্রাসের সাথে এর সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হয়েছে। ব্যক্তিগত মিউজিক প্লেয়ারের ভলিউম ৭৮ থেকে ১৩৬ ডেসিবেল পর্যন্ত হতে পারে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃত ক্ষতি করার জন্য যথেষ্ট।

    একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন দুই বা তার বেশি ঘণ্টা ইয়ারফোন ব্যবহার করত, তাদের শ্রবণশক্তি হ্রাসের হার যারা কম ব্যবহার করত তাদের তুলনায় লক্ষণীয়ভাবে বেশি ছিল। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে হেডফোনের মাধ্যমে উচ্চ শব্দে অভ্যস্ত কিশোর-কিশোরীদের শ্রবণ সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি চার গুণেরও বেশি।

    দিনে কতক্ষণ ইয়ারবাড ব্যবহার করা যাবে?

    এর কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই যা সবার জন্য প্রযোজ্য, কারণ এটি ভলিউমের মাত্রা এবং ব্যবহারের সময়কালের ওপর নির্ভর করে। সাধারণ নির্দেশিকা হিসেবে শ্রবণ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ৬০/৬০ নিয়মটি অনুসরণ করার পরামর্শ দেন, যেখানে ভলিউম সর্বোচ্চের প্রায় ৬০ শতাংশে রাখা হয় এবং মাঝে বিরতিসহ একবারে প্রায় ৬০ মিনিটের বেশি একটানা শোনা উচিত নয়। 

    একটানা সারাদিন পরার পরিবর্তে নিয়মিত বিরতিসহ মোট দৈনিক ব্যবহার সাধারণত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। জার্নাল অফ অডিওলজি অ্যান্ড অটোলজিতে প্রকাশিত ২০২৫ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, যারা একটানা এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ইয়ারফোন ব্যবহার করেন, তাদের মধ্যে ইয়ারফোন-সম্পর্কিত কানের সংক্রমণ বেশি দেখা গেছে।

  • সব সরকারি দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা, পরিপত্র জারি

    সব সরকারি দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা, পরিপত্র জারি

    সরকারি দপ্তরগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। এ বিষয়ে সোমবার (১০ আগস্ট) পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, বঙ্গভবন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থ বিভাগে দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার্য বিদ্যুতের সিংহভাগ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হবে। অন্যান্য সরকারি দপ্তরে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

    অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ আছে।

    এর আগে ৩ আগস্ট সচিবালয়ে সৌর বিদ্যুৎবিষয়ক এক সভায় জ্বালানি সংকট মোকাবেলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোতে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    একই সঙ্গে দেশে সোলার ইনভার্টার উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে সরকারি সহায়তা এবং সাধারণ মানুষের জন্য সৌর বিদ্যুৎকে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও লাভজনক করতে কার্যকর অর্থনৈতিক মডেল প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি।

    ওই সভার সিদ্ধান্তে জানানো হয়, প্রথম পর্যায়ে বঙ্গভবন, তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ ভবন, সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভবন, পরিকল্পনা কমিশন ভবনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে।