Blog

  • ঈদের ছুটি হতে পারে টানা ৭ দিন, শুরু যেদিন

    ঈদের ছুটি হতে পারে টানা ৭ দিন, শুরু যেদিন

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি ৫ দিন নির্ধারিত থাকলেও তা আরও বাড়তে পারে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে একদিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে আগামী ১৬ মার্চ অফিস করেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে।

    বুধবার (৪ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ঈদ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এই ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    আরবি শাবান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে। ঈদকে কেন্দ্র করে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের সাধারণ ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে রেখেছে সরকার।

    এর আগে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শবে কদরের ছুটি রয়েছে। মাঝখানে ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে টানা ৭ দিনের ছুটি মিলবে। 

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র অনুযায়ী, ১৮ মার্চ ছুটির প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি ৭ দিনে গড়াবে।

    গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায় এবং পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম রোজা শুরু হয়। সেই হিসেবে আগামী ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ১৬ মার্চ থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটি শুরু

    ১৬ মার্চ থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটি শুরু

    আসন্ন ঈদুল ফিতরে নাড়ির টানে বাড়িফেরা মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে এক দিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে আগামী ১৬ মার্চ অফিস করেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে।

    সরকারি ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হবে বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

    এর ফলে ১৬ মার্চ অফিস করেই শুরু হবে ঈদ ছুটি।

    এদিকে ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ঈদের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি রয়েছে।

    ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের ছুটির পরেও টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

  • আলভীর সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ নিয়ে মুখ খুললেন তিথি

    আলভীর সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ নিয়ে মুখ খুললেন তিথি

    ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় চারদিকে গুঞ্জন, সহশিল্পী ইফফাত আর তিথির সঙ্গে অভিনেতার পরকীয়ার জেরেই নাকি আত্মহত্যার মতো সিদ্ধান্ত নেন তিনি।  ইকরার পরিবার ও তার বান্ধবীরাও একই অভিযোগ তুলেছেন।

    সম্প্রতি নেপাল থেকে দেশে ফিরেছেন ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ইফফাত আর তিথি। দীর্ঘদিন শোবিজ অঙ্গণেও গুঞ্জন, আলভীর সঙ্গে ছোটপর্দার এই অভিনেত্রী প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এবার এ নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

    নানা আলোচনা-সমালোচনার পর আলভীর সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, তার (আলভী) সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। কোনো অফিসে যখন আপনার কলিগ থাকে, আপনি যখন তার সঙ্গে চার-পাঁচ বছর অফিস করবেন, তখন আপনার সঙ্গে তার ভালো বন্ধুত্ব হতেই পারে। আমি আগেও বলেছি যে, ইন্ডাস্ট্রিতে আলভী আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। আগেও অনেক সাক্ষাৎকারে এই কথাটা বলছি।

    দেশে ফেরার বিষয়ে তিথি বলেন, অনেকেই অভিযোগ করছেন ‘আলভী তার স্ত্রীকে শেষ দেখা দেখতে আসেননি, তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে নেপালে ঘুমিয়ে আছে’- এটা ভুল কথা। আমি পুরো টিমের সঙ্গে গতকাল (২ মার্চ) দেশে এসেছি।

    ইকরা যেদিন মারা গেছেন সেদিনের বিষয়ে তিথি বলেন, যেদিন ইকরা আত্মহত্যা করে ওইদিন একটা টিকিটের জন্য অনেক জায়গায় ফোন দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিন কোথাও টিকিট পাওয়া যায়নি। পরের দিন টিকিট ব্যবস্থা করে টিমের সবাই দেশে ফিরেছি।

    উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা অভিনেতা আলভীর স্ত্রী ইকরাকে উদ্ধার করেন। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেন আলভী ও ইকরা। তাদের সংসারে রিজিক নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব

    আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে বিএফআইইউর পক্ষ থেকে দেশের ৫৬টি তফসিলি ব্যাংক ও অন্যান্য নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ তলবনামা পাঠানো হয়।

    ব্যাংকগুলোতে পাঠানো চিঠিতে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ছিলেন আসিফ মাহমুদ।

    তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় আসেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান আসিফ। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাকে।

    উপদেষ্টা থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগে একাধিকবার সমালোচনার জন্ম দেন আসিফ মাহমুদ। কুমিল্লার মুরাদনগরের সন্তান আসিফ নিজ এলাকা থেকে নির্বাচন করতে উপদেষ্টার ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওই এলাকায় বারবার আন্দোলন-বিক্ষোভও হয়েছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর তিনি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

    গুঞ্জন ওঠে, ঢাকা-১০ আসন থেকে প্রার্থী হবেন তিনি। সে লক্ষ্যে কিছুদিন ওই এলাকায় তৎপরতা চালালেও শেষপর্যন্ত তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে এনসিপির মুখপাত্র হিসেবে দলটির নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নেন।

  • ১৮ মার্চ কি ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা হবে? ঈদের ছুটি কত দিন

    ১৮ মার্চ কি ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা হবে? ঈদের ছুটি কত দিন

    চলতি বছরের ঈদুল ফিতরের ছুটি বৃদ্ধির চিন্তা করছে সরকার। ঈদুল ফিতরের ছুটির আগে ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

    সূত্র জানিয়েছে, ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানো প্রস্তাব ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী মন্ত্রিপরিষদ সভায় আলোচনায় উঠতে পারে ঈদের ছুটি।

    আগামী ঈদুল ফিতরে ৫ দিন ছুটি নির্ধারিত আছে বাৎসরিক ছুটির ক্যালেন্ডারে। তবে ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হতে পারে।

    ছুটি লম্বা হলে ঈদযাত্রায় চাপ কমবে। সড়ক দুর্ঘটনাও কমবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা। এসব কারণ বিবেচনায় ছুটি বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি।

    ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুই দিনসহ মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সব মিলিয়ে ঈদুল ফিতরের ছুটি পাঁচ দিন।

    এদিকে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবেকদরের ছুটি। ১৮ মার্চ (বুধবার) যথারীতি অফিস খোলা থাকবে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১৮ মার্চ (বুধবার) সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে।

    তাহলে পবিত্র শবেবরাত ও ঈদুল ফিতর মিলিয়ে টানা সাত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। ঈদের আগে ছুটি বেশি হলে মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার সুযোগ পাবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে মন্ত্রিপরিষদ সভা থেকে।

    অন্যদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের কেউ কেউ টানা ১০ দিনের ছুটির হিসাব কষছেন। ঈদের ৫ দিনের ছুটি শেষে ২৬ মার্চও সরকারি ছুটি। পরের দুই দিন (২৭ ও ২৮ মার্চ) আবার সাপ্তাহিক ছুটি। তাই ২৪ ও ২৫ মার্চ (মঙ্গল ও বুধবার) ছুটি নেওয়ার সুযোগ খুঁজছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দুই দিনের ছুটি ম্যানেজ করতে পারলেই লম্বা ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন তারা।

  • ডেপুটি স্পিকারের আলোচনায় ৫ নাম—জামায়াতের ৪, এনসিপির ১

    ডেপুটি স্পিকারের আলোচনায় ৫ নাম—জামায়াতের ৪, এনসিপির ১

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে আগামী ১২ মার্চ। এই অধিবেশনেই নির্বাচন করা হবে সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্পিকার হবেন সরকারি দল থেকে। আর বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের জন্য প্রস্তাব দেওয়া দেওয়া।

    জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করার বিধান রাখা হয়েছে। এটি রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারের অংশ হিসেবে গণতন্ত্র সুসংহত করতে বিরোধী দলের মত প্রকাশের ও সংসদ পরিচালনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার একটি প্রস্তাব। যদিও বিদ্যমান সংবিধানে সাধারণত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়ই সরকারি দল থেকে নির্বাচিত হন। কিন্তু জুলাই সনদে এই প্রথা পরিবর্তন করে বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকারের পদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    গতকাল সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেটা আমরা সমঝোতায় এসেছি, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে সেটার বাস্তবায়ন এখন থেকেই শুরু করতে চাই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে আমরা প্রধান বিরোধী দলকে মৌখিকভাবে ও সাক্ষাতে অফার করেছি, তারা যেন ডেপুটি স্পিকার ঠিক করে। সেটা জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে নির্বাচিত হতে পারে।’

    জামায়াত সূত্রে জানা যায়, ডেপুটি স্পিকার পদে এখন পর্যন্ত চারজন সংসদ সদস্যের নাম আলোচনায় রয়েছে।

    এর বাইরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মৌখিকভাবে দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

    জামায়াতের সংসদ সদস্যদের মধ্যে আলোচনায় আছেন পাবনা-১ আসন থেকে নির্বাচিত নাজিবুর রহমান মোমেন, ঢাকা-১৪ আসন থেকে নির্বাচিত ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম, কুড়িগ্রাম-৩ আসন থেকে নির্বাচিত ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী এবং পিরোজপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত মাসুদ সাঈদী। এদের মধ্যে নাজিবুর রহমান মোমেনের নাম সবচেয়ে এগিয়ে আছে।

    অন্যদিকে এনসিপি থেকেও ডেপুটি স্পিকার পদ চাওয়া হয়েছে। এনসিপির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, ডেপুটি স্পিকার পদটি জোটের পক্ষ থেকে এনসিপিকে দেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে জামায়াতে ইসলামীকে জানানো হয়েছে।

    সে ক্ষেত্রে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে আশা করি এটি চূড়ান্ত হবে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘বিএনপি এ বিষয়ে আমাদের অফার করেছে। একই সঙ্গে জুলাই সনদের বিষয়টি রয়েছে। তবে এ বিষয় নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করা হয়নি।’

  • আরও বাড়তে পারে ঈদের ছুটি

    আরও বাড়তে পারে ঈদের ছুটি

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি আরও বাড়তে পারে। ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঈদুল ফিতরের ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।


    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২১ মার্চ (শনিবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে রেখেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেই হিসেবে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত এই ছুটি নির্ধারণ করা আছে।

    এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এ ছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পর ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা আছে।

    মূলত ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ছুটি বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

    ১৯মার্চের আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) রয়েছে শবে কদরের ছুটি। মাঝে ১৮ মার্চ (বুধবার) সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে। তাহলে শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি মিলে টানা সাত দিন হবে।

  • ঈদের ছুটি বাড়তে পারে, প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদে

    ঈদের ছুটি বাড়তে পারে, প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদে

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়তে পারে। ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঈদুল ফিতরের ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।

    বাৎসরিক ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ঈদুল ফিতরে ৫ দিন ছুটি নির্ধারিত আছে।

    মূলত ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ছুটি বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

    চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুই দিনসহ মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।

    সরকারিভাবে, ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকবে।

    এর আগে ১৭ মার্চ রয়েছে শবেকদরের ছুটি। মাঝে ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে। তাহলে শবেকদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি মিলে টানা সাত দিন হবে।

  • ‘কৃষক কার্ড’ কিভাবে পাবেন, আবেদন করতে যা লাগবে

    ‘কৃষক কার্ড’ কিভাবে পাবেন, আবেদন করতে যা লাগবে

    দেশের প্রান্তিক চাষিদের ভাগ্যোন্নয়নে এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে সারা দেশে চালু হতে যাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’। আনুমানিক ১২ লাখ কৃষককে উপকৃত করতে সুদসহ সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিসভার সচিব নাসিমুল ঘনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি ছিল। ঋণ মওকুফ সুবিধা ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের কৃষকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

    তিনি বলেন, ‘দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও কৃষি খাতকে শক্তিশালী করাই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া।’

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি খাতে রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলিয়ে সুদসহ বকেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

    সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হবেন।

    কী কী সুবিধা পাবেন কৃষকরা? 

    এই কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সরকারি সেবা ও প্রণোদনা সরাসরি পাবেন। 

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন স্বপন বলেন, কার্ডটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে—সরাসরি ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া যায়। কৃষি ভর্তুকি ও সার-বীজ সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছায়।

    কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা লিকেজ যেন সুযোগ না পায়।
    রাষ্ট্রের সঙ্গে কৃষকের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হয়।

    কিভাবে কার্ডটি কাজ করবে

    পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কার্ডটিতে জমির আয়তন, ফসলের ধরন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যসহ একটি ডিজিটাল প্রোফাইল অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কার্ডটিতে যেসব বৈশিষ্ট্যগুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে—

    ১. ভর্তুকি ও প্রণোদনা সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর।

    ২. ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার, বীজ ও কীটনাশক সহজলভ্য করা।

    ৩. কৃষিঋণ সহজ ও সুসংগঠিত করা।

    ৪. আবহাওয়া, উৎপাদন এবং বাজারের প্রবণতা সম্পর্কিত এসএমএসভিত্তিক আপডেট।

    কৃষি স্মার্ট কার্ডের নিবন্ধন ইউনিয়ন পর্যায়ে সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের (এসএএও) মাধ্যমে অথবা চালুর পর নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

    নিবন্ধনে কী কী তথ্য লাগবে

    স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কৃষকদের বেশ কয়েকটি তথ্য প্রয়োজন হবে। সেগুলো হলো,

    ১. এনআইডির একটি কপি।

    ২. পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

    ৩. রেজিস্ট্রেশন মোবাইল নাম্বার।

    ৪. জমির দলিল কিংবা ভাগে চাষিদের জন্য প্রমাণপত্র।

    ৫. ব্যাংক বা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট নম্বর।

    কৃষক কার্ড পাওয়ার ধাপসমূহ 

    সরকার প্রধানত স্থানীয় কৃষি অফিসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এই কার্ডটি পৌঁছে দেবে। আপনার যা করতে হবে :

    ১. উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ : আপনার ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO)-এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তিনিই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেন।

    ২. নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন : সরকার যখন আপনার এলাকায় ‘পাইলট প্রজেক্ট’ বা মূল প্রকল্প শুরু করবে, তখন আপনাকে একটি ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে। অনেক ক্ষেত্রে এটি অনলাইনেও করা যাবে।

    ৩. তথ্য যাচাই : আপনার দেওয়া তথ্য (জমির পরিমাণ, ফসলের ধরন ইত্যাদি) কৃষি অফিস থেকে সরেজমিনে যাচাই করা হবে।

    ৪. ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি : আপনার এনআইডি এবং মোবাইল নম্বরের ভিত্তিতে একটি ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি হবে।

    ৫. কার্ড বিতরণ : যাচাই শেষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আপনাকে এই স্মার্ট কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে।

    কৃষি স্মার্ট কার্ড নিয়ে ইতোমধ্যে সতর্কতা জারি করেছে সরকার। কর্তৃপক্ষ বলছে, কার্ডটি বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে। কার্ডের জন্য কারো সঙ্গে কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন করবেন না।

  • ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় পাঁচ জামায়াত সাংসদ

    ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় পাঁচ জামায়াত সাংসদ

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় আছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবীন- প্রবীণ পাঁচ নেতা। যারা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে দলটির সাবেক দুই শীর্ষ নেতার সন্তানদের নিয়ে। তবে দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকেই এখনো ডেপুটি স্পিকার পদে মনোনীত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জামায়াতের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা।


    সোমবার (২ মার্চ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, জাতীয় সংসদের বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর কে হচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার তা নিয়ে আলোচনায় শুরু হয়। ডেপুটি স্পিকার পদের দৌড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত মওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সন্তান নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি পাবনা-১ আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে এবার বিজয় লাভ করে সংসদ সদস্য হয়েছেন। একই সঙ্গে এই পদের জন্য দৌড়ে আছেন জামায়াতের সাবেক আরেক শীর্ষ নেতা প্রয়াত মীর কাসেম আলির ছেলে আহমদ বিন কাসেম আরমান। তিনি ঢাকা-১৪ আসন থেকে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

    বিগত দিনের তালিকা বিশ্লেষণ করে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে সাধারণ আইনজ্ঞ নিয়োগ দেবার রীতি থাকায় তাদের দুজনের সম্ভাবনা আরো বেড়েছে বলে জানান দলটির একটি সূত্র। কারণ তারা দুজনই ব্যারিস্টার এবং আইনপেশায় যুক্ত রয়েছেন। তবে তুলনামূলক কম বয়সী হওয়ায় ডেপুটি স্পিকার পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জামায়াত তাদের বিবেচনা করবে কিনা সেই প্রশ্নও তুলছেন এই পক্ষ। দলের এই অংশটি ডেপুটি স্পিকার পদে প্রবীণ নেতাদের কয়েকজনের নাম জানিয়েছেন এই প্রতিবেদককে।

    রাজশাহী-১ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়া অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে ডেপুটি স্পিকার করা হতে পারে বলে জানান জামায়াতের একটি সূত্র। মুজিবুর রহমান দলের অন্যতম প্রবীণ নেতা এবং বর্তমানে জামায়াতের নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একাধিকবার দলের ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এর বাইরে দলটির অঙ্গসংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন মুজিবুর রহমান।

    মুজিবুর রহমানের বাইরে দলের আরেক শীর্ষ নেতা মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান রয়েছেন ডেপুটি স্পিকার পদে মনোনীত হবার আলোচনায়। বর্তমানে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করা রফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। একসময় ছাত্রশিবিরের এই কেন্দ্রীয় সভাপতি ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হিসেবে জামায়াতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

     

    এই চারজন সংসদ সদস্যের বাইরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ঢাকা ১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন রয়েছেন ডেপুটি স্পিকার হবার হটলিস্টে। দলের অন্যতম প্রবীণ এই নেতা ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি আসনে (কারওয়ানবজার-তেজগাঁও) বিজয়ী হওয়ায় তাকে সংসদের গুরুত্বপূর্ণ পদটিতে ভাবা হতে পারে বলে ধারণা জামায়াতের একটি অংশের।

    আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য নেই জামায়াতের:

    ডেপুটি স্পিকার পদে জামায়াতের যেসকল নেতাকে নিয়ে আলোচনা রয়েছে সবই অনানুষ্ঠানিক বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিশেষ করে সরকারি দল বিএনপি জুলাই সনদের বিষয়ে স্পষ্ট কী অবস্থান নেয় সেটি দেখার অপেক্ষায় রয়েছে জামায়াত। রোববার (১ মার্চ) দলটির নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ডেপুটি স্পিকার ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে জানান বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনজন নেতা।

    তারা জানান, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার্থে জুলাই সনদে ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদল থেকে হওয়াসহ আরো বেশ কিছু সিদ্ধান্ত রয়েছে। এখন জামায়াত দেখতে চায় সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি কতটুকু আন্তরিকতা দেখাচ্ছে। গুটিকয়েক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কথা বলে জুলাই সনদের বেশিরভাগ বিষয় এড়িয়ে গেলে ডেপুটি স্পিকার পদ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে জামায়াত। রোববারের বৈঠকে এমন আলোচনাও হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ওই তিন নেতা।

    এদিকে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগ থেকে সময় সংবাদকে জানানো হয়, ডেপুটি স্পিকার ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে ১১ দলের সংসদীয় টিমের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। অর্থাৎ জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলের যেসকল প্রার্থী এবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ডেপুটি স্পিকার পদে প্রার্থী মনোনীত করা হবে।

    এ ব্যাপারে জামায়াতের মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘ডেপুটি স্পিকার পদে কারো বিষয়ে এখনো কিছু ভাবেনি জামায়াত। সংসদীয় টিমের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে’।

    সংসদীয় টিমের বৈঠকটি কবে নাগাদ হতে পারে সে বিষয়ে অবশ্য পরিষ্কার করে কিছু জানাতে পারেননি এই জামায়াত নেতা।