Blog

  • ১৪৪ বিধায়কের সমর্থন নিয়ে আস্থা ভোটে বড় জয় পেলেন বিজয়

    ১৪৪ বিধায়কের সমর্থন নিয়ে আস্থা ভোটে বড় জয় পেলেন বিজয়

    আস্থা ভোটেও বড় জয় পেলেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপাতি বিজয়। এই সুপারস্টার অভিনেতা— গত মাসের নির্বাচনে তার দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগামকে (টিভিকে) বিজয়ী করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলেন। তার দলের জয়ের মধ্য দিয়ে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র ৬২ বছরের একাধিপত্য ভেঙে যায়। বুধবার (১৩ মে) এক নাটকীয় আস্থা ভোটে জয়ী হয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিশ্চিত হলেন বিজয়।

    বিজয়ের পক্ষে ১৪৪ জন বিধায়ক সমর্থন দেন, ২২ জন বিপক্ষে দাঁড়ান এবং পাঁচজন কোনো পক্ষেই ছিলেন না। দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে) ও তাদের ৫৯ জন বিধায়ক ওয়াকআউট করার পর এবং অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগামের (এআইএডিএমকে) ৪৭ জনকে বিপক্ষে ভোট দিতে বলার পরেই এই ঘটনা ঘটে।

     

    ফলাফলের পর, সিনেমা থেকে রাজনীতিতে পা রাখা বিজয় বলেন, ‘বাঁশি (টিভিকে-র নির্বাচনী প্রতীক) ইতিহাস বদলে দিয়েছে। আমরা নিজেদেরকে একটি সংখ্যালঘু সরকার বলব… এমন একটি সরকার যা সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করবে।’

     

    ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ের দল টিভিকে-র সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় আস্থা ভোটের প্রয়োজন হয়েছিল। বিজয়ের দল ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতেই জয়লাভ করে – তারা একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে নিজেদের প্রকাশ করে। কিন্তু সরকার গঠনে প্রয়োজন ছিল ১১৮ আসন।

     

    ফলে ১০ আসন কম পাওয়ায় সরকার গঠনে জটিলতায় পড়েন বিজয়। অবশেষে কংগ্রেস, দুই বামপন্থি দল ও আঞ্চলিক দল ভিসিকের সমর্থন নিশ্চিত করে ১০ মে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন থালাপাতি বিজয়।

     

    টিভিকে-র ১০৫ জন বিধায়ক ছিলেন; দলটি স্পিকারের আসনে একটি ভোট হারায়, দ্বিতীয়টি হারায় কারণ বিজয় তার জেতা দুটি আসনের একটি থেকে পদত্যাগ করেন, এবং তৃতীয়টি হারায়, তিরুপ্পাত্তুর থেকে শ্রীনিবাস সেতুপতি আর-এর এক ভোটের জয়কে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, তাই। 

     

    তবে, ১০৫ জনই উপস্থিত হয়ে বিজয়কে ভোট দিয়েছিলেন।

    বাইরে থেকে সমর্থনকারী মিত্র দলগুলো—কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, ভিসিকে এবং আইইউএমএল—সম্মিলিতভাবে ১৩টি আসন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। ১৪তম ভোটটি এসেছে টিটিভি দিনাকরণের নেতৃত্বাধীন আম্মা মাক্কাল মুন্নেত্রা কাজাগামের একমাত্র বিধায়কের কাছ থেকে।

     

    সুতরাং, মিত্রদের ভোট টিভিকে-কে ১১৯টি ভোট এনে দেয়—যা ছিল খুবই সামান্য ব্যবধানের এক বিজয়।

    শেষ পর্যন্ত বড় জয়টি আসে এআইএডিএমকে-র দুই ডজন বিধায়কের কাছ থেকে।

     

    সুতরাং, এআইএডিএমকে-র ২৪ জন বিধায়ক বিজয়কে ভোট দিয়েছেন এবং ২৫তম জন (যাকে টিভিকে-পন্থি হিসেবেও ধরা হয়) দলীয় প্রধান এডাপ্পাদি কে পালানিস্বামীর আদেশ অমান্য করে ভোটদানে বিরত থেকেছেন।

  • ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখী নিয়ে নতুন বার্তা

    ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখী নিয়ে নতুন বার্তা

    চলতি মে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    আবহাওয়া দফতরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানান, মাসের ১৫ তারিখের পর বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

     

    একই সঙ্গে মে মাসে দেশে ৫ থেকে ৮ দিন কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় এবং ১ থেকে ৩ দফা তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

     

    ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির সাম্প্রতিক এক সভার বরাত দিয়ে আবহাওয়া দফতরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও কমিটির চেয়ারম্যান মো. মমিনুল ইসলাম জানান, মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

     

     

    বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৪০ থেকে ৩৬০ মিলিমিটার, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩০ থেকে ৩৫০ মিলিমিটার, রংপুর বিভাগে ২৬০ থেকে ২৮০ মিলিমিটার এবং ঢাকা বিভাগে ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। বরিশাল বিভাগে ২২০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেকে ১৯০ মিলিমিটার এবং খুলনা বিভাগে ১৬০ থেকে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    পূর্বাভাসে বলা হয়, এ মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।  

     

     

    এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকতে পারে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১ থেকে ৩ দফা মৃদু অথবা মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে একটি তীব্র তাপপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। ওই সময় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।

     

    নদ-নদীর পরিস্থিতি সম্পর্কে পূর্বাভাসে বলা হয়, মে মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তবে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্ন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু সময়ের জন্য নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে।

  • লোকবল নেবে নগদ, চলছে আবেদন

    লোকবল নেবে নগদ, চলছে আবেদন

    নগদ লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেনিং অ্যান্ড অর্গানিজশনাল ক্যাপাবিলিটি ডেভেলপমেন্ট বিভাগ ম্যানেজার পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

    গত ১১ মে থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৪ মে পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

    প্রতিষ্ঠানের নাম: নগদ লিমিটেড
    পদের নাম: ম্যানেজার
    বিভাগ: ট্রেনিং অ্যান্ড অর্গানিজশনাল ক্যাপাবিলিটি ডেভেলপমেন্ট
    পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিবিএ
    অন্যান্য যোগ্যতা: ইনস্ট্রাকশনাল ডিজাইন, ফ্যাসিলিটেশন বা ই-লার্নিং ডেভেলপমেন্টে অতিরিক্ত সার্টিফিকেশন থাকলে তা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
    অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৬ থেকে ১২ বছর

    আরও পড়ুন: ৩৫ হাজার টাকা বেতনে ব্যুরো বাংলাদেশে চাকরি, বৈশাখী ভাতাসহ

    চাকরির ধরন: ফুলটাইম
    কর্মক্ষেত্র: অফিসে
    প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
    বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর

    কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়
    বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

    অন্যান্য সুবিধা: প্রভিডেন্ট ফান্ড, মোবাইল বিল, সপ্তাহে ২ দিন ছুটি, স্বাস্থ্য/মেডিকেল বিমা, বছরে ২টি উৎসব বোনাস।

    আবেদনের শেষ সময়: ২৪ মে ২০২৬

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি কবে থেকে শুরু, কবে খুলবে?

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি কবে থেকে শুরু, কবে খুলবে?

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে দেশের সবস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি শুরু হচ্ছে। আগামী ২৪ মে থেকে সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসাগুলোতে একযোগে এই ছুটি শুরু হবে। তবে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৪ মে থেকে ছুটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীরা মূলত ২১ মে ক্লাসের পরেই লম্বা ছুটিতে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সংশোধিত শিক্ষাপঞ্জি (ছুটির তালিকা) বিশ্লেষণ করে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের ছুটি কার্যকর হবে ২৪ মে (রোববার) থেকে। কিন্তু তার আগে ২২ মে (শুক্রবার) এবং ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২১ মে বৃহস্পতিবারই হবে প্রতিষ্ঠানের শেষ কর্মদিবস। অর্থাৎ, ২২ মে থেকেই কার্যত শিক্ষার্থীরা ছুটির আমেজে প্রবেশ করবে।

    কবে খুলবে কোন প্রতিষ্ঠান?
    ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি ২৪ মে থেকে শুরু হয়ে চলবে ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এই স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু হবে ৭ জুন (রোববার)। অর্থাৎ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরিতে নির্ধারিত ছুটি থাকলেও সাপ্তাহিক ছুটিসহ শিক্ষার্থীরা টানা ১৬ দিনের ছুটি ভোগ করবে।

    অন্যদিকে, দেশের সব মাদ্রাসায় (আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল) ছুটি কিছুটা দীর্ঘ। মাদ্রাসার ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে ছুটি শুরু হয়ে চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে মাদ্রাসার ক্লাস পুনরায় শুরু হবে ১৪ জুন। অর্থাৎ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা টানা ২১ দিনের (সাপ্তাহিক ছুটিসহ প্রায় ২৩ দিন) বড় ছুটি পাচ্ছে।

    পরবর্তী বড় ছুটি কবে?
    জুন মাসে স্কুল-মাদ্রাসা খোলার পর পরবর্তী উল্লেখযোগ্য ছুটি শুরু হবে জুলাই মাসে। ২৯ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে একদিনের ছুটি রয়েছে। এরপর ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। এছাড়া সেপ্টেম্বর মাসে জন্মাষ্টমী ও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষেও ছুটি রয়েছে।

    মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় উৎসব ঈদুল আজহা এবং গ্রীষ্মের তীব্রতা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের অবকাশ যাপনের জন্য সমন্বয় করে শিক্ষাপঞ্জিতে প্রতি বছরই এই দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা রাখা হয়।

  • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক, উঠবে ১৬ প্রকল্প

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক, উঠবে ১৬ প্রকল্প

    চলতি অর্থবছরের ১১তম এবং বিএনপি সরকারের তৃতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির-একনেক বৈঠক চলছে।

    বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে শুরু হওয়া এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমান।

    বৈঠকে দেশের অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৬টি বড় প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়।

    জানুয়ারি ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত বাস্তবায়নযোগ্য এ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, নদী ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের জন্য নেয়া এই উদ্যোগ বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিরও অন্যতম।

     

    বুধবার প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৯টি নতুন, ছয়টি সংশোধিত এবং একটি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।

  • বিশ্বকাপের খেলা দেখা থেকে বঞ্চিত হতে পারে বাংলাদেশের মানুষ

    বিশ্বকাপের খেলা দেখা থেকে বঞ্চিত হতে পারে বাংলাদেশের মানুষ

    বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের পাগলামির কথা কে না জানে। শুধু দেশে নয়, সারা বিশ্বের মানুষ এখন জানে বাংলাদেশের মানুষের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাটা ঠিক কতখানি। সারা বছরই ফুটবলের খোঁজ খবর রাখেন এ দেশের পাগল ফুটবলপ্রেমীরা। তবে তাদের পাগলামিগুলো চোখে পড়ে বিশ্বকাপ আসলে। ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ হয়তো খেলার সুযোগ পায় না, তবে নিজেদের পছন্দের দল নিয়ে দেশের মানুষের পাগলামি নেহাতি কম না।

    ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশে এই উন্মাদনা নতুন নয়, বহু পুরোনো। তবে এ দেশের মানুষের পাগলামি ভালোভাবে নজরে আসে ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপে। দেশের মানুষের পাগলামি সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছিলো তো বটেই, নজর এড়ায়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফারও। ঢাকায় ফুটবল উন্মাদনার কয়েকটি ছবি ফিফা নিজেদের ফেসবুক পেজে আপলোড করে লিখেছিলো, ‘ফুটবলের মতো আর কোনো কিছুই মানুষকে একত্রে নিয়ে আসে না।’ 

     

    বিশ্বকাপের সময় দেশের প্রতিটি আনাচে-কানাচে বিভিন্ন দেশের পতাকা দিয়ে ছেয়ে যায়। কেউ গাছের মগডালে, আবার কেউ কেউ বাড়ির ছাদে পছন্দের দলের পতাকা উড়িয়ে সমর্থন জানান দেন। আবার এমনও প্রতিযোগিতা চলে, যে কার চেয়ে বড় পতাকা তৈরি করতে পারে। আর পছন্দের দলের জার্সি তো আছেই। 

     

    চার বছর পর আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ। আগামী ১১ জুন তিন আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে পর্দা উঠতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের। তবে এবারের আমেজটা একটু ভিন্ন। কেননা এবারই প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে হবে বিশ্বকাপ। 

     

    তবে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একটা দুঃসংবাদও আছে বটে। এ দেশের মানুষ বিশ্বকাপের খেলা দেখতে পারবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব এখনও কিনতে পারেনি। বেসরকারি কোনো টেলিভিশন চ্যানেল কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক মাধ্যম ওটিটি (ওভার দ্য টপ) প্রতিষ্ঠানগুলোও সম্প্রচার স্বত্ব এখনও কিনতে পারেনি। 

     

    স্থানীয় কোনো টিভি চ্যানেল বা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সম্প্রচার না করলে দেশের দর্শকদের জন্য বিশ্বকাপ দেখা কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ, ফিফার নীতিমালা অনুযায়ী বিদেশি সম্প্রচারমাধ্যমগুলো অনুমোদিত অঞ্চলের বাইরে সরাসরি খেলা দেখাতে পারে না। 

     

    এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বত্ব নেয়নি। জানা গেছে, বাংলাদেশে এবার বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবক পিটিই লিমিটেড। বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কাছ থেকে স্বত্ব কিনে বাংলাদেশে খেলা সম্প্রচার করতে হবে। 

     

    প্রতি বিশ্বকাপ আসরেই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) দর্শকদের জন্য খেলা সম্প্রচার করে থাকে। তবে এবার সম্প্রচার স্বত্বের উচ্চমূল্যের কারণে বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিটিভির একটি সূত্র জানিয়েছে, সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবক পিটিই বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব বাবদ প্রায় ১৫১ কোটি টাকা চেয়েছে। কর ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হলে মোট ব্যয় প্রায় ২০০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, মোট অর্থের অর্ধেক ১০ মে’র মধ্যে এবং বাকি অংশ ১০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। এই স্বত্বের আওতায় উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানসহ মোট ১০৪টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার এবং হাইলাইটস দেখানোর সুযোগ থাকবে। 

     

    সাধারণত বাংলাদেশে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনে টেলিভিশনের মাধ্যমে খেলা প্রচার করে এবং বিজ্ঞাপন থেকে আয় করে থাকে।  

     

    ২০১৮ বিশ্বকাপে ‘প্যাকেজ নীতিমালা’র আওতায় কোনো অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই খেলা সম্প্রচার করা হয়েছিল। সে সময় সম্প্রচার স্বত্বধারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিটিভির মাধ্যমে খেলা দেখানোর সুযোগ পেত। তবে ২০২২ সালে সেই নীতিমালা বাতিল হওয়ায় পরিস্থিতি বদলে যায়। ওই বছর বিশ্বকাপ শুরুর আগে সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্তে ‘বিশেষ বাজেট’ থেকে প্রায় ৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়ে সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছিল বিটিভি। 

     

     

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির বিষয়ে প্রথমে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ করে স্প্রিংবক পিটিই লিমিটেড। পরে মন্ত্রণালয় বিষয়টি বিটিভির কাছে পাঠায়। গত এপ্রিলে বিটিভি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বত্বের মূল্য জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১৫০ কোটি টাকার প্রস্তাব দেয়। 

     

    এত বড় অঙ্কের ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিটিভিকে সরাসরি ফিফার সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে বিনামূল্যে সম্প্রচারের কোনো সুযোগ পাওয়া যায় কি না তা যাচাই করা যায়। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত বিটিভি ফিফাকে দুটি ই-মেইল পাঠালেও এখন পর্যন্ত কোনো উত্তর মেলেনি। এতে করে বিটিভিতে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। 

     

    স্প্রিংবক পিটিই লিমিটেড ফিফার কাছ থেকে যে সম্প্রচার প্যাকেজ নিয়েছে, তার আওতায় টেলিভিশন, রেডিও, মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ও ইন্টারনেটভিত্তিক সম্প্রচারের অধিকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জানা গেছে, তারাও (স্প্রিংবক পিটিই লিমিটেড) আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে ফিফার কাছ থেকে বেশ উচ্চমূল্যে এই স্বত্ব কিনেছে। এ স্বত্ব পাওয়ার দৌড়ে বিশ্বের বড় বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল বলেও জানা গেছে। 

     

    এদিকে বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক মাসেরও কম সময় বাকি। সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশে খেলা সম্প্রচার নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত আলোচনায় বসতে হবে। সময়ক্ষেপণ হলে দর্শকদের বড় একটি অংশ বিশ্বকাপ দেখা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

  • বাড়ছে নানা ধরনের ভাতা

    বাড়ছে নানা ধরনের ভাতা

    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের প্রান্তিক, দরিদ্র ও অসহায় জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন করে কয়েক লাখ মানুষকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকার তাদের কল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরবে।

    বর্তমানে দেশে ৬১ লাখ বয়স্ক নাগরিক মাসিক ৬৫০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন। এতে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ৫ হাজার ৩১৩ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৬২ লাখে উন্নীত করা হচ্ছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ৯০ বছরের কম বয়সি বয়স্করা মাসিক ৭০০ টাকা ভাতা পাবেন, যা বর্তমানের তুলনায় ৫০ টাকা বেশি। অন্যদিকে ৯০ বছর বা তদূর্ধ্ব ২ লাখ ৫ হাজার প্রবীণ নাগরিক মাসিক ১ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

     

    বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে তারা মাসিক ৬৫০ টাকা পেলেও আগামী অর্থবছর থেকে তা বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হবে। পাশাপাশি ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সি ২৫ হাজার নারী মাসিক ১ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। এই খাতে সরকারের ব্যয় বাড়িয়ে ২ হাজার ৪৫৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ধরা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরে ছিল ২ হাজার ২৭৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

    প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৩৪ লাখ ৫০ হাজার ব্যক্তি মাসিক ৯০০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। আগামী বাজেটে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৬ লাখ করা হচ্ছে। যদিও মূল ভাতার পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকছে, তবে ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সি প্রতিবন্ধীরা মাসিক ১ হাজার টাকা করে পাবেন।

    শিক্ষা উপবৃত্তির ক্ষেত্রেও কিছুটা স্বস্তি আসছে। উপকারভোগীর সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলেও প্রাথমিক থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত সব পর্যায়ের শিক্ষার্থীর ভাতা মাসিক ৫০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। ফলে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবেন ৯৫০ টাকা, মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা ১ হাজার টাকা, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ১ হাজার ১০০ টাকা এবং উচ্চতর স্তরের শিক্ষার্থীরা পাবেন ১ হাজার ৩৫০ টাকা।

     

    এছাড়া হিজড়া, বেদে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও চা শ্রমিকদের জন্য ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩ হাজারের বেশি বাড়ানো হলেও ভাতার পরিমাণ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

    নতুন বাজেটের বড় আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। এর আওতায় নারীপ্রধান প্রতিটি পরিবার মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবে। সরকার ধাপে ধাপে এই কর্মসূচির পরিধি বাড়াবে। চলতি অর্থবছরসহ পাঁচ বছরে এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে নগদ সহায়তায় ব্যয় হবে ১ লাখ ২১ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা এবং জরিপ ও অন্যান্য প্রশাসনিক খাতে ব্যয় হবে ১২ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা।

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার এখন বড় মেগা প্রকল্পের পরিবর্তে সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিমুখী কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি বাজার ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

  • মার্কেট-শপিংমল খোলা রাখার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    মার্কেট-শপিংমল খোলা রাখার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় রাত সাতটার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের বাধ্যবাধকতা থাকলেও ঈদকে সামনে রেখে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১২ মে) থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত সারাদেশে মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

    মঙ্গলবার (১০ মে) বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনায় সরকার মার্কেট-শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতিকে অবহিত করেন যে, ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণি বিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সময় বর্ধিত করা হয়েছে। তবে কোনো আলোকসজ্জা ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না।

  • বুধবার দেশের যেসব এলাকায় টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

    বুধবার দেশের যেসব এলাকায় টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

    গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তন, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আগামীকাল বুধবার (১৩ মে) দেশের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

    ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কাজের স্বার্থে বুধবার শুভাঢ্যা জোনাল অফিসের অধীন ঝিলমিল-১ উপকেন্দ্রের হাবিবনগর ফিডারের আওতাধীন হাবিবনগর, শুভাঢ্যা উত্তরপাড়া, বেগুনবাড়ী (আংশিক), দারুসসালাম, চানমিয়া মসজিদ এলাকা, দেওয়ানবাড়ী এলাকা, নোমানিয়া মাদ্রাসা এলাকা, ইকবাল নগর ও গোলামবাজার মহিলা মাদ্রাসা এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

     

    সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগেই মাইকিং করা হয়েছে জানিয়ে আরও বলা হয়, হাবিবনগর ফিডারটির বর্তমান পিক লোড প্রায় ৪ মেগাওয়াট, যা স্বাভাবিকের তুলনায় অধিক। গ্রাহকদের আরও মানসম্মত, স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফিডারটির লোড বিভাজনের মাধ্যমে নতুন ফিডার নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে সিস্টেম লস কমবে এবং ভবিষ্যতে গ্রাহকরা আরও উন্নত সেবা পাবেন। সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
     

     

     

    অন্যদিকে, নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দফতর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নেসকো রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৫ এর আওতাধীন বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের নিকটবর্তী গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তন কাজের জন্য বুধবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

     

    এসময় দেওয়ানপাড়া ফিডারের (উকিলের মোড় আইসোলেটর থেকে শেষ পর্যন্ত) আওতাধীন গোয়ালপাড়া, শ্যামপুর থান্ডারপাড়া, শ্যামপুর মোল্লাপাড়া ঈদগাহ, শ্যামপুর মধ্যপাড়া, শ্যামপুর নগরপাড়া ও শ্যামপুর পানিশোধনাগার এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

     

    সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দফতর।

  • সিলেটেই বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্ট

    সিলেটেই বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্ট

    সিলেটেই বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্ট

    আবহাওয়া সংক্রান্ত কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্টের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে জোরালো একটি গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে সেই গুঞ্জন শেষমেশ ধোপে টিকল না। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, সিলেটেই হচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ।

    মঙ্গলবার (১২ মে) এক বিবৃতিতে ভেন্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

     

    আগামী ১৬ মে সিলেটে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। ঢাকা টেস্ট শেষ করে আগামীকাল ভেন্যুর উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা দুদলের।

     

    ঢাকা টেস্টের শেষ দিনের খেলা চলাকালে সিলেট থেকে ভেন্যু ঢাকায় নিয়ে আসার গুঞ্জনটি আসে। শোনা যাচ্ছিল, ভেন্যু পাল্টানোর ব্যাপারে সব ধরনের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনাও করেছে বিসিবি। আর সেটার পেছনে কারণ সিলেটের টানা বৃষ্টি।

     

     

    সিলেটে বৃষ্টির শঙ্কা সন্ধ্যায় বেশি। তবে সিলেটের ড্রেনেজ সিস্টেম যেহেতু মিরপুরের মতো নয়, সে জন্য রাতে বৃষ্টি হলেও দিনে খেলা নিয়ে শঙ্কা থাকে। সে জন্যই এমন চিন্তাভাবনা এসেছিল। তবে সম্প্রচার এবং পিচ কিউরেটরদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ভেন্যু সিলেটেই রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।

     

    একই বিজ্ঞপ্তিতে দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াডও ঘোষণা করেছে বিসিবি। মিরপুর টেস্টের অপরিবর্তিত স্কোয়াড নিয়েই সিলেট টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল।

     

     

    নিয়মিত অধিনায়ক শান্তর নেতৃত্বে সিলেট টেস্টে খেলবে বাংলাদেশ। প্রথমবার দলে ডাক পাওয়া অমিত হাসান ঢাকা টেস্টের একাদশে জায়গা না পেলেও আছেন সিলেট টেস্টের স্কোয়াডে।