Blog

  • ফ্যা’টি লি’ভারের স’মস্যা স’মাধা’নে খা’দ্যতা’লিকায় রাখুন এই ৭টি ফল

    ফ্যা’টি লি’ভারের স’মস্যা স’মাধা’নে খা’দ্যতা’লিকায় রাখুন এই ৭টি ফল

    বর্তমান সময়ে অনেকেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভোগেন। আর এই সমস্যায় খাদ্যতালিকার দিকে বাড়তি নজর দিতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে পর্যাপ্ত ফাইবার, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকার পাওয়া যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে এমন সাতটি ফলের কথা জানিয়েছেন। তার মতে, এসব ফল ফাইবারসমৃদ্ধ এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।

    ১. আপেল

    তালিকার প্রথমেই রয়েছে আপেল। ডা. শেঠির মতে, আপেলে রয়েছে পেকটিন, যা এক ধরনের দ্রবণীয় ফাইবার। এটি হজমের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে। আপেলের সঙ্গে বাদাম খেলে সেটা একটি ভালো নাশতা হতে পারে।

    কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা থাকলে কিউই খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। ডা. শেঠি দিনে দুটি কিউই খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিউইয়ের খোসাও খাওয়া যায়। তবে খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। যাদের কিউইতে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের এটি এড়িয়ে চলা উচিত।

    সবচেয়ে বেশি প্রোটিন কোন ডালে, জানুন পুষ্টিবিদদের পরামর্শ

    ৩. রাস্পবেরি

    ফাইবারসমৃদ্ধ ফল হিসেবে রাস্পবেরিও রয়েছে তালিকায়। এটি সাধারণ খাবারের সঙ্গে সহজেই যোগ করা যায়। ডা. শেঠির পরামর্শ, রাস্পবেরি সাধারণ গ্রিক দই বা ওটমিলের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। এতে বাড়তি চিনি ছাড়াই খাবারে প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও ফাইবার যোগ হবে।

    ৪. ব্লুবেরি

    তালিকায় রয়েছে ব্লুবেরিও। তাজা ব্লুবেরি পাওয়া না গেলে হিমায়িত ব্লুবেরি ব্যবহার করা যেতে পারে। ডা. শেঠির মতে, হিমায়িত ব্লুবেরিও পুষ্টিগুণের দিক থেকে ভালো বিকল্প এবং অনেক সময় তুলনামূলক সাশ্রয়ী। দই, ওটমিল কিংবা স্মুদির সঙ্গে এটি যোগ করা যায়।

    ৫. ডালিম

    ফ্যাটি লিভারের জন্য ডালিম দারুণ উপকারী। এর দানা সালাদের সঙ্গে যোগ করে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ডালিমের দানা সালাদে স্বাদ ও বৈচিত্র্য যোগ করার পাশাপাশি দৈনিক ফল খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতেও সাহায্য করতে পারে।

    ৬. নাশপাতি

    ফাইবারের আরেকটি ভালো উৎস নাশপাতি। বিশেষ করে খোসাসহ খেলে এতে ফাইবারের পরিমাণ আরও বেশি পাওয়া যায়। তবে খাওয়ার আগে নাশপাতি ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি।

    ৭. অ্যাভোকাডো

    অ্যাভোকাডো ফল হলেও অন্যান্য অনেক ফলের তুলনায় এর বৈশিষ্ট্য কিছুটা আলাদা। এতে চিনি তুলনামূলক কম এবং স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত ফ্যাট রয়েছে। ডা. শেঠি মাখন বা ক্রিম চিজের পরিবর্তে হোলগ্রেইন টোস্টের ওপর অ্যাভোকাডো ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন। এতে খাবারে ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যোগ হতে পারে।

     ডা. সৌরভ শেঠি জানান, ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে শুধু একটি নির্দিষ্ট ফল বা খাবারের ওপর নির্ভর করলে হবে না। সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস, শরীরের ওজন, শারীরিক পরিশ্রম এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপেল, কিউই, রাস্পবেরি, ব্লুবেরি, নাশপাতি, অ্যাভোকাডো ও ডালিমকে সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হিসেবে রাখা যেতে পারে। তবে কারও ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত জটিলতা থাকলে ব্যক্তিগত খাদ্যতালিকা তৈরির আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেয়াই ভালো।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস  

  • খালি পে’টে কলা খে’লে শ’রীরে কী ঘ’টে? জানুন উ’পকা’রিতা ও স’তর্ক’তার কথা

    খালি পে’টে কলা খে’লে শ’রীরে কী ঘ’টে? জানুন উ’পকা’রিতা ও স’তর্ক’তার কথা

    সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। সহজলভ্য, পুষ্টিকর এবং দ্রুত খাওয়া যায় বলে ব্যস্ত সকালে কলা হতে পারে ভালো একটি খাবার। তবে খালি পেটে কলা খাওয়া কি সত্যিই উপকারী? নাকি এর কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে?

    পুষ্টিবিদদের মতে, বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের জন্য কলা নিরাপদ ও পুষ্টিকর একটি ফল। এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন সি। তবে খালি পেটে খেলে সবার শরীরে একই প্রতিক্রিয়া নাও হতে পারে। তবে সকালে কলা খাওয়ার কিছু উপকারিতা আছে। 

    সকালে কলা খাওয়ার সুবিধা  

    কলায় প্রাকৃতিকভাবে থাকা কার্বোহাইড্রেট ও শর্করা শরীরকে দ্রুত শক্তি দিতে সাহায্য করে। তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ক্ষুধা লাগলে একটি কলা সাময়িকভাবে ক্ষুধা কমাতে এবং শরীরকে সক্রিয় করতে পারে। বিশেষ করে ব্যায়াম বা হাঁটার আগে কলা খেলে এটি সহজে হজমযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে।

    ২. হজমে সহায়তা করতে পারে

    কলায় রয়েছে ফাইবার, বিশেষ করে পেকটিন। এই ফাইবার অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও মলত্যাগে সহায়তা করতে পারে।
    এছাড়া কলার কিছু উপাদান অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য খাদ্য হিসেবে কাজ করতে পারে। ফলে নিয়মিত পরিমাণমতো কলা খাওয়া অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।

    ৩. পটাশিয়ামের ভালো উৎস

    একটি মাঝারি আকারের কলায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে। শরীরে পটাশিয়াম পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। তবে শুধু কলা খেলেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসই এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুন

    ৪. কিছুটা সময় পেট ভরা রাখতে পারে

    কলার ফাইবার ক্ষুধা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে। ফলে সকালে একটি কলা খেলে পরবর্তী খাবারের আগে অতিরিক্ত ক্ষুধা বা অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে। তবে শুধু কলা দিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ নাশতার পুষ্টি পাওয়া যায় না। দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে চাইলে কলার সঙ্গে বাদাম, দই বা অন্য কোনো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যোগ করা যেতে পারে।

    ৫. সহজ ও পুষ্টিকর সকালের খাবার

    ব্যস্ত সকালে রান্না বা প্রস্তুতির ঝামেলা ছাড়াই একটি কলা খাওয়া যায়। এতে ক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পাওয়া যায়। তাই এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

    কারা সতর্ক থাকবে   

    সব খাবার সবার জন্য নয় কারণ, একেক জনের শরীরের সমস্যা একেক রকম। যাদের হজমের সমস্যা, পেট ফাঁপা বা নির্দিষ্ট কিছু খাবারে সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের খালি পেটে কলা খেলে অস্বস্তি হতে পারে। এমন হলে কলাটি একা না খেয়ে নাশতার সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। ডায়াবেটিস থাকলে কলা নিষিদ্ধ নয়। তবে পরিমাণ এবং কলার পাকার মাত্রার দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

    এছাড়া কিডনির কার্যকারিতায় সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত পটাশিয়াম গ্রহণ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে নিয়মিত বেশি পরিমাণ কলা খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

    খালি পেটে কলা খাওয়া নিয়ে নানা ধরনের দাবি প্রচলিত থাকলেও বাস্তবতা হলো কলা নিজেই একটি পুষ্টিকর ফল, কিন্তু খালি পেটে খেলেই অতিরিক্ত কোনো বিশেষ উপকার পাওয়া যায় এমন প্রমাণ নেই। আপনার শরীরে যদি কোনো অস্বস্তি না হয়, তাহলে সকালে একটি কলা খেতে পারেন। 

    সূত্র: এনডিটিভি

  • আপনি বি’য়ের জন্য প্রস্তুত কি না জানিয়ে দেবে এই ১৪ ল’ক্ষণ, জেনে নিন

    আপনি বি’য়ের জন্য প্রস্তুত কি না জানিয়ে দেবে এই ১৪ ল’ক্ষণ, জেনে নিন

    বিয়ে মানেই কেবল উৎসবের আমেজ, নতুন পোশাক আর সুন্দর মুহূর্তের হাতছানি নয়; এটি জীবনের এক বিশাল বড় অঙ্গীকার। আমাদের সমাজে অনেকেই খুব দ্রুত বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চান, কিন্তু মানসিকভাবে এই দীর্ঘ যাত্রার জন্য তারা কতটুকু প্রস্তুত, তা নিয়ে খুব কমই ভাবেন।

    মনে রাখা প্রয়োজন, বিয়ে কেবল একটি সমস্যার সমাধান নয়। বরং দুটি মানসিকভাবে সুস্থ ও সুখী মানুষ যখন একত্রিত হয়ে একটি সুন্দর পরিবার গড়ার স্বপ্ন দেখে, তখনই কেবল একটি সফল দাম্পত্য জীবন সম্ভব হয়।

    আপনি বিয়ের জন্য সত্যিই প্রস্তুত কি না, তা যাচাই করার জন্য নিচের ১৪টি লক্ষণের দিকে নজর দিন:

    ১. নিজের যত্ন নিতে না শেখা: দাম্পত্য জীবনের চড়াই-উতরাই সামলাতে নিজের শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক যত্ন নেওয়া জরুরি। আপনি যদি প্রতিকূল সময়ে নিজের মানসিক স্থিরতা বজায় রাখতে না জানেন, তবে ছোটখাটো সমস্যাতেও আপনি ভেঙে পড়তে পারেন।

    দিনে ৩ বেলা খাওয়া ভালো, নাকি ঘন ঘন অল্প করে খাওয়া ভালো?

    ২. স্বামী ও স্ত্রীর দায়িত্ব সম্পর্কে ধারণা না থাকা: বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর নির্দিষ্ট কিছু সামাজিক ও ধর্মীয় ভূমিকা থাকে। এই দায়িত্বগুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকলে সংসারের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

    পরিচিত কেউ টাকা ধার চাচ্ছে? সম্পর্ক ঠিক রেখে ‘না’ বলার সহজ উপায়

    ৩. বিয়ের মূল উদ্দেশ্য না বোঝা: বিয়ে কেবল একটি আইনি বা সামাজিক বন্ধন নয়, এটি একটি সুস্থ সমাজ গড়ার মূল ভিত্তি। একটি সুখী পরিবার যেমন সমাজকে সুন্দর করে, তেমনি একটি অসুখী বা ভেঙে যাওয়া পরিবার সন্তানদের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    ৪. সৃষ্টিকর্তার ওপর নির্ভরশীলতার অভাব: সঙ্গীর ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা অনেক সময় কষ্টের কারণ হয়। আধ্যাত্মিকভাবে নিজেকে শক্তিশালী করলে সঙ্গীর ছোটখাটো ভুলগুলো ক্ষমা করা সহজ হয় এবং প্রতিকূল সময়ে ধৈর্য ধারণ করা যায়।

    ৫. অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকা: সম্মান হলো সুখী দাম্পত্যের অন্যতম প্রধান উপাদান। যদি আপনি বর্তমান জীবনে আপনার চারপাশের মানুষকে সম্মান করতে না পারেন, তবে বিয়ের পর আপনার সঙ্গীর মর্যাদা রক্ষা করাও আপনার জন্য কঠিন হবে।

    ৬. নিজস্ব সত্তাকে খুঁজে না পাওয়া: আপনি কে, আপনার জীবনের লক্ষ্য কী—এই বিষয়গুলো বিয়ের আগে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। নিজের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী না হলে অন্যের চাপে নিজের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলার ভয় থাকে।

    ৭. গঠনমূলকভাবে মতভেদ প্রকাশ করতে না পারা: সুখী দম্পতিদের মধ্যেও ঝগড়া হয়, কিন্তু তারা জানে কীভাবে সেই ঝগড়া মেটাতে হয়। চিৎকার বা জেদ ধরে রাখার বদলে শান্তভাবে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন করা বিয়ের জন্য অপরিহার্য।

    ৮. সমস্যা এড়িয়ে চলার প্রবণতা: যেকোনো সমস্যা কার্পেটের নিচে লুকিয়ে রাখলে তা কেবল তিক্ততাই বাড়ায়। দাম্পত্য জীবনে কোনো কিছু অপছন্দ হলে তা সরাসরি কিন্তু নম্রভাবে প্রকাশ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

    ৯. নিজের জীবনে সুখী না হওয়া: আপনি যদি ভাবেন বিয়ে করলেই আপনার সব অপূর্ণতা ঘুচে যাবে, তবে আপনি ভুল ভাবছেন। আগে নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে সুখী হতে শিখুন; তখনই কেবল আপনি অন্যকে সুখী করতে পারবেন।

    ১০. ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য বুঝতে না পারা: জীবনের কিছু নির্দিষ্ট আদর্শ বা নিয়ম থাকা উচিত যা আপনি কখনোই বিসর্জন দেবেন না। নিজের মূল্যবোধ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে একজন আদর্শ সঙ্গী আপনাকে সেই গুণের জন্যই সম্মান করবে।

    ১১. নিজের জন্য রুখে দাঁড়াতে না পারা: আপনি যদি সহজেই অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হন বা নিজের অধিকারের কথা বলতে দ্বিধা বোধ করেন, তবে দাম্পত্যের কঠিন পরিস্থিতিতে আপনি অসহায় বোধ করতে পারেন।

    ১২. নিজের মূল্য বুঝতে না পারা: নিজেকে মূল্যবান মনে করা অহংকার নয়, বরং আত্মমর্যাদা। আপনি যদি নিজেকে গুরুত্ব না দেন, তবে অন্য কেউ আপনাকে মূল্যায়ন করবে এমনটা আশা করা কঠিন।

    ১৩. বাহ্যিক চাকচিক্যে নিজের সার্থকতা বিচার করা: গায়ের রং, চাকরি বা সামাজিক মর্যাদা দিয়ে নিজের মূল্য নির্ধারণ করবেন না। এই বাহ্যিক বিষয়গুলো পরিবর্তনশীল, কিন্তু আপনার ব্যক্তিত্ব ও কর্মই স্থায়ী সম্পদ।

    ১৪. ‘লোকে কী বলবে’ তা নিয়ে অতিরিক্ত ভাবা: অন্যের চোখে নিজেকে নিখুঁত দেখানোর চেষ্টা না করে নিজের প্রতি সৎ থাকুন। বিয়ের আগে নিজের আসল রূপটি আড়াল করলে বিয়ের পর সঙ্গী যখন সত্যটি জানবেন, তখন বিশ্বাসভঙ্গ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    বিয়ে একটি দীর্ঘ ও সুন্দর পথচলা। উল্লিখিত ১৪টি লক্ষণের আলোকে নিজেকে মূল্যায়ন করুন। যদি আপনার মাঝে এই লক্ষণগুলো থাকে, তবে এখনই বিয়ে করা উচিত নয়; বরং পর্যাপ্ত মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে নতুন জীবনের দিকে পা বাড়ান।

    তথ্যসূত্র: দ্য মুসলিম ভাইব

  • ভু’লেও যারা পেঁপে খা’বেন না, জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    ভু’লেও যারা পেঁপে খা’বেন না, জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    পেঁপে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি ফল। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফাইবারসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। পেঁপেতে থাকা প্যাপেইন নামের এনজাইম হজমে সহায়ক বলেও পরিচিত। তবে সবার জন্য পেঁপে সমানভাবে উপযোগী নাও হতে পারে। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে এটি খাওয়ার আগে সতর্কতা প্রয়োজন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের নির্দিষ্ট অ্যালার্জি, হজমের সমস্যা বা কিছু ওষুধ সেবনের বিষয় রয়েছে, তাদের পেঁপে খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত।

    পেঁপে হলো একটি পুষ্টিকর ফল, যা হজমশক্তি উন্নত করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। পেঁপেতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফাইবার এবং শক্তিশালী এনজাইম পেঁপেন (Papain)। তবে এর কিছু উপাদান নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    কারা পেঁপে খাবেন না বা পেঁপে খেলে কাদের সমস্যা হতে পারে, তা আলোচনা করা হল:

    ১.গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেঁপেতে সতর্কতা

    গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে কাঁচা বা আধা পাকা পেঁপে নিয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়। কাঁচা পেঁপেতে ল্যাটেক্সের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। এ কারণে গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেঁপে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    তবে পাকা পেঁপে নিয়ে কাঁচা পেঁপের মতো একই ধরনের ঝুঁকি রয়েছে—এমন প্রমাণ নেই। গর্ভবতী কেউ পেঁপে খেতে চাইলে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

    ২. ল্যাটেক্সে অ্যালার্জি থাকলে

    যাদের ল্যাটেক্সে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পেঁপে খেলে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। এটিকে ল্যাটেক্স-ফ্রুট সিনড্রোমের সঙ্গে সম্পর্কিত ক্রস-রিঅ্যাকশন হিসেবে দেখা হয়।

    এ ধরনের মানুষের পেঁপে খাওয়ার পর চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, ঠোঁট বা মুখ ফুলে যাওয়া কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এমন প্রতিক্রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

    ৩. রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করলে

    যারা অ্যান্টিকোঅ্যাগুল্যান্ট বা রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধের ওষুধ খান, তাদের ক্ষেত্রে পেঁপে নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

    কারণ কিছু ক্ষেত্রে খাবার ও ওষুধের পারস্পরিক প্রভাব রক্তপাতের ঝুঁকিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নিয়মিত ওষুধ সেবনকারীদের নিজের ইচ্ছায় খাদ্যতালিকায় বড় পরিবর্তন না করাই ভালো।

    ৪. ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা থাকলে

    পেঁপেতে ফাইবার রয়েছে এবং এটি সাধারণত হজমে সহায়ক। কিন্তু ডায়রিয়া বা পেটের গোলমাল চলাকালে বেশি পরিমাণে পেঁপে খেলে কারও কারও সমস্যা বাড়তে পারে।

    এ সময় অতিরিক্ত পেঁপে খেলে পেট ফাঁপা, পেটের অস্বস্তি বা পাতলা পায়খানা বেড়ে যেতে পারে। তাই ডায়রিয়ার সময় পরিমাণের বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

    ৫. রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার প্রবণতা থাকলে

    পেঁপে রক্তে শর্করার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন কিছু গবেষণা রয়েছে। তবে সাধারণ পরিমাণে পেঁপে খেলেই সুস্থ মানুষের রক্তে শর্করা বিপজ্জনকভাবে কমে যায়, এমন নিশ্চিত প্রমাণ নেই।

    তবে যারা ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন কিংবা যাদের রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাদের খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    তাহলে পেঁপে কি বাদ দিতে হবে?

    পেঁপে সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর ফলের অংশ হতে পারে। তবে গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেঁপে, ল্যাটেক্স অ্যালার্জি, নির্দিষ্ট ওষুধ সেবন কিংবা গুরুতর হজমের সমস্যার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

    কোনো নির্দিষ্ট রোগ বা নিয়মিত ওষুধ সেবনের বিষয় থাকলে পেঁপে পুরোপুরি বাদ দেওয়া বা নিয়মিত খাওয়ার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

  • ঈ’দে মি’লাদু’ন্ন’বী উপলক্ষে ২৬ আগস্ট ছু’টি পাবেন না যারা

    ঈ’দে মি’লাদু’ন্ন’বী উপলক্ষে ২৬ আগস্ট ছু’টি পাবেন না যারা

    আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডশেন।

    এদিন সরকারি ছুটি থাকবে। তবে সবাই এই ছুটি ভোগ করতে পারবেন না।

    প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আকাশে বৃহস্পতিবার ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে।

    শনিবার (১৫ আগস্ট) থেকে ১৪৪৮ হিজরি সালের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা শুরু হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। ফলে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে। তবে সবাই এই ছুটি ভোগের সুযোগ পাবেন না।

    পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আগামী ২৬ আগস্ট সারা দেশে সরকারি সাধারণ ছুটি থাকবে। তবে এই ছুটি সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হবে না।

    এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, অগ্নিনির্বাপণ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, বন্দর, বিমানবন্দর, রেলওয়ে, গণপরিবহন, কারাগার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন জরুরি সেবায় নিয়োজিতরা রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ডিউটি রোস্টার অনুযায়ী তাদের কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

    জরুরি পরিসেবার আওতায় থাকা বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাকসেবা, হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং কর্মীদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য হয় না।

    এ ছাড়া ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন, জরুরি যানবাহন ও দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীরাও ছুটির আওতার বাইরে থাকেন।

    এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরে ব্যাংক খোলা থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আদালত খোলা বা বন্ধ থাকবে কি না, তা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করেন।

  • জানা গেল একাদশ শ্রেণিতে ভ’র্তির আ’বেদন ও ক্লাশ শুরুর তা’রিখ

    জানা গেল একাদশ শ্রেণিতে ভ’র্তির আ’বেদন ও ক্লাশ শুরুর তা’রিখ

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদন গ্রহণ চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অনলাইন আবেদন ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। এরপর ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ক্লাস।

    চেয়ারম্যান আরও জানান, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালায় গত বছরের মতোই নিয়ম রাখা হবে। শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর দ্রুত নীতিমালা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম শেষে ১২ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওই প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ায় ভর্তি আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • একাদশে ভর্তি প্র’ক্রিয়া’য় বড় প’রিব’র্তন, এগিয়ে আসছে ক্লাস

    একাদশে ভর্তি প্র’ক্রিয়া’য় বড় প’রিব’র্তন, এগিয়ে আসছে ক্লাস

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনা হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে সংশোধিত নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এটি অনুমোদন হলে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন নেওয়া এবং ভর্তি কার্যক্রম শেষে ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা ছিল। তাতে সায় দেননি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    ঢাকা বোর্ড সূত্র জানায়, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এবারও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। ভর্তি পরীক্ষা হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

    নতুন নিয়মে ভর্তি আবেদন যেভাবে
    বিগত বছরগুলোতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীরা তিন ধাপে অনলাইনে একাদশে ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ পেতো। তবে এ বছর প্রথম পর্যায়ে একবারই সুযোগ পাবে। যেহেতু আবেদনের সুযোগ একবারই, সেহেতু আগের মতো মাইগ্রেশনের সুযোগও আর থাকছে না।

    একাদশে ভর্তি কীভাবে, আবেদন শুরু কবে
    তবে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা আরেকবার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে কেউ বাদ পড়ে থাকলে বা কোনো কারণে নিশ্চয়ন না করলে বা কলেজ না পেলে সে-ও আবার আবেদনের সুযোগ পাবে।

    ভর্তি শেষ হবে দ্রুত, সেপ্টেম্বরে ক্লাস শুরুর নির্দেশ
    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রাথমিক প্রস্তাবে ১৫ সেপ্টেম্বর ভর্তির আবেদন শুরুর কথা ছিল। তাতে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ভর্তি এবং ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর প্রস্তাব ছিল।

    কিন্তু বৈঠকে এ প্রস্তাবে সায় দেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ, অর্থাৎ শুরুর দিকেই অনলাইন আবেদন শুরু হবে। এছাড়া, একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে। যারা পুনর্নিরীক্ষার পর আবার আবেদন করে কলেজ পরিবর্তন করবে, তাদের ক্লাস আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যেই শুরু হবে।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে। আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করছি, শিগগির এটি চূড়ান্ত হবে। এ নীতিমালাটি জারি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    নীতিমালায় পরিবর্তনের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনা খুবই জরুরি। এজন্য ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস এগিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সেগুলো মাথায় রেখে আমরা নীতিমালা করেছি। এসব ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।

    জানা যায়, অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ভর্তিপ্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ১ জুলাই থেকে। কিন্তু গত কয়েক বছর নানান কারণে তা হয়ে ওঠেনি। গত বছর এসএসসির ফল প্রকাশ হয় ওই বছরের ১০ জুলাই।

    ভর্তিপ্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হয় ১৫ সেপ্টেম্বর। কিন্তু এ বছর এসএসসির ফল প্রকাশ হয়েছে ১০ আগস্ট। এরপরও যে কোনোভাবে গত বছরের কাছাকাছি সময়ে ক্লাস শুরু করতে চায় মন্ত্রণালয়।

    অর্ধেকের বেশি আসন খালি থাকবে
    গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।

    সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদরাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবার মোট আসনের অর্ধেকের বেশি খালি থাকবে। তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোয় আসনসংখ্যা সীমিত।

  • প্রতিদিন ক’লা খা’ওয়ার এই উ’পকা’রিতাগুলো জানতেন? জেনে নিন উপকারে আসবে

    প্রতিদিন ক’লা খা’ওয়ার এই উ’পকা’রিতাগুলো জানতেন? জেনে নিন উপকারে আসবে

    কলা এমন একটি জনপ্রিয় ফল যা সারাবছরই পাওয়া যায়। এটি আমাদের খাদ্যতালিকার অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। অনেকে যাত্রাপথে সহজে খাওয়ার জন্য, স্কুলের লাঞ্চ ব্যাগে কিংবা অফিসে হালকা নাস্তা হিসেবে রেখে থাকেন। তবে নিয়মিত কলা খেলে কি সত্যিই কোনো স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়, নাকি এটি কেবলই একটি অভ্যাস? চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন কলা খেলে কী হয়-

    ১. ব্যায়ামের আগে প্রাকৃতিক জ্বালানি

    পাকা কলা তার দ্রুত রূপান্তরিত হওয়া প্রাকৃতিক শর্করার মাধ্যমে, প্রশিক্ষণের ঠিক আগে শরীরকে দ্রুত ও ব্যবহারযোগ্য শক্তি জোগায়। অ্যাপালেচিয়ান স্টেট ইউনিভার্সিটির একটি যুগান্তকারী গবেষণা PLOS ONE-এ প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় ৭৫ কিলোমিটারের একটি কঠিন সাইক্লিং টাইম ট্রায়ালের সময় কলা খাওয়া সাইক্লিস্টদের সাথে ৬% কার্বোহাইড্রেটযুক্ত স্পোর্টস ড্রিংক পান করা সাইক্লিস্টদের তুলনা করা হয়।

    ফলাফলে দেখা গেছে, দুটি দলের মধ্যে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বা সাইক্লিং পারফরম্যান্সে কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। এটি প্রমাণ করে যে, একটি কলা সত্যিই বিশেষভাবে তৈরি স্পোর্টস ড্রিংকের মতোই কার্যকরভাবে তীব্র ব্যায়ামের জন্য শক্তি জোগাতে পারে।

    ২. পেশীর কার্যকারিতা বাড়ায়

    কলা সাধারণত পটাশিয়ামের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং স্বাভাবিক পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতার সঙ্গে জড়িত। স্বাভাবিক পেশী সংকোচনের জন্য পটাশিয়াম অপরিহার্য। যখন আপনি ব্যায়াম করেন এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে তরল বেরিয়ে যায়, তখন পর্যাপ্ত পরিমাণে ইলেক্ট্রোলাইট গ্রহণ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা কম থাকলে ব্যায়াম-জনিত খিঁচুনির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই, এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজটির ঘাটতি পূরণের জন্য কলা একটি সহজ ও কার্যকরী উপায় হতে পারে।

    ৩. কম পাকা কলা স্থিতিশীল শক্তি দেয়

    সব কলা একই ধরনের কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে না। পাকার ওপর নির্ভর করে কলার কার্বোহাইড্রেটের গঠন পরিবর্তিত হয়।পাকা কলার চেয়ে কাঁচা বা কম পাকা কলায় বেশি প্রতিরোধী শ্বেতসার (রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ) থাকে। প্রতিরোধী শ্বেতসার ধীরে ধীরে হজম হয় এবং  এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে ও স্থিতিশীল শক্তি সরবরাহে সহায়তা করতে পারে।

    ৪. দ্বি-পর্যায়ে শক্তি সরবরাহ করে

    পাকার ওপর নির্ভর করে কলায় দ্রুত হজমযোগ্য শর্করা এবং ধীরে হজম হওয়া ফাইবার বা স্টার্চের মিশ্রণ থাকে। সারাদিন ধরে শুধু হালকা খাবার হিসেবে খাওয়ার পরিবর্তে প্রশিক্ষণের আগে ও পরে শক্তির উৎস হিসেবে এগুলো দারুণ কাজ করে।

    ৫. শরীরকে আর্দ্র করতে সাহায্য করে

    ব্যায়ামের সময় পটাশিয়াম হলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট যা শরীর থেকে নিঃসৃত হয়। ব্যায়ামের পর এটি পূরণ করলে শরীরের তরলের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যায়ামের পর, সাধারণ পানি পানের চেয়ে ভালোভাবে শরীরকে আর্দ্র করতে সাহায্য করে।

  • নতুন জু’তা প’রলেই পা’য়ে ফো’স্কা পড়ে? এ’ড়ানো’র উ’পায়

    নতুন জু’তা প’রলেই পা’য়ে ফো’স্কা পড়ে? এ’ড়ানো’র উ’পায়

    নতুন জুতা কেনার আনন্দ অনেক সময়ই ম্লান হয়ে যায় প্রথমবার পরেই। একটু হাঁটতেই গোড়ালি বা পায়ের আঙুলে জুতা ঘষে চামড়া উঠে যায়, তৈরি হয় ব্যথাযুক্ত ফোস্কা। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ব্যান্ডেজ বা ব্যান্ড-এইড ব্যবহার করেন। তবে এটি সাময়িকভাবে ক্ষত ঢেকে রাখলেও সমস্যার মূল কারণ দূর করে না।

    চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন জুতার শক্ত অংশের সঙ্গে ত্বকের অতিরিক্ত ঘর্ষণের কারণেই ‘শু বাইট’ বা ফোস্কা তৈরি হয়। তাই জুতা পরার পর চিকিৎসা করার চেয়ে, আগে থেকেই কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করলে এই সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

    পেট্রোলিয়াম জেলি বা নারিকেল তেল ব্যবহার করুন

    নতুন জুতা প্রথম কয়েকবার পরার আগে জুতার শক্ত হিল বা ভেতরের শক্ত অংশে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে সারারাত রেখে দিতে পারেন। এতে জুতোর উপাদান কিছুটা নরম হয়ে যায়। পাশাপাশি জুতা পরার আগে গোড়ালি বা আঙুলের পাশে সামান্য নারিকেল তেল লাগালে ত্বকের ওপর একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি হয়, যা ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।

    ট্যালকম পাউডার ছড়িয়ে নিন

    অতিরিক্ত ঘাম জুতার ভেতরে ঘর্ষণ বাড়িয়ে ফোস্কার ঝুঁকি তৈরি করে। এ ক্ষেত্রে ট্যালকম পাউডার কার্যকর হতে পারে। জুতা পরার আগে পা এবং জুতার ভেতরে অল্প পরিমাণ পাউডার ছড়িয়ে নিলে এটি ঘাম শুষে নেয় এবং পা শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঘর্ষণ কমে যায়।

    শুকনো সাবান ঘষে নিন

    নতুন জুতার যে অংশ বেশি শক্ত বা ধারালো মনে হয়, সেখানে শুকনো সাবানের টুকরো হালকা করে ঘষে নিতে পারেন। সাবানের মসৃণ স্তর জুতার ভেতরের ঘর্ষণ কমিয়ে দেয়, ফলে হাঁটার সময় ত্বকে কম চাপ পড়ে এবং ফোস্কা হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

    আরও কিছু পরামর্শ

    নতুন জুতা প্রথম দিন দীর্ঘ সময় না পরে অল্প সময় ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে মোজা পরে নতুন জুতা ব্যবহার করুন। জুতার মাপ ঠিক আছে কি না, কেনার সময় নিশ্চিত হয়ে নিন। অতিরিক্ত আঁটসাঁট বা ঢিলেঢালা জুতা ফোস্কার ঝুঁকি বাড়ায়।

    সামান্য কিছু প্রস্তুতি নিলেই নতুন জুতার কারণে হওয়া অস্বস্তিকর ফোস্কা এড়ানো সম্ভব। ফলে ব্যথা বা অস্বস্তি ছাড়াই নতুন জুতা পরার আনন্দ উপভোগ করা যাবে।

  • এ’আ’ই’র কাছে এই ৫ প’রাম’র্শ চা’ইবেন না, জেনে নিন

    এ’আ’ই’র কাছে এই ৫ প’রাম’র্শ চা’ইবেন না, জেনে নিন

    প্রযুক্তি জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)-এর ব্যবহার ও গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দৈনন্দিন নানা কাজ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতির আদান-প্রদান—সবক্ষেত্রেই এআইয়ের ওপর নির্ভরশীলতা দিন দিন বাড়ছে মানুষের। 

    তবে মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, এআই কখনোই মানুষের বিকল্প বা প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না। নিজের রূপচর্চা, আবেগ কিংবা আর্থিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত সংবেদনশীল বিষয়ে এআই-কে প্রশ্ন বা পরামর্শ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। 

    ব্যবহারের ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতার কারণে এআই-কে নিচের এই প্রশ্নগুলো করা উচিত নয়- 

    চেহারা ও সৌন্দর্যের মূল্যায়ন: চেহারার সৌন্দর্য বা পোশাক নিয়ে এআইয়ের কাছে মতামত চাওয়া নিরর্থক। বাণিজ্যিক অ্যালগরিদমের কারণে এটি সাধারণত ব্যবহারকারীকে খুশি রাখার চেষ্টা করে। বাস্তব জীবনের একজন বন্ধু যেমন সত্যিটা বলে দিতে পারে, এআই তা পারে না। 

    আবেগ ও ভালোবাসার বিচার: কেউ আপনাকে ভালোবাসে কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে এআই কৃত্রিম সহানুভূতি দেখাতে পারে। কিন্তু মানুষের জটিল অনুভূতি বোঝা বা হৃদয় দিয়ে তা অনুভব করার সক্ষমতা এর নেই। আবেগগত সহায়তার জন্য এআইয়ের বদলে কোনো বন্ধু বা পেশাদার থেরাপিস্টের শরণাপন্ন হওয়াই শ্রেয়। 

    বুদ্ধিমত্তা ও আত্মমর্যাদা: নিজের বুদ্ধিমত্তা বা যোগ্যতা মাপার জন্য এআইয়ের ওপর নির্ভর করা এক ধরনের ভ্রান্তি। এআই সুবিশাল তথ্যের ভাণ্ডার হলেও এটি কোনো অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয়। 

    পুষ্টিগুণে অনন্য দেশি ফল যে কারণে খাবেন

    আর্থিক পরামর্শ: অর্থসংক্রান্ত বা জীবনের জটিল সিদ্ধান্তে এআই অনেক সময় বাস্তবসম্মত হিসাবের বদলে দার্শনিক উত্তর দেয়। তাই আর্থিক হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে পেশাদার হিসাবরক্ষক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। 

    বাস্তব জীবনের সামাজিক ও মানবিক সাহায্য: এআই কোনো রেসিপি তৈরি বা রান্নার টিপস দিতে পারলেও সরাসরি থালা-বাসন মেজে দিতে পারে না। বিপদের দিনে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি ঠিক করা বা ছোট ছোট মানবিক ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়া এআইয়ের পক্ষে সম্ভব নয়। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো নিজস্ব ইচ্ছা বা অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে চলে না; এটি মূলত সার্ভার সংযোগ ও ডেটার ওপর নির্ভরশীল। এআই-কে বন্ধু বা জীবনের আশ্রয় ভাবা একটি ‘ডিজিটাল বিভ্রম’ ছাড়া আর কিছুই নয়। আসল সামাজিক সম্পর্ক, মানুষের সহানুভূতি ও বাস্তব জীবনের বন্ধন ডিজিটাল জগতের কৃত্রিম প্রশংসার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান ও কার্যকর।