Blog

  • না’রী চালক-কন্ডাক্টর দিয়ে চলবে ‘পিংক বাস’, যাবে যেসব রুটে

    না’রী চালক-কন্ডাক্টর দিয়ে চলবে ‘পিংক বাস’, যাবে যেসব রুটে

    রাজধানীর সড়কে নারীদের যাতায়াত নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে পৃথক বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। নারী চালক ও কন্ডাক্টর দিয়ে পরিচালিত এ ‘পিংক বাস’ সেবা মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চালু হবে।

     

    বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

    সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ‘মহিলা বাস সার্ভিস পরিচালনা’ কার্যক্রমের উদ্বোধন মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।’

    বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞা জানান, নারীদের জন্য চালু হতে যাওয়া বিশেষ এই বাস সার্ভিসে চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে নারী কর্মীরাই দায়িত্ব পালন করবেন।

    প্রাথমিকভাবে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে ১০টি বাস চলাচল করবে। একই সঙ্গে বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাসসহ ঢাকার বাইরে আরো চারটি বাস এ সেবায় যুক্ত হবে।

    যেসব রুটে চলবে বাস
    আরটিসি সূত্র জানায়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা সংযুক্ত করে এসব বাসের রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। মতিঝিল বাস ডিপোর অধীনে নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল এবং তালতলা-মতিঝিল রুটে বাস চলবে।

    নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল রুটে কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

    তালতলা-মতিঝিল রুটে তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধমন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয় হয়ে মতিঝিলে চলাচল করবে বাস।

    যাত্রাবাড়ী বাস ডিপোর অধীনে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও রুটে চলবে একটি বাস। এ পথে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন হয়ে জিপিও পর্যন্ত যাবে।

    কল্যাণপুর বাস ডিপোর অধীনে মিরপুর-১০-মতিঝিল রুটে বাস চলবে।

    এ রুটে মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

    এ ছাড়া মিরপুর বাস ডিপোর অধীনে মিরপুর-মতিঝিল এবং মিরপুর-১২-মতিঝিল রুটে বাস চলাচল করবে। মিরপুর-মতিঝিল রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল এবং মিরপুর-১২-মতিঝিল রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

    মোহাম্মদপুর বাস ডিপোর অধীনে মোহাম্মদপুর-মতিঝিল রুটেও চলবে বিশেষ বাস। এ পথে মোহাম্মদপুর, শংকর, ধানমণ্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিলে চলাচল করবে।

    জোয়ারসাহারা বাস ডিপোর অধীনে আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল রুটে চলবে বাস। এ রুটে আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে।

    গাজীপুর বাস ডিপোর অধীনে গাজীপুর-বিমানবন্দর রুটেও বিশেষ বাস চলবে। গাজীপুর, শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর ও আশপুর হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত চলাচল করবে বাস।

    রাজধানীর বাইরে বগুড়ায় শেরপুর-মাটিডালি রুটে দুটি এবং চট্টগ্রামে কালুরঘাট-পতেঙ্গা রুটে দুটি বাস চলবে। চট্টগ্রামের বাসগুলো কালুরঘাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, লালখান বাজার

  • ভু’লেও যারা জাম্বুরা খা’বেন না, জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    ভু’লেও যারা জাম্বুরা খা’বেন না, জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    পুষ্টিগুণে ভরপুর জাম্বুরা ফল। সকলের সাধ্যের মধ্যেই কিনতে পাওয়া যায়। গ্রাম কিংবা শহর, প্রায় সব মানুষই খেয়ে থাকেন এটি। কেউ লবণ, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতাসহ বিভিন্ন মসলা যোগ করে মাখিয়ে খান, আবার কেউ নরমালি খেয়ে থাকেন। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এই ফল।

    যে কোনো খাবারের মতো জাম্বুরা ফলেরও যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। কেউ কেউ বেশি খেয়ে ফেলেন, আর কেউ খাওয়ার পরই বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। তাই কারা খাবেন, কারা খাবেন না এবং কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত—এসব জানা জরুরি।

    এ প্রসঙ্গে দেশের একটি গণমাধ্যমে পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর এএমজেড হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের পুষ্টি, ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক ডিজিজ কনসালটেন্ট ডা. মো. জয়নুল আবেদীন দীপু। এ ছাড়া স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিষয়ক চীনা তথ্য প্ল্যাটফর্ম চাইনি ইয়াংশেন-এর ইংরেজি সংস্করণ চাইনি হেলথ-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 

    জাম্বুরার পুষ্টিগুণ

    প্রতি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি জাম্বুরায় ক্যালোরি রয়েছে ২৩০ কিলোক্যালোরি, পটাশিয়াম ১৩০০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৬০ গ্রাম। এছাড়া প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি ৪১ শতাংশ, রাইবোফ্ল্যাভিন ১৩ শতাংশ, কপার ৩০ শতাংশ, থায়ামিন ১৮ শতাংশ ও ফাইবার রয়েছে ৬ শতাংশ।

    উপকারিতা

    শরীর ঠিক রাখার জন্য নানাভাবে সহায়তা করে ভিটামিন সমৃদ্ধ এই জাম্বুরা। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে কোষের ক্ষয় রোধ ও প্রদাহ কমিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

    ভিটামিন রাইবোফ্ল্যাভিন ও থায়ামিন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরে স্নায়বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই ফলে মিনারেলের মধ্যে বেশি পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম। আরও রয়েছে কপার। যা শরীরে মিনারেলের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে ভালো উপকার করে জাম্বুরা।

    কারা জাম্বুরা খেতে পারবেন না?

    নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তিরা: কোলেস্টেরল কমানোর স্ট্যাটিন (যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, অ্যাটোরভাস্ট্যাটিন) এবং উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ (যেমন নিফেডিপাইন) সেবনকারী রোগীদের জাম্বুরা খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি ওষুধের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে।

    কিডনি রোগী: যাদের কিডনির সমস্যা আছে, বিশেষ করে রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকে, তাদের জাম্বুরা না খাওয়াই ভালো।

    অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের রোগী: অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা থাকলে জাম্বুরা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এটি এই অবস্থাকে আরও খারাপ করতে পারে।

    মেনোপজ পরবর্তী নারী: মেনোপজ পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রচুর পরিমাণে জাম্বুরা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। এ ছাড়া বাকি সবাই জাম্বুরা খেতে পারবেন।

  • অবশেষে পে স্কে’ল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী

    অবশেষে পে স্কে’ল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চলতি বছরেই নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হবে। এ বিষয়ে আরো আলোচনা প্রয়োজন।

    সরকার শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানাবে।

    সোমবার (১৭ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ে পে কমিশন নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান তিনি। অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পে কমিশনের অনেকগুলো দিক আছে।

    সবগুলো বিবেচনা করছি আমরা। আজ আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে অধিকতর আলোচনার প্রয়োজন আছে। এ বিষয়ে আমরা পরে আবার বসব।

    তিনি আরো বলেন, ‘এ বছরই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে। তবে এটি হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ে সরকার কী পদ্ধতি অবলম্বন করবে, তা পে স্কেল ঘোষণার পর জানানো হবে।’

    এদিকে, এদিন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ‘১৮০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল অনেকটাই চূড়ান্তের পথে। সরকারি কর্মকর্তাদের সুবিধার জন্য নতুন যে পে স্কেল করা হয়েছে, সেটা অনেকটাই চূড়ান্তের পথে।

  • কোন ভি’টামিনের অ’ভাবে হা’ত-পা’য়ের চা’মড়া ওঠে? জেনে নিন

    কোন ভি’টামিনের অ’ভাবে হা’ত-পা’য়ের চা’মড়া ওঠে? জেনে নিন

    হাত ও পায়ের চামড়া ওঠার অন্যতম কারণ হতে পারে ভিটামিনের অভাব। সাধারণত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স (বিশেষত বি৭ – বায়োটিন, বি৩ – নাইআসিন), ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে ত্বকের শুষ্কতা, খসখসে ভাব এবং চামড়া ওঠার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    কোন ভিটামিনের অভাবে কী সমস্যা হতে পারে?

    ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব

    বায়োটিন (ভিটামিন বি৭) এর অভাবে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় ও চামড়া ওঠে।
    নাইআসিন (ভিটামিন বি৩) এর অভাবে পেলাগ্রা রোগ হতে পারে, যার ফলে ত্বক লাল হয়ে ফেটে যেতে পারে।

    ভিটামিন এ এর অভাব

    শুষ্ক ত্বক, চুলকানি, এবং ত্বকের খসখসে ভাব হতে পারে।

    ভিটামিন সি এর অভাব

    স্কার্ভি রোগ হতে পারে, যার ফলে ত্বকের নমনীয়তা কমে গিয়ে চামড়া ওঠে ও ফেটে যায়।

    প্রতিকার

    পুষ্টিকর খাবার খাওয়া যেমন ডিম, দুধ, মাছ, বাদাম, গাজর, কমলা, শাক-সবজি ইত্যাদি।
    পর্যাপ্ত পানি পান করা।
    প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাল্টিভিটামিন গ্রহণ করা।

    আপনার হাতে বা পায়ের চামড়া ওঠার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে জি’হ্বায় ঘা ও হা’ত পা’য়ে ঝিঁ’ঝি ধরে

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে জি’হ্বায় ঘা ও হা’ত পা’য়ে ঝিঁ’ঝি ধরে

    শরীর সুস্থ রাখতে সব ধরনের ভিটামিন গ্রহণ অপরিহার্য। তবে সঠিক খ্যাদ্যাভ্যাস ও খাবারের পুষ্টি সম্পর্কে ধারণা না থাকায় বেশিরভাগ মানুষের শরীরেই নির্দিষ্ট ধরনের কিছু ভিটামিনের ঘাটতি পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এসব ভিটামিনের ঘাটতির ফলে শরীরে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তেমনই শরীরের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হলো ভিটামিন বি ১২। এটি কোবলামিন নামেও পরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে, ৮০-৯০ শতাংশ নিরামিষাশীদের মধ্যে ভিটামিন বি ১২ এর অভাব আছে।

    পানিতে দ্রবণীয় এই ভিটামিন রক্ত গঠন ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ভিটামিন যেহেতু শরীর নিজে উৎপাদন করতে পারে না, তাই এটি বিভিন্ন খাদ্য উৎস থেকে গ্রহণ করতে হয়। ভিটামিন বি ১২ উদ্ভিদ ভিত্তিক খাদ্যে আবার পাওয়া যায় না।

    এই ভিটামিনের অভাবে রক্ত স্বল্পতার সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্রও সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। অনেক সময় ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে দেখা দেওয়া উপসর্গ টের পান না অনেকেই। ফলে সমস্যা আরও বাড়ে।

    চরম ক্লান্তি, মেজাজ পরিবর্তন, ত্বকের পরিবর্তন, পেটের সমস্যা, স্মৃতিশক্তির কমে যাওয়া ইত্যাদি সহ আরও গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি। শরীরে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি পূরণে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় পশুভিত্তিক বা সম্পূরক খাবার খেতে হবে।

    ভিটামিন বি ১২ এর লক্ষণ কী কী?

    বিভ্রান্তি

    ভিটামিন বি ১২ রক্ত কোষ গঠনে কাজ করে। যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সরবরাহ করে। লোহিত রক্তকণিকার অভাব মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এ কারণে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। সবসময় মাথা ঘোরা ও বিভ্রান্তির সমস্যা ভিটামিন বি ১২ এর একটি সাধারণ লক্ষণ।

    বিষণ্নতা

    গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে মস্তিষ্কের হোমোসিস্টিন টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে মেজাজ পরিবর্তন হয় ও বিষণ্নতা বাড়ে। তবে শরীরে ভিটামিন বি ১২ এর চাহিদা পূরণের মাধ্যমে এ সমস্যা কাটানো যায়।

    মনোযোগের অভাব

    হঠাৎ যদি আপনি কোনো কাজে মন বসাতে না পারেন, তাহলে হয়তো ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে ভুগছেন! এই ভিটামিনের অভাবে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছায় না ও মস্তিষ্কের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে যে কোনো বিষয়ে মনোযোগের অভাব দেখা দেয়।

    ভুলে যাওয়া

    কয়েকদিন আগের ঘটনা ভুলে যাচ্ছেন কিংবা কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে? এমন সমস্যা কিন্তু ভিটামিন বি ১২ এর অভাব ও ডিমেনশিয়ার সাধারণ লক্ষণ। যা প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা না করালে পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার কারণ হতে পারে।

    জিহ্বা বা মুখে ঘা

    মুখের ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি হলে মুখে অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দেয়। এর মধ্যে একটি হলো ‘লিঙ্গুয়াল প্যারেথেসিয়া’। এক্ষেত্রে জিহ্বা ফুলে যাওয়া বা জ্বালার সমস্যা হতে পারে। গ্লসাইটিসও বলা হয় একে। এক্ষেত্রে জিহ্বা ফুলে যায় ও ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়।

    হাত-পায়ে অবশ ও ঝিঁঝি ধরার সমস্যা

    ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির মতে, ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতির একটি স্নায়বিক উপসর্গের মধ্যে আছে হাত-পায়ের অসাড়তা ও ঝিঁঝি ভাব।

    স্বাস্থ্য সংস্থা বিএমজে’র মতে, যদিও নিউরোলজিক জটিলতার অগ্রগতি সাধারণত ধীরে ধীরে হয়, তবে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি হরে তা চিকিৎসার পরও উপসর্গগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য শরীরে উপস্থিত থাকে। অন্যান্য স্নায়বিক লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে হাঁটার অসুবিধা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, বিভ্রান্তি ও ডিমেনশিয়া।

    ভিটামিন বি ১২ এর অভাব কেন হয়?

    ভিটামিন বি ১২ এর অভাব হওয়ার দুটি প্রধান কারণ হলো রক্ত স্বল্পতা ও খাদ্যে অপর্যাপ্ত ভিটামিন বি ১২ থাকা। রক্ত স্বল্পতার ক্ষেত্রে ইমিউন সিস্টেম আপনার পেটের স্বাস্থ্যকর কোষ ধ্বংস করে। তাই পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমেও শরীর ভিটামিন শোষণ করতে পারে না।

    দ্বিতীয় কারণটি নির্ভর করে আপনি খাদ্যের মাধ্যমে শরীরের ভিটামিন বি ১২ এর অভাব পূরণ করতে পারছেন কি না। এই ভিটামিন খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ না করলে শরীরে এর অভাব দেখা দেওয়া সাধারণ বিষয়।

    কতটুকু ভিটামিন বি ১২ খাওয়া উচিত?

    ভিটামিন বি ১২ খাওয়ার পরিমাণ বয়সের উপর নির্ভর করে। যেমন- (৪-৮ বছর ১.২ মাইক্রোগ্রাম, ৯-১৩ বছর ১.৮ মাইক্রোগ্রাম, ১৪-১৮ বছর ২.৪ মাইক্রোগ্রাম, প্রাপ্তবয়স্ক ২.৪ মাইক্রোগ্রাম, গর্ভবতী হলে ২.৬ মাইক্রোগ্রাম এবং বুকের দুধ খাওয়ালে ২.৮ মাইক্রোগ্রাম)।

    কখন ডাক্তার দেখাবেন?

    >> ত্বক ফ্যাকাশে দেখায়>> দুর্বল বোধ করেন>> চলাফেরায় সমস্যা>> প্রায়ই শ্বাসকষ্ট অনুভব করা ইত্যাদি।

    এই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসক ভিটামিন বি ১২ এর অভাবের সম্ভাবনা নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে তিনি ডায়েটে পরিবর্তন আনার পরামর্শ বা সেই অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট লিখে দেবেন।

  • পে স্কে’ল বা’স্তবা’য়ন নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

    পে স্কে’ল বা’স্তবা’য়ন নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল অনেকটাই চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

    সোমবার (১৭ আগস্ট) সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

    মাহদী আমিন বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের সুবিধার জন্য নতুন যে পে-স্কেল করা হয়েছে, সেটা অনেকটাই চূড়ান্তের পথে।’

    সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, ইশতেহারে উল্লেখ করা কর্মসূচির বাইরেও সরকার বেশ কিছু কাজ করেছে। অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আগের সরকার লোপাট করে দিয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

    মাহদী আমিন বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ২০২২ সালের পর থেকে তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করার পর তিনি অর্থের ব্যবস্থা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় দুদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে ২ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

    এর আগে রোববার নবম পে স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় এর ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

    ফলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার ইতিবাচক বার্তা পাওয়া যাচ্ছে।

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

  • এনআইডিতে জ’ন্মতা’রিখ ও নাম সং’শোধ’নে নতুন নি’য়ম

    এনআইডিতে জ’ন্মতা’রিখ ও নাম সং’শোধ’নে নতুন নি’য়ম

    জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের প্রক্রিয়ায় নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ। এখন থেকে অনলাইনে যাচাই করা যায়—এমন শিক্ষাগত সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারাই নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    পরিপত্রে বলা হয়েছে, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ব্যবহার করে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং নিজের নাম বা বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের আবেদন জাতীয় পরিচয়পত্রের মহাপরিচালক (ডিজি) নিষ্পত্তি করবেন।

    এ ছাড়া জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশোধনের সুযোগ একবারই থাকবে। অর্থাৎ এসব তথ্য একবার সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা হলে পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার সংশোধনের আবেদন করা যাবে না।

    নতুন এই নির্দেশনার ফলে কোন ধরনের আবেদন স্থানীয় পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে এবং কোন আবেদন কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমোদনের প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও নির্দিষ্ট হলো।

  • আ’দা পা’নিতে নি’রাম’য় হবে যেসব রো’গ, জেনে নিন উপকারে আসবে

    আ’দা পা’নিতে নি’রাম’য় হবে যেসব রো’গ, জেনে নিন উপকারে আসবে

    আদা কাচা কিংবা রান্না সবভাবেই খাওয়া যায়। আবার অনেক রোগের ঘরোয়া সমাধান হিসেবেও কাজ করে। আদার গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদ এবং হোমিওপ্যাথিতেও এর ঠাই হয়েছে। আদা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যের পাওয়ার হাউস, যা আপনার ত্বক, চুল এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো।

    তাই চলুন জেনে নেই আদা পানি খেলে কী কী উপকার মিলবে-

    কোলেস্টেরল লেভেল কমায়

    শরীরে উচ্চ মাত্রায় এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। আদা পানি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হার্টের রোগ ও স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকিও কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন আদা খান তাদের শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়া, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে আদা পানি।

    আদা জল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ আদার জল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ, যা ফ্রি ব়্যাডিকেলের হাত থেকে আমাদের শরীরকে বাঁচায় এবং ক্যান্সার, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

    আদায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই, প্রতিদিন আদার পানি পান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা ও ফ্লু-র চিকিৎসায়ও দারুণ কাজ করে।

    ওজন কমায় 

    নিয়মিত আদার পানি পান শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে দারুণ কার্যকর। এটি দ্রুত চর্বি কমায়। খাবার ইচ্ছেও নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, আদা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রক্তে উচ্চ শর্করার মাত্রা খাবার ইচ্ছে আরও বাড়িয়ে তোলে। ফলে দ্রুত ওজন বাড়তে থাকে। আদার পানি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং খাওয়ার ইচ্ছে কমায়।

    চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী

    ত্বকের নানা সমস্যা দূর করে আদা পানি। ত্বক উজ্জ্বল করে এবং টানটান রাখে আদা। ত্বকে রিঙ্কেলস পড়তে দেয় না। আদার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য ত্বককে সমস্ত ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। ত্বককে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে বাঁচায় এবং ত্বক সুস্থ ও পরিষ্কার রাখে। এ ছাড়া, আদায় ভিটামিন এ এবং সি-এর উপস্থিতি চুলের গঠন উন্নত করে। রক্ত পরিষ্কার রাখে।

    হজম শক্তি বাড়ায়

    দিনে একবার আদা পানি খেলে পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং বদহজম, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস, অ্যাসিডটি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। হজম ক্ষমতা আরও উন্নত হয়।

    সূত্র: বোল্ড স্কাই। 

  • টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফা’ইনাল খে’লতে বাংলাদেশের যে স’মীক’রণ

    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফা’ইনাল খে’লতে বাংলাদেশের যে স’মীক’রণ

    ডারউইনের মাঠে বাংলাদেশের যে জয় এল, তা শুধু এক ম্যাচের ফল নয়; টাইগারদের ইতিহাসের পাতায় নতুন এক অধ্যায়। অস্ট্রেলিয়াকে নয় উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো অজিদের নিজেদের মাটিতে পরাজিত করল। লাল-সবুজ জার্সিতে টাইগারদের এই বিশাল জয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও বড় পরিবর্তন এনেছে।

    পাঁচ ম্যাচে তিন জয় ও এক ড্র নিয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট পারসেন্টেজ এখন ৬৬.৬৭। তারা চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। তাদের উপরে শুধু অস্ট্রেলিয়া (৭৭.৭৮%), দক্ষিণ আফ্রিকা (৭৫%) ও নিউ জিল্যান্ড (৭২.২২%)। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার মতো দলগুলোকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ।

    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছাতে শীর্ষ দুই স্থান দরকার। সাধারণত ৬৫ শতাংশের বেশি পয়েন্ট ধরে রাখতে হয়। বাংলাদেশ এখন সেই অবস্থানেই আছে। সামনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও একটি টেস্ট, তারপর দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সিরিজ রয়েছে। এই ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। 

    স্লো ওভার রেটের কারণে পেনাল্টি এড়াতেও সতর্ক থাকতে হবে। আর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে ২০২৭ সালের লর্ডস ফাইনালে পৌঁছানোর স্বপ্নও বাস্তব হতে পারে।

  • আ’দা খাও’য়ার ৫ টি অজা’না উ’পকা’রিতা! জেনে নিন এক্ষুনি সেই কাজে লাগবে

    আ’দা খাও’য়ার ৫ টি অজা’না উ’পকা’রিতা! জেনে নিন এক্ষুনি সেই কাজে লাগবে

    রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়ানোর উপকরণ হিসেবে আদার জুড়ি নেই। তবে আদার ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে প্রায় সকলেই বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন। শারীরিক নানা সমস্যায় আদা খাওয়ার বিষয়টি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে বেশ দ্রুত। এমনকি নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস মুক্তি দিতে পারে মারাত্মক বেশ কিছু রোগ থেকে।

    নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস করেই দেখুন না, শারীরিক অনেক সমস্যার সমাধান পাবেন। আর এজন্যই আদার গুণাগুণ এবং শারীরিক সমস্যা নিরাময়ে আদার ব্যবহার সকলেরই জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরী।

    ১. বমিভাব বা বমি হচ্ছে অনেক? আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করুন। তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন।

    ২.  উল্টাপাল্টা এবং বেশি ভাজাপোড়া খাবারের কারণে বুকজ্বলার সমস্যা হুট করেই শুরু হতে পারে। এক কাজ করুন, ২ কাপ পানিতে ২ ইঞ্চি আদা ছেঁচে জ্বাল দিয়ে চায়ের মতো তৈরি করে পান করুন। বুকজ্বলা কমে যাবে।

    ৩. আদার রস ব্যথানাশক ঔষধের মতো কাজ করে।

    সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন আদার রস অথবা পান করে নিতে পারেন, দুভাবেই ভালো উপকার পাবেন।

    ৪. নতুন আদার সাথে আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করে।

    ৫. আদা হজমে সমস্যা সমাধান করে এবং পেটে ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে ১ কাপ আদা চা পান করলে পুরোদিন পেট ফাঁপা বা বদহজম থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।