Blog

  • না জেনে শ’সা খা’চ্ছেন? নীরবে হচ্ছে মা’রাত্ম’ক ক্ষ’তি

    না জেনে শ’সা খা’চ্ছেন? নীরবে হচ্ছে মা’রাত্ম’ক ক্ষ’তি

    শসা সালাদ হিসেবে তুমুল জনপ্রিয় এবং চাহিদা সম্পন্ন সবজি। অনেকেই দ্রুত ওজন কমানোর জন্য প্রায় সারাদিন ধরেই শসা খান। ফল হিসেবে শসা, সালাদে শসা, খাবারে শসা। কিন্তু এর অপকারিতা জানেন?

    শসায় ক্যালোরি ভীষণ কম থাকে। যারা ওজন কমাতে চান তারা নিয়মিত এই ফলটি খান। বলা ভালো তাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় শসা থাকেই। এছাড়া যেহেতু শসায় পানির মাত্রা বেশি সেহেতু এটা আমাদের ডিহাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। ফলে এই ফলটির একাধিক উপকারিতা আছে। শসার পুষ্টিগুণ কিছু কম নয়। ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবার আছে এই ফলে প্রচুর পরিমাণে।

    অনেকেই ভাবেন শসা খেলে দ্রুত খাবার হজম হয়ে যায়। এটা আমাদের হজম ক্ষমতা বাড়ায়। এমন চলতি ধারণা দেখা যায়। যার ফলে অনেকেই সারাদিন শসা খেতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন। এই স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ফলটি তখন বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    শসা কখন আর কেন স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ?
    ১. শসা যদি ঠিক করে কাটা না হয় তার মধ্যে থাকা টক্সিন থেকে যায়। এই কারণে অনেক সময় শসা তিতা লাগে। শসা তিতা হওয়ার প্রধান কারণ হল এর মধ্যে রয়েছে কিউকারবিটাসিন এবং টেট্রাসাইক্লিক ট্রাইটারপেনিওড। এই ক্ষতিকর রাসায়নিকগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই শসা খেতে গিয়ে যদি তেতো লাগে সেটা খাবেন না।

    ২. কিউকারবিটিন রয়েছে শসার মধ্যে। এটা মূত্রবর্ধক হিসেবে পরিচিত। ফলে শসা যদি বেশি খান তাহলে অতিরিক্ত পানি প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যাবে। ডিহাইড্রেশন হবে।

    ৩. শসা খেলে কিডনির সমস্যাও দেখা দিতে পারে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে শসা কারণ এতে আছে পটাশিয়াম। কিন্তু আপনি যদি শসা বেশি মাত্রায় খান তাহলে হাইপারক্যালেমিয়ার মতো রোগ হতে পারে। তখন শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে গিয়ে গ্যাস, পেট ফোলা, ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

    ৪. শসা বেশি খাওয়া মানে শরীরে বেশি পানি প্রবেশ করা। আর শরীরে পানি যত বেশি থাকবে তত রক্তের পরিমাণ বেশি হবে। আর রক্তের পরিমাণ বেশি হওয়ার অর্থ হল রক্তনালীর উপর এবং হার্টের উপর চাপ সৃষ্টি হওয়া।

    ৫. এছাড়া আপনি যখন কোনও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন ভুগে থাকেন তাহলে শসা খাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

  • চ’লতি স’প্তাহেই পে স্কে’লের গে’জেট? সর্বশেষ যা জানা গেল

    চ’লতি স’প্তাহেই পে স্কে’লের গে’জেট? সর্বশেষ যা জানা গেল

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সব জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গেজেট জারি করতে চায় সরকার।

    এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় তোলার প্রস্তুতি চলছে। 

    সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পেতে পারেন। তবে পে স্কেল কার্যকর ধরা হবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করে পরবর্তী সময়ে বকেয়া অর্থ সমন্বয় করা হতে পারে।

    জানা যায়, নবম পে স্কেলের গেজেট আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই জারি হতে পারে। প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো আগামী সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হতে পারে। ওই দিন অনুমোদন মিললে পরবর্তী বৃহস্পতিবারের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি এজেন্ডাভুক্ত করে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে বৃহস্পতিবারের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। তবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত করা চূড়ান্ত খসড়ায় বেতন-ভাতা বৃদ্ধির হার কত হবে, সে বিষয়ে জানা যায়নি।

    এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যেকোনো সময় এটি ঘোষণা করা হতে পারে।

    গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে দ্রুত তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারির কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ইতিমধ্যে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।

    জানা গেছে, সচিব কমিটি প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। এটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব রয়েছে। প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

    গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে।

    বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, প্রায় ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই বেতন কাঠামোয় বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। এ সময়ে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ কারণে ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এদিকে সরকারের ১৮০ দিন উপলক্ষে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকেও নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে ‘নবম পে-স্কেল: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর’ শীর্ষক অংশে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

  • ভু’লেও খো’সাসহ পে’য়ারা খা’বেন না যারা, জেনে নিন এক্ষুনি

    ভু’লেও খো’সাসহ পে’য়ারা খা’বেন না যারা, জেনে নিন এক্ষুনি

    পেয়ারা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি জনপ্রিয় ফল। ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকায় নিয়মিত ফলের তালিকায় পেয়ারা রাখতে পারেন অনেকেই। তবে পেয়ারা খোসাসহ খাওয়া নিয়ে অনেকের মধ্যেই রয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে কীভাবে পেয়ারা খাওয়া উচিত, তা জানা জরুরি।

    টক-মিষ্টি স্বাদের পেয়ারা কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি জুস, স্মুদি, জ্যামসহ বিভিন্নভাবে খাওয়া হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে খোসাসহ পেয়ারা খেলে ফলের ফাইবারসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।

    তবে সবার ক্ষেত্রে খোসাসহ পেয়ারা খাওয়া নিষিদ্ধ—এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বরং ডায়াবেটিস বা উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলেও পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে গোটা পেয়ারা খাওয়া অনেকের খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে।

    ডায়াবেটিসে পেয়ারা খাওয়া যাবে?

    পেয়ারায় ফাইবার রয়েছে, যা খাবার হজম ও রক্তে শর্করা দ্রুত বেড়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য যেকোনো ফলের মতো পেয়ারাও পরিমাণ বুঝে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

    পেয়ারা খোসাসহ খেলে রক্তে শর্করা বাড়বেই বা খোসা ছাড়িয়ে খেলেই নিরাপদ—এমন সরাসরি সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক নয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মোট খাদ্যাভ্যাস, পরিমাণ ও ব্যক্তির শারীরিক অবস্থাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলে?

    পেয়ারা ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি হৃদ্‌স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে এমন ব্যক্তিদেরও সাধারণত পেয়ারা পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    তবে শুধু পেয়ারা খেয়েই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা।

    পেয়ারার উপকারিতা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় সহায়ক

    পেয়ারা ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস। ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    হজমে সহায়তা করে

    পেয়ারায় থাকা খাদ্যআঁশ হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

    হার্টের জন্য উপকারী

    পেয়ারায় পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে ফল খাওয়ার অভ্যাস হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।

    ত্বকের জন্যও ভালো

    পেয়ারায় ভিটামিন সি ও বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এসব উপাদান শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

    তাহলে খোসাসহ নাকি খোসা ছাড়া?

    ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা পেয়ারা খোসাসহ খাওয়া সাধারণত নিরাপদ। খোসা ছাড়ালে কিছু ফাইবার ও অন্যান্য পুষ্টি কমে যেতে পারে। তবে কারও যদি পেয়ারা বা এর খোসা খেলে হজমের সমস্যা হয়, সেক্ষেত্রে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া যেতে পারে।

    আর ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, হজমের সমস্যা বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে ব্যক্তিগত খাদ্যতালিকার বিষয়ে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।

    সুতরাং, ‘ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরল থাকলে খোসাসহ পেয়ারা খাওয়া যাবে না’—এমন সাধারণ নিয়ম নেই। বরং পরিমাণ ও ব্যক্তির স্বাস্থ্যগত অবস্থার বিষয়টি বিবেচনা করাই গুরুত্বপূর্ণ।

  • ন’খের পাশে চা’মড়া উ’ঠলে দ্রুত যা করবেন

    ন’খের পাশে চা’মড়া উ’ঠলে দ্রুত যা করবেন

    নখের চারপাশে চামড়া ওঠার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি তেমন সমস্যার কারণ হয় না। তবে যখনই ওই চামড়া ছেঁড়ার চেষ্টা করা হয়, তখনই ঘটে অঘটন।

    এক্ষেত্রে ওই স্থানে ব্যথা হয়, আবার কখনো কখনো তা সংক্রমণের কারণ হতে পারে। আর আঙুলের অগ্রভাগে শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নার্ভ থাকে। ফলে নখের আশপাশ থেকে ওঠা চামড়া ছিঁড়লে বিপদ বাড়তে পারে। তবে কেন এই চামড়া ওঠে?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, নখের পাশে মড়া চামড়া ওঠার বেশ কয়েকটি কারণের মধ্যে অন্যতম হলো- অপরিষ্কার নখ, বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ও পানির কাজ করা কিংবা শরীরে পুষ্টি বা ভিটামিনের অভাব।

    নখের পাশে ছোট্ট একটু চামড়া উঠলে অনেকেই তা ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করেন। আর তখনই বাড়ে বিপদ। এতে অনেকটা চামড়া উঠে আসে। যা ব্যথা বাড়ায়। ফলে নখের আশপাশে চামড়া উঠে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। জেনে নিন করণীয়-

    >> এই সমস্যা দেখা দেখলে প্রথমে সেই চামড়ার অংশ সাবধানে কেটে ফেলুন নেইল কাটার দিয়ে। তবে খেয়াল রাখবেন যেন ক্ষত সৃষ্টি না হয়।

    > নখের পাশের এই চামড়াগুলো মৃতকোষ। যদি আপনি নিয়মিত নখের পরিচর্যা করেন তাহলে এই মৃত চামড়া সহজে উঠবে না। অপরিষ্কার নখের পাশেই চামড়া ওঠার সমস্যা দেখা যায়।

    > কিছু চামড়া নখের মধ্যেও বেড়ে ওঠে। সেগুলোও বেশ সাবধানে ছেঁটে ফেলতে হবে। আর কখনো তা টেনে ছিঁড়তে যাবেন না। এতে সেখানে ব্যথা হতে পারে।

    >> নখ বেশি শুষ্ক থাকলে কিউটিকেল অয়েল ব্যবহার করুন। এতে নখের আশপাশে চামড়া ওঠার সমস্যা কমবে।

    > অনেক সময় নখের কোণে ময়লা জমে যায়। সেক্ষেত্রে হালকা গরম পানিতে হাত ও পা কিছুক্ষণ চুবিয়ে রেখে তারপর ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে নিন।

    >> পাশাপাশি অতিরিক্ত পানির কাজ করবেন না। আর করলেও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করুন। হাত ধোয়ার পর পর্যাপ্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এতে নখের আশপাশের ত্বক শুষ্ক হবে না।

    >> নখে নেইলপলিশ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। এতে থাকা কেমিক্যাল নখ ও এর আশপাশের পাতলা ত্বকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

    >> শরীরের সার্বিক পুষ্টি ও ভিটামিনের চাহিদা পূরনের দিকে লক্ষ্য রাখুন। সুষম খাবার ও পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

    >> সাবধান থাকার পরও যদি চামড়া উঠে ক্ষত বা ব্যথার সৃষ্টি হয় তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক মলম ব্যবহারের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    সূত্র: ফেমিনা/হেলথলাইন

  • মধ্যরা’তে বা’ইকে দুই ত’রুণের মাঝে অ’চেত’ন ত’রুণী, সা’মনে এল নতুন চা’ঞ্চল্য’কর ত’থ্য

    মধ্যরা’তে বা’ইকে দুই ত’রুণের মাঝে অ’চেত’ন ত’রুণী, সা’মনে এল নতুন চা’ঞ্চল্য’কর ত’থ্য

    রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে মাঝরাতে মোটরসাইকেলে তরুণের মাঝে এক তরুণীকে নিথর অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার রহস্যময় ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশনে দেওয়া ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর নিয়ে নতুন রহস্য তৈরি হয়েছে। 

    কারণ আলোচিত সেই মোটরসাইকেলটির (ঢাকা মেট্রো-ল ৫১-৫৩২৪) রেজিস্ট্রেশনে দেওয়া দুটি মোবাইল নম্বরই ভুয়া বলে ধারণা করছে পুলিশ।

    নম্বর প্লেটের তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলটির মালিকের বাড়ি কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে। পাশাপাশি দুটি মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে। এর একটির শেষ তিন সংখ্যা ১৫২। নম্বরটি এক শোরুম মালিকের। 
     
    তবে তিনি দাবি করেছেন, ওই মোটরসাইকেলটি তার শোরুম থেকে বিক্রি হয়নি এবং কীভাবে তার নম্বর সেখানে গেল, তা তিনি জানেন না। অন্য একটি নম্বর দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পাওয়া গেছে।

    প্রসঙ্গত, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা ১৫ থেকে ৩টা ২০ মিনিটের দিকে বাইকের তিন আরোহীকে ঢাকার রাস্তায় দেখা যায়। ওমরাহ সফর শেষ করে বগুড়ায় ফেরার পথে মুফতি মনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত একটি মোটরসাইকেলকে অনুসরণ করেন। 

    তিনি দেখতে পান, মোটরসাইকেল চালকের পেছনে বসা এক যুবক এক তরুণীকে জাপটে ধরে রেখেছেন। তরুণীটির পা দুটি খালি ছিল এবং অস্বাভাবিকভাবে নিথর হয়ে ঝুলছিল।

    সন্দেহজনক এই দৃশ্য দেখে প্রত্যক্ষদর্শী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করার চেষ্টা করেও সংযোগ পাননি। পরে তিনি মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেটসহ স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    টঙ্গী পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মোটরসাইকেল আরোহীদের শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের অসংগতি ও মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় ঘটনার রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

    ফেসবুক পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর ‘জারা চৌধুরী রাত্রি’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে কমেন্টে দাবি করা হয়, মেয়েটি উত্তরার একটি বারে মদ্যপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে তিনি দেখেছেন।

    ওই আইডি থেকে কমেন্ট করা হয়, ‘এই মেয়েটা উত্তরায় একটি বারে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে অসুস্থ হয়ে যায়। পরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিচে নামানো হয়। আমি ওই বারে ছিলাম। তাই বিষয়টি জানি।’

    এই দাবি নিয়ে কয়েকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী সন্দেহ প্রকাশ করলে আইডি থেকে পাল্টা রিপ্লাই দিয়ে বলা হয়, ‘এটা আজকের ঘটনা। আমি ড্রেস দেখে মেয়েটিকে চিনেছি। আমি শিওর হওয়ার পর আমার বন্ধুদের দেখালাম। ওরাও শিওর হলো যে ওই মেয়েটাই।’

    ‘জারা চৌধুরী রাত্রি’ নামের ওই ফেসবুক আইডির দাবির সত্যতা যাচাই করা যায়নি। এছাড়া মোটরসাইকেল মালিকের আসল ঠিকানা এবং পরিচয় নিয়ে সন্দেহ থাকায় এই প্রতিবেদনে তার নাম-ঠিকানা প্রকাশ করা হয়নি।

  • যে ৪ ধরনের মা’নুষের জন্য নি’রাপদ নয় চি’য়া সি’ড, জেনে নিন

    যে ৪ ধরনের মা’নুষের জন্য নি’রাপদ নয় চি’য়া সি’ড, জেনে নিন

    চিয়া সিড সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুপারফুড হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ভিটামিন বি১, প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ছোট বীজগুলি ওজন নিয়ন্ত্রণ, ত্বক ও চুলের যত্ন এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে সব মানুষের জন্য চিয়া সীড সমানভাবে নিরাপদ নয়। বিশেষ কিছু গ্রুপের মানুষের জন্য অতিরিক্ত সেবন ক্ষতিকর হতে পারে।

    ১. হজমের সমস্যা থাকা ব্যক্তিরা

    চিয়া সিডের উচ্চ ফাইবার কন্টেন্ট হজমের জন্য সাধারণত ভালো হলেও, আইবিএস বা অন্যান্য অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য এটি সমস্যার কারণ হতে পারে। ফলে পেট ব্যথা, ক্র্যাম্প, ডায়রিয়া এবং ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।

    পুষ্টিবিদ আবনি কৌল বলেন, ‘হজমের সমস্যা থাকলে চিয়া সিড পরিমাণমতো এবং ভিজিয়ে খাওয়া ভালো, এতে হজম সহজ হয়।’

    ২. ডায়াবেটিস রোগী ও রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণ ওষুধে থাকা ব্যক্তি

    চিয়া সিড রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ হাইপোগ্লাইসিমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যার ফলে ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগার ওষুধে থাকা ব্যক্তিরা পরিমাণ মনিটর করে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিয়া সীড খাওয়া উচিত।

    ৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক ওষুধে থাকা ব্যক্তি

    চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে রক্ত পাতলা করতে সাহায্য করে। ফলে অতিরিক্ত সেবনে রক্তচাপ অনেকটা কমে যেতে পারে, যা মাথা ঘোরা বা মৃদু বমির ঝুঁকি বাড়ায়। এতে রক্তচাপ ওষুধে থাকা ব্যক্তিরা চিয়া সিড যুক্ত করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং রক্তচাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।

    ৪. এলার্জি প্রবণ ব্যক্তি

    কিছু ক্ষেত্রে চিয়া সিড এলার্জি সৃষ্টি করতে পারে। উপসর্গ হিসেবে ত্বকে লালচে দাগ, চুলকানি, বমি বা অজানা রকম অসুবিধা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমবার চিয়া সিড খাওয়ার আগে ছোট পরিমাণ দিয়ে পরীক্ষা করুন। কোনো অসুবিধা দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

    চিয়া সিড সঠিকভাবে খাওয়ার নিয়ম

    পরিমাণমতো গ্রহণ: দিনে ১-২ টেবিল চামচ পর্যাপ্ত।

    ভিজিয়ে খাওয়া: চিয়া সিড ভিজিয়ে খেলে হজম সহজ হয় এবং অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যা কমে।

    পর্যাপ্ত পানি পান করুন: চিয়া সিড অনেক পানি শোষণ করে, তাই দিনে প্রচুর পানি পান করা জরুরি।

    চিকিৎসকের পরামর্শ নিন: অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে, গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদান অবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জানান।

    তথ্যসূত্র: হেলথ শটস

  • শ্বে’তী রো’গটি কি? এটি কাদের হয়, সময় থাকতে জানা দরকার, জেনে নিন

    শ্বে’তী রো’গটি কি? এটি কাদের হয়, সময় থাকতে জানা দরকার, জেনে নিন

     শ্বেতী রোগটি কি? এটি কাদের হয়, সময় থাকতে জানা দরকার। এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান ও প্রয়োগের অভাবে রোগ থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন না। এই নিবন্ধে আমরা চেষ্টা করেছি সেই সঠিক তথ্যাদি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে, যাতে আপনারা বিষয়টি সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

    শ্বেতী রোগ আ’ক্রা’ন্তদের মনের কষ্ট বুঝতে পেরে তাদের সহযোগিতায় আমা’দের এ ছোট্ট নিবেদন। এই প্রবন্ধের শেষের দিকে আরো কিছু রোগের কারণ ও প্রতিকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এসকল রোগ থেকে আরোগ্য লাভের নানা পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। আপনারা এ রোগ থেকে মুক্ত হন এবং অ’পরকে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্যের জন্য সংবাদটি শেয়ার করুন-এটাই আমা’দের কামনা। বাংলাদেশের মতোই সারাবিশ্বে শ্বেতী – বড় অদ্ভুত একটি রোগ, তবে ভ’য়াবহ নয় মোটেও! শুধুমাত্র রোগটি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগীকে দেখলে ভয়ে আঁতকে ওঠেন অনেকেই।

    অনেকেই ভ্রূ কুঞ্চিত করেন ভাবনায়, ছোঁয়াচে নয়তো! একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই অ’ভিব্যক্তি দেখে শ্বেতী রোগীর মনে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? কেউ হয়তো অ’পমানিতবোধ করেন, কেউ বা পান কষ্ট! যেহেতু শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধাপে ধাপে করতে হয় তাই এটি অনেক সময়সা’পেক্ষ। ৬ মাস থেকে ১৮ মাস এমনকি এক দুই বছর ধরে ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মতে চিকিৎসা চালাতে পারলে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে দে’হের লোমশ

    অংশের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয় কিন্তু যেসব অংশে লোম থাকে না, যেমন আঙুল, ঠোঁট ইত্যাদির চিকিৎসায় দীর্ঘসময় লেগে যেতে পারে। শ্বেতী রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো ল্যাব’রেটরি পরীক্ষা ছাড়া শুধু রোগের লক্ষণ দেখেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর’্শ অনুযায়ী ঔষধ ব্যবহার করা হয়। প্রয়োজনে রোগীর বয়স, রোগের সময়কাল, রোগের স্থান এবং ব্যা’প্তিভেদে চিকিৎসা প’দ্ধতি বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় Recap ক্রিম, Vitiligo

    Natural, Vitiligo Natural Harbs, Vitiligo Remover সহ চিকিৎসকের নির্দেশনামতে আরো কিছু ঔষধ কয়েক মাস এমনকি প্রয়োজনে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে সেবন করতে হয়। এ চিকিৎসায় ধীরে ধীরে শ্বেতী থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এবং সারাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন। এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে আপনি নিজে সরাসরি গিয়ে ঔষধ গ্রহণ করতে পারলে তা হবে পারফেক্ট।

    শ্বেতী রোগের চিকিৎসায় সাফল্য : ধানমন্ডির এই শিশুটি শ্বেতী মুক্ত হয়েছে-তবে যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয় তবে বাংলাদেশের যে কোনো জে’লায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও দু’ থেকে তিন দিনের মধ্যেই ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন। প্রবন্ধের শেষে হাকীম মিজানুর রহমান-এর সাথে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া আছে। তাঁর সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।

    এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় এ চিকিৎসা গ্রহণ করলে শরীরে মেলানিন উৎপন্য ’হতে শুরু করে এবং আ’ক্রা’ন্ত স্থান ক্রমে কমে শরীরের অন্যান্য স্থানের মতোই সুন্দর হয়ে উঠে এবং শ্বেতী রোগের পরিসমা’প্তি ঘটে। সেই সাথে ভবি’ষ্যতে আবার যাতে শ্বেতী আ’ক্রা’ন্ত না ’হতে হয় সেজন্য ডাক্তারের নির্দেশমতো চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। ফলে পরবর্তীতে এ রোগে আ’ক্রা’ন্ত হবার সম্ভাবনা আর থাকে না। যাদের শ্বেতী রোগ আছে তারা এ চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন৷ এটা একটা ভাল মানের চিকিৎসা সেবা।

    কারো কারো শ্বেতীরোগ চিকিৎসায় ভালো ’হতে একটু সময় লাগে। কারো কারো এক বছর বা দেড়-দুই বছরও সময় লাগে। কারো কারো কম সময়ে ভাল হয়। তবে শ্বেতীরোগের পরিমানের উপর সময় কম বা বেশী লাগে। তাই নিরাশ না হয়ে চিকিৎসা সেবা নিলে ভাল ফল পাবেন। প্রাথমিক পর্যায় হলে সম্প্রতি আবি’ষ্কৃত Recap নামের ঔষধ ব্যবহারে এর সফল চিকিৎসা আছে। সেই সাথে Vitiligo Natural ব্যবহার করতে হবে। এটি শ্বেতী রোগের মহৌষধ। এছাড়াও আরো কিছু ঔষধ রয়েছে, যা পরবর্তীতে অবস্থা ভেদে প্রদান করা হয়।

    রোগের বয়স দীর্ঘ বা ক্রনিক হলে দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করতে হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দু’জনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। কারণ শ্বেতী একটি জটিল রোগ। এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে ধৈয্যের পরিচয় দিতে হয়। যাদের এ রোগটি শুরুর সাথে সাথেই চিকিৎসা শুরু করা যায় অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগ করা যায় এবং নিম্নে বর্ণিত খাবার বিধি-নিষে’ধের বি’ষয়ে সচেতন হওয়া যায়। তাদের এ রোগ সহজেই নির্মূল হয়।

    আর এ রোগটি দু’তিন বছর যারা লালন পালন করছেন। খাবার দাবার বিধি-নিষে’ধমতো গ্রহণ করছেন না, ঔষধ প্রয়োগ করছেন না তাদের সুস্থ ’হতে তিন, চার বা ছয়মাস এমনকি দু’এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে ঔষধ প্রয়োগের বি’ষয়ে ধৈর্য হারাবেন না। ঔষধ ব্যবহার করতে হবে এবং খাবার-দাবারের বি’ষয়ে নিম্নে বর্ণিত বিধি নিষে’ধগু’লো মেনে চলতে দ্রুত এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।

  • শ’রীরের যে সম’স্যা থাকলে ভু’লেও র’সুন খা’বেন না! জেনে নিন

    শ’রীরের যে সম’স্যা থাকলে ভু’লেও র’সুন খা’বেন না! জেনে নিন

    রসুন আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকার বয়ে আনে। বেশিরভাগ বাড়িতেই রসুনের ব্যবহার হয়ে থাকে। রসুনের স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য প্রচুর পরিমাণে মানুষ রসুন খেতে পছন্দ করেন।

    তবে রসুনের মধ্যে এমন কয়েকটি বড় গুণ আছে যার জন্যই রসুনকে ওষুধের মত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। রসুনের ব্যবহার বিশেষত আমিষ রান্নাতেই হয়ে থাকে। যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, আচার, সস, পিৎজা, পাস্তা ইত্যাদি।

    এক কথায় রসুনকে বলা যেতে পারে সর্বগুণ সম্পন্ন। অনেক বড় বড় গুণ আছে যা কঠিন ব্যাধি থেকে মুক্তি দিতে পারে। তবুও বেশ কিছু ক্ষেত্রে রসুন খেলে বিরাট সমস্যা হতে পারে।

    একনজরে জেনে নেওয়া যাক কাদের রসুন খাওয়া উচিৎ নয়-

    যাদের কয়েকদিন ছাড়া ছাড়া অ্যাসিডির সমস্যায় ভুগতে হয়। তাদের রসুনের সেবন করাটা মোটেই উচিৎ নয়। এতে সমস্যা কমার বদলে বেড়েই যাবে।

    পেটের অবস্থা যাদের ভাল নয়, অর্থাৎ হজমশক্তি দুর্বল, তারা মোটেই রসুন খাবেন না। সমস্যা বাড়বে এমনভাবে, বুঝতেই পারবেন না।

    যাদের ঘামের গন্ধ আছে তারা ভুলেও রসুন খাবেন না। যারা রক্ত তরল করার ওষুধ খান তারাও রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

    যারা গ্যাস্ট্রো সমস্যায় ভুগছেন, তাদের অল্প পরিমাণে রসুন খাওয়া দরকার। তাই সামান্য পরিমাণে রসুন খেলে সবদিকই বজায় থাকবে।

    একজন মানুষকে ঠিক কতখানি রসুন খেতে হবে। এর কোনও বিশেষ পরিমাপ নেই। তবে রিসার্চ বলছে প্রতিদিন ৩ থেকে ৬ গ্রাম রসুন শরীরের পক্ষে ভালো।

  • ব’য়স কম কিন্তু মনে হচ্ছে বেশি, যে তিন ভি’টামিনের অ’ভাব

    ব’য়স কম কিন্তু মনে হচ্ছে বেশি, যে তিন ভি’টামিনের অ’ভাব

    আমাদের ত্বক সুস্থ রাখার প্রথম শর্তই হলো পুষ্টিকর খাবার। খাদ্যাভ্যাস ভালো না হলে সুন্দর ত্বক পাওয়া অসম্ভব। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়— বয়স কম কিন্তু মনে হচ্ছে বয়স বেশি। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন— কয়েকটি ভিটামিনের অভাবে এমনটা হয়। এমন অবস্থায় শরীরকে দিতে হবে এই তিন ভিটামিন। পুষ্টি বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ বিষয়ে জানানো হলো।

     

    ভিটামিন সি
    এটা ত্বকের ভেতর ও বাইরে দুই স্তরেই কাজ করে। ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত ও ক্যান্সার প্রতিরোধক। এটা কোষকলা উৎপাদন করে ও প্রোটিন ত্বককে দৃঢ় ও নমনীয় করে। ভিটামিন সি বয়সের ছাপ কমায় ও ত্বক টানটান ও কোমল রাখে।

    ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার
    টক ফল যেমন- কমলা, লেবু, আঙুর-জাতীয় ফল, মিষ্টি লেবু। স্ট্রবেরি, কিউই, পেঁপে। টমেটো। সবজি যেমন- ব্রকলি, ফুলকপি।

     

    ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
    সুন্দর ত্বকের জন্য খাবারে নায়াসিন অথবা ভিটামিন বি-থ্রি যোগ করা প্রয়োজন। ত্বকের মসৃণভাব বাড়াতে, বলিরেখা দূর করতে ও কোমলভাব আনতে ভিটামিন বি-থ্রি জরুরি। এটা ত্বকে সেরামাইডস ও ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরিতে ভূমিকা রেখে ত্বকে সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এছাড়াও ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করে কোমল ভাব ধরে রাখতে ভিটামিন বি গ্রহণ করা প্রয়োজন। ফলিক অ্যাসিড অথবা ভিটামিন বি-নাইন কোষ উৎপাদন ও কোষের বৃদ্ধির জন্য জরুরি। তারুণ্যময় ত্বকের প্রথম শর্ত হল স্বাস্থ্যকর কোষ।

    ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার
    বাদামি চাল ও শস্য যেমন- বাজরা, বার্লি। ডিম ও দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। সবজি, বীজ ও বাদাম।

    ভিটামিন ই
    আরেকটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উন্মুক্ত রেডিকেলের কারণে হওয়া ত্বকের জারনের ক্ষয় হ্রাস করে। এই ভিটামিনে আছে প্রদাহনাশক উপাদান যা ত্বক কোমল ও মসৃণ করতে সাহায্য করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ভিটামিন ই ত্বককে গভীর থেকে আর্দ্র রাখে। ত্বক কোমল ও মসৃণ করতে সহায়তা করে।

    ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার
    সবুজ সবজি যেমন- পালংশাক ও ব্রকলি। বাদাম- চিনা বাদাম, কাঠ বাদাম ও হ্যাজেল বাদাম। সূর্যমুখীর বীজ।

  • সকালে খা’লি পে’টে র’সুন-ম’ধু  এ’কস’ঙ্গে খে’লে যা হয়

    সকালে খা’লি পে’টে র’সুন-ম’ধু এ’কস’ঙ্গে খে’লে যা হয়

    কেবল খাবার হিসেবে নয়, বহুকাল আগে থেকে রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জাতিই রসুনকে বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করে আসছে।

    প্রাচীন গ্রিকরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই রসুনের ব্যবহার করত। এ ছাড়া অলিম্পিক গেমের ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য রসুন খেতেন। প্রাচীন চীন ও জাপানে রসুনকে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ভারতে হৃদরোগ ও গাঁটে ব্যথা প্রতিরোধে দীর্ঘকাল ধরেই রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে।

    আবার বিভিন্ন দেশে রোগ নিরাময়কারী উপাদান হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসঙ্গে হয়, তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।

    রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের  সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।

    জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট রাইস আর্থ জানিয়েছে মধু ও রসুনের এই মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি।

    উপাদান

    একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম, মধু, তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলো বের করুন।)

    প্রণালি

    প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো নিন। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালুন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করুন।

    প্রতিদিন খালি পেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খান। ঠান্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে কাজ করবে।