Blog

  • শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হেয়ার স্টাইল’ নির্ধারণ করে নোটিশ জারি, না মানলেই শা’স্তি

    শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হেয়ার স্টাইল’ নির্ধারণ করে নোটিশ জারি, না মানলেই শা’স্তি

    পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট ‘হেয়ার স্টাইল’ নির্ধারণ করে নোটিশ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লিটন উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ ক্যাম্পাসে টাঙানো হয়, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

    গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই নোটিশে বলা হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত মডেল অনুযায়ী চুল ছেঁটে এবং হাত-পায়ের নখ কেটে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে। নোটিশে চারদিক থেকে তোলা একটি নির্দিষ্ট ধরনের চুল কাটিংয়ের ছবি যুক্ত করা হয়েছে, যা ‘আর্মি কাট’ এর মতো।

    নির্দেশনায় আরো উল্লেখ করা হয়, এই নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ দায়ে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    নোটিশের নিচে উল্লেখ করা হয়েছে, সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশক্রমেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।

    বিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্তে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ একে শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে ইতিবাচকভাবে দেখলেও, কেউ এটিকে ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, “‘শৃঙ্খলা প্রয়োজন, তবে চুলের কাটিং নিয়ে শাস্তির হুমকি কতটা যৌক্তিক, তা ভেবে দেখা দরকার।’

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লিটন উদ্দিন জানান, শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও সমতা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিজু তামান্না জানান, শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মশৃঙ্খলার অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত।

    তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের চুল ছোট রাখা, নিয়মিত নখ কাটা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা স্বাভাবিক বিষয়। এটিকে নেতিবাচক না দেখে ইতিবাচক হিসেবে নেওয়া উচিত।’

  • কি’ডনি ড্যা’মেজ হওয়ার যে ৬ লক্ষণ অবহেলা করবেন না, জেনে নিন

    কি’ডনি ড্যা’মেজ হওয়ার যে ৬ লক্ষণ অবহেলা করবেন না, জেনে নিন

    কিডনির ক্ষতি প্রাথমিক পর্যায়ে খুব একটা টের পাওয়া যায় না। যে কারণে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (CKD) হওয়ার আগে এর প্রাথমিক লক্ষণ বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। যেসব লক্ষণ চোখ এড়িয়ে গেলে কিডনি ফেইলিওরের মতো ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। তবে আগেভাগে সতর্কতা সংকেতগুলো চিনতে পারলে সমস্যার প্রতিকার করা সহজ হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

    ১. ফেনা বা বুদবুদযুক্ত প্রস্রাব

    কিডনির ক্ষতির প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রস্রাবে ক্রমাগত ফেনা বা বুদবুদ। এই পরিস্থিতির নাম প্রোটিনুরিয়া। এর অর্থ হলো কিডনির ফিল্টারিং ইউনিট গ্লোমেরুলি প্রোটিনকে, যেমন অ্যালবুমিনকে প্রস্রাবে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। স্বাভাবিক কিডনি সাধারণত প্রচুর প্রোটিন প্রবেশ করতে দেয় না, তাই খালি চোখে দৃশ্যমান ফেনা একটি সতর্কতা সূচক যা চিকিৎসকের দ্বারা পরীক্ষা করা উচিত।

    ২. গোড়ালি, পা বা চোখের চারপাশে ফোলাভাব

    কিডনি সোডিয়াম এবং তরল ভালোভাবে ফিল্টার করতে সক্ষম না হলে অতিরিক্ত পানি এবং লবণ শরীরে জমা হয়। এটি সাধারণত দৃশ্যমান ফোলাভাব সৃষ্টি করে, বিশেষ করে গোড়ালি, পা এবং চোখের চারপাশের অংশে। বিশেষ করে সকালের সময় এসব স্থানে ফোলাভাব সাধারণত অকার্যকর কিডনি পরিস্রাবণের কারণে পানি ধরে রাখার ফলে হয়।

    ৩. প্রস্রাব বৃদ্ধি, বিশেষ করে রাতে

    কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রস্রাবের ধরণ পরিবর্তন। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঘন ঘন প্রস্রাব করার তাগিদ অনুভব করেন, বিশেষ করে রাতে। একে নকটুরিয়া বলা হয়। কিডনি ভালোভাবে প্রস্রাব ঘনীভূত করতে না পারলে এমনটা ঘটে। তাই প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং ঘন ঘন প্রস্রাব করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

    বিজ্ঞাপন

    ৪. ক্লান্তি এবং দুর্বলতা

    সুস্থ কিডনি এরিথ্রোপয়েটিন তৈরি করে। এটি একটি হরমোন যা লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে। ক্ষতিগ্রস্ত কিডনি এই হরমোন কম নিঃসরণ করে, যার ফলে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ কিডনি কার্যকারিতার কারণে রক্তে টক্সিন জমা হওয়ার ফলে এই লক্ষণগুলো দেখা দেয়।

    ৫. অনবরত চুলকানি

    দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের ফলে রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমা হতে পারে। যার ফলে তীব্র চুলকানি হয়, যাকে প্রুরিটাসও বলা হয়। এই চুলকানি সাধারণত স্থায়ী হয়, টপিকাল লোশন বা ক্রিম প্রয়োগ করলেও উপশম হয় না। এটি রাতে আরও বেশি হতে পারে।

    ৬. ক্ষুধামন্দা

    হঠাৎ ক্ষুধা কমে যাওয়াও হতে পারে কিডনির সমস্যার লক্ষণ। রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমা হলে তা হজম ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। যার ফলে বমি বমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ, এমনকি বমিও হতে পারে, যা খাবারের প্রতি আগ্রহ হ্রাস করে।

  • মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য স্বস্তির খবর

    মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য স্বস্তির খবর

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশের মোটরসাইকেল চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের জন্য সুখবর এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট কাটাতে বিকল্প উৎস হিসেবে মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসে পৌঁছেছে বিপুল পরিশোধিত অকটেন।

    বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে নোঙর করেছে জাহাজ ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’। একই সময়ে ২৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে আরেকটি জাহাজ বন্দরে অবস্থান নেওয়ায় জ্বালানি খাতে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশে মূলত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিনের মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের প্রধান জ্বালানি হিসেবে অকটেন ব্যবহৃত হয়।

    বিশেষ করে, আধুনিক ও উচ্চ সিসির মোটরসাইকেলের জন্য অকটেন বেশি উপযোগী, কারণ এটি ইঞ্জিনের নকিং কমায় এবং পারফরম্যান্স ভালো রাখে।

    মধ্যপ্রাচ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রভাবে দেশের বাজারে এই জ্বালানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছিল। অনেক ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও গ্রাহকরা অকটেন পাননি, আবার কোথাও ‘অকটেন নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, সরবরাহের ঘাটতির কারণে মার্চ মাসের প্রতিদিনের গড় বিক্রি ১ হাজার ২২২ টন থেকে কমে এপ্রিলে তা ১ হাজার ১১৪ টনে নেমে আসে। গত মাসে নির্ধারিত সাতটি জ্বালানিবাহী জাহাজ না আসা এবং নতুন কোনো অকটেনের চালান না থাকায় পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছিল।

    বিপিসি জানিয়েছে, দেশে বছরে গড়ে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা থাকে যার একটি বড় অংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত ও মালয়েশিয়ার মতো বিকল্প দেশগুলো থেকে পরিশোধিত তেল আমদানিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে এই নতুন চালানটি দেশে এলো।

    চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফাত হামিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২৬ হাজার টন অকটেনের এই চালানটি দ্রুত খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

    এছাড়া চলতি মাসে ডিজেলের বাড়তি চাহিদা মেটাতে আরও সোয়া ৩ লাখ টন আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখী করার এই কৌশল দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

  • অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে নতুন বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর

    অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে নতুন বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর

    বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, যানজট নিরসন এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সংগতি রেখে রাজধানীর নির্বাচিত কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বিত পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে বুধবার (৮ এপ্রিল) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    সক্ষমতা রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানে পাইলট প্রকল্প হিসেবে অনলাইন-অফলাইন চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সব স্কুলে একযোগে নয়; বরং যেসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা রয়েছে সেগুলোতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হতে পারে। প্রস্তাবিত মডেলে সপ্তাহে কয়েকদিন অনলাইন এবং কয়েকদিন অফলাইন ক্লাস থাকবে। এতে একদিকে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হবে ও ট্রাফিক চাপ কমবে; অন্যদিকে শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত পাঠক্রমের মধ্যে থাকবে।’ 

     

    ভবিষ্যৎ শিক্ষা ব্যবস্থা হবে প্রযুক্তিনির্ভর ও অনেকাংশে ‘পেপারলেস’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংসদ থেকে শ্রেণিকক্ষ-সব জায়গায় ডিজিটাল ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ছে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিকল্প নেই। বর্তমান জ্বালানি সংকটকেও কাজে লাগিয়ে আমরা শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুন স্তরে নিয়ে যেতে চাই।’ 

    এসময় অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও তদারকি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এরইমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ ও বৈদ্যুতিক পরিবহনের ব্যবহার বাড়ানোর দিকেও জোর দেয়া হচ্ছে।

  • স্কুল-কলেজে কমছে ছুটি, আসছে ঘোষণা

    স্কুল-কলেজে কমছে ছুটি, আসছে ঘোষণা

    করোনাকালের মতো আবারও অনলাইন ক্লাস ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে এবার পুরোপুরি নয়, অনলাইন-অফলাইন মিশেল পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, তীব্র যানজট ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    পরীক্ষামূলক ‘ব্লেন্ডেড’ শিক্ষা মডেল শুরু করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    তবে এটি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নয়। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তবে এর কারণে সাপ্তাহিক ছুটি কমছে। ‘ব্লেন্ডেড’ শিক্ষা মডেলে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস হবে।

    শিক্ষা পঞ্জিকা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। তবে ‘ব্লেন্ডেড’ ক্লাস কার্যক্রমে শনিবারও ক্লাস হবে। এতে কমে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক ছুটি।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি কমা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    তবে শিক্ষামন্ত্রী যদি শনিবারে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের কথা বলে থাকেন; তাহলে সাপ্তাহিক ছুটি কমবে বলেই মনে হচ্ছে। হয়তো আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, নতুন ব্যবস্থার আওতায় সপ্তাহে ছয় দিনের কার্যক্রমে শনি, সোম ও বুধবার শিক্ষার্থীরা সরাসরি (অফলাইন) ক্লাসে অংশগ্রহণ করবে। রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

    আপাতত ঢাকা মহানগরীর বড় ও যানজটপ্রবণ এলাকার রিনাউনড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই পদ্ধতি ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

    দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত নয়; বরং একটি পরিকল্পিত ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগ। যেসব প্রতিষ্ঠান সক্ষম, তারা স্বেচ্ছায় এই পদ্ধতিতে অংশগ্রহণ করবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের ব্যবস্থা আরো বিস্তৃত করার সম্ভাবনা রয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘এটি সবার ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। যারা সক্ষমতা রাখে, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে আমরা এই ব্লেন্ডেড এডুকেশন বা সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছি।’

  • কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস, কোথায় নয়—জানাল মন্ত্রণালয়

    কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস, কোথায় নয়—জানাল মন্ত্রণালয়

    যানজট নিরসনের লক্ষ্যে একটি পরীক্ষামূলক ‘ব্লেন্ডেড’ শিক্ষা মডেল শুরু করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এটি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নয়। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এর আগে দুপুরে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ঘোষণা দেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থার আওতায় সপ্তাহে ছয় দিনের কার্যক্রমে শনি, সোম ও বুধবার শিক্ষার্থীরা সরাসরি (অফলাইন) ক্লাসে অংশগ্রহণ করবে। রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

    আপাতত ঢাকা মহানগরীর বড় ও যানজটপ্রবণ এলাকার রিনাউনড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই পদ্ধতি ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

    অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি রিপোর্টিং সিস্টেম চালুর প্রস্তাব এসেছে। যা অফলাইন ক্লাসে ফলোআপের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

    দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত নয়; বরং একটি পরিকল্পিত ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগ। যেসব প্রতিষ্ঠান সক্ষম, তারা স্বেচ্ছায় এই পদ্ধতিতে অংশগ্রহণ করবে।

    ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের ব্যবস্থা আরো বিস্তৃত করার সম্ভাবনা রয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘এটি সবার ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। যারা সক্ষমতা রাখে, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে আমরা এই ব্লেন্ডেড এডুকেশন বা সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছি।’

    শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হলেও শিক্ষকদের স্কুলেই উপস্থিত থেকে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করতে হবে। শিক্ষকরা বাসায় বসে ক্লাস নেবেন না।

    দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিবেচনায় এনে শিক্ষাব্যবস্থাকে অভিযোজিত করা জরুরি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই উদ্যোগ সফল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষামন্ত্রী।

    অনলাইন ক্লাস কোন কোন স্কুলে

    পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমে শুধু ঢাকা মহানগর এলাকার কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু করা হবে। উদাহরণ হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী কিছু প্রতিষ্ঠানের নামও উল্লেখ করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে- ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

    ক্লাস অনলাইনে কত দিন, অফলাইনে কত দিন

    যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালু হবে, সেখানে শনিবারের ছুটি বাতিল করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শনি, সোম ও বুধবার সশরীরে বা অফলাইনে ক্লাস হবে। এ দিনগুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে হবে।

    রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস হবে। এ তিনদিন শিক্ষার্থীরা বাসায় থাকবে। ক্লাস হবে অনলাইনে। তবে শিক্ষকদের স্কুলে এসে অনলাইনে ক্লাস নিতে হবে।

    কবে থেকে এ পদ্ধতি চালু হবে

    শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী আগামী সপ্তাহ থেকে এ অনলাইন-অফলাইনের সমন্বয়ে ক্লাস শুরু হবে। সেটা হতে পারে সোমবার থেকে। তার আগেই যেসব প্রতিষ্ঠান এ পদ্ধতি চালু করবে, তাদের ওয়াই-ফাইসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে ৩ দিন সশরীরে (অফলাইন) এবং বাকি ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এই নতুন সময়সূচির কথা জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে পাঠদান চালানো হবে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:

    সশরীরে ক্লাস (অফলাইন): শনিবার, সোমবার ও বুধবার।

    অনলাইন ক্লাস: রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার।

    আগামী ১১ এপ্রিল (শনিবার) থেকে ঢাকা মহানগরীর সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই নতুন পদ্ধতি প্রাথমিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি পরিস্থিতির অস্থিরতা বিবেচনায় রেখে শিক্ষা কার্যক্রমকে সচল রাখতেই এই ‘হাইব্রিড’ মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাসের সুযোগ যেমন থাকবে, তেমনি অনলাইনের মাধ্যমে পড়াশোনার ধারাবাহিকতাও বজায় থাকবে। এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় গ্রিডের ওপর বিদ্যুতের চাপ কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • সারা দেশে ইন্টারনেট নিয়ে দুঃসংবাদ দিল বিএসসিসিএল

    সারা দেশে ইন্টারনেট নিয়ে দুঃসংবাদ দিল বিএসসিসিএল

    দেশে তিন দিন ইন্টারসেবা বিঘ্নিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিসিএল)। দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল (SEA-ME-WE-5) রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কারণে সেবা বিঘ্নিত হকে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    আজ বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিসিএল)। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিএসসিসিএল কর্তৃপক্ষ।

    বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেমের ‘শাট ফল্ট’ মেরামতের কাজ শুরু হবে বৃহস্পতিবার। ওই দিন রাত ১০টা থেকে শুরু হয় মেরামতকাজ চলবে সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোর ৬টা পর্যন্ত। অর্থাৎ, মোট ৩ দিন ৮ ঘণ্টা চলবে এই রক্ষণাবেক্ষণকাজ।

    ফলে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত থেকে পরবর্তী তিন দিন সারা দেশে বিঘ্নিত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা।

    এই সময়ে ইন্টারনেট সেবায় থাকতে পারে ধীরগতি।

    বিএসসিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) মোহাম্মদ জাকিরুল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে দ্রুতই সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে মেরামতকাজ। সঠিকভাবে মেরামত শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফের নিশ্চিত করা হবে স্বাভাবিক সেবা।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাচ্ছেন যারা, জানালেন চিফ হুইপ

    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাচ্ছেন যারা, জানালেন চিফ হুইপ

    আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণ হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে। ইতিমধ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল অনুযায়ী বিএনপি জোট সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬টি আসন পাবে।

    কারা পাচ্ছেন বিএনপি জোট থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

    তবে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম স্পষ্ট জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে রাজপথের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও ত্যাগী নেত্রীরাই অগ্রাধিকার পাবেন।

    তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে যারা দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এবং সংসদে কন্ট্রিবিউট করতে পারেন, তাদেরই আমরা অগ্রাধিকার দেব। আমি মনে করি, সংসদ নেতার সিদ্ধান্ত নির্ভুল হবে এবং তিনি সব সেকশনের রিপ্রেজেন্টেশন নিশ্চিত করবেন।’

    ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল এবং ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা হবে।

    পরে ২৬ এপ্রিল বাতিল হওয়া মনোনয়নের বিষয়ে আপিল শুরু, নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।

    ২৯ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

  • প্রাথমিকের শিক্ষকদের নতুন নির্দেশনা অধিদপ্তরের

    প্রাথমিকের শিক্ষকদের নতুন নির্দেশনা অধিদপ্তরের

    নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে রচনা প্রতিযোগিতার বিষয় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠিটি প্রাথমিকের সব জেলা শিক্ষা অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। শিক্ষা অফিসাররা তার অধীনস্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এ আয়োজন সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।