Category: Uncategorized

  • প্রতিদিন ইয়ারবাড ব্যবহারে কি কানের ক্ষ’তি হয়? জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    প্রতিদিন ইয়ারবাড ব্যবহারে কি কানের ক্ষ’তি হয়? জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    ইয়ারবাডের ব্যবহার আমাদের বেশিরভাগের জন্যই একটি দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, যা যাতায়াতের সময়, ব্যায়ামের সময়, ফোনে কথা বলার সময় এবং এর মাঝের সবকিছুতেই পরা হয়। কিন্তু এই দীর্ঘ সময় কি নীরবে আপনার শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যাঁ, দীর্ঘ সময় ধরে এবং ঘন ঘন ইয়ারবাড ব্যবহার, বিশেষ করে উচ্চ ভলিউমে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে।

    ইয়ারবাড কীভাবে কানের ক্ষতি করে?

    ঝুঁকিটি কেবল শব্দের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে না, বরং কান কতক্ষণ এবং কত ঘন ঘন এর সংস্পর্শে আসছে তার ওপরও নির্ভর করে, কারণ ইয়ারবাড বাইরের স্পিকারের চেয়ে কানের পর্দার অনেক কাছে থাকে এবং উচ্চ তীব্রতার শব্দ সরাসরি কানের মধ্যে পৌঁছে দিতে পারে।

    দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ শব্দের সংস্পর্শে থাকলে অন্তঃকর্ণের ভেতরের ক্ষুদ্র হেয়ার সেলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এগুলো শব্দ শনাক্ত করার জন্য দায়ী, এবং এই কোষগুলো একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে আর পুনরুজ্জীবিত হয় না। ইয়ারবাড কানের পর্দার খুব কাছে থাকে, তাই একই ভলিউমে থাকা বাইরের স্পিকারের তুলনায় শব্দ বেশি তীব্রতায় অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়।

    ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা ব্যবহার, এমনকী মাঝারি ভলিউমেও, এক ব্যবহারের পর আরেক ব্যবহারের মাঝে কান পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না।
    কানে ঠিকমতো না বসা ইয়ারবাডের কারণে ব্যবহারকারীরা পারিপার্শ্বিক শব্দ চাপা দেওয়ার জন্য ভলিউম আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন, যা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।

    দীর্ঘদিন ধরে ইয়ারবাড ব্যবহারের ফলে কানে খৈল জমে যাওয়াও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শ্রবণশক্তির প্রকৃত ক্ষতি ছাড়াও কান বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনুভূতির কারণ হতে পারে।

    কিউরিয়াস (Cureus)-এ প্রকাশিত ২০২২ সালের একটি সাহিত্য পর্যালোচনা অনুসারে, গবেষকরা সারা বিশ্বের ২৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করেছেন, যেখানে ইয়ারফোন ও হেডফোনের ব্যবহার এবং শব্দজনিত শ্রবণশক্তি হ্রাসের সাথে এর সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হয়েছে। ব্যক্তিগত মিউজিক প্লেয়ারের ভলিউম ৭৮ থেকে ১৩৬ ডেসিবেল পর্যন্ত হতে পারে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃত ক্ষতি করার জন্য যথেষ্ট।

    একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন দুই বা তার বেশি ঘণ্টা ইয়ারফোন ব্যবহার করত, তাদের শ্রবণশক্তি হ্রাসের হার যারা কম ব্যবহার করত তাদের তুলনায় লক্ষণীয়ভাবে বেশি ছিল। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে হেডফোনের মাধ্যমে উচ্চ শব্দে অভ্যস্ত কিশোর-কিশোরীদের শ্রবণ সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি চার গুণেরও বেশি।

    দিনে কতক্ষণ ইয়ারবাড ব্যবহার করা যাবে?

    এর কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই যা সবার জন্য প্রযোজ্য, কারণ এটি ভলিউমের মাত্রা এবং ব্যবহারের সময়কালের ওপর নির্ভর করে। সাধারণ নির্দেশিকা হিসেবে শ্রবণ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ৬০/৬০ নিয়মটি অনুসরণ করার পরামর্শ দেন, যেখানে ভলিউম সর্বোচ্চের প্রায় ৬০ শতাংশে রাখা হয় এবং মাঝে বিরতিসহ একবারে প্রায় ৬০ মিনিটের বেশি একটানা শোনা উচিত নয়। 

    একটানা সারাদিন পরার পরিবর্তে নিয়মিত বিরতিসহ মোট দৈনিক ব্যবহার সাধারণত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। জার্নাল অফ অডিওলজি অ্যান্ড অটোলজিতে প্রকাশিত ২০২৫ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, যারা একটানা এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ইয়ারফোন ব্যবহার করেন, তাদের মধ্যে ইয়ারফোন-সম্পর্কিত কানের সংক্রমণ বেশি দেখা গেছে।

  • সব সরকারি দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা, পরিপত্র জারি

    সব সরকারি দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা, পরিপত্র জারি

    সরকারি দপ্তরগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। এ বিষয়ে সোমবার (১০ আগস্ট) পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, বঙ্গভবন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থ বিভাগে দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার্য বিদ্যুতের সিংহভাগ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হবে। অন্যান্য সরকারি দপ্তরে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

    অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ আছে।

    এর আগে ৩ আগস্ট সচিবালয়ে সৌর বিদ্যুৎবিষয়ক এক সভায় জ্বালানি সংকট মোকাবেলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোতে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    একই সঙ্গে দেশে সোলার ইনভার্টার উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে সরকারি সহায়তা এবং সাধারণ মানুষের জন্য সৌর বিদ্যুৎকে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও লাভজনক করতে কার্যকর অর্থনৈতিক মডেল প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি।

    ওই সভার সিদ্ধান্তে জানানো হয়, প্রথম পর্যায়ে বঙ্গভবন, তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ ভবন, সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভবন, পরিকল্পনা কমিশন ভবনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে।

  • নিয়মিত জিরা পানি পানে মিলবে যে উপকার

    নিয়মিত জিরা পানি পানে মিলবে যে উপকার

    বর্তমানে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ডিটক্স ড্রিংক বেশ জনপ্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ওজন কমানো থেকে শুরু করে হজমশক্তি ভালো রাখা পর্যন্ত নানা উপকারের কথা বলা হয় এসব পানীয় নিয়ে। তবে সব দাবির পেছনে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। এর মধ্যে সহজলভ্য একটি পানীয় হলো জিরা পানি।

    রান্নার মসলা হিসেবে জিরার ব্যবহার বহু পুরোনো। এতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও উদ্ভিজ্জ যৌগের কারণে জিরা স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। জিরা ভিজিয়ে তৈরি পানি নিয়মিত খাওয়ারও কিছু সম্ভাব্য উপকার রয়েছে। তবে এটি কোনো রোগের চিকিৎসা বা ওষুধের বিকল্প নয়।

    যেভাবে তৈরি করবেন জিরা পানি

    প্রতিদিন কিশমিশ খেলে শরীরে মিলবে যে ১০ উপকার

    জিরা পানি তৈরি করা বেশ সহজ। রাতে এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ জিরা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। সকালে ছেঁকে সেই পানি পান করা যায়। চাইলে জিরা হালকা ভেজে পানিতে ফুটিয়েও খেতে পারেন।

    তবে জিরা পানি খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ‘সেরা সময়’ নেই। সকালে খালি পেটে খেতেই হবে, এমনও নয়। শরীরে পানি সরবরাহের জন্য দিনের যে কোনো সময় এটি পান করা যেতে পারে।

    জিরা পানির সম্ভাব্য উপকার

    ১. হজমে সহায়তা করতে পারে

    জিরায় থাকা কিছু যৌগ হজমপ্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে খাবার হজমে সহায়তা এবং পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি কমাতে এটি কিছু মানুষের জন্য উপকারী হতে পারে।

    ২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে

    জিরায় বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ রয়েছে। এগুলো শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।

    ৩. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে

    জিরা পানি নিজে থেকে শরীরের চর্বি গলিয়ে দেয় বা দ্রুত ওজন কমায়, এমন প্রমাণ নেই। তবে চিনি বা অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত পানীয়ের বদলে জিরা পানি পান করলে মোট ক্যালরি গ্রহণ কমাতে সহায়তা করতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে সুষম খাবার ও নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    ৪. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা থাকতে পারে

    কিছু গবেষণায় জিরার সম্ভাব্য রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণকারী প্রভাবের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধু জিরা পানি যথেষ্ট নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, খাবার ও জীবনযাপন মেনে চলা জরুরি।

    ৫. শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে

    জিরা পানি মূলত পানি। তাই এটি শরীরের প্রয়োজনীয় তরল সরবরাহে ভূমিকা রাখে। পর্যাপ্ত পানি পান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ৬. আয়রনের উৎস হিসেবে জিরা উপকারী

    জিরার বীজে আয়রন রয়েছে। আয়রন শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে শুধু জিরা পানি পান করে রক্তস্বল্পতা দূর করা সম্ভব নয়। রক্তস্বল্পতা থাকলে কারণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

    ৭. হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য সম্ভাব্য উপকারী

    জিরার বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগ রক্তের কিছু উপাদান ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধে জিরা পানিকে কোনো চিকিৎসা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

    ৮. ত্বকের জন্যও উপকারী হতে পারে

    জিরায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। এর ফলে সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে ত্বকের স্বাস্থ্যে পরোক্ষভাবে উপকার মিলতে পারে। তবে জিরা পানি খেলেই ব্রণ বা ত্বকের অন্যান্য সমস্যা দূর হবে, এমন নিশ্চিত প্রমাণ নেই।

    ৯. মাসিকের অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে

    জিরার কিছু উপাদান হজম ও পেশির কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অনিয়মিত মাসিক ঠিক করা বা মাসিকের ব্যথা নিরাময়ের জন্য জিরা পানির কার্যকারিতা নিয়ে পর্যাপ্ত শক্ত প্রমাণ নেই। নিয়মিত মাসিকের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    ‘ডিটক্স’ নিয়ে কতটা সত্য?

    জিরা পানিকে প্রায়ই ‘ডিটক্স ড্রিংক’ বলা হয়। কিন্তু শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করার জন্য আলাদা কোনো পানীয় প্রয়োজন হয় না। আমাদের লিভার ও কিডনি স্বাভাবিকভাবেই শরীরের বর্জ্য ও বিভিন্ন পদার্থ প্রক্রিয়াজাত ও অপসারণ করে।

    তাই জিরা পানি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে, কিন্তু এটিকে শরীর পরিষ্কার করার জাদুকরী পানীয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    শুধু জিরা পানি খেলেই ওজন কমবে?

    এমন ধারণাও ঠিক নয়। জিরা পানি পান করলেই পেটের চর্বি কমে যাবে বা দ্রুত ওজন কমবে, এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। ওজন নিয়ন্ত্রণে ক্যালরি গ্রহণ, সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ।

    জিরা পানি চাইলে চিনিযুক্ত কোমল পানীয় বা অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত পানীয়ের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।

    কখন ও কতটা খাবেন?

    জিরা পানি খাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যতামূলক সময় নেই। সকালে খেতে ভালো লাগলে খেতে পারেন। আবার দিনের অন্য সময়ও পান করা যায়।

    তবে অতিরিক্ত জিরা খাওয়া বা ঘন করে জিরা পানি পান করা প্রয়োজন নেই। কারও ক্ষেত্রে এটি পেটের অস্বস্তি, অম্বল বা অন্য ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    যাদের সতর্ক থাকা উচিত

    গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারী, নিয়মিত ওষুধ সেবনকারী ব্যক্তি, ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত জিরা পানি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। বিশেষ করে কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে জিরা পানির ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।

    সবশেষে বলা যায়, জিরা পানি একটি সহজ ও কম ক্যালরির পানীয়, যা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হতে পারে। তবে এর উপকারিতা নিয়ে প্রচলিত অনেক দাবিই অতিরঞ্জিত। তাই জিরা পানিকে ‘জাদুকরী’ বা রোগ সারানোর পানীয় হিসেবে না দেখে সুষম খাবার ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি অংশ হিসেবেই দেখা সবচেয়ে ভালো।

  • কাল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

    কাল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

    পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকায় এ উপলক্ষে এক দিন ছুটি রাখা হয়েছে।

    ছুটির আওতায় থাকবে দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে দেশে কোনো সরকারি সাধারণ ছুটি নেই; এটি ঐচ্ছিক ছুটির আওতাভুক্ত।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় ও এর অধিভুক্ত সব কলেজ বন্ধ থাকবে। একইভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও পৃথক নোটিশ দিয়ে ছুটি ঘোষণা করেছে। রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এরই মধ্যে বুধবার ছুটির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    আখেরি চাহার সোম্বা কী

    ‘আখেরি চাহার সোম্বা’ মূলত আরবি ও ফারসি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ‘আখেরি’ অর্থ শেষ, ‘চাহার’ অর্থ চার এবং ‘শোম্বা’ অর্থ বুধবার। অর্থাৎ, আখেরি চাহার সোম্বা বলতে সফর মাসের শেষ বুধবারকে বোঝায়।

    মুসলিম সমাজে দিনটি বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। এ দিনকে ঘিরে বিভিন্ন স্থানে দোয়া, মিলাদ মাহফিল, ওয়াজ-নসিহত, জিকির-আজকার ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

    ধর্মীয় তাৎপর্য

    প্রচলিত ধর্মীয় বর্ণনা অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অসুস্থতার সময় তাঁর সাময়িক সুস্থতার সংবাদে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়। বর্ণিত আছে, সেই দিনটি ছিল সফর মাসের শেষ বুধবার। মহানবী (সা.)-এর সুস্থতার স্মরণে পরবর্তী সময়ে মুসলিম সমাজে দিনটি বিশেষভাবে পালনের রীতি প্রচলিত হয়।

    অনেক মুসলিম এ দিনকে শুকরিয়া আদায়ের দিন হিসেবে পালন করেন। এ উপলক্ষে গোসল, দুই রাকাত নফল নামাজ, দোয়া ও দান-খয়রাতসহ বিভিন্ন ইবাদত করা হয়। দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এ উপলক্ষে আলোচনা, মিলাদ, দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

    তবে আখেরি চাহার সোম্বা পালনের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা ও এর ধর্মীয় ভিত্তি নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদও রয়েছে। তাই ব্যক্তিগতভাবে ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

  • সা’রের ডিলারশিপ নিয়ে সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ

    সা’রের ডিলারশিপ নিয়ে সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ

    কৃষকদের কাছে নিরবচ্ছিন্ন ও সুষ্ঠুভাবে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার ডিলার সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৫ (সংশোধিত)’ বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। 

    রোববার (৯ আগস্ট) সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং অধিদপ্তর থেকে এ বিষয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমাম আদেশে স্বাক্ষর করেন।

    জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিটি উপজেলায় ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার বিতরণের জন্য ন্যূনতম ৯ জন ডিলার রাখতে হবে। তবে সংশ্লিষ্ট জেলার চাহিদা ও কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ বিবেচনায় ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও জেলা ডিলার সমবায়ের সুপারিশের ভিত্তিতে জেলা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। একজন ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিক হতে পারবেন না। 

    আবেদন পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশ পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নতুন ডিলারদের নিজস্ব গুদাম, গোডাউন এবং সার বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস সেন্টার থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

    বিদ্যমান ডিলারদের লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার চাহিদা, জেলাভিত্তিক কোটা এবং নীতিমালার শর্ত পূরণের বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

    অফিস আদেশে আরো বলা হয়েছে, সার উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি ডিলার বা উপজেলা পর্যায়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, কৃষকদের স্বার্থে জেলা কমিটি ডিলারদের জন্য ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করবে।

    নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ডিলার নীতিমালা লঙ্ঘন করলে বা নির্ধারিত শর্ত ভঙ্গ করলে তার ডিলারশিপ বাতিল করা হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দিতে পারবেন। নীতিমালার বিস্তারিত তথ্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আদেশে বলা হয়েছে, সার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং কৃষকদের কাছে সময়মতো সার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই সংশোধিত নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • একাদশে ভর্তি কোন পদ্ধতিতে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    একাদশে ভর্তি কোন পদ্ধতিতে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও থাকছে না কোনো নতুন পদ্ধতি। পুরোনো নিয়মেই মার্ক বা জিপিএর ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পুরোনো পদ্ধতি অর্থাৎ মার্ক বা জিপিএ পদ্ধতিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

    অনুষ্ঠানে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃনিরীক্ষণের পাশাপাশি খাতা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগও থাকবে বলে জানান এহছানুল হক মিলন। মন্ত্রী জানান, আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পরীক্ষা করে কোনো ভুলত্রুটি পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না। বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইনে খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে সেই পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    এর আগে সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। প্রকাশিত ফলে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পাস করেছে ৬২.২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী।

  • মানবিক বিভাগে প্রতি ১০০ ছাত্রে ফেল ৫৯ জন

    মানবিক বিভাগে প্রতি ১০০ ছাত্রে ফেল ৫৯ জন

    চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে ছেলেদের ফলাফলে বড় ধরনের অবনমন দেখা গেছে। ছবি: সংগৃহীত

    চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে ছেলেদের ফলাফলে বড় ধরনের অবনমন দেখা গেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাশের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ। অর্থাৎ এই বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি ১০০ জন ছাত্রের মধ্যে প্রায় ৫৯ জনই পাশ করতে পারেনি।

    সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

    ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তিনটি বিভাগের মধ্যে মানবিকেই ছাত্রদের পাশের হার সবচেয়ে কম। এ বিভাগে ছাত্রীদের পাশের হার অবশ্য তুলনামূলকভাবে বেশি—৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। অর্থাৎ মানবিক বিভাগে ছাত্রীদেরও প্রতি ১০০ জনে প্রায় ৪৬ জন পাশ করতে পারেনি।

    মানবিক বিভাগের ছাত্র ও ছাত্রীদের পাশের হারের ব্যবধান ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশীয় পয়েন্ট। অর্থাৎ একই বিভাগে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো ফল করেছে। 

  • নতুন নিয়মে এসএসসি খাতা চ্যালেঞ্জ করবেন যেভাবে

    নতুন নিয়মে এসএসসি খাতা চ্যালেঞ্জ করবেন যেভাবে

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রতি বিষয়ের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা।

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠি অনুযায়ী, খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ১৭ আগস্টের মধ্যে।

    আবেদন প্রক্রিয়া
    আবেদনের জন্য প্রথমে rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে এবং তালিকা থেকে নিজের বোর্ড বেছে নিতে হবে। এরপর সাবমিট করে একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেখানে পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।

    এরপরের ধাপে শিক্ষার্থী তার বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখতে পাবে এবং যে বিষয় বা বিষয়গুলোর ফল পুনরায় যাচাই করাতে চায়, তা নির্বাচন করে ফি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। দুই পত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে। 

    ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, নগদ বা সোনালী সেবার মাধ্যমে, এবং সংশ্লিষ্ট পোর্টালেই ফি প্রদানের বিস্তারিত নির্দেশনা পাওয়া যাবে। ফি দেওয়ার পর নির্দিষ্ট বাটনে ক্লিক করে আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে।

    গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্ত
    একবার ফি দিয়ে আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন বিষয় যোগ করা গেলেও, সেক্ষেত্রে আবার মোবাইল নম্বর দিতে হবে না।

    ফি পরিশোধের আগে আবেদনে কোনো পরিবর্তন আনতে চাইলে নির্বাচিত (অপরিশোধিত) বিষয়গুলো বাতিল করে নতুন করে বিষয় বাছাই করা যাবে।

    তবে একবার ফি জমা দেওয়া হয়ে গেলে সেই আবেদন আর বাতিল করার সুযোগ থাকবে না এবং কোনো পরিস্থিতিতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।

    কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না — পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনেই সম্পন্ন করতে হবে।

  • ফেলের হার বেশি হওয়ার কারণ জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান

    ফেলের হার বেশি হওয়ার কারণ জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান

    ইংরেজি ও গণিত—এই দুটি বিষয়ের কারণে পরীক্ষায় ফেলের হার বাড়ে এবং পাসের হার কমে যায় বলে মন্তব্য করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

    সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘সকল বোর্ডের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখেছি, আমরা যখন পরীক্ষা দিয়েছি তখন থেকে এখন পর্যন্ত ইংরেজি ও গণিত—এই দুটি বিষয়ে ফেলের হার বাড়ে এবং পাসের হার কমে।’

    সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার সারাদেশে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

    ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

    অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার গড় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

  • এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ কবে থেকে, আবেদন করবেন যেভাবে

    এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ কবে থেকে, আবেদন করবেন যেভাবে

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরদিন থেকেই ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। আগামী ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে এ আবেদন চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। অনলাইনে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।

    শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে।

    এ জন্য https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd -এ গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে।

    পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ হলে এ নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

    প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে। দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে প্রদেয় ফিয়ের পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবা-এর মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো ওপরে দেওয়া পোর্টালের ‘হেয়’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরো বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

    এ ছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনো ফি দেওয়া হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

    তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।