Category: Uncategorized

  • ঈদের ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

    ঈদের ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

    ঈদের ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রবিবার (৮ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশের ৩৭ নম্বর ক্রমিকের অনুবলে সরকার কর্তৃক আসন্ন শব-ই-কদর ও ঈদ-উল-ফিতরের পূর্ব নির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে ১ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলো। ছুটিকালীন সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

  • চার্জার প্লাগে সারাক্ষণ লাগিয়ে রাখলে কি বি’দ্যুৎ বিল বাড়ে? জেনে নিন

    চার্জার প্লাগে সারাক্ষণ লাগিয়ে রাখলে কি বি’দ্যুৎ বিল বাড়ে? জেনে নিন

    বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, স্মার্টওয়াচ, ব্লুটুথ ইয়ারফোনসহ নানা ধরনের গ্যাজেট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। এসব ডিভাইস ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে চার্জারও সব সময় হাতের কাছেই থাকে। অনেকেই কাজের সুবিধার জন্য চার্জার সারাক্ষণই প্লাগে লাগিয়ে রাখেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো চার্জার যদি প্লাগে লাগিয়েই রাখা হয়, তাহলে কি বিদ্যুৎ বিল বাড়ে?

    এই প্রশ্নটি অনেকের মনেই আসে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে চার্জারের ধরন ও ব্যবহারের উপর। চার্জার প্লাগে লাগানো থাকলে সামান্য পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়, যদিও সেটি কোনো ডিভাইস চার্জ না করলেও। একে বলা হয় স্ট্যান্ডবাই পাওয়ার বা ভ্যাম্পায়ার পাওয়ার।

    চার্জারের ভেতরে ছোট একটি ট্রান্সফরমার ও সার্কিট থাকে, যা বিদ্যুৎ লাইনের সঙ্গে যুক্ত থাকলে খুব অল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। তবে এই বিদ্যুৎ খরচ এতটাই কম যে সাধারণত তা মাসিক বিদ্যুৎ বিলের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না।

    কতটা বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে? আধুনিক স্মার্টফোন চার্জার সাধারণত স্ট্যান্ডবাই অবস্থায় প্রায় ০.১ থেকে ০.৫ ওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যদি একটি চার্জার সারাক্ষণ প্লাগে লাগানো থাকে, তাহলে পুরো মাসে এর বিদ্যুৎ খরচ দাঁড়াতে পারে আনুমানিক ০.১ থেকে ০.২ ইউনিট।

    বাসাবাড়ির মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় এটি অত্যন্ত সামান্য। ফলে শুধুমাত্র চার্জার প্লাগে লাগানো থাকার কারণে বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে না। তাহলে কেন চার্জার খুলে রাখা ভালো? কারণ বিদ্যুৎ খরচ কম হলেও চার্জার প্লাগে লাগিয়ে রাখার কিছু ঝুঁকি রয়েছে।

    আরও কিছু কারণ আছে যে কারণে চার্জার প্লাগ থেকে খুলে রাখা ভালো-

    ১. অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অপচয়। যদিও খুব কম, তবুও বিদ্যুৎ অপচয় হয়। পরিবেশগত দিক থেকে এটি এড়িয়ে চলা ভালো।

    ২. চার্জারের ক্ষতি হতে পারে। দীর্ঘ সময় প্লাগে লাগানো থাকলে চার্জারের ভেতরের সার্কিট ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ৩. অতিরিক্ত তাপের ঝুঁকি আছে। নিম্নমানের চার্জার হলে অতিরিক্ত তাপ তৈরি হতে পারে, যা আগুন লাগার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

    ৪. বজ্রপাত বা ভোল্টেজ ওঠানামার সময় চার্জার সুরক্ষিত রাখতে। হঠাৎ ভোল্টেজ ওঠানামা হলে চার্জার নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

  • ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বা’লানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করল সরকার

    ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বা’লানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করল সরকার

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশন থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে।

    ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলারেরা বিগত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়, কিছু কিছু ভোক্তা ও ডিলার ফিলিং স্টেশন হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

    দেশের জনগণের ভয়/আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে যে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারাদেশের সকল ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগণ/ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে। আশাকরা যাচ্ছে যে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুদ) গড়ে উঠবে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি কর্তৃক উল্লিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। ২. ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিল প্রদর্শন করতে হবে। ৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। ৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে। ৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি দেওয়া যাবে না।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়/বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতিমাসের শুরুতে সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার অদ্যবধি কোনরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বর্ণিত অবস্থায় দেশের সকল ভোক্তা/ডিলারদের বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হলো।

  • বাংলাদেশে জ্বা’লানির মজুত কত? চলবে যত দিন

    বাংলাদেশে জ্বা’লানির মজুত কত? চলবে যত দিন

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চলছে আলোচনা। দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।

    গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

     

    তিনি জানান, জ্বালানির মধ্যে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুদ রয়েছে।

    তিনি আরো জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।

    সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পরিশোধিত জ্বালানিতে তাৎক্ষণিক সংকট না থাকলেও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটলে চাপ তৈরি হতে পারে।

    বিপিসি’র মজুতের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জ্বালানি তেলের মজুত ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে আরো দুটি জাহাজ চট্টগ্রামে তেল নিয়ে এসেছে, যার একটির খালাস শুরু হয়েছে।

    তবে কোনো কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট আরো ঘনীভূত হলে জ্বালানি তেল আমদানিতে সংকট বাড়তে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বাইকে ২, প্রাইভেট কারে ১০ লিটার তেল নিতে পারবে—কোন গাড়িতে কত?

    বাইকে ২, প্রাইভেট কারে ১০ লিটার তেল নিতে পারবে—কোন গাড়িতে কত?

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশন থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল।

    স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

    বিপিসি জানিয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলারেরা বিগত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়, কিছু কিছু ভোক্তা ও ডিলার ফিলিং স্টেশন হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

    দেশের জনগণের ভয়/আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে যে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারাদেশের সকল ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগণ/ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে। আশাকরা যাচ্ছে যে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুদ) গড়ে উঠবে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি কর্তৃক উল্লিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। ২. ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিল প্রদর্শন করতে হবে। ৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। ৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে। ৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি দেওয়া যাবে না।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়/বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতিমাসের শুরুতে সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার অদ্যবধি কোনরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বর্ণিত অবস্থায় দেশের সকল ভোক্তা/ডিলারদের বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হলো।

  • সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১২ নির্দেশনা

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১২ নির্দেশনা

    জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাকে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় সব প্রতিষ্ঠানে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে এসংক্রান্ত একটি জরুরি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব তানিয়া আফরোজ।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, বৈশ্বিক এই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    ওই পরিপত্রে ১২টি নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেছে মন্ত্রিপরিষদ। সেগুলো হলো :

    ১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

    ২. বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।

    ৩. অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।

    ৪. এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা অবশ্যই ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখতে হবে।

    ৫. অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।

    ৬. অফিসের করিডর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

    ৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে।

    ৮. অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন : লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।

    ৯. যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।

    ১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।

    ১১. জ্বালানি তেল ও গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী হতে হবে।

    ১২. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।

  • ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    চলতি বছরের পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আগামী ২০ মার্চ শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক বিশ্লেষণ

    ইমেরাতস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, আগামী ১৮ মার্চ বুধবার আকাশে নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

    ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার দুবাই সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে নতুন চাঁদের জন্ম হবে এবং ওই দিন সূর্যাস্তের পর প্রায় ২৯ মিনিট পর্যন্ত চাঁদ দিগন্তের ওপরে অবস্থান করবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে ওই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। সেই হিসেবে ২০ মার্চ শুক্রবার শাওয়াল মাস শুরু হওয়ার অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

    বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট

    আল জারওয়ান আশা প্রকাশ করেছেন যে, আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের এই সূচকগুলোর ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম দেশ এবার একই দিনে ঈদ শুরুর বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে।

    তবে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রতিটি দেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির পক্ষ থেকেই আসবে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের এক দিন পর বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় যদি সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ২০ মার্চ ঈদ হয়, তবে বাংলাদেশে ২১ মার্চ শনিবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২১ মার্চ সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরে ছুটির ক্যালেন্ডার সাজিয়েছে।

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই নতুন পূর্বাভাস সরকারি সেই পরিকল্পনার সঙ্গেই মিলে যাচ্ছে।

  • ঈদে ছুটি বাড়ল

    ঈদে ছুটি বাড়ল

    পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এর ফলে এবার কার্যত ছুটি হবে মোট সাত দিন। এক দিন বাড়িয়েছে সরকার।

    বৈঠক শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাংবাদিকদের এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবেকদরের নির্ধারিত ছুটির পর ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে শবেকদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি মিলিয়ে টানা ৭ দিন বন্ধ থাকবে সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।’

    চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি।

    ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুই দিনসহ মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সব মিলিয়ে ঈদুল ফিতরের ছুটি পাঁচ দিন। ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবেকদরের ছুটি। ১৮ মার্চ ছুটি অনুমোদন দিল মন্ত্রিপরিষদ।সব মিলিয়ে ঈদুল ফিতরে টানা ৭ দিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।’

  • ঈদের ছুটি হতে পারে টানা ৭ দিন, শুরু যেদিন

    ঈদের ছুটি হতে পারে টানা ৭ দিন, শুরু যেদিন

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি ৫ দিন নির্ধারিত থাকলেও তা আরও বাড়তে পারে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে একদিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে আগামী ১৬ মার্চ অফিস করেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে।

    বুধবার (৪ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ঈদ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এই ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    আরবি শাবান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে। ঈদকে কেন্দ্র করে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের সাধারণ ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে রেখেছে সরকার।

    এর আগে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শবে কদরের ছুটি রয়েছে। মাঝখানে ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে টানা ৭ দিনের ছুটি মিলবে। 

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র অনুযায়ী, ১৮ মার্চ ছুটির প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি ৭ দিনে গড়াবে।

    গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায় এবং পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম রোজা শুরু হয়। সেই হিসেবে আগামী ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ১৬ মার্চ থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটি শুরু

    ১৬ মার্চ থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটি শুরু

    আসন্ন ঈদুল ফিতরে নাড়ির টানে বাড়িফেরা মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে এক দিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে আগামী ১৬ মার্চ অফিস করেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে।

    সরকারি ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হবে বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

    এর ফলে ১৬ মার্চ অফিস করেই শুরু হবে ঈদ ছুটি।

    এদিকে ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ঈদের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি রয়েছে।

    ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের ছুটির পরেও টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।