Category: Uncategorized

  • ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির নাগরিক

    ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির নাগরিক

    আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আপাতত ১৪ উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে এ কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

    বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

    নির্বাচনে জয়লাভের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কর্মসূচি শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগেই হতদরিদ্রদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।

    জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডের এই সুবিধা সব শ্রেণির মানুষ পাবেন না। এই সুবিধার আওতার বাইরে থাকবেন ৬ শ্রেণির মানুষ।

    তাদের বাইরে রেখেই ‘ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা’ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    এই ৬ শ্রেণির নাগরিক হলেন— ১. পরিবারের কেউ সরকারের পেনশনভোগী থাকলে, ২. বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী, ৩. গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদের মালিক হলে, ৪. পরিবারের সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে, ৫. বাণিজ্যিক লাইসেন্স থাকলে, ৬. বড় ব্যবসা থাকলে।

    এদিকে, হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত— এই তিন শ্রেণির সবাই আগেই কার্ড পাবেন। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে সরকার।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নামে এ নীতিমালা করেছে। এ কর্মসূচির মূল দর্শন হচ্ছে— ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। নীতিমালাটি খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

  • বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নটা কখনও খেয়াল করেছেন, জানেন কি এর অর্থ? জেনে নিন

    বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নটা কখনও খেয়াল করেছেন, জানেন কি এর অর্থ? জেনে নিন

    ঘরে বাইরে এখন প্লাস্টিকের পেট বোতলের ছড়াছড়ি। খাবার রাখা থেকে পানি রাখা- সবেতেই এই প্লাস্টিক বোতল । কিন্তু, কখনও আমরা কেউ খেয়াল করি না প্লাস্টিকের বোতলের গায়ে থাকা চিহ্নগু’লিকে।
    পড়ে গেলে চট করে ফেটে যায় না। বোতল পরিষ্কার করাও সোজা। ব্যবহারের এমন সোজা-সা’পটা সুবিধায় প্লাস্টিকের বোতলের চল বাড়তে বাড়তে এখন জীবনের অ’ঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে

    কিন্তু, আমরা না বুঝেই দিনের পর দিন এই সব প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করে থাকি। অনেকে তো বাচ্চার দুধ ভর্তি প্লাস্টিকের ফিডিং বোতলটাই গরম করে বসেন। প্লাস্টিক বোতলের এমন যথেচ্ছ ব্যবহার আদপেও কি স্বাস্থ্যকর? এ বি’ষয়ে বাছ-বিচার আমরা করি না। তাই প্লাস্টিক বোতলের তলায় থাকা ত্রিকোণ চিহ্নের মানেটা বুঝে নিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে নিমেষে।
    প্লাস্টিকের বোতলের নিচের চিহ্ন

    ১. ত্রিকোণ চিহ্ন- এটা আসলে প্লাস্টিক বোতলের চারিত্রিক ইনডেক্স। এই চিহ্নটা থাকলে বোঝা যায় বোতলটি বিধিসম্মতভাবে তৈরি। কিন্তু, বোতলটা ব্যবহারের কতটা নির্ভরযোগ্য বা কী ধরনের জিনিস তাতে রাখা যাবে তা ত্রিকোণ চিহ্নের মধ্যে থাকা সংখ্যা দ্বারা বোঝা যায়।২. ত্রিকোণের মাঝে ১ সংখ্যা থাকলে- এর মানে বোতলটি একবারই মাত্র ব্যবহার করা যাবে এবং বোতলটিতে পলিথিলিন টেরেপথ্যালেট প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরনের বোতল বহুব্যবহারে স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক।

    ৩. ত্রিকোণের মধ্যে ২ সংখ্যা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিক বোতলে ঘন পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের বোতল ব্যবহার হয়।৪. ত্রিকোণের মধ্যে ৩ সংখ্যা থাকলে- এই ধরনের বোতল বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, এই বোতল তৈরি হয় ‘পোলিভিনিল ক্লোরাইড’ বা ‘পিভিসি’ থেকে। এতে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ‘পিনাট বাটার’ রাখতে এই বোতল ব্যবহার করা হয়।

    ৫. ত্রিকোণের মধ্যে ৪ সংখ্যা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিক বহু ব্যবহারের উপযোগী। বিশেষ করে, প্লাস্টিকের প্যাকেটে এই চিহ্ন প্রচুর দেখা যায়। খুব দামি বোতলে এই চিহ্ন থাকে।

    ৬. ত্রিকোণের মধ্যে ৫ সংখ্যা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিক একদম নিরাপ’দ এবং ব্যবহারের যোগ্য। আইক্রিম কাপ বা সিরাপের বোতল অথবা খাবারের কন্টেনারে এই ধরনের চিহ্ন দেখা যায়।

    ৭. ত্রিকোণের মধ্যে ৬ অথবা ৭ সংখ্যা থাকলে- প্লাস্টিকের রে’ড কার্ড বলা হয় একে। এই ধরনের প্লাস্টিক মা’রাত্মক রকমের ক্ষ’তিকারক। কারণ এই ধরনের প্লাস্টিক তৈরি হয় পলিস্টিরিন এবং পলিকার্বনেট বিসপেনল-এ। এটা মানুষের মধ্যে হরমোন সমস্যা তৈরি করে। ক্রমাগত এই ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ায়।

  • নখ কা’টার মেশিনে এই ফুটোটার কী কাজ? জেনে নিন অবাক হবেন

    নখ কা’টার মেশিনে এই ফুটোটার কী কাজ? জেনে নিন অবাক হবেন

    নখ কাটার পাশাপাশি আমরা নেইল কাটার বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু আপনি কি নেইল কাটারের পিছনে তৈরি একটি ছোট ফুটোটা কী কাজে লাগে জানেন? এই ফুটো অনেক কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    – নেইল কটারের ব্লেডটি নিচের এই ফুটোটির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা এটিকে ঘোরাতে, খুলতে ও বন্ধ করতে সহায়তা করে।

    – এই ফুটোটি ব্যবহার করে রিং বা চেইন তৈরি বা সাজসজ্জা তৈরির মতো কারুকাজ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    – নখের টুকরো যদি নেইল কাটারে আটকে যায়। তবে আমরা এই ফুটোটা দিয়ে বের করতে ব্যবহার করতে পারি।

    – অ্যালুমিনিয়াম বা এই জাতীয় তার বাঁকানোর জন্য আপনি নেইল কাটারের নিচে তৈরি এই গর্তটিও ব্যবহার করতে পারেন।

    – এই ফুটোতে চাবি লাগিয়ে রাখতে পারেন। মানে চাবির রিং হিসেবে নেইল কাটার ব্যবহার করা যাবে।

  • ‘মনটা তরুণ থাকলেই হয়, বয়স বড় বিষয় নয়’

    ‘মনটা তরুণ থাকলেই হয়, বয়স বড় বিষয় নয়’

    ৭০ বছর বয়সী এক হাকিমের সঙ্গে এক তরুণীর বিয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গতকাল থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। এ প্রেক্ষাপটে এক গণমাধ্যমকর্মী নবদম্পতির সঙ্গে কথা বলেন।

    সাক্ষাৎকারে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, তাদের বিয়ে একই সঙ্গে প্রেম ও পারিবারিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    তার ভাষ্য, ‘এটি আমাদের প্রেমের বিয়েও, আবার পারিবারিক বিয়েও। আমরা আগে একে অপরকে পছন্দ করেছি, ভালোবেসেছি—পরে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছে।’

    পাশে থাকা তার স্ত্রীও স্বামীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, দুজনের সম্মতি ও পরিবারের জানাশোনার মধ্য দিয়েই বিয়ে হয়েছে।

    বয়সের ব্যবধান নিয়ে সমালোচনার জবাবে বর বলেন, ‘মনটা তরুণ থাকলেই হয়, বয়স বড় বিষয় নয়। তিনি তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। শরিয়তসম্মতভাবে বিয়ে করেছি। এতে দোষের কী আছে?’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো অবৈধ সম্পর্কে জড়াইনি। অথচ যারা সমালোচনা করছেন, তাদের অনেকে সম্পর্ক করেন কিন্তু বিয়ে করেন না—প্রতারণা করেন।’

    স্ত্রীও বলেন, আন্তরিক ভালোবাসা থাকলে বয়স বাধা হওয়া উচিত নয়। সৎ উদ্দেশ্য থাকলে বিয়ে বিলম্ব করা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিয়ে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বয়সের বড় পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, আবার কেউ বৈধ বিয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমর্থন জানাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে অনলাইন জুড়ে বিতর্ক এখনো চলছে।

    সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

  • পে-স্কেল নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনা কী, যা জানালেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    পে-স্কেল নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনা কী, যা জানালেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, কর্মচারীরা পে-স্কেল পাবেন, তবে এর জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

    এদিন সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দফতরে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপ-সচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা।

    সাক্ষাৎ শেষে কর্মচারী নেতা এম এ হান্নান সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রতিমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেছেন। জোনায়েদ সাকি তাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন, তাই আপনারা আস্তে-ধীরে পে-স্কেল পাবেন। তবে এখনই সবটা সম্ভব নয়, একটু সময় লাগবে। আপনারা ধৈর্য ধরুন।’ তবে পে-স্কেল বাস্তবায়নে ঠিক কতদিন সময় লাগতে পারে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি।
     

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিগত সময়ে পে-স্কেলের দাবিতে চলা বিভিন্ন আন্দোলনে জোনায়েদ সাকি যেভাবে কর্মচারীদের পক্ষে রাজপথে সোচ্চার ছিলেন, নেতারা সেই স্মৃতি তাকে স্মরণ করিয়ে দেন। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে সরকারের সীমাবদ্ধতা ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও জানান, পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি।

    উল্লেখ্য, নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গত বছরের ২৭ জুলাই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি পে-কমিশন গঠন করেছিল। সেই কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। এখন সরকারি কর্মচারীদের প্রধান দাবি হলো, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সংগতি রেখে অতি দ্রুত এই সুপারিশ বাস্তবায়ন ও নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা।

  • সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ

    নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও অফিস ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এসব চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদের চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ এর নির্দেশ মোতাবেক সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধীন দপ্তর/সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে।‌ 

    মাঠ পর্যায়ের সব অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে স্ব স্ব কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণক্রমে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

  • ইউনুসের জামিনে ক্ষু’ব্ধ আইনজীবীরা

    ইউনুসের জামিনে ক্ষু’ব্ধ আইনজীবীরা

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে বরিশালে দুটি আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতারা।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তারা বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারিক কার্যক্রম বর্জন করেন।

    বর্জন কর্মসূচির সময় বক্তব্য দেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতা হাফেজ উদ্দিন আহমেদ খান বাবলু। তিনি বলেন, ‘জামিন অযোগ্য ধারায় দায়ের করা মামলায় এভাবে জামিন দেওয়ার সুযোগ নেই।

    এ সময় তিনি দাবি করেন, মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও তার অনুপস্থিতিতে জামিন শুনানি হয়েছে এবং তাকে শুনানিতে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। শুনানিতে কেবল রাষ্ট্রপক্ষের তিনজন ও আসামিপক্ষের তিনজন আইনজীবী অংশ নেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে একের পর এক জামিন দিলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। অজামিনযোগ্য ধারায় আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটালে তার দায় সরকারের ওপর বর্তাবে।

    আদালত সূত্র জানায়, সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণের পর একটি মামলায় জামিন পান তালুকদার মো. ইউনুস। শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. শরীয়তউল্লাহ তার জামিন মঞ্জুর করেন।
     
    মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল সদর রোড এলাকায় বিএনপির একটি দলীয় কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। 

    অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের তিন থেকে চার শ নেতাকর্মী রামদা, জিআই পাইপ, হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান।

    এই ঘটনার প্রায় সাত বছর পর, ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নালিশি অভিযোগ করেন সদর উপজেলার টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি ছরোয়ার হোসেন। বরিশাল মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে দায়ের করা ওই মামলায় একাধিক প্রভাবশালী নেতার নাম উল্লেখ করা হয়। মামলার প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। 
     
    অন্য উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, তালুকদার মো. ইউনুস, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বলরাম পোদ্দার এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দুই ভাই মইনউদ্দীন আব্দুল্লাহ ও আশিক আব্দুল্লাহ।

    বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ওবায়দুল্লাহ সাজু বলেন, ‘মামলার আরেক আসামি অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার আগে থেকেই জামিনে ছিলেন।

    তালুকদার মো. ইউনুসের বিরুদ্ধে এই মামলায় সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকায় আদালতে আইনি ব্যাখ্যা উপস্থাপনের পর বিচারক জামিন মঞ্জুর করেছেন।’
    তিনি জানান, ইউনুসের বিরুদ্ধে থাকা আরেকটি মামলা বর্তমানে পুলিশ তদন্ত করছে এবং ওই মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের আগ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    জানা গেছে, তালুকদার মো. ইউনুস বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতিও ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি নিয়মিত আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন। গত ৫ আগস্টের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং ওই সময় তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা হয়।

  • সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ, সব জেলায় চিঠি

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ, সব জেলায় চিঠি

    নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও অফিস ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এসব চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদের চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ এর নির্দেশ মোতাবেক সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধীন দপ্তর/সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে।‌ 

    মাঠ পর্যায়ের সব অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে স্ব স্ব কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণক্রমে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

  • ৪ ধরনের শিক্ষার্থীদের ভাতা দেবে সরকার, পাবেন যারা

    ৪ ধরনের শিক্ষার্থীদের ভাতা দেবে সরকার, পাবেন যারা

    দেশের অসচ্ছল, অসুস্থ ও দুর্ঘটনায় আহত ক্রীড়াবিদ এবং কৃতি ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের ভাতা দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য ‘জাতীয় ক্রীড়া ভাতা’ ও ‘ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি’ প্রদান করতে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।.

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃতি ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি এবং অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জাতীয় ক্রীড়া ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যে অনলাইন আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

    আগ্রহী ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষার্থীরা আগামী ৭ মার্চ রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন দাখিল করতে পারবেন। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজস্ব মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

    জাতীয় ক্রীড়া ভাতা আবেদন লিংক: sports-allowance.online.info.bd

    ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি আবেদন লিংক: sports-edu.online.info.bd

  • বঙ্গভবন ঘেরাও, সেই রাতে রাষ্ট্রপতিকে ফোনে যা বলেছিলেন নাহিদ

    বঙ্গভবন ঘেরাও, সেই রাতে রাষ্ট্রপতিকে ফোনে যা বলেছিলেন নাহিদ

    ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবরের সেই উত্তপ্ত রাত ছিল রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের জীবনের অন্যতম এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা। বঙ্গভবন ঘেরাও এবং তার পদত্যাগের দাবিতে যখন চারদিকে চরম উত্তেজনা, ঠিক সেই মুহূর্তে তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের একটি ফোন কল পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। সম্প্রতি বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সেই রাতের স্মৃতিচারণা করেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবরের সেই রাত ছিল তার জীবনের অন্যতম বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা।

    তিনি বুঝতে পারছিলেন না কারা এর সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন পর্যায় থেকে নানা গুঞ্জন আসতে থাকে।

    রাষ্ট্রপতি জানান, একপর্যায়ে রাত ১২টার দিকে নাহিদ ইসলাম তাকে ফোন করল যে, ‘এরকম একটা খবর পাওয়া গেছে, ওরা আমাদের লোক না। আমি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। এগুলো সব আমরা ডিসপার্স করার চেষ্টা করছি।’

    রাষ্ট্রপতির ভাষায়, কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায় কিছু স্থানীয় ব্যক্তি এসে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশকে নিয়ে চলে যায়। তবে সবাই সরে যায়নি। একটি অংশ থেকে যায় এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত ২টা পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

    সেদিন রাত ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ও বঙ্গভবনের ভেতরে থাকা অন্যরা জেগেই ছিলেন। বাইরে তখনও ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় বৈঠক চলছিল। রাজু ভাস্কর্য এলাকা থেকে শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দল বেঁধে ‘রাষ্ট্রপতির অপসারণ চাই’ স্লোগান ওঠে।

    এ ঘটনার প্রেক্ষাপট টানতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ২২ অক্টোবর হঠাৎ করেই বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়। অমুকের দল, তমুকের দল, ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই ঐক্য-নানা নামে রাতারাতি গজিয়ে ওঠা প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে একই ধরনের লোকজন রাস্তায় নামে।

    তার প্রশ্ন, এত বড় কর্মসূচির অর্থের জোগান তারা কোথা থেকে পেল?

    ঘেরাওয়ের পরপরই সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশন থেকে সদস্যরা এসে বঙ্গভবনের চারপাশে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে। এরমধ্যেই একটি ঘটনা রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে। একটি মেয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপর উঠে লাফ দেয়। রাষ্ট্রপতির মতে, পুরো ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত এবং ভাড়াটিয়া চরিত্রের। সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর মেয়েটি মাটিতে পড়ে থাকে এবং ক্যামেরাম্যানকে উদ্দেশ করে ছবি তুলতে আহ্বান জানাতে থাকে।

    রাষ্ট্রপতির ভাষায়, এর উদ্দেশ্য ছিল ছবি ব্যবহার করে পরিস্থিতিকে কাজে লাগানো এবং ব্ল্যাকমেইলের সুযোগ তৈরি করা। পরে নারী পুলিশ ও নারী সেনাসদস্যরা তাকে টেনেহিঁচড়ে তুলে সেনাবাহিনীর জিপে করে সরিয়ে নেয়।

    তথ্যসূত্র : কালের কণ্ঠ