Category: Uncategorized

  • ঈ’দে মি’লাদু’ন্ন’বী উপলক্ষে ২৬ আগস্ট ছু’টি পাবেন না যারা

    ঈ’দে মি’লাদু’ন্ন’বী উপলক্ষে ২৬ আগস্ট ছু’টি পাবেন না যারা

    আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডশেন।

    এদিন সরকারি ছুটি থাকবে। তবে সবাই এই ছুটি ভোগ করতে পারবেন না।

    প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আকাশে বৃহস্পতিবার ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে।

    শনিবার (১৫ আগস্ট) থেকে ১৪৪৮ হিজরি সালের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা শুরু হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। ফলে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে। তবে সবাই এই ছুটি ভোগের সুযোগ পাবেন না।

    পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আগামী ২৬ আগস্ট সারা দেশে সরকারি সাধারণ ছুটি থাকবে। তবে এই ছুটি সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হবে না।

    এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, অগ্নিনির্বাপণ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, বন্দর, বিমানবন্দর, রেলওয়ে, গণপরিবহন, কারাগার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন জরুরি সেবায় নিয়োজিতরা রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ডিউটি রোস্টার অনুযায়ী তাদের কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

    জরুরি পরিসেবার আওতায় থাকা বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাকসেবা, হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং কর্মীদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য হয় না।

    এ ছাড়া ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন, জরুরি যানবাহন ও দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীরাও ছুটির আওতার বাইরে থাকেন।

    এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরে ব্যাংক খোলা থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আদালত খোলা বা বন্ধ থাকবে কি না, তা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করেন।

  • জানা গেল একাদশ শ্রেণিতে ভ’র্তির আ’বেদন ও ক্লাশ শুরুর তা’রিখ

    জানা গেল একাদশ শ্রেণিতে ভ’র্তির আ’বেদন ও ক্লাশ শুরুর তা’রিখ

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদন গ্রহণ চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অনলাইন আবেদন ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। এরপর ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ক্লাস।

    চেয়ারম্যান আরও জানান, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালায় গত বছরের মতোই নিয়ম রাখা হবে। শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর দ্রুত নীতিমালা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম শেষে ১২ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওই প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ায় ভর্তি আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • একাদশে ভর্তি প্র’ক্রিয়া’য় বড় প’রিব’র্তন, এগিয়ে আসছে ক্লাস

    একাদশে ভর্তি প্র’ক্রিয়া’য় বড় প’রিব’র্তন, এগিয়ে আসছে ক্লাস

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনা হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে সংশোধিত নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এটি অনুমোদন হলে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন নেওয়া এবং ভর্তি কার্যক্রম শেষে ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা ছিল। তাতে সায় দেননি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    ঢাকা বোর্ড সূত্র জানায়, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এবারও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। ভর্তি পরীক্ষা হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

    নতুন নিয়মে ভর্তি আবেদন যেভাবে
    বিগত বছরগুলোতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীরা তিন ধাপে অনলাইনে একাদশে ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ পেতো। তবে এ বছর প্রথম পর্যায়ে একবারই সুযোগ পাবে। যেহেতু আবেদনের সুযোগ একবারই, সেহেতু আগের মতো মাইগ্রেশনের সুযোগও আর থাকছে না।

    একাদশে ভর্তি কীভাবে, আবেদন শুরু কবে
    তবে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা আরেকবার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে কেউ বাদ পড়ে থাকলে বা কোনো কারণে নিশ্চয়ন না করলে বা কলেজ না পেলে সে-ও আবার আবেদনের সুযোগ পাবে।

    ভর্তি শেষ হবে দ্রুত, সেপ্টেম্বরে ক্লাস শুরুর নির্দেশ
    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রাথমিক প্রস্তাবে ১৫ সেপ্টেম্বর ভর্তির আবেদন শুরুর কথা ছিল। তাতে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ভর্তি এবং ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর প্রস্তাব ছিল।

    কিন্তু বৈঠকে এ প্রস্তাবে সায় দেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ, অর্থাৎ শুরুর দিকেই অনলাইন আবেদন শুরু হবে। এছাড়া, একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে। যারা পুনর্নিরীক্ষার পর আবার আবেদন করে কলেজ পরিবর্তন করবে, তাদের ক্লাস আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যেই শুরু হবে।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে। আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করছি, শিগগির এটি চূড়ান্ত হবে। এ নীতিমালাটি জারি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    নীতিমালায় পরিবর্তনের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনা খুবই জরুরি। এজন্য ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস এগিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সেগুলো মাথায় রেখে আমরা নীতিমালা করেছি। এসব ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।

    জানা যায়, অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ভর্তিপ্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ১ জুলাই থেকে। কিন্তু গত কয়েক বছর নানান কারণে তা হয়ে ওঠেনি। গত বছর এসএসসির ফল প্রকাশ হয় ওই বছরের ১০ জুলাই।

    ভর্তিপ্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হয় ১৫ সেপ্টেম্বর। কিন্তু এ বছর এসএসসির ফল প্রকাশ হয়েছে ১০ আগস্ট। এরপরও যে কোনোভাবে গত বছরের কাছাকাছি সময়ে ক্লাস শুরু করতে চায় মন্ত্রণালয়।

    অর্ধেকের বেশি আসন খালি থাকবে
    গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।

    সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদরাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবার মোট আসনের অর্ধেকের বেশি খালি থাকবে। তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোয় আসনসংখ্যা সীমিত।

  • প্রতিদিন ক’লা খা’ওয়ার এই উ’পকা’রিতাগুলো জানতেন? জেনে নিন উপকারে আসবে

    প্রতিদিন ক’লা খা’ওয়ার এই উ’পকা’রিতাগুলো জানতেন? জেনে নিন উপকারে আসবে

    কলা এমন একটি জনপ্রিয় ফল যা সারাবছরই পাওয়া যায়। এটি আমাদের খাদ্যতালিকার অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। অনেকে যাত্রাপথে সহজে খাওয়ার জন্য, স্কুলের লাঞ্চ ব্যাগে কিংবা অফিসে হালকা নাস্তা হিসেবে রেখে থাকেন। তবে নিয়মিত কলা খেলে কি সত্যিই কোনো স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়, নাকি এটি কেবলই একটি অভ্যাস? চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন কলা খেলে কী হয়-

    ১. ব্যায়ামের আগে প্রাকৃতিক জ্বালানি

    পাকা কলা তার দ্রুত রূপান্তরিত হওয়া প্রাকৃতিক শর্করার মাধ্যমে, প্রশিক্ষণের ঠিক আগে শরীরকে দ্রুত ও ব্যবহারযোগ্য শক্তি জোগায়। অ্যাপালেচিয়ান স্টেট ইউনিভার্সিটির একটি যুগান্তকারী গবেষণা PLOS ONE-এ প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় ৭৫ কিলোমিটারের একটি কঠিন সাইক্লিং টাইম ট্রায়ালের সময় কলা খাওয়া সাইক্লিস্টদের সাথে ৬% কার্বোহাইড্রেটযুক্ত স্পোর্টস ড্রিংক পান করা সাইক্লিস্টদের তুলনা করা হয়।

    ফলাফলে দেখা গেছে, দুটি দলের মধ্যে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বা সাইক্লিং পারফরম্যান্সে কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। এটি প্রমাণ করে যে, একটি কলা সত্যিই বিশেষভাবে তৈরি স্পোর্টস ড্রিংকের মতোই কার্যকরভাবে তীব্র ব্যায়ামের জন্য শক্তি জোগাতে পারে।

    ২. পেশীর কার্যকারিতা বাড়ায়

    কলা সাধারণত পটাশিয়ামের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং স্বাভাবিক পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতার সঙ্গে জড়িত। স্বাভাবিক পেশী সংকোচনের জন্য পটাশিয়াম অপরিহার্য। যখন আপনি ব্যায়াম করেন এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে তরল বেরিয়ে যায়, তখন পর্যাপ্ত পরিমাণে ইলেক্ট্রোলাইট গ্রহণ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা কম থাকলে ব্যায়াম-জনিত খিঁচুনির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই, এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজটির ঘাটতি পূরণের জন্য কলা একটি সহজ ও কার্যকরী উপায় হতে পারে।

    ৩. কম পাকা কলা স্থিতিশীল শক্তি দেয়

    সব কলা একই ধরনের কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে না। পাকার ওপর নির্ভর করে কলার কার্বোহাইড্রেটের গঠন পরিবর্তিত হয়।পাকা কলার চেয়ে কাঁচা বা কম পাকা কলায় বেশি প্রতিরোধী শ্বেতসার (রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ) থাকে। প্রতিরোধী শ্বেতসার ধীরে ধীরে হজম হয় এবং  এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে ও স্থিতিশীল শক্তি সরবরাহে সহায়তা করতে পারে।

    ৪. দ্বি-পর্যায়ে শক্তি সরবরাহ করে

    পাকার ওপর নির্ভর করে কলায় দ্রুত হজমযোগ্য শর্করা এবং ধীরে হজম হওয়া ফাইবার বা স্টার্চের মিশ্রণ থাকে। সারাদিন ধরে শুধু হালকা খাবার হিসেবে খাওয়ার পরিবর্তে প্রশিক্ষণের আগে ও পরে শক্তির উৎস হিসেবে এগুলো দারুণ কাজ করে।

    ৫. শরীরকে আর্দ্র করতে সাহায্য করে

    ব্যায়ামের সময় পটাশিয়াম হলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট যা শরীর থেকে নিঃসৃত হয়। ব্যায়ামের পর এটি পূরণ করলে শরীরের তরলের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যায়ামের পর, সাধারণ পানি পানের চেয়ে ভালোভাবে শরীরকে আর্দ্র করতে সাহায্য করে।

  • নতুন জু’তা প’রলেই পা’য়ে ফো’স্কা পড়ে? এ’ড়ানো’র উ’পায়

    নতুন জু’তা প’রলেই পা’য়ে ফো’স্কা পড়ে? এ’ড়ানো’র উ’পায়

    নতুন জুতা কেনার আনন্দ অনেক সময়ই ম্লান হয়ে যায় প্রথমবার পরেই। একটু হাঁটতেই গোড়ালি বা পায়ের আঙুলে জুতা ঘষে চামড়া উঠে যায়, তৈরি হয় ব্যথাযুক্ত ফোস্কা। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ব্যান্ডেজ বা ব্যান্ড-এইড ব্যবহার করেন। তবে এটি সাময়িকভাবে ক্ষত ঢেকে রাখলেও সমস্যার মূল কারণ দূর করে না।

    চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন জুতার শক্ত অংশের সঙ্গে ত্বকের অতিরিক্ত ঘর্ষণের কারণেই ‘শু বাইট’ বা ফোস্কা তৈরি হয়। তাই জুতা পরার পর চিকিৎসা করার চেয়ে, আগে থেকেই কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করলে এই সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

    পেট্রোলিয়াম জেলি বা নারিকেল তেল ব্যবহার করুন

    নতুন জুতা প্রথম কয়েকবার পরার আগে জুতার শক্ত হিল বা ভেতরের শক্ত অংশে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে সারারাত রেখে দিতে পারেন। এতে জুতোর উপাদান কিছুটা নরম হয়ে যায়। পাশাপাশি জুতা পরার আগে গোড়ালি বা আঙুলের পাশে সামান্য নারিকেল তেল লাগালে ত্বকের ওপর একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি হয়, যা ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।

    ট্যালকম পাউডার ছড়িয়ে নিন

    অতিরিক্ত ঘাম জুতার ভেতরে ঘর্ষণ বাড়িয়ে ফোস্কার ঝুঁকি তৈরি করে। এ ক্ষেত্রে ট্যালকম পাউডার কার্যকর হতে পারে। জুতা পরার আগে পা এবং জুতার ভেতরে অল্প পরিমাণ পাউডার ছড়িয়ে নিলে এটি ঘাম শুষে নেয় এবং পা শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঘর্ষণ কমে যায়।

    শুকনো সাবান ঘষে নিন

    নতুন জুতার যে অংশ বেশি শক্ত বা ধারালো মনে হয়, সেখানে শুকনো সাবানের টুকরো হালকা করে ঘষে নিতে পারেন। সাবানের মসৃণ স্তর জুতার ভেতরের ঘর্ষণ কমিয়ে দেয়, ফলে হাঁটার সময় ত্বকে কম চাপ পড়ে এবং ফোস্কা হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

    আরও কিছু পরামর্শ

    নতুন জুতা প্রথম দিন দীর্ঘ সময় না পরে অল্প সময় ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে মোজা পরে নতুন জুতা ব্যবহার করুন। জুতার মাপ ঠিক আছে কি না, কেনার সময় নিশ্চিত হয়ে নিন। অতিরিক্ত আঁটসাঁট বা ঢিলেঢালা জুতা ফোস্কার ঝুঁকি বাড়ায়।

    সামান্য কিছু প্রস্তুতি নিলেই নতুন জুতার কারণে হওয়া অস্বস্তিকর ফোস্কা এড়ানো সম্ভব। ফলে ব্যথা বা অস্বস্তি ছাড়াই নতুন জুতা পরার আনন্দ উপভোগ করা যাবে।

  • এ’আ’ই’র কাছে এই ৫ প’রাম’র্শ চা’ইবেন না, জেনে নিন

    এ’আ’ই’র কাছে এই ৫ প’রাম’র্শ চা’ইবেন না, জেনে নিন

    প্রযুক্তি জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)-এর ব্যবহার ও গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দৈনন্দিন নানা কাজ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতির আদান-প্রদান—সবক্ষেত্রেই এআইয়ের ওপর নির্ভরশীলতা দিন দিন বাড়ছে মানুষের। 

    তবে মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, এআই কখনোই মানুষের বিকল্প বা প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না। নিজের রূপচর্চা, আবেগ কিংবা আর্থিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত সংবেদনশীল বিষয়ে এআই-কে প্রশ্ন বা পরামর্শ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। 

    ব্যবহারের ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতার কারণে এআই-কে নিচের এই প্রশ্নগুলো করা উচিত নয়- 

    চেহারা ও সৌন্দর্যের মূল্যায়ন: চেহারার সৌন্দর্য বা পোশাক নিয়ে এআইয়ের কাছে মতামত চাওয়া নিরর্থক। বাণিজ্যিক অ্যালগরিদমের কারণে এটি সাধারণত ব্যবহারকারীকে খুশি রাখার চেষ্টা করে। বাস্তব জীবনের একজন বন্ধু যেমন সত্যিটা বলে দিতে পারে, এআই তা পারে না। 

    আবেগ ও ভালোবাসার বিচার: কেউ আপনাকে ভালোবাসে কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে এআই কৃত্রিম সহানুভূতি দেখাতে পারে। কিন্তু মানুষের জটিল অনুভূতি বোঝা বা হৃদয় দিয়ে তা অনুভব করার সক্ষমতা এর নেই। আবেগগত সহায়তার জন্য এআইয়ের বদলে কোনো বন্ধু বা পেশাদার থেরাপিস্টের শরণাপন্ন হওয়াই শ্রেয়। 

    বুদ্ধিমত্তা ও আত্মমর্যাদা: নিজের বুদ্ধিমত্তা বা যোগ্যতা মাপার জন্য এআইয়ের ওপর নির্ভর করা এক ধরনের ভ্রান্তি। এআই সুবিশাল তথ্যের ভাণ্ডার হলেও এটি কোনো অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয়। 

    পুষ্টিগুণে অনন্য দেশি ফল যে কারণে খাবেন

    আর্থিক পরামর্শ: অর্থসংক্রান্ত বা জীবনের জটিল সিদ্ধান্তে এআই অনেক সময় বাস্তবসম্মত হিসাবের বদলে দার্শনিক উত্তর দেয়। তাই আর্থিক হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে পেশাদার হিসাবরক্ষক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। 

    বাস্তব জীবনের সামাজিক ও মানবিক সাহায্য: এআই কোনো রেসিপি তৈরি বা রান্নার টিপস দিতে পারলেও সরাসরি থালা-বাসন মেজে দিতে পারে না। বিপদের দিনে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি ঠিক করা বা ছোট ছোট মানবিক ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়া এআইয়ের পক্ষে সম্ভব নয়। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো নিজস্ব ইচ্ছা বা অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে চলে না; এটি মূলত সার্ভার সংযোগ ও ডেটার ওপর নির্ভরশীল। এআই-কে বন্ধু বা জীবনের আশ্রয় ভাবা একটি ‘ডিজিটাল বিভ্রম’ ছাড়া আর কিছুই নয়। আসল সামাজিক সম্পর্ক, মানুষের সহানুভূতি ও বাস্তব জীবনের বন্ধন ডিজিটাল জগতের কৃত্রিম প্রশংসার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান ও কার্যকর। 

  • ডি’ম ধু’য়ে রাখা ভালো, নাকি বি’পজ্জ’নক? পু’ষ্টি ও খাদ্য প্র’কৌশ’লীর পরামর্শ

    ডি’ম ধু’য়ে রাখা ভালো, নাকি বি’পজ্জ’নক? পু’ষ্টি ও খাদ্য প্র’কৌশ’লীর পরামর্শ

    বাজার থেকে ডিম কিনে বাসা-বাড়িতে নিয়ে আসার পর অধিকাংশ পরিবারের গৃহিণী বা সদস্যরা প্রথমে যে কাজটি করেন, তা হলো ডিম ভালোভাবে ধুয়ে তারপর সংরক্ষণের জন্য রেখে দেন। যা খুবই স্বাভাবিক বলে জানা আমাদের। কারণ, ডিম পরিষ্কার মানেই তা খাওয়ার জন্য নিরাপদ। এরপরও প্রশ্ন থেকে যায়, ডিমের খোসা পরিষ্কার করলেই কি সব জীবাণু দূর হয়? নাকি ভুলভাবে ধোয়া ও সংরক্ষণের কারণে ঝুঁকি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে?

    ডিম পরিষ্কার কিংবা নিরাপদ করতে গিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টির ব্যাপারে চ্যানেল 24 অনলাইনের সঙ্গে আলাপকালে পুষ্টি ও খাদ্য প্রকৌশলী আশিকা আইনিন নাহার বলেন, এসব প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে থাকে ডিমের খোসার গঠন, জীবাণুর আচরণ এবং প্রতিদিনের রান্নাঘরের অভ্যাসের মধ্যে। আবার ডিমের খোসা আমাদের চোখে শক্ত ও অটুট মনে হলেও এটি পুরোপুরি বন্ধ কোনো আবরণ নয়।

    আশিকা আইনিন নাহার বলেন, খোসার মধ্যে অসংখ্য অতি ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। এগুলোর মাধ্যমে ডিমের ভেতর ও বাইরের পরিবেশের মধ্যে গ্যাসের আদান-প্রদান হয়। তবে প্রকৃতি ডিমকে শুধু শক্ত খোসা দিয়ে ছেড়ে দেয়নি। ডিমের খোসার বাইরের দিকে থাকে একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক আবরণ, যাকে বলা হয় কিউটিকল বা প্রাকৃতিক আবরণ। এটি বাইরের জীবাণু ডিমের ভেতরে প্রবেশের সম্ভাবনা কমাতে সাহায্য করে। অর্থাৎ, ডিমের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শুধু খোসা নয়―খোসার বাইরের প্রাকৃতিক সুরক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ।

    ➤ ডিমে জীবাণুর ভয় কোথায়:
    ডিমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত জীবাণুগুলোর একটি হলো স্যালমোনেলা (Salmonella)। এই ব্যাকটেরিয়া খাদ্যজনিত অসুস্থতার কারণ হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, খাবার দেখতে পরিষ্কার হলেই যে সেটি জীবাণুমুক্ত, এমনটা নয়। একটি ডিমের খোসা বাইরে থেকে দেখতে একদম পরিষ্কার মনে হতে পারে, কিন্তু খালি চোখে দেখে তার ভেতরে বা বাইরে কোনো ক্ষতিকর জীবাণু আছে কি-না, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায় না। এ কারণেই খাদ্য নিরাপত্তায় শুধু ‘দেখতে পরিষ্কার’ হওয়া যথেষ্ট নয়।

    ➤ ডিম ধুয়ে নিলে কি সমস্যা হবে:
    বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাড়িতে ডিম ধোয়ার সময় আমরা সাধারণত টিউবওয়েল বা ট্যাপের পানি ব্যবহার করি। কিন্তু পানির তাপমাত্রা, ডিমের তাপমাত্রা, পানির চাপ এবং ধোয়ার পদ্ধতি সবসময় নিয়ন্ত্রিত থাকে না। বিশেষ পরিস্থিতিতে ডিমের বাইরের জীবাণু খোসার ক্ষুদ্র ছিদ্রের মাধ্যমে ভেতরের দিকে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া ডিম ধোয়ার সময় সিঙ্ক, হাত, কাপড় বা রান্নাঘরের বিভিন্ন পৃষ্ঠে কাঁচা ডিমের জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও থাকে।

    এটিই পারস্পরিক জীবাণু ছড়িয়ে পড়া (Cross-contamination)―এক জায়গা বা খাবার থেকে অন্য জায়গা বা খাবারে জীবাণু ছড়িয়ে পড়া। অর্থাৎ, ডিম ধুয়ে নিলাম, তাতে ডিম এখন আরও নিরাপদ, এই ধারণাটি সবসময় সঠিক নয়।

    ➤ আমাদের অভ্যাসটা কেমন:
    বাংলাদেশে বাজার থেকে ডিম এনে অনেক পরিবারই পানি দিয়ে ধুয়ে তারপর সংরক্ষণ করেন। এর পেছনের উদ্দেশ্যও ভালো, ময়লা দূর করা, ডিম পরিষ্কার রাখা এবং পরিবারের জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা। কিন্তু খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে: পরিষ্কার করা আর নিরাপদ করা, দুটি এক জিনিস নয়। কোনো খাবারকে নিরাপদ করতে হলে শুধু তার ওপরের ময়লা সরানো নয়; জীবাণু কীভাবে ছড়ায়, কীভাবে খাবার সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং কীভাবে রান্না করা হচ্ছে, তা সবকিছু বিবেচনা করতে হয়।

    ➤ তাহলে কি ডিম ধোয়া যাবে না:
    এ ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হওয়া জরুরি। ডিম কখনো ধোয়া যাবে না, এমন সরল সিদ্ধান্তও দেয়া ঠিক নয়। কারণ, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডিম উৎপাদন ও বাণিজ্যিকভাবে পরিষ্কার করার পদ্ধতি এক নয়। কিছু দেশে নিয়ন্ত্রিত ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ডিম পরিষ্কার করা হয়। কিন্তু বাড়িতে টিউবওয়েল বা ট্যাপের পানিতে ডিম ধুয়ে তারপর দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা এবং বাণিজ্যিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে ডিম পরিষ্কার করা, দুটি এক বিষয় নয়। তাই সাধারণ ভোক্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ডিম অপ্রয়োজনে ধুয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ না করা এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও রান্না করা।

    ➤ ডিম নিরাপদ রাখার উপায়:

    অপ্রয়োজনে ডিম ধুয়ে সংরক্ষণ করবেন না―শুধু পরিষ্কার দেখানোর জন্য ডিম ধুয়ে রেখে দেয়ার প্রয়োজন নেই।

    ফাটা বা ক্ষতিগ্রস্ত ডিমের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। খোসা ফেটে গেলে বাইরের জীবাণু ডিমের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ বাড়তে পারে।

    কাঁচা ডিম ধরার পর হাত পরিষ্কার করুন। কাঁচা ডিম ধরার পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নেয়া উত্তম।

    রান্নাঘরের পৃষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে হবে। কাঁচা ডিমের সংস্পর্শে আসা পাত্র, কাউন্টার বা অন্যান্য জায়গাও পরিষ্কার রাখা ভালো।

    কাঁচা ডিমের সংস্পর্শে আসা খাবার থেকে অন্য খাবারকে দূরে রাখুন। বিশেষ করে রান্না করা বা সরাসরি খাওয়া যোগ্য খাবারের সঙ্গে কাঁচা ডিমের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।

    ডিম ভালোভাবে রান্না করে খেতে হবে। ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম ভালোভাবে জমাট হওয়া পর্যন্ত রান্না করা খাদ্যজনিত জীবাণুর ঝুঁকি কমানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

    সবশেষ পুষ্টি ও খাদ্য প্রকৌশলী আশিকা আইনিন নাহার বলেন, আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি ভুল ধারণা রয়েছে। গৃহিণীরা মনে করেন, ভালো করে ধোয়া হলেই জীবাণু চলে যাবে; যা ভুল। বাস্তবে খাবারের জীবাণু নিয়ন্ত্রণ এত সহজ নয়। পানি দিয়ে ধোয়া সব ক্ষতিকর জীবাণু দূর করার নিশ্চয়তা দেয় না। বরং ভুলভাবে ধোয়া, সংরক্ষণ এবং রান্নাঘরে পানি ছিটকে পড়ার মাধ্যমে জীবাণু অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে লক্ষ্য হওয়া উচিত―শুধু খাবার পরিষ্কার করা নয়, বরং জীবাণুর বিস্তারও বন্ধ করতে হবে।

  • ল’জ্জায় দা’গি কলা কিনছেন না? জানুন বি’স্ময়’কর উ’পকা’রিতা

    ল’জ্জায় দা’গি কলা কিনছেন না? জানুন বি’স্ময়’কর উ’পকা’রিতা

    অনেকেই খোসায় কালো দাগ পড়া কলা নষ্ট বা পচা ভেবে কেনেন না। কেউ কেউ আবার বাজারে এসব কলা কিনতে লজ্জা পান। তবে পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, দাগি কলা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং এতে সাধারণ কলার চেয়ে বেশি পুষ্টিগুণ থাকে।

    বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, দাগি কলাই বেশি উপকারি। এমনকি ক্যান্সার রোধ করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

    সম্প্রতি লন্ডনের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালিত গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে কলা যত দাগি হবে তার নাকি ততই পুষ্টিগুণ।

    গবেষকদের মতে, কলার খোসার উপরে যে বাদামি ছোপ থাকে তা আসলে টিএনএফ (টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর)। টিএনএফ অ্যান্টি ক্যান্সার উপাদান। যা দেহে কোন অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা টিউমার রোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে।

    এ ছাড়াও কলা অ্যাসিডিটি দূর করে। রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে, রক্তাল্পতা কমিয়ে আপনাকে সুস্থ রাখে। তা হলে আর নিশ্চয় দাগি কলা দেখে মুখ ঘুরিয়ে চলে যাবেন না।

  • ড্রা’গন ফলে আছে যেসব ভি’টামিন, কারা খা’বেন আর কারা এড়িয়ে যাবেন, জেনে নিন

    ড্রা’গন ফলে আছে যেসব ভি’টামিন, কারা খা’বেন আর কারা এড়িয়ে যাবেন, জেনে নিন

    এক সময় বিদেশি ফল হিসেবে পরিচিত থাকলেও এখন বাংলাদেশের বাজারেও সহজলভ্য ড্রাগন ফল। আকর্ষণীয় রঙ আর মিষ্টি স্বাদের কারণে অনেকের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এই ফল। শুধু স্বাদই নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এটি বেশ সমৃদ্ধ। ভিটামিন সি, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফল নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    তবে সবার জন্য এটি সমানভাবে উপকারী নয়। কিছু শারীরিক অবস্থায় ড্রাগন ফল খাওয়ার আগে সতর্ক থাকা জরুরি। তাহলে কারা নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন, আর কারা এড়িয়ে চলবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    ড্রাগন ফলে কী কী পুষ্টি রয়েছে?

    ড্রাগন ফলে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১, বি২ ও বি৩, অল্প পরিমাণ ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং প্রচুর খাদ্য আঁশ। এছাড়া এতে বেটালেইন ও ফ্ল্যাভোনয়েড নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।

    এক কাপ (প্রায় ২২৫ গ্রাম) ড্রাগন ফলে ক্যালরির পরিমাণ তুলনামূলক কম এবং পানির পরিমাণ বেশি। তাই এটি হালকা ও পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ধরা হয়।

    যাদের জন্য উপকারী হতে পারে

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে: ড্রাগন ফলে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।

    কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে: যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য ড্রাগন ফল উপকারী হতে পারে। এতে থাকা খাদ্য আঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে এবং মলত্যাগ সহজ করতে ভূমিকা রাখে।

    ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে: কম ক্যালরি, বেশি পানি ও পর্যাপ্ত ফাইবার থাকার কারণে ড্রাগন ফল দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দিতে পারে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমাতে এটি সহায়ক হতে পারে।

    হৃদ্‌স্বাস্থ্যের (হার্ট) জন্য: ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। এই ফলের মধ্যে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। 

    ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য: পরিমিত পরিমাণে ড্রাগন ফল খাওয়া বেশিরভাগ ডায়াবেটিস রোগীর জন্য নিরাপদ হতে পারে। এতে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার ওঠানামা কিছুটা ধীর করতে সাহায্য করতে পারে।

    গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য কি নিরাপদ?
    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভালোভাবে ধুয়ে পরিমিত পরিমাণে খেলে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য ড্রাগন ফল সাধারণত নিরাপদ। এতে থাকা ভিটামিন সি, ফাইবার ও ম্যাগনেসিয়াম দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।

    যাদের সতর্ক থাকা উচিত

    অ্যালার্জি থাকলে: অ্যালার্জি থাকলে এড়িয়ে চলা উচিত।

    কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে: ড্রাগন ফলে পটাশিয়াম রয়েছে। যাদের কিডনি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি থাকে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ফল না খাওয়াই ভালো।

    সংবেদনশীল পেট হলে: একসঙ্গে বেশি পরিমাণে ড্রাগন ফল খেলে অতিরিক্ত ফাইবারের কারণে কারও কারও গ্যাস, পেট ফাঁপা বা পাতলা পায়খানার মতো সমস্যা হতে পারে।

    নিম্ন রক্তচাপ থাকলে: ড্রাগন ফল রক্তচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়—এমন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে যাদের রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম থাকে বা রক্তচাপের ওষুধ সেবন করেন, তারা পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

    প্রতিদিন কতটা খাওয়া উচিত?
    ড্রাগন ফল খাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই। তবে একটি মাঝারি আকারের ড্রাগন ফল বা প্রায় এক কাপ টুকরো করা ফল একবারে খাওয়া অধিকাংশ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হয়।

    যেসব ভুল ধারণা প্রচলিত
    * ড্রাগন ফল নিয়ে বেশ কিছু প্রচলিত ধারণা রয়েছে, যার সবই সঠিক নয়।
    * এটি অ্যানিমিয়া সারিয়ে দেয়—এমন ধারণা ঠিক নয়। এতে আয়রন থাকলেও এটি অ্যানিমিয়ার চিকিৎসার বিকল্প নয়।
    * ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে—এ দাবিরও যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

    সব কিডনি রোগীর জন্য এটি ক্ষতিকর—এটিও সঠিক নয়। মূলত যাদের পটাশিয়াম নিয়ন্ত্রণে সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেই সতর্কতা প্রয়োজন।

    সূত্র: বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট 

  • পে স্কে’লের অপেক্ষা কা’টলো, প্রকাশ হলো গে’জেটের সময়

    পে স্কে’লের অপেক্ষা কা’টলো, প্রকাশ হলো গে’জেটের সময়

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে স্কেলের গেজেট আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ হতে পারে। এর আগে জুলাইয়ে গেজেট প্রকাশের আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ফলে এবারও নির্ধারিত সময়ে গেজেট না হলে নতুন পে স্কেল প্রত্যাশীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এখন আর বড় ধরনের অনিশ্চয়তা নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্যেই কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের প্রস্তুতিও জোরদার করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে যেসব বিষয় এখনো নিষ্পত্তি হয়নি, সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। এসব জটিলতা নিরসনের পর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

    অর্থ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর পে স্কেলের প্রস্তাব আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গেজেট প্রকাশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    এর আগে আগস্টের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আলোচনা থাকলেও বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনার কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। এখন অবশিষ্ট বিষয়গুলো দ্রুত চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    সম্প্রতি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হলেই বিষয়টি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। চলতি বছরের মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত ধরে কাজ করছে। তবে গেজেট প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখনো পুরনো বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গেজেট প্রকাশের পর ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরে বকেয়া বেতন-ভাতা সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হতে পারে। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে সংশোধিত মূল বেতন কার্যকর করা হতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বাস্তবায়ন করা হবে।

    প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো

    সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশে বিভিন্ন গ্রেডে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। তবে বাস্তবায়নের আগে কিছু ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধির হার পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি।

    প্রচারিত খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, গ্রেড-১-এ মূল বেতন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। গ্রেড-২-এ ১ লাখ ২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, গ্রেড-৩-এ ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং গ্রেড-৪-এ ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেতন কাঠামোর প্রস্তাব রয়েছে।

    গ্রেড-৫-এ ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা, গ্রেড-৬-এ ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং গ্রেড-৭-এ ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেতনের প্রস্তাব রয়েছে।

    গ্রেড-৮-এর প্রস্তাবিত বেতন ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭০০ টাকা। গ্রেড-৯-এ ৩৯ হাজার ১০০ থেকে ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-১০-এ ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

    মধ্যম ও নিম্ন গ্রেডেও বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। গ্রেড-১১-এ ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা, গ্রেড-১২-এ ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা এবং গ্রেড-১৩-এ ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতনের কথা বলা হয়েছে।

    এ ছাড়া গ্রেড-১৪-এ ২৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা, গ্রেড-১৫-এ ২২ হাজার ৮০০ থেকে ৫৫ হাজার ২০০ টাকা এবং গ্রেড-১৬-এ ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

    গ্রেড-১৭-এ ২১ হাজার ৪০০ থেকে ৫১ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৮-এ ২১ হাজার থেকে ৫০ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৯-এ ২০ হাজার ৫০০ থেকে ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা এবং গ্রেড-২০-এ ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেতন কাঠামোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটির আরো দুই থেকে তিনটি বৈঠক হতে পারে। এসব বৈঠকে সুপারিশগুলো যাচাই-বাছাই করে সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে। এরপর মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া গেলে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

    এর আগে গত ১৫ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে সচিবালয়ে পর্যালোচনা কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, অষ্টম পে স্কেলের সীমাবদ্ধতা এবং নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য সামনে রেখে কার্যক্রম এগোলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে পর্যালোচনা, মন্ত্রিসভার অনুমোদন ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ওপর।