Blog

  • স্বা’মী-স্ত্রীর র’ক্তের গ্রুপ এক হলে যা করবেন, জেনে নিন

    স্বা’মী-স্ত্রীর র’ক্তের গ্রুপ এক হলে যা করবেন, জেনে নিন

    বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে রক্তের গ্রুপ ভাগ করা হয়। এবিও গ্রুপিং পদ্ধতিতে চারটি রক্তের গ্রুপ আছে—এ, বি, এবি এবং ও। এই রক্তের গ্রুপগুলোর কোনোটি সাধারণত গর্ভস্থ শিশুর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে না। তবে এবিও গ্রুপের অসামঞ্জস্যতার জন্য ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্ডিস হতে পারে। আরএইচ অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে রক্তের গ্রুপ হতে পারে পজিটিভ অথবা নেগেটিভ। এ ক্ষেত্রে যা ঘটতে পারে—

    স্বামী-স্ত্রী দুজনের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ
    গর্ভস্থ সন্তানের রক্তের গ্রুপও পজিটিভ হয়। ফলে মায়ের সঙ্গে সন্তানের রক্তের গ্রুপের সামঞ্জস্য থাকে এবং দুজনই নিরাপদ থাকে।

    স্বামীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ ও স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ
    গর্ভস্থ সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ বা নেগেটিভ যে কোনোটাই হতে পারে। তবে মায়ের রক্তের গ্রুপ যেহেতু পজিটিভ, সেহেতু দুজনের কারোরই ক্ষতির শঙ্কা নেই।

    স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ
    এ ক্ষেত্রে সন্তানের রক্তের গ্রুপও নেগেটিভ হয়। ফলে কোনো সমস্যা হয় না।

    স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ কিন্তু স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ
    গর্ভস্থ সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভও হতে পারে অথবা নেগেটিভও হতে পারে। যদি পজিটিভ হয়, সে ক্ষেত্রে সন্তানের শরীর থেকে কিছু পজিটিভ লোহিত রক্তকণিকা মায়ের শরীরে চলে আসে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে। সাধারণত প্রথম বাচ্চার কোনো সমস্যা হয় না। তবে পরবর্তী সময়ে মা যদি অন্তঃসত্ত্বা হন এবং গর্ভস্থ সন্তান পজিটিভ রক্তের হয়, তাহলে এই অ্যান্টিবডি সন্তানের লোহিত রক্তকণিকাগুলোকে ধ্বংস করে। ফলে গর্ভস্থ শিশুর শরীরে রক্তশূন্যতা ও জন্ডিস দেখা দেয়। রক্তশূন্যতার মাত্রা তীব্রতর হলে লিভার ও হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা ব্যাহত হয় এবং শিশুর শরীরে পানি জমতে থাকে। তখন গর্ভস্থ শিশুর শরীর ফুলে যায়, যাকে বলে হাইড্রপস ফেটালিস। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না হলে শিশু পেটের মধ্যে মারা যেতে পারে। এ ঘটনা পরবর্তী সব পজিটিভ রক্তধারী শিশুর ক্ষেত্রেই ঘটতে থাকে। তবে সন্তান যদি নেগেটিভ গ্রুপের হয়, তাহলে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না।

    রক্তের গ্রুপ এক হলে প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কী
    এক. অন্তঃসত্ত্বা প্রত্যেক মায়ের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করতে হবে। সম্ভব হলে সন্তান ধারণের পরিকল্পনা করার সময়ই করে নিন।

    দুই. অন্তঃসত্ত্বা মায়ের রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে অবশ্যই স্বামীর রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করতে হবে।

    তিন. স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে মায়ের রক্তে আগেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না, দেখার জন্য আরএইচ অ্যান্টিবডি নির্ণয় করতে হবে।

    চার. মায়ের শরীরে আরএইচ অ্যান্টিবডি অনুপস্থিত থাকলে ২৮ সপ্তাহে মাকে অ্যান্টিবডি টিকা দিতে হবে এবং সন্তানের জন্মের পর তার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করতে হবে। সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় মাকে টিকা দিতে হবে।

    পাঁচ. যদি মায়ের শরীরে আগে থেকেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে আর টিকার কোনো ভূমিকা নেই। ওই মাকে অবশ্যই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অন্তঃসত্ত্বা হিসেবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিতে হবে।

    ডা. মারুফা খাতুন, সহকারী অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

  • প্রতিদিন সকালে দুটি ল’বঙ্গ খে’লে কী হতে পারে? জেনে নিন উ’পকা’রিতা

    প্রতিদিন সকালে দুটি ল’বঙ্গ খে’লে কী হতে পারে? জেনে নিন উ’পকা’রিতা

    প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত ছোট্ট একটি মশলা লবঙ্গ। কিন্তু এই সাধারণ মসলাটিই হতে পারে সুস্বাস্থ্যের শক্তিশালী সঙ্গী। দাঁতের ব্যথা উপশম থেকে শুরু করে হজমশক্তি উন্নত করা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে লবঙ্গের রয়েছে নানা সম্ভাব্য উপকারিতা। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সকালে পরিমিত পরিমাণে (যেমন দুটি) লবঙ্গ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এটি কোনো রোগের নিশ্চিত চিকিৎসা নয়; বরং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। জেনে নিন লবঙ্গের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রতিদিন সকালে মাত্র দুটি করে লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে শরীরের বিশেষ উপকার হয়। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই মশলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আয়রন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম ও হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড। এর পাশাপাশি এতে মজুত রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি ম্যাংগানিজ ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার, যা শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

    লবঙ্গ মূলত একটি প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে, কারণ এর মধ্যে থাকা ইউজেনল নামক বিশেষ তেল দাঁতের তীব্র যন্ত্রণা নিমেষের মধ্যে উপশম করতে অত্যন্ত কার্যকরী। এই অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্যই বিভিন্ন কোম্পানির টুথপেস্ট, মাউথওয়াশ এবং পেইন রিলিফ ক্রিম তৈরিতে লবঙ্গ ব্যবহার করা হয়।

    লবঙ্গের মধ্যে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড জয়েন্টের ব্যথা ও আর্থ্রাইটিসের ফোলা ভাব কমাতে দারুণ সাহায্য করে যার কারণে অনেক অ্যারোমা থেরাপিস্ট বা বাতের চিকিৎসকেরা লবঙ্গ তেল মালিশ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সর্দি, কাশি, হাঁপানি, ব্রংকাইটিস ও সাইনোসাইটিসের মতো শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় লবঙ্গ তেলের সুগন্ধ ম্যাজিকের মতো কাজ করে। বদহজম, বমি ভাব, গ্যাস্ট্রিক ও ডায়রিয়ার মতো পেটের রোগ দূর করে হজম প্রক্রিয়াকে সচল রাখতেও লবঙ্গ অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

    গবেষকদের মতে, লবঙ্গে উপস্থিত ইউজেনল উপাদানটি ফুসফুসের ক্যানসার এবং ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্য করতে পারে। শুধু তাই নয় নিয়মিত লবঙ্গ সেবন করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং রক্ত ও শরীর সম্পূর্ণ পরিশুদ্ধ হয়। 

    ম্যালেরিয়া ও কলেরার মতো মারাত্মক ব্যাধির ওষুধ তৈরিতেও লবঙ্গের ব্যবহার অপরিসীম। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে লবঙ্গ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। চমৎকার ব্যথানাশক গুণের পাশাপাশি ঘর থেকে মশা তাড়ানোর ক্ষেত্রেও লবঙ্গ তেল অত্যন্ত কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
     

  • আপনার ন’খ কি বি’পদের সং’কেত দিচ্ছে? খেয়াল করুন ৫ ল’ক্ষণ

    আপনার ন’খ কি বি’পদের সং’কেত দিচ্ছে? খেয়াল করুন ৫ ল’ক্ষণ

    ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বা গ্রুমিংয়ের কথা উঠলে নখের যত্নের বিষয়টি অবধারিতভাবেই চলে আসে। নখ সুন্দর ও ঝকঝকে রাখতে আমরা অনেকেই নিয়মিত ম্যানিকিউর বা পেডিকিউর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে থাকি।

    তবে নখ কেবল সৌন্দর্যের অনুষঙ্গ নয়; বরং এটি আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের এক বিশেষ আয়না।সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ম্যারিল্যান্ড ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ড. কুনাল সুদ নখের এমন পাঁচটি লক্ষণের কথা জানিয়েছেন, যা শরীরের বড় কোনো সমস্যার আগাম সংকেত হতে পারে।

    নিচে সেই লক্ষণগুলো তুলে ধরা হলো:

    ১. চামচাকৃতি নখ ও আয়রনের অভাব

    ডায়াবেটিস রোগীদের কখন কলা খাওয়া উচিত? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

    যদি আপনার নখ স্বাভাবিকের চেয়ে বাঁকা হয়ে চামচের মতো গর্ত হয়ে যায়, তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘কোইলোনিচিয়া’। ড. সুদের মতে, এ লক্ষণটি মূলত শরীরে দীর্ঘস্থায়ী আয়রনের অভাবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। আয়রনের অভাব নখের বৃদ্ধি এবং কেরাটিন গঠনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে কেবল নখ দেখেই রোগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য ফেরিটিন এবং সিবিসি রক্ত পরীক্ষা করা জরুরি।

    উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় বিমানের আলো কেন ম্লান করা হয়?

    ২. নখে সাদা দাগের রহস্য

    অনেকের নখেই ছোট ছোট সাদা দাগ দেখা যায়। সাধারণত নখে কামড়ানো, ধাক্কা লাগা বা ম্যানিকিউর করার সময় সামান্য চোট লাগলে নখের ম্যাট্রিক্সে এমন দাগ তৈরি হয়। এগুলো নখের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অগ্রভাগের দিকে সরে যায়। তবে ড. সুদ সতর্ক করেছেন যে, কোনো আঘাত ছাড়াই যদি নখে এমন দাগ দেখা দেয়, তবে তা ক্যালসিয়াম বা জিঙ্কের অভাবের ইঙ্গিত হতে পারে, যার জন্য আরও বিশদ স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন।

    ৩. হঠাৎ দেখা দেওয়া কালচে রেখা

    নখের ওপর যদি নতুন কোনো স্থায়ী কালচে বা গাঢ় রঙের রেখা বা দাগ দেখা দেয়, তবে তাকে অবহেলা করা ঠিক নয়। ড. কুনাল সুদ জানান, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রেখাগুলো ক্ষতিকারক না হলেও কখনো কখনো এটি ‘নেল মেলানোমা’ বা এক ধরনের মারাত্মক ত্বকের ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। যদি এ দাগটি ক্রমান্বয়ে চওড়া হয়, চারপাশের ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে কিংবা নখ ফেটে যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

    ৪. নখ হলদেটে ও পুরু হয়ে

    যাওয়া নখ যদি উজ্জ্বলতা হারিয়ে হলদে বর্ণ ধারণ করে এবং পুরু হয়ে যায়, তবে এটি সাধারণত ছত্রাক বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের লক্ষণ। বিশেষ করে পায়ের নখে এ সমস্যাটি বেশি দেখা যায়। তবে সোরিয়াসিস, একজিমা কিংবা কোনো আঘাতের কারণেও নখ এমন হয়ে যেতে পারে, তাই চিকিৎসকের মাধ্যমে আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া দরকার।

    ৫. আঙুলের ডগা ফুলে যাওয়া বা ক্লাবড নখ

    আঙুলের ডগা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া এবং নখ অতিরিক্ত মাত্রায় নিচের দিকে বেঁকে যাওয়াকে চিকিৎসাবিদ্যায় ‘ক্লাবিং’ বলা হয়। ড. সুদের মতে, এটি বেশ উদ্বেগজনক একটি লক্ষণ। নখের এই পরিবর্তন ফুসফুসের রোগ, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, লিভারের জটিলতা কিংবা অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগের সংকেত দিতে পারে। তাই এমনটি লক্ষ্য করলে স্বাভাবিক মনে না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

    তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ৬ জন, কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়

    নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ৬ জন, কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় নতুন করে ছয়জন যুক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজন পূর্ণমন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

    শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান।

    এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের কাছে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

    নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

    বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী এবং এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর আগে তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

    নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী হলেন—প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

    নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিকেল থেকেই তারা বঙ্গভবনে পৌঁছাতে শুরু করেন। রাষ্ট্রপতির শপথের পরপরই দরবার হলে তাদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

    ছয় নতুন সদস্যের শপথের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভার আকার আরও বাড়ল। একই সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও পরিবর্তন এলো।

  • যে র’ক্তের গ্রুপে কম ব’য়সেও স্ট্রো’কের ঝুঁ’কি বেশি, জেনে নিন

    যে র’ক্তের গ্রুপে কম ব’য়সেও স্ট্রো’কের ঝুঁ’কি বেশি, জেনে নিন

    রক্তের গ্রুপের সঙ্গে ব্রেন স্ট্রোকের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু রক্তের গ্রুপের মানুষের কম বয়সে স্ট্রোকের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হতে পারে। বিশেষ করে ‘এ’ রক্তের গ্রুপের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।

    যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড স্কুল অব মেডিসিনের গবেষকদের পরিচালিত এক গবেষণায় রক্তের গ্রুপ ও স্ট্রোকের মধ্যে যোগসূত্রের বিষয়টি উঠে আসে। গবেষণায় ছয় লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার মানুষ ইস্কিমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ছিলেন।

    গবেষণায় দেখা যায়, ‘এ’ রক্তের গ্রুপের মানুষের ৬০ বছরের আগেই স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ‘ও’ গ্রুপের মানুষের তুলনায় বেশি। গবেষকদের মতে, ‘এ’ গ্রুপের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি হতে পারে। অন্যদিকে ‘ও’ গ্রুপকে তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পাওয়া গেছে।

    তবে এর অর্থ এই নয় যে ‘এ’ গ্রুপের রক্তধারী প্রত্যেক ব্যক্তির স্ট্রোক হবে। বরং রক্তের গ্রুপকে স্ট্রোকের সম্ভাব্য ঝুঁকির একটি কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, স্থূলতা ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার মতো প্রচলিত ঝুঁকিগুলো স্ট্রোকের ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    কেন হয় স্ট্রোক?

    মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী কোনো রক্তনালিতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ইস্কিমিক স্ট্রোক হয়। এতে মস্তিষ্কের কোষ পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে।

    অন্যদিকে মস্তিষ্কের কোনো রক্তনালি ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ হলে তাকে হেমারেজিক স্ট্রোক বলা হয়। উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন কারণে এ ধরনের স্ট্রোক হতে পারে।

    স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে যা করবেন

    রক্তের গ্রুপ যাই হোক, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে জীবনযাপনে সচেতন থাকা জরুরি। নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। পাশাপাশি ওজন স্বাভাবিক রাখা, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

    ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলাও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের কারও স্ট্রোকের ইতিহাস থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

    হঠাৎ মুখ বা জিহ্বা অবশ হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, এক হাত বা পা দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া কিংবা হঠাৎ দৃষ্টিতে সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। কয়েক মিনিটের জন্য এসব উপসর্গ দেখা দিয়ে পরে ঠিক হয়ে গেলেও তা ‘ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক’ বা TIA-এর লক্ষণ হতে পারে, যাকে অনেক সময় ‘মিনি স্ট্রোক’ বলা হয়। এমন পরিস্থিতিতেও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার

  • মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা

    বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় নতুন ছয়জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাদের শপথ পড়ান।

    এর আগে ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শপথবাক্য পাঠ করান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যরিস্টার কায়সার কামাল।

    নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ড. আবদুল মঈন খান, আন্দালিব রহমান পার্থ, সাচিং প্রু জেরী ও এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

    প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন ও হুমায়ুন কবির।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

    বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

    বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক।

    আর শামীম কায়সার লিংকন গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য।

    এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

    হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার ছিলেন।

  • পে স্কে’ল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন অর্থ উপদেষ্টা

    পে স্কে’ল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন অর্থ উপদেষ্টা

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো (পে স্কেল) বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন,  নতুন পে-স্কেলের অর্থের সংস্থান করতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ঋণও নেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পে স্কেল নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় এরই মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণত পে স্কেল প্রণয়নে তিনটি পর্যায়ে কাজ হয়।

    রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রথম পর্যায়ে পে সার্ভিস কমিশন, সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পে কমিটি এবং বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে জুডিশিয়াল পে কমিশন প্রতিবেদন দেয়।

    এসব প্রতিবেদনের মধ্যে প্রথম দুটির বিষয় সচিব কমিটি পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিয়েছে।

    তিনি বলেন, বিচার বিভাগের পে স্কেলের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠিত একটি কমিটি রয়েছে। ওই কমিটির প্রথম সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের বাস্তবতা, বিষয়টির সংবেদনশীলতা ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বিবেচনায় নিয়ে কমিটি প্রতিবেদন দেবে।

    এর মাধ্যমে পে স্কেল প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় পর্যায় শেষ হবে।

    এরপর তৃতীয় পর্যায়ে মন্ত্রিসভা সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করবে। কোন বিষয় কবে থেকে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকেই নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

    নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে অতিরিক্ত অর্থের সংস্থান কোথা থেকে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ঋণ নেওয়া হবে। তবে পে স্কেল বাস্তবায়নে ঋণ নেওয়াকে তিনি নিজে কোনো সমস্যা হিসেবে দেখছেন না।

  • একাদশে ক্লাস শুরুর নতুন তারিখ জানা গেল

    একাদশে ক্লাস শুরুর নতুন তারিখ জানা গেল

    আসন্ন শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু আগামী ২ হতে পারে সেপ্টেম্বর থেকে। প্রক্রিয়া চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

    এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে, কোনো ভর্তি পরীক্ষা হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    শিক্ষা বোর্ড সূত্রে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল আগামী ১০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে। পুনঃনিরীক্ষণে যাদের ফলাফল পরিবর্তন হবে, কিংবা যারা প্রথম ধাপে আবেদন করতে পারেননি—তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর কলেজে ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ পাবেন। এই ধাপের ভর্তির ফলাফল প্রকাশ করা হবে ১৪ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।

    পরে নির্বাচিতদের ফলাফল যাচাই-বাছাই শেষে ভর্তির কাজ শুরু হবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। আর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।

    গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পরীক্ষার্থী। প্রায় ৭ লাখ পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এই হিসাবে এবার অর্ধেকের বেশি আসন খালি থাকবে।

    সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে (কলেজ ও মাদ্রাসা) ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গতবার ভর্তি হয়েছিল মোট আসনের ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ খালি ছিল ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। এ বছর পাসের হার আরও কমেছে। ফলে আসনসংখ্যা আরও বেশি শূন্য থাকবে।

    তবে মোট আসন খালি থাকলেও জিপিএ-৫ পেয়েও অনেকে তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানে আসন কম। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।

  • প্রতিদিন পেঁপে খা’ওয়ার ৭ স্বা’স্থ্য উ’পকা’রিতা জানুন

    প্রতিদিন পেঁপে খা’ওয়ার ৭ স্বা’স্থ্য উ’পকা’রিতা জানুন

    পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ পেঁপে একটি সহজলভ্য ফল। যার কারণে বছরজুড়ে বাজারে পেঁপে পাওয়া যায়। পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন বি৯, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম। পেঁপে খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। এটি হজম শক্তির উন্নতি ঘটায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত পেঁপে খেলে দারুণ স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়।

    চলুন, জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন পেঁপে খাওয়ার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপকারিতাগুলো কী কী-

    ১. হজম শক্তি বাড়ায়: পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা খাবার হজমে সহায়তা করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে এবং হজম শক্তির উন্নতি ঘটায়।

    ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: পেঁপের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘সি’। এসব ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

    ৩. দেহের কোষকে সুরক্ষা দেয়: প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে পেঁপেতে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষগুলোকে ফ্রি র‌্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। এতে দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমে যায়।

    ৪. ডিহাইড্রেশন থেকে শরীরকে রক্ষা করে: পেঁপেতে পানির পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় শরীর হাইড্রেটেড থাকে। তাই গরমের দিনে বা শরীরে পানির ঘাটতি এড়াতে প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে পেঁপে খেলে শরীর ডিহাইড্রেশনের সমস্যা থেকে মুক্তি পায়।

    ৫. ত্বক সতেজতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখে: প্রতিদিন পেঁপে খেলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। এটি ত্বকের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে। পেঁপের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ই। এটি অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়তা করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন এ ত্বক মসৃণ রাখে। ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ কোলাজেন উৎপন্ন করে ত্বক ভালো রাখে।

    ৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: ওজন নিয়ন্ত্রণে পেঁপের জুড়ি মেলা ভার। পেঁপেতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম। তাই প্রতিদিন পেঁপে খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

    ৭. হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে ও হৃদরোগ প্রতিরোধ করে: পেঁপে হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম, আঁশ, ভিটামিন। পেঁপেতে থাকা ফাইবার শরীরের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

    সাবধানতা: পেঁপে অত্যন্ত উপকারী একটি ফল হলেও অতিরিক্ত কোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়। তাই সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে পেঁপে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তবে বিশেষ কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা, অ্যালার্জি বা গর্ভাবস্থায় খাদ্যতালিকায় বড় পরিবর্তন আনার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    সূত্র: এশিয়া নেট নিউজ

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

    দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাসহ ছয়জন ভোট দেননি। ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন সংসদ সদস্য।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।

    ভোটদানে বিরত থাকার বিষয়ে রুমিন ফারহানা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই নির্বাচন অর্থহীন এবং প্রহসনের।

    কারণ, ভোটে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটা কোনো নির্বাচন নয়। এই ভোটের ফলাফল কী, তা সবার জানা। তাই এটা মনোনয়ন, নির্বাচন নয়।’

    একজন অরাজনৈতিক এবং গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে কেন মনোনীত করা হলো না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এত বড় একটি গণ-অভ্যুত্থান গেল, যার সঙ্গে জাতি হিসেবে আমাদের আত্মত্যাগ, অনেক স্বপ্ন জড়িত।

    তাহলে আমরা সবাই মিলে কেন একজন অরাজনৈতিক এবং গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করতে পারলাম না।’

    রুমিন ফারহানা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে ভোটের আগে বিএনপি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের ভয় দেখাল। অথচ ২০১৬ সাল থেকে দলটি ভিশন ২০৩০-এ গলার রগ ফুলিয়ে কথা বলছে। এখন তারা বলছে, দলের বাইরে ভোট দিলে তার সদস্যপদ বাতিল হবে। এ রকম প্রহসনের ভোট কেন আমি দেব।

    রুমিন ফারহানা ছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়া অন্য পাঁচজন হলেন বিদেশে চিকিৎসাধীন বিএনপির মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা। বিএনপির আরেক সংসদ সদস্য ওসমান ফারুক, খেলাফত মজলিসের আবুল হাসান। জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।