Blog

  • রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় যার নাম

    রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় যার নাম

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন। এরপর পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২৪ জন শপথ গ্রহণ করেন। তাঁদের সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 

    দীর্ঘ দেড় বছরের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনের পর আজ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যস্ত হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শপথপাঠ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

    এদিকে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবরের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপ্রধানের নাম নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

    রাষ্ট্রপতি পদের জন্য সবচেয়ে জোরালোভাবে নাম আসছে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের।

    সদ্য গঠিত মন্ত্রিসভায় তাঁকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া আলোচনায় থাকা  মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। অন্যান্য সিনিয়র নেতার মধ্যে নজরুল ইসলাম খান ও ড. আব্দুল মঈন খান নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। 

    ৭৯ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিক কুমিল্লা-১ আসন থেকে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

     এর আগে চারবার সংসদ সদস্য হন তিনি (১৯৯১, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ও ১২ জুন এবং ২০০১)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক এই অধ্যাপক ইতিপূর্বে জ্বালানি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদে তাকেই সবচেয়ে যোগ্য মনে করছে দলটির নীতিনির্ধারকেরা। 

    ২০২৩ সালে বগুড়ায় বিএনপির একটি বিভাগীয় সমাবেশে দলটির নেতা জি এম সিরাজ বলেছিলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী। আর রাষ্ট্রপতি হবেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

    এদিকে বিএনপির একটি সূত্র বলছে, খন্দকার মোশাররফ দলের কার্যক্রমে কিছুটা কম সক্রিয়। নিজেকে কিছুটা আড়ালে রাখেন, যাতে তাঁকে নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়।

    অবশ্য নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হতে পারে, কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি।

    এর আগে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ইতিপূর্বে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, নির্বাচন-পরবর্তী নতুন সরকার দায়িত্ব নিলে তিনি সরে যেতে আগ্রহী। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ৫ বছর হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে তিনি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করতে পারেন।

    সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ পাঁচ বছর। সে হিসাবে ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মেয়াদ আছে মো. সাহাবুদ্দিনের। যদিও সেই সময় পর্যন্ত তিনি পদে থাকছেন না, যা স্পষ্ট হয়েছে রয়টার্সের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকারে।
     

  • নতুন মন্ত্রিসভা ৫০ সদস্যের হতে পারে, ২৫ পূর্ণমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ২৪

    নতুন মন্ত্রিসভা ৫০ সদস্যের হতে পারে, ২৫ পূর্ণমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ২৪

    নতুন মন্ত্রিসভার আকার হতে পারে ৫০। এর মধ্যে ২৫ পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ প্রতিমন্ত্রী। নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে আনা-নেওয়ার জন্য ৪৯টি গাড়ি পাঠাচ্ছে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ। এরই মধ্যে শপথ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে ফোন দিতে শুরু করেছে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    আজ বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। যারা যারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, তাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এহছানুল হক মিলন ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এই আসন থেকে এবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ সকালে সংসদ ভবনে শপথ নেন। তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

     

  • তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত

    তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

     

    সভায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

     

    এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে নতুন সরকারে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমানসহ ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের বিএনপির সংসদ সদস্যরা (এমপি)। শপথের পর বৈঠকে বসেন তারা।

     

     

    এছাড়া আজ বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

     

    গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বিএনপির ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আরোহণ। অন্যদিকে, ৬৮টি আসন নিয়ে সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় বসতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, যাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান।

     
     

    সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন।

  • পর্যাপ্ত ঘুম না হলে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়, জেনে নিন

    পর্যাপ্ত ঘুম না হলে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়, জেনে নিন

    ঘুম শুধু শরীরকে বিশ্রাম দেয় না, এটি আমাদের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু ব্যস্ত সময়সূচি, কাজের চাপ, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে থাকা এবং রাত জাগার অভ্যাসের কারণে মানসম্মত ঘুম পাওয়া এখন অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ঘুমের ঘাটতি কেবল ক্লান্তিই বাড়ায় না, এটি শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক অবস্থা এবং কর্মক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    ঘুমের মান খারাপ হওয়ার লক্ষণ

    ১. সকালে বারবার মাথাব্যথা
    যথেষ্ট ঘুম না হলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ও অক্সিজেনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে, যার ফলে ঘুম থেকে উঠেই মাথাব্যথা অনুভূত হয়।

    ২. মনোযোগ কমে যাওয়া ও স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া
    ঘুম স্মৃতি সংরক্ষণ ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হঠাৎ করে ছোটখাটো বিষয় ভুলে যাওয়া ঘুমের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

    ৩. অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি
    ঘুমের অভাবে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে বেশি মিষ্টি বা ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়।

    ৪. মেজাজের পরিবর্তন ও খিটখিটে ভাব
    অপর্যাপ্ত ঘুম আবেগ নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলে। এতে সহজেই রাগ, অস্থিরতা বা উদ্বেগ দেখা দিতে পারে।

    ৫. ত্বকের জৌলুস নষ্ট হওয়া
    ঘুম কম হলে ত্বক শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে এবং অকাল বলিরেখা দেখা দিতে পারে।

    ৬. চাপ মোকাবিলায় দুর্বলতা
    ঘুমের ঘাটতি থাকলে ছোট সমস্যাও বড় মনে হয়। মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা কমে যায়।

    ৭. পর্যাপ্ত সময় ঘুমিয়েও ক্লান্ত লাগা
    অনেকেই দীর্ঘ সময় বিছানায় থাকেন, তবু সতেজ বোধ করেন না। এর কারণ হতে পারে গভীর ঘুমের অভাব বা ঘুমের ধাপে সমস্যা।

    ৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস
    ঘুমের ঘাটতি শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থাকে দুর্বল করে, ফলে সহজে সর্দি-কাশি বা সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

    ৯. হজমজনিত সমস্যা
    কম ঘুম অন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে, যার কারণে গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    ভালো ঘুমের জন্য কিছু পরামর্শ
    *প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
    *ঘুমের কয়েক ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন ও ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন।
    *শোবার ঘর অন্ধকার, শান্ত ও আরামদায়ক রাখুন।
    *ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিন ব্যবহার কমিয়ে দিন।
    *ধ্যান, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা রিল্যাক্সেশন অনুশীলন করতে পারেন।
    *দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    মনে রাখবেন, ভালো ঘুম শুধু আরাম নয়—এটি সুস্থ জীবনযাপনের মূল ভিত্তি। ছোট লক্ষণগুলো অবহেলা না করে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

    সূত্র: এনডিটিভি

  • সংসদ সদস্যরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

    সংসদ সদস্যরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সংসদ গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের সংসদ সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছেন। এরপর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান।

    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি) শুধু আইন প্রণয়ন ও জনগণের প্রতিনিধিত্বই করেন না, রাষ্ট্র তাদের জন্য নির্ধারণ করেছে সম্মানী-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার একটি বিস্তৃত কাঠামো।

    এসব সুবিধা নির্ধারিত হয়েছে ‘সংসদ সদস্য (পারিশ্রমিক ও ভাতা) আদেশ, ১৯৭৩’ অনুযায়ী, যা সময় সময় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ করা হয়েছে। নিচে আইনি কাঠামো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এমপিদের প্রাপ্ত প্রধান সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো—

    মাসিক সম্মানী

    সংসদ সদস্যরা মাসিক ৫৫ হাজার টাকা হারে সম্মানী পান। এটি তাদের মূল পারিশ্রমিক, যা পুরো দায়িত্বকালজুড়েই প্রযোজ্য।

    নির্বাচনী এলাকা ভাতা

    সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় কাজ পরিচালনা, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতার জন্য পান মাসিক ১২ হাজার ৫০০ টাকা।

    আপ্যায়ন ভাতা

    অতিথি আপ্যায়ন, সামাজিক যোগাযোগ ইত্যাদির জন্য সংসদ সদস্যরা মাসিক পাঁচ হাজার টাকা ভাতা নির্ধারিত।

    শুল্কমুক্ত গাড়িসুবিধা

    সংসদ সদস্যদের একটি বড় সুবিধা হলো—দায়িত্বকালীন একটি গাড়ি/জিপ/মাইক্রোবাস; কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট, ডেভেলপমেন্ট সারচার্জ ও আমদানি পারমিট ফি ছাড়া আমদানির সুযোগ এবং পাঁচ বছর পর একই শর্তে আরেকটি নতুন গাড়ি আমদানির সুযোগ।

    পরিবহন ভাতা

    যাতায়াত, জ্বালানি, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতন মিলিয়ে এমপিরা মাসিক ৭০ হাজার টাকা পরিবহন ভাতা পান।

    অফিস ব্যয় ভাতা

    নির্বাচনী এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

    লন্ড্রি ও আনুষঙ্গিক ভাতা

    সংসদ সদস্যরা প্রতি মাসে লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় (রান্নার সরঞ্জাম, লিনেন, টয়লেট্রিজ) ছয় হাজার টাকা।

    ভ্রমণ ভাতা (সেশন ও কমিটি)

    সংসদ অধিবেশন বা কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে—বিমান/রেল/জাহাজে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড় গুণ পর্যন্ত ভাতা এবং সড়কপথে ভ্রমণে কিলোমিটার প্রতি ১০ টাকা পান।

    দৈনিক ভাতা

    দায়িত্ব পালনের সময় অবস্থান ভাতা—দৈনিক ভাতা ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং যাতায়াত ভাতা ৭৫ থেকে ২০০ টাকা (উপস্থিতি রেকর্ডভিত্তিক) পান।

    দেশে অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ

    প্রতি বছর সংসদ সদস্যরা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ-ভাতা অথবা সমপরিমাণের নন-ট্রান্সফারেবল ট্রাভেল পাস পান।

    চিকিৎসা সুবিধা

    সংসদ সদস্যরা ও তাদের পরিবার সদস্যরা প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা-সুবিধা এবং মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান।

    টেলিফোন সুবিধা

    বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ এবং কল ও ভাড়া বাবদ মাসিক ৭ হাজার ৮০০ টাকা পান।

    বিমা-সুবিধা

    দায়িত্বকালীন দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার বিমা-সুবিধা পান।

    ঐচ্ছিক অনুদান

    জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের জন্য বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ পান।

    কর সুবিধা

    এই আদেশ অনুযায়ী প্রাপ্ত ভাতাগুলো আয়করমুক্ত।

    প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব বনাম রাষ্ট্রীয় সুবিধা

    আইন অনুযায়ী এই সুবিধাগুলো সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা, নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিতি নিশ্চিত করা, গণসংযোগ জোরদার এবং প্রশাসনিক কাজ সহজ করার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত।

    তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাতার পরিমাণ, সুবিধার পরিধি ও জবাবদিহি নিয়ে জনপরিসরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, বিশেষ করে স্বচ্ছতা, কার্যকারিতা ও জনসেবার সঙ্গে সুবিধার সামঞ্জস্য নিয়ে।

  • বোর্ডে আসবেন না ইশরাক, জানালেন সাকিব-মাশরাফিকে নিয়েও

    বোর্ডে আসবেন না ইশরাক, জানালেন সাকিব-মাশরাফিকে নিয়েও

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অনেক আগেই সরে গিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তাজা। ঘরোয়া ক্রিকেটে শুধু খেলে যাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জনসম্মুখে নেই সাবেক এই সংসদ সদস্য। জুলাই অভ্যুথানের পর সাকিব আল হাসানের নামে একাধিক মামলা হয়। একই কারণে দেশের বাইরে তিনি।

    তবে সাকিব-তামিমকে রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখছেন না সম্প্রতি ঢাকা-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইশরাক হোসেন। দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোকেও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেন না তিনি।

    এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইশরাক বলেন, ‘‘তারা ক্রিকেটার এবং শুধু কোনো যেন তেন ক্রিকেটার না, তারা আমাদের দেশের অ্যাসেট। আমি ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করছি। জনগণ তাদেরকে ইতোমধ্যেই এক প্রকার জবাব দিয়ে দিয়েছে, সমাজ দিয়ে দিয়েছে। আর তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার যে মামলা হয়েছে, সেটি আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় নাই, তারা গিয়ে অর্ডার ক্যারি আউট করেছে অথবা নিজেরা হাতে বন্দুক নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় নাই।’’

    পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সবশেষ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইশরাক, ‘‘আপনারা তো জানেন বিসিবির কাউন্সিলর কেমন করে হয়, সেখানে জেলা প্রশাসক কাউন্সিলর নিয়োগ দেন। এটা মহাদুর্নীতি, বাণিজ্য এবং পক্ষপাতিত্যমূলক করে নিজেদের সিন্ডিকেটকে বোর্ডে বসানোর চেষ্টা যখন সরকারের উপদেষ্টার পক্ষ থেকে হলো, তখন তো আমরা বসে থাকতে পারি না।’’

    বোর্ড নয়, তার চেয়ে বরং ইশরাক করতে চাই ফুল টাইম রাজনীতি, ‘‘আমিও তো একজন কাউন্সিলর। আমি কখনো বোর্ডে আসব না। আমার বোর্ডে আসার সময় নাই। আমি ফুলটাইম রাজনীতি করব। আমি চাই যারা ফুলটাইম ক্রীড়া সংগঠক, তারা আসুক। আমরা তাদের সাহায্য করবো।’’

  • বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় যারা

    বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় যারা

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জেতার ফলে দেশের শাসনব্যবস্থায় আসছে ব্যাপক পরিবর্তন। জাতীয় সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদীয় কমিটির সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হবে। দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

    সেই ধারাবাহিকতায়, বিরোধী দল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার হবেন। এই দৌড়ে আলোচনায় আছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।

    একই সঙ্গে এই পদের জন্য দৌড়ে আছেন মীর কাসেম আলির ছেলে ব্যারিস্টার আহমদ বিনকাসেম আরমান। তবে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের সম্ভাবনা বেশি। 

    সূত্রমতে, ১১ দলের শরিকদের মধ্যে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ হতে পারেন বিরোধীদলের হুইপ। জামায়াত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মাসুম বলেন, সংসদের এসব পদ নিয়ে দলের এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তাছাড়াও ১১ দলীয় জোট টিকিয়ে রাখার স্বার্থে শরিকদের জন্যও ছাড় দিতে হবে।

    এবার নির্বাচিত সংসদকে দুই ধরনের দায়িত্ব পালন করতে হবে। শপথ গ্রহণের পর প্রথম ১৮০ দিন সংসদ-সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করবেন। এরপর তারা নিয়মিত আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। 

    জুলাই সনদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ একাধিক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন বা গঠন করা হবে। পাশাপাশি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে, যাতে অর্থবিল ও সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব ছাড়া অন্য সব বিলে সংসদ-সদস্যরা দলীয় অবস্থানের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন।

  • পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সবশেষ যা জানা গেল

    পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সবশেষ যা জানা গেল

    নবম পে স্কেল প্রণয়নে গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

    প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

     

    এর আগে জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশের জন্য এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর প্রতিবেদনের জন্য সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

     

    জানা যায়, এ কমিটি প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রম সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। আর তাই সেই কাজের জন্যই প্রথম বৈঠকে বসেন কমিটির সদস্যরা।

     

    গত বছরের ২৭ জুলাই নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

  • বিএনপির মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন কারা, জানালেন মেজর হাফিজ

    বিএনপির মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন কারা, জানালেন মেজর হাফিজ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মন্ত্রিসভা নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে বিজয়ী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।

    আজ সোমবার দুপুরে রাওয়া ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল (অব.) এম এ জি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

    মেজর হাফিজ বলেন, ‘যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, তারাই মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন। দুর্নীতির ইতিহাস নেই, জনগণের কাছে যারা আস্থাশীল, তারাই স্থান পাবেন।

    নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত হবে মন্ত্রিসভা।’

    ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়েছে এ দেশের জনগণ। এ দেশকে বিপথে নেওয়ার চেষ্টা করলে ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করা হবে। সামরিক বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত করতে সহায়তা করার জন্য।

    দেশের দুর্দিনে তাদের সহায়তা ছাড়া এ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব হতো না, মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

    আগামী সংসদে বিরোধী দল হিসেবে তারা (১১ দলীয় জোট) শক্ত ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা হাফিজ উদ্দিন আহমদের।

  • ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের

    ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

    রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    এর আগে ডাকসুর মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এবং ইনকিলাব মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব ফাতেমা তাসনিম জুমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তার প্রার্থিতার ঘোষণা দেন।

    জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল জাবের গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন। ওই অভ্যুত্থান দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে গঠিত সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের তিনি সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শরীফ ওসমান বিন হাদি। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-০৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হামলাকারীদের আক্রমণে তিনি গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে গত ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

    সংগঠনটির লক্ষ্য, সকল প্রকার আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করা।

    আব্দুল্লাহ আল জাবেরের প্রার্থিতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলো। আগামী দিনে তার নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রচার কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।