Category: Uncategorized

  • স্কুল-কলেজে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস, ৩ দিন অফলাইনে

    স্কুল-কলেজে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস, ৩ দিন অফলাইনে

    বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশে আবারও মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে করোনাকালের মতো পুরোপুরি অনলাইননির্ভর না হয়ে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে সমন্বিত বা ‘ব্লেন্ডেড’ শিক্ষা পদ্ধতি চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ঢাকা মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধান এবং শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইনে (সশরীরে) ক্লাস পরিচালনার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    ব্লেন্ডেড শিক্ষা পদ্ধতি বা মিশ্রণ শিক্ষণ বলতে প্রথাগত সশরীরে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও ডিজিটাল বা অনলাইন প্রযুক্তির সমন্বয়কে বোঝায়। এতে শিক্ষার্থীরা আংশিক সময় শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থেকে পাঠ গ্রহণ করবে এবং পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও পাঠদান চলবে।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের মার্চে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে এসব প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করা হয়।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সামনে ৩ দিনের ছুটি

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সামনে ৩ দিনের ছুটি

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আগামী রবিবার (৫ এপ্রিল) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উপলক্ষে আগে থেকেই এ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। 

    এর আগে দুই দিন (শুক্র-শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে।

    ফলে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

    এদিকে জ্বালানি সংকটে চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনা চলছে। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

    আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুল পর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে এই দুই ব্যবস্থা সমন্বয়ে ক্লাস বিষয়ে আলোচনা চলছে।

    মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।’

    মন্ত্রিসভায় অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে টানা তিন দিনের ছুটি শেষে অনলাইনে ক্লাস শুরু হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

    খ্রিস্টান ধর্ম মতে, এই দিনে ঈশ্বরপুত্র যিশু মৃত্যুকে জয় করে পুনরুত্থিত হয়ে তাদের পাপ থেকে মুক্ত করেছিলেন। পুণ্য শুক্রবার বা গুড ফ্রাইডেতে বিপদগামী ইহুদি শাসকগোষ্ঠী তাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন শাসনব্যবস্থা অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে যিশুকে অন্যায়ভাবে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছিল।

    মৃত্যুর তৃতীয় দিবস রবিবার তিনি মৃত্যু থেকে জেগে ওঠেন। তাই যিশুর পুনরুত্থানের এই রবিবারকে ইস্টার সানডে বলা হয়।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চালু হতে পারে অনলাইন ক্লাস

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চালু হতে পারে অনলাইন ক্লাস

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। নতুন সরবরাহ কম থাকায় মজুদ দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। দেশের জ্বালানি খাতে তৈরি হওয়া চাপ সামাল দিতে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।

    দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর কথা ভাবা হচ্ছে।

    ইতিমধ্যে সরকারি সংস্থাগুলোকে সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে।

    সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস। রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে গতকাল রবিবার খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আবারও ছুটি বা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    তাই ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ না করে অনলাইন ক্লাসে যাওয়ার কথা ভাবছেন তারা।

    এদিকে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের। একই সঙ্গে ওয়ার্ক ফ্রম হোম কর্মসূচি বা অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিমধ্যে সব সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে।

    এদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকালে বাধ্যতামূলকভাবে অফিসে ৪০ মিনিট অবস্থান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিস কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অধীন দপ্তর-সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এই নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে।

  • সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়বে কিনা, সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার

    সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়বে কিনা, সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার

    মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট সঙ্কটের প্রভাবে জ্বালানি তেলের নতুন সরবরাহ কম। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের জ্বালানি খাতে তৈরি হওয়া চাপ সামাল দিতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের।

    একই সঙ্গে বাসা থেকে কাজ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম কর্মসূচি অথবা অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের কথাও ভাবা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনার পর এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

    সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিমধ্যে সব সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। সেখানে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

  • এইচএসসি পরীক্ষা কবে শুরু, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    এইচএসসি পরীক্ষা কবে শুরু, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    চলতি বছরের এইচএসসি (উচ্চ মাধ্যমিক) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৭ জুন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বোর্ড চেয়ারম্যানদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় অংশ নেয়া একজন চেয়ারম্যান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, ‌‘শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সবশেষ বৈঠকে তার দেয়া দিকনির্দেশনা ও সার্বিক দিক বিবেচনা করে আগামী ৭ জুন পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঠিক করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে শিক্ষামন্ত্রী অনুমোদন দিলে চূড়ান্ত সময়সূচি করা হবে। শিগগির এটি প্রকাশ করা হবে।’

    এদিকে এ বছর থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বড় একটি পরিবর্তন আসছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে তা চালু ছিল না।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার ১১টি বোর্ড—সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি—সবগুলোতেই অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রশ্নপত্রে সমতা নিশ্চিত হবে এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

     

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করা হতে পারে।

  • হা’ম কীভাবে ছড়ায় এবং লক্ষণ কী? জেনে নিন

    হা’ম কীভাবে ছড়ায় এবং লক্ষণ কী? জেনে নিন

    হঠাৎ হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া ও মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রতিদিনই ভর্তি করা হচ্ছে হাম আক্রান্তদের।

    এরইমধ্যে অন্তত ১০টি জেলায় হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। মার্চ মাসে কমপক্ষে ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মূলত হামের টিকা না দেয়া, শিশুদের মায়ের বুক দুধ ঠিকমতো পান না করানো, প্রয়োজনীয় কৃমিনাশক না খাওয়ানো এবং অপুষ্টির কারণেই হামের প্রকোপ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    যেভাবে ছড়ায় হাম

    হাম বিশ্বের সবচেয়ে সংক্রামক ভাইরাল সংক্রমণগুলোর মধ্যে একটি। এই ভাইরাসটি আক্রান্ত ব্যক্তির নাক এবং গলার মিউকাস মেমব্রেনে বাস করে এবং মূলত কাশি, হাঁচি, এমনকি অন্যদের কাছাকাছি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

    একবার বাতাসে ছেড়ে দিলে, হামের কণাগুলো পৃষ্ঠের উপর বা বাতাসে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে। দূষিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করে চোখ, নাক বা মুখ ঘষলেই সংক্রমণ হতে পারে।

    হাম ছড়ানোর সাধারণ উপায়
    ১. সংক্রামিত ব্যক্তির সাথে সরাসরি যোগাযোগ।
    ২. শ্বাস-প্রশ্বাসের ফোঁটার মাধ্যমে (কাশি বা হাঁচি থেকে) বায়ুবাহিত সংক্রমণ।
    ৩. দরজার হাতল বা আসবাবের মতো দূষিত জিনিস স্পর্শ করা এবং তারপর আপনার মুখ স্পর্শ করা।

    লক্ষণ দেখা দেয়ার আগেই, সংক্রামিত ব্যক্তি অজান্তেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে দিতে পারে। ফুসকুড়ি দেখা দেয়ার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পরে পর্যন্ত হাম সংক্রামক।

    একবার শরীরের ভেতরে প্রবেশ করলে, ভাইরাসটি দ্রুত গলা, ফুসফুস, লিম্ফ নোডের মতো অঞ্চলে বৃদ্ধি পায় এবং পরে চোখ, মূত্রনালী, রক্তনালী এমনকি মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত সংস্পর্শে আসার ৯ থেকে ১১ দিন পরে লক্ষণগুলো দেখা দেয়।

    টিকা না নেয়া প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ যদি আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একই বাড়িতে বাস করেন, তাহলে তাদের হাম হয়ে যাবে।

    উচ্চ সংক্রমণ হারের কারণে, হামের প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে কম টিকাদানের আওতাভুক্ত সম্প্রদায়গুলিতে। এই কারণেই এর বিস্তার রোধ করার জন্য টিকাদান এবং প্রাথমিকভাবে আক্রান্তদের আলাদা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
     

     

    হামের লক্ষণ

     

    হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যার প্রধান লক্ষণ হলো তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত), সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং এরপর সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়া। সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের ১০-১৪ দিন পর লক্ষণগুলো দেখা দেয়। এর আগে মুখে, বিশেষ করে গালে, ছোট সাদা দাগ (Koplik spots) দেখা যেতে পারে।

    প্রাথমিক লক্ষণ (প্রথম ৩-৪ দিন)
    >শুষ্ক কাশি
    >সর্দি
    >স্বরভঙ্গ অথবা গলায় জ্বালাপোড়া
    >পানিযুক্ত, লাল, এবং চুলকানিযুক্ত চোখ
    >আলোর সংবেদনশীলতা (ফটোফোবিয়া)
    >শরীরে হালকা ব্যথা এবং ক্লান্তি
    >কোপলিকের দাগ: নীলাভ কেন্দ্রবিশিষ্ট ছোট সাদা দাগ, সাধারণত মুখের ভেতরে গাল এবং গলায় – হামের একটি ক্লাসিক প্রাথমিক লক্ষণ।
    >ফুসকুড়ি উন্নয়ন

    কাছাকাছি প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেয়ার ৩ থেকে ৪ দিন পরে, দ্য লালচে-বাদামী ত্বকের ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এটি সাধারণত:
    >কানের পেছনে শুরু হয়
    >মুখ, ঘাড় এবং শরীরের ওপরের অংশে ছড়িয়ে পড়ে
    >ধড়, বাহু এবং পা ঢেকে রাখার জন্য অগ্রগতি হয়
    >ছোট লাল দাগ দিয়ে শুরু হয় কিন্তু বড় দাগের মতো হয়ে যেতে পারে।
    >ফুসকুড়ি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয় ৫ থেকে ৭ দিন
    >ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে, জ্বর ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার আগে আবার ফিরে আসতে পারে বা আরও খারাপ হতে পারে।
    >ফুসকুড়ি দেখা দেয়ার আগেই হাম অত্যন্ত সংক্রামক। প্রাথমিক লক্ষণগুলো শনাক্ত করলে এর বিস্তার রোধ করা যায় এবং সময়মতো চিকিৎসা সেবা পাওয়া সম্ভব।

     

    সতর্কতা: হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে। হামের কারণে নিউমোনিয়া, কানে ইনফেকশন বা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো গুরুতর জটিলতা হতে পারে। আপনার বা আপনার শিশুর মধ্যে এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং টিকা দান নিশ্চিত করুন।
     

    লেখাটি অ্যাপোলো হসপিটালের ওয়েবসাইট থেকে নেয়া

  • সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে

    সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলে। নতুন সরবরাহ কম থাকায় মজুদ দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। দেশের জ্বালানি খাতে তৈরি হওয়া চাপ সামাল দিতে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।

    এরই অংশ হিসেবে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের।

    একই সঙ্গে ওয়ার্ক ফ্রম হোম কর্মসূচি বা অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিমধ্যে সব সকরারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে।

    সেখানে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

    পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

    এদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকালে বাধ্যতামূলকভাবে অফিসে ৪০ মিনিট অবস্থান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিস কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অধীন দফতর-সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এই নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়, এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হচ্ছে।

  • বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, উঠবে না সংসদে: বিশেষ কমিটির সভা

    বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, উঠবে না সংসদে: বিশেষ কমিটির সভা

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশ যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২ এপ্রিল সংসদে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষ কমিটি। তবে গণভোটের অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে উল্লেখ করে তা বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আপত্তি তুলেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।

    এদিকে যেসব অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হচ্ছে, এর মধ্যে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়সহ কয়েকটি অধ্যাদেশের সংশোধনীসহ উত্থাপনের সুপারিশ করেছে সরকারি দল। এর বিরোধিতা করেছেন কমিটিতে থাকা বিরোধী দল জামায়াতের সংসদ সদস্যরা। এমন ১৫ অধ্যাদেশের বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) দিয়েছেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

    রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে বিশেষ কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়। রাতে সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে বৈঠকটি চলে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী। তৃতীয় দিনের বৈঠকে শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ করে কমিটি। ২ এপ্রিল কমিটি সংসদে প্রতিবেদন পেশ করবে।

    সংবিধানে গণভোটের বিধান রাখা না রাখা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা প্রসঙ্গে বিশেষ কমিটির সদস্য ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গণভোটের সাথে গোটা জাতি জড়িত। ওনারা এটি বাতিল করার কথা বলছেন, যা আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। যদি গণভোট সংবিধানবহির্ভূত হয়, তবে একই দিনে হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচন কীভাবে বৈধ হয়? জনগণ “হ্যাঁ” জয়যুক্ত করেছে, সুতরাং গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে—এটাই আমাদের মূল দাবি।’

    তবে গণভোটের অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে। যে কারণে প্রণয়ন করা হয়েছিল, এটার অধীনে সামনে আর কোনো গণভোট হবে না। এটাকে বিল আকারে এনে আইন বানানোর কোনো অর্থ নেই। এটা রেটিফিকেশনের প্রয়োজন নেই।

    বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। এতে অংশ নেন কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ ছাড়া মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং জি এম নজরুল ইসলাম অংশ নেন বৈঠকে। বিশেষ কমিটির আমন্ত্রণে মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

    বৈঠক ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, কিছু মৌলিক বিষয়ে তারা আগে থেকে একমত ছিলেন না। আজও একমত হতে পারেননি। সরকারি দল কিছুটা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে পাস করার চেষ্টা করেছে। যার মধ্যে ১৪-১৫টি বিষয়ে বিরোধী দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। বিশেষ করে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন এবং গুম-খুন প্রতিরোধ কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারা আগের মতো দলীয়করণের লাইনে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারপতি নিয়োগের বাছাই কমিটি, যেগুলো সংস্কারের মাধ্যমে আনা হয়েছিল, সেগুলো তারা রহিত করে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চায়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) স্বাধীনতা খর্ব করার বিষয়েও আমরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছি।’

    কমিটির বৈঠকে যেসব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব হয়নি, সেগুলো চূড়ান্ত আলোচনার জন্য পুনরায় সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে বলে জানান রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১০-১৫টি বিষয়ে আমরা কিছু সংশোধনীসহ একমত হয়েছি। বাকি যেগুলোতে জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা আছে, সেগুলোতে আমরা ছাড় দেব না। সংসদে এসব নিয়ে ভোটাভুটি বা বিস্তারিত আলোচনা হবে।’

    এ প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রতিটির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেকগুলো যেভাবে আছে, সেভাবে পাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিছু কিছু সংশোধিত আকারে বিল আনা হবে। আর কিছু হয়তো বিল আনার সময় পাওয়া যাবে না। সেগুলো নিয়ে চিন্তা হলো, পরবর্তী অধিবেশনে যেগুলো পাস করতে চাইবে, বিল আকারে আনব।’

    তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় ও সরকারি দলের সদস্যরা কিছু কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। সেগুলো যথাযথভাবে রিপোর্টে প্রতিফলিত হবে। বিল আকারে যখন উত্থাপিত হবে, তখন আইন প্রণয়নের সময় যার যার বক্তব্য দিতে পারবেন।

  • ডিপো থেকে জ্বা’লানি তেল সরবরাহে নতুন সময় নির্ধারণ

    ডিপো থেকে জ্বা’লানি তেল সরবরাহে নতুন সময় নির্ধারণ

    দেশের ফিলিং স্টেশন ও পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ডিপো থেকে তেল খালাসের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (২৮ মার্চ) বিপিসির এক বার্তায় নতুন এই সময়সূচির কথা জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী বিপণন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে সারা দেশে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দেশের সব ফিলিং স্টেশন, পড পয়েন্ট, ডিলার ও পাম্পগুলোতে জ্বালানি পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিপিসির অধীনস্থ প্রধান স্থাপনা ও ডিপোগুলো থেকে পণ্য সরবরাহের নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, এখন থেকে প্রধান স্থাপনা ও ডিপোগুলো থেকে জ্বালানি পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম প্রতিদিন সকাল ৭টায় শুরু হবে এবং শেষ হবে বিকেল ৩টায়। সারা দেশের জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিপিসি।

  • গাড়ির উ’ল্টো দিকে বসলেই ব’মি? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার

    গাড়ির উ’ল্টো দিকে বসলেই ব’মি? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার

    বাস, ট্রেন বা গাড়ির জানালার পাশের সিট ভ্রমণকে করে তোলে আনন্দদায়ক; কিন্তু সেই সিট যদি যাতায়াতের বিপরীত দিকে মুখ করা হয়, অনেকের জন্যই তা হয়ে ওঠে অস্বস্তিকর। মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব—এসব সমস্যার মূল কারণ হলো ‘মোশন সিকনেস’, যার পেছনে রয়েছে আমাদের শরীরের জটিল স্নায়ুবিক প্রক্রিয়া।

    মস্তিষ্ক সবসময় চায় চোখ ও শরীরের ভেতরের ভারসাম্য রক্ষাকারী অংশ (অন্তকর্ণ) থেকে একই ধরনের সংকেত পেতে; কিন্তু উল্টো দিকে বসলে এই সমন্বয় নষ্ট হয়ে যায়। চোখ দেখে মনে হয় আপনি পেছনের দিকে সরে যাচ্ছেন, অথচ অন্তকর্ণ অনুভব করে আপনি সামনের দিকে এগোচ্ছেন। এই দ্বৈত সংকেত মস্তিষ্কে বিভ্রান্তি তৈরি করে, যার ফলেই শুরু হয় মাথাঘোরা বা বমি।

    এছাড়া সোজা দিকে বসলে মস্তিষ্ক আগাম বুঝতে পারে কখন গাড়ি মোড় নেবে বা গতি পরিবর্তন করবে; কিন্তু উল্টো দিকে বসলে এই পূর্বাভাস পাওয়া যায় না। ফলে হঠাৎ ঝাঁকুনি বা বাঁকে শরীর প্রস্তুত থাকতে পারে না, যা সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়—বিশেষ করে পাহাড়ি বা আঁকাবাঁকা রাস্তায়।

    উপায় কী
    কিছু সহজ উপায় মেনে চললে এ অস্বস্তি কমানো সম্ভব। যেমন—চোখ বন্ধ রাখা বা দূরের স্থির কোনো কিছুর দিকে তাকানো মস্তিষ্কের বিভ্রান্তি কমায়। মাথা যতটা সম্ভব স্থির রাখলে অন্তকর্ণের উপর চাপ কম পড়ে। গাড়ির মাঝামাঝি জায়গায় বসলে ঝাঁকুনি কম অনুভূত হয়। পাশাপাশি গান শোনা বা গল্পে মন দিলে মনোযোগ অন্যদিকে সরে যায়, ফলে অস্বস্তি কমে।

    তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—উল্টো দিকে বসে মোবাইল বা বই পড়া এড়িয়ে চলা উচিত। এতে চোখ ও মস্তিষ্কের সংকেতের অসামঞ্জস্য আরও বেড়ে যায়। সচেতনতা আর কিছু সহজ কৌশলই পারে ভ্রমণকে আরও স্বস্তিদায়ক করে তুলতে।