Category: Uncategorized

  • চো’খের পাতা লাফায় কেন, এটি ভালো না ক্ষ’তি, জেনে নিন উপকারে আসবে

    চো’খের পাতা লাফায় কেন, এটি ভালো না ক্ষ’তি, জেনে নিন উপকারে আসবে

    সাধারণত চোখের পাতা লাফানোকে স্বাভাবিক ধরে নেয়া হয়। যাদের এমনটা হয়, তাদের অধিকাংশেরই ধারণা যে, এটি কোনো কারণ ছাড়াই হচ্ছে এবং নিজ থেকেই ঠিক হয়ে যাবে। ফলে গুরুত্ব দেয়া হয় না। আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার ইঙ্গিত বলে মনে করেন। এ কারণে চোখের পাতা টলমল বা লাফানো নিয়ে অনেকের মনে নানা প্রশ্ন থাকে।

    চোখের পাতা লাফানো বলতে বোঝায়, চোখের এক অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়া, চোখের পাতার পেশী বা চারপাশের মুখের কিছু অংশের নড়াচড়া করা। কখনো কখনো চোখের পাতা লাফানো স্বাভাবিক এবং এটি প্রায় সবারই হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রেই এটি সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। ফলে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। চোখের পাতা লাফানোর কারণগুলোকে বিভিন্নভাবে বর্ণনা করা যায়। এর মধ্যে কিছু চোখের সঙ্গে সম্পর্কিত, কিছু মুখের স্নায়ু এবং পেশী সংশ্লিষ্ট। চোখের পাতা লাফানোর ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক অর্গানাইজেশন। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক-

    চোখের পাতা লাফানোর কারণগুলো:
    চোখের পাতা লাফানোর বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। মূলত নির্দিষ্ট কিছু ধরনের ওপর নির্ভর করে চোখের পাতা লাফানো। কিছু সাধারণ কারণ থাকে, যা সব ধরনের চোখের পাতা লাফানোর জন্য দায়ী। কিছু বিষয় রয়েছে পাতা লাফানোর বিষয়টি অধিকতর খারাপ করে তুলতে পারে।

    কারণগুলো হচ্ছে- মানসিক চাপ বা উদ্বেগ, ঘুমের অভাব বা ক্লান্তি, ক্যাফেইনের মতো উত্তেজক গ্রহণ, প্রেসক্রিপশনের ওষুধ বা এর বাইরে ওষুধ ব্যবহার, উজ্জ্বল আলো বা আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা, চোখের টান, নিকোটিন ব্যবহার এবং পুষ্টিজনিত ঘাটতি।

    ফ্যাসিকুলেশন:
    ফ্যাসিকুলেশন সাধারণত সৌম্য (নিরাপদ) হয়। এটি হচ্ছে ত্বকের নিচে পেশীর ছোট, অনিচ্ছাকৃত এবং অনিয়মিত মোচড় বা কাঁপুনি। যা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী এবং ব্যথাহীন হয়ে থাকে। এসব বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বিনাইন ফ্যাসিকুলেশন সিনড্রোম। ক্যাফেইনের মতো উদ্দীপক বা অ্যালকোহলের মতো স্নায়ুতন্ত্রের বিষণ্ণতা। অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম। অতিরিক্ত সক্রিয় থাইরয়েড গ্রন্থি (হাইপারথাইরয়েডিজম)।

    এছাড়া ভাইরাল সংক্রমণ, এ ক্ষেত্রে ভাইরাস স্নায়ুকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে কিংবা ক্ষতিকারকও হতে পারে, খিঁচুনিরও কারণ হতে পারে। তবে বিরল ক্ষেত্রে ফ্যাসিকুলেশন অধিকতর গুরুতর স্নায়বিক অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এসব এমন অবস্থা হতে পারে, যা স্নায়ু, মস্তিষ্ক বা উভয়কে প্রভাবিত করতে পারে। এ অবস্থার মধ্যে বেশি পরিচিত হচ্ছে অ্যামিওট্রফিক ল্যাটেরাল স্কলেরোসিস, যা লু গেহরিট’স ডিজিজ নামে পরিচিত।

    মায়োকিমিয়া:
    এটি খুবই সাধারণ সমস্যা। চোখের পাতার পেশীর অনিচ্ছাকৃত, আপনাআপনি ও সাময়িক সময়ের জন্য কাঁপুনি বা লাফালাফি। যা প্রায়ই একাধিক কারণের সংমিশ্রণে হয়। সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব ও ক্যাফেইন গ্রহণ। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই মায়োকিমিয়ার নির্দিষ্ট কারণ থাকে। যেমন- ওষুধ (অ্যান্টিসাইকোটিকস, অ্যান্টিসাইজার ড্রাগ) এবং মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের (এমএস) মতো অটোইমিউন এবং স্নায়ুতন্ত্রের অবস্থা বা গ্লিওমাসের মতো টিউমারের কারণে।

    ব্লেফারোস্পাজম বা চোখের পাতার খিঁচুনি:
    ব্লেফারোস্পাজম দুই ধরনের, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক। প্রাথমিক হচ্ছে এটি অন্য কোনো অবস্থা বা সমস্যা ছাড়াই হয়ে থাকে। আর মাধ্যমিক হচ্ছে এটি কোনো কিছুর প্রভাবে বা কারণে হয়।

    এই রোগের সাধারণ প্রাথমিক রূপ হচ্ছে বিনাইন অ্যাসেনশিয়াল ব্লেফারোম্পাজম (BEB)। বিশেষজ্ঞরা জানান, বিইবি স্নায়ু সম্পর্কিত কারণে হয়। তবে তারা এখনো বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝে উঠতে পারেননি যে, এটি কীভাবে এবং কেন হয়। এর পেছনে অন্যান্য কিছু কারণ থাকতে পারে। বিশেষ করে আলোর সংবেদনশীলতা (ফটোফোবিয়া) এবং শুষ্ক চোখ দায়ী হতে পারে।

    ব্লেফারোস্পাজমের ক্ষেত্রে আরও ছোট ছোট কিছু কারণ থাকতে পারে। যেমন- ডাইস্টোনিয়া, মেইন সিনড্রোম (এটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে যে, এ অবস্থায় চোখ লাফায় নাকি পাশাপাশি কিছু হয়।)। টার্ডিড ডিস্কিনেসিয়া, কিছু ওষুধ (বিশেষ করে পার্কিনসন রোগের ওষুধ) এবং খিঁচুনি ও মৃগীরোগ।

    হেমিফেসিয়াল স্প্যাজম:
    এ ধরনের চোখের মোচড় মস্তিষ্ক, মুখের একপাশের স্নায়ু বা উভয়কেই প্রভাবিত করতে পারে। এটি যেমন অপ্রত্যাশিত, একইভাবে অনিয়ন্ত্রণহীন। এর প্রাথমিক ও ছোট ছোট কিছু ধরন রয়েছে। প্রাথমিক রূপটি সাধারণত তখনই ঘটে, যখন মুখের রক্তনালীগুলো কুঁচকে যায়, একটি লুপ তৈরি করে এবং স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে। সংকুচিত স্নায়ু প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং সংযুক্ত পেশীগুলোকে সংকেত পাঠায়। ফলে মোচড় ও খিঁচুনি হয়।

    গুরুতর অবস্থার দ্বিতীয় প্রভাব হিসেবেও হেমিফেসিয়াল স্প্যাজম হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রমা বা আঘাতের কারণে স্নায়ু বা মস্তিষ্কের ক্ষতি, ডাইস্টোনিয়া (এটি অন্যান্য ধরনের চোখের পাতা লাফানোর সঙ্গেও হতে পারে)। মস্তিষ্কের অংশে ক্ষত, মস্তিস্কের টিউমার (ক্যানসারসহ), প্যারোটিভ গ্রন্থিতে টিউমার (এসব লালা উৎপন্ন করে এবং মুখের উপরি অংশের পেছনের দিকে গালে থাকে)।

    নিস্টাগমাস:
    এটি হচ্ছে চোখের একটি অনিয়ন্ত্রিত দোলন বা নড়াচড়া। এর কয়েকটি স্বাভাবিক এবং অপ্রত্যাশিত রূপ রয়েছে। চোখ যেভাবে নড়াচড়া করে বা নড়াচড়া অনুসরণ করে, তার কারণে হতে পারে। তবে নিস্টাগমাসের অন্যান্য ধরনের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- যদি ক্লান্ত থাকেন, ক্যাফিন বা অ্যালকোহল গ্রহণ করেন (বিশেষ করে অ্যালকোহল গ্রহণ যদি নেশার জন্য যথেষ্ট থাকে)। এছাড়াও রোগের কারণে হতে পারে। এ অবস্থায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ যদি এমন কিছু সন্দেহ করেন, তাহলে আপনাকে একজন স্নায়ু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

  • স্পিকারের নাম প্রায় চূড়ান্ত, ২৬ তারিখের মধ্যেই ঘোষণা

    স্পিকারের নাম প্রায় চূড়ান্ত, ২৬ তারিখের মধ্যেই ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার কে হবেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এবারের সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নাম বিভিন্ন মহলে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।

    আগামী ২৬ তারিখের মধ্যে স্পিকারের নাম ঘোষণা হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

    দলীয় ও সংসদীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের দীর্ঘ আইনজীবী অভিজ্ঞতা, সাংবিধানিক ও নির্বাচনী আইন বিষয়ে দক্ষতা এবং রাজনৈতিক পরিসরে সক্রিয় ভূমিকা তাকে স্পিকার পদের আলোচনায় এগিয়ে রাখছে।

    তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় যুক্ত। সাংবিধানিক, নির্বাচন ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতার সমন্বয় বিবেচনায় এনে তার নাম আলোচনায় এসেছে।

    যদিও দলীয়ভাবে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

    অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যকে মন্ত্রিসভাসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও প্রবীণ নেতা ড. আবদুল মঈন খান এখনো সরকারের বাইরে আছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি নরসিংদী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। প্রবীণ এ নেতাকে কোথায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে জনমনে।

    আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে ড. মঈন খানও হতে পারেন সংসদের স্পিকার।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য নরসিংদী-২ আসন থেকে মোট চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার বাবাও সাবেক এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন। অনেকের মতে, প্রবীণ নেতা ড. মঈন খানকে স্পিকার পদে নির্বাচিত করা হলে তিনি ভালো করবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হিসেবে তিনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার পদটি রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্বপূর্ণ পদ। স্পিকার সংসদ অধিবেশন পরিচালনা, কার্যপ্রণালী বিধি প্রয়োগ, সংসদীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সদস্যদের অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন। এ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিকে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সাংবিধানিক জ্ঞানের সমন্বয় ঘটাতে হয়।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদ পরিচালনায় আইনি ব্যাখ্যা, রুলিং প্রদান এবং বিতর্ক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে অভিজ্ঞ আইনজীবীর ভূমিকা কার্যকর হতে পারে।

    রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমুখী আলোচনা রয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ হিসেবে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন সংসদের কার্যক্রম পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। আবার অনেকে বলছেন, স্পিকার পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সংসদীয় সমীকরণ ও দলীয় কৌশলের ওপর।

    ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। প্রথম অধিবেশনেই সংসদ সদস্যদের ভোটে স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংবিধান অনুযায়ী বিদায়ি স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন স্পিকার নির্বাচনের বিধান থাকলেও এবার তা হচ্ছে না।

  • জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি

    জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি

    জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন। আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আলোচিত নারী উদ্যোক্তা ও ইনফ্লুয়েন্সার রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। 

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের সংগঠনটির আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিল, আর সদস্য সচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিটি পাঠ করেন রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেছেন যে, কোনো নারী দলীয় প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি বা কোনো সংস্থার প্রধান হতে পারবেন না। এটা জামায়াতের ঘোষিত নীতিও। 

    তনি বলেন, জামায়াতের এই অবস্থান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ ও ২৮ এর সরাসরি লঙ্ঘন। আরপিও অনুযায়ী, কোনো দল যদি লিঙ্গ সমতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে সেই রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য।

    রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীদের অংশগ্রহণের অধিকার কেড়ে নেওয়া একটি চরম অসাংবিদানিক আদর্শ। 

    তিনি আরো বলেন, নারীর সম্মান ও সাংবিধানিক অধিকার কোনো রাজনৈতিক আপষের বিষয় হতে পারে না। এমতাবস্থায় আমরা জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ, অবমাননাকর বক্তব্যের জন্য ডা. শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিচার নিশ্চিত করা এবং তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমতা চাইতে বাধ্য করতে হবে। একইসঙ্গে নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর আইনগত অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।

  • ৮ উপদেষ্টাকে দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?

    ৮ উপদেষ্টাকে দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকারে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টাদের মধ্যে ৮ জনকে দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

    প্রজ্ঞাপনে অনুযায়ী মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

    নতুন এই বণ্টন আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক ও নীতি-নির্ধারণী কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
     

  • ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ পাওয়া যাবে নগদ টাকা, প্রথমে পাবেন যারা

    ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ পাওয়া যাবে নগদ টাকা, প্রথমে পাবেন যারা

    দেশে পাঁচ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবনির্বাচিত বিএনপি সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর এ তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন।

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের আগে ‘মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র’ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে ৯টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে ইশতেহার দেন।

    সেখানে অন্যতম ছিল ‘ফ্যামিলি কার্ড’।

    সে সময় বিএনপির তরফ থেকে জানানো হয়, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থ ও পণ্য-সেবার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়।

    সভায় কৃষিমিন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে নগদ টাকা দেওয়া হবে। এটি পাওয়ার ক্ষেত্রে হতদরিদ্র এবং নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

    ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে জানিয়ে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হবে। হতদরিদ্র পরিবার সবার আগে ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

    এরপর দরিদ্র পরিবার পাবে।

    তিনি আরো জানান, নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। এটা কার্যকর কিভাবে করবে, সেটা নিয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    এদিকে, বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির মধ্যেও প্রত্যেক পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি রয়েছে।

    সবচেয়ে আগে এতে হতদরিদ্ররা অন্তর্ভুক্ত হবেন।

    জানা গেছে, ইতিমধ্যে ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠিত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। কমিটি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত ডিজাইন ও সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন করবে।

    এ কমিটির কাজের মধ্যে আরো আছে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ব্যবস্থা, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না পর্যালোচনা, সুবিধাভোগীদের তথ্যভাণ্ডার প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জাতীয় খানার তথ্যভাণ্ডার আন্ত যোগাযোগ স্থাপনের ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবারের (২৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।

    সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান, রাজনৈতিক বিবেচনায় এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে না। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীও থাকবে না। এই কার্ড সরাসরি পরিবারের নারী সদস্যদের কাছে পৌঁছে যাবে। এটি দেওয়া হলেও চলমান ভাতাগুলো অব্যাহত থাকবে।

    ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা’ কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করা হয়েছে। এর অন্য সদস্যরা হলেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিকল্পনা সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

  • ইফতারে ভুলেও খাবেন না ৩ খাবার, জেনে নিন

    ইফতারে ভুলেও খাবেন না ৩ খাবার, জেনে নিন

    রোজা রাখার কারণে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। তাই ক্ষুধা বেশি লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না—দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকার পর আপনি কোন খাবার খেতে পারবেন আর কোন খাবার খেতে পারবেন না! এ ব্যাপারে খুব সতর্ক হতে হবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু খাবার রয়েছে যা খালি পেটে খেলে শরীরে তাৎক্ষণিক অ্যাসিডিটি, পেট ব্যথা কিংবা বুকে জ্বালাপোড়ার কারণ হয়ে ওঠে।

    পুষ্টিবিদদের তথ্যে জেনে নিই, কোন খাবারগুলো ইফতারে এড়িয়ে চলা প্রয়োজন—

    সাইট্রাস ফল ও এর তৈরি ঠান্ডা শরবত
    ইফতারে ফল খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেকেরই। কিন্তু খালি পেটে সাইট্রাস জাতীয় ফল খেলে পেট ভার হয়ে থাকে, পেটে অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়। আর এসব ফলে থাকা ফ্রুক্টোজ হজম-প্রক্রিয়াকে মন্থর করে দেয়। তাই ইফতারে খাদ্যতালিকায় কমলালেবু, মুসুম্বি জাতীয় ফল রাখবেন না। এসব ফলের তৈরি ঠান্ডা জুস বা শরবতও বাদ দিন। কারণ ঠান্ডা পানি সর্দি-কাশির সমস্যা তৈরি করে এবং হজমের গতি মন্থর করে।

    তৈলাক্ত খাবার
    ইফতারে তেলের তৈরি নানা পদের ভাজাপোড়া দিয়ে ছোলা, মুড়ি মাখা খাওয়ার চল রয়েছে এদেশে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর এ তৈলাক্ত খাবার পেটে গ্যাসসহ নানা গোলযোগের কারণ হয়ে ওঠে। তাই চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন এ খাবার চালিয়ে যাওয়ার অভ্যাসে পেটে মেদের পরিমাণও বাড়তে থাকে। শুধু তাই নয়, খালি পেটে এমন খাবার বেছে নিলে ভুগতে হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি অন্ত্রের সমস্যাতেও। পড়তে পারেন আলসার ও ক্যানসারের মতো জটিল রোগে।

    চা-কফি
    ইফতারে ভারী খাবারের পর চা-কফি খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে প্রতিটি ঘরে ঘরে। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, এ অভ্যাস শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকার পর ভারী খাবার খাওয়ার পর আবার চা-কফি খেলে শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়তে থাকে, যা রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করে। অগ্ন্যাশয় ও যকৃতের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ে।

    তাই ইফতারে প্রাধান্য দিতে পারেন সুষম খাবার, সবজি, ইসবগুলের শরবত, খেজুর, দই এবং সহজে হজম হয় এমন খাবার। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

  • সেহরির পর থেকে ঘুমাচ্ছেন, ঘুম থেকে উঠেই যা করবেন

    সেহরির পর থেকে ঘুমাচ্ছেন, ঘুম থেকে উঠেই যা করবেন

    পবিত্র রমজান মাসে অনেকেই সেহরি খেয়ে সরাসরি ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের স্বল্প ঘুম, ফজরের নামাজ ও দিনের ব্যস্ততার কারণে এটি অনেকের জন্য প্রয়োজনীয়ও হয়ে পড়ে। 

    তবে সেহরির পর ঘুম এবং ঘুম থেকে ওঠার পর কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অনুসরণ না করলে হজমের সমস্যা, অবসাদ, মাথাব্যথা কিংবা পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছোট কিছু নিয়ম মানলেই সারা দিন সতেজ থাকা সম্ভব।

    কেন সতর্ক থাকা জরুরি

    সেহরিতে সাধারণত ভাত, রুটি, ডাল, মাংস, ডিম কিংবা দুধজাত খাবার খাওয়া হয়। খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে হজম ধীর হতে পারে এবং অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বালাপোড়া দেখা দেয়। 

    আবার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে পানির ঘাটতিও তৈরি হতে পারে। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরকে ধীরে ধীরে সক্রিয় করা গুরুত্বপূর্ণ।

    ঘুম থেকে উঠে যা করবেন

    ১. ধীরে উঠুন, হঠাৎ নয়

    হঠাৎ করে বিছানা ছাড়লে মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগতে পারে। কয়েক মিনিট বসে থেকে শরীরকে স্বাভাবিক হতে দিন।

    ২. হালকা স্ট্রেচিং করুন

    হাত-পা ও ঘাড়ের হালকা ব্যায়াম রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। ৫–৭ মিনিটের স্ট্রেচিংই যথেষ্ট।

    ৩. মুখ-হাত ধুয়ে সতেজ হন

    ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুলে ঘুমঘোর কাটে। এতে মনোযোগও বাড়ে।

    ৪. পানিশূন্যতার লক্ষণ খেয়াল করুন

    রমজানে দিনের বেলায় পানি পান করা যায় না। তাই মাথাব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা গা শুকিয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে ইফতার ও সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পানের পরিকল্পনা করুন।

    ৫. ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন

    ঘুম থেকে উঠেই কঠিন শারীরিক পরিশ্রম না করাই ভালো। প্রথমে হালকা কাজ দিয়ে শুরু করুন।

    ৬. সুষম খাদ্য পরিকল্পনা করুন

    যদি নিয়মিত সেহরির পর ঘুমান, তবে সেহরিতে অতিরিক্ত তেল-ঝাল খাবার এড়িয়ে চলুন। আঁশযুক্ত খাবার, প্রোটিন ও পর্যাপ্ত পানি শরীরকে দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

    বিশেষ সতর্কতা

    যাদের গ্যাস্ট্রিক, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সেহরি-পরবর্তী ঘুমের অভ্যাস নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। প্রয়োজনে খাবারের ধরন ও পরিমাণে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মূল চাবিকাঠি হলো নিয়মিত ঘুম, সুষম খাদ্য ও পরিমিত শারীরিক সক্রিয়তা। সেহরি খেয়ে ঘুমালে ক্ষতি নেই—তবে ঘুম থেকে উঠে সচেতনভাবে দিন শুরু করাই হতে পারে সুস্থ থাকার সহজ উপায়।

  • প্রাথমিকভাবে ৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    প্রাথমিকভাবে ৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য নিম্নরূপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে—

    কমিটির গঠন : অর্থমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    এ ছাড়াও কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সচিব, অর্থ বিভাগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব।

    এ কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন। কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল ডাটাবেজ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।

    কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

    এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কমিটি, দায়িত্বে আছেন যারা

    ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কমিটি, দায়িত্বে আছেন যারা

    প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরও ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

    এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

    এর আগে বিএনপি ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা প্রথমেই হতদরিদ্র পরিবার পাবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর রশীদ।

    তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য বেশ কিছু জেলা ও উপজেলা চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমে হতদরিদ্র পরিবারকে এই সুবিধা দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা বাড়ানো হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নগদ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হতদরিদ্র পরিবারের নারীদের নগদ টাকা তাদের পরিবারের জন্য অনেক গুরুত্ব বহন করে। দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক করা হবে প্রাথমিকভাবে কত মানুষ এ সুবিধা পাবেন।

  • ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি গঠন, আছেন যারা

    ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি গঠন, আছেন যারা

    প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরো ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

    এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।