Category: Uncategorized

  • শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর

    শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর

    সরকারি চাকরিজীবীদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরও উৎসব ভাতা শতভাগ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পান। সেই ভাতাকে শতভাগ করার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে তিনি কথা বলেন।

    সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলেন, যেখানে সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের শতভাগ উৎসব ভাতা পান, সেখানে বেসরকারি শিক্ষকরা কেন একই সুবিধা পাচ্ছেন না। জবাবে তিনি বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের উৎসব ভাতার বিষয়টি আমি জানি। এবার এটি আমাদের সরকারের আমলে বাস্তবায়িত হবে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

    এর আগে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জমা দিয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বা ঘুষ-বাণিজ্যের বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।

    শিক্ষকদের বদলির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব চালু করা হবে। আমাদের আশা, শিগগিরই এটি কার্যকর করা যাবে।

    যদি সিস্টেমে কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।’

    বেতন বিলম্ব নিয়ে তিনি আরো জানান, ‘যদি কোনো মাসে বেতন প্রদানে দেরি হয়, বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং তা দ্রুত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ কারণে বিলম্ব হলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।’

  • ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ মিলবে নগদ টাকা, পাবেন যারা

    ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ মিলবে নগদ টাকা, পাবেন যারা

    পাঁচ কোটি পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

    বৈঠক শেষে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে চাকরিচ্যুত করতে হলে বিধি অনুযায়ী করতে হবে।

    মব করে কাউকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না। বাসসে যেটা হয়েছে সেটা শুনেছি। এই ঘটনা দুঃখজনক।’

    এ সময় কৃষিমিন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে নগদ টাকা দেওয়া হবে।

    ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে হতদরিদ্র এবং নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

    পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হবে। ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। হতদরিদ্র পরিবার সবার আগে ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

    এরপর দরিদ্র পরিবার পাবে।’

  • রোজায় ১০ লাখ পরিবারকে কম দামে দুধ-ডিম ও মাং’স দেবে সরকার

    রোজায় ১০ লাখ পরিবারকে কম দামে দুধ-ডিম ও মাং’স দেবে সরকার

    পবিত্র রমজানে নিম্ন আয়ের ১০ লাখ পরিবারকে সুলভ মূল্যে প্রোটিনের চাহিদা পূরণের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানীর ২৫টি স্পটে কম দামে এ পণ্য বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার ১০ লাখ পরিবার কম দামে দুধ, ডিম ও মাংস কিনতে পারবেন। এ লক্ষ্যে উত্তরা, আজিমপুর, মিরপুরসহ রাজধানীর ২৫টি স্পটে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। চলবে পুরো রমজান মাস জুড়ে।

    দেশের অন্যান্য জেলাতেও এই উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ‘এতে ডিমের ডজন মিলছে ৯৬ টাকায়, ১ কেজি দুধ ৮০ টাকা ও ১ কেজি মাংস ৬৫০ টাকায়। এই উদ্যোগের ফলে বাজারেও জিনিস পত্রের দাম কমে আসবে।’

    রমজান মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়ায় বিধায় নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট বেড়ে যায় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ তাদের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বিত টিমওয়ার্কের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    কাঁচা ডিম বাণিজ্যমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

  • স্কুলের সংশোধিত ছুটির তালিকা প্রকাশ

    স্কুলের সংশোধিত ছুটির তালিকা প্রকাশ

    সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতিরেকে বছরে ছুটি থাকবে মোট ৬৭ দিন।

    শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, বড় ছুটির মধ্যে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ৩৬ দিন (সাপ্তাহিক ছুটিসহ) বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

    যা আজ থেকেই শুরু হয়েছে।

    এ ছাড়া ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের জন্য ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১০ দিন এবং বছরের শেষে শীতকালীন অবকাশ ও বড়দিন উপলক্ষে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসের জন্য নির্দিষ্ট দিবসগুলোতে ছুটি থাকবে।

    প্রজ্ঞাপনে ছুটির তালিকার পাশাপাশি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।

    সে অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর এবং বার্ষিক পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট তারিখও নির্ধারণ করে দিয়েছে।

    পরীক্ষা সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার সময়কাল ১২ কর্মদিবসের বেশি হবে না। বিদ্যালয়গুলোকে নিজস্ব প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিতে হবে; কোনোভাবেই বাইরে থেকে সংগৃহীত প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। বিশেষ কারণ ছাড়া পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা নিষিদ্ধ, তবে একান্ত প্রয়োজনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি নিতে হবে।

    এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন বা সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া বা শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রাখা যাবে না। এমনকি পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    তবে ভর্তি কার্যক্রম বা অন্য পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটির দিনেও বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

  • রোজায় যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

    রোজায় যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

    বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান মাস। বাংলাদেশের আকাশে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজানের নতুন চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সিয়াম সাধনা বা রোজা রাখা শুরু করবেন। 

    এ সময় আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তিত—না শীত, না গরম। তাপমাত্রা কমলে বা বাড়লে রোগ প্রতিরোধক্ষমতার ওপর সেটার প্রভাব পড়তে পারে। রোজার সময় বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর খাবার অথবা ভাজাপোড়া বেশি খেলে শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এ সময় সুস্থ থেকে সব কটি রোজা রাখতে চাই সঠিক খাদ্যাভাস।

    শুরুতেই বলা দরকার, ভাজাপোড়া না খাওয়ার বিষয়ে কঠোর থাকা উচিৎ। বাঙালি নাশতা হিসেবে ভাজাপোড়া খেতে পছন্দ করে। রোজার মাসে ইফতারি হিসেবে ভাজাপোড়ার কদর আরও বেড়ে যায়। কিন্তু অনেকেই জানেন না ইফতারে নিয়মিত ভাজাপোড়া খেলে, বিশেষ করে গরমের মধ্যে খেলে কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে।
     
    রোজা থাকার কারণে অনেক রোজাদারের শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। ইফতারি হিসেবে তাই লম্বা সময় পরে ভাজাপোড়া খেলে তা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। ভাজাপোড়া–জাতীয় খাবার হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম কারণ।

    অনেক ভাজাপোড়া খাবারে অতিরিক্ত চিনি ও লবণ মেশানো হয়, ফলে রক্তের চিনির মাত্রা ও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। ভাজাপোড়াগুলোকে আকর্ষণীয় করার জন্য যে কেমিক্যাল বা রং মেশানো হয়, সেগুলো অতিরিক্ত গ্রহণে ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    ডুবো তেলে ভাজা খাবার উচ্চ ক্যালরির, তাই স্যাচুরেটেড ও ট্রান্সফ্যাটের কারণে হৃদ্‌রোগ, স্থূলতা, টাইপ–২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। অনেকের ক্ষেত্রেই ওজন বেড়ে শারীরিক নানা সমস্যা তৈরি করে। এসব খাবারে অতিরিক্ত তেল শুষে নেওয়ার কারণে বুকজ্বালা, হজমের সমস্যা দেখা দেয়। 

    প্রতিদিনের ইফতারের খাবার হওয়া উচিৎ সহজপাচ্য ও কম তেল–মসলাযুক্ত। কারণ, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে গুরুপাক ও ভারী খাবার খেলে হজমের ব্যঘাত ঘটতে পারে, তৈরি হতে পারে শারীরিক জটিলতা। সে জন্য একটি খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার শুরু করতে পারেন।

    এরপর অল্প অল্প করে বারবার বিশুদ্ধ খাবার পানি খেতে হবে। ডাবের পানি, লেবুপানি, মৌসুমি ফলের রস খেতে পারেন। এগুলোর সঙ্গে তোকমাদানা, চিয়া সিড, ইসবগুলের ভুসি, তিসি মিশিয়ে খেতে পারেন।

    ভাজাভুজি বা ছোলাভুনার পরিবর্তে অঙ্কুরিত ছোলার সঙ্গে শসা, টমেটো, লেবু ও দুই–তিন কোষ কাঁচা রসুন কুচি করে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। দুই–তিন রকম ডালের সঙ্গে মুরগির মাংস মিশিয়ে কম মসলা দিয়ে হালিম তৈরি করে খেতে পারেন।

    টক দই দিয়ে লাল চিড়া, ওটস, বার্লিও খেতে পারেন। সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন ব্লেন্ড করা কোনো মৌসুমি ফল। বিভিন্ন মৌসুমি সবজি, মুরগির মাংস মিশিয়ে স্যুপ বানিয়েও খেতে পারেন। দুধের সঙ্গে সাবুদানা, সুজি দিয়ে ফালুদা বানিয়ে বা দুধ–ডিমের পুডিংও তৈরি করে খেতে পারেন। 

    পবিত্র মাহে রমজানে অনেকেই রাতে না খেয়ে সরাসরি সাহ্‌রিতে খাবার খান, এই অভ্যাস ঠিক নয়। অন্যান্য সময়ের সকালের নাশতার পরিমাণ খাদ্য রাতে খেতে হবে। এই সময়ে সহজেই হজম হয়, এমন খাবার খান।

    যেমন লাল আটার রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি। সবজি ও চিকেন মিক্স স্যুপ খেতে পারেন। দুধের সঙ্গে সামান্য ওটস, লাল চিড়া, বার্লি ও খেজুর ব্লেন্ড করে স্মুদি বানিয়ে খেলেও ভালো লাগবে। রাতের খাবারের পর টক দই খেতে পারলে ভালো হয়, যা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।

  • পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু

    পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু

    নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তিনি জানান, পে স্কেলের সুপারিশগুলো না দেখে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। দেশের বর্তমান আর্থিক অবস্থায় এটি কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, তা বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    দেশের কর রাজস্ব এবং কর-জিডিপি অনুপাত বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকায় এই সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    দেশের অর্থনীতি সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সব মানুষের জন্য হতে হবে। প্রতিটি নাগরিককে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে পারলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। সরকারের লক্ষ্য হলো বাজারে সবার জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। তিনি জানান, ৫ আগস্টের পর জনগণের মানসিকতায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

    আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এজন্য তিনি ডিরেগুলেশন, লিবারলাইজেশন এবং ম্যানুফ্যাকচারিং নির্ভর অর্থনীতির বাইরে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার কথা বলেন। খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করে তিনি বরিশালের শীতলপাটির উদাহরণ দেন। মন্ত্রী বলেন, সাধারণ কারিগরদের প্রশিক্ষণ, ঋণ ও অনলাইন মার্কেটিংয়ের সুযোগ দেওয়া গেলে দেশীয় পণ্যের বড় বাজার তৈরি করা সম্ভব।

    এদিকে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও রাজস্ব ঘাটতির কারণে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, সুপারিশগুলো পর্যবেক্ষণ ও বিস্তারিত যাচাই-বাছাই না করে সরকার কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে না। ফলে পে স্কেল কার্যকরের বিষয়টি এখন সম্পূর্ণভাবে পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষার ওপর নির্ভর করছে।

  • যে ভি’টামিনের অভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হচ্ছে না, জেনে নিন

    যে ভি’টামিনের অভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হচ্ছে না, জেনে নিন

    সুস্থ থাকার জন্য স্বাভাবিক প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। দিনে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমালে তা স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে। তবে বিভিন্ন কারণে অনেকরে ঘুম হয় না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হয় না—এমন মানুষের সংখ্যাও দিনকে দিন বেড়ে যাচ্ছে। অনেকে ঘুমের সমস্যা দূর করতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে পারে।

    এদিকে, ভিটামিনের অভাব ঘুম কম হওয়ার একটি বড় কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

    ভিটামিন ডি
    ভিটামিন ডি হাড়ের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঘুমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি খেলে ভালো ঘুম হয় এবং অ্যানিমিয়া বা অনিদ্রার সমস্যা কমে যায়।

    সূর্যালোক ছাড়াও আপনি সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ ও ফলের রস থেকে ভিটামিন ডি পেতে পারেন।

    ভিটামিন ই
    এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা কোষের সুস্থতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন-ই ঘুমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পালং শাক, ব্রকলি এবং টমেটো থেকে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।

    ভিটামিন সি
    ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যা রোধ করে এবং ভালো ঘুম আনে। পালং শাক, ফুলকপি, সাইট্রাস ফল যেমন— কমলা, লেবু ইত্যাদি ভিটামিন সির ভালো উৎস।

    ভিটামিন বি-৬
    এ ভিটামিন অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে এবং রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।

    কলা, গাজর, পালং শাক, আলু, ডিম, চিজ, মাছ এবং গোটা শস্যদানায় প্রচুর ভিটামিন বি-৬ পাওয়া যায়।

    ভিটামিন বি-১২
    এটি মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ঘুমের সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। প্রাণিজ প্রোটিন এবং দুধজাতীয় খাবারে এ ভিটামিন পাওয়া যায়।

  • পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী

    পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী

    নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের আগে দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় এটি কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, সেটি আমরা যাচাই করব।

    অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের ট্যাক্স রেভিনিউ এবং ট্যাক্স জিডিপি অনুপাত বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ। তাই পে স্কেল কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তিনি দেশের অর্থনীতি সম্পর্কে বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি সব মানুষের জন্য হতে হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিককে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে পারলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব।

    আমাদের লক্ষ্য হলো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং সবার জন্য সুযোগ তৈরি করা।’

    আমীর খসরু বলেন, ‘৫ আগস্টের পর জনগণের মানসিকতায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হতে হবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নয়ন করতে হবে। প্রফেশনালিজম, স্বচ্ছতা এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। এর জন্য দরকার ডিরেগুলেশন, লিবারলাইজেশন এবং ম্যানুফ্যাকচারিং নির্ভর অর্থনীতির বাইরে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করা। খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে হবে।

    মন্ত্রী উদাহরণ হিসেবে বলেন, ‘বরিশালের সাধারণ শীতলপাটির দাম ৬০০-৭০০ টাকা। যদি কারিগরদের প্রশিক্ষণ, ঋণ ও অনলাইন মার্কেটিংয়ের সুযোগ দেওয়া যায়, তারা নতুন ডিজাইন ও বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী তৈরি করতে পারবে এবং বড় বাজার সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বর্তমান আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং ট্যাক্স রাজস্বের কম থাকায় নবম পে স্কেল সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে পে স্কেলের সুপারিশগুলো পর্যবেক্ষণ এবং বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তাই এটি এখনো চূড়ান্ত নয়।’

  • সংসদ সদস্যরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

    সংসদ সদস্যরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সংসদ গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের সংসদ সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছেন। এরপর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান।

    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি) শুধু আইন প্রণয়ন ও জনগণের প্রতিনিধিত্বই করেন না, রাষ্ট্র তাদের জন্য নির্ধারণ করেছে সম্মানী-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার একটি বিস্তৃত কাঠামো।

    এসব সুবিধা নির্ধারিত হয়েছে ‘সংসদ সদস্য (পারিশ্রমিক ও ভাতা) আদেশ, ১৯৭৩’ অনুযায়ী, যা সময় সময় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ করা হয়েছে। নিচে আইনি কাঠামো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এমপিদের প্রাপ্ত প্রধান সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো—

    মাসিক সম্মানী

    সংসদ সদস্যরা মাসিক ৫৫ হাজার টাকা হারে সম্মানী পান। এটি তাদের মূল পারিশ্রমিক, যা পুরো দায়িত্বকালজুড়েই প্রযোজ্য।

    নির্বাচনী এলাকা ভাতা

    সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় কাজ পরিচালনা, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতার জন্য পান মাসিক ১২ হাজার ৫০০ টাকা।

    আপ্যায়ন ভাতা

    অতিথি আপ্যায়ন, সামাজিক যোগাযোগ ইত্যাদির জন্য সংসদ সদস্যরা মাসিক পাঁচ হাজার টাকা ভাতা নির্ধারিত।

    শুল্কমুক্ত গাড়িসুবিধা

    সংসদ সদস্যদের একটি বড় সুবিধা হলো—দায়িত্বকালীন একটি গাড়ি/জিপ/মাইক্রোবাস; কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট, ডেভেলপমেন্ট সারচার্জ ও আমদানি পারমিট ফি ছাড়া আমদানির সুযোগ এবং পাঁচ বছর পর একই শর্তে আরেকটি নতুন গাড়ি আমদানির সুযোগ।

    পরিবহন ভাতা

    যাতায়াত, জ্বালানি, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতন মিলিয়ে এমপিরা মাসিক ৭০ হাজার টাকা পরিবহন ভাতা পান।

    অফিস ব্যয় ভাতা

    নির্বাচনী এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

    লন্ড্রি ও আনুষঙ্গিক ভাতা

    সংসদ সদস্যরা প্রতি মাসে লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় (রান্নার সরঞ্জাম, লিনেন, টয়লেট্রিজ) ছয় হাজার টাকা।

    ভ্রমণ ভাতা (সেশন ও কমিটি)

    সংসদ অধিবেশন বা কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে—বিমান/রেল/জাহাজে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড় গুণ পর্যন্ত ভাতা এবং সড়কপথে ভ্রমণে কিলোমিটার প্রতি ১০ টাকা পান।

    দৈনিক ভাতা

    দায়িত্ব পালনের সময় অবস্থান ভাতা—দৈনিক ভাতা ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং যাতায়াত ভাতা ৭৫ থেকে ২০০ টাকা (উপস্থিতি রেকর্ডভিত্তিক) পান।

    দেশে অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ

    প্রতি বছর সংসদ সদস্যরা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ-ভাতা অথবা সমপরিমাণের নন-ট্রান্সফারেবল ট্রাভেল পাস পান।

    চিকিৎসা সুবিধা

    সংসদ সদস্যরা ও তাদের পরিবার সদস্যরা প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা-সুবিধা এবং মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান।

    টেলিফোন সুবিধা

    বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ এবং কল ও ভাড়া বাবদ মাসিক ৭ হাজার ৮০০ টাকা পান।

    বিমা-সুবিধা

    দায়িত্বকালীন দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার বিমা-সুবিধা পান।

    ঐচ্ছিক অনুদান

    জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের জন্য বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ পান।

    কর সুবিধা

    এই আদেশ অনুযায়ী প্রাপ্ত ভাতাগুলো আয়করমুক্ত।

    প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব বনাম রাষ্ট্রীয় সুবিধা

    আইন অনুযায়ী এই সুবিধাগুলো সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা, নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিতি নিশ্চিত করা, গণসংযোগ জোরদার এবং প্রশাসনিক কাজ সহজ করার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত।

    তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাতার পরিমাণ, সুবিধার পরিধি ও জবাবদিহি নিয়ে জনপরিসরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, বিশেষ করে স্বচ্ছতা, কার্যকারিতা ও জনসেবার সঙ্গে সুবিধার সামঞ্জস্য নিয়ে।

  • রমজান-ঈদ উপলক্ষে কলেজে ছুটি শুরু, স্কুলে কবে থেকে

    রমজান-ঈদ উপলক্ষে কলেজে ছুটি শুরু, স্কুলে কবে থেকে

    পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি কলেজে আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছুটি শুরু হচ্ছে। দীর্ঘ ৩৯ দিন ছুটি শেষে আগামী ২৯ মার্চ থেকে পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।

    অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল, ভোকেশনাল স্কুল-কলেজ, ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউট, বিএমটি কলেজ ও ভোকেশনাল কলেজগুলোর ছুটির শুরু হবে ৮ মার্চ; ক্লাস শুরু হবে ২৯ মার্চ থেকে।

    মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর এবং গ্রীষ্মকালীন ছুটি একত্রে সমন্বয় করা হয়েছে।

    এতে দেখা যায়, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৬ দিন কলেজগুলো বন্ধ থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক দিনের সাধারণ ছুটি রয়েছে। পরবর্তী দুই দিন শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটির সাথে যুক্ত হয়ে এই বিরতি আরও দীর্ঘ হচ্ছে। ফলে আগামী ২৯ মার্চ, রবিবার থেকে শিক্ষার্থীরা পুনরায় শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন।

    ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৪ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত মোট ১০ দিনের ছুটি বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী, প্রবারণা পূর্ণিমা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত আরও ১০ দিন বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

    বছরের শেষ দিকে ১৭ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১১ দিন শীতকালীন অবকাশ পালন করা হবে।