Category: Uncategorized

  • ইউনুসের জামিনে ক্ষু’ব্ধ আইনজীবীরা

    ইউনুসের জামিনে ক্ষু’ব্ধ আইনজীবীরা

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে বরিশালে দুটি আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতারা।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তারা বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারিক কার্যক্রম বর্জন করেন।

    বর্জন কর্মসূচির সময় বক্তব্য দেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতা হাফেজ উদ্দিন আহমেদ খান বাবলু। তিনি বলেন, ‘জামিন অযোগ্য ধারায় দায়ের করা মামলায় এভাবে জামিন দেওয়ার সুযোগ নেই।

    এ সময় তিনি দাবি করেন, মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও তার অনুপস্থিতিতে জামিন শুনানি হয়েছে এবং তাকে শুনানিতে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। শুনানিতে কেবল রাষ্ট্রপক্ষের তিনজন ও আসামিপক্ষের তিনজন আইনজীবী অংশ নেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে একের পর এক জামিন দিলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। অজামিনযোগ্য ধারায় আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটালে তার দায় সরকারের ওপর বর্তাবে।

    আদালত সূত্র জানায়, সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণের পর একটি মামলায় জামিন পান তালুকদার মো. ইউনুস। শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. শরীয়তউল্লাহ তার জামিন মঞ্জুর করেন।
     
    মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল সদর রোড এলাকায় বিএনপির একটি দলীয় কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। 

    অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের তিন থেকে চার শ নেতাকর্মী রামদা, জিআই পাইপ, হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান।

    এই ঘটনার প্রায় সাত বছর পর, ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নালিশি অভিযোগ করেন সদর উপজেলার টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি ছরোয়ার হোসেন। বরিশাল মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে দায়ের করা ওই মামলায় একাধিক প্রভাবশালী নেতার নাম উল্লেখ করা হয়। মামলার প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। 
     
    অন্য উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, তালুকদার মো. ইউনুস, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বলরাম পোদ্দার এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দুই ভাই মইনউদ্দীন আব্দুল্লাহ ও আশিক আব্দুল্লাহ।

    বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ওবায়দুল্লাহ সাজু বলেন, ‘মামলার আরেক আসামি অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার আগে থেকেই জামিনে ছিলেন।

    তালুকদার মো. ইউনুসের বিরুদ্ধে এই মামলায় সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকায় আদালতে আইনি ব্যাখ্যা উপস্থাপনের পর বিচারক জামিন মঞ্জুর করেছেন।’
    তিনি জানান, ইউনুসের বিরুদ্ধে থাকা আরেকটি মামলা বর্তমানে পুলিশ তদন্ত করছে এবং ওই মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের আগ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    জানা গেছে, তালুকদার মো. ইউনুস বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতিও ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি নিয়মিত আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন। গত ৫ আগস্টের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং ওই সময় তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা হয়।

  • সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ, সব জেলায় চিঠি

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ, সব জেলায় চিঠি

    নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও অফিস ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এসব চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদের চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ এর নির্দেশ মোতাবেক সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধীন দপ্তর/সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে।‌ 

    মাঠ পর্যায়ের সব অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে স্ব স্ব কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণক্রমে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

  • ৪ ধরনের শিক্ষার্থীদের ভাতা দেবে সরকার, পাবেন যারা

    ৪ ধরনের শিক্ষার্থীদের ভাতা দেবে সরকার, পাবেন যারা

    দেশের অসচ্ছল, অসুস্থ ও দুর্ঘটনায় আহত ক্রীড়াবিদ এবং কৃতি ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের ভাতা দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য ‘জাতীয় ক্রীড়া ভাতা’ ও ‘ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি’ প্রদান করতে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।.

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃতি ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি এবং অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জাতীয় ক্রীড়া ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যে অনলাইন আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

    আগ্রহী ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষার্থীরা আগামী ৭ মার্চ রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন দাখিল করতে পারবেন। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজস্ব মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

    জাতীয় ক্রীড়া ভাতা আবেদন লিংক: sports-allowance.online.info.bd

    ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি আবেদন লিংক: sports-edu.online.info.bd

  • বঙ্গভবন ঘেরাও, সেই রাতে রাষ্ট্রপতিকে ফোনে যা বলেছিলেন নাহিদ

    বঙ্গভবন ঘেরাও, সেই রাতে রাষ্ট্রপতিকে ফোনে যা বলেছিলেন নাহিদ

    ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবরের সেই উত্তপ্ত রাত ছিল রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের জীবনের অন্যতম এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা। বঙ্গভবন ঘেরাও এবং তার পদত্যাগের দাবিতে যখন চারদিকে চরম উত্তেজনা, ঠিক সেই মুহূর্তে তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের একটি ফোন কল পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। সম্প্রতি বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সেই রাতের স্মৃতিচারণা করেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবরের সেই রাত ছিল তার জীবনের অন্যতম বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা।

    তিনি বুঝতে পারছিলেন না কারা এর সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন পর্যায় থেকে নানা গুঞ্জন আসতে থাকে।

    রাষ্ট্রপতি জানান, একপর্যায়ে রাত ১২টার দিকে নাহিদ ইসলাম তাকে ফোন করল যে, ‘এরকম একটা খবর পাওয়া গেছে, ওরা আমাদের লোক না। আমি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। এগুলো সব আমরা ডিসপার্স করার চেষ্টা করছি।’

    রাষ্ট্রপতির ভাষায়, কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায় কিছু স্থানীয় ব্যক্তি এসে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশকে নিয়ে চলে যায়। তবে সবাই সরে যায়নি। একটি অংশ থেকে যায় এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত ২টা পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

    সেদিন রাত ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ও বঙ্গভবনের ভেতরে থাকা অন্যরা জেগেই ছিলেন। বাইরে তখনও ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় বৈঠক চলছিল। রাজু ভাস্কর্য এলাকা থেকে শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দল বেঁধে ‘রাষ্ট্রপতির অপসারণ চাই’ স্লোগান ওঠে।

    এ ঘটনার প্রেক্ষাপট টানতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ২২ অক্টোবর হঠাৎ করেই বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়। অমুকের দল, তমুকের দল, ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই ঐক্য-নানা নামে রাতারাতি গজিয়ে ওঠা প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে একই ধরনের লোকজন রাস্তায় নামে।

    তার প্রশ্ন, এত বড় কর্মসূচির অর্থের জোগান তারা কোথা থেকে পেল?

    ঘেরাওয়ের পরপরই সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশন থেকে সদস্যরা এসে বঙ্গভবনের চারপাশে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে। এরমধ্যেই একটি ঘটনা রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে। একটি মেয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপর উঠে লাফ দেয়। রাষ্ট্রপতির মতে, পুরো ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত এবং ভাড়াটিয়া চরিত্রের। সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর মেয়েটি মাটিতে পড়ে থাকে এবং ক্যামেরাম্যানকে উদ্দেশ করে ছবি তুলতে আহ্বান জানাতে থাকে।

    রাষ্ট্রপতির ভাষায়, এর উদ্দেশ্য ছিল ছবি ব্যবহার করে পরিস্থিতিকে কাজে লাগানো এবং ব্ল্যাকমেইলের সুযোগ তৈরি করা। পরে নারী পুলিশ ও নারী সেনাসদস্যরা তাকে টেনেহিঁচড়ে তুলে সেনাবাহিনীর জিপে করে সরিয়ে নেয়।

    তথ্যসূত্র : কালের কণ্ঠ

  • সেহরির আগে স্ব’প্নদো’ষ হলে যা করবেন, জেনে নিন উপকারে আসবে

    সেহরির আগে স্ব’প্নদো’ষ হলে যা করবেন, জেনে নিন উপকারে আসবে

    সেহরি মানে শেষ রাতের খাবার। সেহরি শব্দের অর্থ ভোরের খাবার। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে যে পানাহার করা হয়, সেটাকে ইসলামের পরিভাষায় সাহরি বলে।

    রোজা রাখার নিয়তে সাহরি খাওয়া সুন্নত। সাহরি অত্যন্ত বরকতময় খাবার। সাহরি খাওয়ার অনেক ফজিলত হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সাহরি খাও, কারণ সাহরিতে বরকত আছে।’ (বুখারি, হাদিস : ১৯২৩)

    রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আহলে কিতাব তথা ইহুদি-খ্রিস্টান আর মুসলমানদের রোজার মধ্যে শুধু সাহরি খাওয়াই পার্থক্য। অর্থাৎ তারা সাহরি খায় না আর আমরা সাহরি খাই।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৮৪৩; তিরমিজি, হাদিস : ৬৪২)

    মানুষজন সাধারণত শেষ রাতে সুবহে সাদিকের আগ মুহুর্তে সেহরি খেয়ে থাকেন। রাসুল (সা.) নিজেও সবসময় শেষ সময়ে সাহরি খেতেন বলে বর্ণনা পাওয়া যায়। সেহরি খাওয়ার আগ মুহুর্তে ঘুম থেকে উঠার পূর্বে স্বপ্নদোষ হলে করণীয় বিষয়ে অনেকে জানতে চান। যেমন একজন প্রশ্ন করেছেন-

    ‘রাতে স্বপ্নদোষ হলে গোসল না করে সাহরি খাওয়া যাবে কি? বিঃদ্র- গ্রামে থাকি গোসল করতে নদীতে যেতে হয়। একটু কষ্টটকর! লজ্জাও পাই!’

    এমন পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ইসলামী আইন ও ফেকাহশাস্ত্রবিদেরা বলেন, স্বপ্নদোষ হলে গোসল ফরজ হয়। আর গোসল ফরজ অবস্থায় নামাজ, তাওয়াফ, কোরআন তেলাওয়াত ও স্পর্শ করা এবং মসজিদে প্রবেশ করা ছাড়া অন্যান্য সবধরণের কাজ করা যায়। -(বুখারী ২৭৯) সুতরাং সেহরিও খাওয়া যাবে।

    আলেমরা বলেন, তবে মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও কোনও কারণ ছাড়া অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। (বাদায়ে ১/১৫১)

    নওফেল বিন মুআবিয়া রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যার নামাজ কাজা হয়ে গেল, যেন তার পরিবার ও সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল। (মুসনাদে আহমাদ ২৩৬৪২) সুতরাং ফজর নামাজের আগেই গোসল করে নামাজ আদায় করতে হবে।

  • ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তারিখ ঘোষণা

    ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তারিখ ঘোষণা

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    এক বার্তায় প্রেস উইং জানায়, প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

    বিএনপির অন্যতম নির্বাচনি ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

    সরকার গঠনের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কর্মসূচি শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    ঈদের আগেই হতদরিদ্রদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে সরকার। এ-সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করেছে। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

    তার নেতৃত্বে এই কমিটিতে ১৪ জন সদস্য রয়েছেন।

    কমিটির সদস্যরা হলেন— সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহদী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, অর্থ সচিব, তথ্য সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিকল্পনা সচিব ও সমাজকল্যাণ সচিব।

    সূত্র : নিউজ টুয়েন্টিফোর

  • রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কালের কণ্ঠে প্রকাশিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘দেশে প্রত্যেকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। সবারই কথা বলার অধিকার আছে। যে যার মতো করে কথা বলবে, যারা জবাব দেওয়ার দেবে।’

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

    এর আগে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারে বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।’

    সম্প্রতি ‘চমকানো তথ্য দিলেন রাষ্ট্রপতি’ শিরোনামে কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি তার ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সেখানে তিনি দুঃসময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তার পাশে ছিল বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে যথাযথ সহযোগিতা পাননি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে মন্ত্রীকে জানান সাংবাদিকরা।

    রাষ্ট্রপতির এ মন্তব্যের বিষয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়ায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজ গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতির একটি সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে, যেখানে তিনি অনেক প্রসঙ্গ টেনেছেন। বিএনপি প্রসঙ্গ এবং তাকে সহযোগিতা না করার বিষয়েও তিনি কথা বলেন।’

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘এ মুহূর্তে সাক্ষাৎকারটি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। বিষয়টি আমরা যেভাবে দেখা দরকার, সেভাবে দেখিনি।

    দেখার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে পারব।’

  • আর এস ফাহিম প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আর এস ফাহিম প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম দেশে ফিরতেই জোরালো হয়েছে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি। এ বিষয়ে এবার মুখ খুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

    আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ছিল, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফাহিম বিদেশে পলাতক ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে জুলাই অভ্যুত্থানের আসামিরা প্রকাশ্যে হচ্ছেন। এদের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান কী? 

    এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এরকম নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা নিয়ে আমি ভালো করে ব্রিফড হয়নি যে আমি এটার জবাব দেবো।

    তিনি আরও বলেন, এটা আমাকে লিখিত জানালে তদন্ত করে ডিপার্টমেন্টকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলতে পারবো। এটা আমার নজরে নাই। 

    উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হামলার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিযুক্ত আর এস ফাহিম চৌধুরীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে ‘মঞ্চ-২৪’ নামের একটি সংগঠন। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আর এস ফাহিম চৌধুরী আওয়ামী লীগকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর আঘাত হানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

  • ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হচ্ছে না যে ভি’টামিনের অভাবে, জেনে নিন

    ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হচ্ছে না যে ভি’টামিনের অভাবে, জেনে নিন

    সুস্থ থাকার জন্য একজন মানুষের অন্যতম নিয়ামক হলো ঘুম। স্বাভাবিক প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। দিনে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমালে তা স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে। তবে বিভিন্ন কারণে অনেকরে ঘুম হয় না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হয় না— এমন মানুষের সংখ্যাও দিনকে দিন বেড়ে যাচ্ছে। অনেকে ঘুমের সমস্যা দূর করতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে পারে।

    এদিকে, ভিটামিনের অভাব ঘুম কম হওয়ার একটি বড় কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

    ভিটামিন ডি
    ভিটামিন ডি হাড়ের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঘুমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি খেলে ভালো ঘুম হয় এবং অ্যানিমিয়া বা অনিদ্রার সমস্যা কমে যায়।

    সূর্যালোক ছাড়াও আপনি সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ ও ফলের রস থেকে ভিটামিন ডি পেতে পারেন।

    আরও পড়ুন

    শুয়ে-বসে থাকতে ইচ্ছে হয় যে দুই ভিটামিনের অভাবে

    ০৯ এপ্রিল, ২০২৫

     

     

    ভিটামিন ই
    এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা কোষের সুস্থতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন-ই ঘুমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পালং শাক, ব্রকলি এবং টমেটো থেকে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।

    ভিটামিন সি
    ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যা রোধ করে এবং ভালো ঘুম আনে। পালং শাক, ফুলকপি, সাইট্রাস ফল যেমন— কমলা, লেবু ইত্যাদি ভিটামিন সির ভালো উৎস।

    ভিটামিন বি-৬
    এ ভিটামিন অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে এবং রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।

    কলা, গাজর, পালং শাক, আলু, ডিম, চিজ, মাছ এবং গোটা শস্যদানায় প্রচুর ভিটামিন বি-৬ পাওয়া যায়।

     

     

    ভিটামিন বি-১২
    এটি মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ঘুমের সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। প্রাণিজ প্রোটিন এবং দুধজাতীয় খাবারে এ ভিটামিন পাওয়া যায়।

  • ৪ তথ্য দিলেই মিলবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কারা পাবেন— কারা পাবেন না

    ৪ তথ্য দিলেই মিলবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কারা পাবেন— কারা পাবেন না

    ‘ফ্যামিলি কার্ড’— ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল এই‘ফ্যামিলি কার্ড’। দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে দলটি। এবার তাদের সামনে প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। সে মোতাবেক এগোচ্ছেও সরকার। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে দেশের বেশকিছু অঞ্চলে প্রান্তিক মানুষের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দিতে জোরে সোরে কাজ চলছে।

    প্রাথমিক প্রস্তাব মোতাবেক, ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার টাকা করে সহায়তা দিলে এক অর্থবছরে প্রায় ১২ হাজার ৭২ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে (ক্যাশ-আউট চার্জসহ)। সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সম্ভাব্য বাস্তবায়ন কৌশল ঠিক করতে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে এসব বিষয় আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    সরকার ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়েছে। অর্থবছর হিসাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৭২ কোটি টাকা (ক্যাশ-আউট চার্জসহ)। তবে বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় ও দ্বৈততা পরিহারের মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা সাশ্রয়ের হিসাব দেখানো হয়েছে। এ হিসাবে অর্থের প্রয়োজন হবে প্রায় ৬ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। 

    বর্তমানে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ফ্যামিলি কার্ডে প্রায় ৬৫ লাখ পরিবার ভর্তুকিমূল্যে পণ্য পাচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল ওম্যান ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচিসহ একাধিক প্রকল্পের তথ্য একীভূত করে নতুন কার্ডে অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।

    কারা পাবেন ফ্যামিলি কার্ড

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড পেতে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিল বা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সুপারিশ আসতে হবে।

    গ্রামীণ সবচেয়ে হতদরিদ্র পরিবার, নিম্নআয়ের মানুষ, উপার্জনে অক্ষম সদস্যবিশিষ্ট পরিবার, নারীপ্রধান ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, স্বামী পরিত্যক্তা বা অসচ্ছল নারীপ্রধান পরিবার, ১৫–১৮ বছর বয়সি অবিবাহিত মেয়ের পরিবার, প্রত্যাগত অভিবাসী বিশেষত নারী অভিবাসীর পরিবার এবং শিশু, প্রতিবন্ধী বা অটিজম আক্রান্ত সদস্য থাকা পরিবার এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। 

    একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। বিদ্যমান কিছু কর্মসূচির সুবিধাভোগীরা একযোগে সুবিধা পাবেন না—এমন বিধিনিষেধও থাকবে।

    পাশাপাশি যেসব পরিবারের ঘরের দেওয়াল মাটি, পাটকাঠি বা বাঁশ দিয়ে তৈরি এবং ভূমিহীন কৃষিশ্রমিক ও দিনমজুর পরিবারগুলো এই ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। ভূমিহীন পরিবার বলতে বোঝাবে—যাদের বসতভিটা ও কৃষিজমি নেই, কিন্তু কৃষিনির্ভর। যাদের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বসতভিটা আছে, কিন্তু কৃষিযোগ্য জমি নেই—তারাও থাকবেন ভূমিহীন পরিবারের আওতায়।

    কারা পাবেন না

    একই পরিবারের একাধিক সদস্য তালিকাভুক্ত হতে পারবেন না। যেসব পরিবার এরই মধ্যে নির্দিষ্ট সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সুবিধা পাচ্ছেন এবং সমন্বয়ের আওতায় আসবেন না, তারাও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না। এছাড়া সরকারি তালিকাভুক্ত এমন উপকারভোগী, যাদের তথ্য সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেমে যাচাই করে দ্বৈততা পাওয়া যাবে, তাদেরও ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখা হতে পারে।

    ফ্যামিলি কার্ডে মিলবে নগদ সহায়তা

    ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি নগদ অর্থ (Cash Support) দেওয়া হবে। এই কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে দেশের হতদরিদ্র (Extremely Poor) জনগোষ্ঠী এবং নারীদের (Women) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মূলত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই অর্থ সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    আবেদন করতে যা লাগবে

    অর্থবিভাগের সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) ব্যবহার করে পাইলটিং করার প্রস্তাব রয়েছে। এতে এনআইডি, জন্মতারিখ, মোবাইল ফোন নম্বর ও ইউনিয়নের নাম—এ চারটি তথ্য দিয়ে নিবন্ধন সম্ভব। ‘সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেম’–এ এরই মধ্যে ৪ কোটির বেশি উপকারভোগীর তথ্য সংরক্ষিত আছে, যা দিয়ে এনআইডি, মোবাইল ফোন বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে দ্বৈততা যাচাই করা যাবে। 

    এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন, টিআইএন, বিটিআরসির আইএমইআই ডাটাবেজ, জাতীয় সঞ্চয়পত্র, সরকারি কর্মচারী ও পেনশনার ডাটাবেজ এবং এমপিও শিক্ষক ডাটাবেজের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখা যাবে। বিকাশ, রকেট, নগদসহ পাঁচটি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশন থাকায় সরাসরি জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পাবলিক) পদ্ধতিতে অর্থ পাঠানো ও রিয়েল-টাইম মনিটরিং সম্ভব হবে।

    অর্থের সংস্থান কীভাবে

    ভালনারেবল ওম্যান কর্মসূচির ১০ লাখ ৪০ হাজার উপকারভোগীকে অন্তর্ভুক্ত করলে প্রায় ২ হাজার ২২৩ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা এবং মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির পল্লী অঞ্চলের ২৫ লাখ নারীকে অন্তর্ভুক্ত করলে প্রায় ২ হাজার ১২১ কোটি টাকা এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৪ লাখ ৬ হাজার উপকারভোগীকে অন্তর্ভুক্ত করলে প্রায় ১ হাজার ২০৩ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এভাবে মোট ৫ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা সমন্বয়ের মাধ্যমে পাওয়া গেলে অবশিষ্ট অর্থ সরকারকে আলাদাভাবে বরাদ্দ দিতে হবে।

    প্রাথমিক প্রস্তাবে ৮টি উপজেলায় পাইলটিং বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সাতদিনের মধ্যে প্রাথমিক যাচাই, ৭–১০ দিনের মধ্যে নীতিমালা অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ, এরপর পরবর্তী চারদিনের মধ্যে পে-রোল প্রস্তুত করে ভাতা বিতরণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বিদ্যমান ভাতাভোগীদের এনআইডি-সংযুক্ত ডাটাবেজ ব্যবহার করলে ঈদের আগেই কার্ড বিতরণ সম্ভব।