Category: Uncategorized

  • এ বছর ফিতরা কত, জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

    এ বছর ফিতরা কত, জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

    রমজানে এ বছরও বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও (২০২৫) সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের ফিতরার এ হার নির্ধারণ করা হয়। 

    সভায় সভাপতিত্ব করেন সদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।

    খতিবের পক্ষে বক্তব্য পাঠ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ।

    সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির- যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে পারবেন।

    গম ও আটার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের (এক সা’) মাধ্যমে সাদকাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করতে হয়।

    এসব পণ্যের বাজার মূল্য হিসাব করে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়।

    সাদাকাতুল ফিতর কী? কাদের ওপর ওয়াজিব? বিস্তারিত মাসায়েল

    মুফতি আবদুল মালেক জানান, উন্নতমানের আটা বা গমের ক্ষেত্রে ফিতরা এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা ধরে)। যবের ক্ষেত্রে (এক সা’) ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ধরে)।

    এছাড়া প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিস বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০০ টাকা ধরে) ও পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে) দিয়ে ফিতরা আদায় করতে হবে বলে জানান কমিটির সভাপতি।

    ফিতরার পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্য পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলেও জানান আবদুল মালেক।

  • ঘুমের মধ্যে র’গে বা পায়ের পেশিতে টান লাগলে যা করবেন

    ঘুমের মধ্যে র’গে বা পায়ের পেশিতে টান লাগলে যা করবেন

    শীতে পায়ের রগে টান ধরার ঘটনা বেড়ে যায়। ঘুমের মধ্যেই বেশিরভাগ মানুষের পায়ের রগে টান ধরে। আবার ঘুম থেকে উঠতে গেলে কিংবা সকালে হাঁটা শুরু করতেই পায়ের শিরায় টান ধরে অনেকেরই। কখনো আবার হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎই বেঁকে যায় পায়ের আঙুল।

    আসলে রগে পা পেশিতে টান ধরার কারণ হলো ডিহাইড্রেশন। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে এই টান ধরার প্রবণতা বাড়ে। শীতে পানি খাওয়ার পরিমাণ কম হয়। ফলে শরীরে দেখা দেয় পানিশূন্যতা। এছাড়া আরও কিছু কারণে পায়ের রগে টান ধরতে পারে যেমন-

    >> শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামের ঘাটতি।>> অতিরিক্ত ব্যায়াম, পরিশ্রম বা পায়ের পেশির বেশি ব্যবহার।>> পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন। >> খুব ঠান্ডা আবহাওয়া।>> গর্ভকালীন খনিজের অভাব।>> বেশিক্ষণ সময় বসে থাকা, শক্ত জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা বা ঘুমের সময় ভুল দেহভঙ্গির কারণে এমন হতে পারে।

    হঠাৎ পায়ের রগে টান ধরলে দ্রুত যা করবেন-

    >> হাত-পা-আঙুলের ক্র্যাম্প থেকে মুক্তি পেতে আক্রান্ত স্থান ও এর চারপাশে আঙুলের চাপে ম্যাসাজ করুন। এমনভাবে ম্যাসাজ করতে হবে যাতে শক্ত হয়ে যাওয়া পেশি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।

    >> পায়ে ক্র্যাম্পের ক্ষেত্রে হালকা করে চাপ দিয়ে ধীরে ধীরে স্ট্রেচিং করুন। অন্য কোনো ব্যায়াম এ সময় না করাই ভালো।

    >> হট ব্যাগ ব্যবহার করুন টান ধরার জায়গায়। ১০ সেকেন্ড রাখার পর সেখানে বরফ সেঁক দিন। আবার ১০ সেকেন্ড পর হট ব্যাগ দিন। এভাবে ঠান্ডা ও গরম সেঁক দিলে ব্যথা কমতে শুরু করবে।

    >> হঠাৎ পায়ে টান ধরলে শক্ত কোনো কাজ করবেন না। এতে টান ধরা জায়গায় চাপ পড়তে পারে। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

    >> সারা দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। শরীরে পানির ভারসাম্য রক্ষা করতে ডাবের পানি বা লেবুর পানিও পান করতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পানির ঘাটতির জন্যই এমনটি হয়।

    সূত্র: জি নিউজ

  • ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করলো ওমান

    ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করলো ওমান

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান পবিত্র রমজান মাসের সমাপ্তি ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে। জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর রমজান ২৯ দিনে শেষ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে চাঁদ দেখার সরকারি ঘোষণার ওপর। চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই দেশটিতে ঈদের তারিখ নিশ্চিত করা হবে।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ওমানের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব বলছে, শাওয়াল মাসের চাঁদ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ সূর্যাস্তের আগেই জন্ম নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে শুক্রবার ২০ মার্চ ইসলামী বর্ষপঞ্জির শাওয়াল মাসের প্রথম দিন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এর মাধ্যমে রমজানের সমাপ্তি ও ঈদুল ফিতরের সূচনা হবে।

    তবে ওমান কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি চাঁদ দেখার ওপরই ঈদ ও রমজান শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়। জ্যোতির্বিদদের হিসাবকে সেখানে আগাম ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। এসব হিসাবে চাঁদের উচ্চতা, সূর্যাস্তের পর দৃশ্যমান থাকার সময়কালসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়।

    এই হিসাব অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ রমজানের শেষ দিন হতে পারে এবং এ বছর রোজা হতে পারে ২৯টি। যদি শুক্রবার ২০ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন হিসেবে নিশ্চিত হয়, তাহলে ওমানে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি হতে পারে। ছুটি শুরু হবে বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ থেকে এবং চলবে সোমবার ২৩ মার্চ পর্যন্ত।

    সাধারণত ঈদ যদি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার বা শনিবারে পড়ে, তাহলে অতিরিক্ত ছুটি দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি খাতে কাজকর্ম পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে মঙ্গলবার ২৪ মার্চ।

    প্রসঙ্গত, এ সংবাদটি দুবাই ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের বরাতে প্রকাশিত হলেও ঈদের চূড়ান্ত ঘোষণা নির্ভর করবে ওমানের সরকারি চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • পে স্কেল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    পে স্কেল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, ‘কর্মচারীরা পে স্কেল পাবেন। কিন্তু নতুন এই বেতন কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগবে।’

    সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপ-সচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা।

    বৈঠক শেষে এম এ হান্নান জানান, প্রতিমন্ত্রী তাদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছেন এবং তা বাস্তবায়নের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন, তাই আপনারা ধীরে ধীরে পে স্কেল পাবেন। তবে এখনই সব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, কিছু সময় লাগবে। আপনারা ধৈর্য ধরুন।

    ’ 

    পে স্কেল বাস্তবায়নের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা এই বৈঠকে উল্লেখ করেননি প্রতিমন্ত্রী।

    গত বছরের ২৭ জুলাই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি পে কমিশন গঠন করে। কমিশনটি চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দেয়, যা বর্তমানে সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।

  • ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির নাগরিক

    ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির নাগরিক

    আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আপাতত ১৪ উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে এ কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

    বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

    নির্বাচনে জয়লাভের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কর্মসূচি শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগেই হতদরিদ্রদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।

    জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডের এই সুবিধা সব শ্রেণির মানুষ পাবেন না। এই সুবিধার আওতার বাইরে থাকবেন ৬ শ্রেণির মানুষ।

    তাদের বাইরে রেখেই ‘ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা’ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    এই ৬ শ্রেণির নাগরিক হলেন— ১. পরিবারের কেউ সরকারের পেনশনভোগী থাকলে, ২. বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী, ৩. গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদের মালিক হলে, ৪. পরিবারের সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে, ৫. বাণিজ্যিক লাইসেন্স থাকলে, ৬. বড় ব্যবসা থাকলে।

    এদিকে, হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত— এই তিন শ্রেণির সবাই আগেই কার্ড পাবেন। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে সরকার।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নামে এ নীতিমালা করেছে। এ কর্মসূচির মূল দর্শন হচ্ছে— ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। নীতিমালাটি খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

  • বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নটা কখনও খেয়াল করেছেন, জানেন কি এর অর্থ? জেনে নিন

    বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নটা কখনও খেয়াল করেছেন, জানেন কি এর অর্থ? জেনে নিন

    ঘরে বাইরে এখন প্লাস্টিকের পেট বোতলের ছড়াছড়ি। খাবার রাখা থেকে পানি রাখা- সবেতেই এই প্লাস্টিক বোতল । কিন্তু, কখনও আমরা কেউ খেয়াল করি না প্লাস্টিকের বোতলের গায়ে থাকা চিহ্নগু’লিকে।
    পড়ে গেলে চট করে ফেটে যায় না। বোতল পরিষ্কার করাও সোজা। ব্যবহারের এমন সোজা-সা’পটা সুবিধায় প্লাস্টিকের বোতলের চল বাড়তে বাড়তে এখন জীবনের অ’ঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে

    কিন্তু, আমরা না বুঝেই দিনের পর দিন এই সব প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করে থাকি। অনেকে তো বাচ্চার দুধ ভর্তি প্লাস্টিকের ফিডিং বোতলটাই গরম করে বসেন। প্লাস্টিক বোতলের এমন যথেচ্ছ ব্যবহার আদপেও কি স্বাস্থ্যকর? এ বি’ষয়ে বাছ-বিচার আমরা করি না। তাই প্লাস্টিক বোতলের তলায় থাকা ত্রিকোণ চিহ্নের মানেটা বুঝে নিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে নিমেষে।
    প্লাস্টিকের বোতলের নিচের চিহ্ন

    ১. ত্রিকোণ চিহ্ন- এটা আসলে প্লাস্টিক বোতলের চারিত্রিক ইনডেক্স। এই চিহ্নটা থাকলে বোঝা যায় বোতলটি বিধিসম্মতভাবে তৈরি। কিন্তু, বোতলটা ব্যবহারের কতটা নির্ভরযোগ্য বা কী ধরনের জিনিস তাতে রাখা যাবে তা ত্রিকোণ চিহ্নের মধ্যে থাকা সংখ্যা দ্বারা বোঝা যায়।২. ত্রিকোণের মাঝে ১ সংখ্যা থাকলে- এর মানে বোতলটি একবারই মাত্র ব্যবহার করা যাবে এবং বোতলটিতে পলিথিলিন টেরেপথ্যালেট প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরনের বোতল বহুব্যবহারে স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক।

    ৩. ত্রিকোণের মধ্যে ২ সংখ্যা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিক বোতলে ঘন পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের বোতল ব্যবহার হয়।৪. ত্রিকোণের মধ্যে ৩ সংখ্যা থাকলে- এই ধরনের বোতল বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, এই বোতল তৈরি হয় ‘পোলিভিনিল ক্লোরাইড’ বা ‘পিভিসি’ থেকে। এতে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ‘পিনাট বাটার’ রাখতে এই বোতল ব্যবহার করা হয়।

    ৫. ত্রিকোণের মধ্যে ৪ সংখ্যা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিক বহু ব্যবহারের উপযোগী। বিশেষ করে, প্লাস্টিকের প্যাকেটে এই চিহ্ন প্রচুর দেখা যায়। খুব দামি বোতলে এই চিহ্ন থাকে।

    ৬. ত্রিকোণের মধ্যে ৫ সংখ্যা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিক একদম নিরাপ’দ এবং ব্যবহারের যোগ্য। আইক্রিম কাপ বা সিরাপের বোতল অথবা খাবারের কন্টেনারে এই ধরনের চিহ্ন দেখা যায়।

    ৭. ত্রিকোণের মধ্যে ৬ অথবা ৭ সংখ্যা থাকলে- প্লাস্টিকের রে’ড কার্ড বলা হয় একে। এই ধরনের প্লাস্টিক মা’রাত্মক রকমের ক্ষ’তিকারক। কারণ এই ধরনের প্লাস্টিক তৈরি হয় পলিস্টিরিন এবং পলিকার্বনেট বিসপেনল-এ। এটা মানুষের মধ্যে হরমোন সমস্যা তৈরি করে। ক্রমাগত এই ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ায়।

  • নখ কা’টার মেশিনে এই ফুটোটার কী কাজ? জেনে নিন অবাক হবেন

    নখ কা’টার মেশিনে এই ফুটোটার কী কাজ? জেনে নিন অবাক হবেন

    নখ কাটার পাশাপাশি আমরা নেইল কাটার বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু আপনি কি নেইল কাটারের পিছনে তৈরি একটি ছোট ফুটোটা কী কাজে লাগে জানেন? এই ফুটো অনেক কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    – নেইল কটারের ব্লেডটি নিচের এই ফুটোটির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা এটিকে ঘোরাতে, খুলতে ও বন্ধ করতে সহায়তা করে।

    – এই ফুটোটি ব্যবহার করে রিং বা চেইন তৈরি বা সাজসজ্জা তৈরির মতো কারুকাজ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    – নখের টুকরো যদি নেইল কাটারে আটকে যায়। তবে আমরা এই ফুটোটা দিয়ে বের করতে ব্যবহার করতে পারি।

    – অ্যালুমিনিয়াম বা এই জাতীয় তার বাঁকানোর জন্য আপনি নেইল কাটারের নিচে তৈরি এই গর্তটিও ব্যবহার করতে পারেন।

    – এই ফুটোতে চাবি লাগিয়ে রাখতে পারেন। মানে চাবির রিং হিসেবে নেইল কাটার ব্যবহার করা যাবে।

  • ‘মনটা তরুণ থাকলেই হয়, বয়স বড় বিষয় নয়’

    ‘মনটা তরুণ থাকলেই হয়, বয়স বড় বিষয় নয়’

    ৭০ বছর বয়সী এক হাকিমের সঙ্গে এক তরুণীর বিয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গতকাল থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। এ প্রেক্ষাপটে এক গণমাধ্যমকর্মী নবদম্পতির সঙ্গে কথা বলেন।

    সাক্ষাৎকারে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, তাদের বিয়ে একই সঙ্গে প্রেম ও পারিবারিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    তার ভাষ্য, ‘এটি আমাদের প্রেমের বিয়েও, আবার পারিবারিক বিয়েও। আমরা আগে একে অপরকে পছন্দ করেছি, ভালোবেসেছি—পরে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছে।’

    পাশে থাকা তার স্ত্রীও স্বামীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, দুজনের সম্মতি ও পরিবারের জানাশোনার মধ্য দিয়েই বিয়ে হয়েছে।

    বয়সের ব্যবধান নিয়ে সমালোচনার জবাবে বর বলেন, ‘মনটা তরুণ থাকলেই হয়, বয়স বড় বিষয় নয়। তিনি তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। শরিয়তসম্মতভাবে বিয়ে করেছি। এতে দোষের কী আছে?’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো অবৈধ সম্পর্কে জড়াইনি। অথচ যারা সমালোচনা করছেন, তাদের অনেকে সম্পর্ক করেন কিন্তু বিয়ে করেন না—প্রতারণা করেন।’

    স্ত্রীও বলেন, আন্তরিক ভালোবাসা থাকলে বয়স বাধা হওয়া উচিত নয়। সৎ উদ্দেশ্য থাকলে বিয়ে বিলম্ব করা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিয়ে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বয়সের বড় পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, আবার কেউ বৈধ বিয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমর্থন জানাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে অনলাইন জুড়ে বিতর্ক এখনো চলছে।

    সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

  • পে-স্কেল নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনা কী, যা জানালেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    পে-স্কেল নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনা কী, যা জানালেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, কর্মচারীরা পে-স্কেল পাবেন, তবে এর জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

    এদিন সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দফতরে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপ-সচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা।

    সাক্ষাৎ শেষে কর্মচারী নেতা এম এ হান্নান সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রতিমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেছেন। জোনায়েদ সাকি তাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন, তাই আপনারা আস্তে-ধীরে পে-স্কেল পাবেন। তবে এখনই সবটা সম্ভব নয়, একটু সময় লাগবে। আপনারা ধৈর্য ধরুন।’ তবে পে-স্কেল বাস্তবায়নে ঠিক কতদিন সময় লাগতে পারে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি।
     

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিগত সময়ে পে-স্কেলের দাবিতে চলা বিভিন্ন আন্দোলনে জোনায়েদ সাকি যেভাবে কর্মচারীদের পক্ষে রাজপথে সোচ্চার ছিলেন, নেতারা সেই স্মৃতি তাকে স্মরণ করিয়ে দেন। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে সরকারের সীমাবদ্ধতা ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও জানান, পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি।

    উল্লেখ্য, নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গত বছরের ২৭ জুলাই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি পে-কমিশন গঠন করেছিল। সেই কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। এখন সরকারি কর্মচারীদের প্রধান দাবি হলো, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সংগতি রেখে অতি দ্রুত এই সুপারিশ বাস্তবায়ন ও নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা।

  • সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ

    নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও অফিস ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এসব চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদের চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ এর নির্দেশ মোতাবেক সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধীন দপ্তর/সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে।‌ 

    মাঠ পর্যায়ের সব অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে স্ব স্ব কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণক্রমে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।