Category: Uncategorized

  • যে ভি’টামিনের অভাবে হাতের তালু অনবরত ঘামতে থাকে, জেনে নিন উপকারে আসবে

    যে ভি’টামিনের অভাবে হাতের তালু অনবরত ঘামতে থাকে, জেনে নিন উপকারে আসবে

    অনেকে আছেন যাদের হাতের তালু অনবরত ঘামে—এমনকি ঠান্ডা পরিবেশেও! এ সমস্যা শুধু অস্বস্তিকরই নয়, সামাজিক ও পেশাগত জীবনেও অপ্রত্যাশিত বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সমস্যা অনেক সময় ভিটামিনের অভাব থেকে সৃষ্টি হয়ে থাকে। বিশেষ করে ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২–এর ঘাটতি হলে এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

    কোন ভিটামিনের অভাবে হাতের তালু ঘামে?

    ১. ভিটামিন ডি (Vitamin D): ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং স্নায়ুতে অস্বাভাবিক উত্তেজনার সৃষ্টি করে। এতে শরীরের কিছু নির্দিষ্ট অংশ, বিশেষ করে তালু বা পায়ের তলা ঘেমে যেতে পারে। এছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে মাথার তালু ঘামাও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।

    ২. ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12): স্নায়বিক ভারসাম্য রক্ষায় ভিটামিন বি১২ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ঘাটতির ফলে হাত-পায়ে ঝিনঝিনে ভাব, দুর্বলতা, ও ঘাম হওয়া — বিশেষ করে তালুতে ঘাম — দেখা দিতে পারে। নিরামিষভোজীদের মধ্যে এই ঘাটতি বেশি দেখা যায়।

    ৩. ভিটামিন বি১ ও বি৬: এই দুটি ভিটামিনও স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে এবং ঘাম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ। ঘাটতি হলে হাতের তালুতে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

    চিকিৎসা ও প্রতিকার

    রক্ত পরীক্ষা: প্রথম ধাপ হলো প্রয়োজনীয় ভিটামিনের মাত্রা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া।

    সাপ্লিমেন্ট: ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত।

    খাবার: সঠিক খাবারের মাধ্যমে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।

    কোন খাবারে পাওয়া যায়

    ভিটামিন ডি: রোদ, চর্বিযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, ফোর্টিফায়েড দুধ

    ভিটামিন বি১২: মাংস, ডিম, দুধ, সামুদ্রিক মাছ

    ভিটামিন বি৬/বি১: বাদাম, সবুজ শাকসবজি, কলা, ছোলা

     

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ঘাম নয়, যদি তালুর ঘামের সঙ্গে সঙ্গে শরীর দুর্বল লাগে, মনমরা ভাব হয় বা স্নায়বিক সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। অনেক সময় এই ঘাম আসলে শরীরের ভিতরের একটি সিগন্যাল।

    আপনার যদি অনবরত হাতের তালু ঘামার সমস্যা থাকে, তবে সেটিকে অবহেলা না করে যথাসময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণ করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

  • ঘুমের সময় মুখ দিয়ে লা’লা পড়ে কেন, ভয়া’বহ রো’গ নয় তো? রইল সমাধান

    ঘুমের সময় মুখ দিয়ে লা’লা পড়ে কেন, ভয়া’বহ রো’গ নয় তো? রইল সমাধান

    দিনে বা রাতে ঘুমের সময় অনেকেরই মুখ দিয়ে লালা পড়ে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় তাদের অজান্তেই ঘুমের সময় লালা পড়ে। এ ক্ষেত্রে বাসা-বাড়ির বাইরে গেলে বন্ধু বা আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ঘুমানো খুবই লজ্জার বিষয় হয়। আবার বিষয়টি পরিবার ব্যতীত জানাজানি হলেও বিড়ম্বনার শেষ থাকে না।

    ঘুমের সময় মুখ দিয়ে লালা পড়ার বিষয়টি অনেকেই স্বাভাবিক মনে করেন। কিন্তু এটি মোটেও ঠিক নয়। মুখ দিয়ে লালা পড়া অনেক ক্ষেত্রেই স্ট্রোক ও মস্তিষ্কের মতো ভয়াবহ রোগের jকারণে হয়ে থাকে। মুখ দিয়ে লালা পড়া বন্ধ করতে ঘুমের অভ্যাস ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনার কথা বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এ সংক্রান্ত ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত পরামর্শ প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম ভেরি ওয়েল হেলথ।

    ঘুমের সময় লালা পড়ে কেন:
    সাধারণত ঘুমের সময় শরীরের সব পেশীগুলো শিথিল হয়, বিশেষ করে রেম। ঘুমানোর সময় মুখ খোলা থাকলে মুখ দিয়ে লালা ঝরে। আবার আপনি যদি পাশ ফিরে বা পেটে ভর করে ঘুমান, তাহলে ঘুমের সময় মুখের পাশ দিয়ে লালা পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে ঘুমের ভঙ্গির কারণে মুখ দিয়ে লালা ঝরলে পিঠের ওপর ভর দিয়ে ঘুমালে সমস্যা সমাধান হতে পারে।

    মুখের স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা থেকেও লালা ঝরতে পারে:
    অনেক ক্ষেত্রে মুখের সমস্যা যেমন- গর্ত, মাড়ির রোগ ও মুখের আলসারের কারণে অতিরিক্ত লালা উৎপাদন হতে পারে। মুখের জ্বালা বা সংক্রমণের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে শরীর অধিকতর লালা উৎপাদন করতে পারে। ঘুমের সময় দাঁত, মাড়ি বা মুখের সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মুখের ব্যথা, চিবানোর সময় দাঁত ব্যথা, দাঁতের সংবেদনশীলতা, মাড়ি ফোলাভাব, মাড়ি থেকে রক্তপাত, মুখে ঘা, দুর্গন্ধ, শুষ্ক মুখ ও আলগা দাঁত।

    ঘুমের সময় যেসব কারণে লালা পড়তে পারে:
    কখনো কখনো রাতে লালা পড়ার বিষয়টি অন্তর্নিহিত চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে। অথবা নাক দিয়ে টেনে নেয়া বা শ্বাস নেয়ার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। এ অবস্থায় লালা উৎপাদন বৃদ্ধি হতে পারে, যাকে সালোলোরিয়া বলা হয়।

    স্লিপ অ্যাপনিয়া:
    এ রোগ হলে ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া বন্ধ হয় এবং লালা পড়া শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে প্রায় সময়ই দেখা যায় মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়া হয় এবং অতিরিক্ত লালা বের হয়। বিশেষ করে ঘুমের সময় যদি নাক ডাকার সমস্যা থাকে বা শ্বাস নেয়া বন্ধ হয়। এ অবস্থায় দিনের বেলায় বেশ ক্লান্তবোধ হতে পারে।

    গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি):
    জিইআরডি হলে গলা জ্বালা-পোড়া করতে পারে এবং খাওয়ার সময় বা কিছু গেলার সময় অসুবিধা হতে পারে। অ্যাসিড রিফ্লাক্স অতিরিক্ত লালা এবং শ্বাসরোধের অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে শুয়ে থাকার সময় মুখ দিয়ে লালা পড়তে পারে।

    স্ট্রোক:
    স্ট্রোক হলে খাবার খাওয়া নিয়ন্ত্রণকারী পেশীগুলোকে দুর্বল করে দিতে পারে। ফলে মুখে লালা ধরে রাখা কঠিন হয়, বিশেষ করে দিনে বা রাতে ঘুমের সময়।

    পার্কিনসন রোগ:
    মস্তিস্কের এই রোগ হলে খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে মুখে লালা জমা এবং মুখ থেকে তা বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    সেরিব্রাল পালসি:
    এ অবস্থায় নড়াচড়া ও পেশী নিয়ন্ত্রণকে বেশ প্রভাবিত করে। সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্তদের অনেকেরই খাবার খেতে এবং মুখ বন্ধ করতে সমস্যা হয়। ফলে মুখ দিয়ে লালা পড়ে।

    হান্টিংটন রোগ:
    এ রোগ মস্তিষ্কের কোষগুলোকে প্রভাবিত করে, যা নড়াচড়া ও সমন্বয় নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ কারণে কিছু গিলতে এবং লালা নিয়ন্ত্রণকে ব্যাহত করতে পারে।

    মস্তিষ্কের আঘাত:
    মস্তিষ্কের মুখের পেশী নিয়ন্ত্রণকারী অংশগুলোর ক্ষতি হওয়ার কারণে মুখ দিয়ে লালা ঝরার সম্ভাবনা থাকে। এ ক্ষেত্রে খাবার খেতে সমস্যা বা বিলম্ব হতে পারে।

    নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের কারণেও লালা ঝরতে পারে:
    এমন কিছু ওষুধ রয়েছে, যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে মুখ দিয়ে লালা ঝরার সম্ভবনা থাকে। এ ধরনের ওষুধের মধ্যে রয়েছে- প্রশমক বা অস্থিরতা, উদ্বেগ, উত্তেজনা কমাতে এবং মানসিক শান্তির জন্য সেবন করা ওষুধের কারণে মুখ দিয়ে লালা পড়তে পারে। এছাড়া অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ, আলঝাইমার রোগের চিকিৎসার জন্য সেবন করা ওষুধ, ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগের (NSAIDs) কারণেও লালা ঝরে।

    মুখ দিয়ে লালা ঝরা বন্ধের উপায়:
    ঘুমের ভঙ্গি পরিবর্তন করা:
    বুক বা পেটে ভর দিয়ে ঘুমানোর পরিবর্তে পিঠে ভর দিয়ে ঘুমানোর অভাস করুন বা উচু বালিশ ব্যবহার করুন। এতে মুখে লালা জমা ও বেরিয়ে যাওয়া রোধ হবে।

    অন্তর্নিহিত অবস্থার চিকিৎসা:
    অ্যাসিড রিফ্লাক্স, স্লিপ অ্যাপনিয়া বা সাইনাস সংক্রান্ত রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন। এতে উল্লেখযোগ্যভাবে লালা পড়া কমতে পারে।

    সেবন করা ওষুধ নিয়ে বিবেচনা করা:
    কিছু ওষুধ রয়েছে, যা সেবনের পর লালা পড়া শুরু হয় বা লালা বৃদ্ধি হয়। কিছু ক্ষেত্রে পেশী নিয়ন্ত্রণকে প্রভাবিত করে থাকে। সেসব ওষুধের কারণে যদি লালা পড়া শুরু হয়, তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

    স্পিচ থেরাপি:
    একজন স্পিচ থেরাপিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখুন। মুখ ও গলার পেশী শক্তিশালী করার জন্য থেরাপিস্ট আপনাকে কিছু ব্যায়াম শেখাতে পারেন, যা আপনাকে ভালোভাবে গিলতে ও লালা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

    বোটক্স ইনজেকশ বিবেচনা করা:
    বোটক্স এমন চিকিৎসা পদ্ধতি, যা লালা তৈরির গ্রন্থিগুলোকে সাময়িকভাবে শিথিল করে লালা উৎপাদন কমাতে পারে। বিশেষ করে স্নায়ুর কারণে যদি লালা পড়ে থাকে। আর সবশেষ যেকোনো অবস্থায় সমস্যা বাড়তে থাকলে বা জটিল আকার ধারণ করলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

  • হুট করে উঠে দাঁড়ালে মা’থা ঘোরে? জেনেনিন এর কারণ

    হুট করে উঠে দাঁড়ালে মা’থা ঘোরে? জেনেনিন এর কারণ

    বসা অবস্থা থেকে হুট করে দাঁড়িয়ে যাওয়ার ফলে অনেকের মাথা ঘোরার প্রবণতা দেখা দেয়।
    মাথা ঘোরার বিষয়টি ভয় পাওয়ার মতো হলেও, এতে আতঙ্কিত হবার কিছু নেই বলেই জানান- ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগানের ফ্র্যাঙ্কেল কার্ডিওভাস্কুলার সেন্টারের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট নাদিয়া সাট্যন। তবে তিনি আরো যোগ করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই মাথা ঘোরার বিষয়টি তুচ্ছ ও স্বাভাবিক। তবে ঘনঘন এমনটা হলে, পূর্বের শারীরিক সমস্যার ইতিহাস ঘেঁটে দেখা প্রয়োজন।

    এখন আসা যাক মূল কারণে। কেন বসা অবস্থা থেকে দাঁড়ালে মাথা ঘোরার মতো সমস্যা দেখা দেয়, সেটা খুব জটিল কিছু নয় মোটেও। বসা অবস্থায় রক্তচাপ থাকে একরম। হুট করে দাঁড়িয়ে যাওয়ার ফলে রক্তচাপে পরিবর্তন আসে। ডাঃ সাট্যন বলেন, ‘বসা থেকে হুট করে দাঁড়িয়ে যাওয়ার ফলে মধ্যাকর্ষনে পরিবর্তন আসে। যার ফলে শরীরের নিচের অংশের রক্তে টান পড়ে। এতে করে বসা অবস্থা থেকে হুট করা দাঁড়িয়ে গেলে মাথা ঘুরে ওঠার প্রবণতা তৈরি হয়’।

    তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, কোন কারণে তাড়াহুড়ার মাঝে দাঁড়িয়ে গেলে অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন (Orthostatic Hypotension) দেখা দেয়। শরীরের উপরের অংশের রক্তচাপ, বিশেষ করে মাথার অংশের রক্তচাপ কমে যায় দাঁড়ানোর জন্য। এতেই মাথা ঘোরাভাব বা মাথা হালকা বোধ হওয়ার সমস্যাটি হয়। মাথা ঘোরা কিংবা হালকা বোধ হওয়ার এই সমস্যাটি খুবই ক্ষণস্থায়ী। অল্প কিছুক্ষণের জন্য সমস্যাটি দেখা দিলেও, খুব দ্রুত শরীর আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।

    এক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি। রক্তচাপের সঙ্গে জলস্বল্পতা, মেডিকেশন, হৃদযন্ত্রের সমস্যা ও নিউরোলোজিক্যাল সমস্যাও জড়িত থাকে।

    ডাঃ সাট্যন জানান, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বসা থেকে দাঁড়ানো অবস্থায় মাথা ঘোরার সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়। এমনটা হলে তিনি পরামর্শ দেন, পুনরায় চেয়ারে বা শক্ত কোন স্থানে বসে মাথা ঘোরা বন্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার। এতে করে শরীর মধ্যাকর্ষণের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ও রক্তচাপ স্বাভাবিক হতে সময় পাবে। নইলে অনেক সময় অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা দেখা দেয়।

  • সে’ফটি পিনের পিছনে যে ছি’দ্র থাকে, তার কাজ কী? জেনে নিন

    সে’ফটি পিনের পিছনে যে ছি’দ্র থাকে, তার কাজ কী? জেনে নিন

    দৈনন্দিন জীবনের অগণিত ছোটখাটো বিপদে যে জিনিসটি খুবই প্রয়োজন, তার নাম সেফটি পিন। শাড়ির আঁচল সামলানো থেকে শুরু করে সালোয়ার-কামিজের ওড়না, ছেঁড়া বোতাম, খুলে যাওয়া ব্যাগের চেন কিংবা জুতোর আলগা স্ট্র্যাপ— সব সমস্যারই যেন একমাত্র ভরসা এই ক্ষুদ্র ধাতব বস্তুটি। তাই মা-বোনদের আঁচলে, শাড়ির খুঁটে কিংবা ব্লাউজের কোণে ঝুলতে দেখা যায় সেফটি পিন। কারণ, বিপদে পড়লে যাতে হাতের কাছেই তাকে পাওয়া যায়। খেয়াল করে দেখবেন, এই সেফটি পিনের একেবারে শেষপ্রান্তে ছোট লুপের মতো একটি ছিদ্র থাকে। কেন থাকে? কী তার কাজ, জানেন?

    এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে একটু ইতিহাস ঘাঁটতে হবে। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে নিজের ঘরে বসে একটি মাত্র তার দিয়ে আজকের সেফটি পিনের মতো একটি যন্ত্র বানিয়ে ফেলেছিলেন ওয়াল্টার হান্ট। তার দেখানো কৌশল মেনে আজও সেফটি পিন তৈরি হয়। ওয়াল্টার একটি ধাতব তারকে বেঁকিয়ে, কুণ্ডলীকৃত করে পিনের আকার দিয়েছিলেন। এই কৌশলে বস্তুটির উপরের দিকে একটি ছোট্ট ক্লিপ তৈরি হয়। কিন্তু ক্লিপের মাথায় তারটিকে না কেটে গোল করে পাকিয়ে দেওয়া হয়। এই ভাঁজ থেকেই তৈরি হয় সেই ছোট্ট ছিদ্রটি। আসলে তারটিকে কেটে দিলে, মুখটা ধারালো হয়ে থেকে যেত। তাতে অসাবধানে হাতে খোঁচা লেগে যেতে পারত। পোশাক ছিঁড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও ছিল।

    তবে ব্যবহারিক দিক দিয়েও সেফটি পিনের পিছনে থাকা ছিদ্রটির ভূমিকা রয়েছে। সেফটি পিন দিয়ে কিছু আটকানোর সময় সেই চাপ আসলে ক্লিপের উপরে গিয়েই পড়ে। গোল ছিদ্রটিই সেই চাপকে ছড়িয়ে দেয় চারপাশে। তার ফলে অতিরিক্ত চাপ পড়লেও পিনটি বেঁকে যায় না। ওয়াল্টার ঠিক এই ভাবেই সেফটি পিন তৈরি করেছিলেন। তারপর এতগুলো বছর কেটে গেলেও এই যন্ত্রটির নকশা পরিবর্তন করার কখনও প্রয়োজন পড়েনি। 

    উদ্ভাবনী বিশেষজ্ঞদের মত, এই ধরনের অপরিহার্য জিনিসের ক্ষেত্রে, খুব প্রয়োজন না পড়লে নকশা পরিবর্তন করা উচিত নয়। আর সেফটি পিনের ব্যবহার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এমনভাবে মিশে গিয়েছে যে, এখন এটির নকশা পরবির্তন করলে তার ব্যবহার কমে যেতে যেতে পারে। তাই এই নকশায় রেখে দেওয়া হয়েছে গত দেড় শতাব্দী ধরে।

  • হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে চোখে অ’ন্ধকার-মা’থা ঘোরা, জেনে নিন কেন হয় এই স’মস্যা

    হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে চোখে অ’ন্ধকার-মা’থা ঘোরা, জেনে নিন কেন হয় এই স’মস্যা

    হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরে? এর পিছনে লুকিয়ে থাকতে পারে বড় কোনও জটিল কারণ। 

    ধরে নিন আপনি বসে রয়েছেন (Sitting), বা শুয়ে (Lie down) রয়েছেন। সেই অবস্থা থেকে আচমকা উঠে দাঁড়ালে (Standing Up) চোখে অন্ধকার (Black Out) নেমে আসে? হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরে (Dizziness)? এর পিছনে লুকিয়ে থাকতে পারে বড় কোনও জটিল কারণ। হতে পারে কোনও শারীরিক সমস্যা। এই সমস্যায় আমরা অনেকেই ভুগে থাকি। তখন চারিদিক অন্ধকার দেখি। তবে এটি মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্যই স্থায়ী হয়। তাই খুব এখটা মাথা ঘামাই না এই ছোট্ট বিষয়টি নিয়ে। 

    কিন্তু কেন হয় এরকম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটিকে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়, কারণ এর ফলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ হতে পারে। 

    ১. অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন

    এটিকে পোস্টুরাল হাইপোটেনশনও বলা হয়, এটি হল হেড রাশ যা আপনি কখনও কখনও দাঁড়ানোর সময় অনুভব করেন। এটি যে কারোর সাথে ঘটতে পারে। আপনি যদি নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণ করেন, তার দীর্ঘদিনের প্রভাবে এরকম হতে পারে। অথবা আপনার বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটি প্রায়শই ঘটতে পারে।  

    ২. হার্ট অ্যারিথমিয়া

    এই অবস্থা (একটি অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন হিসাবেও পরিচিত) হল যখন আপনার হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত, খুব ধীর বা এমনভাবে হয় যা আপনার মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ হ্রাস করে। এগুলোর যে কোনোটিই আপনাকে অজ্ঞান করে দিতে পারে।  

    ৩. ওষুধ

    কোনও ব্যথা, হার্টের অবস্থা এবং উচ্চ রক্তচাপের জন্য নির্ধারিত ওষুধগুলি আপনার সংবহনতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। এই ওষুধগুলির জন্য অনেক সময় মাথা ঘোরাতে পারে। যদি এই সমস্যা বেশি হয়, আপনার ডোজ নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

     ৪. ডিহাইড্রেশন 

    পর্যাপ্ত তরল পান না করলে বমি বমি ভাব, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, নিম্ন রক্তচাপ এবং অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আচমকা উঠে বসলে বা দাঁড়ালে মাথা ঘুরে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।  

    ৫. অ্যানিমিয়া বা শরীরে রক্তশূন্যতা

    রক্তশূন্যতা হল আপনার রক্তে স্বাস্থ্যকর লাল রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের অভাব, যা আপনার মস্তিষ্ক সহ আপনার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেন বহন করে। রক্তাল্পতার বৈশিষ্ট্য হল ক্লান্তি, তবে এটি আপনাকে অজ্ঞান এবং মাথা ঘোরা অনুভব করতে পারে।

    ৬. স্ট্রেস এবং প্যানিক আক্রমণ

    আগে কখনও একটি স্ট্রেস বা উদ্বেগ অ্যাটাক হয়েছিল? যদি সেই ইতিহাস থাকে, তবে এই ধরণের মাথা ঘোরা বা চোখে অন্ধকার দেখার ঘটনা প্রায়ই ঘটতে পারে। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে সামান্য মাথাব্যথাতেও ভুগতে পারেন আপনি। 

    ৭) বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যাদের মধ্যে হঠাৎ উঠে দাঁড়ানোর পর মাথা ঘোরা সমস্যা আছে ভবিষ্যতে তাদের ডিমেনশিয়া (স্মৃতিভ্রংশ) হতে পারে

    ৮) এই জাতীয় সমস্যার সঙ্গে নার্ভ বা স্নায়ুর সম্পর্ক রয়েছে। যারা স্নায়ুর সমস্যায় ভুগছেন বেশিরভাগ তাদেরই শোয়া অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘুরে যায়। কয়েক সেকেন্ডের জন্য তারা চোখে অন্ধকার দেখেন। তবে এটিকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।

    ৯) রক্তচাপ কম থাকলে হঠাৎ উঠে দাঁড়ানোর সময় মাথায় সঠিক পরিমাণে রক্ত পৌঁছায় না যে কারণে মাথা ঘোরার সমস্যাটি হতে পারে। চিকিৎসকদের দাবি ব্লাড প্রেসারের কারণে এই ঘটনাটি ঘটতে পারে আপনার সঙ্গে। আপনার এই সমস্যা থাকলে নিজের ব্লাড প্রেসার চেক করিয়ে নিন।

    কী করবেন

    বিছানা থেকে ওঠার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন। দাঁড়ানোর আগে কয়েক সেকেন্ডের জন্য বিছানার প্রান্তে বসুন এবং আপনার শরীরকে সজাগ হতে সময় দিন। হাঁটতে শুরু করার আগে কয়েক সেকেন্ড বসে নিন। একইভাবে, সকালে বা দীর্ঘ সময়ের পরে শুয়ে থাকা, লাঞ্চ বা ডিনারের পরে উঠে দাঁড়ানোর সময়ে ও স্নান করার পরে সতর্ক থাকুন। 

  • তিন পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ শেষে মিলবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, আবেদন করতে যা যা লাগবে

    তিন পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ শেষে মিলবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, আবেদন করতে যা যা লাগবে

    নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে আরও এক ধাপ এগিয়েছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, যোগ্য পরিবারগুলোকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের ক্ষেত্রে তিন পর্যায়ের কঠোর পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। 

    রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই নতুন উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন। 

    তিনি বলেন, প্রকৃত অভাবী মানুষ যেন এই সুবিধার বাইরে না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই মাল্টি-লেভেল স্ক্রিনিং বা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে মূলত পরিবারে নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়ানো এবং তাদের পরিবারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সরকারের এই প্রকল্পের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো হতদরিদ্র ও অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকার আওতায় আনা।
    কার্ড বিতরণের পুরো প্রক্রিয়াটি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এতটাই স্বচ্ছ করা হবে, যাতে সেখানে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতির সুযোগ না থাকে। এটি সরাসরি প্রকৃত সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

    বিদ্যমান অনেক সামাজিক ভাতার তুলনায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হতে পারে বলে জানান তিনি।

    মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপে থাকা পরিবারগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এ কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি সহায়তা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষভাবে পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নেও ভূমিকা রাখবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংরক্ষণ

    জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে। এতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে, ফলে অনিয়ম, ভুয়া তালিকা ও মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ কমবে।

    প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

    আবেদন করতে যা যা লাগবে

    যদিও পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি, তবু আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের নিচের কাগজপত্র সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে—

    ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

    ২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

    ৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর

    কোথায় আবেদন করবেন?

    পাইলট কার্যক্রম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি ঘরে বসে আবেদন করার সুবিধা দিতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে।

    প্রতি পরিবারে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে।

    সরকারের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলো সরাসরি উপকৃত হবে এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

    এদিকে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরও ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

    এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

  • সেনাবাহিনীর শীর্ষ দুই পদে রদবদল

    সেনাবাহিনীর শীর্ষ দুই পদে রদবদল

    সেনাবাহিনীর কয়েকটি শীর্ষ পদে রদবদল করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে সেনাসদর থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান।

    এর আগে তিনি আর্টডকের জিওসি ছিলেন। 

    সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।

    এদিকে নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। এর আগে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন তিনি।

  • ফ্যামিলি কার্ড কিভাবে পাবেন ? আবেদনে যা লাগবে, দেখে নিন

    ফ্যামিলি কার্ড কিভাবে পাবেন ? আবেদনে যা লাগবে, দেখে নিন

    দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে আসছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ কার্ডের পরিকল্পনা করেছে নতুন সরকার। 

    ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা ও লক্ষ্য

    এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সহায়তার এই অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংগ্রহ

    একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এর ফলে সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও মধ্যস্থতা কমবে। প্রাথমিকভাবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হবে।

    পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।

    আবেদন করতে যা যা লাগবে

    যদিও আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি, তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে নিচের কাগজগুলো সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে—

    ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

    ২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

    ৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর।

    আবেদন কোথায় করবেন

    পাইলট প্রকল্প শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার। প্রতি পরিবারে কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে, যার মাধ্যমে মাসিক নগদ টাকা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাবে।

  • ফোন ন’ষ্টের বড় কারণ ফ্ল্যা’শলাইট, সর্বোচ্চ যত মিনিট জ্বা’লানো যাবে, জেনে নিন

    ফোন ন’ষ্টের বড় কারণ ফ্ল্যা’শলাইট, সর্বোচ্চ যত মিনিট জ্বা’লানো যাবে, জেনে নিন

    স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট বর্তমানে টর্চলাইট হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যদিও এই ফ্ল্যাশলাইট ফটোগ্রাফির সহায়ক হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে। অতিরিক্ত সময় এটি জ্বালিয়ে রাখলে ফোনের হার্ডওয়্যারের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ে, তার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো।

    ১. ব্যবহারের নিরাপদ সময়সীমা
    সাধারণত একটি স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট একটানা ৫ থেকে ১০ মিনিটের বেশি জ্বালিয়ে রাখা উচিত নয়। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের প্রয়োজন হলে প্রতি ৫ মিনিট অন্তর অন্তত ১-২ মিনিটের বিরতি দেওয়া উচিত যাতে উৎপন্ন তাপ প্রশমিত হতে পারে।

    ২. অতিরিক্ত তাপ উৎপাদন (Overheating)
    ফোনের ফ্ল্যাশলাইট বা LED মডিউলটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র স্থানে অবস্থিত। দীর্ঘক্ষণ এটি জ্বললে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। যেহেতু ফোনে কোনো কুলিং ফ্যান নেই, তাই এই তাপ সরাসরি ফোনের মাদারবোর্ড এবং ক্যামেরা লেন্সের ক্ষতি করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তাপে ক্যামেরার গ্লাস ঝাপসা হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    ৩. ব্যাটারির স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা হ্রাস
    ফ্ল্যাশলাইট ফোনের ব্যাটারি থেকে উচ্চমাত্রার ভোল্টেজ টেনে নেয়। দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের ফলে ব্যাটারি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির জন্য অতিরিক্ত তাপ অত্যন্ত ক্ষতিকর, যা ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদী সক্ষমতা (Battery Health) দ্রুত কমিয়ে দেয় এবং ব্যাটারি ফুলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।

    ৪. LED মডিউলের আয়ুষ্কাল
    স্মার্টফোনের প্রতিটি LED-এর একটি নির্দিষ্ট ‘বার্নিং আওয়ার’ বা জ্বলার ক্ষমতা থাকে। দীর্ঘক্ষণ একটানা জ্বালিয়ে রাখলে LED মডিউলটি দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে পরবর্তীতে ফ্ল্যাশলাইটের উজ্জ্বলতা কমে যায় কিংবা স্থায়ীভাবে অকেজো হয়ে যেতে পারে।

    ৫. কখন দ্রুত বন্ধ করা আবশ্যক
    ফোনের পেছনের অংশ বা ক্যামেরার চারপাশ অস্বাভাবিক গরম অনুভূত হলে।
    ফোনের চার্জ ২০ শতাংশের নিচে নেমে আসলে।
    উচ্চ তাপমাত্রার পরিবেশে (যেমন রোদে বা গরম ঘরে) অবস্থান করলে।

  • কোটের হাতাতে এই অতিরিক্ত বোতাম কেন থাকে, আসল র’হস্য জেনে নিন

    কোটের হাতাতে এই অতিরিক্ত বোতাম কেন থাকে, আসল র’হস্য জেনে নিন

    জিনসের প্যান্টে ছোট্ট সেই পকেটটার কথা নিশ্চয়ই জানেন। আকারে এতটাই ছোট যে ব্যবহারহীন মনে হতে পারে। কিন্তু ঊনবিংশ শতকে এই পকেট রাখা হয়েছিল বিশেষ একটি কারণে—সেটি ছিল পকেট ঘড়ি রাখার জন্য। কৃষক আর শ্রমিকরা তখন জিনস বেশি পরতেন। মাঠে বা কাজে তারা কোট ব্যবহার করতে পারতেন না। তাই জিনসেই বানানো হয়েছিল ঘড়ি রাখার জায়গা।

    তেমনি কোট বা স্যুট জ্যাকেটের নকশাতেও লুকিয়ে আছে এক ইতিহাস। কোটের হাতাতে যে বাড়তি বোতামগুলো দেখা যায়, সেগুলো অনেকের কাছেই কেবল সাজসজ্জা মনে হতে পারে। তবে এর পেছনেও রয়েছে কার্যকারিতা।

    এই বোতামগুলোকে বলা হয় ‘সার্জনস কাফ’। ইতিহাস বলছে, চিকিৎসকরা যখন আধুনিক মেডিকেল পোশাক ব্যবহার করতেন না, তখন তারা স্যুট পরেই রোগী দেখতেন। ফলে হাত ধোয়া বা পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজন হতো আস্তিন গুটিয়ে নেওয়ার। কোটের আস্তিনে বোতাম থাকার ফলে তখন সেটি খোলা যেত, আর সহজেই হাত পরিষ্কার করা সম্ভব হতো।

    ধারণা করা হয়, ঊনবিংশ শতকে কোটের নকশায় এই বোতামের ব্যবহার শুরু হয়। তখন এগুলো কার্যকরভাবেই ব্যবহৃত হতো, ঠিক যেমন শার্টের আস্তিনের বোতাম খোলা যায়।

    তবে এখন সময় বদলেছে। আধুনিক স্যুট জ্যাকেটের আস্তিনে থাকা বোতামগুলো আর খোলা যায় না। সেগুলো কেবল নকশা ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে থেকে গেছে। অতীতের ব্যবহারিক প্রয়োজন আজ রয়ে গেছে ফ্যাশনের ছোঁয়ায়। তাই কোটের আস্তিনে থাকা বাড়তি বোতাম এখন আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবেই পরিচিত।

    সূত্র : জিও নিউজ উর্দু