Category: Uncategorized

  • সুখবর পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    সুখবর পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    এমপিওভুক্ত ৪ লাখেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারীরা ‘ঈদ বোনাস’ পেতে যাচ্ছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাসের প্রস্তাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী রবিবার (১৫ মার্চ) বোনাসের টাকা পেতে পারেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাসের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    এরপর তা আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে ইলেকটনিকস ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ছাড় হলেই শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঈদ বোনাস বা উৎসবভাতার টাকা চলে যাবে। সে ক্ষেত্রে আগামী রবিবার (১৫ মার্চ) শিক্ষকরা বোনাসের টাকা পেতে পারেন।

    এবার মোট তিন লাখ ৮৯ হাজার ৭৯৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীর ঈদ বোনাস বাবদ ৪৫৩ কোটি ২২ লাখ ৭ হাজার ৪২৬ টাকা ছাড় করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র।

    মাউশি পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী জানান, শিক্ষকদের ঈদ বোনাস সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে আমরা সেটি আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে পাঠিয়েছি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড় করতে হবে। এটা করতে এক কর্মদিবস লাগতে পারে।

    বৃহস্পতিবার না পেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা রবিবার থেকে ঈদ বোনাস পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

  • পে স্কেল বাস্তবায়নে যে নীতি বেছে নিল সরকার

    পে স্কেল বাস্তবায়নে যে নীতি বেছে নিল সরকার

    ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতি প্রায় নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে জ্বালানির সংকট। এ ছাড়া সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

    ফলে অর্থসংকটে রয়েছে সরকার। এ জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি বেছে নিয়েছে সরকার। জানা গেছে, এ নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে।

    অবশ্য সেই প্রস্তাব রিভিউ করারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। এর পরে রয়েছে বাজেট অধিবেশন। ইতিমধ্যে সংসদের কার্যপ্রণালী প্রণয়নের প্রস্তুতি চলছে।

    অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন তাই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন এই বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

    তবে এখনই সব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, এ জন্য কিছুটা সময় নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এদিকে গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফ ও পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান।

    যদিও শিডিউলে দেওয়া তথ্য বলছে, তিনি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান হিসেবে। তবে বৈঠকে পে কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    এদিকে, নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। আমাদের দেখতে হবে মোট অ্যামাউন্ট কত। এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো দেখতে হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স রেভিনিউ, ট্যাক্স জিডিপি রেশিও সবচেয়ে খারাপ, এমনকি দক্ষিণ এশিয়াতে সবচেয়ে খারাপ। এসব দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কতটুকু কখন কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। সেটা আমরা পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখব।’

    সূত্র জানান, আসছে নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭-এ প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে সেটা কতখানি সম্ভব হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কেননা সরকারের মধ্যে অর্থসংকট আরো বেড়েছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসংকট। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে। তবে পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবিদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক এমন পরিস্থিতি তৈরিও করতে চায় না সরকার। ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত পে স্কেল রিভিউও করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে দেশে আর্থিক সংকট আরো বেড়েছে। এ যুদ্ধ কতটা দীর্ঘায়িত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। যুদ্ধ যতটা দীর্ঘায়িত হবে সংকট ততই বাড়বে। এমনিতেই অর্থবছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

    জানা গেছে, রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামাজিক সংকট আমলে নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর জন্য একটি কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু আর্থিক সংকট বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের আগে তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি ড. ইউনূস সরকার। তবে পে কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, সে অনুযায়ী একটি বেতনকাঠামোর সুপারিশমালা বর্তমান সরকারের কাছে রয়েছে। যেটি রিভিউ করার ঘোষণা দিলেও এখনো শুরু করা হয়নি। তবে বাজেট প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে সেটি রিভিউ করা হতে পারে।

    অবশ্য তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব ছাড়ার প্রাক্কালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছিলেন, ‘কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সেটা বাস্তবসম্মত। আমরা এটা বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের হাতে দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি সরকার সেটা বিবেচনা করবে। এ ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল সময়োপযোগী একটি বেতনকাঠামো ঘোষণা করা।’

    এদিকে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পে স্কেল নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে যেহেতু সামনে অধিবেশন রয়েছে, তাই সেটা সংসদে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।

    গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২১ সদস্য নিয়ে বেতন কমিশন গঠিত হয়। সাবেক অর্থ সচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়।

    সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • পিছিয়ে যাচ্ছে পে স্কেল বাস্তবায়ন

    পিছিয়ে যাচ্ছে পে স্কেল বাস্তবায়ন

    নির্বাচিত নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাস পেরোনোর আগেই শুরু হয় ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ। এ যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতি প্রায় নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে জ্বালানির সংকট।

    এ ছাড়া সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ফলে অর্থসংকটে রয়েছে সরকার। এ জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি বেছে নিয়েছে সরকার। এ নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    অবশ্য সেই প্রস্তাব রিভিউ করারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। এর পরে রয়েছে বাজেট অধিবেশন। ইতিমধ্যে সংসদের কার্যপ্রণালি প্রণয়নের প্রস্তুতি চলছে।

    অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন তাই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন এই বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে। তবে এখনই সব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, এজন্য কিছুটা সময় নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এদিকে গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফ ও পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। যদিও শিডিউলে দেওয়া তথ্য বলছে, তিনি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান হিসেবে। তবে বৈঠকে পে কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের দেখতে হবে মোট অ্যামাউন্ট কত। এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো দেখতে হবে। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স রেভিনিউ, ট্যাক্স জিডিপি রেশিও সবচেয়ে খারাপ, এমনকি দক্ষিণ এশিয়াতে সবচেয়ে খারাপ। এসব দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কতটুকু কখন কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। সেটা আমরা পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখব।’

    সূত্র জানান, আসছে নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭-এ প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে সেটা কতখানি সম্ভব হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কেননা সরকারের মধ্যে অর্থসংকট আরো বেড়েছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসংকট। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে। তবে পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবিদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক এমন পরিস্থিতি তৈরিও করতে চায় না সরকার। ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত পে স্কেল রিভিউও করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্র জানান, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে দেশে আর্থিক সংকট আরও বেড়েছে। এ যুদ্ধ কতটা দীর্ঘায়িত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। যুদ্ধ যতটা দীর্ঘায়িত হবে সংকট ততই বাড়বে। এমনিতেই অর্থবছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

    জানা গেছে, রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামাজিক সংকট আমলে নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর জন্য একটি কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু আর্থিক সংকট বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের আগে তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি ড. ইউনূস সরকার। তবে পে কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, সে অনুযায়ী একটি বেতনকাঠামোর সুপারিশমালা বর্তমান সরকারের কাছে রয়েছে। যেটি রিভিউ করার ঘোষণা দিলেও এখনো শুরু করা হয়নি। তবে বাজেট প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে সেটি রিভিউ করা হতে পারে। অবশ্য তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব ছাড়ার প্রাক্কালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছিলেন, ‘কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সেটা বাস্তবসম্মত। আমরা এটা বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের হাতে দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি সরকার সেটা বিবেচনা করবে। এ ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল সময়োপযোগী একটি বেতনকাঠামো ঘোষণা করা।’ এদিকে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পে স্কেল নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে যেহেতু সামনে অধিবেশন রয়েছে, তাই সেটা সংসদে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।

    গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২১ সদস্য নিয়ে বেতন কমিশন গঠিত হয়। সাবেক অর্থ সচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়।

    সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • ক’য়েল ছাড়াই ৫ মিনিটে ঘরকে ম’শা মুক্ত রাখার কার্যকরী উপায়

    ক’য়েল ছাড়াই ৫ মিনিটে ঘরকে ম’শা মুক্ত রাখার কার্যকরী উপায়

    ঘরে-বাইরে কোথাও নেই নিস্তার। গরম আবহাওয়ার সঙ্গে বেড়েই চলেছে মশাদের উৎপাত। মশার রোগজীবাণু সংক্রমণের কারণে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। ভয়াবহ মৃত্যুর হারও থামানো যাচ্ছে না। চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, পীত জ্বর, জিকা ভাইরাস প্রভৃতি মারাত্মক রোগও সংক্রমিত হচ্ছে। মশাদের উৎপাতের কারণে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। স্প্রে, কয়েল, অ্যারোসল কোন কিছুতেই মশা তাড়ানো সহজ নয়। আবার এসব দিয়ে মশা তাড়ালেও আমাদের স্বাস্থ্য এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

    এক গবেষণায় দেখা গেছে, যদি ৮ ঘন্টা আপনি কোন কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে সেটি ১৪০টি সিগারেটের ধোঁয়া উৎপন্ন করে যেটি সরাসরি আপনার মধ্যে শোষিত হয়। যা আপনার হার্ট, ফুসফুস এবং শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত করতে থাকে। এ জন্য সচেতনতা প্রয়োজন আরও বেশি। প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করা জরুরী। একনজরে জেনে নিন মশা তাড়ানোর কার্যকরী উপায়-

    কর্পূর

    কর্পূরের গন্ধ মশা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। আপনি যে কোনও ওষুধের দোকানে বা মুদির দোকান থেকেও কর্পূরের ট্যাবলেট কিংবা গুঁড়া কিনে আনতে পারেন। একটি কর্পূরের টুকরা একটি ছোটো পাত্রতে রেখে সেটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এর পর এটি ঘরের কোণে রেখে দিন। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘর থেকে মশা গায়েব হয়ে যাবে। দু’দিন পর পাত্রের পানির পরিবর্তন করুন। পাত্রে রাখা আগের পানি ফেলে দেবেন না। এই পানি ঘর মোছার কাজে ব্যবহার করলে ঘরে পিঁপড়ের উপদ্রব থেকেও মুক্তি পাবেন।

    লেবু ও লবঙ্গ

    একটি লেবু দুই টুকরা করে কেটে নিন। এর পর কাটা লেবুর ভেতরের অংশে বেশ কয়েকটা করে লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা গেঁথে শুধুমাত্র মাথার দিকের অংশ বাইরে রেখে লবঙ্গ গেঁথে দিন। এর পর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে রেখে ঘরের কোণায় রেখে দিন। ব্যস, এতেই বেশ কয়েকটা দিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এই পদ্ধতিতে মশা ঘরের ধারেকাছে ঘেঁসবে না একেবারেই। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতেও মশার ঘরে ঢোকার পথ বন্ধ হবে।

    জৈবিক প্রক্রিয়া

    প্রথমে আপনাকে একটি মাটির প্রদীপ নিয়ে নিতে হবে এবং তার মধ্যে দিতে হবে এক চামচ রসুন বাটা । এবং তার মধ্যে যোগ করতে হবে কিছুটা পরিমাণ তেজপাতা গুঁড়া এবং সামান্য পরিমাণ কর্পূর গুঁড়া। সমস্ত উপকরণগুলোকে ভাল করে মিশিয়ে তার মধ্যে দিয়ে দিন সরিষার তেল । যাতে সমস্ত উপকরণগুলো সরিষার তেলের মধ্যে নিমজ্জিত অবস্থায় থাকে । এরপর একটি সলতে যোগ করে দিন তার মধ্যে । এবং প্রদীপটি ধরিয়ে দিন । এর ফলে যে ধোঁয়া নির্গত হবে সেখান থেকে আপনার বাড়ির আনাচে-কানাচে থাকা মশা বাড়ির বাইরে চলে যাবে । এতে আপনার শরীরও কিছু ক্ষতি হবে না।

    নিমের তেলের ব্যবহার

    নিমের মশা তাড়ানোর বিশেষ একটি গুণ রয়েছে। নিমের তেল ত্বকের জন্যও বেশ ভালো। তাই একসাথে দুটি উপকার পেতে ব্যবহার করতে পারেন নিমের তেল। সমপরিমাণ নিমের তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। দেখবেন মশা আপনার ধারে কাছে ভিড়বে না এবং সেই সাথে ত্বকের অ্যালার্জি, ইনফেকশন জনিত নানা সমস্যাও দূর হবে।

    পুদিনার ব্যবহার

    ছোট গ্লাসে একটু পানি নিয়ে তাতে ৫ থেকে ৬ গাছি পুদিনা রেখে দিন খাবার টেবিলে। ৩ দিন অন্তর পানি বদলে দেবেন। জার্নাল অফ বায়োরিসোর্স টেকনোলোজির গবেষণা মতে তুলসির মতো পুদিনা পাতারও রয়েছে মশা দূরে রাখার ক্ষমতা। শুধু মশাই নয় পুদিনার গন্ধ অনেক ধরণের পোকামাকড়কে ঘর থেকে দূরে রাখে। পুদিনা পাতা ছেঁচে নিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এই পানির ভাপ পুরো ঘরে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন ঘরের সব মশা পালিয়েছে। চাইলে পুদিনার তেলও গায়ে মাখতে পারেন।

    টবে লেমন গ্রাস লাগান

    থাই লেমন গ্রাসে আছে ‘সাইট্রোনেলা অয়েল’ যা থেকে বের হয় একধরনের শক্তিশালী সুগন্ধ। এই সুগন্ধ কিন্তু মশাদের যম। মশারা এর কাছেও ঘেঁষে না। ফলে আপনার আশেপাশে লেমন গ্রাসের ঝাঁড় থাকলে মশারা আপনাকে খুঁজে পাবে না। আর লেমন গ্রাস দেখতেও কিন্তু মন্দ নয়। এমনসব স্থানে এসব গাছের টব রাখুন যেখানে সকাল বিকাল কিংবা রাতে পরিবারের অন্যদের নিয়ে কিংবা বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা বা সময় কাটান। এভাবে থাকুন মশা মুক্ত।

    ধুনোর সঙ্গে নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়া

    প্রতিদিন নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়া ধুনোর সঙ্গে ব্যবহার করলে মশার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

    হলুদ বৈদ্যুতিক আলো

    ঘরের মধ্যে মশার উৎপাত কমাতে চাইলে, ঘরের বৈদ্যুতিক আলোটি হলুদ সেলোফেনে জড়িয়ে দিন। ফলে হলুদ আলো হবে। দেখবেন মশা কমে গেছে, কারণ মশা হলুদ আলো থেকে দূরে থাকতে চায়। এছাড়া ঘরে এবং ঘরের বাইরে লাইট বাল্বগুলো পরিবর্তন করুন। মশারা সাধারণত সব লাইটের প্রতি আকৃষ্ট হয় না। এলইডি লাইট, হলুদ ‘বাগ লাইট’, বা সোডিয়াম লাইট এক্ষেত্রে উপকারী। এগুলো জ্বালালে সন্ধ্যাবেলা ঘরে বাইরে মশাদের আক্রমণ অনেকটাই কমে যাবে।

    চা-পাতা পোড়ান

    ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভাল করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ওই চা পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় ঘরের সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।

    নিমপাতা পোড়ান

    কয়লা বা কাঠ-কয়লার আগুনে নিমপাতা পোড়ালে যে ধোঁয়া হবে তা মশা তাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকর।

    ক্যাটনিপ অয়েল

    ক্যাটনিপ অয়েলের নেপেটালেকটন নামক পদার্থ মশা তাড়াতে ডিথাইল-মেটাটোলোয়ামাইড থেকে প্রায় ১০ গুন বেশি শক্তিশালী। ক্যাটনিপ অয়েল মাখালে মশারা ধারে কাছেও ঘেঁষবে না।

    ফ্যান চালু রাখুন

    মশারা খুবই হালকা। অন্যদিকে একটি ফ্যানের স্পীড ঘন্টায় প্রায় দুই মাইল। মশাদের উড়বার গতিবেগের চাইতে ফ্যানের ঘুরবার গতি অনেক বেশি হওয়াতে সহজেই মশাদের ব্লেডের কাছে টেনে নেয়। আপনার বসার স্থান কিংবা ডেক বা যেসব স্থান থেকে মশারা খুব সহজে আপনার গৃহে প্রবেশ করতে পারে, এমনসব স্থানে মশাদের আগমন সময়ে আপনার টেবিল ফ্যান বা পেডাল ফ্যানটি চালু রাখুন। মশাদের হাত থেকেও যেমন নিস্কৃতি পাবেন তেমনি গরমেও পাবেন আরাম।

    কালো, নীল ও লাল কাপড় এড়িয়ে চলুন

    মশাদের পছন্দের রঙের পোশাক এড়িয়ে চলুন। কি অবাক হচ্ছেন! কিছু কিছু প্রজাতির মশারা কয়েকটি গাঢ় রঙের প্রতি আকৃষ্ট হয় যেমন কালো, নীল আর লাল। আর তারা গরমের প্রতিও সংবেদনশীল। তাই ঠান্ডা রাখুন ঘর আর পোষাক পড়ুন হালকা রঙের।

    নারিকেলের আঁশ পোড়ান

    নারিকেলের গায়ে থাকা আঁশের সাহায্য দূর করতে পারেন মশা। নারিকেলের আঁশ শুকিয়ে টুকরা করুন। একটি কাঠের পাত্রে রেখে জ্বলন্ত ম্যাচের কাঠি ধরুন। ৫-৬ মিনিটের মধ্যেই মশা দূর হবে।

    কেরোসিন তেল স্প্রে

    কেরোসিন তেল স্প্রে বোতলে নিন। কয়েক টুকরা কর্পূর মেশান। ভালো করে ঝাঁকিয়ে স্প্রে করুন রুমে। মশা থাকবে না।

    সুগন্ধি ব্যবহার করুন

    মশারা সুগন্ধি থেকে দূরে থাকে। সুতরাং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীরে আতর, সুগন্ধি, কিংবা লোসন মেখে শুতে পারেন। নিশ্চিত করে বলা যায় এতে মশা সাধারণ থেকে অনেক কম দেখা যাবে।

    রসুনের স্প্রে করুন

    রসুনের স্প্রে মশা তাড়াতে খুবই কার্যকারী প্রাকৃতিক উপায়। ৫ ভাগ পানিতে ১ ভাগ রসুনের রস মেশান। মিশ্রণটি একটি বোতলে ভরে শরীরের যেসব স্থানে মশারা কামড়াতে পারে সেসব স্থানে স্প্রে করুন। এতে করে যে কোন ধরণের রক্ত চোষারা আপনার ধারে কাছেও আসবে না।

    জমানো পানি থেকে দূরে থাকুন

    খেয়াল রাখুন যেন কোথাও জল জমে না থাকে। ঘরের আনাচে-কানাচে কিংবা উঠোনে পানি জমে থাকলে সেখানে মশারা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই যেখানেই পানি জমুক না কেন, তা সরিয়ে ফেলুন। মশার বংশবিস্তার রোধ করুন।

  • আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘ধন্যবাদ বিএনপিকে অতি উৎসাহী মামলাবাজকে শোকজ করার জন্য। আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম। আশা করি ভবিষ্যতে এ ধরনের অযথা অশান্তির সৃষ্টি আর করবেন না।’

    রবিবার (৮ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেছেন।

    এর আগে আরেক স্ট্যাটাসে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সংযমের এই পবিত্র মাসে আসুন আমরা ধৈর্য ও শান্তির পথে চলি। সবাই শান্ত থাকুন।

    তারও আগে, রবিবার বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন স্কুল মাঠে এনসিপি বরিশাল বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মোনাজাতে মির্জা আব্বাসকে ইঙ্গিত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘আপনাকে গোনার টাইম নেই। ভদ্র হতে শিখুন।

    আমরা সভ্য সমাজে বসবাস করি, অসভ্য আচরণ করবেন না। অসভ্য আচরণ যদি করেন, কিভাবে আপনাকে সভ্য করতে হয়, তা আমাদের জানা আছে।’

    তিনি আরও বলেছেন, ‘আপনি (মির্জা আব্বাস) ঢাকা-৮ আসনে ফেল করেছিলেন। তারেক রহমান নিজে এসে আপনাকে রক্ষা করেছেন।

    এখনো সময় আছে ভদ্র হোন, আপনাদের কিভাবে সোজা করতে হয় তা আমাদের জানা আছে।’

  • প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যা বললেন হাদি হ’ত্যার প্রধান আ’সামি ফয়সাল

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যা বললেন হাদি হ’ত্যার প্রধান আ’সামি ফয়সাল

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ)। এ ছাড়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে আলমগীর হোসেন নামে আরো একজনকে।

    আজ রবিবার (৮ মার্চ সন্ধ্যায়) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পোস্টে তারা এফটিএফের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি তুলে ধরেছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনের পরিচয় হিসেবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে যে, তারা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এরপর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে।

    ভারতের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় এসে অবস্থান নেয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, সুযোগ পেলেই তারা আবার অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিল। এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

  • যেভাবে গ্রে’প্তার হলেন হাদী হ’ত্যার প্রধান আ’সামি

    যেভাবে গ্রে’প্তার হলেন হাদী হ’ত্যার প্রধান আ’সামি

    অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ। এ সময় তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    এসটিএফ জানায়, গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়—বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধ সংঘটনের পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক দেশ ছেড়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। তারা সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকায় অবস্থান করছিলেন এবং সুযোগ পেলেই আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। 

    এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭ মার্চ রাত ও ৮ মার্চ ভোরের মধ্যবর্তী সময়ে বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), যিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), ঢাকার বাসিন্দা।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তারা পালিয়ে যান এবং মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। 

    পরে ভারতের বিভিন্ন স্থান ঘুরে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন এবং সেখান থেকে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।

    এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    আটক দুজনকে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আদালত আটক দুই আসামির ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানা গেছে।

  • ওসমান হাদি হ’ত্যা মা’মলার মূল আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রে’প্তার

    ওসমান হাদি হ’ত্যা মা’মলার মূল আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রে’প্তার

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনার মূল আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ।

    রোববার (৮ মার্চ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের পুলিশের বিশেষ শাখার সদস্যরা তাকে বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।

    পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা রোববার তাদের গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

    ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসটিএফ বলেছে, চাঁদাবাজি ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটনের পর বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে আসা দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন।

    পুলিশের কাছে বিশ্বস্ত তথ্য ছিল, তারা সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে বনগাঁও এলাকা থেকে ওই দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।

    বিজ্ঞপ্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বলেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। হত্যার পর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান শেষে সম্প্রতি পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে বনগাঁয় জড়ো হয়েছিলেন।

    এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এর আগে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে এক ভিডিও বার্তায় ফয়সাল দাবি করেন, তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।

    ফয়সাল আরও দাবি করেন, হাদি হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে তিনি ছিলেন না। ওসমান হাদি তাকে মন্ত্রণালয় থেকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অগ্রিম পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছিলেন।

    গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান হাদি। মতিঝিল মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি চলন্ত অবস্থায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। 

    সে সময় গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

    এ হত্যাকাণ্ডের ১৮ দিন পর রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে আসামিরা অবৈধ পথে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবেশ করেছেন। 

    হাদির মৃত্যুর পর হওয়া মামলায় পলাতক থাকা ফয়সাল করিমের মা-বাবা ও স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশে। তাদের মধ্যে ছয়জন আসামি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চারজন সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    তবে অধরা ছিলেন হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল। তিনিই হাদিকে গুলি করেছিলেন বলে জানা যায়।

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি ১০ নির্দেশনা

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি ১০ নির্দেশনা

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এ সংক্রান্ত ১০ দফা নির্দেশনা জারি করেছে মাউশি।

    মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা হতে বেসরকারি সংস্থা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ সংক্রান্ত ম্যানুয়ালের ভিত্তিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)-এর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিনামূল্যে একদিনের প্রশিক্ষণ সম্পাদনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। 

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী উক্ত কার্যক্রম নিম্নোক্তভাবে বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো:

    প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শিরোনাম: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’; 

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মাউশি ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি স্ব স্ব ভেন্যুতে বিনামূল্যে বাস্তবায়ন করবে;

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত ও নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষকগণের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ অনুযায়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য ১ দিনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করবেন;

    প্রশিক্ষণ পরবর্তী দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রম নিয়মিত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট- ২(গ) -এর ‘বাস্তবায়ন ও মনিটরিং নির্দেশনা’ অনুসারে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি মনিটরিং পুল গঠন করবে;

    ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-২ এ অন্তর্ভুক্ত পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের কাউন্সেলিং সেবা প্রদানসহ অবশিষ্ট নির্দেশনাগুলো শিক্ষার্থীদের দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রমের সাথে প্রয়োজন অনুসারে বাস্তবায়িত হবে;

    প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট- ২ ও ৪ এ বর্ণিত নীতিমালা অনুসারে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মনিটরিং পুল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    মনিটরিং পুলের কার্যাবলি প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল এবং পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এর বাইরের কোনো কার্যক্রমের সাথে কোনো অবস্থাতেই সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না;

    স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মনিটরিং পুল প্রতি বছর নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বেশি হলে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যাচ আকারে প্রশিক্ষণ প্রদান করা যেতে পারে;

    অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অভিভাবকদেরকে এই প্রশিক্ষণ সম্পর্কে অবহিতকরণের অংশ ‘হিসেবে কোনো- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রয়োজন মনে করলে, ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-৪(১)(৩) অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে;

    প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ সংশ্লিষ্ট অঞ্চল/জেলা/থানা/উপজেলার সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন সমন্বয় করবেন।

    তাছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে প্রয়োজনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কো-অর্ডিনেটর (মানসিক স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ) সাইকোলজিস্ট (যোগাযোগ : ০১৮৯২০০৯৯১৪ ও ই-মেইল : (totalfitness@quantummethod.org.bd) এর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন;

    প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে এবং প্রশিক্ষণ পরবর্তী দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রমের মনিটরিং পুলের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ স্কাউটস (স্কাউটস- স্কুল পর্যায়ে ও রোভার স্কাউটস- কলেজ পর্যায়ে) সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সম্পৃক্ত থাকবে।

  • ঈদের ছুটি বাড়ল যত দিন

    ঈদের ছুটি বাড়ল যত দিন

    আসন্ন শবেকদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি একদিন বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রবিবার (৮ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র প্রকাশ করা হয়।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব এ বি এম আবু বাকার ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে এক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এতে আরো বলা হয়, এই ছুটির দিনে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

    ফলে শবেকদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ছুটির সুযোগ পাবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    ছুটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ।

    ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে।

    এরপর আবার রয়েছে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের ছুটির পরেও টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।