Category: Uncategorized

  • কোন ভি’টামিনের অ’ভাবে চো’খের নিচে কা’লি পড়ে, জেনে নিন প্র’তিকা’রের উপায়

    কোন ভি’টামিনের অ’ভাবে চো’খের নিচে কা’লি পড়ে, জেনে নিন প্র’তিকা’রের উপায়

    কোন ভিটামিনের অভাবে চোখের নিচে কালি পড়ে, জেনে নিন প্রতিকারের উপায়
    মুখের সৌন্দর্য অনেকাংশেই নির্ভর করে সুন্দর ও উজ্জ্বল চোখের ওপর। কিন্তু ক্লান্ত ও কালো দাগ পড়া চোখ সৌন্দর্যে ব্যাঘাত ঘটায়।
    সপ্তাহে অন্তত তিন দিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে মাত্র ২০-৩০ মিনিট সূর্যস্নান করলেই শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পেতে পারে।অনেকেই মনে করেন, রাত জাগার কারণেই চোখের নিচে কালি পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর মূল কারণ হতে পারে শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব।
    কেন চোখের নিচে কালি পড়ে? : চিকিৎসকদের মতে, শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হলে তা প্রথমে চোখে প্রভাব ফেলে। শুধু চোখের নিচে কালি নয়, এই ঘাটতির ফলে আরও কিছু লক্ষণ দেখা যেতে পারে, যেমন— অতিরিক্ত ক্লান্তি, ঘুমের সমস্যা, হাড় ও পেশিতে ব্যথা, অবসাদ, চুল পড়ার সমস্যা।
    ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দূর করার সহজ উপায় : ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দূর করতে প্রাকৃতিকভাবে সূর্যালোক গ্রহণ করা সবচেয়ে কার্যকর। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে মাত্র ২০-৩০ মিনিট সূর্যস্নান করলেই শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পেতে পারে।
    তাই, যদি চোখের নিচে কালি বা ওপরের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে দেরি না করে প্রাকৃতিক উপায়ে ভিটামিন ডি-এর অভাব পূরণের চেষ্টা করুন।

  • নিয়মিত আ’দা খেলে শ’রীরে যে পরিবর্তন হয়, জেনে নিন

    নিয়মিত আ’দা খেলে শ’রীরে যে পরিবর্তন হয়, জেনে নিন

    তরকারির স্বাদ বাড়াতে আদার ব্যবহার বহু পুরোনো। শুধু স্বাদের জন্য নয়, আদায় থাকা কিছু সক্রিয় উপাদানের কারণে এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসেরও অংশ হতে পারে। 

    টানা এক মাস প্রতিদিন নিয়মিত আদা খেলে শরীরে কী ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে?

    বমিভাব কমায়

    আদার সবচেয়ে পরিচিত গুণগুলোর একটি হলো বমিভাব ও বমির প্রবণতা কমাতে সহায়তা করা। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের বমিভাবের ক্ষেত্রে আদার উপকারিতা নিয়ে গবেষণা রয়েছে। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণ আদা রাখলে অনেকের ক্ষেত্রে পেটের অস্বস্তি ও বমিভাব কিছুটা কমতে পারে।

    হজমে স্বস্তি

    আদা হজমপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে। এটি পাকস্থলী থেকে খাবার দ্রুত অন্ত্রে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা বদহজমের মতো কিছু সাধারণ অস্বস্তিতে উপকার মিলতে পারে।

    ব্যথা কমায়

    আদায় থাকা জিঞ্জেরল ও অন্যান্য যৌগের প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিয়মিত আদা খাওয়ার ফলে শরীরের প্রদাহজনিত কিছু প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

    আদার প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে নিয়মিত সেবনে কিছু ধরনের ব্যথা ও পেশির অস্বস্তি কমতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়। বিশেষ করে মাসিকের সময়ের ব্যথা নিয়েও আদার সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে গবেষণা হয়েছে।

    পেট পরিষ্কার রাখে

    হজমের ওপর ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি আদা অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও সহায়তা করতে পারে। ফলে নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে আদা খেলে কারও কারও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

    রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের ওপর প্রভাব

    আদা নিয়ে কিছু গবেষণায় রক্তে শর্করা ও রক্তের চর্বির মাত্রার ওপর সম্ভাব্য ইতিবাচক প্রভাবের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে শুধু এক মাস আদা খেলেই ডায়াবেটিস বা উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, এমন দাবি করার মতো প্রমাণ নেই। এসব ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও চিকিৎসকের পরামর্শই গুরুত্বপূর্ণ।

    কীভাবে খাওয়া যায় আদা

    প্রতিদিন আলাদা করে কাঁচা আদার টুকরা চিবিয়ে খাওয়ার প্রয়োজন নেই। চা, স্যুপ, তরকারি, স্মুদি কিংবা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে পরিমিত পরিমাণে আদা খাওয়া যেতে পারে। আদার ঝাঁঝালো স্বাদ অনেকের কাছে তীব্র মনে হতে পারে, তাই নিজের সহনশীলতা অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক করাই ভালো।

    এক মাস প্রতিদিন আদা খেলেই সবার শরীরে একই ধরনের পরিবর্তন হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। পরিমাণে আদা দৈনন্দিন খাবারের একটি উপকারী অংশ হতে পারে। এর সম্ভাব্য উপকারের মধ্যে হজমে সহায়তা, বমিভাব কমানো এবং প্রদাহজনিত অস্বস্তি কমাতে ভূমিকা রাখার বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি আলোচিত।

  • ও’য়াই-ফা’ইয়ের গ’তি বাড়াতে করুন কয়েকটি কাজ, জেনে নিন

    ও’য়াই-ফা’ইয়ের গ’তি বাড়াতে করুন কয়েকটি কাজ, জেনে নিন

    এক ঘরে রাউটার রাখলে অন্য ঘরে ইন্টারনেটের গতি থাকে খুবই কম। এমন সমস্যায় সবাই কমবেশি পড়েন। সেলুলার নেটওয়ার্কের ইন্টারনেটের চেয়ে নিঃসন্দেহে বেশি স্পিড দেয়। কিন্তু তার পরেও ওয়াই-ফাই নিয়ে একটা অভিযোগ অনেকেরই থেকে যায়। ওয়াই-ফাইয়ের সিগন্যাল বাড়ির প্রতি কোণে একই রকম গতিতে কাজ করে না।

    তবে কয়েকটি কাজ করলে আপনি ঘরের যে প্রান্তেই রাউটার রাখুন না কেন, সব জায়গায় সমান ইন্টারনেটের গতি পাবেন। জেনে নিন সেসব-

    ১.রাউটারটি সঠিক অবস্থানে রাখুন। রাউটারটি বাড়ির কেন্দ্রীয় কোনো স্থানে রাখার চেষ্টা করুন। যাতে সর্বাধিক কভারেজ বাড়ির বেশিরভাগ অংশে পৌঁছাতে পারে। মনে রাখতে হবে যে এক্ষেত্রে রাউটারটি একটু উঁচু জায়গায় রাখতে হবে এবং এটিকে খোলা রাখতে হবে। অর্থাৎ উপরে কোনো ঢাকনা থাকলে চলবে না।

    ২.একটি ওয়াই-ফাই রেঞ্জ এক্সটেন্ডার বা মেশ ওয়াইফাই সিস্টেম কেনা আমাদের পুরো বাড়িতে বিদ্যমান ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের কভারেজ বাড়ানোর একটি ভালো উপায় হতে পারে।

    ৩.হাই পারফরম্যান্স রাউটারে আপগ্রেড করুন। কেউ যদি পুরোনো রাউটার ব্যবহার করেন তবে তার কর্মক্ষমতা খুব স্বাভাবিকভাবেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রভাবিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আরও ভালো রেঞ্জ এবং ক্ষমতা সহ আরও শক্তিশালী রাউটার কেনা একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।

    ৪.ওয়াই-ফাই সেটিংস অপ্টিমাইজ করতে পারেন। কাছাকাছি নেটওয়ার্ক থেকে বাধা কমাতে রাউটারে ওয়াই-ফাই চ্যানেল অ্যাডজাস্ট করা দরকার। অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করতে ওয়াই-ফাইয়ের সিকিউরিটি ফিচারও এনেবল করে রাখতে পারেন।

    ৫. বিদ্যমান ওয়াই-ফাই সিগন্যাল ক্যাপচার করতে একটি ওয়াই-ফাই রিপিটার রাখলে ভালো হয় এবং আমাদের বাড়ির বাকি অংশেও সিগন্যাল পৌঁছানোর জন্য এটি কাজে আসবে।

  • স’হবা’সের পর যে ৭টি কাজ অবশ্যই করা উচিত

    স’হবা’সের পর যে ৭টি কাজ অবশ্যই করা উচিত

    শারীরিক মিলনের আগে পরিবেশ তৈরি করা বা পার্টনারের সঙ্গে সঠিক যোগাযোগের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা অনেকেই সচেতন। কিন্তু মিলনের পরবর্তী সময়টুকুও আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন গণমাধ্যম ‘হাফপোস্ট লাইফ’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সহবাসের ঠিক পরেই কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তা কেবল আপনার স্বাস্থ্যই ভালো রাখবে না, বরং সঙ্গীর সাথে আপনার আত্মিক বন্ধনকেও আরও গভীর করে তুলবে।

    বাংলাদেশে বেশিভাগ মানুষই মিলনের পর ঘুমিয়ে পড়া বা চুপচাপ শুয়ে থাকাকে পছন্দ করেন, তবে বিশেষজ্ঞরা শারীরিক সুস্থতা এবং দীর্ঘস্থায়ী অন্তরঙ্গতা বজায় রাখতে নির্দিষ্ট কিছু কাজের পরামর্শ দিয়েছেন।

    নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য সহবাসের পর পালনীয় ৭টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ তুলে ধরা হলো:

    ১. প্রস্রাব করা ও পরিচ্ছন্নতা: ক্লিনিকাল সেক্সোলজিস্ট সানি রজার্সের মতে, সহবাসের পর প্রস্রাব করা অত্যন্ত জরুরি। এটি মূত্রনালি থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া বা টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এটি ইউটিআই বা মূত্রনালির সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এরপর হালকা গরম পানি এবং সুগন্ধিহীন মাইল্ড সাবান দিয়ে শরীর পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো।

    ২. সুতির ও আরামদায়ক অন্তর্বাস ব্যবহার: পরিচ্ছন্নতার পর সঠিক অন্তর্বাস নির্বাচন করা জরুরি। রজার্স পরামর্শ দিয়েছেন সুতির অন্তর্বাস পরার জন্য, কারণ এটি প্রাকৃতিকভাবে বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। সুতি ফেব্রিক হাইপোঅ্যালার্জেনিক এবং আর্দ্রতা শোষণ করে নেয়, যা মিলনের পর স্পর্শকাতর অঙ্গে কোনো ধরনের অস্বস্তি বা সংক্রমণ হতে দেয় না।

    ৩. আলিঙ্গন ও কথা বলা (পিলো টক): শারীরিক মিলনের সময় শরীরে ‘অক্সিটোসিন’ নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়, যাকে ‘লাভ হরমোন’ বলা হয়। সাইকোথেরাপিস্ট চ্যামিন আজান জানান, এই হরমোন পার্টনারের প্রতি একাত্মতা এবং ভালোবাসার অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়। তাই এই সময়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে গল্প করা বা নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্ন নিয়ে কথা বলা সম্পর্কের গভীরতা বাড়িয়ে তোলে।

    ৪. পর্যাপ্ত পানি পান করা: শারীরিক মিলনের ফলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে এবং শক্তির ক্ষয় হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা মিলনের পর অন্তত ৮ আউন্স বা এক গ্লাস পানি পানের পরামর্শ দেন। এটি শরীরকে রিহাইড্রেট করার পাশাপাশি মূত্রনালি থেকে ব্যাকটিরিয়া বের করে দিতেও সহায়তা করে।

    ৫. হালকা নাস্তা গ্রহণ: মিলনের সময় ক্যালরি ক্ষয় হয় এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, যার ফলে ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। এসময় পুষ্টিকর কিছু খাবার (যেমন: চিয়া সিড বা গ্রিন টি) খাওয়া যেতে পারে। এমনকি সঙ্গীকে নিয়ে একসঙ্গে রান্নাঘরে গিয়ে ওমলেটের মতো সহজ কোনো খাবার তৈরি করাও সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক হতে পারে, যা একে অপরের সাথে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে।

    ৬. একে অপরের প্রশংসা করা: সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে এবং ভবিষ্যতে শারীরিক অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক করতে একে অপরের প্রশংসা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। থেরাপিস্ট কার্লা ইভানকোভিচ জানান, মিলনের পরপরই অক্সিটোসিনের মাত্রা বেশি থাকে, তাই সঙ্গীর কোন দিকগুলো আপনার ভালো লেগেছে তা প্রকাশ করার এটাই সেরা সময়। এতে উভয়েরই মানসিক তৃপ্তি বৃদ্ধি পায়।

    ৭. হাসি-আনন্দ ভাগ করা: সহবাসের পর একটি ইতিবাচক ও আনন্দময় মানসিক অবস্থা বজায় রাখা জরুরি। ইভানকোভিচ পরামর্শ দেন, মিলনের পর হাসিখুশি থাকা বা একে অপরকে মজার জোকস শোনানো সম্পর্কের একঘেয়েমি দূর করে। মিলনের পরপরই বিছানা ছেড়ে উঠে না গিয়ে কিছুক্ষণ সময় কাটানো উচিত, যাতে সঙ্গী নিজেকে অবহেলিত মনে না করেন।

    পরিশেষে, যৌন জীবনকে কেবল একটি শারীরিক প্রক্রিয়া হিসেবে না দেখে একে স্বাস্থ্য ও সম্পর্কের যত্ন নেওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখা উচিত। উপরের এই ছোট বিষয়গুলো মেনে চললে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি আপনার দাম্পত্য জীবনও হবে আরও সুখময় ও দীর্ঘস্থায়ী।

    তথ্যসূত্র: হাফপোস্ট

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের জ’রুরি নি’র্দেশ’না

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের জ’রুরি নি’র্দেশ’না

    দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী  (সা.) উদযাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৬ আগস্ট বাংলাদেশে পালন হবে ঈদে মিলাদুন্নবী। দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপন করবে সরকার।

    ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম, ইসলামের শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ক আলোচনাসভা, দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    একই কর্মসূচি পালন করবে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওয়াক্‌ফ প্রশাসকের কার্যালয়, ঢাকা ও জেদ্দা হজ অফিসসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

    এদিকে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করবে।

  • একাদশে ভর্তি: তিন ধাপে নয়, এক ধাপেই শেষ হবে আবেদন

    একাদশে ভর্তি: তিন ধাপে নয়, এক ধাপেই শেষ হবে আবেদন

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। দ্রুত ক্লাস শুরু করার লক্ষ্যে এবার শিক্ষার্থীদের তিন ধাপে নয়, বরং এক ধাপেই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। একক আবেদনের নিয়ম চালুর ফলে এবার আর মাইগ্রেশনের কোনো সুযোগ থাকছে না।

    তবে পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, যারা প্রথম ধাপে আবেদন করতে পারবেন না কিংবা কোনো কারণে কলেজ পাবেন না—তাদের জন্য পরবর্তীতে পুনরায় আবেদনের সুযোগ রাখা হবে। ভর্তি নীতিমালা কমিটি দ্রুততম সময়ে ক্লাস শুরু করার উদ্দেশ্যে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আগে এসএসসি ও সমমানে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তিন ধাপে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারত। এবার সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই অনলাইন আবেদন শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ক্লাস শুরু করতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য আরেক দফা আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে। তাদের ক্লাসও ১ অক্টোবরের মধ্যে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    গত রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রথম ধাপে সবাইকে জিপিএর ভিত্তিতে কলেজ পছন্দের সুযোগ দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা ন্যূনতম পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ করতে পারবে। আবেদন ফি আগের মতো ১৫০ টাকাই থাকবে। তবে প্রথম ধাপে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা কলেজে ভর্তি হবে, তাদের মাইগ্রেশনের সুযোগ থাকবে না।

    পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশের পর যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের জন্য দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ রাখা হবে। প্রথম ধাপে আবেদন না করা, কোনো কারণে কলেজ না পাওয়া বা নিশ্চয়ন না করা শিক্ষার্থীরাও ওই ধাপে আবেদন করতে পারবে। পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা পছন্দের কলেজে যাতে ভর্তি হতে পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কলেজে আসনসংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। নতুন কলেজে ভর্তি হলে আগের কলেজকে ভর্তির পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে।

  • ১ মাস আদা খা’ওয়ার পর শ’রীরে যে পরিবর্তনগুলো দেখে অ’বাক হবেন

    ১ মাস আদা খা’ওয়ার পর শ’রীরে যে পরিবর্তনগুলো দেখে অ’বাক হবেন

    প্রতিদিনের খাবারে অল্প পরিমাণ আদা যোগ করলে শরীরের জন্য বেশ কিছু উপকার হতে পারে। চা, স্যুপ, তরকারি কিংবা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে সহজেই আদা খাওয়া যায়। কাঁচা আদা সরাসরি খাওয়ার প্রয়োজন নেই।

    নিয়মিত আদা খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন হতে পারে—

    শরীরে ফোলা ও জ্বালাভাব কমাতে পারে
    আদায় থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের ফোলা, জ্বালাভাব ও অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। শরীরের কোনো জায়গায় ব্যথা বা অস্বস্তি থাকলেও আদা কিছুটা উপকার দিতে পারে।

    বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করে
    ভ্রমণের সময় অনেকের বমি বমি ভাব হয়। আবার সকালে বা অন্য সময়ও এমন সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের অস্বস্তি কমাতে আদা বেশ উপকারী হতে পারে। গর্ভাবস্থায় বমি বমি ভাব কমাতেও অনেকে আদা ব্যবহার করেন। তবে গর্ভাবস্থায় নিয়মিত আদা খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

    পেশির ব্যথা কমাতে পারে
    ব্যায়াম বা বেশি পরিশ্রমের পর পেশিতে ব্যথা হতে পারে। নিয়মিত অল্প পরিমাণ আদা খেলে এ ধরনের ব্যথা ও শরীরের অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।

    হজমে সাহায্য করে
    আদা হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি পেট পরিষ্কার রাখতেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদেরও কিছুটা উপকার হতে পারে।

    মাসিকের ব্যথা কমাতে পারে
    মাসিকের সময় অনেক নারীর তলপেটে ব্যথা ও অস্বস্তি হয়। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, আদা এই ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে বেশি ব্যথা হলে শুধু আদার ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে
    নিয়মিত আদা খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে কিছুটা সাহায্য করতে পারে। তবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে শুধু আদা খাওয়াই যথেষ্ট নয়। স্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়মিত ব্যায়ামও গুরুত্বপূর্ণ।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সহায়তা করতে পারে
    আদায় থাকা বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। সর্দি-কাশি বা ভাইরাসজনিত অসুস্থতার সময়ও আদা অনেকেই ব্যবহার করেন।

    কিভাবে খাবেন?
    অল্প পরিমাণ আদা চায়ের সঙ্গে, রান্নায়, স্যুপে বা খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। তবে বেশি আদা খেলে বুকজ্বালা বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। তাই পরিমাণ ঠিক রেখে আদা খাওয়াই ভালো।

  • একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ও ক্লাস শুরুর নতুন তারিখ নির্ধারণ

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ও ক্লাস শুরুর নতুন তারিখ নির্ধারণ

    একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু ও ভর্তির নতুন দিন তারিখ ঠিক করেছে সরকার। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হতে পারে। আর অনলাইনে ভর্তির আবেদন নেওয়া হবে ২ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

    বরাবরের মতো এবারও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির খসড়া নীতিমালা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর সম্ভাব্য তারিখ প্রস্তাব করা হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

    তবে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে ক্লাস শুরুর তারিখ বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, প্রস্তাব অনুমোদন হওয়ার পরই এ বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হবে।

    এবারও একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়ায় কলেজ পছন্দসহ প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দিতে বুয়েটের কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী কাজ করা হবে।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছেন ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিলো ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

    চলতি বছর ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৮৮৩টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

  • ফো’ন চা’র্জ দেওয়ার সময় অধিকাংশ মা’নুষ যে ৫ ভু’ল করেন, জেনে নিন এক্ষুনি

    ফো’ন চা’র্জ দেওয়ার সময় অধিকাংশ মা’নুষ যে ৫ ভু’ল করেন, জেনে নিন এক্ষুনি

    স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। যোগাযোগ থেকে শুরু করে কাজ, বিনোদন কিংবা অনলাইন লেনদেন—সবকিছুতেই নির্ভরতা বাড়ছে এই ছোট্ট ডিভাইসটির ওপর। আর স্মার্টফোন সচল রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ব্যাটারি।

    তবে ফোন চার্জ দেওয়ার সময় আমরা অজান্তেই এমন কিছু ভুল করি, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির স্বাস্থ্য ও ফোনের নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’-এর এক প্রতিবেদনে ফোন চার্জ দেওয়ার সময় এ ধরনের কয়েকটি ভুলের কথা তুলে ধরা হয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।

    ১. দীর্ঘ সময় চার্জে রেখে দেওয়া

    অনেকেই রাতে ঘুমানোর আগে ফোন চার্জে দিয়ে সকালে খুলে নেন। আধুনিক স্মার্টফোনে ব্যাটারি পূর্ণ হলে চার্জিং নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকলেও দীর্ঘ সময় উচ্চ চার্জ অবস্থায় রাখা এবং অতিরিক্ত তাপ ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    তাই সম্ভব হলে ফোন অতিরিক্ত সময় চার্জে না রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী চার্জ দেওয়া এবং অতিরিক্ত গরম হলে চার্জিং বন্ধ করা ভালো অভ্যাস।

    ২. বিছানা বা বালিশের ওপর রেখে চার্জ দেওয়া

    চার্জ দেওয়ার সময় ফোন স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা উষ্ণ হয়। এ অবস্থায় ফোনটি যদি বালিশের নিচে, বিছানায় বা লেপ-তোশকের মধ্যে থাকে, তাহলে তাপ সহজে বের হতে পারে না। এতে অতিরিক্ত গরম হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

    তাই ফোন চার্জ দেওয়ার সময় সমতল, শক্ত ও খোলা জায়গা ব্যবহার করা উচিত। বিছানা বা বালিশের নিচে রেখে চার্জ দেওয়া এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।

    ৩. নিম্নমানের চার্জার ও কেবল ব্যবহার

    মূল চার্জার হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে অনেকেই কম দামের অপরিচিত ব্র্যান্ডের চার্জার ও কেবল ব্যবহার করেন। নিম্নমানের আনুষঙ্গিক পণ্য ঠিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারলে ফোনের চার্জিং ব্যবস্থা ও ব্যাটারির ওপর চাপ পড়তে পারে। অতিরিক্ত গরম হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

    তাই ফোন প্রস্তুতকারকের অনুমোদিত চার্জার বা নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত ব্র্যান্ডের সার্টিফায়েড কেবল ও অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করা ভালো।

    ৪. অপ্রয়োজনীয় ‘ব্যাটারি-সেভিং’ অ্যাপ ব্যবহার

    ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে অনেকেই বিভিন্ন ‘ব্যাটারি-সেভিং’ অ্যাপ ইনস্টল করেন। কিন্তু এসব অ্যাপ সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে। বিশেষ করে অচেনা বা অবিশ্বস্ত অ্যাপ ফোনের বিভিন্ন অনুমতি চেয়ে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    ব্যাটারি সাশ্রয়ের জন্য আলাদা অ্যাপের ওপর নির্ভর না করে ফোনের নিজস্ব Battery Saver, Low Power Mode কিংবা অন্যান্য বিল্ট-ইন সেটিংস ব্যবহার করাই নিরাপদ।

    ৫. চার্জ দেওয়ার সময় ভারী কাজ করা

    ফোন চার্জে থাকা অবস্থায় উচ্চমানের ভিডিও দেখা, দীর্ঘ সময় গেম খেলা কিংবা অন্য কোনো ভারী কাজ করলে ডিভাইসের প্রসেসরের ওপর চাপ বাড়ে এবং ফোন অতিরিক্ত গরম হতে পারে। চার্জিংয়ের সময় অতিরিক্ত তাপ ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    তাই ফোন চার্জ দেওয়ার সময় ভারী গেম বা অন্য উচ্চক্ষমতার কাজ এড়িয়ে চলা ভালো। ফোন অতিরিক্ত গরম মনে হলে ব্যবহার বন্ধ করে কিছুটা ঠান্ডা হতে দেওয়াই নিরাপদ।

  • পু’রুষের যে ৫ শখ আ’ক’র্ষণ করে না’রীদের

    পু’রুষের যে ৫ শখ আ’ক’র্ষণ করে না’রীদের

    নারীদের কাছে পুরুষের কোন শখ সবচেয়ে আকর্ষণীয়? নতুন এক সমীক্ষা বলছে, উত্তরটি হতে পারে বেশ সহজ। দামি গ্যাজেট বা রাতভর অনলাইন বিনোদনের চেয়ে হাতে একটি বই থাকাই পুরুষের প্রতি নারীদের আগ্রহ বাড়াতে বেশি কার্যকর। 
     
    ‘ডেট সাইকোলজি’র একটি সমীক্ষায় ৭৪ ধরনের শখ ও অভ্যাস নিয়ে নারীদের মতামত নেওয়া হয়। এতে দেখা যায়, বই পড়ার অভ্যাস রয়েছে এমন পুরুষদের প্রতি নারীদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। অংশগ্রহণকারী নারীদের ৯৮ দশমিক ২ শতাংশই জানিয়েছেন, কোনো পুরুষকে বই পড়তে দেখলে তাদের কাছে তা ইতিবাচক ও আকর্ষণীয় মনে হয়।

    যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় শীর্ষে থাকা শখগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই সৃজনশীলতা, দক্ষতা অর্জন কিংবা আত্মোন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
     
    নারীদের পছন্দের শীর্ষ পাঁচ শখ—

    ১. বই পড়া (প্রায় ৯৮.২ শতাংশ)
    ২. বিদেশি ভাষা শেখা
    ৩. বাদ্যযন্ত্র বাজানো
    ৪. রান্না করা
    ৫. কাঠের কাজ বা উডওয়ার্কিং

    এ ছাড়া চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি, ফটোগ্রাফি, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হাইকিং, ব্ল্যাকস্মিথিং ও তিরন্দাজির মতো শখও তুলনামূলকভাবে বেশি পছন্দ করেছেন অংশগ্রহণকারীরা।

    সমীক্ষার ফলাফল থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নতুন কিছু শেখা, সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকা কিংবা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার মতো অভ্যাস পুরুষদের প্রতি নারীদের ইতিবাচক ধারণা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

    যে অভ্যাসগুলো সবচেয়ে কম আকর্ষণীয়

    সমীক্ষার বিপরীত প্রান্তে রয়েছে কিছু অভ্যাস, যেগুলো নারীদের কাছে তুলনামূলকভাবে বেশি অপছন্দনীয়। এর মধ্যে রয়েছে নারীবিদ্বেষী অনলাইন সংস্কৃতি বা ‘ম্যানোস্ফিয়ার’ এর সঙ্গে যুক্ত থাকা, পর্নোগ্রাফি দেখা, জুয়া খেলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কমেন্টে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়ানো।

    ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, কসপ্লে ও কমিক বই সংগ্রহের মতো শখও অধিকাংশ অংশগ্রহণকারীর কাছে খুব একটা আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হয়নি। ফাঙ্কো পপ ফিগার সংগ্রহ, অতিরিক্ত মদ্যপান ও নিয়মিত নাইটক্লাবকেন্দ্রিক জীবনযাপনও তালিকার নিচের দিকে রয়েছে।

    ডেটিং কোচ কোর্টনি রায়ানের মতে, মদ্যপান বা নাইটক্লাবিংকে জীবনের প্রধান বিনোদন হিসেবে নেওয়াকে অনেক নারী অপরিণত আচরণ হিসেবে দেখেন।

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কাউকে আকৃষ্ট করার জন্য কৃত্রিমভাবে কোনো শখ তৈরি করার চেয়ে নিজের পছন্দের কাজে সত্যিকারের আগ্রহ থাকাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দীর্ঘমেয়াদে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ও নিজস্ব আগ্রহই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশি প্রভাব ফেলে।

    তবে এই ফলাফলকে ব্যক্তিগত পছন্দের চূড়ান্ত মাপকাঠি না ধরে, সমীক্ষাটির পদ্ধতি ও নমুনার সীমাবদ্ধতা যাচাই করলেই এর দাবির নির্ভরযোগ্যতা স্পষ্ট হবে।

    সূত্র: ডেইলি মেইল রিপোর্ট