Author: Kolome71

  • ‘বিকল্প উ’পায়ে’ পে স্কে’ল বা’স্তবা’য়ন, ম’ন্ত্রিস’ভায় উ’পস্থা’পন কবে?

    ‘বিকল্প উ’পায়ে’ পে স্কে’ল বা’স্তবা’য়ন, ম’ন্ত্রিস’ভায় উ’পস্থা’পন কবে?

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ একসঙ্গে জোগান দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে হিসাব-নিকাশ ও  বিকল্প উপায়ে অর্থায়নের অর্থায়নের সম্ভাব্য পথ নিয়ে কাজ চলছে।

    এদিকে পে স্কেলের প্রস্তাব সেপ্টেম্বরের শুরুতে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নতুন পে স্কেল ও বড় উন্নয়ন বাজেটের অর্থায়ন নিয়ে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

    নতুন বেতন কাঠামোর অর্থায়ন কোথা থেকে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘একসঙ্গে পুরো অর্থ দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’

    দুই ধাপে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে এবং এখনো হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে। বিপুল আমদানির কারণে সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থায় জায়গা কমে গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন।

    কর আদায় বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। অতীতে কর সংগ্রহে অদক্ষতা, সুশাসনের ঘাটতি ও দুর্নীতির মতো সমস্যা ছিল উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে। 

    তার দাবি, গত অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে কর আদায়ে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে। সরকারের অর্থায়ন প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে তারা আশাবাদী। এনবিআরকে দুই ভাগ করার উদ্যোগসহ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    ’ এসব উদ্যোগের ফলে সরকারের অতিরিক্ত ঋণের প্রয়োজন কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    তিনি আরো বলেন, ‘অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। কারণ সরকার নিয়মিত ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিলে বেসরকারি খাত অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

    এদিকে চলতি বছরের জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সেটি বহাল থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা নিয়ে কাজ করছি।’

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সময়সূচি ও অর্থায়নের বিষয়টি নিয়ে সরকারের হিসাব-নিকাশ শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে আরো স্পষ্টতা পাওয়া যাবে।

    প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে নতুন মূল বেতন কার্যকর করা হবে। আর দ্বিতীয় ধাপে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার কথা রয়েছে। তবে এই প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। সরকারের অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে।

  • ঘণ্টার পর ঘণ্টা শু’য়ে থেকেও ঘু’ম হচ্ছে না যে ভি’টামিনের অ’ভাবে

    ঘণ্টার পর ঘণ্টা শু’য়ে থেকেও ঘু’ম হচ্ছে না যে ভি’টামিনের অ’ভাবে

    সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য একজন মানুষের পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষের প্রতিদিন সাধারণত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। নিয়মিত ছয় ঘণ্টার কম ঘুম হলে শরীরে নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তবে বিভিন্ন কারণে অনেকরে ঘুম হয় না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হয় না— এমন মানুষের সংখ্যাও দিনকে দিন বেড়ে যাচ্ছে। অনেকে ঘুমের সমস্যা দূর করতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে পারে।

    এদিকে, ভিটামিনের অভাব ঘুম কম হওয়ার একটি বড় কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

    ভিটামিন ডি
    ভিটামিন ডি হাড়ের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঘুমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি খেলে ভালো ঘুম হয় এবং অ্যানিমিয়া বা অনিদ্রার সমস্যা কমে যায়। সূর্যালোক ছাড়াও আপনি সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ ও ফলের রস থেকে ভিটামিন ডি পেতে পারেন।

    ভিটামিন ই
    এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা কোষের সুস্থতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন-ই ঘুমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পালং শাক, ব্রকলি এবং টমেটো থেকে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।

    ভিটামিন সি
    ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যা রোধ করে এবং ভালো ঘুম আনে। পালং শাক, ফুলকপি, সাইট্রাস ফল যেমন— কমলা, লেবু ইত্যাদি ভিটামিন সির ভালো উৎস।

    ভিটামিন বি-৬
    এ ভিটামিন অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে এবং রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করে। কলা, গাজর, পালং শাক, আলু, ডিম, চিজ, মাছ এবং গোটা শস্যদানায় প্রচুর ভিটামিন বি-৬ পাওয়া যায়।

    ভিটামিন বি-১২
    এটি মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ঘুমের সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। প্রাণিজ প্রোটিন এবং দুধজাতীয় খাবারে এ ভিটামিন পাওয়া যায়।

  • পা’কা তা’ল খে’লে হবে না যেসব রো’গ, জেনে নিন উ’পকারে আসবে

    পা’কা তা’ল খে’লে হবে না যেসব রো’গ, জেনে নিন উ’পকারে আসবে

    পাকা তালের মৌসুম চলছে। অন্য ফলের মতো তালও বেশ উপকারী ফল।

    মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় এর যথেষ্ট অবদান রয়েছে। তা ছাড়া তাল দিয়ে তৈরি নানা ধরনের সুস্বাদু পিঠা ও খাদ্য উপাদান আমাদের গ্রামবাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য।

    বাঙালির বাঙালিয়ানা খাবারগুলোর জনপ্রিয়তায় তাল অনেকটা জায়গাজুড়ে আছে। সুস্বাদু এই ফলটি কচি অবস্থায় শাঁস হিসেবে খাওয়া যায়।

    পাকা তাল থেকে রস বের করার পর দীর্ঘদিনের বিরতিতে বীজ মাটিতে রেখে দিয়ে তা থেকে পাওয়া শাঁসও বাঙালিদের কাছে বেশ প্রিয় একটি খাবার।

    পাকা তালের গুণাগুণ

    পাকা তালের রস দেখতে বেশ কমলা রঙের হয়ে থাকে। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি স্বাস্থ্যগুণেও অনন্য। পাকা তালে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি, জিংক, পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম।

    এ ছাড়া রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিজেন ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরির মতো প্রয়োজনীয় উপাদান।

    পুষ্টিবিদদের মতে, ১০০ গ্রাম পাকা তালে খাদ্যশক্তি ৮৭ কিলো ক্যালরি, জলীয় অংশ ৭৭.৫ গ্রাম, আমিষ .৮ গ্রাম, চর্বি .১ গ্রাম, শর্করা ১০.৯ গ্রাম, খাদ্য আঁশ ১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন ১ মিলিগ্রাম, থায়ামিন ০.০৪ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লাভিন ০.০২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ০.৩ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম থাকে। তাই অনেক রোগেরই মহৌষধ হিসেবে কাজ করতে পারে পাকা তাল।

     

    পাকা তাল খেলে হবে না যেসব রোগ

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাকা তালের রসের ভিটামিন বি কমপ্লেক্স শরীরে ভিটামিন বি-র ঘাটতি পূরণ করে। এতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে।

    যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য, অন্ত্রের রোগ কিংবা কৃমির সমস্যা আছে, তারা এই মৌসুমে তাল খাওয়ার অভ্যাস করুন। যারা প্রায়ই বুক ধড়ফড় করার সমস্যায় ভোগেন, তারা দুধের সঙ্গে চার চামচ তালের রস মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। সপ্তাহে এভাবে তিন দিন খেতে হবে।

    ১. তাল খাওয়ার অভ্যাসে পুরুষত্বহীনতায় উপকার পাওয়া যায়। বমিভাব দূর করতেও এভাবে পাকা তাল খেতে পারেন। যদি পুরনো কোনো কাশি কোনোভাবেই পিছু না ছাড়লে পাকা তাল খেয়ে উপকার পাবেন।

    ২. তাল খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সুফল হলো, এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানটির ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি ভুলে যাওয়ার প্রবণতা থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে স্মৃতিশক্তিকে বেশ প্রখর করে তুলতে পারে পাকা তাল।

    ৩. কচি তালের শাঁসে আছে প্রায় ৯৩ শতাংশ জলীয় অংশ। এ ছাড়া এতে আছে জেলাটিন, যা খাওয়ার পর পেট ভরে যাওয়ার মতো অনুভূতি দেয় এবং ক্ষুধাভাব কমিয়ে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    ৪.  শরীরের কোষের মধ্যে ইলোকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে কচি তালের শাঁস খুবই উপকারী। বমি ভাব বা ডায়রিয়ায় আক্রান্তদের জন্য এটি বেশ উপকারী একটি খাবার।

    ৫.  বাতের ব্যথা দূর করতে তালের রস বেশ উপকারী। আপনি যদি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম তাল কোনো চিনি ও পানি না মিশিয়ে খান তবে আপনার বাতের ব্যথা ধীরে ধীরে অনেকাংশে উপশম হবে।

     

    ৬.  লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হওয়ার কারণে তালের রস কৃত্রিম চিনির একটা স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে। যা ডায়াবেটিসের সূত্রপাত প্রতিরোধে সাহায্য করে। খেজুরের গুড় খাওয়ার ফলে রক্তে খুব বেশি মাত্রায় শর্করা বৃদ্ধি পায় না বলে জানা গেছে। তবে ডায়াবেটিক রোগীদের কম মাত্রায় খেজুরের চিনি বা গুড় খাওয়া উচিত।

    ৭.  তালের শাঁসে থাকে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ। তাই এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানেও সাহায্য করবে।

    ৮.  তালে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস আছে যা দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    ৯.  অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণ সমৃদ্ধ হওয়ায় তাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম। এ ছাড়া স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও তাল বেশ উপকারী।

     

    ১০.  তালে আছে ভিটামিন-বি, তাই ভিটামিন-বির অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধে তাল ভূমিকা রাখে।

    ১১.  লিভার সুরক্ষায় তালের শাঁসের ভূমিকা রয়েছে। তালের শাঁস লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে সারাক্ষণ ঘু’ম পায়, জেনে নিন

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে সারাক্ষণ ঘু’ম পায়, জেনে নিন

    সাধারণত, একজন ব্যক্তির জন্য দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম পর্যাপ্ত। কিন্তু সারারাত ঘুমিয়েও সকালে উঠতে অনেকের ক্লান্তি অনুভব হয়। সকালের নাস্তা সারতে না সারতেই চোখে যেন ঘুম আবারও জেঁকে বসে। ঘুম পাওয়া খুবই স্বাভাবিক, তবে মাত্রাতিরিক্ত ঘুম কী কারণে হয় তা জেনে নিন-

    মূলত ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির কারণে শরীরে এই আলস্য ভাব দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত দুটি ভিটামিনের অভাবেই এই লক্ষণ দেখা যায়। এর কারণে কাজ করতে ভালো লাগে না। প্রবল আলস্য ঘিরে ধরে শরীরকে। এ থেকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যেতে পারে। 

    ভিটামিন ডি ও  ভিটামিন বি১২

    ভিটামিন ডির কমতির জন্য হাড়ের জোর কমে, চুল পড়তে শুরু করে। দীর্ঘদিন যাবৎ রোদে না বের হওয়ার ফলে এই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হতে পারে। ভালো খাবারের অভাবেও এই ঘাটতি দেখা দেয়। তাই এই সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন দুধ, দই বা পনির জাতীয় খাবার পাতে রাখতে হবে, যা থেকে ভালো মাত্রায় ভিটামিন ডি মিলবে।

    ভিটামিন ‘বি’, বিশেষ করে বি-১২ হলো সেই অন্যতম প্রধান ভিটামিন যার অভাবে ক্লান্তি বাড়ে ও ঘুম বেশি পেতে থাকে। এছাড়া, রক্তস্বল্পতার কারণে ক্লান্তি পেতে পারে, যা অতিরিক্ত ঘুমের দিকে পরিচালিত করে। 

    লোহিত রক্তকণিকা এবং ডিএনএ উৎপাদনের জন্য ভিটামিন বি১২ অপরিহার্য। এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতার জন্যও অপরিহার্য। যখন আপনার শরীর পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ পায় না তখন আপনি সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করতে পারেন। এমনকি ঘুম ঘুম বোধ হতে পারে।
     
    অন্যদিকে সয়াবিন খেলেও ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২ দুটির চাহিদাই পূরণ হয় ভালোভাবে। ভিটামিনের ঘাটতির এই লক্ষণ আগে থেকে দেখে সচেতন না হলে পরে বড় কোনো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তাই সতর্ক হোন। মনে রাখবেন আমাদের শরীরে এই ভিটামিন তৈরি হয় না। খাদ্য থেকে এটি আহরণ করতে হয় শরীরকে। ভিটামিন বি১২ এর খাদ্য উত্স হলো মাছ, মাংস, ডিম, স্যামন। 

    সূত্র: এবিপি লাইভ

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে ঘা’ড়ে ব্য’থা হয়, জেনে নিন

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে ঘা’ড়ে ব্য’থা হয়, জেনে নিন

    আপনার শরীরে দুটি ভিটামিনের যে কোনো একটির অভাব হলেই ঘাড় কিংবা কাঁধের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া, কামড়ানো কিংবা অবশ ভাব হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রধানত ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির কারণে ঘাড়ে ব্যথা হয়। এসবের অভাবে ঘাড়ে কামড়ানো বা পেশি শক্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ে। আবার কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের অভাবে এ সমস্যা তীব্র হতে পারে। সে জন্য ভিটামিন ডি হাড় ও পেশির শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে। 

    আবার যদি টানা কয়েক দিন ধরে ঘাড় ব্যথার সমস্যা থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তের ভিটামিন ডি ও বি১২ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত। কারণ এ সমস্যা সমাধানে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত তৈলাক্ত মাছ, ডিম, দুগ্ধজাত খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি। এতে আপনার পেশির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

    ভিটামিন বি১২ এটি স্নায়ুর সুরক্ষায় কাজ করে থাকে। আপনার শরীরে বি১২-এর অভাব হলে ঘাড়ের স্নায়ুতে চাপ পড়ে বা অবশ ভাব তৈরি হয়, যা সারভাইকাল র্যাডিকুলোপ্যাথির মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। 

    আবার কখনো কখনো ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলেও ঘাড়ে অসহ্য ব্যথা হয়। আপনার শরীরে পানির ঘাটতি হলেও পেশিতে ক্র্যাম্প ধরে। তবে শুধু পানি খেলেই হবে না, পানিতে সঠিক খনিজ পদার্থ থাকাটাও জরুরি। কারণ সোডিয়াম পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলেও ঘাড় শক্ত হয়ে যেতে পারে। যারা বেশি খেলাধুলা করেন, ঘামের মধ্য দিয়ে তাদের শরীর থেকে অনেকটা পানি বেরিয়ে যায়। অনেক সময় হঠাৎ করে খুব কঠিন ব্যায়াম করতে গেলেও ঘাড়ের পেশিতে টান লাগে। সে ক্ষেত্রে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখতে লবণপানি খেতে বলা হয়। পাশাপাশি শরীরে প্রোটিন কমে যাওয়াও ঘাড়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ। 

    সেজন্য ডিম, মাছ আর মাংস— এসব খাবারে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। সে জন্য রুই, কাতলা বা স্যামন মাছের মতো সামুদ্রিক ও দেশি মাছে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০-২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। নিরামিষের মধ্যে দুধ, পনির, ডাল, শিম, সয়াবিন ও টোফুতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। এসবেই আপনার ঘাড় ব্যথা নিরাময় করে। এ ছাড়া ম্যাগনেসিয়াম পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত রাখে।

    আবার অনেকের ঘুম থেকে ওঠার সময়ে ঘাড় শক্ত হয়ে যায়, কারও আবার ঘাড় সামান্য ঘোরালেই ব্যথায় কুঁকড়ে যেতে হয়! অনেকেই মনে করেন, ব্যথার ওষুধ খেলেই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এটা ঠিক নয়। কারণ এতে সাময়িকভাবে যন্ত্রণা কমলেও কিছু দিন পর আবার ব্যথা শুরু হয়। 

    আবার অনেকেই মনে করেন, সূর্যের আলোয় বের হলে শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতি হবে না। কিন্তু বিষয়টি এতটাও সহজ নয়। সূর্যালোক থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যাবে ঠিকই, তবে ত্বক থেকে তা বিভিন্ন প্রক্রিয়ার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার যে পদ্ধতি, তা খুবই ধীর গতিতে হয়। সে ক্ষেত্রে খাবার থেকেই সরাসরি ভিটামিন ডি শরীরে ঢুকতে পারে। যেমন তৈলাক্ত মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ডি থাকে, সামুদ্রিক মাছ, দুগ্ধজাত খাদ্য ও ডিমেও ভিটামিন-ডি পাওয়া যায়। ইলিশ মাছ, রুই-কাতলার পেটি ও তেল, তেলাপিয়া ও সরপুঁটি, দানাশস্য ও ওটস, ফর্টিফায়েড দুধ ও দইয়ে ভিটামিন ডি মেলে।

  • বা’জারে উ’ঠেছে তা’ল, খা’ওয়ার আগে যেসব বিষয় খে’য়াল রাখবেন, না হয় বি’পদ!

    বা’জারে উ’ঠেছে তা’ল, খা’ওয়ার আগে যেসব বিষয় খে’য়াল রাখবেন, না হয় বি’পদ!

    শরৎ আসতেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাকা তাল। মৌসুমি এই ফল দিয়ে বাড়িতে তৈরি হচ্ছে তালফুলুরি, তালের বড়া, তালের লুচি, মালপোয়া ও পায়েসসহ নানা পদ। অনেকেই আবার মিষ্টির দোকান থেকেও কিনে খাচ্ছেন তালের তৈরি খাবার। তবে সুস্বাদু এসব খাবার খাওয়ার পর অনেকেরই গ্যাস, অম্বল কিংবা বুকজ্বালার সমস্যা দেখা দেয়। তাই তাল খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

    তাল কি পেটের জন্য ক্ষতিকর

    তাল নিজে পেটের জন্য ক্ষতিকর নয়। এতে ভিটামিন এ, বি ও সি ছাড়াও ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও আয়রনের মতো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে তাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সহায়তা করতে পারে। তবে তালের তৈরি খাবার কীভাবে রান্না করা হচ্ছে এবং কতটা খাওয়া হচ্ছে, সেটিই হজমের সমস্যার অন্যতম কারণ হতে পারে।

    কেন হতে পারে গ্যাস-বুকজ্বালা

    তালের বড়া বা ফুলুরি তৈরিতে সাধারণত তালের পাল্পের সঙ্গে আটা, ময়দা, গুড় বা চিনি মেশানো হয়। এরপর সেগুলো ডুবো তেলে ভাজা হয়। অতিরিক্ত তেল ও মিষ্টি খাবার হজম হতে সময় নেয়। ফলে কারও কারও পেটে গ্যাস, অম্বল বা বুকজ্বালার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া তালের কাঁচা রস বা পাল্প ভালোভাবে প্রস্তুত না করেও সমস্যা হতে পারে। তালের কষ ঠিকমতো না কাটলে তা হজমে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। আবার তালের ক্বাথ তুলনামূলক ভারী হওয়ায় বেশি পরিমাণে খেলে পেটে অস্বস্তি হতে পারে।

    খাওয়ার সময়টা গুরুত্বপূর্ণ

    খালি পেটে তালফুলুরি, বড়া বা অন্য কোনো তেলে ভাজা তালের খাবার না খাওয়াই ভালো। একইভাবে রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে এসব খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। দুপুর বা বিকেলে পরিমিত পরিমাণে খেতে পারেন। একসঙ্গে অনেকগুলো তালফুলুরি বা বড়া খাওয়ার বদলে অল্প পরিমাণে খাওয়া ভালো। তালের মালপোয়া বা লুচির ক্ষেত্রেও পরিমাণের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন।

    কম তেলে তৈরি খাবার বেছে নিন

    তালের খাবার তৈরির সময় তেলের পরিমাণ কমানো যেতে পারে। বড়া বা ফুলুরি ভাজার পর টিস্যু পেপারে রাখলে বাড়তি তেল কিছুটা শুষে নেওয়া যায়। চাইলে ভাজা খাবারের বদলে তালের পায়েস বা ভাপে তৈরি তালের পিঠার মতো পদও খেতে পারেন। তালের পাল্প ব্যবহারের আগে ভালোভাবে কষিয়ে নেওয়াও জরুরি। এতে কাঁচা কষের কারণে হজমের অস্বস্তির ঝুঁকি কমতে পারে।

    মৌসুমি ফল হিসেবে তাল খাবারের তালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে তালের তৈরি খাবারে তেল, ময়দা ও চিনি বা গুড়ের পরিমাণ বেশি থাকায় তা পরিমিত খাওয়াই ভালো। বিশেষ করে যাঁদের গ্যাস, অম্বল বা বুকজ্বালার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের অতিরিক্ত তেলে ভাজা তালের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

    সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম

  • কতবার চা’ল ধো’য়া উ’চিৎ, বেশি ধু’লে যে ক্ষ’তি হয়, জেনে নিন

    কতবার চা’ল ধো’য়া উ’চিৎ, বেশি ধু’লে যে ক্ষ’তি হয়, জেনে নিন

    ভাত রান্নার আগে চাল পাঁচ-ছয়, এমনকি সাতবার পর্যন্ত ধুয়ে নেওয়া—বাঙালি ও দক্ষিণ এশিয়ার বহু পরিবারের পরিচিত অভ্যাস। চাল ধোয়ার পানি একেবারে স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত পানি বদলাতে থাকেন অনেকে। কিন্তু চাল পরিষ্কার করতে সত্যিই কি এতবার পানি ব্যবহার করা দরকার? বিশেষজ্ঞদের তথ্য বলছে, শুধু পানির স্বচ্ছতা দেখেই চাল কতবার ধুতে হবে, তা নির্ধারণ করা ঠিক নয়।

    ইংল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে পানি সংকট ও খরার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় পানি সাশ্রয়ে নানা সচেতনতামূলক প্রচার শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দক্ষিণ এশীয় পরিবারগুলোর রান্নাঘরের অভ্যাস নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। সেখানে পাঁচ-সাতবার চাল ধোয়ার পরিবর্তে দুবার ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    চালের গায়ে থাকা ধুলো, ময়লা এবং অতিরিক্ত স্টার্চ দূর করাই মূলত চাল ধোয়ার উদ্দেশ্য। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক পরিবারে চাল ধোয়ার সময় বারবার পানি বদলানোর প্রচলন রয়েছে।

    পানি ঘোলা থেকে স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত চাল ধুতে থাকেন অনেকে। তবে চালের পানি পুরোপুরি স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত বারবার ধোয়া প্রয়োজন—এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই।

    সাধারণভাবে দু-তিনবার ভালোভাবে চাল ধোয়া যথেষ্ট হতে পারে। পাঁচ-সাতবার ধুলেই চাল আরও পরিষ্কার বা নিরাপদ হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

    বরং অতিরিক্ত ধোয়ার ফলে চালের পানিতে দ্রবণীয় কিছু পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ কমে যেতে পারে। বিশেষ করে আয়রন, ফোলেট, থায়ামিন ও নিয়াসিনের মতো পুষ্টি উপাদান পানিতে মিশে কিছুটা বেরিয়ে যেতে পারে।

    তবে চাল ধোয়ার ফলে কতটা পুষ্টি কমে, তা চালের ধরন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ওপরও নির্ভর করে।

    চাল বারবার ধুলেই আর্সেনিকের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে—এমনটা ধরে নেওয়াও ঠিক নয়। চালের আর্সেনিক কমানোর ক্ষেত্রে রান্নার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ।

    বিশেষ করে বেশি পানিতে চাল সেদ্ধ করে অতিরিক্ত পানি ফেলে দেওয়ার পদ্ধতি কিছু ক্ষেত্রে চালের আর্সেনিকের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই আর্সেনিকের ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে শুধু চাল ধোয়ার সংখ্যার ওপর নির্ভর না করে নিরাপদ রান্নার পদ্ধতিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

    চালের পানি স্বচ্ছ হলেই কি চাল পরিষ্কার?
    না। চাল ধোয়ার পানিতে কিছুটা ঘোলাভাব থাকা মানেই চাল অপরিষ্কার—এমন নয়। চালের স্বাভাবিক স্টার্চও পানিকে ঘোলা করতে পারে।

    তাই পানি একেবারে কাচের মতো স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত পাঁচ-সাতবার চাল ধুতে থাকার প্রয়োজন নেই। দু-তিনবার ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াই সাধারণ রান্নার জন্য যথেষ্ট।

    এতে চাল পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পানির অপচয় এবং পানিতে দ্রবণীয় পুষ্টি উপাদান হারানোর ঝুঁকিও কমানো যায়।

  • দু’ধের সঙ্গে গু’ড় মি’শিয়ে খে’লে যেসব উ’পকার, জেনে নিন হে’ব্বি উপ’কারে আসবে

    দু’ধের সঙ্গে গু’ড় মি’শিয়ে খে’লে যেসব উ’পকার, জেনে নিন হে’ব্বি উপ’কারে আসবে

    দুধ পুষ্টিগুণসম্পন্ন একটি খাবার- এ কথা প্রায় সবারই জানা। পাশাপাশি গুড়েরও রয়েছে নানা গুণ। জানেন কি, দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে?

    দুধ ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে গুড় যোগ করলে স্বাদ বাড়ার পাশাপাশি এটি বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধেও সহায়তা করতে পারে।

    দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খাওয়ার কয়েকটি উপকারের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

    হজম ভালো করে

    অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, জাঙ্ক ফুড ও ভারী খাবার খাওয়ার কারণে অনেকেরই হজমের সমস্যা হয়। হজমের সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্যে গুড় উপকারী হতে পারে। দুধের সঙ্গে গুড় খেলে হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    গাঁটের ব্যথা কমায়

    দুধ নিয়মিত পান করলে শরীর শক্তিশালী হতে সাহায্য করে। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় শক্তিশালী করে এবং গাঁটের ব্যথা কমাতে সহায়তা করতে পারে। এর সঙ্গে গুড় যোগ করলে উপকার আরও বাড়তে পারে।

    রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে

    গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা একটি বড় সমস্যা। এটি প্রতিরোধে চিকিৎসকেরা আয়রন ট্যাবলেট দিয়ে থাকেন। এ সময় দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    ত্বকের জন্য ভালো

    শীতের সময় ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি বিউটি রুটিন পরিবর্তন করার পরও ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে প্রতিদিন দুধের সঙ্গে গুড় খেলে ত্বক ভালো রাখতে এবং শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

  • ডি’মের চেয়ে বেশি প্রো’টিন পেতে সকালের না’স্তায় যা খে’তে পারেন

    ডি’মের চেয়ে বেশি প্রো’টিন পেতে সকালের না’স্তায় যা খে’তে পারেন

    আমরা সাধারণত প্রোটিন বলতে ডিম এবং মাংসকেই বুঝি, কিন্তু নিরামিষ অনেক খাবারেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (USDA)-এর মতে, একটি ডিমে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যেখানে ১০০ গ্রাম ডিমে প্রায় ১৩ গ্রাম প্রোটিন থাকে। বেশ কিছু নিরামিষ খাবার আপনাকে এর সমান বা তার চেয়েও বেশি প্রোটিন দিতে পারে। সকালের নাস্তায় এই খাবারগুলো রাখলে প্রোটিনের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হবে-

    ১. পনির

    সকালের নাস্তায় আরও প্রোটিন যোগ করার সবচেয়ে সহজ উপায়গুলোর মধ্যে পনির অন্যতম। আধা কাপ পনির থেকে প্রায় ১২ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়, যা দিন শুরু করার জন্য একটি তৃপ্তিদায়ক ও স্বাস্থ্যকর।

    ২. সয়াবিন

    আপনি যদি প্রচুর পরিমাণে প্রোটিনের সন্ধান করেন তবে সয়াবিনকে উপেক্ষা করা কঠিন। ইউএসডিএ (USDA)-এর তথ্য অনুসারে, ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রায় ৩৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা ১০০ গ্রাম ডিমের চেয়ে অনেক বেশি। সেদ্ধ সয়াবিন ব্যবহার করে পেঁয়াজ, টমেটো, শসা, লেবুর রস এবং চাট মসলা মিশিয়ে সকালের নাস্তায় খেতে পারেন।

    ৩. ছোলা

    এক বাটি ছোলা তৃপ্তিদায়ক এবং পুষ্টিকর সকালের নাস্তা হতে পারে। ইউএসডিএ (USDA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম ছোলায় প্রায় ১৯ গ্রাম প্রোটিন থাকে। ভেজানো ও সেদ্ধ ছোলা দিয়ে কাটা সবজি এবং লেবুর রস মিশিয়ে সালাদ তৈরি করুন। স্যান্ডউইচের জন্য ছোলার টিক্কি, ছোলার র‍্যাপ বা সাধারণ ছোলার কুলচা-ধাঁচের সকালের নাস্তাও তৈরি করতে পারেন।

    ৪. চিয়া বীজ

    এই ছোট কালো বীজগুলো আকারে ছোট হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর। চিয়া বীজ সালভিয়া হিস্পানিকা (Salvia hispanica) উদ্ভিদ থেকে আসে এবং এটি এর ওমেগা-৩ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণের জন্য পরিচিত। ইউএসডিএ (USDA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম চিয়া বীজে প্রায় ১৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। চিয়া বীজ সারারাত দুধে ভিজিয়ে রেখে একটি ক্রিমি চিয়া পুডিং তৈরি করুন। ঝামেলাহীন সকালের নাস্তার জন্য এর উপরে কলা, বেরি, বাদাম এবং সামান্য মধু দিয়ে পরিবেশন করুন।

    ৫. কুমড়ার বীজ

    কুমড়ার বীজ হলো আরেকটি নিরামিষ খাবার যা আপনার সকালের নাস্তার প্লেটে যোগ করার মতো। এগুলো প্রোটিনে ভরপুর এবং এটি বেশি পরিমাণে খাওয়ার পরিবর্তে সহজেই অন্যান্য খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায় আপনার ওটস বা দইয়ের বাটিতে ভাজা কুমড়ার বীজ ছড়িয়ে দিন। এগুলো ব্লেন্ড করে স্মুদিও বানাতে পারেন।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে শু’য়ে বসে থাকতে ইচ্ছে হয়, জেনে নিন

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে শু’য়ে বসে থাকতে ইচ্ছে হয়, জেনে নিন

    অনেকেই অলসভাবে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। আর এই অলসতা একসময় অভ্যাসে পরিণত হয়। তাছাড়া অলস ব্যক্তি কখনোই জীবনে উন্নতি করতে পারে না। সবসময় সে পিছিয়েই থাকে। কিন্তু এখন চিকিৎসকরা বলছেন, অলসতা সবসময় ইচ্ছাকৃত নয়—অনেক সময় এটি হতে পারে এক ধরনের মানসিক সমস্যা বা অসুস্থতা।

    অভিযোগ আসছে, সকালে ঘুম থেকে উঠার পরও শরীর চাঙা লাগে না, কোনো কাজেই উৎসাহ পাওয়া যায় না। দিনভর শুয়ে-বসে অলস সময় কাটানোর ইচ্ছা জেঁকে বসছে। এমন সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। 

    চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত আলস্য, ক্লান্তি ভাব বা ঝিমুনির কারণ কিন্তু ভিটামিনের অভাব। শরীরে ভিটামিন ও খনিজের নির্দিষ্ট ভারসাম্য আছে, তা বিগড়ে গেলেই তখন পেশির ক্লান্তি বাড়ে। শরীরের দুর্বলতাও বাড়ে।

    কোন দুই ভিটামিনের ঘাটতিতে এমন হয়-

    ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির কারণে এমন হতে পারে।

    ভিটামিন ডি-র অভাব হলে ক্লান্তি, ঝিমুনি ও শারীরিক দুর্বলতা অনেক বেড়ে যায়। হাড়, ত্বক, চুল, নখ, মানসিক স্বাস্থ্য ইত্যাদি শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি-র মাত্রা ঠিক থাকা জরুরি। ভিটামিন ডি-র অভাব হলে হাড় ক্ষয়ে যাওয়া এবং হাঁটুতে ব্যথার মতো সমস্যা দেখা যায়।

    আবার ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হলেও ক্লান্তি বেড়ে যায়। অনিদ্রার সমস্যা দেখা দেয়। এই ভিটামিনের অভাবে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা অনেক বেড়ে যায়। বিভিন্ন মানসিক রোগের কারণও হতে পারে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি। তা ছাড়া হাত-পা কাঁপা, পেশির অসাড়তা, পেশিতে টান ধরা ও ঝিমুনি ওমাথা ঘোরার মতো লক্ষণও দেখা দেয়।

    আর আলস্য কাটাতে হলে জীবনযাপনে কিছু প্রয়োজনীয় বদল আনতে হবে। সে জন্য ভিটামিন সমৃদ্ধ সুষম খাবার খেতে হবে। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি খাওয়া, রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম এবং প্রতিদিন নিয়ম মেনে শরীরচর্চাও জরুরি।