Author: Kolome71

  • স্থা’নীয় নি’র্বাচন কবে হতে পারে, জানালেন সিইসি

    স্থা’নীয় নি’র্বাচন কবে হতে পারে, জানালেন সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না।’ তার মতে, এটা নির্ভর করবে—দুর্গাপূজা, বন্যা, শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা ওপর।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ বিষয়ে এক্সেল এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আমাদের কিছু আইন-কানুন ও বিধি-বিধান সংশোধন করতে হচ্ছে। তবে তেমন সময় লাগবে না। আমাদের তরফ থেকে আমরা কাজ করে ফেলেছি এবং মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছি।

    তিনি বলেন, আমাদের কমিটমেন্টের কোনও ঘাটতি নেই। আমরা ঠিক যে নির্বাচন (জাতীয় নির্বাচন) করেছি, যেভাবে করেছি, তার চেয়ে খারাপ হবে না। বরং আমরা তার চেয়ে আরও ভালো করতে চাইব। ওই নির্বাচনে যে স্ট্যান্ডার্ড আমরা সেট করেছি, তার নিচে তো আমরা যেতে পারি না। সুতরাং ওই স্ট্যান্ডার্ড থাকবেই। যদি পারি, তার চেয়েও আরও ভালো করবো। আশা করি, সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা পারবো। কোনও অসুবিধা হবে না।

    সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে জানিয়েছে কিনা জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেবে না, আমরাই নেব। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শক্রমে আমরাই সিদ্ধান্ত নেব। দিনক্ষণ আমরাই ঠিক করবো। এটা এমন নয় যে সরকার একটি তারিখ দেবে আর আমরা তা ঘোষণা করে দেব। আমাদের সামগ্রিক প্রস্তুতি চলমান আছে।’

    এ সময় অনুষ্ঠানে অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • আ’গামীকা’ল সা’ধার’ণ ছু’টি, পা’বেন না যারা

    আ’গামীকা’ল সা’ধার’ণ ছু’টি, পা’বেন না যারা

    আগামীকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) সারা দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। এ উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবী, ব্যাংকার ও অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাধারণ ছুটি থাকবে।

    তবে বেসরকারি অফিস, কারখানা, দোকান, শপিংমল কিংবা জরুরি সেবায় নিয়োজিত সবার জন্য এ ছুটি প্রযোজ্য হবে না।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের ছুটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক দিনের সাধারণ ছুটি রয়েছে। সরকারি ও আধা-সরকারি অফিসের পাশাপাশি সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় এ ছুটি থাকবে।

    গত ১৩ আগস্ট জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ আগস্ট থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হয়।

    সে হিসাবে ১২ রবিউল আউয়াল পড়েছে ২৬ আগস্ট। ফলে এদিনের ছুটি নিশ্চিত।

    ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
    বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ফলে এদিন সাধারণ ব্যাংকিং লেনদেন হবে না।

    কিন্তু এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও কার্ডভিত্তিক ডিজিটাল সেবা সাধারণভাবে চালু থাকবে।

    স্কুল-মাদরাসা ছুটি
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের সংশোধিত শিক্ষাপঞ্জিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছুটি রয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সংশোধিত ছুটির তালিকাতেও ২৬ আগস্ট ছুটি রাখা হয়েছে। ফলে সরকারি প্রাথমিক এবং মাউশির আওতাধীন সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এদিন পাঠদান বন্ধ থাকবে। তবে মাদরাসার শিক্ষাপঞ্জিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ২৬ ও ২৭ আগস্ট দুদিনের ছুটি রয়েছে।

    এ ছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ও নিজস্ব শিক্ষাপঞ্জিতে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নোটিশ দেখে ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।

    বেসরকারি অফিস
    সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেও দেশের সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওই দিন বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই। বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী, শ্রমিকরা বছরে পূর্ণ মজুরিতে ১৩ দিনের উৎসব ছুটি পাওয়ার অধিকারী। কোন কোন দিন এই ছুটি হবে, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা মালিক নির্ধারণ করে থাকে। তাই কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত উৎসব ছুটির তালিকায় ঈদে মিলাদুন্নবী থাকলে কর্মীরা ছুটি পাবেন।

    দোকান, শপিংমল এবং রেস্তোরাঁ
    সরকারি সাধারণ ছুটি মানেই দেশের সব দোকান, শপিংমল, রেস্তোরাঁ বা বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে, এমন নয়। এসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব সাপ্তাহিক ও উৎসব ছুটির তালিকা অনুযায়ী খোলা বা বন্ধ রাখতে পারে। তাই যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা মার্কেটের ঘোষণা দেখে নেওয়া ভালো।

    জরুরি সেবায় নিয়োজিত সবার ছুটি নেই
    যেসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন-কানুন অনুযায়ী পরিচালিত অথবা যেসব চাকরি সরকার অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থ বিবেচনায় নিজস্ব বিধি অনুযায়ী ছুটির সিদ্ধান্ত নেবে। ফলে হাসপাতাল, আইন-শৃঙ্খলা, অগ্নিনির্বাপণসহ জরুরি ও অত্যাবশ্যক সেবায় কর্মরতরা সাধারণ সরকারি অফিসের মতো সবাই একসঙ্গে ছুটি না-ও পেতে পারেন। এসব ক্ষেত্রে রোস্টারের মাধ্যমে সেবা চালু রাখা হয়।

    ছুটি পাচ্ছেন যারা

    ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস, সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী বেসরকারি অফিস, কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, দোকান, শপিংমল ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলা বা বন্ধ থাকবে।

    টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ঘিরে টানা চার দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটির পর বৃহস্পতিবার অফিস খোলা। তবে এর পরেই শুক্র ও শনিবার দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বৃহস্পতিবার ছুটি নিতে পারলে বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত টানা চার দিন ছুটি উপভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

  • পে স্কে’লে প’রিব’র্তনের আ’ভাস, অ’র্থম’ন্ত্রী বললেন হি’সাব’কি’তাব চলছে

    পে স্কে’লে প’রিব’র্তনের আ’ভাস, অ’র্থম’ন্ত্রী বললেন হি’সাব’কি’তাব চলছে

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ একসঙ্গে জোগান দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে হিসাব-নিকাশ ও অর্থায়নের সম্ভাব্য পথ নিয়ে কাজ চলছে।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নতুন পে স্কেল ও বড় উন্নয়ন বাজেটের অর্থায়ন নিয়ে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

    নতুন বেতন কাঠামোর অর্থায়ন কোথা থেকে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘একসঙ্গে পুরো অর্থ দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’ দুই ধাপে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে এবং এখনো হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে। বিপুল আমদানির কারণে সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থায় জায়গা কমে গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। কর আদায় বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। অতীতে কর সংগ্রহে অদক্ষতা, সুশাসনের ঘাটতি ও দুর্নীতির মতো সমস্যা ছিল উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে। তার দাবি, গত অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে কর আদায়ে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে।

    সরকারের অর্থায়ন প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে তারা আশাবাদী। এনবিআরকে দুই ভাগ করার উদ্যোগসহ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’ এসব উদ্যোগের ফলে সরকারের অতিরিক্ত ঋণের প্রয়োজন কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    তিনি আরো বলেন, ‘অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। কারণ সরকার নিয়মিত ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিলে বেসরকারি খাত অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    এদিকে চলতি বছরের জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সেটি বহাল থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা নিয়ে কাজ করছি।’

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সময়সূচি ও অর্থায়নের বিষয়টি নিয়ে সরকারের হিসাব-নিকাশ শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে আরো স্পষ্টতা পাওয়া যাবে।

    প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে নতুন মূল বেতন কার্যকর করা হবে। আর দ্বিতীয় ধাপে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার কথা রয়েছে। তবে এই প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। সরকারের অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে।

  • ই’সবগু’ল যেভাবে খে’লে বেশি উ’পকা’র পাবেন

    ই’সবগু’ল যেভাবে খে’লে বেশি উ’পকা’র পাবেন

    ইসবগুল খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। আমাদের বেশিরভাগ বাড়িতেই এটি পাওয়া যাবে। বিশেষ করে হজমের সমস্যায় ভুগছেন এমন যে কারও কাছে উসবগুল একটি বিশ্বস্ত নাম। এক চামচ পানিতে মিশিয়ে পান করলেই হয়ে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি কী সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন তার ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন উপায়ে ইসবগুল খাওয়া যেতে পারে। অ্যাসিডিটি এবং কোষ্ঠকাঠিন্যসহ বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় এটি কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

    ইসবগুল কী?

    ইসবগুল সাইলিয়াম বা ইসপাগুলা নামেও পরিচিত এক ধরনের ডায়েটারি ফাইবার। এটি প্ল্যান্টাগো (Plantago) গণের উদ্ভিদের বীজ থেকে আসে। এই বীজ থেকে মিউসিলেজ তৈরি হয়, যা সাইলিয়ামকে পানি শোষণের বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে।

    সাইলিয়াম প্রধানত কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হালকা ডায়রিয়ার চিকিৎসায় ডায়েটারি ফাইবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি কখনও কখনও খাবার ঘন করার উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। যে গাছ থেকে সাইলিয়াম তৈরি হয়, সেগুলো প্রধানত উত্তর ভারতে চাষ করা হয়।

    ১. ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগুল

    যদি অ্যাসিডিটি আপনার উদ্বেগের কারণ হয়, তবে ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগোল খেয়ে দেখতে পারেন। ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগুল খেলে তা পাকস্থলীতে প্রবেশ করে একটি প্রতিরক্ষামূলক আস্তরণ তৈরি করে। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিডের কারণে সৃষ্ট অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। আপনাকে প্রতিবারই সাধারণ পানির সঙ্গে ইসবগোল খেতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কোন সংমিশ্রণটি বেছে নেবেন, তা নির্ভর করে আপনি কী চাইছেন তার উপর।

    ২. দইয়ের সঙ্গে ইসবগুল

    এই সংমিশ্রণটি তাদের জন্য, যারা তাদের মলত্যাগ নিয়ে বেশি চিন্তিত। এই সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞরা দইয়ের সঙ্গে ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দেন। ইসবগুল অতিরিক্ত পানি শোষণ করতে পারে, অন্যদিকে দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রকে সহায়তা করে। তার মতে, এই সংমিশ্রণটি মলের ঘনত্ব উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

    ৩. লেবু পানির সঙ্গে ইসবগুল

    এই উপায়টি তাদের জন্য, যারা সন্ধ্যায় হালকা খাবার খেতে চান। ফাইবার মস্তিষ্কে তৃপ্তির সংকেত পাঠায়, যা গভীর রাত ও সন্ধ্যার ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই মিশ্রণটি আপনাকে পেট ভরা অনুভব করতে এবং দিনের পরবর্তী সময়ে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়া এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

    ৪. গরম পানির সাথে ইসবগুল

    কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য গরম পানির সঙ্গে ইসবগুল সবচেয়ে ভালো। সাইলিয়াম তার পানি শোষণ ক্ষমতার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য ডায়েটারি ফাইবার হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগলে নিয়মিত গরম পানির সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এতে দ্রুতই উপকার পাবেন।

  • জি’রা পা’নি নিয়মিত পা’ন করলে যেসব উ’পকার পেতে পারেন, জেনে নিন

    জি’রা পা’নি নিয়মিত পা’ন করলে যেসব উ’পকার পেতে পারেন, জেনে নিন

    বর্তমানে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ডিটক্স ড্রিংক বেশ জনপ্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ওজন কমানো থেকে শুরু করে হজমশক্তি ভালো রাখা পর্যন্ত নানা উপকারের কথা বলা হয় এসব পানীয় নিয়ে। তবে সব দাবির পেছনে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। এর মধ্যে সহজলভ্য একটি পানীয় হলো জিরা পানি।

    রান্নার মসলা হিসেবে জিরার ব্যবহার বহু পুরোনো। এতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও উদ্ভিজ্জ যৌগের কারণে জিরা স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। জিরা ভিজিয়ে তৈরি পানি নিয়মিত খাওয়ারও কিছু সম্ভাব্য উপকার রয়েছে। তবে এটি কোনো রোগের চিকিৎসা বা ওষুধের বিকল্প নয়।

    যেভাবে তৈরি করবেন জিরা পানি

    জিরা পানি তৈরি করা বেশ সহজ। রাতে এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ জিরা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। সকালে ছেঁকে সেই পানি পান করা যায়। চাইলে জিরা হালকা ভেজে পানিতে ফুটিয়েও খেতে পারেন।

  • প্রতিদিন ২ কো’য়া কাঁ’চা র’সুন খে’লে মি’লতে পারে যেসব উ’পকার

    প্রতিদিন ২ কো’য়া কাঁ’চা র’সুন খে’লে মি’লতে পারে যেসব উ’পকার

    রান্নাঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় উপাদান রসুন শুধু খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর কাজই করে না, বরং প্রাচীনকাল থেকেই এটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১ থেকে ২ কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। রসুনে থাকা অ্যালিসিন, সালফার যৌগ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে এবং কোষের ক্ষতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কাঁচা রসুন খেলে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে এবং লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতেও ভূমিকা রাখে। অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ও হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে রসুনের অবদানও উল্লেখযোগ্য। এছাড়া কিছু গবেষণায় পাকস্থলী ও কোলোরেক্টাল ক্যান্সারসহ কয়েক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে।

    তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া সবার জন্য উপযোগী নয়। যাদের গ্যাস্ট্রিক, আলসার, রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা রয়েছে বা যারা নিয়মিত রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করেন, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রসুন খাওয়া উচিত। সঠিক পরিমাণে ও নিয়মিত রসুন গ্রহণ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি কার্যকর অংশ হতে পারে।

  • খালি পে’টে ক’লা খে’লে কী হয়? জেনে নিন এক্ষুনি

    খালি পে’টে ক’লা খে’লে কী হয়? জেনে নিন এক্ষুনি

    আজকের কর্মব্যস্ত জীবনে সকালে ঘুম থেকে উঠে ঝটপট এবং স্বাস্থ্যকর কী খাওয়া যায়, তা নিয়ে আমরা অনেকেই চিন্তিত থাকি। তবে কলার মতো মিষ্টি ফল সকালে খালি পেটে খাওয়া কি শরীরের জন্য আদতে ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা নিয়ে প্রায়ই নানা সংশয় দেখা যায়। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ফুড-এ প্রকাশিত একটি বিশেষ স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে এই বিষয়ের দারুণ একটি পুষ্টিবিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ উঠে এসেছে।

    প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্যস্ত সকালে কলা হতে পারে আমাদের শরীরের জন্য অন্যতম পুষ্টিকর, সহজলভ্য এবং সহজে বহনযোগ্য একটি আদর্শ খাবার।

    পুষ্টিবিদরা বলছেন, যেকোনো খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। সকালে খালি পেটে কলা খাওয়া কেবল আমাদের পেটই ভরায় না, এটি পরিপাকতন্ত্রের উন্নতি, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বিপাক প্রক্রিয়াকে চমৎকারভাবে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। তবে এর পাশাপাশি কিছু বিশেষ নিয়ম ও শারীরিক সংবেদনশীলতা বিবেচনা না করলে পড়তে হতে পারে অস্বস্তিতেও। আসুন তবে জেনে নেওয়া যাক, সকালে খালি পেটে কলা খেলে আমাদের শরীরে ঠিক কী ঘটে এবং এর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা ও সতর্কতাগুলো কেমন।

    কলার পুষ্টি প্রোফাইল: সকালে কেন এটি ‘সুপারফুড’?

    সহবাসের পর যে ৭টি কাজ অবশ্যই করা উচিত

    কলা প্রকৃতিগতভাবেই একটি সম্পূর্ণ খাবার, যা আমাদের দৈনিক প্রয়োজনীয় শক্তি ও সার্বিক সুস্থতায় সহায়তা করে।

    চাষের মাছে গন্ধ হয় কেন, কী করলে গন্ধ থাকবে না?

    ইউএসডিএ-এর তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম ওজনের একটি মাঝারি আকারের পাকা কলায় রয়েছে:

    ক্যালোরি: ৯৮ কিলোক্যালরি (যা আমাদের প্রাকৃতিক শক্তির জোগান দেয়)

    কার্বোহাইড্রেট: ২৩ গ্রাম (দীর্ঘ সময় কর্মক্ষম ও জ্বালানি ধরে রাখতে সাহায্য করে)

    ফাইবার: ৪ গ্রাম (হজম প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত কার্যকরী)

    পটাসিয়াম: ৩৫৮ মিলিগ্রাম (রক্তচাপের ভারসাম্য বজায় রাখে)

    ম্যাগনেসিয়াম: ২৭ মিলিগ্রাম (পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে)

    ভিটামিন বি৬: ০.৪ মিলিগ্রাম (মেটাবলিজম ও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে)

    ভিটামিন সি: ৮.৭ মিলিগ্রাম (শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়)

    খালি পেটে কলা খাওয়ার ৫টি বড় উপকারিতা

    ১. তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান: যুক্তরাজ্যের নিউট্রিশনিস্ট এবং ম্যাক্রোবায়োটিক হেলথ কোচ ড. শিল্পা আরোরা বলেন, কলা পটাশিয়াম, ফাইবার এবং ম্যাগনেসিয়ামের একটি চমৎকার উৎস, যা আমাদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে স্ট্যামিনা বাড়াতে এবং ক্ষুধা দূর করতে ভূমিকা রাখে। কলায় থাকা তিনটি প্রাকৃতিক শর্করা—গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজ আমাদের শরীরে দীর্ঘক্ষণ ক্লান্তিহীন শক্তির জোগান দেয়, ফলে প্রক্রিয়াজাত খাবারের মতো কোনো ক্লান্তি বা ‘এনার্জি ক্র্যাশ’ ছাড়াই বিপাক প্রক্রিয়া দারুণভাবে শুরু হয়।

    ২. পেটের স্বাস্থ্য ও হজমশক্তি বৃদ্ধি: কলায় থাকা দ্রবণীয় ফাইবার (বিশেষ করে পেকটিন) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে মলত্যাগ প্রক্রিয়াকে মসৃণ ও নিয়মিত করে। খালি পেটে কলা খেলে এটি অ্যাসিডিটি প্রশমিত করে এবং পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ২০২০ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, কলা প্রাকৃতিক প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে যা পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে শক্তিশালী করে সার্বিক হজমক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

    ৩. রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখা: প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি হলেও কলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি বা প্রায় ৪৮। এর ফলে এটি হুট করে রক্তে শর্করা না বাড়িয়ে ধীরে ধীরে রক্তে চিনি ছড়ায়। আয়ুর্বেদিক হেলথ কোচ ডিম্পল জাঙ্গদার পরামর্শ অনুযায়ী, কলার সাথে সামান্য বাদাম বা বীজ খেলে তা রক্তের শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করতে আরও বেশি সাহায্য করে, কারণ এর ফাইবার শর্করা শোষণের গতি কমিয়ে দেয়।

    ৪. ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ও মেদ কমানোর লড়াইয়ে সাহায্য: একটি কলায় প্রায় ৪ গ্রাম ফাইবার ও ৯৮ ক্যালোরি থাকে। এই ফাইবার পেটে গিয়ে খানিকটা প্রসারিত হয়, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় এবং অসময়ে অস্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাক্স খাওয়ার প্রবণতা বা তীব্র ক্ষুধা দূর করে।

    ৫. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: কলার পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম নামক দুটি খনিজ উপাদান হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পটাশিয়াম শরীরের সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে ফোলাভাব বা ব্লটিং কমায়।

    তবে সবার জন্য কি খালি পেটে কলা খাওয়া ঠিক?

    যদিও কলা অত্যন্ত উপকারী, তবুও এটি সবার শরীরের ক্ষেত্রে একইভাবে কাজ নাও করতে পারে। ব্যাঙ্গালুরু-ভিত্তিক প্রখ্যাত পুষ্টিবিদ ড. অঞ্জু সুদ স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘কলা মূলত অম্লীয় প্রকৃতির এবং এতে উচ্চ মাত্রায় পটাশিয়াম রয়েছে।’

    যাদের আইবিএস, তীব্র অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের খালি পেটে কলা খেলে পেট ফাঁপা বা সাময়িক অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে ড. সুদ কলা খাওয়ার সময় এর সাথে সামান্য ভেজানো শুকনো ফল, আপেল বা অন্যান্য ফল একসাথে মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যা শরীরের অম্লের প্রভাব অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

    কিছু সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা

    অতিরিক্ত খাওয়ার ক্ষতিকর দিক: অতিরিক্ত পরিমাণে কলা খেলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেতে পারে, যা বিরল ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

    ডায়াবেটিস রোগীদের সচেতনতা: পাকা কলায় শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় ডায়াবেটিস আক্রান্তদের এটি খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাপ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

    রাতের বেলা এড়িয়ে চলা: রাতের শেষ ভাগে বা ঘুমানোর ঠিক আগে কলা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এ সময়ে বিপাক প্রক্রিয়া ধীর থাকে এবং এটি হজমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

    তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ফুড

  • প্রতিদিন সকালে চি’য়া সি’ড খে’লেই কি স’ত্যি শরীরের অ’তিরি’ক্ত ফ্যা’ট কমবে? জেনে নিন

    প্রতিদিন সকালে চি’য়া সি’ড খে’লেই কি স’ত্যি শরীরের অ’তিরি’ক্ত ফ্যা’ট কমবে? জেনে নিন

    ওজন কমাতে চান? তাহলে নিশ্চয়ই চিয়া সিড খাওয়ার কথা একবার হলেও ভেবেছেন কিংবা খাচ্ছেন। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের ডায়েটে এখন চিয়া সিড পরিচিত নাম। অনেকেই মনে করেন, প্রতিদিন সকালে চিয়া সিড খেলেই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট বা চর্বি দ্রুত কমে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা কি সত্যিই এমন? সম্প্রতি ফিটনেস কোচ রালস্টন ডিসুজা এই বহুল প্রচলিত ধারণা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা জানলে চিয়া সিড খাওয়ার আগে আপনিও নতুন করে ভাববেন।

    অনেকেই ওজন কমানো এবং শরীরের চর্বি কমানো একই বিষয় মনে করেন। কিন্তু আসলে এ দুটি ভিন্ন। আসলে ভিন্নতা আছে। চর্বি কমানোর অর্থ শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাটের পরিমাণ কমানো। অন্যদিকে ওজন নিয়ন্ত্রণে শরীরের মোট ওজন কমে যায়। এতে চর্বির পাশাপাশি পানি, পেশি এবং অন্যান্য টিস্যুও কমতে পারে। তাই সুস্থভাবে শরীর গড়তে চাইলে শুধু ওজন নয়, শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমানোর দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    প্রতিদিন চিয়া সিড খেলেই কি চর্বি কমবে

    ফিটনেস কোচ রালস্টন ডিসুজার মতে, শুধু চিয়া সিড খাওয়া শুরু করলেই শরীরের চর্বি কমবে এমন ধারণা ভুল। তিনি বলেন, চিয়া সিড অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং বারবার ক্ষুধা লাগা কমায়। তবে এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এটি ক্যালোরি-সমৃদ্ধ খাবার। তিনি জানান, ১০০ গ্রাম চিয়া সিডে প্রায় ৫০০ ক্যালোরি থাকতে পারে। তাই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চিয়া সিড খেলে উল্টো অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে জমে যেতে পারে, যা চর্বি কমানোর বদলে বাড়িয়ে দিতে পারে।

    তাহলে চর্বি কমাতে যা করবেন

    রালস্টনের মতে, চর্বি কমানোর মূল চাবিকাঠি হলো ক্যালোরি ঘাটতি তৈরি করা। অর্থাৎ, প্রতিদিন শরীর যত ক্যালোরি খরচ করে, তার চেয়ে কম ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ক্ষুধা লাগলেই বিভিন্ন খাবারে চিয়া সিড যোগ করে খেতে থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না। চর্বি কমাতে হলে পুরো খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে। কোনো একটি খাবারের ওপর নির্ভর করে স্থায়ী ফল পাওয়া সম্ভব নয়।

    চিয়া সিড একটি পুষ্টিকর সুপারফুড। তবে এটি খেলেই ফ্যাট কমে যায় বিষয়টা একেবারেই এমন নয়। আপনার প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দিতে হবে। স্বাস্থ্যক খাবারের সঙ্গে চিয়া সিড খেলে উপকার পাওয়া যায়।  কিন্তু শুধু চিয়া সিড খেয়ে শরীরের চর্বি কমে যাবে এমন ভাবা যাবে না।   

    সূত্র: এনডিটিভি ফুড 
     

  • লি’ভার প’রিষ্কা’র করে যে খা’বারগুলো, জেনে রাখুন উ’পকারে আসবে

    লি’ভার প’রিষ্কা’র করে যে খা’বারগুলো, জেনে রাখুন উ’পকারে আসবে

    লিভার হলো সেই অঙ্গ যা আমাদের শরীরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়া সবকিছুকে ফিল্টার করে, প্রক্রিয়াজাত করে এবং ভেঙে ফেলে। এটি আমাদের রক্ত ​​ফিল্টার করার এবং জমাট বাঁধতে সাহায্য করার জন্য কাজ করে। লিভার আমাদের গ্রহণ করা যেকোনো রাসায়নিক, অ্যালকোহল এবং ড্রাগ ভেঙে ফেলে এবং গ্লুকোজ ও পিত্তরস তৈরি করে, যা সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

    লিভার বিষাক্ত পদার্থ এবং দূষক দ্বারা ভারাক্রান্ত হয়ে পড়লে এর স্বাভাবিক কার্যচক্র ধীর হয়ে যায়। অ্যালকোহল, ড্রাগ এবং অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ছাড়াও আমরা প্রক্রিয়াজাত এবং ভাজা খাবার দিয়ে আমাদের লিভারকে অতিরিক্ত ভারাক্রান্ত করে ফেলি, বিশেষ করে যখন এ ধরনের খাবার প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করা হয়।

    কিন্তু কোন খাবারগুলো আমাদের লিভারকে পরিষ্কার করে? প্রাকৃতিকভাবে লিভার পরিষ্কার করে এমন খাবার খেলে তা এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিকে এবং এর কার্যকরভাবে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করার ক্ষমতাকে সহায়তা করতে সাহায্য করে। সুখবর হলো, এমন অনেক খাবার আছে যা আপনি সম্ভবত ইতিমধ্যেই খাচ্ছেন। এই খাবারগুলো শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য লিভারের স্বাভাবিক ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে-

    রসুন

    রসুনে সেলেনিয়াম নামক একটি খনিজ পদার্থ থাকে, যা লিভারকে বিষমুক্ত করতে সাহায্য করে। এটি লিভারের এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করার ক্ষমতাও রাখে, যা আমাদের শরীর থেকে প্রাকৃতিকভাবে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

    সাইট্রাস ফল

    জাম্বুরা, কমলা, মাল্টা এবং লেবুর মতো ফল লিভারের পরিষ্কার করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। অল্প পরিমাণে খেলেও সাইট্রাস ফল লিভারকে বিষমুক্তকারী এনজাইম তৈরি করতে সাহায্য করে, যা শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেয়।

    শাক-সবজি

    ব্রোকলি এবং ফুলকপির মতো ক্রুসিফেরাস শাক-সবজিতে গ্লুকোসিনোলেট থাকে, যা লিভারকে বিষমুক্তকারী এনজাইম তৈরি করতে সাহায্য করে। এগুলোতে সালফার যৌগও থাকে যা লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক। পাতাযুক্ত শাক-সবজিতে প্রচুর ক্লোরোফিল থাকে, যা রক্তপ্রবাহ থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। এগুলো ভারী ধাতুকে নিষ্ক্রিয় করে লিভারকে রক্ষা করতে পারে।

    হলুদ

    এই ভেষজটি লিভারের জন্য দারুণ উপকারী। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়ার এনজাইমগুলোকে সাহায্য করে এবং এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের কোষ মেরামত করে। এটি লিভারকে ধাতুর বিষমুক্তকরণেও সাহায্য করে এবং পিত্তরস উৎপাদন বাড়ায়।

    আখরোট

    আখরোটে প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো অ্যাসিড আর্জিনিন থাকে এবং এটি লিভারকে অ্যামোনিয়া থেকে বিষমুক্ত করতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণে গ্লুটাথায়ন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও রয়েছে, যা লিভারের স্বাভাবিক পরিচ্ছন্নতায় সহায়তা করে।

    বিটরুট

    বিটরুট রক্ত ​​পরিষ্কার করে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে এবং বিষাক্ত বর্জ্য ভেঙে দ্রুত শরীর থেকে বের করে দিতে পারে। এটি পিত্তরসের প্রবাহকে উদ্দীপিত করে এবং এনজাইমের কার্যকলাপ বাড়ায়। বিটরুটে ফাইবার এবং ভিটামিন সি-ও রয়েছে, যা পরিপাকতন্ত্রের জন্য প্রাকৃতিক শোধক হিসেবে কাজ করে।

    গাজর

    গাজরে প্রচুর পরিমাণে প্ল্যান্ট-ফ্ল্যাভোনয়েড এবং বিটা-ক্যারোটিন থাকে, যা লিভারের সার্বিক কার্যকারিতাকে উদ্দীপিত ও সহায়তা করে। এতে ভিটামিন এ-ও রয়েছে, যা লিভারের রোগ প্রতিরোধ করে।

    গ্রিন টি

    লিভারের জন্য উপকারী খাবারগুলো খেয়ে যদি আপনার তৃষ্ণা পায়, তবে কিছুটা গ্রিন টি পান করে দেখতে পারেন। এই পানীয়টিতে ক্যাটেচিন নামক উদ্ভিদ-ভিত্তিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতে পরিচিত। খেয়াল রাখবেন যেন আপনি শুধু গ্রিন টি-ই পান করেন, গ্রিন টি এক্সট্র্যাক্ট নয়, কারণ এটি লিভারের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    আপেল

    আপেলে উচ্চ মাত্রায় পেকটিন থাকে, এটি এমন একটি রাসায়নিক যা শরীরকে পরিপাকতন্ত্র থেকে বিষাক্ত পদার্থ পরিষ্কার ও বের করে দিতে সাহায্য করে। পরিপাকতন্ত্রে বিষাক্ত পদার্থের পরিমাণ কম থাকলে, লিভার তার বিষাক্ত পদার্থের ভার আরও ভালোভাবে সামলাতে পারে এবং শরীরের বাকি অংশকে আরও ভালোভাবে পরিষ্কার করতে সক্ষম হয়।

    অ্যাভোকাডো

    অ্যাভোকাডো মূলত একটি সুপারফুড। এটি আমাদের ধমনী পরিষ্কার করার পাশাপাশি, শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে গ্লুটাথায়ন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা এমন একটি যৌগ যা লিভারকে বিষাক্ত পদার্থ থেকে মুক্ত হতে সহায়তা করে।

  • চ’ল্লিশ পার হলেও থা’কবে যৌ’বন, ছা’ড়তে হবে যে ৫ অ’ভ্যাস, জেনে নিন

    চ’ল্লিশ পার হলেও থা’কবে যৌ’বন, ছা’ড়তে হবে যে ৫ অ’ভ্যাস, জেনে নিন

    চল্লিশ পেরিয়ে গেলেই মুখে ভাঁজ পড়ে, ত্বক হারায় জেল্লা—এটাই যেন স্বাভাবিক চিত্র। কিন্তু আধুনিক যুগে এই বার্ধক্যের ছাপ অনেক আগেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ আমাদের কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস।

    জলবায়ুর পরিবর্তন, দূষণ, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন—এই সব কিছুর প্রভাবে আজকাল ত্রিশের কোঠায় ঢুকতেই অনেকের ত্বক ক্লান্ত ও নিস্প্রভ হয়ে উঠছে। তবে সচেতন থাকলে এবং কিছু অভ্যাস পরিহার করলে দীর্ঘদিন ধরে রাখা যায় ত্বকের যৌবন ও উজ্জ্বলতা।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের ৫টি অভ্যাস ত্যাগ করলেই ৪০-এর পরেও তরতাজা থাকবেন আপনি:

    ১. প্রসেসড ও ফাস্ট ফুড খাওয়া বন্ধ করুন

    চিপস, বার্গার, অতিরিক্ত লবণ বা চিনি থাকা খাবার শরীরের পাশাপাশি ত্বকের ওপরও খারাপ প্রভাব ফেলে। এগুলো ত্বককে শুষ্ক, নির্জীব করে তোলে এবং বলিরেখা বাড়ায়।

    ২. পানি খাওয়া ভুলে যাবেন না

    দেহে পানির অভাব থাকলে ত্বক তার স্বাভাবিক জেল্লা হারিয়ে ফেলে। দিনে পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া বার্ধক্যের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে ঘুম থেকে উঠে পানি পান করা জরুরি, কারণ এটি শরীর থেকে টক্সিন দূর করে এবং ত্বককে রাখে উজ্জ্বল।

    ৩. শরীরচর্চায় ফাঁকি নয়

    আলসেমি করে শরীরচর্চা না করলে বার্ধক্য দ্রুত আসবে। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম এবং মেডিটেশন করলেই মানসিক চাপ কমে, কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ কম হয়, যা ত্বকের বার্ধক্য ঠেকাতে সাহায্য করে।

    ৪. ঘুম থেকে উঠে মুখ পরিষ্কার করা

    সারা রাতের ধুলো-ময়লা জমে থাকা ত্বকে লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। সকালে উঠে ভালোভাবে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে ত্বক নিশ্বাস নিতে পারে, ফিরে পায় তার প্রাণচাঞ্চল্য।

    ৫. দুশ্চিন্তা, ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন

    এই তিনটি অভ্যাস ত্বকের সবচেয়ে বড় শত্রু। ধূমপান ও মদ্যপান ত্বককে নিষ্প্রভ করে, বলিরেখা বাড়ায় এবং ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট করে দেয়। মানসিক চাপও ত্বকে তীব্র প্রভাব ফেলে।

    তাই বয়স বাড়লেও যদি আপনি এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চলেন এবং নিয়ম মেনে জীবনযাপন করেন, তবে ৪০-এর পরেও ধরে রাখা সম্ভব যৌবনের দীপ্তি।

    সূত্র- আজকাল