Blog

  • জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি

    জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি

    জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন। আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আলোচিত নারী উদ্যোক্তা ও ইনফ্লুয়েন্সার রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। 

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের সংগঠনটির আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিল, আর সদস্য সচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিটি পাঠ করেন রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেছেন যে, কোনো নারী দলীয় প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি বা কোনো সংস্থার প্রধান হতে পারবেন না। এটা জামায়াতের ঘোষিত নীতিও। 

    তনি বলেন, জামায়াতের এই অবস্থান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ ও ২৮ এর সরাসরি লঙ্ঘন। আরপিও অনুযায়ী, কোনো দল যদি লিঙ্গ সমতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে সেই রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য।

    রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীদের অংশগ্রহণের অধিকার কেড়ে নেওয়া একটি চরম অসাংবিদানিক আদর্শ। 

    তিনি আরো বলেন, নারীর সম্মান ও সাংবিধানিক অধিকার কোনো রাজনৈতিক আপষের বিষয় হতে পারে না। এমতাবস্থায় আমরা জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ, অবমাননাকর বক্তব্যের জন্য ডা. শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিচার নিশ্চিত করা এবং তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমতা চাইতে বাধ্য করতে হবে। একইসঙ্গে নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর আইনগত অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।

  • ৮ উপদেষ্টাকে দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?

    ৮ উপদেষ্টাকে দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকারে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টাদের মধ্যে ৮ জনকে দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

    প্রজ্ঞাপনে অনুযায়ী মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

    নতুন এই বণ্টন আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক ও নীতি-নির্ধারণী কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
     

  • ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ পাওয়া যাবে নগদ টাকা, প্রথমে পাবেন যারা

    ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ পাওয়া যাবে নগদ টাকা, প্রথমে পাবেন যারা

    দেশে পাঁচ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবনির্বাচিত বিএনপি সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর এ তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন।

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের আগে ‘মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র’ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে ৯টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে ইশতেহার দেন।

    সেখানে অন্যতম ছিল ‘ফ্যামিলি কার্ড’।

    সে সময় বিএনপির তরফ থেকে জানানো হয়, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থ ও পণ্য-সেবার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়।

    সভায় কৃষিমিন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে নগদ টাকা দেওয়া হবে। এটি পাওয়ার ক্ষেত্রে হতদরিদ্র এবং নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

    ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে জানিয়ে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হবে। হতদরিদ্র পরিবার সবার আগে ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

    এরপর দরিদ্র পরিবার পাবে।

    তিনি আরো জানান, নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। এটা কার্যকর কিভাবে করবে, সেটা নিয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    এদিকে, বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির মধ্যেও প্রত্যেক পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি রয়েছে।

    সবচেয়ে আগে এতে হতদরিদ্ররা অন্তর্ভুক্ত হবেন।

    জানা গেছে, ইতিমধ্যে ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠিত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। কমিটি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত ডিজাইন ও সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন করবে।

    এ কমিটির কাজের মধ্যে আরো আছে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ব্যবস্থা, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না পর্যালোচনা, সুবিধাভোগীদের তথ্যভাণ্ডার প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জাতীয় খানার তথ্যভাণ্ডার আন্ত যোগাযোগ স্থাপনের ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবারের (২৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।

    সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান, রাজনৈতিক বিবেচনায় এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে না। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীও থাকবে না। এই কার্ড সরাসরি পরিবারের নারী সদস্যদের কাছে পৌঁছে যাবে। এটি দেওয়া হলেও চলমান ভাতাগুলো অব্যাহত থাকবে।

    ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা’ কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করা হয়েছে। এর অন্য সদস্যরা হলেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিকল্পনা সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

  • ইফতারে ভুলেও খাবেন না ৩ খাবার, জেনে নিন

    ইফতারে ভুলেও খাবেন না ৩ খাবার, জেনে নিন

    রোজা রাখার কারণে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। তাই ক্ষুধা বেশি লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না—দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকার পর আপনি কোন খাবার খেতে পারবেন আর কোন খাবার খেতে পারবেন না! এ ব্যাপারে খুব সতর্ক হতে হবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু খাবার রয়েছে যা খালি পেটে খেলে শরীরে তাৎক্ষণিক অ্যাসিডিটি, পেট ব্যথা কিংবা বুকে জ্বালাপোড়ার কারণ হয়ে ওঠে।

    পুষ্টিবিদদের তথ্যে জেনে নিই, কোন খাবারগুলো ইফতারে এড়িয়ে চলা প্রয়োজন—

    সাইট্রাস ফল ও এর তৈরি ঠান্ডা শরবত
    ইফতারে ফল খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেকেরই। কিন্তু খালি পেটে সাইট্রাস জাতীয় ফল খেলে পেট ভার হয়ে থাকে, পেটে অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়। আর এসব ফলে থাকা ফ্রুক্টোজ হজম-প্রক্রিয়াকে মন্থর করে দেয়। তাই ইফতারে খাদ্যতালিকায় কমলালেবু, মুসুম্বি জাতীয় ফল রাখবেন না। এসব ফলের তৈরি ঠান্ডা জুস বা শরবতও বাদ দিন। কারণ ঠান্ডা পানি সর্দি-কাশির সমস্যা তৈরি করে এবং হজমের গতি মন্থর করে।

    তৈলাক্ত খাবার
    ইফতারে তেলের তৈরি নানা পদের ভাজাপোড়া দিয়ে ছোলা, মুড়ি মাখা খাওয়ার চল রয়েছে এদেশে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর এ তৈলাক্ত খাবার পেটে গ্যাসসহ নানা গোলযোগের কারণ হয়ে ওঠে। তাই চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন এ খাবার চালিয়ে যাওয়ার অভ্যাসে পেটে মেদের পরিমাণও বাড়তে থাকে। শুধু তাই নয়, খালি পেটে এমন খাবার বেছে নিলে ভুগতে হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি অন্ত্রের সমস্যাতেও। পড়তে পারেন আলসার ও ক্যানসারের মতো জটিল রোগে।

    চা-কফি
    ইফতারে ভারী খাবারের পর চা-কফি খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে প্রতিটি ঘরে ঘরে। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, এ অভ্যাস শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকার পর ভারী খাবার খাওয়ার পর আবার চা-কফি খেলে শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়তে থাকে, যা রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করে। অগ্ন্যাশয় ও যকৃতের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ে।

    তাই ইফতারে প্রাধান্য দিতে পারেন সুষম খাবার, সবজি, ইসবগুলের শরবত, খেজুর, দই এবং সহজে হজম হয় এমন খাবার। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

  • সেহরির পর থেকে ঘুমাচ্ছেন, ঘুম থেকে উঠেই যা করবেন

    সেহরির পর থেকে ঘুমাচ্ছেন, ঘুম থেকে উঠেই যা করবেন

    পবিত্র রমজান মাসে অনেকেই সেহরি খেয়ে সরাসরি ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের স্বল্প ঘুম, ফজরের নামাজ ও দিনের ব্যস্ততার কারণে এটি অনেকের জন্য প্রয়োজনীয়ও হয়ে পড়ে। 

    তবে সেহরির পর ঘুম এবং ঘুম থেকে ওঠার পর কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অনুসরণ না করলে হজমের সমস্যা, অবসাদ, মাথাব্যথা কিংবা পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছোট কিছু নিয়ম মানলেই সারা দিন সতেজ থাকা সম্ভব।

    কেন সতর্ক থাকা জরুরি

    সেহরিতে সাধারণত ভাত, রুটি, ডাল, মাংস, ডিম কিংবা দুধজাত খাবার খাওয়া হয়। খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে হজম ধীর হতে পারে এবং অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বালাপোড়া দেখা দেয়। 

    আবার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে পানির ঘাটতিও তৈরি হতে পারে। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরকে ধীরে ধীরে সক্রিয় করা গুরুত্বপূর্ণ।

    ঘুম থেকে উঠে যা করবেন

    ১. ধীরে উঠুন, হঠাৎ নয়

    হঠাৎ করে বিছানা ছাড়লে মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগতে পারে। কয়েক মিনিট বসে থেকে শরীরকে স্বাভাবিক হতে দিন।

    ২. হালকা স্ট্রেচিং করুন

    হাত-পা ও ঘাড়ের হালকা ব্যায়াম রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। ৫–৭ মিনিটের স্ট্রেচিংই যথেষ্ট।

    ৩. মুখ-হাত ধুয়ে সতেজ হন

    ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুলে ঘুমঘোর কাটে। এতে মনোযোগও বাড়ে।

    ৪. পানিশূন্যতার লক্ষণ খেয়াল করুন

    রমজানে দিনের বেলায় পানি পান করা যায় না। তাই মাথাব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা গা শুকিয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে ইফতার ও সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পানের পরিকল্পনা করুন।

    ৫. ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন

    ঘুম থেকে উঠেই কঠিন শারীরিক পরিশ্রম না করাই ভালো। প্রথমে হালকা কাজ দিয়ে শুরু করুন।

    ৬. সুষম খাদ্য পরিকল্পনা করুন

    যদি নিয়মিত সেহরির পর ঘুমান, তবে সেহরিতে অতিরিক্ত তেল-ঝাল খাবার এড়িয়ে চলুন। আঁশযুক্ত খাবার, প্রোটিন ও পর্যাপ্ত পানি শরীরকে দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

    বিশেষ সতর্কতা

    যাদের গ্যাস্ট্রিক, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সেহরি-পরবর্তী ঘুমের অভ্যাস নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। প্রয়োজনে খাবারের ধরন ও পরিমাণে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মূল চাবিকাঠি হলো নিয়মিত ঘুম, সুষম খাদ্য ও পরিমিত শারীরিক সক্রিয়তা। সেহরি খেয়ে ঘুমালে ক্ষতি নেই—তবে ঘুম থেকে উঠে সচেতনভাবে দিন শুরু করাই হতে পারে সুস্থ থাকার সহজ উপায়।

  • প্রাথমিকভাবে ৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    প্রাথমিকভাবে ৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য নিম্নরূপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে—

    কমিটির গঠন : অর্থমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    এ ছাড়াও কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সচিব, অর্থ বিভাগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব।

    এ কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন। কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল ডাটাবেজ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।

    কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

    এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কমিটি, দায়িত্বে আছেন যারা

    ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কমিটি, দায়িত্বে আছেন যারা

    প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরও ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

    এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

    এর আগে বিএনপি ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা প্রথমেই হতদরিদ্র পরিবার পাবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর রশীদ।

    তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য বেশ কিছু জেলা ও উপজেলা চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমে হতদরিদ্র পরিবারকে এই সুবিধা দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা বাড়ানো হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নগদ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হতদরিদ্র পরিবারের নারীদের নগদ টাকা তাদের পরিবারের জন্য অনেক গুরুত্ব বহন করে। দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক করা হবে প্রাথমিকভাবে কত মানুষ এ সুবিধা পাবেন।

  • ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি গঠন, আছেন যারা

    ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি গঠন, আছেন যারা

    প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরো ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

    এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

  • শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর

    শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর

    সরকারি চাকরিজীবীদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরও উৎসব ভাতা শতভাগ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পান। সেই ভাতাকে শতভাগ করার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে তিনি কথা বলেন।

    সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলেন, যেখানে সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের শতভাগ উৎসব ভাতা পান, সেখানে বেসরকারি শিক্ষকরা কেন একই সুবিধা পাচ্ছেন না। জবাবে তিনি বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের উৎসব ভাতার বিষয়টি আমি জানি। এবার এটি আমাদের সরকারের আমলে বাস্তবায়িত হবে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

    এর আগে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জমা দিয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বা ঘুষ-বাণিজ্যের বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।

    শিক্ষকদের বদলির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব চালু করা হবে। আমাদের আশা, শিগগিরই এটি কার্যকর করা যাবে।

    যদি সিস্টেমে কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।’

    বেতন বিলম্ব নিয়ে তিনি আরো জানান, ‘যদি কোনো মাসে বেতন প্রদানে দেরি হয়, বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং তা দ্রুত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ কারণে বিলম্ব হলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।’

  • ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ মিলবে নগদ টাকা, পাবেন যারা

    ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ মিলবে নগদ টাকা, পাবেন যারা

    পাঁচ কোটি পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

    বৈঠক শেষে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে চাকরিচ্যুত করতে হলে বিধি অনুযায়ী করতে হবে।

    মব করে কাউকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না। বাসসে যেটা হয়েছে সেটা শুনেছি। এই ঘটনা দুঃখজনক।’

    এ সময় কৃষিমিন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে নগদ টাকা দেওয়া হবে।

    ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে হতদরিদ্র এবং নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

    পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হবে। ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। হতদরিদ্র পরিবার সবার আগে ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

    এরপর দরিদ্র পরিবার পাবে।’