Blog

  • ‘কৃষক কার্ড’ কিভাবে পাবেন, আবেদন করতে যা লাগবে

    ‘কৃষক কার্ড’ কিভাবে পাবেন, আবেদন করতে যা লাগবে

    দেশের প্রান্তিক চাষিদের ভাগ্যোন্নয়নে এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে সারা দেশে চালু হতে যাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’। আনুমানিক ১২ লাখ কৃষককে উপকৃত করতে সুদসহ সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিসভার সচিব নাসিমুল ঘনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি ছিল। ঋণ মওকুফ সুবিধা ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের কৃষকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

    তিনি বলেন, ‘দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও কৃষি খাতকে শক্তিশালী করাই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া।’

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি খাতে রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলিয়ে সুদসহ বকেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

    সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হবেন।

    কী কী সুবিধা পাবেন কৃষকরা? 

    এই কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সরকারি সেবা ও প্রণোদনা সরাসরি পাবেন। 

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন স্বপন বলেন, কার্ডটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে—সরাসরি ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া যায়। কৃষি ভর্তুকি ও সার-বীজ সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছায়।

    কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা লিকেজ যেন সুযোগ না পায়।
    রাষ্ট্রের সঙ্গে কৃষকের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হয়।

    কিভাবে কার্ডটি কাজ করবে

    পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কার্ডটিতে জমির আয়তন, ফসলের ধরন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যসহ একটি ডিজিটাল প্রোফাইল অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কার্ডটিতে যেসব বৈশিষ্ট্যগুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে—

    ১. ভর্তুকি ও প্রণোদনা সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর।

    ২. ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার, বীজ ও কীটনাশক সহজলভ্য করা।

    ৩. কৃষিঋণ সহজ ও সুসংগঠিত করা।

    ৪. আবহাওয়া, উৎপাদন এবং বাজারের প্রবণতা সম্পর্কিত এসএমএসভিত্তিক আপডেট।

    কৃষি স্মার্ট কার্ডের নিবন্ধন ইউনিয়ন পর্যায়ে সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের (এসএএও) মাধ্যমে অথবা চালুর পর নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

    নিবন্ধনে কী কী তথ্য লাগবে

    স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কৃষকদের বেশ কয়েকটি তথ্য প্রয়োজন হবে। সেগুলো হলো,

    ১. এনআইডির একটি কপি।

    ২. পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

    ৩. রেজিস্ট্রেশন মোবাইল নাম্বার।

    ৪. জমির দলিল কিংবা ভাগে চাষিদের জন্য প্রমাণপত্র।

    ৫. ব্যাংক বা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট নম্বর।

    কৃষক কার্ড পাওয়ার ধাপসমূহ 

    সরকার প্রধানত স্থানীয় কৃষি অফিসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এই কার্ডটি পৌঁছে দেবে। আপনার যা করতে হবে :

    ১. উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ : আপনার ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO)-এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তিনিই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেন।

    ২. নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন : সরকার যখন আপনার এলাকায় ‘পাইলট প্রজেক্ট’ বা মূল প্রকল্প শুরু করবে, তখন আপনাকে একটি ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে। অনেক ক্ষেত্রে এটি অনলাইনেও করা যাবে।

    ৩. তথ্য যাচাই : আপনার দেওয়া তথ্য (জমির পরিমাণ, ফসলের ধরন ইত্যাদি) কৃষি অফিস থেকে সরেজমিনে যাচাই করা হবে।

    ৪. ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি : আপনার এনআইডি এবং মোবাইল নম্বরের ভিত্তিতে একটি ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি হবে।

    ৫. কার্ড বিতরণ : যাচাই শেষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আপনাকে এই স্মার্ট কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে।

    কৃষি স্মার্ট কার্ড নিয়ে ইতোমধ্যে সতর্কতা জারি করেছে সরকার। কর্তৃপক্ষ বলছে, কার্ডটি বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে। কার্ডের জন্য কারো সঙ্গে কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন করবেন না।

  • ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় পাঁচ জামায়াত সাংসদ

    ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় পাঁচ জামায়াত সাংসদ

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় আছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবীন- প্রবীণ পাঁচ নেতা। যারা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে দলটির সাবেক দুই শীর্ষ নেতার সন্তানদের নিয়ে। তবে দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকেই এখনো ডেপুটি স্পিকার পদে মনোনীত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জামায়াতের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা।

    সোমবার (২ মার্চ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, জাতীয় সংসদের বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর কে হচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার তা নিয়ে আলোচনায় শুরু হয়। ডেপুটি স্পিকার পদের দৌড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত মওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সন্তান নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি পাবনা-১ আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে এবার বিজয় লাভ করে সংসদ সদস্য হয়েছেন। একই সঙ্গে এই পদের জন্য দৌড়ে আছেন জামায়াতের সাবেক আরেক শীর্ষ নেতা প্রয়াত মীর কাসেম আলির ছেলে আহমদ বিন কাসেম আরমান। তিনি ঢাকা-১৪ আসন থেকে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

    বিগত দিনের তালিকা বিশ্লেষণ করে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে সাধারণ আইনজ্ঞ নিয়োগ দেবার রীতি থাকায় তাদের দুজনের সম্ভাবনা আরো বেড়েছে বলে জানান দলটির একটি সূত্র। কারণ তারা দুজনই ব্যারিস্টার এবং আইনপেশায় যুক্ত রয়েছেন। তবে তুলনামূলক কম বয়সী হওয়ায় ডেপুটি স্পিকার পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জামায়াত তাদের বিবেচনা করবে কিনা সেই প্রশ্নও তুলছেন এই পক্ষ। দলের এই অংশটি ডেপুটি স্পিকার পদে প্রবীণ নেতাদের কয়েকজনের নাম জানিয়েছেন এই প্রতিবেদককে।

    রাজশাহী-১ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়া অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে ডেপুটি স্পিকার করা হতে পারে বলে জানান জামায়াতের একটি সূত্র। মুজিবুর রহমান দলের অন্যতম প্রবীণ নেতা এবং বর্তমানে জামায়াতের নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একাধিকবার দলের ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এর বাইরে দলটির অঙ্গসংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন মুজিবুর রহমান।

    মুজিবুর রহমানের বাইরে দলের আরেক শীর্ষ নেতা মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান রয়েছেন ডেপুটি স্পিকার পদে মনোনীত হবার আলোচনায়। বর্তমানে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করা রফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। একসময় ছাত্রশিবিরের এই কেন্দ্রীয় সভাপতি ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হিসেবে জামায়াতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

     

    এই চারজন সংসদ সদস্যের বাইরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ঢাকা ১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন রয়েছেন ডেপুটি স্পিকার হবার হটলিস্টে। দলের অন্যতম প্রবীণ এই নেতা ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি আসনে (কারওয়ানবজার-তেজগাঁও) বিজয়ী হওয়ায় তাকে সংসদের গুরুত্বপূর্ণ পদটিতে ভাবা হতে পারে বলে ধারণা জামায়াতের একটি অংশের।

    আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য নেই জামায়াতের:

    ডেপুটি স্পিকার পদে জামায়াতের যেসকল নেতাকে নিয়ে আলোচনা রয়েছে সবই অনানুষ্ঠানিক বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিশেষ করে সরকারি দল বিএনপি জুলাই সনদের বিষয়ে স্পষ্ট কী অবস্থান নেয় সেটি দেখার অপেক্ষায় রয়েছে জামায়াত। রোববার (১ মার্চ) দলটির নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ডেপুটি স্পিকার ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে জানান বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনজন নেতা।

    তারা জানান, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার্থে জুলাই সনদে ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদল থেকে হওয়াসহ আরো বেশ কিছু সিদ্ধান্ত রয়েছে। এখন জামায়াত দেখতে চায় সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি কতটুকু আন্তরিকতা দেখাচ্ছে। গুটিকয়েক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কথা বলে জুলাই সনদের বেশিরভাগ বিষয় এড়িয়ে গেলে ডেপুটি স্পিকার পদ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে জামায়াত। রোববারের বৈঠকে এমন আলোচনাও হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ওই তিন নেতা।

    এদিকে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগ থেকে সময় সংবাদকে জানানো হয়, ডেপুটি স্পিকার ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে ১১ দলের সংসদীয় টিমের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। অর্থাৎ জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলের যেসকল প্রার্থী এবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ডেপুটি স্পিকার পদে প্রার্থী মনোনীত করা হবে।

    এ ব্যাপারে জামায়াতের মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘ডেপুটি স্পিকার পদে কারো বিষয়ে এখনো কিছু ভাবেনি জামায়াত। সংসদীয় টিমের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে’।

    সংসদীয় টিমের বৈঠকটি কবে নাগাদ হতে পারে সে বিষয়ে অবশ্য পরিষ্কার করে কিছু জানাতে পারেননি এই জামায়াত নেতা।

  • এলপি গ্যা’সের দাম নির্ধারণ

    এলপি গ্যা’সের দাম নির্ধারণ

    চলতি মার্চ মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানায়, মার্চ মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

    সোমবার (২ মার্চ) দাম অপরিবর্তিত রাখার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    গত মাসের ২৩ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

  • ৫ জেলার ডিসি প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি

    ৫ জেলার ডিসি প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি

    দেশের ৫ জেলার ডিসি (জেলা প্রশাসক) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। রবিবার (১ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হলো।

    তারা হলেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন, নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ।

    তাদের পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে জানিয়ে জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

  • পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল

    পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল

    সরকারি কর্মচারীদের প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেলের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

    গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান তিনি। তিনি জানান, কর্মচারীরা পে স্কেল পাবেন।

    কিন্তু নতুন এই বেতন কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে বৈঠকে পে স্কেল বাস্তবায়নের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি।

    সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপসচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা।

    বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী তাদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছেন এবং তা বাস্তবায়নের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন বলে জানান এম এ হান্নান।

    প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের বরাতে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন, তাই আপনারা ধীরে ধীরে পে স্কেল পাবেন। তবে এখনই সব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, কিছু সময় লাগবে। আপনারা ধৈর্য ধরুন।

    গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২১ সদস্য নিয়ে বেতন কমিশন গঠিত হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়।

    এদিকে, নবম পে স্কেল কার্যকরের দাবিতে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

    নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান অগ্রগতি না এলে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

    গত ২০ ফেব্রুয়ারি সংগঠনটির সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বেতন কাঠামোগত বৈষম্য নিরসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন পে স্কেল প্রণয়নের দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

    এতে আরো উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালে প্রণীত অষ্টম পে স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। এরপর বিভিন্ন সময়ে স্মারকলিপি, আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহলে উপস্থাপন করা হলেও কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে নতুন পে স্কেল না হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের আর্থিক চাপ বেড়েছে।

    সংগঠনের নেতাদের দাবি, বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে ছয় সদস্যের একটি পরিবারের ব্যয় নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা মতে, বাস্তব বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন জরুরি।

    সরকারের আশ্বাসের পরও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছেন। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-

    ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান।

    একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবিপত্র উপস্থাপন করবেন।

    ৩. পবিত্র রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ, মতবিনিময় সভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

    সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানায়, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু না হলে ঈদুল ফিতরের পর ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • ইফতারে খালি পেটে ডিম কি নি’রাপদ? জেনে নিন

    ইফতারে খালি পেটে ডিম কি নি’রাপদ? জেনে নিন

    দীর্ঘ সময় উপবাসের পর ইফতারে শরীরের জন্য দ্রুত শক্তি ও পুষ্টির জোগান দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। ক্লান্তি দূর করতে অনেকেই ইফতারের মেন্যুতে ডিম বা ডিমের তৈরি নানা পদ রাখেন। তবে খালি পেটে ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম না জানলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

    সিদ্ধ ডিমই যখন সেরা পছন্দ

    ভারতীয় পুষ্টিবিদ মীনাক্ষী মজুমদারের মতে, ইফতারে খালি পেটে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক হতে পারে, তবে তা অবশ্যই পূর্ণ সিদ্ধ হওয়া চাই। সিদ্ধ ডিমের সালাদ, চপ বা কোরমা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি দ্রুত শক্তি ফেরাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

    সতর্কতা: কোন ধরনের ডিম এড়িয়ে চলবেন?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতারে খালি পেটে নির্দিষ্ট কিছু পদের ডিম পরিহার করা শ্রেয়। এর মধ্যে রয়েছে: হাফ বয়েল বা আধাসিদ্ধ ডিম, ডিম পোচ এবং অমলেট বা ভাজা ডিম।

    কেন এই সতর্কতা?

    পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, আধো-রান্না বা ভাজা ডিমে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকার পর এ ধরনের খাবার গ্রহণ করলে পাকস্থলীতে প্রদাহ বা হজমজনিত জটিলতা তৈরি হতে পারে।

    তাই রোজায় সুস্থতা বজায় রাখতে ইফতারে আধাসিদ্ধ বা ভাজা ডিমের পরিবর্তে পুরোপুরি সিদ্ধ করা ডিম রাখাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

  • সব মন্ত্রণালয়ে সরকারের জরুরি চিঠি

    সব মন্ত্রণালয়ে সরকারের জরুরি চিঠি

    সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি ৫১ মন্ত্রণালয়ে এ চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহারের অঙ্গীকার অনুযায়ী এমন পরিকল্পনা গ্রহাণে মন্ত্রণালয়গুলোকে চিঠি দিয়েছে সরকার। ২৩ ফেব্রুয়ারি ৫১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের সর্বাধিক সমর্থনপ্রাপ্ত দলের নির্বাচনি ইশতেহার এখন জাতীয় পর্যায়ের প্রতিশ্রুতিতে পরিণত হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নিজ নিজ আওতাধীন খাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

    এ নির্দেশনা অনুসারে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানানোর জন্য সচিব ও সিনিয়র সচিবদের অনুরোধ জানানো হয়।

  • যে একটি ভিটামিনের অভাবে কিছুই মনে থাকে না, জেনে নিন

    যে একটি ভিটামিনের অভাবে কিছুই মনে থাকে না, জেনে নিন

    ভিটামিন ‘সি’, ‘ডি’ কিংবা ‘এ’-এর নাম আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত হলেও মানবদেহের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি ভিটামিন হলো ভিটামিন বি১২। এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে—এমনকি কিছুই মনে না থাকার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবদেহ নিজে থেকে ভিটামিন বি১২ তৈরি করতে পারে না। তাই এই ভিটামিনের চাহিদা পূরণে খাদ্য বা প্রয়োজন অনুযায়ী সাপ্লিমেন্টের ওপর নির্ভর করতে হয়। বিশেষ করে নিরামিষভোজীদের মধ্যে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি বেশি দেখা যায়, কারণ এটি প্ল্যান্ট-বেসড ভিটামিন নয়।

    ভিটামিন বি১২ এত জরুরি কেন
    ভিটামিন বি১২ রক্তকণিকা তৈরি, স্নায়ুকোষের কার্যকারিতা বজায় রাখা এবং ডিএনএ ও জিনগত উপাদান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখা, চুল-নখ-ত্বক সুস্থ রাখার ক্ষেত্রেও এই ভিটামিন অপরিহার্য।

    এই ভিটামিনের অভাবে মানসিক অবসাদ, দুর্বলতা ও স্নায়বিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ঘাটতি থাকলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

    স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ
    চিকিৎসা গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন বি১২-এর অভাব ডিমেনশিয়া, অ্যালঝাইমার্স ও পার্কিনসন্সের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই ভিটামিনের ঘাটতিতে মস্তিষ্কের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে বয়স বাড়ার আগেই স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

    এ ছাড়া ভিটামিন বি১২-এর অভাবে শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। ফলে ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যায়, চুলের রঙ পরিবর্তিত হতে পারে এবং ত্বকে শ্বেতি ভাব দেখা দেয়।

    যেসব লক্ষণে বোঝা যায় বি১২-এর ঘাটতি

    বারবার কিছু ভুলে যাওয়া

    চিন্তাশক্তি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়া

    মানসিক অবসাদ ও ক্লান্তি

    মুখে ঘা ও মুখের ভেতরে জ্বালাপোড়া

    পায়ে ঝিঁঝি ধরা বা অবশ হয়ে যাওয়া

    পেটের সমস্যা, সংক্রমণ বা প্রদাহ

    বিশেষজ্ঞরা জানান, দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে থাকলে পা অবশ হয়ে যাওয়া বা ঝিনঝিন করা—এটিও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।

    কোন খাবারে পাওয়া যায় ভিটামিন বি১২
    প্রাণিজ খাবারে ভিটামিন বি১২ তুলনামূলকভাবে বেশি পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে—ডিম, গরু, খাসি ও মুরগির মাংস, কলিজা, সামুদ্রিক মাছ, দুধ, দই ও ছানা

    এ ছাড়া নিরামিষভোজীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফোর্টিফায়েড খাবার বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।

  • ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    চলতি বছর পবিত্র রমজান পূর্ণ ৩০ দিনের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিকরা।

    এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) আকাশে চাঁদ দৃশ্যমান হবে না। ফলে পরদিন নতুন মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইমারত আল ইয়াউমকে এই কর্মকর্তা বলেন, আগামী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে শাওয়াল মাসের সূচনাসূচক চাঁদের জন্ম হবে। ওই দিন সূর্যাস্তের পর প্রায় ২৯ মিনিট চাঁদ দিগন্তের ওপরে অবস্থান করতে পারে। আবহাওয়া ও দৃশ্যমানতা অনুকূলে থাকলে এ সময় চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

    আল জারওয়ান আশা প্রকাশ করেন, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক এই নির্দেশনার ভিত্তিতে চলতি বছর অধিকাংশ ইসলামি দেশ রমজান সমাপ্তি ও শাওয়াল শুরুর বিষয়ে একই ধরনের সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।

    তবে বরাবরের মতোই চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে সরকারি চাঁদ দেখা কমিটির পক্ষ থেকে। ধর্মীয় ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • শিক্ষকদের বেতন-ঈদ বোনাস কবে? যা জানা গেল

    শিক্ষকদের বেতন-ঈদ বোনাস কবে? যা জানা গেল

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদুল ফিতরের উৎসব ভাতা নিয়ে এখনো প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত প্রস্তাব তৈরি করে অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

    আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

    এরপর আগামী সপ্তাহে মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল ঈদ উৎসব ভাতার প্রস্তাব তৈরি করে সেটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে।

    মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    ঈদ উৎসবের প্রস্তাব পাঠানো প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইএমআইএস সেলের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘ঈদ উৎসব ভাতা শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদের আগেই পাবেন। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।’