Blog

  • ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল যেসব দেশ

    ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল যেসব দেশ

    ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ। বুধবার (১৮ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সৌদি আরবে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ)।

    এদিকে সৌদি আরবসহ কাতার, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়াও ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে।

    অস্ট্রেলিয়ায় শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ উদযাপন করবেন মুসলমানরা।

    অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল জানায়, শুক্রবার উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর। এটি ১৪৪৭ হিজরির শাওয়াল মাসের প্রথম দিন।

    ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ করেছে সিঙ্গাপুর। দেশটি প্রচলিত শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার পরিবর্তে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনার ওপর ভিত্তি করে এ তারিখ ঘোষণা করেছে।

    সিঙ্গাপুরের কর্মকর্তারা জানান, শনিবার (২১ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। কারণ, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুর থেকে চাঁদ দেখা যাবে না।

    তুরস্কে শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) তুরস্ক ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনার যে ইঙ্গিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন, তার ভিত্তিতে এ তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ ছাড়া কাতারে আজ বুধবার (১৮ মার্চ) পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এতে দেশটিতে এবার পূর্ণ রমজান, অর্থাৎ ৩০ দিন রোজা রাখবেন মুসলমানরা। ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে শুক্রবার (২০ মার্চ)। 

  • আঙুল ফোটানো কি সত্যিই ক্ষ’তিকর? কী বলছে চি’কিৎসাবি’জ্ঞান, জেনে নিন

    আঙুল ফোটানো কি সত্যিই ক্ষ’তিকর? কী বলছে চি’কিৎসাবি’জ্ঞান, জেনে নিন

    অতিরিক্ত টেনশন বা কাজের চাপের কারণে অনেকেই নিজের অজান্তে আঙুল ফুটিয়ে থাকেন। আঙুল ফোটানো অনেকের কাছে স্বস্তিদ্বায়ক, আবার অনেকের কাছে অভ্যাস। অনেকের ধারণা, আঙুল ফোটানো, আঙুলের হাড়ের জন্য ক্ষতিকর। আবার অনেকের ধারণা, নিয়মিত আঙুল ফোটালে নাকি আঙুলের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয়। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলছে এ বিষয়ে? সম্প্রতি হেলথলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এসব তথ্য।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক-

    আঙুল ফোটানোর পেছনের কারণ

    গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৫৪ শতাংশ মানুষ নিয়মিত বা মাঝেমধ্যে আঙুল ফুটিয়ে থাকেন। কেউ এই শব্দ শুনে আনন্দ পান, কেউ আবার মনে করেন এতে মানসিক চাপ কমে। অনেকেই আবার একে স্ট্রেস থেকে মুক্তির একটি উপায় হিসেবে দেখেন। কেউ কেউ চিন্তা বা উদ্বেগের সময় চুল পাকান, কেউ আবার নখ কামড়ান। তারাও অনিচ্ছাকৃতভাবে আঙুল ফোটাতে শুরু করেন। একবার এই অভ্যাস তৈরি হলে, তা ছেড়ে দেওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।

    প্রতিদিনের এই ৭ অভ্যাস বারোটা বাজাচ্ছে আপনার ঘুমের, এখনই সতর্ক হোন

    আঙুল ফোটালে যে শব্দ হয়, তার উৎস

    অনেকেই ভাবেন, হাড় ঘষা লেগেই বুঝি শব্দটি হয়। তবে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন ভিন্ন কথা। ২০১৫ সালের এক গবেষণায় এমআরআইতে দেখা গেছে, আঙুল ফোটানোর সময় জোড়া টান দিলে অস্থিসন্ধির তরলের মধ্যে একটি ছোট ‘ক্যাভিটি’ বা ফাঁপা জায়গা তৈরি হয়, যেটির সৃষ্টিই শব্দের কারণ। আর ২০১৮ সালের আরেক গবেষণায় বলা হয়, শব্দটি আসলে ওই ফাঁপা অংশটি আংশিক ভেঙে পড়ার সময় তৈরি হয়। আর একই আঙুল কিছুক্ষণ পর আবার ফোটানো যায়। কারণ ওই ফাঁপা জায়গাটি আবার পূর্ণ হতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে।

    আঙুল ফোটানো কি ক্ষতিকর

    অনেক অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, মাঝেমধ্যে আঙুল ফোটানো ক্ষতিকর নয়। তবে কেউ যদি এটি নিয়মিত বা দিনে বারবার করতে থাকেন, তাহলে সমস্যা হতে পারে। এতে অস্থিসন্ধির ভেতরের তরল (সাইনুভিয়াল ফ্লুইড) কমে যেতে পারে। ফলে হাড়ে হাড়ে ঘষা লাগে এবং দীর্ঘমেয়াদে আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি বাড়ে।

    তবে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আঙুল ফোটানো সরাসরি বাত বা হাড় ক্ষয়ের কারণ নয়। এক চিকিৎসক টানা ৫০ বছর ধরে শুধু এক হাতের আঙুল ফোটান। পরে তিনি দেখেন, ফোটানো হাত ও না ফোটানো হাতের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এতে প্রমাণিত হয়, আঙুল ফোটানো সব সময় ক্ষতিকর নয়।

    যখন সাবধান হওয়া জরুরি

    যদি আঙুল ফোটানোর সময় বা পরে ব্যথা হয়, আঙুল ফুলে যায় বা নড়াতে সমস্যা হয়, তাহলে এটি শুধু অভ্যাস নয়। এটি শরীরের কোনো সমস্যা বা রোগের লক্ষণ হতে পারে, যা গাউট, আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্ট ইনজুরি হতে পারে।

    চিকিৎসকদের মতে, কিছু উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। উপসর্গগুলো হলো—

    ১. আঙুলে ব্যথা

    ২. ফুলে যাওয়া

    ৩. জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া

    ৪. নড়াচড়া করতে কষ্ট হওয়া

    চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, মাঝেমধ্যে আঙুল ফোটানো ক্ষতিকর নয়। তবে যদি কেউ নিয়মিতভাবে এটি করেন, তাহলে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই সতর্ক থাকা ভালো। আর যদি আঙুলে ব্যথা, ফোলাভাব বা অস্বস্তি হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

  • সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় কেন শ্বা’স নিতে ক’ষ্ট হয় ? জেনে নিন

    সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় কেন শ্বা’স নিতে ক’ষ্ট হয় ? জেনে নিন

    আপনি কি কখনো লক্ষ্য করেছেন, সিঁড়ি ওঠার পর শ্বাস ফোলা হয়ে যায় বা মনে হয় শ্বাস নেওয়া কষ্টকর হচ্ছে? যদি হ্যাঁ, তবে আপনি একা নন। আসলে, ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অ্যাথলেটরাও মাঝে মাঝে এই সমস্যার মুখোমুখি হন।

    উদাহরণস্বরূপ, চারবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া অ্যাথলেট এমিলিয়া বনি এক টুইটে জানিয়েছেন, কয়েকটি মঞ্জিল উঠার পরও তার শ্বাস ফোলা হয়ে যায়।

    কেন সিঁড়ি ওঠা আমাদের ফুসফুসের জন্য শ্বাস নেওয়া কঠিন করে তোলে, চলুন জেনে নিই বিস্তারিত—

    সিঁড়ি ওঠার সময় শরীরের প্রতিক্রিয়া

    মাটি বরাবর দৌড়ানো বা হাঁটার তুলনায় সিঁড়ি ওঠার সময় শরীর একটি ভিন্ন ধরনের চাপের মুখোমুখি হয়। এটি মূলত পেশীর কারণে ঘটে।

    মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর টিমোথি জে. মাইকেল বলেন, আমাদের পেশীর দুটি ধরনের ফাইবার রয়েছে। প্রথমতো স্লো-টুইচ ফাইবার। এই ফাইবার ক্লান্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং দীর্ঘ সময়ের শারীরিক কার্যকলাপের সময় শরীরকে স্থিতিশীল রাখে। দ্বিতীয়তো ফাস্ট-টুইচ ফাইবার। এই ফাইবার তখন কাজ করে যখন শরীরকে হঠাৎ করে শক্তিশালী কাজ করতে হয়, যেমন লাফ দেওয়া বা সিঁড়ি চড়া। সিঁড়ি ওঠা শরীরের জন্য একটি শক্তিশালী কাজ, তাই ফাস্ট-টুইচ ফাইবার বেশি সক্রিয় হয়।

    মিডওয়েস্টার্ন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওলজিস্ট প্রফেসর ফ্রাঙ্ক হোয়াইট জানান, সিঁড়ি ওঠার সময় শরীরে কার্বন ডাই অক্সাইড ও হাইড্রোজেন সংক্রান্ত সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। ফলে, যত বেশি পদক্ষেপ নেন, তত দ্রুত ক্লান্তি আসে এবং শ্বাস ফোলা শুরু হয়।

    অন্যান্য কারণ যা শ্বাস ফোলা ঘটায়

    ১. মহাকর্ষার বিরুদ্ধে কাজ

    আমাদের শরীর মাটি বরাবর চলার জন্য ডিজাইন করা। কিন্তু সিঁড়ি ওঠার সময় আমরা আমাদের ওজন উপরের দিকে তুলছি। ফলে পা এবং পেশীতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা শ্বাস নেওয়া কঠিন করে তোলে।

    ২. প্রস্তুতি না থাকা

    ম্যারাথন বা কোনো রেসে আগে শরীরকে প্রস্তুত করা হয়, যেমন ওয়ার্ম-আপ করা হয় যাতে শরীর এবং ফুসফুস কাজের জন্য প্রস্তুত থাকে। দৈনন্দিন জীবনে যখন হঠাৎ সিঁড়ি ওঠা হয়, তখন শরীর প্রস্তুত থাকে না, ফলে অক্সিজেনের ঘাটতি এবং শ্বাস ফোলার সমস্যা দেখা দেয়।

    ৩. অপ্রচলিত পেশীর ব্যবহার

    দৌড়ের সময় প্রধানত পায়ের পেশী কাজ করে, কিন্তু সিঁড়ি ওঠার সময় অন্য পেশীও সক্রিয় হয় যা সাধারণত ব্যবহার হয় না। এই কারণে কয়েকটি মঞ্জিল উঠতেও ফুসফুসের উপর চাপ পড়ে।

    ৪. অক্সিজেনের অভাব

    প্রতিটি ব্যক্তির সক্ষমতা আলাদা। কেউ চার মঞ্জিলও শ্বাস ফোলা ছাড়াই উঠতে পারে, আবার কেউ দুই মঞ্জিলের পরেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এটি তখন ঘটে যখন শরীর অনুভব করে যে অতিরিক্ত অক্সিজেন খরচ হচ্ছে।

    ৫. ঘাম আসা

    সিঁড়ি ওঠার সময় ঘাম আসা মানেই আপনি আনফিট, বিষয়টি এমন নয়। ফিট মানুষও দ্রুত ঘামতে পারে। কারণ এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া।

    উপসংহার

    সিঁড়ি ওঠার সময় শ্বাস ফোলা হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার। এটি পেশীর অতিরিক্ত ব্যবহার, মহাকর্ষার বিরুদ্ধে কাজ, প্রস্তুতির অভাব এবং অক্সিজেনের চাহিদার কারণে হয়। এটি শরীরের ফিটনেসের অভাব নয়, বরং শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

    সূত্র : জিও নিউজ

  • শ’রীরে ঝিঁ’ঝি ধরে যে ভি’টামিনের অ’ভাবে, জেনে নিন উপকারে আসবে

    শ’রীরে ঝিঁ’ঝি ধরে যে ভি’টামিনের অ’ভাবে, জেনে নিন উপকারে আসবে

    শরীর সুস্থ রাখতে সব ধরনের ভিটামিন গ্রহণ অপরিহার্য। তবে সঠিক খ্যাদ্যাভ্যাস ও খাবারের পুষ্টি সম্পর্কে ধারণা না থাকায় বেশিরভাগ মানুষের শরীরেই নির্দিষ্ট ধরনের কিছু ভিটামিনের ঘাটতি পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এসব ভিটামিনের ঘাটতির ফলে শরীরে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তেমনই শরীরের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হলো ভিটামিন বি ১২। এটি কোবলামিন নামেও পরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে, ৮০-৯০ শতাংশ নিরামিষাশীদের মধ্যে ভিটামিন বি ১২ এর অভাব আছে।

    পানিতে দ্রবণীয় এই ভিটামিন রক্ত গঠন ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ভিটামিন যেহেতু শরীর নিজে উৎপাদন করতে পারে না, তাই এটি বিভিন্ন খাদ্য উৎস থেকে গ্রহণ করতে হয়। ভিটামিন বি ১২ উদ্ভিদ ভিত্তিক খাদ্যে আবার পাওয়া যায় না।

    আরও পড়ুন: শরীরে পানির ঘাটতি হয়েছে, বুঝবেন যেসব লক্ষণে

    এই ভিটামিনের অভাবে রক্ত স্বল্পতার সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্রও সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। অনেক সময় ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে দেখা দেওয়া উপসর্গ টের পান না অনেকেই। ফলে সমস্যা আরও বাড়ে।

    চরম ক্লান্তি, মেজাজ পরিবর্তন, ত্বকের পরিবর্তন, পেটের সমস্যা, স্মৃতিশক্তির কমে যাওয়া ইত্যাদি সহ আরও গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি। শরীরে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি পূরণে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় পশুভিত্তিক বা সম্পূরক খাবার খেতে হবে।

    ভিটামিন বি ১২ এর লক্ষণ কী কী?

    বিভ্রান্তি

    ভিটামিন বি ১২ রক্ত কোষ গঠনে কাজ করে। যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সরবরাহ করে। লোহিত রক্তকণিকার অভাব মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এ কারণে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। সবসময় মাথা ঘোরা ও বিভ্রান্তির সমস্যা ভিটামিন বি ১২ এর একটি সাধারণ লক্ষণ।

    বিষণ্নতা

    গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে মস্তিষ্কের হোমোসিস্টিন টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে মেজাজ পরিবর্তন হয় ও বিষণ্নতা বাড়ে। তবে শরীরে ভিটামিন বি ১২ এর চাহিদা পূরণের মাধ্যমে এ সমস্যা কাটানো যায়।

    মনোযোগের অভাব

    হঠাৎ যদি আপনি কোনো কাজে মন বসাতে না পারেন, তাহলে হয়তো ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে ভুগছেন! এই ভিটামিনের অভাবে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছায় না ও মস্তিষ্কের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে যে কোনো বিষয়ে মনোযোগের অভাব দেখা দেয়।

    ভুলে যাওয়া

    কয়েকদিন আগের ঘটনা ভুলে যাচ্ছেন কিংবা কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে? এমন সমস্যা কিন্তু ভিটামিন বি ১২ এর অভাব ও ডিমেনশিয়ার সাধারণ লক্ষণ। যা প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা না করালে পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার কারণ হতে পারে।

    জিহ্বা বা মুখে ঘা

    মুখের ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি হলে মুখে অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দেয়। এর মধ্যে একটি হলো ‘লিঙ্গুয়াল প্যারেথেসিয়া’। এক্ষেত্রে জিহ্বা ফুলে যাওয়া বা জ্বালার সমস্যা হতে পারে। গ্লসাইটিসও বলা হয় একে। এক্ষেত্রে জিহ্বা ফুলে যায় ও ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়।

    হাত-পায়ে অবশ ও ঝিঁঝি ধরার সমস্যা

    ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির মতে, ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতির একটি স্নায়বিক উপসর্গের মধ্যে আছে হাত-পায়ের অসাড়তা ও ঝিঁঝি ভাব।

    স্বাস্থ্য সংস্থা বিএমজে’র মতে, যদিও নিউরোলজিক জটিলতার অগ্রগতি সাধারণত ধীরে ধীরে হয়, তবে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি হরে তা চিকিৎসার পরও উপসর্গগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য শরীরে উপস্থিত থাকে। অন্যান্য স্নায়বিক লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে হাঁটার অসুবিধা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, বিভ্রান্তি ও ডিমেনশিয়া।

    ভিটামিন বি ১২ এর অভাব কেন হয়?

    ভিটামিন বি ১২ এর অভাব হওয়ার দুটি প্রধান কারণ হলো রক্ত স্বল্পতা ও খাদ্যে অপর্যাপ্ত ভিটামিন বি ১২ থাকা। রক্ত স্বল্পতার ক্ষেত্রে ইমিউন সিস্টেম আপনার পেটের স্বাস্থ্যকর কোষ ধ্বংস করে। তাই পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমেও শরীর ভিটামিন শোষণ করতে পারে না।

    দ্বিতীয় কারণটি নির্ভর করে আপনি খাদ্যের মাধ্যমে শরীরের ভিটামিন বি ১২ এর অভাব পূরণ করতে পারছেন কি না। এই ভিটামিন খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ না করলে শরীরে এর অভাব দেখা দেওয়া সাধারণ বিষয়।

    কতটুকু ভিটামিন বি ১২ খাওয়া উচিত?

    ভিটামিন বি ১২ খাওয়ার পরিমাণ বয়সের উপর নির্ভর করে। যেমন- (৪-৮ বছর ১.২ মাইক্রোগ্রাম, ৯-১৩ বছর ১.৮ মাইক্রোগ্রাম, ১৪-১৮ বছর ২.৪ মাইক্রোগ্রাম, প্রাপ্তবয়স্ক ২.৪ মাইক্রোগ্রাম, গর্ভবতী হলে ২.৬ মাইক্রোগ্রাম এবং বুকের দুধ খাওয়ালে ২.৮ মাইক্রোগ্রাম)।

    কখন ডাক্তার দেখাবেন?

    >> ত্বক ফ্যাকাশে দেখায়>> দুর্বল বোধ করেন>> চলাফেরায় সমস্যা>> প্রায়ই শ্বাসকষ্ট অনুভব করা ইত্যাদি।

    এই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসক ভিটামিন বি ১২ এর অভাবের সম্ভাবনা নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে তিনি ডায়েটে পরিবর্তন আনার পরামর্শ বা সেই অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট লিখে দেবেন।

    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • ক্ষ’মা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ক্ষ’মা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

    বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে এক পোস্টে তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সাথে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি, ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেয়া।

    এসব পরামর্শ গ্রহণ করেছেন জানিয়ে পাটওয়ারী বলেন, আমি বিনয়ের সাথে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবো। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথচলার শক্তি। গতকাল ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার এক নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটিতে স্থান পাবেন যারা

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটিতে স্থান পাবেন যারা

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ১২ জনের কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। গত সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে এসব বিষয় জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন এবং কমিটির দায়িত্ব-কর্তব্য বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইতিপূর্বে জারিকৃত সব প্রজ্ঞাপন/আদেশ বাতিল করা হলো।

    নতুন নীতিমালায় কমিটি গঠনের বিষয়ে যা বলা হয়েছে—

    কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক/প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত/ চলতি দায়িত্ব)। কমিটির সদস্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের মধ্য হতে মনোনীত একজন বিদ্যোৎসাহী মহিলা অভিভাবক (ন্যূনতম এসএসসি পাস), সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের মধ্য হতে মনোনীত একজন বিদ্যোৎসাহী পুরুষ অভিভাবক (ন্যূনতম এসএসসি পাস)। বিদ্যালয়ের একজন জমিদাতা/জমিদাতার উত্তরাধিকারী (যদি থাকেন)। সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী যে কোন সরকারি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়/ এমপিওভুক্ত (এমপিও) মাদরাসা/ কওমি মাদরাসার একজন শিক্ষক।

    সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের মধ্য হতে নির্বাচিত একজন শিক্ষক প্রতিনিধি। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের মধ্য হতে নির্বাচিত দুজন মহিলা অভিভাবক। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের মধ্য হতে নির্বাচিত দুজন পুরুষ অভিভাবক। ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্য/পৌর এলাকার সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কমিশনার/সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর।সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ক্যাচমেন্ট এলাকার একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক/ সরকারি মাধ্যমিক//এমপিওভুক্ত (এমপিও) মাধ্যমিক বিদ্যালয়/ মাদরাসা/ কওমি মাদরাসার শিক্ষক/ সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী।

    কমিটি গঠন পদ্ধতি

    কমিটির সদস্য-সংখ্যা সভাপতিসহ মোট ১২ জন হবে। সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক প্রতিনিধি এবং মাধ্যমিক/মাদরাসা থেকে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি ব্যতিরেকে অন্য সদস্যদের থেকে একজন সভাপতি এবং একজন সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন। তবে শর্ত, সভাপতিকে ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে। তবে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী পাওয়া না গেলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মনোনয়ন প্রদান করবেন।

    পদাধিকারবলে প্রধান/ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

  • ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করলো তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর

    ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করলো তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর

    তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ পবিত্র ঈদুল ফিতরের আলাদা আলাদা তারিখ নিশ্চিত করেছে। দেশ দুটি ইসলামি মাসের শুরু নির্ধারণের জন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি চাঁদ দেখার পরিবর্তে জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব-নিকাশের ওপর নির্ভর করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    তুরস্ক ঘোষণা করেছে যে, তাদের দেশে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার তুরস্ক এবং অন্যান্য অঞ্চল থেকে শাওয়াল মাসের প্রথম চাঁদ দেখার সম্ভাবনার জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবের ওপর ভিত্তি করে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

    অন্যদিকে, সিঙ্গাপুর নিশ্চিত করেছে যে, তাদের দেশে শনিবার (২১ মার্চ) ঈদুল ফিতর পালিত হবে। কারণ জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরের আকাশ থেকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

     

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উভয় দেশেই বুধবার ছিল রমজান মাসের ২৮তম দিন। মূলত চাঁদ দেখার পূর্ব-নির্ধারিত হিসাব-নিকাশের মডেল বা অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ক্যালকুলেশন ব্যবহার করেই দেশ দুটিতে ঈদের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।

     

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব

    ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪৪৭ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা কার্যক্রম শেষে বুধবার (১৮ মার্চ) এ তথ্য জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ।

    গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সৌদি আরবের বাসিন্দারা আরো একটি রোজা পালন করবেন। ফলে দেশটিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ)।

    সাধারণত সৌদি আরবের এক দিন পর বাংলাদেশে ঈদ পালিত হয়। সেই হিসাবে দেশে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)  ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। তবে এটি বাংলাদেশের চাঁদ দেখা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।

    এর আগে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে তুরস্ক।

    তুর্কি সরকার জানায়, শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) তুরস্ক ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনার যে ইঙ্গিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন, তার ভিত্তিতে এ তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

    একই সঙ্গে সিঙ্গাপুরে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দেশটিতে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা না থাকায় আগামী শনিবার (২১ মার্চ) ঈদ উদযাপিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

    দেশটি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর না করে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের ভিত্তিতে হিজরি মাস নির্ধারণ করে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে পবিত্র রমজান মাসের শেষের চাঁদ (শাওয়াল মাসের চাঁদ) ক্যামেরায় দেখা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র। তারা জানায়, আবুধাবিতে অবস্থিত খতম অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি থেকে বুধবার (১৮ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় চাঁদের ছবি তোলা হয়। এই পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের অধিভুক্ত।

    গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবি তোলার সময় সূর্য থেকে চাঁদের দূরত্ব ছিল ৯.২ ডিগ্রি এবং চাঁদের বয়স ছিল মাইনাস ১৫ ঘণ্টা ২৩ মিনিট। যা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ।

    এর আগে অস্ট্রেলিয়া পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে।

  • সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ উদযাপিত হতে পারে বলে জানিয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

    ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আরবি প্রতিটি মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে, যা মূলত চাঁদের অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

     

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জাওয়ান জানিয়েছেন, চলতি বছরে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের আরব দেশগুলোতে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে। ফলে শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ২০ মার্চ (শুক্রবার) সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতারসহ ওই অঞ্চলের বেশির ভাগ দেশে ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

     

    ২৯তম রমজানে চাঁদ দেখার সম্ভাবনার ব্যাপারে ইব্রাহিম আল জারওয়ান বলেন, ‘আগামী বুধবার ২৯তম রমজানে, আরব দেশগুলোর আকাশে কোনো অর্ধচন্দ্র থাকবে না।’

     

    যদি বুধবার সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়, তবে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) হবে ঈদুল ফিতর। কিন্তু চাঁদ দেখা না গেলে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং ২০ মার্চ (শুক্রবার) আরব বিশ্বে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

     

     

    এদিকে মুসলমানদের আগামী বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট। স্থানীয় সময় সোমবার (১৬ মার্চ) জারি করা এক সরকারি বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়। এতে বলা হয়, উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বুধবার ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজান মাসের ২৯তম দিন।

     

    যদি বুধবার সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তবে পরদিনই ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে।

     

    সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, কেউ খালি চোখে বা দূরবীন ব্যবহার করে চাঁদ দেখতে পেলে নিকটস্থ আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য নিবন্ধনের জন্য তা জানাতে হবে। প্রয়োজনে বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে স্থানীয় প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোর সহায়তাও নেয়া যেতে পারে।

     

    তথ্যসূত্র: দ্য ন্যাশনাল, গালফ নিউজ

     

  • মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে কবে?

    মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে কবে?

    দীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। নাড়ির টানে প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে এরইমধ্যে রাজধানী ছেড়ে গ্রামে ফিরছে মানুষ। আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকেই শুরু হয়েছে সরকারি ছুটি। দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ চললেও সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন– ঈদ কবে?

    সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) উদ্‌যাপিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, এবার আরব দেশগুলোতে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
     

    আগামী বুধবার (১৮ মার্চ) আরব বিশ্বের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে শুক্রবার সেখানে ঈদের দিন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট আগামী বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে। যদি বুধবার চাঁদ দেখা যায় তবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সেখানে ঈদ হবে, অন্যথায় শুক্রবার।

    বাংলাদেশে ঈদ কবে?

    ভৌগোলিক নিয়মানুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের এক দিন পর ঈদ উদ্‌যাপিত হয়। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার)।
     

    তবে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর। আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রমজানের ২৯তম দিনে বৈঠকে বসবে কমিটি। ওই দিন সন্ধ্যায় যদি বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়, তবে শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং শনিবার (২১ মার্চ) সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

    এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে বন্দর ও টার্মিনালগুলোতে মানুষের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার থেকেই বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হওয়ায় যানজট আর ভিড় ঠেলে মানুষ ছুটছে আপন ঠিকানায়। আবহাওয়া অফিস ঝড়ের পূর্বাভাস দিলেও স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উদ্‌যাপনে কারও মাঝেই কোনো খামতি নেই।

    এখন সবার নজর বৃহস্পতিবারের আকাশের দিকে– কবে দেখা দেবে এক ফালি বাঁকা চাঁদ, আর কবে বেজে উঠবে নজরুলের সেই কালজয়ী গান, ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’।