Blog

  • রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য, যা বলছে অধিদপ্তর

    রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য, যা বলছে অধিদপ্তর

    আসন্ন পবিত্র রমজানে সব ধরনের মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। যদিও মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনো মত জানায়নি। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের চিঠি পাওয়ার পর মাধ্যমিকে ছুটির বিষয়ে বৈঠক হবে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত আসবে।

    এদিকে হাইকোর্টের নির্দেশনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কোনো ধরনের নির্দেশনা নেই। এতে রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, তারা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তাতে রমজান, ঈদুল ফিতরসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে ১৯ দিন বন্ধ রাখার কথা রয়েছে।

    তবে সেটি এখনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়নি।

    অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই ছুটির তালিকায় ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রোজা, ঈদসহ কয়েকটি ছুটি রয়েছে। শুক্র ও শনিবারসহ সেখানে মোট ছুটি ১৯ দিন।

    এর বাইরে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে অধিদপ্তরের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।

    হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি জানিয়ে উপ-পরিচালক জয়নাল আবদীন বলেন, ‌যতদূর জেনেছি, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে বলা হয়েছে। প্রাথমিকের কথা আমরা জানতে পারিনি। সেক্ষেত্রে অধিদফতর ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রেখেছে। এটা থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর

    রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর

    আসন্ন পবিত্র রমজানে সব ধরনের মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে তাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কোনো ধরনের নির্দেশনা নেই। এতে রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

    দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালনা করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। অধিদফতর বলছে, তারা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তাতে রমজান, ঈদুল ফিতরসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে ১৯ দিন বন্ধ রাখার কথা রয়েছে।

    অধিদফতরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. জয়নাল আবেদীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‌‌আমরা একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সেটি এখনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়েছে কি না, জানি না। তাতে ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রোজা, ঈদসহ কয়েকটি ছুটি রয়েছে। শুক্র ও শনিবারসহ সেখানে মোট ছুটি ১৯ দিন। এর বাইরে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

    হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি জানিয়ে উপ-পরিচালক জয়নাল আবদীন বলেন, ‌যতদূর জেনেছি, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে বলা হয়েছে। প্রাথমিকের কথা আমরা জানতে পারিনি। সেক্ষেত্রে অধিদফতর ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রেখেছে। এটা থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

     

    শিক্ষাপ্রশাসন সূত্র জানায়, রাজনৈতিক অস্থিরতা, শিক্ষকদের আন্দোলন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হয়। এতে ক্লাস কম হয়, থেকে যায় শিখন ঘাটতি। এ ঘাটতি পূরণে এবার ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। এ কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো রমজানের প্রথম ১৫ থেকে ১৮ দিন খোলা রেখে বাৎসরিক শিক্ষাপঞ্জি বা ছুটির তালিকা তৈরি করা হয়েছিল।

    তবে রমজানে স্কুল বন্ধ চেয়ে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটি দিতে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রাথমিকের বিষয়ে এখনো এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্যমতে, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে সাড়ে ৬৫ হাজারের বেশি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি। আর কর্মরত শিক্ষক সাড়ে তিন লাখেরও বেশি। রমজানে শিক্ষক-অভিভাবকরা সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন।

  • পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পরিকল্পনা

    পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পরিকল্পনা

    সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। এই সংগঠনের সঙ্গে শিক্ষকসহ দেশের ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত।

    পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে আন্দোলনে নামেন। লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার তাদের দাবি পূরণে কিছু পদক্ষেপ নেয়।

    সর্বশেষ এ সংক্রান্ত একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। তবে চাকরিজীবীরা এসব পদক্ষেপের বাস্তবায়ন চেয়েছিলেন নির্বাচনের আগে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি। সেসময় অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, নতুন নির্বাচিত সরকার তা বাস্তবায়ন করবে।

    গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলমান। এবার পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। নতুন সরকার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা তাদের দাবি বাস্তবায়নের আবেদন করবেন।

    গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষৎ করব। তিনি আমাদের দাবি বাস্তবায়নে ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করি।’

    এর আগে ওয়ারেছ আলীর নেতৃত্বে সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের দপ্তরে আবেদন করা হয়। এ সংক্রান্ত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট। এই সংগঠনের সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীসহ ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত রয়েছেন।

    শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীকার আন্দোলনের শহীদ, যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বৈষম্যবিরোধী জুলাই-২০২৪ আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের।

    এতে আরো বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা সরকারের সব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের বৈষম্যমূলক পে স্কেল দেওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি এই সংগঠনের পক্ষ থেকে বৈষম্য নিরসনের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছি। কিন্তু বিগত সরকার আমাদের দাবি পূরণ তো দূরের কথা আমাদের সংগঠনের কথা আমলে না নিয়ে বিচ্ছিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে জুলুম অত্যাচার চালিয়েছেন। বর্তমান সময়ে বাজারমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সেবা খাতের ব্যয় বৃদ্ধি ও পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যয় বৃদ্ধির দরুণ ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই চলমান জীবন বাস্তবতার নিরিখে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ৭ দাবির বিষয়গুলো আপনার সদয় অবগতির জন্য সাক্ষাৎ করে তুলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

    ৭ দাবিনামা:

    ১:৪ অনুপাতে ১২ ধাপে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকায় বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে যাদের মূলবেতন শেষ ধাপে উন্নীত হয়েছে তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত করতে হবে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে পে স্কেলের গেজেটে প্রত্যাহারকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূণর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনঃবহাল এবং সব স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুইটি-আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের ছলে শতভাগ নির্ধারণ ও পেনশন গ্রাচ্যুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

    ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড করতে হবে, অধঃস্তন আদালতের কর্মচারীদের বিচার বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে গণ্য করতে হবে, এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল পদ মর্যাদা দিতে হবে।

    কর্মরত কর্মচারীদের বেতন স্কেল শেষ ধাপে উন্নীত হওয়ায় বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি হচ্ছেনা বিধায় চাকুরিতে কর্মরতদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে হবে।

    বাজারমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি ও জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে দেয় সব ভাতা পুনঃনির্ধারণ, সবল কর্মচারীদের রেশন ব্যবস্থার প্রর্বতন করতে হবে। চাকরিতে প্রবেশের ব্যাসসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়স সীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।

    উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত পদধারীদের প্রকল্পের চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল এবং সিলেকশন গ্রেড করার অবকাশ নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত বৈষম্য মূলক আদেশ বাতিল করতে হবে।

    এতে আরো উল্লেখ করা হয়, এসব বিবেচনা করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সর্বোচ্চ অভিভাবক ও মানবিক গুণের গুণী বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে আপনার প্রতি শিক্ষক-কর্মচারীদের বর্ণিত দাবিগুলো সাক্ষাৎ করে উপস্থাপনের তারিখ ও সময় দেওয়ার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানানো হলো।

  • ২০২৬ সালের রমজান কবে?

    ২০২৬ সালের রমজান কবে?

    পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে আর মাসখানেক বাকি। ইতোমধ্যে আত্মশুদ্ধির মাস রমজান ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করেছেন অনেকে। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমিরাতে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি।

    তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী শাবান মাসের চাঁদ দেখার পরই রমজান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।

    ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের জীবনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এ মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থেকে রোজা রাখা হয়। পাশাপাশি নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও দান-সদকার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।

    রমজানের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ রাত

    রমজানের শেষ দশ দিনের যেকোনো একটি রাতকে বলা হয় লাইলাতুল কদর, অর্থাৎ মহিমান্বিত রজনী। ইসলামে এ রাতের মর্যাদা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি বলে বর্ণিত হয়েছে।

    আইএসিএডির ২০২৬ সালের সরকারি ছুটি ও ধর্মীয় দিবসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এ বছর লাইলাতুল কদর হবে পারে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার রাতে।

    মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতেই মানবজাতির পথনির্দেশ হিসেবে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। সে কারণে এ রাতে মসজিদ ও ঘরে ঘরে ইবাদত, নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও ক্ষমা প্রার্থনায় মগ্ন থাকেন মুসলিমরা।

    রমজান শেষ হবে কবে?

    প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজান শেষ হতে পারে ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার। তবে রমজান ২৯ না ৩০ দিনের হবে, তা নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। সে অনুযায়ী ঈদের তারিখেও একদিন এদিক-সেদিক হতে পারে।

    ঈদুল ফিতর কবে?

    রমজান শেষে মুসলমানদের জীবনে আসে আনন্দ ও খুশির বার্তা ঈদুল ফিতর। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে ২০ মার্চ শুক্রবার। এর মধ্য দিয়ে শুরু হবে বছরের প্রথম বড় ছুটির আমেজ।

    আমিরাতে সাধারণত শাওয়াল মাসের প্রথম তিন দিন সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। রমজান ২৯ না ৩০ দিনে শেষ হচ্ছে, তার ওপর ছুটির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।

    সূত্র : গালফ নিউজ

  • বিএনপি ভোট পেয়েছে ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ

    বিএনপি ভোট পেয়েছে ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রাপ্ত ভোটের হার প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রকাশিত হারে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট। ২৯০ আসনে দলটির প্রার্থী ছিল। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। তাদের প্রার্থী ছিল ২২৭টি আসনে।

    রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার সাংবাদিকদের জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এদিকে ভোটের হারে জামায়াতের পর তৃতীয় অবস্থানে আছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র-তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ৩২ আসনে প্রার্থী দিয়ে তারা পেয়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ভোট। এনসিপি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে যুক্ত হয়ে নির্বাচন করেছে।

    গত তিন সংসদে বিরোধী দলে থাকা জাতীয় পার্টি (জাপা) ১৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। তারা লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছে শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ ভোট।

    এবারের নির্বাচনে ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল। চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৭ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। হাতপাখা প্রতীকে তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

    ১১-দলীয় ঐক্যে থাকা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ৩৪টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

    অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জোটের শরিকদের আরও ৩টি আসন মিলিয়ে বিএনপি জোটের বর্তমান আসনসংখ্যা ২১২। দীর্ঘ দেড় দশক পর এমন ‘ভূমিধস’ বিজয় দলটির কর্মী-সমর্থকদের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

  • জামায়াত আমিরকে যে বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

    জামায়াত আমিরকে যে বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক শুভেচ্ছা বার্তায় জামায়াত আমিরের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তীতে নির্বাচনের ফলাফলকে শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণ করায় ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

     

    তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত আপনার রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং কর্মীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালনকালে আপনার দল যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছে, তার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

     

    বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল—উভয়েরই দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।’

     

    তিনি বলেন, ‘আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করি। নীতিগত বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে—এমনটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা।’

     

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে আপনি অতীতে যে ভূমিকা রেখেছেন ভবিষ্যতের দিনগুলোতে তা অব্যাহত রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি।’

  • মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিত রাখতে ইসিতে পাটওয়ারীর আবেদন

    মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিত রাখতে ইসিতে পাটওয়ারীর আবেদন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বহুল আলোচিত ঢাকা-৮ আসনের ভোট পুনঃগণনার আবেদন জানিয়েছেন এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। একই সাথে বিজয়ী ঘোষিত বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের শপথ গ্রহণ স্থগিত রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

    রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পক্ষে এনসিপি নেতা কাজী ফখরুল ইসলাম নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদনটি জমা দেন। এর আগে নির্বাচনে ভোট কারচুপি, অনিয়ম এবং বেআইনি প্রভাব বিস্তারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরে শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর এই আবেদন করেন তিনি।

     

    আবেদনে ১২টি কেন্দ্রের ভয়াবহ অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, মির্জা আব্বাস ও তার পরিবারের সদস্যসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা ভোট রিগিং, ফলাফল আটকে রাখা এবং বাতিলকৃত ভোটকে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করার মতো নির্বাচনী অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন।

  • ছায়া মন্ত্রিসভা কী?

    ছায়া মন্ত্রিসভা কী?

    ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত নেতা শিশির মনির ও এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ ঘোষণা দেয়ার পর রাজনীতির আলোচনার পালে নতুন হাওয়া লেগেছে। অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, ছায়া মন্ত্রিসভা কী? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটির কার্যকারিতা কী?

     

     

    বিশ্ব রাজনীতিতে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ ওয়েস্টমিনস্টার ধারার সংসদীয় ব্যবস্থা পরিচিত ধারণা। বিভিন্ন দেশে বিরোধী দলগুলো নিজেদের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ ঘোষণা করে। এটি মূলত সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, সমালোচনা এবং বিকল্প নীতি প্রস্তাব দেয়ার জন্য গড়ে তোলা একটি কাঠামো।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছায়া মন্ত্রিসভার ধারণা থেকে দেখা যায়, সাধারণত সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য বিরোধীদল থেকে একজন ‘ছায়া মন্ত্রী’ মনোনয়ন করা হয়। এই ছায়া মন্ত্রীদের কাজ হলো সরকারের নীতি ও বাজেট বিশ্লেষণ, সমালোচনা করা এবং প্রয়োজনে বিকল্প নীতি বা পরিকল্পনা উপস্থাপন করা। ছায়া মন্ত্রিসভা শুধু সরকারের সমালোচনা করার জন্য নয়। এটি বিরোধী দলের জন্য রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

    যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে থেকে দেখা যায়, ছায়া মন্ত্রিসভা নিয়মিত সরকারের নীতি পর্যবেক্ষণ করে, সংসদে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তোলার মাধ্যমে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে। অস্ট্রেলিয়াতেও একইভাবে বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রিসভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘটনা এ পর্যন্ত ঘটেনি। প্রচলিত কাঠামোতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাও নেই। তবে সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ওপর জোর দিয়ে আসছেন।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ভবিষ্যতে এ কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যখন ক্ষমতায় থাকা দলগুলোর নীতি পর্যবেক্ষণ জটিল হয়ে ওঠে।

  • Hello world!

    Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!