Blog

  • মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিত রাখতে ইসিতে পাটওয়ারীর আবেদন

    মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিত রাখতে ইসিতে পাটওয়ারীর আবেদন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বহুল আলোচিত ঢাকা-৮ আসনের ভোট পুনঃগণনার আবেদন জানিয়েছেন এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। একই সাথে বিজয়ী ঘোষিত বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের শপথ গ্রহণ স্থগিত রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

    রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পক্ষে এনসিপি নেতা কাজী ফখরুল ইসলাম নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদনটি জমা দেন। এর আগে নির্বাচনে ভোট কারচুপি, অনিয়ম এবং বেআইনি প্রভাব বিস্তারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরে শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর এই আবেদন করেন তিনি।

     

    আবেদনে ১২টি কেন্দ্রের ভয়াবহ অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, মির্জা আব্বাস ও তার পরিবারের সদস্যসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা ভোট রিগিং, ফলাফল আটকে রাখা এবং বাতিলকৃত ভোটকে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করার মতো নির্বাচনী অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন।

  • ছায়া মন্ত্রিসভা কী?

    ছায়া মন্ত্রিসভা কী?

    ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত নেতা শিশির মনির ও এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ ঘোষণা দেয়ার পর রাজনীতির আলোচনার পালে নতুন হাওয়া লেগেছে। অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, ছায়া মন্ত্রিসভা কী? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটির কার্যকারিতা কী?

     

     

    বিশ্ব রাজনীতিতে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ ওয়েস্টমিনস্টার ধারার সংসদীয় ব্যবস্থা পরিচিত ধারণা। বিভিন্ন দেশে বিরোধী দলগুলো নিজেদের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ ঘোষণা করে। এটি মূলত সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, সমালোচনা এবং বিকল্প নীতি প্রস্তাব দেয়ার জন্য গড়ে তোলা একটি কাঠামো।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছায়া মন্ত্রিসভার ধারণা থেকে দেখা যায়, সাধারণত সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য বিরোধীদল থেকে একজন ‘ছায়া মন্ত্রী’ মনোনয়ন করা হয়। এই ছায়া মন্ত্রীদের কাজ হলো সরকারের নীতি ও বাজেট বিশ্লেষণ, সমালোচনা করা এবং প্রয়োজনে বিকল্প নীতি বা পরিকল্পনা উপস্থাপন করা। ছায়া মন্ত্রিসভা শুধু সরকারের সমালোচনা করার জন্য নয়। এটি বিরোধী দলের জন্য রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

    যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে থেকে দেখা যায়, ছায়া মন্ত্রিসভা নিয়মিত সরকারের নীতি পর্যবেক্ষণ করে, সংসদে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তোলার মাধ্যমে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে। অস্ট্রেলিয়াতেও একইভাবে বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রিসভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘটনা এ পর্যন্ত ঘটেনি। প্রচলিত কাঠামোতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাও নেই। তবে সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ওপর জোর দিয়ে আসছেন।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ভবিষ্যতে এ কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যখন ক্ষমতায় থাকা দলগুলোর নীতি পর্যবেক্ষণ জটিল হয়ে ওঠে।

  • Hello world!

    Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!