Category: Uncategorized

  • পে’য়ারা ভালো, তবে এই সব রো’গীরা খেলে ঝুঁ’কি বাড়তে পারে! জানতেন? জেনে নিন

    পে’য়ারা ভালো, তবে এই সব রো’গীরা খেলে ঝুঁ’কি বাড়তে পারে! জানতেন? জেনে নিন

    হাইলাইটস:

    পেয়ারা উপকারী একটি ফল। এটি পুষ্টিতেও পরিপূর্ণ। রোগ নিরাময়ের জন্য ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

    তবে, এটি খাওয়ার যতটুকু উপকারিতা রয়েছে তার অসুবিধাগুলিও রয়েছে।

    এ জাতীয় পরিস্থিতিতে Guava-র পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া জেনে রাখাও অত্যন্ত জরুরি।

    এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পেয়ারা উপকারী একটি ফল। এটি পুষ্টিতেও পরিপূর্ণ। রোগ নিরাময়ের জন্য ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে, এটি খাওয়ার যতটুকু উপকারিতা রয়েছে তার অসুবিধাগুলিও রয়েছে। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে Guava-র পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া জেনে রাখাও অত্যন্ত জরুরি।

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে আপনার ডায়েটে পেয়ারা পাতার নির্যাস যোগ করলে আপনার হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য, হজম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে পারে। কিন্তু এই ফলের মধ্যে কিছু যৌগ রয়েছে যা সবার জন্য ভালো নয়। বিশেষ করে যারা নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যান্য ফলের মতো Guava-ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।

    তবে, অতিরিক্ত মাত্রায় খাওয়ার ফলে অনেক রোগের শিকার হতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারা ভালো, তবে যখন অতিরিক্ত মাত্রায় খাওয়া হয়ে যায় তখন তা ক্ষতিকারক হয়ে যায়। পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজমে সমস্যা হতে পারে। তাই, যদি পেয়ারা বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে গেলে তরল গ্রহণের পরিমাণও বাড়িয়ে নিন। কাদের পেয়ারা খাওয়া উচিত নয়?

    যাঁদের সর্দি-কাশির আশঙ্কা রয়েছে

    যারা প্রায়শই সর্দি এবং কাশির সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের পেয়ারা এড়ানো উচিত। পেয়ারা খুব ঠান্ডা। এটি অত্যধিক গ্রহণের কারণে সর্দি-কাশি এবং বাড়তে পারে।

    গর্ভবতী মহিলাদের বেশি খাওয়া উচিত নয়

    গর্ভবতী এবং দুগ্ধদানকারী মহিলাদের এটি বেশি খাওয়া উচিত নয়। এর অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে ফাইবার বাড়ে, যা হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে।

    স্বাস্থ্য সমস্যা

    আপনি যদি অন্য কোনও স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগে থাকেন, তবে পেয়ারা এড়ানো শ্রেয়। এর মধ্যে পটাসিয়াম এবং ফাইবার থাকে, আপনি ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করার আগে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

    পাতাও ক্ষতি করে

    শুধু পেয়ারা নয়, এর পাতাগুলি খাওয়াও ক্ষতিকর। পেয়ারা পাতা রক্তাল্পতা, মাথাব্যথা এবং কিডনির সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    পেট খারাপ হতে পারে

    পেয়ারার অতিরিক্ত খেলে পেটের রোগও হতে পারে। এটি আপনার পাঁচটি সিস্টেমে খারাপ প্রভাব ফেলে এবং হজম শক্তি দুর্বল হতে শুরু করে।

    পেট ফুলতে সাহায্য করে

    অতিরিক্ত পরিমাণে পেয়ারায় পেট ফাঁপা হতে পারে। আসলে এই ফলের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিনি থাকে, যা ফ্রুক্টোজ হিসাবে পরিচিত। আমাদের শরীরে ফ্রুকটোজ হজম ও শোষণ করতে সমস্যা হয়। খাওয়ার কারণে পেটে ফোলাভাব এবং গ্যাস হতে পারে।

    দাঁতে ব্যথা হতে পারে

    অনেকে পাকা পেয়ারা বেশি সুস্বাদু মনে করেন, তবে পাকা পেয়ারা খাওয়ার ফলে দাঁত ব্যথা বা অন্য কোনও দাঁতজনিত রোগ হতে পারে।

    একজিমার ঝুঁকি

    পেয়ারা পাতার নির্যাস একজিমা হতে পারে। এই পাতা ত্বকের জ্বালাভাব সৃষ্টি করে। যদি আপনার একজিমা গুরুতর অবস্থায় থাকে তবে সাবধানতার সঙ্গে পেয়ারা পাতার নির্যাস ব্যবহার করুন।

    ডায়াবেটিস রোগীদের খেতে দেবেন না

    ডায়াবেটিস রোগীদের পেয়ারা খাওয়া এড়ানো উচিত। পেয়ারা রক্তে শর্করাকে হ্রাস করে। আপনার যদি ডায়াবেটিস হয় এবং আপনি পেয়ারা খেতে চান তবে প্রথমে আপনার রক্তে চিনির পরীক্ষা করে নিন।

  • জা’ম্বুরা ফ’ল কারা খে’তে পারবেন না, জানালেন চি’কিৎ’সক

    জা’ম্বুরা ফ’ল কারা খে’তে পারবেন না, জানালেন চি’কিৎ’সক

    কজাম্বুরা—বহুল পরিচিত মৌসুমি ফল। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল সাধ্যের মধ্যেই পাওয়া যায়। গ্রাম কিংবা শহর, প্রায় সব মানুষই খেয়ে থাকেন এটি।

    কেউ লবণ, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতাসহ বিভিন্ন মসলা যোগ করে চাটনি বানিয়ে খান, আবার কেউ নরমালি খেয়ে থাকেন। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এই ফল।তবে যে কোনো খাবারের মতো জাম্বুরা ফলেরও যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। কেউ কেউ বেশি খেয়ে ফেলেন, আবার কেউ খাওয়ার পরই বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। তাই কারা খাবেন, কারা খাবেন না এবং কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত—এসব জানা জরুরি।এ প্রসঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর এএমজেড হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের পুষ্টি, ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক ডিজিজ কনসালটেন্ট ডা. মো. জয়নুল আবেদীন দীপু।চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত—পুষ্টিগুণ

    প্রতি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি জাম্বুরায় ক্যালোরি রয়েছে ২৩০ কিলোক্যালোরি, পটাশিয়াম ১৩০০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৬০ গ্রাম। এছাড়া প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি ৪১ শতাংশ, রাইবোফ্ল্যাভিন ১৩ শতাংশ, কপার ৩০ শতাংশ, থায়ামিন ১৮ শতাংশ ও ফাইবার রয়েছে ৬ শতাংশ।

    উপকারিতা

    শরীর ঠিক রাখার জন্য নানাভাবে সহায়তা করে ভিটামিন সমৃদ্ধ এই জাম্বুরা। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে কোষের ক্ষয় রোধ ও প্রদাহ কমিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

    ভিটামিন রাইবোফ্ল্যাভিন ও থায়ামিন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরে স্নায়বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই ফলে মিনারেলের মধ্যে বেশি পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম। আরও রয়েছে কপার। যা শরীরে মিনারেলের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে ভালো উপকার করে জাম্বুরা।

    কারা জাম্বুরা খেতে পারবেন না?

    নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তিরা : কোলেস্টেরল কমানোর স্ট্যাটিন (যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, অ্যাটোরভাস্ট্যাটিন) এবং উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ (যেমন নিফেডিপাইন) সেবনকারী রোগীদের জাম্বুরা খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি ওষুধের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে।

    কিডনি রোগী : যাদের কিডনির সমস্যা আছে, বিশেষ করে রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকে, তাদের জাম্বুরা না খাওয়াই ভালো।

    অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের রোগী : অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা থাকলে জাম্বুরা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এটি এই অবস্থাকে আরও খারাপ করতে পারে।

    মেনোপজ পরবর্তী নারী : মেনোপজ পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রচুর পরিমাণে জাম্বুরা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

    এ ছাড়া বাকি সবাই জাম্বুরা খেতে পারবেন।

    সূত্র – কাল বেলা

  • যে ৪ ধরনের ব্য’ক্তির জন্য জা’ম্বুরা খা’ওয়া বি’পজ্জ’নক, জেনে নিন

    যে ৪ ধরনের ব্য’ক্তির জন্য জা’ম্বুরা খা’ওয়া বি’পজ্জ’নক, জেনে নিন

    জাম্বুরা—বহুল পরিচিত মৌসুমি ফল। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল সাধ্যের মধ্যেই পাওয়া যায়। গ্রাম কিংবা শহর, প্রায় সব মানুষই খেয়ে থাকেন এটি।

    কেউ লবণ, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতাসহ বিভিন্ন মসলা যোগ করে চাটনি বানিয়ে খান, আবার কেউ নরমালি খেয়ে থাকেন। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এই ফল।

    তবে যে কোনো খাবারের মতো জাম্বুরা ফলেরও যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। কেউ কেউ বেশি খেয়ে ফেলেন, আবার কেউ খাওয়ার পরই বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। তাই কারা খাবেন, কারা খাবেন না এবং কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত—এসব জানা জরুরি।

    এ প্রসঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর এএমজেড হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের পুষ্টি, ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক ডিজিজ কনসালটেন্ট ডা. মো. জয়নুল আবেদীন দীপু।

    চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত—

    পুষ্টিগুণ

    প্রতি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি জাম্বুরায় ক্যালোরি রয়েছে ২৩০ কিলোক্যালোরি, পটাশিয়াম ১৩০০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৬০ গ্রাম। এছাড়া প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি ৪১ শতাংশ, রাইবোফ্ল্যাভিন ১৩ শতাংশ, কপার ৩০ শতাংশ, থায়ামিন ১৮ শতাংশ ও ফাইবার রয়েছে ৬ শতাংশ।

    উপকারিতা

    শরীর ঠিক রাখার জন্য নানাভাবে সহায়তা করে ভিটামিন সমৃদ্ধ এই জাম্বুরা। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে কোষের ক্ষয় রোধ ও প্রদাহ কমিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

    ভিটামিন রাইবোফ্ল্যাভিন ও থায়ামিন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরে স্নায়বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই ফলে মিনারেলের মধ্যে বেশি পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম। আরও রয়েছে কপার। যা শরীরে মিনারেলের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে ভালো উপকার করে জাম্বুরা।

    কারা জাম্বুরা খেতে পারবেন না?

    নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তিরা : কোলেস্টেরল কমানোর স্ট্যাটিন (যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, অ্যাটোরভাস্ট্যাটিন) এবং উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ (যেমন নিফেডিপাইন) সেবনকারী রোগীদের জাম্বুরা খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি ওষুধের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে।

    কিডনি রোগী : যাদের কিডনির সমস্যা আছে, বিশেষ করে রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকে, তাদের জাম্বুরা না খাওয়াই ভালো।

    অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের রোগী : অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা থাকলে জাম্বুরা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এটি এই অবস্থাকে আরও খারাপ করতে পারে।

    মেনোপজ পরবর্তী নারী : মেনোপজ পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রচুর পরিমাণে জাম্বুরা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

    এ ছাড়া বাকি সবাই জাম্বুরা খেতে পারবেন।

  • যাদের নতুন পে স্কে’ল না দেওয়ার অ’নুরোধ জানাল টি’আই’বি

    যাদের নতুন পে স্কে’ল না দেওয়ার অ’নুরোধ জানাল টি’আই’বি

    সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদেরও প্রতিবছর আয়-ব্যয় ও সম্পদের হিসাব প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের আগেই এই শর্ত কার্যকর করতে হবে; অন্যথায় নতুন বেতন-ভাতার সুবিধা দেওয়া উচিত নয়।

    মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

    যারা নিয়মিত সম্পদবিবরণী প্রকাশ করবেন না, তাদেরকে নতুন বেতন-ভাতার সুবিধা না দেওয়া উচিত বলে মনে করছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে সংস্থাটি নতুন পে স্কেলের আওতাভুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেন, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে তাদের কাছ থেকে পূর্ণ পেশাগত দক্ষতা ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা আশা করা কঠিন।

    তাই দেশের আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তিন ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তকে তিনি যৌক্তিক বলে মনে করেন।

    জনগণের করের টাকায় বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুফল নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মচারী এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের প্রতিবছর আয় ও সম্পদের হিসাব হালনাগাদ করা এবং তা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রতিবছর যারা আয়-ব্যয় ও সম্পদবিবরণী হালনাগাদ করে প্রকাশ করবেন, নতুন বেতন-ভাতা শুধু তাঁদের জন্য প্রযোজ্য হওয়া উচিত। আর যারা এই তথ্য প্রকাশ করবেন না, তাদের নতুন পে স্কেলের সুবিধা দেওয়া অনুচিত।

    এ ব্যবস্থা চালু করা গেলে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি দুর্নীতি ও হয়রানি কমানো সহজ হবে বলে মনে করে টিআইবি।

    তিনি আরো বলেন, ‘অনেক সরকারি কর্মজীবী সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো ন্যায়সংগত ও প্রয়োজনীয়। অন্যদিকে যারা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনে জড়িত, তাদের ক্ষেত্রে কোনো জবাবদিহি নিশ্চিত না করে বেতন-ভাতা বাড়ানো অযৌক্তিক।’

    তিনি মনে করেন, কার্যকর জবাবদিহির ব্যবস্থা ছাড়া ঢালাওভাবে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হলে সরকারি খাতে দুর্নীতির মাত্রা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

    এর আগেও বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পর সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের ব্যাপকতা বেড়েছে বলে দাবি তার।

    টিআইবির নির্বাহী পরিচালক জানান, নতুন পে স্কেলের মাধ্যমে দক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার সরকারের প্রত্যাশা ইতিবাচক হলেও, ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলের মতো বাস্তব চিত্র পরবর্তীতে যাতে ভিন্ন না হয়।

    দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিকভাবে পরীক্ষিত পদ্ধতি হিসেবে সরকারি কর্মজীবীদের সম্পদবিবরণী প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অর্থেই সরকারি কর্মজীবীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করা হয়। তাই তাদের আয়-সম্পদের বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

    নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি হিসেবে সরকারি কর্মজীবীদের সম্পদবিবরণী প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, জনগণের করের টাকাতেই সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্বাহ করা হয়; তাই তাদের আয় ও সম্পদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক।

    এদিকে নতুন পে স্কেলের ফলে নিত্যপণ্যের দাম ও মূল্যস্ফীতি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে টিআইবি। এতে উচ্চ দ্রব্যমূল্যের চাপে থাকা স্বল্পআয়ের মানুষসহ সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

    তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং নতুন বেতন-ভাতা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সম্পদবিবরণী প্রকাশের শর্ত কার্যকর করতে সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছে টিআইবি।

  • প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সু’খবর

    প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সু’খবর

    নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা নতুন পে স্কেল অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে চাকরির শুরুতে মূল বেতন হবে ৩২ হাজার টাকা। সহকারী শিক্ষকদের মূল বেতন শুরু হবে ২৪ হাজার টাকা থেকে।

    সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। পুরনো কাঠামোয় এ গ্রেডের শুরুতে মূল বেতন ছিল ১৬ হাজার টাকা। নতুন কাঠামোয় প্রথম ধাপে ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে তা হবে ২৪ হাজার টাকা।

    দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আরো ৪ হাজার টাকা করে যোগ হয়ে মূল বেতন দাঁড়াবে ৩২ হাজার টাকা। ইনক্রিমেন্টসহ এ গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন হতে পারে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা।

    ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন হারে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা কার্যকর হলে একজন নতুন প্রধান শিক্ষকের মোট বেতন-ভাতা ৫০ হাজার টাকার বেশি হতে পারে।

    অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে নিয়োগ পান। পুরনো কাঠামোয় এ গ্রেডের মূল বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা থেকে। নতুন কাঠামোয় শুরুতেই তা হবে ২৪ হাজার টাকা। ইনক্রিমেন্টসহ সর্বোচ্চ মূল বেতন হতে পারে ৫৮ হাজার টাকা। ২০২৮ সাল থেকে নতুন একজন সহকারী শিক্ষকের মোট বেতন-ভাতা প্রায় ৪০ হাজার টাকা হতে পারে।

    তবে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বেতন নির্ভর করবে চাকরির মেয়াদ, বর্তমান মূল বেতন ও ইনক্রিমেন্টের ওপর। চূড়ান্ত হিসাব জানা যাবে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পর।

    প্রসঙ্গত, সদ্য অনুমোদিত নবম জাতীয় পে স্কেলে সরকারি চাকরিতে নতুন করে যোগ দেওয়া ব্যক্তিরা তুলনামূলক বেশি বেতন-ভাতা পাবেন। তবে বর্তমানে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হিসাব হবে কিছুটা ভিন্ন। চাকরির মেয়াদ, বর্তমান মূল বেতন, প্রাপ্ত ইনক্রিমেন্ট ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভর করবে তাদের নতুন বেতন-ভাতার পরিমাণ।

    বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ২০টি গ্রেড রয়েছে। বিসিএস ক্যাডারসহ প্রথম শ্রেণির অধিকাংশ কর্মকর্তা নবম গ্রেডে যোগ দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি পদে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগ দেওয়া হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদ ১৩তম গ্রেডের এবং প্রধান শিক্ষক পদ ১০ম গ্রেডের।

    ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলে নবম গ্রেডের মূল বেতন ছিল ২২ হাজার টাকা। নতুন বেতনকাঠামোয় এ গ্রেডের মূল বেতন দ্বিগুণ হয়ে ৪৪ হাজার টাকা হয়েছে। ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে এ গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

  • স’য়াবিন তে’লের নতুন দা’ম নি’র্ধারণ

    স’য়াবিন তে’লের নতুন দা’ম নি’র্ধারণ

    দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের নতুন দাম সমন্বয় করেছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এখন থেকে আগের ১৯৯ টাকার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ২০৪ টাকায়।

    বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ভোজ্যতেলের মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে এই নতুন দামের ঘোষণা দেওয়া হয়।

    আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং সাপ্লাই চেইন স্বাভাবিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

    তবে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে খোলা সয়াবিন তেল এবং পাম অয়েলের দাম আগের মতো পুরোপুরি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, নতুন এই নির্ধারিত মূল্য অবিলম্বে সারা দেশে কার্যকর হবে এবং বাজারে তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে কঠোর মনিটরিং পরিচালনা করা হবে।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে কিছুই ম’নে থাকে না, জেনে নিন

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে কিছুই ম’নে থাকে না, জেনে নিন

    শরীর ফিট রাখতে ভিটামিনের ভূমিকা অনেকখানি গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘ডি’, ভিটামিন ‘এ’ আমাদের অল্প বিস্তর ধারণা থাকলেও ভিটামিন ‘বি১২’ সম্পর্কে অনেকেই তেমন কিছুই জানি না। অথচ দেহের জন্য অপরিহার্য উপাদানগুলোর মধ্যে ‘বি১২’ ভিটমিনটি অন্যতম। 

    কারণ মানবদেহ এই ভিটামিন সরাসরি উৎপাদন করতে পারে না। এ ভিটামিনের জন্য আমাদের নির্ভর করতে হয় যথাযথ খাবার ও ফুড সাপ্লিমেন্টের ওপর। বিশেষ করে নিরামিশাষীদের মধ্যেই ‘বি১২’ ভিটামিনের ঘাটতি দেখা যায়। কারণ এটি ‘প্লান্ট বেসড ভিটামিন’ নয়। 

    রক্তকণিকা ও স্নায়ুকোষের স্বাস্থ্য রক্ষায় ডিএনএ এবং জিনগত উপাদান তৈরিতে ও হাড় ভালো রাখতেও ভিটামিন বি১২ গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া চুল, নখ ও ত্বক ভালো রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। এ ভিটামিনের অভাবে মানসিক অবসাদ গ্রাস করতে পারে। এ ভিটামিনের অভাব হলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। কোনো কিছুই মনে রাখতে না পারা ভিটামিন বি১২-এর অভাব। সে জন্য ভিটামিন বি১২ শরীরের পক্ষে ভীষণ জরুরি।

    আপনি কীভাবে বুঝবেন শরীরে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি রয়েছে? এ ভিটামিনের ঘাটতি হলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। চিন্তাশক্তি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যেতে পারে ভিটামিন বি১২-এর অভাব দেখা দিলে। 

    নানা গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে— মস্তিষ্কের স্নায়ুর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন রোগ যেমন— ডিমেনশিয়া, অ্যালঝাইমার্স, পার্কিনসন্সের সঙ্গে ভিটামিন বি১২-এর যোগ রয়েছে। এই ভিটামিনের অভাবে মস্তিষ্কের স্নায়ু শুকিয়ে যেতে পারে। ফলে বয়সের ভার পড়ার আগেই স্মৃতি দুর্বল হয়ে পড়ে। এ ছাড়া ভিটামিন বি১২-এর অভাবে শরীরে রক্তের ঘাটতি হয়। এর ফলে ত্বক বিবর্ণ হতে শুরু করে। ত্বকে শ্বেতি, চুলের রঙ বদলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা যায়। আর ভিটামিন বি১২-এর অভাবে পেটের সমস্যাও শুরু হতে পারে। পেটে সংক্রমণ ও প্রদাহের মতো সমস্যা দেখা যায়। 

    মুখে ঘা হলে অনেকেই পরামর্শ দেন ভিটামিন বি১২ খাওয়ার। এই লক্ষণ দেখলে বোঝা যায়, শরীরে এই ভিটামিনের অভাব রয়েছে। মুখের ঘা থেকে মুখের ভেতর জ্বালা ভাব, দুই-ই কমাতে পারে ভিটামিন বি১২। এ ভিটামিন শরীরে স্নায়ুর কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। তাই এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে পায়ে ঝিঁঝি ধরার মতো সমস্যা হয়। এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকলে অনেকের পা অসাড় হয়ে যায়, এটিও শরীরে বি১২ ভিটামিনের ঘাটতির লক্ষণ।

    তবে নিরামিষ খাবারে এই ভিটামিনের পরিমাণ কিছুটা কম থাকে। প্রাণিজ খাবারে অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে ভিটামিন বি১২ থাকে। ডিম, মাশরুমসহ নানা ধরনের মাংস ও মেটে, সামুদ্রিক মাছের মতো খাবার ভিটামিন বি১২-এর সমৃদ্ধ উৎস। এ ছাড়া আরও কয়েকটি খাবারে ভিটামিন বি১২ পাওয়া যায়। এ ছাড়া দুধ, দই, ছানায়ও ভালো মাত্রায় এই ভিটামিন পাওয়া যায়।

  • সকালে খা’লি পে’টে এক মু’ঠো কাঁ’চা ছো’লা খে”লে কী কী উ’পকার পাওয়া যায়

    সকালে খা’লি পে’টে এক মু’ঠো কাঁ’চা ছো’লা খে”লে কী কী উ’পকার পাওয়া যায়

    দিনের শুরু একেক জনের একেকভাবে হয়। তবে সকালের নাশতা করতে খুব একটা বাদ রাখেন না স্বাস্থ্য সচেতন মানুষজন। আর নিজেকে ফিট রাখা ও শরীর সুস্থ রাখার জন্য সকালে নাশতায় অনেকেই নিয়মিত কাঁচা ছোলা রাখেন। রাতে ভিজিয়ে রাখা ছোলা সকালে খাওয়া হলে বেশ পুষ্টিগুণ মেলে, যা কারও অজানা নয়।

    ছোলা হচ্ছে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। ভিটামিন, ফাইবার, প্রোটিন―সবই রয়েছে ছোলায়। এতে ফ্যাটের পরিমাণও বেশ কম। ফলে ওজন কমানোর জন্যও উপকারী। শারীরিক পরিশ্রম বা শরীরচর্চার পরও ছোলা খাওয়া ভালো। এমনকি হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী ফ্যাটের ভাণ্ডার এই ছোলা। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, পুষ্টিগুণে ভরপুর ছোলা পানিতে ভিজিয়ে রেখে খাবেন। কারণ, ছোলা ভিজিয়ে রাখলে এর প্রোটিন ও ভিটামিনের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি পায় এবং তা হজমও সহজ হয়।

    স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম হেলথ শটসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাইট-ক্যালোরিসের প্রতিষ্ঠাতা ও ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট ও ডায়েটিশিয়ান ঋতু খানেজা পরামর্শ দিয়েছেন, ভিজিয়ে রাখা ছোলার সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ সর্বোচ্চ পেতে এটি কীভাবে এবং কতটুকু খাবেন, তা জানা জরুরি। একমুঠো ছোলা অন্তত ৮ ঘণ্টা ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখা উচিত। হালকা গরম পানিতে ভেজানো হলে ৪-৫ ঘণ্টাই যথেষ্ট। তবে একসঙ্গে বেশি পরিমাণ ভেজানো ছোলা খাওয়া ঠিক নয়। এতে পেট খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    এ পুষ্টিবিদ বলেন, ভেজানো ছোলা খাওয়ার সেরা সময় হচ্ছে সকাল বেলা। এর পেছনেও যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। খালি পেটে ছোলা খাওয়া হলে এটি দিনভর আপনাকে কর্মক্ষম রাখবে ও শক্তি সরবরাহ করবে। সকালের নাশতায় অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করা হলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে। আবার ডায়াবেটিস থাকলে সেদ্ধ করা ছোলা অন্যসব শাকসবজির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। যা দিনভর রক্তের শর্করার সমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

    রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা:
    ভিজিয়ে রাখা ছোলায় থাকা কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফাইবার হজম প্রক্রিয়া ধীর করে দেয় এবং শরীরে শর্করার শোষণ নিয়ন্ত্রণ করে। খাবারে ভেজানো ছোলা যোগ করা হলে তা রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।

    ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা:
    ভেজানো ছোলায় ক্যালোরি কম থাকে এবং পুষ্টিতে ভরপুর হয়। প্রোটিন, ফাইবারের ভালো উৎস এবং এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও কম। ফলে ছোলায় থাকা উচ্চ মাত্রার ফাইবার ক্ষুধাভাব মেটায়, যা দীর্ঘক্ষণ অতিরিক্ত খাবার খাওয়া বা অস্বাস্থ্যকর নাশতা খাওয়া থেকে দূরে রাখে।

    চুলের স্বাস্থ্যে উপকারী:
    স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল চাইলে খাদ্যতালিকায় ভেজানো ছোলা রাখতে পারেন। ভিজিয়ে রাখা ছোলায় ভিটামিন এ, বি৬, জিঙ্ক ও ম্যাঙ্গানিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে, যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আবার অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধেও ভিজিয়ে রাখা ছোলা খাওয়া উপকারী।

    দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী:
    ভিজিয়ে রাখা ছোলা ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো খনিজের দুর্দান্ত উৎস, যা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাসে ভূমিকা রাখে। এ কারণে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। নিয়মিত ভেজানো ছোলা বিউটিরেট নামক ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরিতে সহায়তা করে, যা প্রদাহ কমায়। এছাড়া ছোলায় বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলন, স্তন ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

    হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়:
    অনেকেই আছেন যারা নিরামিষ পছন্দ করেন। তাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রনের ক্ষেত্রে সেরা উৎস হচ্ছে ভেজানো ছোলা। যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায় এবং রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগীর জন্য দুর্দান্ত খাবার।

    বার্ধক্যের ছাপ রোধ:
    বয়স যদি ৩০-এর বেশি হয় এবং মুখে বলিরেখা থাকলে অনেকেই এ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। এই চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভেজানো ছোলা যুক্ত করুন। ভিজিয়ে রাখা ছোলা বার্ধক্যের ছাপ প্রতিরোধ করে। কারণ, এতে ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে, যা বলিরেখা সৃষ্টিকারী ফ্রি র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে থাকে।

  • রা’তে ঘু’ম আসছে না? একজোড়া মো’জাই হতে পারে সহজ স’মাধান

    রা’তে ঘু’ম আসছে না? একজোড়া মো’জাই হতে পারে সহজ স’মাধান

    বিছানায় শুয়ে দীর্ঘক্ষণ এপাশ-ওপাশ করা বা অনিদ্রায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য একজোড়া সাধারণ মোজা হতে পারে কার্যকর সমাধান। শুনতে কিছুটা অপ্রচলিত মনে হলেও, ঘুমের আগে পা উষ্ণ রাখার এই অভ্যাসের পেছনে সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, পা উষ্ণ রাখলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়, যা দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে এবং দীর্ঘসময় নিরবচ্ছিন্ন ঘুমে সহায়তা করে।

    ঘুম বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের ঘুমের প্রক্রিয়ার সঙ্গে শরীরের মূল তাপমাত্রার (কোর টেম্পারেচার) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ঘুমানোর প্রস্তুতি নেওয়ার সময় শরীর স্বাভাবিকভাবেই তার অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমাতে শুরু করে। পা উষ্ণ রাখলে হাত ও পায়ের রক্তনালিগুলো প্রসারিত হয়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘ভাসোডিলেশন’। এই প্রক্রিয়ায় শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপ প্রান্তীয় অংশ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে, যা মূল তাপমাত্রা দ্রুত কমাতে সাহায্য করে। ফলে মস্তিষ্ক দ্রুত ঘুমের সংকেত পায়।

    ‘জার্নাল অব ফিজিওলজিক্যাল অ্যানথ্রোপলজি’-তে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বিছানায় মোজা পরার প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ছয়জন তরুণের ওপর পরিচালিত এই পরীক্ষায় দেখা গেছে, মোজা পরে ঘুমালে অংশগ্রহণকারীরা স্বাভাবিকের চেয়ে গড়ে ৭.৫ মিনিট আগে ঘুমিয়ে পড়তে সক্ষম হন। এছাড়া তাদের মোট ঘুমের সময় প্রায় ৩২ মিনিট বৃদ্ধি পায় এবং রাতে হঠাৎ জেগে ওঠার প্রবণতাও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মোজা ব্যবহারের ফলে ঘুমের সামগ্রিক দক্ষতা প্রায় ৭.৬ শতাংশ উন্নত হয়েছে।

    পরীক্ষায় দেখা যায়, মোজা পরার কারণে অংশগ্রহণকারীদের পায়ের তাপমাত্রা গড়ে ১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছিল। গবেষকরা জানান, উষ্ণ পা শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপ বাইরে ছড়িয়ে দিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, যা ঘুমের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। তবে গবেষণাটি অল্প সংখ্যক মানুষের ওপর পরিচালিত হওয়ায় এটি সবার ক্ষেত্রে একইভাবে কাজ করবে কি না, তা নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

    তা সত্ত্বেও, যারা রাতে পা ঠান্ডা থাকার কারণে অস্বস্তিতে ভোগেন বা দেরিতে ঘুমানোর সমস্যায় রয়েছেন, তাদের জন্য আরামদায়ক মোজা ব্যবহার একটি কার্যকর ঘরোয়া কৌশল হতে পারে। প্রাচীন এই অভ্যাসটি যে কেবল আরামদায়ক নয় বরং এর পেছনে শক্ত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে, তা এই গবেষণার মাধ্যমে পুনরায় প্রমাণিত হলো।

  • আপনার ফো’ন হা’রিয়েছে? সু’রক্ষা’য় এখনই করুন এই ৫ কা’জ, জেনে নিন উ’পকারে আসবে

    আপনার ফো’ন হা’রিয়েছে? সু’রক্ষা’য় এখনই করুন এই ৫ কা’জ, জেনে নিন উ’পকারে আসবে

    স্মার্টফোন হারিয়ে যাওয়ার মতো বিরক্তিকর পরিস্থিতি এই যেযেন একেকটি ছোটখাটো দুঃস্বপ্ন, কারণ আমাদের পুরো দুনিয়াটাই ওই ছোট্ট যন্ত্রটির ভেতর বন্দি থাকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ছবি বা জরুরি চ্যাট। এমন বিপদে পড়লে ঘাবড়ে না গিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, যা আপনার গোপনীয়তা এবং অর্থ-কড়িকে সুরক্ষিত রাখবে।

    সিম কার্ডটা সবার আগে বন্ধ করুন: ফোন হারানোর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সিমটা লক করিয়ে দিন। কারণ, ওই নম্বরের ওটিপি হাতে পেলে হ্যাকাররা আপনার সোশ্যাল মিডিয়া বা ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট মুহূর্তেই কবজা করে নিতে পারে। পরে দরকার হলে একই নম্বর দিয়ে নতুন সিম তুলে নেওয়া যাবে।

    ব্যাংক ও পেমেন্ট অ্যাপগুলো সুরক্ষিত করুন: আপনার ব্যাংকগুলোকে ফোন করে মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং ইউপিআই পরিষেবাগুলো সঙ্গে সঙ্গে সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বলুন। ফোনে থাকা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডগুলোর তথ্য যাতে কেউ অপব্যবহার করতে না পারে, তাই সেগুলোও ব্লক করে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

    দূর থেকেই ফোনটা লক করে দিন: আপনার ফোনটি যদি অ্যান্ড্রয়েড হয়, তবে গুগলের ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ ব্যবহার করুন, আর আইফোন হলে অ্যাপলের আইক্লাউড সার্ভিস দিয়ে ফোনটিকে রিমোটলি লক বা রিসেট করে ফেলুন। এতে ফোনটা যার হাতেই যাক না কেন, আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো অন্তত সুরক্ষিত থাকবে।

    আইএমইআই নম্বর ব্লক করুন: ফোন ফিরে পাওয়ার আশা না থাকলে তার আইএমইআই নম্বরটি ব্লক করে দিন । এটি করা হলে ফোনটি যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে পুরোপুরি ব্লক বা অকেজো হয়ে যায়, ফলে চোরেরা ডিভাইসটি আর কোনোভাবেই ব্যবহার করতে পারবে না।

    পুলিশে একটা জিডি রাখুন: ফোনটি যদি চুরি হয়ে গিয়ে থাকে, তবে অবশ্যই নিকটস্থ থানায় গিয়ে দ্রুত একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা অভিযোগ করে রাখুন। ভবিষ্যতে যদি ফোনটির অপব্যবহার করে কোনো বেআইনি কাজ করা হয়, তখন পুলিশের এই লিখিত অভিযোগটি আপনার আইনি সুরক্ষার বড় প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগবে।