Author: Kolome71

  • ইফতারে ভুলেও খাবেন না ৩ খাবার, জেনে নিন

    ইফতারে ভুলেও খাবেন না ৩ খাবার, জেনে নিন

    রোজা রাখার কারণে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। তাই ক্ষুধা বেশি লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না—দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকার পর আপনি কোন খাবার খেতে পারবেন আর কোন খাবার খেতে পারবেন না! এ ব্যাপারে খুব সতর্ক হতে হবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু খাবার রয়েছে যা খালি পেটে খেলে শরীরে তাৎক্ষণিক অ্যাসিডিটি, পেট ব্যথা কিংবা বুকে জ্বালাপোড়ার কারণ হয়ে ওঠে।

    পুষ্টিবিদদের তথ্যে জেনে নিই, কোন খাবারগুলো ইফতারে এড়িয়ে চলা প্রয়োজন—

    সাইট্রাস ফল ও এর তৈরি ঠান্ডা শরবত
    ইফতারে ফল খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেকেরই। কিন্তু খালি পেটে সাইট্রাস জাতীয় ফল খেলে পেট ভার হয়ে থাকে, পেটে অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়। আর এসব ফলে থাকা ফ্রুক্টোজ হজম-প্রক্রিয়াকে মন্থর করে দেয়। তাই ইফতারে খাদ্যতালিকায় কমলালেবু, মুসুম্বি জাতীয় ফল রাখবেন না। এসব ফলের তৈরি ঠান্ডা জুস বা শরবতও বাদ দিন। কারণ ঠান্ডা পানি সর্দি-কাশির সমস্যা তৈরি করে এবং হজমের গতি মন্থর করে।

    তৈলাক্ত খাবার
    ইফতারে তেলের তৈরি নানা পদের ভাজাপোড়া দিয়ে ছোলা, মুড়ি মাখা খাওয়ার চল রয়েছে এদেশে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর এ তৈলাক্ত খাবার পেটে গ্যাসসহ নানা গোলযোগের কারণ হয়ে ওঠে। তাই চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন এ খাবার চালিয়ে যাওয়ার অভ্যাসে পেটে মেদের পরিমাণও বাড়তে থাকে। শুধু তাই নয়, খালি পেটে এমন খাবার বেছে নিলে ভুগতে হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি অন্ত্রের সমস্যাতেও। পড়তে পারেন আলসার ও ক্যানসারের মতো জটিল রোগে।

    চা-কফি
    ইফতারে ভারী খাবারের পর চা-কফি খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে প্রতিটি ঘরে ঘরে। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, এ অভ্যাস শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকার পর ভারী খাবার খাওয়ার পর আবার চা-কফি খেলে শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়তে থাকে, যা রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করে। অগ্ন্যাশয় ও যকৃতের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ে।

    তাই ইফতারে প্রাধান্য দিতে পারেন সুষম খাবার, সবজি, ইসবগুলের শরবত, খেজুর, দই এবং সহজে হজম হয় এমন খাবার। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

  • সেহরির পর থেকে ঘুমাচ্ছেন, ঘুম থেকে উঠেই যা করবেন

    সেহরির পর থেকে ঘুমাচ্ছেন, ঘুম থেকে উঠেই যা করবেন

    পবিত্র রমজান মাসে অনেকেই সেহরি খেয়ে সরাসরি ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের স্বল্প ঘুম, ফজরের নামাজ ও দিনের ব্যস্ততার কারণে এটি অনেকের জন্য প্রয়োজনীয়ও হয়ে পড়ে। 

    তবে সেহরির পর ঘুম এবং ঘুম থেকে ওঠার পর কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অনুসরণ না করলে হজমের সমস্যা, অবসাদ, মাথাব্যথা কিংবা পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছোট কিছু নিয়ম মানলেই সারা দিন সতেজ থাকা সম্ভব।

    কেন সতর্ক থাকা জরুরি

    সেহরিতে সাধারণত ভাত, রুটি, ডাল, মাংস, ডিম কিংবা দুধজাত খাবার খাওয়া হয়। খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে হজম ধীর হতে পারে এবং অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বালাপোড়া দেখা দেয়। 

    আবার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে পানির ঘাটতিও তৈরি হতে পারে। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরকে ধীরে ধীরে সক্রিয় করা গুরুত্বপূর্ণ।

    ঘুম থেকে উঠে যা করবেন

    ১. ধীরে উঠুন, হঠাৎ নয়

    হঠাৎ করে বিছানা ছাড়লে মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগতে পারে। কয়েক মিনিট বসে থেকে শরীরকে স্বাভাবিক হতে দিন।

    ২. হালকা স্ট্রেচিং করুন

    হাত-পা ও ঘাড়ের হালকা ব্যায়াম রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। ৫–৭ মিনিটের স্ট্রেচিংই যথেষ্ট।

    ৩. মুখ-হাত ধুয়ে সতেজ হন

    ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুলে ঘুমঘোর কাটে। এতে মনোযোগও বাড়ে।

    ৪. পানিশূন্যতার লক্ষণ খেয়াল করুন

    রমজানে দিনের বেলায় পানি পান করা যায় না। তাই মাথাব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা গা শুকিয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে ইফতার ও সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পানের পরিকল্পনা করুন।

    ৫. ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন

    ঘুম থেকে উঠেই কঠিন শারীরিক পরিশ্রম না করাই ভালো। প্রথমে হালকা কাজ দিয়ে শুরু করুন।

    ৬. সুষম খাদ্য পরিকল্পনা করুন

    যদি নিয়মিত সেহরির পর ঘুমান, তবে সেহরিতে অতিরিক্ত তেল-ঝাল খাবার এড়িয়ে চলুন। আঁশযুক্ত খাবার, প্রোটিন ও পর্যাপ্ত পানি শরীরকে দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

    বিশেষ সতর্কতা

    যাদের গ্যাস্ট্রিক, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সেহরি-পরবর্তী ঘুমের অভ্যাস নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। প্রয়োজনে খাবারের ধরন ও পরিমাণে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মূল চাবিকাঠি হলো নিয়মিত ঘুম, সুষম খাদ্য ও পরিমিত শারীরিক সক্রিয়তা। সেহরি খেয়ে ঘুমালে ক্ষতি নেই—তবে ঘুম থেকে উঠে সচেতনভাবে দিন শুরু করাই হতে পারে সুস্থ থাকার সহজ উপায়।

  • প্রাথমিকভাবে ৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    প্রাথমিকভাবে ৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য নিম্নরূপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে—

    কমিটির গঠন : অর্থমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    এ ছাড়াও কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সচিব, অর্থ বিভাগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব।

    এ কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন। কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল ডাটাবেজ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।

    কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

    এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কমিটি, দায়িত্বে আছেন যারা

    ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কমিটি, দায়িত্বে আছেন যারা

    প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরও ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

    এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

    এর আগে বিএনপি ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা প্রথমেই হতদরিদ্র পরিবার পাবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর রশীদ।

    তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য বেশ কিছু জেলা ও উপজেলা চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমে হতদরিদ্র পরিবারকে এই সুবিধা দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা বাড়ানো হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নগদ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হতদরিদ্র পরিবারের নারীদের নগদ টাকা তাদের পরিবারের জন্য অনেক গুরুত্ব বহন করে। দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক করা হবে প্রাথমিকভাবে কত মানুষ এ সুবিধা পাবেন।

  • ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি গঠন, আছেন যারা

    ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি গঠন, আছেন যারা

    প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরো ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

    এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

  • শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর

    শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর

    সরকারি চাকরিজীবীদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরও উৎসব ভাতা শতভাগ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পান। সেই ভাতাকে শতভাগ করার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে তিনি কথা বলেন।

    সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলেন, যেখানে সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের শতভাগ উৎসব ভাতা পান, সেখানে বেসরকারি শিক্ষকরা কেন একই সুবিধা পাচ্ছেন না। জবাবে তিনি বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের উৎসব ভাতার বিষয়টি আমি জানি। এবার এটি আমাদের সরকারের আমলে বাস্তবায়িত হবে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

    এর আগে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জমা দিয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বা ঘুষ-বাণিজ্যের বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।

    শিক্ষকদের বদলির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব চালু করা হবে। আমাদের আশা, শিগগিরই এটি কার্যকর করা যাবে।

    যদি সিস্টেমে কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।’

    বেতন বিলম্ব নিয়ে তিনি আরো জানান, ‘যদি কোনো মাসে বেতন প্রদানে দেরি হয়, বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং তা দ্রুত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ কারণে বিলম্ব হলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।’

  • ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ মিলবে নগদ টাকা, পাবেন যারা

    ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ মিলবে নগদ টাকা, পাবেন যারা

    পাঁচ কোটি পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

    বৈঠক শেষে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে চাকরিচ্যুত করতে হলে বিধি অনুযায়ী করতে হবে।

    মব করে কাউকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না। বাসসে যেটা হয়েছে সেটা শুনেছি। এই ঘটনা দুঃখজনক।’

    এ সময় কৃষিমিন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে নগদ টাকা দেওয়া হবে।

    ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে হতদরিদ্র এবং নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

    পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হবে। ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। হতদরিদ্র পরিবার সবার আগে ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

    এরপর দরিদ্র পরিবার পাবে।’

  • রোজায় ১০ লাখ পরিবারকে কম দামে দুধ-ডিম ও মাং’স দেবে সরকার

    রোজায় ১০ লাখ পরিবারকে কম দামে দুধ-ডিম ও মাং’স দেবে সরকার

    পবিত্র রমজানে নিম্ন আয়ের ১০ লাখ পরিবারকে সুলভ মূল্যে প্রোটিনের চাহিদা পূরণের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানীর ২৫টি স্পটে কম দামে এ পণ্য বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার ১০ লাখ পরিবার কম দামে দুধ, ডিম ও মাংস কিনতে পারবেন। এ লক্ষ্যে উত্তরা, আজিমপুর, মিরপুরসহ রাজধানীর ২৫টি স্পটে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। চলবে পুরো রমজান মাস জুড়ে।

    দেশের অন্যান্য জেলাতেও এই উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ‘এতে ডিমের ডজন মিলছে ৯৬ টাকায়, ১ কেজি দুধ ৮০ টাকা ও ১ কেজি মাংস ৬৫০ টাকায়। এই উদ্যোগের ফলে বাজারেও জিনিস পত্রের দাম কমে আসবে।’

    রমজান মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়ায় বিধায় নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট বেড়ে যায় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ তাদের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বিত টিমওয়ার্কের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    কাঁচা ডিম বাণিজ্যমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

  • স্কুলের সংশোধিত ছুটির তালিকা প্রকাশ

    স্কুলের সংশোধিত ছুটির তালিকা প্রকাশ

    সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতিরেকে বছরে ছুটি থাকবে মোট ৬৭ দিন।

    শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, বড় ছুটির মধ্যে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ৩৬ দিন (সাপ্তাহিক ছুটিসহ) বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

    যা আজ থেকেই শুরু হয়েছে।

    এ ছাড়া ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের জন্য ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১০ দিন এবং বছরের শেষে শীতকালীন অবকাশ ও বড়দিন উপলক্ষে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসের জন্য নির্দিষ্ট দিবসগুলোতে ছুটি থাকবে।

    প্রজ্ঞাপনে ছুটির তালিকার পাশাপাশি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।

    সে অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর এবং বার্ষিক পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট তারিখও নির্ধারণ করে দিয়েছে।

    পরীক্ষা সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার সময়কাল ১২ কর্মদিবসের বেশি হবে না। বিদ্যালয়গুলোকে নিজস্ব প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিতে হবে; কোনোভাবেই বাইরে থেকে সংগৃহীত প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। বিশেষ কারণ ছাড়া পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা নিষিদ্ধ, তবে একান্ত প্রয়োজনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি নিতে হবে।

    এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন বা সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া বা শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রাখা যাবে না। এমনকি পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    তবে ভর্তি কার্যক্রম বা অন্য পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটির দিনেও বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

  • রোজায় যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

    রোজায় যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

    বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান মাস। বাংলাদেশের আকাশে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজানের নতুন চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সিয়াম সাধনা বা রোজা রাখা শুরু করবেন। 

    এ সময় আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তিত—না শীত, না গরম। তাপমাত্রা কমলে বা বাড়লে রোগ প্রতিরোধক্ষমতার ওপর সেটার প্রভাব পড়তে পারে। রোজার সময় বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর খাবার অথবা ভাজাপোড়া বেশি খেলে শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এ সময় সুস্থ থেকে সব কটি রোজা রাখতে চাই সঠিক খাদ্যাভাস।

    শুরুতেই বলা দরকার, ভাজাপোড়া না খাওয়ার বিষয়ে কঠোর থাকা উচিৎ। বাঙালি নাশতা হিসেবে ভাজাপোড়া খেতে পছন্দ করে। রোজার মাসে ইফতারি হিসেবে ভাজাপোড়ার কদর আরও বেড়ে যায়। কিন্তু অনেকেই জানেন না ইফতারে নিয়মিত ভাজাপোড়া খেলে, বিশেষ করে গরমের মধ্যে খেলে কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে।
     
    রোজা থাকার কারণে অনেক রোজাদারের শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। ইফতারি হিসেবে তাই লম্বা সময় পরে ভাজাপোড়া খেলে তা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। ভাজাপোড়া–জাতীয় খাবার হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম কারণ।

    অনেক ভাজাপোড়া খাবারে অতিরিক্ত চিনি ও লবণ মেশানো হয়, ফলে রক্তের চিনির মাত্রা ও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। ভাজাপোড়াগুলোকে আকর্ষণীয় করার জন্য যে কেমিক্যাল বা রং মেশানো হয়, সেগুলো অতিরিক্ত গ্রহণে ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    ডুবো তেলে ভাজা খাবার উচ্চ ক্যালরির, তাই স্যাচুরেটেড ও ট্রান্সফ্যাটের কারণে হৃদ্‌রোগ, স্থূলতা, টাইপ–২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। অনেকের ক্ষেত্রেই ওজন বেড়ে শারীরিক নানা সমস্যা তৈরি করে। এসব খাবারে অতিরিক্ত তেল শুষে নেওয়ার কারণে বুকজ্বালা, হজমের সমস্যা দেখা দেয়। 

    প্রতিদিনের ইফতারের খাবার হওয়া উচিৎ সহজপাচ্য ও কম তেল–মসলাযুক্ত। কারণ, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে গুরুপাক ও ভারী খাবার খেলে হজমের ব্যঘাত ঘটতে পারে, তৈরি হতে পারে শারীরিক জটিলতা। সে জন্য একটি খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার শুরু করতে পারেন।

    এরপর অল্প অল্প করে বারবার বিশুদ্ধ খাবার পানি খেতে হবে। ডাবের পানি, লেবুপানি, মৌসুমি ফলের রস খেতে পারেন। এগুলোর সঙ্গে তোকমাদানা, চিয়া সিড, ইসবগুলের ভুসি, তিসি মিশিয়ে খেতে পারেন।

    ভাজাভুজি বা ছোলাভুনার পরিবর্তে অঙ্কুরিত ছোলার সঙ্গে শসা, টমেটো, লেবু ও দুই–তিন কোষ কাঁচা রসুন কুচি করে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। দুই–তিন রকম ডালের সঙ্গে মুরগির মাংস মিশিয়ে কম মসলা দিয়ে হালিম তৈরি করে খেতে পারেন।

    টক দই দিয়ে লাল চিড়া, ওটস, বার্লিও খেতে পারেন। সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন ব্লেন্ড করা কোনো মৌসুমি ফল। বিভিন্ন মৌসুমি সবজি, মুরগির মাংস মিশিয়ে স্যুপ বানিয়েও খেতে পারেন। দুধের সঙ্গে সাবুদানা, সুজি দিয়ে ফালুদা বানিয়ে বা দুধ–ডিমের পুডিংও তৈরি করে খেতে পারেন। 

    পবিত্র মাহে রমজানে অনেকেই রাতে না খেয়ে সরাসরি সাহ্‌রিতে খাবার খান, এই অভ্যাস ঠিক নয়। অন্যান্য সময়ের সকালের নাশতার পরিমাণ খাদ্য রাতে খেতে হবে। এই সময়ে সহজেই হজম হয়, এমন খাবার খান।

    যেমন লাল আটার রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি। সবজি ও চিকেন মিক্স স্যুপ খেতে পারেন। দুধের সঙ্গে সামান্য ওটস, লাল চিড়া, বার্লি ও খেজুর ব্লেন্ড করে স্মুদি বানিয়ে খেলেও ভালো লাগবে। রাতের খাবারের পর টক দই খেতে পারলে ভালো হয়, যা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।