একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। দ্রুত ক্লাস শুরু করার লক্ষ্যে এবার শিক্ষার্থীদের তিন ধাপে নয়, বরং এক ধাপেই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। একক আবেদনের নিয়ম চালুর ফলে এবার আর মাইগ্রেশনের কোনো সুযোগ থাকছে না।
তবে পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, যারা প্রথম ধাপে আবেদন করতে পারবেন না কিংবা কোনো কারণে কলেজ পাবেন না—তাদের জন্য পরবর্তীতে পুনরায় আবেদনের সুযোগ রাখা হবে। ভর্তি নীতিমালা কমিটি দ্রুততম সময়ে ক্লাস শুরু করার উদ্দেশ্যে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আগে এসএসসি ও সমমানে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তিন ধাপে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারত। এবার সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই অনলাইন আবেদন শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ক্লাস শুরু করতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য আরেক দফা আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে। তাদের ক্লাসও ১ অক্টোবরের মধ্যে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
গত রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রথম ধাপে সবাইকে জিপিএর ভিত্তিতে কলেজ পছন্দের সুযোগ দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা ন্যূনতম পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ করতে পারবে। আবেদন ফি আগের মতো ১৫০ টাকাই থাকবে। তবে প্রথম ধাপে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা কলেজে ভর্তি হবে, তাদের মাইগ্রেশনের সুযোগ থাকবে না।
পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশের পর যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের জন্য দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ রাখা হবে। প্রথম ধাপে আবেদন না করা, কোনো কারণে কলেজ না পাওয়া বা নিশ্চয়ন না করা শিক্ষার্থীরাও ওই ধাপে আবেদন করতে পারবে। পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা পছন্দের কলেজে যাতে ভর্তি হতে পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কলেজে আসনসংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। নতুন কলেজে ভর্তি হলে আগের কলেজকে ভর্তির পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে।

Leave a Reply