মেসি শীর্ষে, ফিফার যে র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে আছেন এক ব্রাজিলিয়ানও

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড শেষে প্রকাশিত ফিফার নতুন ‘পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং’-এ আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। টুর্নামেন্টে অংশ নেয়া সব ফুটবলারের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এই র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে ফিফা।

আক্রমণভাগের সেরা ১০ খেলোয়াড়ের তালিকায় একমাত্র ব্রাজিলিয়ান হিসেবে জায়গা পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিনি রয়েছেন নবম স্থানে। মেসির পর দ্বিতীয় স্থানে আছেন নিউজিল্যান্ডের এলাইজা জাস্ট এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে।

ফিফা তাদের র‌্যাঙ্কিংকে তিনটি বিভাগে ভাগ করেছে; আক্রমণ, সৃজনশীলতা (ক্রিয়েটিভিটি) এবং রক্ষণ। সৃজনশীলতার তালিকায় শীর্ষে আছেন ইরানের রামিন রেজাইয়ান, যিনি পেয়েছেন ৮.২৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে রক্ষণভাগের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কানাডার ডেরেক কর্নেলিয়াস, যার সংগ্রহ ৭.২৮ পয়েন্ট।

সৃজনশীলতার র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের সেরা অবস্থানে রয়েছেন লুইজ হেনরিক, তবে তিনি আছেন ৬৭তম স্থানে। রক্ষণভাগে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ স্কোর পেয়েছেন ডগলাস সান্তোস, যিনি অবস্থান করছেন ৬১তম স্থানে।

আক্রমণভাগের সেরা দশে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, নিউজিল্যান্ডের এলাইজা জাস্ট, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারি, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন, নরওয়ের আর্লিং হলান্ড, আইভরি কোস্টের আমাদ দিয়ালো, সুইডেনের আলেক্সান্ডার ইসাক, ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং কলম্বিয়ার লুইস দিয়াজ।

সৃজনশীলতার তালিকার সেরা দশে রয়েছেন ইরানের রামিন রেজাইয়ান, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে, জার্মানির ফ্লোরিয়ান ভির্টজ, দক্ষিণ কোরিয়ার কাং-ইন লি, প্যারাগুয়ের হুলিও এনসিসো, নেদারল্যান্ডসের রায়ান গ্রাভেনবার্খ, ইংল্যান্ডের বুকায়ো সাকা, আইভরি কোস্টের আমাদ দিয়ালো, মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজ এবং মিশরের মোহাম্মদ সালাহ।

রক্ষণভাগের সেরা দশে আছেন কানাডার ডেরেক কর্নেলিয়াস, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার নিকোলা কাতিচ, তারিক মুহারেমোভিচ ও আমার দেদিচ, অস্ট্রিয়ার জাভার শ্লাগার, যুক্তরাষ্ট্রের টাইলার অ্যাডামস, কেপ ভার্দের সিডনি লোপেস ও উইলি সেমেদো, মেক্সিকোর হেসুস গায়ার্দো এবং অস্ট্রেলিয়ার আলেসান্দ্রো সিরকাতি।

ফিফা জানিয়েছে, নতুন এই ‘পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং’ তৈরি করা হয়েছে ম্যাচভিত্তিক পারফরম্যান্স ডেটার ওপর ভিত্তি করে। গোলরক্ষকদের বল দখল ও রক্ষণভাগে অবদানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে মাঠের খেলোয়াড়দের আক্রমণ, সৃজনশীলতা ও রক্ষণ; এই তিন বিভাগে ০ থেকে ১০ স্কোর দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ শেষে এই র‌্যাঙ্কিং নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *