Blog

  • সংসদ সদস্যরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

    সংসদ সদস্যরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সংসদ গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের সংসদ সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছেন। এরপর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান।

    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি) শুধু আইন প্রণয়ন ও জনগণের প্রতিনিধিত্বই করেন না, রাষ্ট্র তাদের জন্য নির্ধারণ করেছে সম্মানী-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার একটি বিস্তৃত কাঠামো।

    এসব সুবিধা নির্ধারিত হয়েছে ‘সংসদ সদস্য (পারিশ্রমিক ও ভাতা) আদেশ, ১৯৭৩’ অনুযায়ী, যা সময় সময় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ করা হয়েছে। নিচে আইনি কাঠামো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এমপিদের প্রাপ্ত প্রধান সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো—

    মাসিক সম্মানী

    সংসদ সদস্যরা মাসিক ৫৫ হাজার টাকা হারে সম্মানী পান। এটি তাদের মূল পারিশ্রমিক, যা পুরো দায়িত্বকালজুড়েই প্রযোজ্য।

    নির্বাচনী এলাকা ভাতা

    সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় কাজ পরিচালনা, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতার জন্য পান মাসিক ১২ হাজার ৫০০ টাকা।

    আপ্যায়ন ভাতা

    অতিথি আপ্যায়ন, সামাজিক যোগাযোগ ইত্যাদির জন্য সংসদ সদস্যরা মাসিক পাঁচ হাজার টাকা ভাতা নির্ধারিত।

    শুল্কমুক্ত গাড়িসুবিধা

    সংসদ সদস্যদের একটি বড় সুবিধা হলো—দায়িত্বকালীন একটি গাড়ি/জিপ/মাইক্রোবাস; কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট, ডেভেলপমেন্ট সারচার্জ ও আমদানি পারমিট ফি ছাড়া আমদানির সুযোগ এবং পাঁচ বছর পর একই শর্তে আরেকটি নতুন গাড়ি আমদানির সুযোগ।

    পরিবহন ভাতা

    যাতায়াত, জ্বালানি, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতন মিলিয়ে এমপিরা মাসিক ৭০ হাজার টাকা পরিবহন ভাতা পান।

    অফিস ব্যয় ভাতা

    নির্বাচনী এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

    লন্ড্রি ও আনুষঙ্গিক ভাতা

    সংসদ সদস্যরা প্রতি মাসে লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় (রান্নার সরঞ্জাম, লিনেন, টয়লেট্রিজ) ছয় হাজার টাকা।

    ভ্রমণ ভাতা (সেশন ও কমিটি)

    সংসদ অধিবেশন বা কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে—বিমান/রেল/জাহাজে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড় গুণ পর্যন্ত ভাতা এবং সড়কপথে ভ্রমণে কিলোমিটার প্রতি ১০ টাকা পান।

    দৈনিক ভাতা

    দায়িত্ব পালনের সময় অবস্থান ভাতা—দৈনিক ভাতা ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং যাতায়াত ভাতা ৭৫ থেকে ২০০ টাকা (উপস্থিতি রেকর্ডভিত্তিক) পান।

    দেশে অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ

    প্রতি বছর সংসদ সদস্যরা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ-ভাতা অথবা সমপরিমাণের নন-ট্রান্সফারেবল ট্রাভেল পাস পান।

    চিকিৎসা সুবিধা

    সংসদ সদস্যরা ও তাদের পরিবার সদস্যরা প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা-সুবিধা এবং মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান।

    টেলিফোন সুবিধা

    বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ এবং কল ও ভাড়া বাবদ মাসিক ৭ হাজার ৮০০ টাকা পান।

    বিমা-সুবিধা

    দায়িত্বকালীন দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার বিমা-সুবিধা পান।

    ঐচ্ছিক অনুদান

    জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের জন্য বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ পান।

    কর সুবিধা

    এই আদেশ অনুযায়ী প্রাপ্ত ভাতাগুলো আয়করমুক্ত।

    প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব বনাম রাষ্ট্রীয় সুবিধা

    আইন অনুযায়ী এই সুবিধাগুলো সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা, নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিতি নিশ্চিত করা, গণসংযোগ জোরদার এবং প্রশাসনিক কাজ সহজ করার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত।

    তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাতার পরিমাণ, সুবিধার পরিধি ও জবাবদিহি নিয়ে জনপরিসরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, বিশেষ করে স্বচ্ছতা, কার্যকারিতা ও জনসেবার সঙ্গে সুবিধার সামঞ্জস্য নিয়ে।

  • বোর্ডে আসবেন না ইশরাক, জানালেন সাকিব-মাশরাফিকে নিয়েও

    বোর্ডে আসবেন না ইশরাক, জানালেন সাকিব-মাশরাফিকে নিয়েও

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অনেক আগেই সরে গিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তাজা। ঘরোয়া ক্রিকেটে শুধু খেলে যাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জনসম্মুখে নেই সাবেক এই সংসদ সদস্য। জুলাই অভ্যুথানের পর সাকিব আল হাসানের নামে একাধিক মামলা হয়। একই কারণে দেশের বাইরে তিনি।

    তবে সাকিব-তামিমকে রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখছেন না সম্প্রতি ঢাকা-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইশরাক হোসেন। দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোকেও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেন না তিনি।

    এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইশরাক বলেন, ‘‘তারা ক্রিকেটার এবং শুধু কোনো যেন তেন ক্রিকেটার না, তারা আমাদের দেশের অ্যাসেট। আমি ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করছি। জনগণ তাদেরকে ইতোমধ্যেই এক প্রকার জবাব দিয়ে দিয়েছে, সমাজ দিয়ে দিয়েছে। আর তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার যে মামলা হয়েছে, সেটি আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় নাই, তারা গিয়ে অর্ডার ক্যারি আউট করেছে অথবা নিজেরা হাতে বন্দুক নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় নাই।’’

    পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সবশেষ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইশরাক, ‘‘আপনারা তো জানেন বিসিবির কাউন্সিলর কেমন করে হয়, সেখানে জেলা প্রশাসক কাউন্সিলর নিয়োগ দেন। এটা মহাদুর্নীতি, বাণিজ্য এবং পক্ষপাতিত্যমূলক করে নিজেদের সিন্ডিকেটকে বোর্ডে বসানোর চেষ্টা যখন সরকারের উপদেষ্টার পক্ষ থেকে হলো, তখন তো আমরা বসে থাকতে পারি না।’’

    বোর্ড নয়, তার চেয়ে বরং ইশরাক করতে চাই ফুল টাইম রাজনীতি, ‘‘আমিও তো একজন কাউন্সিলর। আমি কখনো বোর্ডে আসব না। আমার বোর্ডে আসার সময় নাই। আমি ফুলটাইম রাজনীতি করব। আমি চাই যারা ফুলটাইম ক্রীড়া সংগঠক, তারা আসুক। আমরা তাদের সাহায্য করবো।’’

  • বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় যারা

    বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় যারা

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জেতার ফলে দেশের শাসনব্যবস্থায় আসছে ব্যাপক পরিবর্তন। জাতীয় সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদীয় কমিটির সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হবে। দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

    সেই ধারাবাহিকতায়, বিরোধী দল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার হবেন। এই দৌড়ে আলোচনায় আছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।

    একই সঙ্গে এই পদের জন্য দৌড়ে আছেন মীর কাসেম আলির ছেলে ব্যারিস্টার আহমদ বিনকাসেম আরমান। তবে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের সম্ভাবনা বেশি। 

    সূত্রমতে, ১১ দলের শরিকদের মধ্যে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ হতে পারেন বিরোধীদলের হুইপ। জামায়াত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মাসুম বলেন, সংসদের এসব পদ নিয়ে দলের এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তাছাড়াও ১১ দলীয় জোট টিকিয়ে রাখার স্বার্থে শরিকদের জন্যও ছাড় দিতে হবে।

    এবার নির্বাচিত সংসদকে দুই ধরনের দায়িত্ব পালন করতে হবে। শপথ গ্রহণের পর প্রথম ১৮০ দিন সংসদ-সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করবেন। এরপর তারা নিয়মিত আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। 

    জুলাই সনদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ একাধিক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন বা গঠন করা হবে। পাশাপাশি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে, যাতে অর্থবিল ও সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব ছাড়া অন্য সব বিলে সংসদ-সদস্যরা দলীয় অবস্থানের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন।

  • পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সবশেষ যা জানা গেল

    পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সবশেষ যা জানা গেল

    নবম পে স্কেল প্রণয়নে গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

    প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

     

    এর আগে জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশের জন্য এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর প্রতিবেদনের জন্য সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

     

    জানা যায়, এ কমিটি প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রম সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। আর তাই সেই কাজের জন্যই প্রথম বৈঠকে বসেন কমিটির সদস্যরা।

     

    গত বছরের ২৭ জুলাই নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

  • বিএনপির মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন কারা, জানালেন মেজর হাফিজ

    বিএনপির মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন কারা, জানালেন মেজর হাফিজ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মন্ত্রিসভা নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে বিজয়ী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।

    আজ সোমবার দুপুরে রাওয়া ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল (অব.) এম এ জি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

    মেজর হাফিজ বলেন, ‘যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, তারাই মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন। দুর্নীতির ইতিহাস নেই, জনগণের কাছে যারা আস্থাশীল, তারাই স্থান পাবেন।

    নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত হবে মন্ত্রিসভা।’

    ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়েছে এ দেশের জনগণ। এ দেশকে বিপথে নেওয়ার চেষ্টা করলে ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করা হবে। সামরিক বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত করতে সহায়তা করার জন্য।

    দেশের দুর্দিনে তাদের সহায়তা ছাড়া এ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব হতো না, মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

    আগামী সংসদে বিরোধী দল হিসেবে তারা (১১ দলীয় জোট) শক্ত ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা হাফিজ উদ্দিন আহমদের।

  • ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের

    ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

    রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    এর আগে ডাকসুর মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এবং ইনকিলাব মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব ফাতেমা তাসনিম জুমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তার প্রার্থিতার ঘোষণা দেন।

    জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল জাবের গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন। ওই অভ্যুত্থান দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে গঠিত সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের তিনি সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শরীফ ওসমান বিন হাদি। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-০৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হামলাকারীদের আক্রমণে তিনি গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে গত ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

    সংগঠনটির লক্ষ্য, সকল প্রকার আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করা।

    আব্দুল্লাহ আল জাবেরের প্রার্থিতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলো। আগামী দিনে তার নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রচার কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

  • রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য, যা বলছে অধিদপ্তর

    রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য, যা বলছে অধিদপ্তর

    আসন্ন পবিত্র রমজানে সব ধরনের মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। যদিও মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনো মত জানায়নি। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের চিঠি পাওয়ার পর মাধ্যমিকে ছুটির বিষয়ে বৈঠক হবে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত আসবে।

    এদিকে হাইকোর্টের নির্দেশনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কোনো ধরনের নির্দেশনা নেই। এতে রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, তারা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তাতে রমজান, ঈদুল ফিতরসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে ১৯ দিন বন্ধ রাখার কথা রয়েছে।

    তবে সেটি এখনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়নি।

    অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই ছুটির তালিকায় ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রোজা, ঈদসহ কয়েকটি ছুটি রয়েছে। শুক্র ও শনিবারসহ সেখানে মোট ছুটি ১৯ দিন।

    এর বাইরে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে অধিদপ্তরের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।

    হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি জানিয়ে উপ-পরিচালক জয়নাল আবদীন বলেন, ‌যতদূর জেনেছি, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে বলা হয়েছে। প্রাথমিকের কথা আমরা জানতে পারিনি। সেক্ষেত্রে অধিদফতর ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রেখেছে। এটা থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর

    রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর

    আসন্ন পবিত্র রমজানে সব ধরনের মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে তাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কোনো ধরনের নির্দেশনা নেই। এতে রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

    দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালনা করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। অধিদফতর বলছে, তারা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তাতে রমজান, ঈদুল ফিতরসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে ১৯ দিন বন্ধ রাখার কথা রয়েছে।

    অধিদফতরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. জয়নাল আবেদীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‌‌আমরা একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সেটি এখনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়েছে কি না, জানি না। তাতে ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রোজা, ঈদসহ কয়েকটি ছুটি রয়েছে। শুক্র ও শনিবারসহ সেখানে মোট ছুটি ১৯ দিন। এর বাইরে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

    হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি জানিয়ে উপ-পরিচালক জয়নাল আবদীন বলেন, ‌যতদূর জেনেছি, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে বলা হয়েছে। প্রাথমিকের কথা আমরা জানতে পারিনি। সেক্ষেত্রে অধিদফতর ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রেখেছে। এটা থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

     

    শিক্ষাপ্রশাসন সূত্র জানায়, রাজনৈতিক অস্থিরতা, শিক্ষকদের আন্দোলন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হয়। এতে ক্লাস কম হয়, থেকে যায় শিখন ঘাটতি। এ ঘাটতি পূরণে এবার ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। এ কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো রমজানের প্রথম ১৫ থেকে ১৮ দিন খোলা রেখে বাৎসরিক শিক্ষাপঞ্জি বা ছুটির তালিকা তৈরি করা হয়েছিল।

    তবে রমজানে স্কুল বন্ধ চেয়ে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটি দিতে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রাথমিকের বিষয়ে এখনো এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্যমতে, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে সাড়ে ৬৫ হাজারের বেশি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি। আর কর্মরত শিক্ষক সাড়ে তিন লাখেরও বেশি। রমজানে শিক্ষক-অভিভাবকরা সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন।

  • পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পরিকল্পনা

    পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পরিকল্পনা

    সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। এই সংগঠনের সঙ্গে শিক্ষকসহ দেশের ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত।

    পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে আন্দোলনে নামেন। লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার তাদের দাবি পূরণে কিছু পদক্ষেপ নেয়।

    সর্বশেষ এ সংক্রান্ত একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। তবে চাকরিজীবীরা এসব পদক্ষেপের বাস্তবায়ন চেয়েছিলেন নির্বাচনের আগে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি। সেসময় অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, নতুন নির্বাচিত সরকার তা বাস্তবায়ন করবে।

    গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলমান। এবার পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। নতুন সরকার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা তাদের দাবি বাস্তবায়নের আবেদন করবেন।

    গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষৎ করব। তিনি আমাদের দাবি বাস্তবায়নে ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করি।’

    এর আগে ওয়ারেছ আলীর নেতৃত্বে সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের দপ্তরে আবেদন করা হয়। এ সংক্রান্ত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট। এই সংগঠনের সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীসহ ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত রয়েছেন।

    শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীকার আন্দোলনের শহীদ, যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বৈষম্যবিরোধী জুলাই-২০২৪ আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের।

    এতে আরো বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা সরকারের সব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের বৈষম্যমূলক পে স্কেল দেওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি এই সংগঠনের পক্ষ থেকে বৈষম্য নিরসনের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছি। কিন্তু বিগত সরকার আমাদের দাবি পূরণ তো দূরের কথা আমাদের সংগঠনের কথা আমলে না নিয়ে বিচ্ছিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে জুলুম অত্যাচার চালিয়েছেন। বর্তমান সময়ে বাজারমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সেবা খাতের ব্যয় বৃদ্ধি ও পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যয় বৃদ্ধির দরুণ ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই চলমান জীবন বাস্তবতার নিরিখে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ৭ দাবির বিষয়গুলো আপনার সদয় অবগতির জন্য সাক্ষাৎ করে তুলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

    ৭ দাবিনামা:

    ১:৪ অনুপাতে ১২ ধাপে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকায় বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে যাদের মূলবেতন শেষ ধাপে উন্নীত হয়েছে তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত করতে হবে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে পে স্কেলের গেজেটে প্রত্যাহারকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূণর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনঃবহাল এবং সব স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুইটি-আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের ছলে শতভাগ নির্ধারণ ও পেনশন গ্রাচ্যুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

    ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড করতে হবে, অধঃস্তন আদালতের কর্মচারীদের বিচার বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে গণ্য করতে হবে, এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল পদ মর্যাদা দিতে হবে।

    কর্মরত কর্মচারীদের বেতন স্কেল শেষ ধাপে উন্নীত হওয়ায় বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি হচ্ছেনা বিধায় চাকুরিতে কর্মরতদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে হবে।

    বাজারমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি ও জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে দেয় সব ভাতা পুনঃনির্ধারণ, সবল কর্মচারীদের রেশন ব্যবস্থার প্রর্বতন করতে হবে। চাকরিতে প্রবেশের ব্যাসসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়স সীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।

    উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত পদধারীদের প্রকল্পের চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল এবং সিলেকশন গ্রেড করার অবকাশ নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত বৈষম্য মূলক আদেশ বাতিল করতে হবে।

    এতে আরো উল্লেখ করা হয়, এসব বিবেচনা করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সর্বোচ্চ অভিভাবক ও মানবিক গুণের গুণী বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে আপনার প্রতি শিক্ষক-কর্মচারীদের বর্ণিত দাবিগুলো সাক্ষাৎ করে উপস্থাপনের তারিখ ও সময় দেওয়ার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানানো হলো।

  • ২০২৬ সালের রমজান কবে?

    ২০২৬ সালের রমজান কবে?

    পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে আর মাসখানেক বাকি। ইতোমধ্যে আত্মশুদ্ধির মাস রমজান ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করেছেন অনেকে। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমিরাতে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি।

    তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী শাবান মাসের চাঁদ দেখার পরই রমজান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।

    ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের জীবনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এ মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থেকে রোজা রাখা হয়। পাশাপাশি নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও দান-সদকার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।

    রমজানের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ রাত

    রমজানের শেষ দশ দিনের যেকোনো একটি রাতকে বলা হয় লাইলাতুল কদর, অর্থাৎ মহিমান্বিত রজনী। ইসলামে এ রাতের মর্যাদা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি বলে বর্ণিত হয়েছে।

    আইএসিএডির ২০২৬ সালের সরকারি ছুটি ও ধর্মীয় দিবসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এ বছর লাইলাতুল কদর হবে পারে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার রাতে।

    মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতেই মানবজাতির পথনির্দেশ হিসেবে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। সে কারণে এ রাতে মসজিদ ও ঘরে ঘরে ইবাদত, নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও ক্ষমা প্রার্থনায় মগ্ন থাকেন মুসলিমরা।

    রমজান শেষ হবে কবে?

    প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজান শেষ হতে পারে ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার। তবে রমজান ২৯ না ৩০ দিনের হবে, তা নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। সে অনুযায়ী ঈদের তারিখেও একদিন এদিক-সেদিক হতে পারে।

    ঈদুল ফিতর কবে?

    রমজান শেষে মুসলমানদের জীবনে আসে আনন্দ ও খুশির বার্তা ঈদুল ফিতর। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে ২০ মার্চ শুক্রবার। এর মধ্য দিয়ে শুরু হবে বছরের প্রথম বড় ছুটির আমেজ।

    আমিরাতে সাধারণত শাওয়াল মাসের প্রথম তিন দিন সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। রমজান ২৯ না ৩০ দিনে শেষ হচ্ছে, তার ওপর ছুটির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।

    সূত্র : গালফ নিউজ