Category: Uncategorized

  • ইফতারে খালি পেটে ডিম কি নি’রাপদ? জেনে নিন

    ইফতারে খালি পেটে ডিম কি নি’রাপদ? জেনে নিন

    দীর্ঘ সময় উপবাসের পর ইফতারে শরীরের জন্য দ্রুত শক্তি ও পুষ্টির জোগান দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। ক্লান্তি দূর করতে অনেকেই ইফতারের মেন্যুতে ডিম বা ডিমের তৈরি নানা পদ রাখেন। তবে খালি পেটে ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম না জানলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

    সিদ্ধ ডিমই যখন সেরা পছন্দ

    ভারতীয় পুষ্টিবিদ মীনাক্ষী মজুমদারের মতে, ইফতারে খালি পেটে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক হতে পারে, তবে তা অবশ্যই পূর্ণ সিদ্ধ হওয়া চাই। সিদ্ধ ডিমের সালাদ, চপ বা কোরমা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি দ্রুত শক্তি ফেরাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

    সতর্কতা: কোন ধরনের ডিম এড়িয়ে চলবেন?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতারে খালি পেটে নির্দিষ্ট কিছু পদের ডিম পরিহার করা শ্রেয়। এর মধ্যে রয়েছে: হাফ বয়েল বা আধাসিদ্ধ ডিম, ডিম পোচ এবং অমলেট বা ভাজা ডিম।

    কেন এই সতর্কতা?

    পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, আধো-রান্না বা ভাজা ডিমে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকার পর এ ধরনের খাবার গ্রহণ করলে পাকস্থলীতে প্রদাহ বা হজমজনিত জটিলতা তৈরি হতে পারে।

    তাই রোজায় সুস্থতা বজায় রাখতে ইফতারে আধাসিদ্ধ বা ভাজা ডিমের পরিবর্তে পুরোপুরি সিদ্ধ করা ডিম রাখাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

  • সব মন্ত্রণালয়ে সরকারের জরুরি চিঠি

    সব মন্ত্রণালয়ে সরকারের জরুরি চিঠি

    সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি ৫১ মন্ত্রণালয়ে এ চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহারের অঙ্গীকার অনুযায়ী এমন পরিকল্পনা গ্রহাণে মন্ত্রণালয়গুলোকে চিঠি দিয়েছে সরকার। ২৩ ফেব্রুয়ারি ৫১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের সর্বাধিক সমর্থনপ্রাপ্ত দলের নির্বাচনি ইশতেহার এখন জাতীয় পর্যায়ের প্রতিশ্রুতিতে পরিণত হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নিজ নিজ আওতাধীন খাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

    এ নির্দেশনা অনুসারে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানানোর জন্য সচিব ও সিনিয়র সচিবদের অনুরোধ জানানো হয়।

  • যে একটি ভিটামিনের অভাবে কিছুই মনে থাকে না, জেনে নিন

    যে একটি ভিটামিনের অভাবে কিছুই মনে থাকে না, জেনে নিন

    ভিটামিন ‘সি’, ‘ডি’ কিংবা ‘এ’-এর নাম আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত হলেও মানবদেহের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি ভিটামিন হলো ভিটামিন বি১২। এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে—এমনকি কিছুই মনে না থাকার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবদেহ নিজে থেকে ভিটামিন বি১২ তৈরি করতে পারে না। তাই এই ভিটামিনের চাহিদা পূরণে খাদ্য বা প্রয়োজন অনুযায়ী সাপ্লিমেন্টের ওপর নির্ভর করতে হয়। বিশেষ করে নিরামিষভোজীদের মধ্যে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি বেশি দেখা যায়, কারণ এটি প্ল্যান্ট-বেসড ভিটামিন নয়।

    ভিটামিন বি১২ এত জরুরি কেন
    ভিটামিন বি১২ রক্তকণিকা তৈরি, স্নায়ুকোষের কার্যকারিতা বজায় রাখা এবং ডিএনএ ও জিনগত উপাদান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখা, চুল-নখ-ত্বক সুস্থ রাখার ক্ষেত্রেও এই ভিটামিন অপরিহার্য।

    এই ভিটামিনের অভাবে মানসিক অবসাদ, দুর্বলতা ও স্নায়বিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ঘাটতি থাকলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

    স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ
    চিকিৎসা গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন বি১২-এর অভাব ডিমেনশিয়া, অ্যালঝাইমার্স ও পার্কিনসন্সের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই ভিটামিনের ঘাটতিতে মস্তিষ্কের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে বয়স বাড়ার আগেই স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

    এ ছাড়া ভিটামিন বি১২-এর অভাবে শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। ফলে ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যায়, চুলের রঙ পরিবর্তিত হতে পারে এবং ত্বকে শ্বেতি ভাব দেখা দেয়।

    যেসব লক্ষণে বোঝা যায় বি১২-এর ঘাটতি

    বারবার কিছু ভুলে যাওয়া

    চিন্তাশক্তি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়া

    মানসিক অবসাদ ও ক্লান্তি

    মুখে ঘা ও মুখের ভেতরে জ্বালাপোড়া

    পায়ে ঝিঁঝি ধরা বা অবশ হয়ে যাওয়া

    পেটের সমস্যা, সংক্রমণ বা প্রদাহ

    বিশেষজ্ঞরা জানান, দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে থাকলে পা অবশ হয়ে যাওয়া বা ঝিনঝিন করা—এটিও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।

    কোন খাবারে পাওয়া যায় ভিটামিন বি১২
    প্রাণিজ খাবারে ভিটামিন বি১২ তুলনামূলকভাবে বেশি পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে—ডিম, গরু, খাসি ও মুরগির মাংস, কলিজা, সামুদ্রিক মাছ, দুধ, দই ও ছানা

    এ ছাড়া নিরামিষভোজীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফোর্টিফায়েড খাবার বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।

  • ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    চলতি বছর পবিত্র রমজান পূর্ণ ৩০ দিনের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিকরা।

    এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) আকাশে চাঁদ দৃশ্যমান হবে না। ফলে পরদিন নতুন মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইমারত আল ইয়াউমকে এই কর্মকর্তা বলেন, আগামী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে শাওয়াল মাসের সূচনাসূচক চাঁদের জন্ম হবে। ওই দিন সূর্যাস্তের পর প্রায় ২৯ মিনিট চাঁদ দিগন্তের ওপরে অবস্থান করতে পারে। আবহাওয়া ও দৃশ্যমানতা অনুকূলে থাকলে এ সময় চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

    আল জারওয়ান আশা প্রকাশ করেন, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক এই নির্দেশনার ভিত্তিতে চলতি বছর অধিকাংশ ইসলামি দেশ রমজান সমাপ্তি ও শাওয়াল শুরুর বিষয়ে একই ধরনের সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।

    তবে বরাবরের মতোই চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে সরকারি চাঁদ দেখা কমিটির পক্ষ থেকে। ধর্মীয় ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • শিক্ষকদের বেতন-ঈদ বোনাস কবে? যা জানা গেল

    শিক্ষকদের বেতন-ঈদ বোনাস কবে? যা জানা গেল

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদুল ফিতরের উৎসব ভাতা নিয়ে এখনো প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত প্রস্তাব তৈরি করে অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

    আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

    এরপর আগামী সপ্তাহে মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল ঈদ উৎসব ভাতার প্রস্তাব তৈরি করে সেটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে।

    মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    ঈদ উৎসবের প্রস্তাব পাঠানো প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইএমআইএস সেলের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘ঈদ উৎসব ভাতা শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদের আগেই পাবেন। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।’

  • এ বছর ফিতরা কত, জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

    এ বছর ফিতরা কত, জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

    রমজানে এ বছরও বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও (২০২৫) সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের ফিতরার এ হার নির্ধারণ করা হয়। 

    সভায় সভাপতিত্ব করেন সদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।

    খতিবের পক্ষে বক্তব্য পাঠ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ।

    সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির- যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে পারবেন।

    গম ও আটার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের (এক সা’) মাধ্যমে সাদকাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করতে হয়।

    এসব পণ্যের বাজার মূল্য হিসাব করে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়।

    সাদাকাতুল ফিতর কী? কাদের ওপর ওয়াজিব? বিস্তারিত মাসায়েল

    মুফতি আবদুল মালেক জানান, উন্নতমানের আটা বা গমের ক্ষেত্রে ফিতরা এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা ধরে)। যবের ক্ষেত্রে (এক সা’) ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ধরে)।

    এছাড়া প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিস বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০০ টাকা ধরে) ও পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে) দিয়ে ফিতরা আদায় করতে হবে বলে জানান কমিটির সভাপতি।

    ফিতরার পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্য পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলেও জানান আবদুল মালেক।

  • ঘুমের মধ্যে র’গে বা পায়ের পেশিতে টান লাগলে যা করবেন

    ঘুমের মধ্যে র’গে বা পায়ের পেশিতে টান লাগলে যা করবেন

    শীতে পায়ের রগে টান ধরার ঘটনা বেড়ে যায়। ঘুমের মধ্যেই বেশিরভাগ মানুষের পায়ের রগে টান ধরে। আবার ঘুম থেকে উঠতে গেলে কিংবা সকালে হাঁটা শুরু করতেই পায়ের শিরায় টান ধরে অনেকেরই। কখনো আবার হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎই বেঁকে যায় পায়ের আঙুল।

    আসলে রগে পা পেশিতে টান ধরার কারণ হলো ডিহাইড্রেশন। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে এই টান ধরার প্রবণতা বাড়ে। শীতে পানি খাওয়ার পরিমাণ কম হয়। ফলে শরীরে দেখা দেয় পানিশূন্যতা। এছাড়া আরও কিছু কারণে পায়ের রগে টান ধরতে পারে যেমন-

    >> শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামের ঘাটতি।>> অতিরিক্ত ব্যায়াম, পরিশ্রম বা পায়ের পেশির বেশি ব্যবহার।>> পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন। >> খুব ঠান্ডা আবহাওয়া।>> গর্ভকালীন খনিজের অভাব।>> বেশিক্ষণ সময় বসে থাকা, শক্ত জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা বা ঘুমের সময় ভুল দেহভঙ্গির কারণে এমন হতে পারে।

    হঠাৎ পায়ের রগে টান ধরলে দ্রুত যা করবেন-

    >> হাত-পা-আঙুলের ক্র্যাম্প থেকে মুক্তি পেতে আক্রান্ত স্থান ও এর চারপাশে আঙুলের চাপে ম্যাসাজ করুন। এমনভাবে ম্যাসাজ করতে হবে যাতে শক্ত হয়ে যাওয়া পেশি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।

    >> পায়ে ক্র্যাম্পের ক্ষেত্রে হালকা করে চাপ দিয়ে ধীরে ধীরে স্ট্রেচিং করুন। অন্য কোনো ব্যায়াম এ সময় না করাই ভালো।

    >> হট ব্যাগ ব্যবহার করুন টান ধরার জায়গায়। ১০ সেকেন্ড রাখার পর সেখানে বরফ সেঁক দিন। আবার ১০ সেকেন্ড পর হট ব্যাগ দিন। এভাবে ঠান্ডা ও গরম সেঁক দিলে ব্যথা কমতে শুরু করবে।

    >> হঠাৎ পায়ে টান ধরলে শক্ত কোনো কাজ করবেন না। এতে টান ধরা জায়গায় চাপ পড়তে পারে। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

    >> সারা দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। শরীরে পানির ভারসাম্য রক্ষা করতে ডাবের পানি বা লেবুর পানিও পান করতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পানির ঘাটতির জন্যই এমনটি হয়।

    সূত্র: জি নিউজ

  • ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করলো ওমান

    ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করলো ওমান

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান পবিত্র রমজান মাসের সমাপ্তি ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে। জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর রমজান ২৯ দিনে শেষ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে চাঁদ দেখার সরকারি ঘোষণার ওপর। চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই দেশটিতে ঈদের তারিখ নিশ্চিত করা হবে।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ওমানের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব বলছে, শাওয়াল মাসের চাঁদ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ সূর্যাস্তের আগেই জন্ম নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে শুক্রবার ২০ মার্চ ইসলামী বর্ষপঞ্জির শাওয়াল মাসের প্রথম দিন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এর মাধ্যমে রমজানের সমাপ্তি ও ঈদুল ফিতরের সূচনা হবে।

    তবে ওমান কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি চাঁদ দেখার ওপরই ঈদ ও রমজান শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়। জ্যোতির্বিদদের হিসাবকে সেখানে আগাম ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। এসব হিসাবে চাঁদের উচ্চতা, সূর্যাস্তের পর দৃশ্যমান থাকার সময়কালসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়।

    এই হিসাব অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ রমজানের শেষ দিন হতে পারে এবং এ বছর রোজা হতে পারে ২৯টি। যদি শুক্রবার ২০ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন হিসেবে নিশ্চিত হয়, তাহলে ওমানে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি হতে পারে। ছুটি শুরু হবে বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ থেকে এবং চলবে সোমবার ২৩ মার্চ পর্যন্ত।

    সাধারণত ঈদ যদি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার বা শনিবারে পড়ে, তাহলে অতিরিক্ত ছুটি দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি খাতে কাজকর্ম পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে মঙ্গলবার ২৪ মার্চ।

    প্রসঙ্গত, এ সংবাদটি দুবাই ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের বরাতে প্রকাশিত হলেও ঈদের চূড়ান্ত ঘোষণা নির্ভর করবে ওমানের সরকারি চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • পে স্কেল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    পে স্কেল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, ‘কর্মচারীরা পে স্কেল পাবেন। কিন্তু নতুন এই বেতন কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগবে।’

    সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপ-সচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা।

    বৈঠক শেষে এম এ হান্নান জানান, প্রতিমন্ত্রী তাদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছেন এবং তা বাস্তবায়নের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন, তাই আপনারা ধীরে ধীরে পে স্কেল পাবেন। তবে এখনই সব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, কিছু সময় লাগবে। আপনারা ধৈর্য ধরুন।

    ’ 

    পে স্কেল বাস্তবায়নের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা এই বৈঠকে উল্লেখ করেননি প্রতিমন্ত্রী।

    গত বছরের ২৭ জুলাই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি পে কমিশন গঠন করে। কমিশনটি চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দেয়, যা বর্তমানে সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।

  • ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির নাগরিক

    ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির নাগরিক

    আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আপাতত ১৪ উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে এ কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

    বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

    নির্বাচনে জয়লাভের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কর্মসূচি শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগেই হতদরিদ্রদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।

    জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডের এই সুবিধা সব শ্রেণির মানুষ পাবেন না। এই সুবিধার আওতার বাইরে থাকবেন ৬ শ্রেণির মানুষ।

    তাদের বাইরে রেখেই ‘ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা’ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    এই ৬ শ্রেণির নাগরিক হলেন— ১. পরিবারের কেউ সরকারের পেনশনভোগী থাকলে, ২. বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী, ৩. গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদের মালিক হলে, ৪. পরিবারের সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে, ৫. বাণিজ্যিক লাইসেন্স থাকলে, ৬. বড় ব্যবসা থাকলে।

    এদিকে, হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত— এই তিন শ্রেণির সবাই আগেই কার্ড পাবেন। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে সরকার।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নামে এ নীতিমালা করেছে। এ কর্মসূচির মূল দর্শন হচ্ছে— ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। নীতিমালাটি খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।