Author: Kolome71

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা

    সারা দেশে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

    দেশের সব জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দেওয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পুল গঠন সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক স্বল্পতা এবং এনটিআরসিএ কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগে বিলম্ব হওয়ার কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং গুণগত ও মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে অভিজ্ঞ এবং শারীরিকভাবে সক্ষম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি/অ্যাডহক কমিটির অনুমোদনক্রমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠনের বিষয়ে নির্দেশক্রমে নিম্নরূপ নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

    উপজেলাভিত্তিক উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের দিয়ে একটি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক (সবাই)-কে অনুরোধ করা হলো।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনওর পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি/অ্যাডহক কমিটির অনুমোদনক্রমে প্রয়োজনের নিরিখে সাময়িকভাবে উক্ত পুল হতে শিক্ষক নিয়োগ করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

    প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অত্যাবশ্যকীয় খাত থেকে এসংক্রান্ত সম্মানি ব্যয় নির্বাহ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকাকে অনুরোধ করা হলো।

  • স্পষ্ট করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে না : শিক্ষামন্ত্রী

    স্পষ্ট করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে না : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ‘স্কুলে লটারিতে ভর্তিতে কত জন লটারিতে হয় আর কতজন পার্শিয়ালিটিতে আমি কিন্তু জানি। আমার কাছে সব খবর আছে। আমি স্পষ্ট করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে না।’

    লটারি পদ্ধতি তুলে তাকে নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে, হচ্ছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    তিনি বলেন, ‘আমি নাকি ধনী-গরিবের বৈষম্য করেছি। লটারি পদ্ধতি মেধাবী, কে অমেধাবী তা ঠিক করে না। আবার ধনী-গরিবের বৈষম্যও কমায় না।’

    আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, ‘কোচিং সেন্টার শুরুই হচ্ছে আমাদের দুর্বলতার কারণে। আমাদের আগে নিজেদের শিক্ষকদের ট্রেইনড আপ করতে হবে। শিক্ষকরা কী শেখাবেন এটাই আমাদের আগামীর প্রায়োরিটি।’

    আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ঘিরে ঢাকা অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভা করেন মন্ত্রী।

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার এহসানুল কবির। এতে বিভিন্ন বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।

  • আজ থেকে ফুয়েল পাসে তেল মিলবে ৭ পাম্পে

    আজ থেকে ফুয়েল পাসে তেল মিলবে ৭ পাম্পে

    জ্বালানি তেল বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) চালু করেছে কিউআর কোডভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘ফুয়েল পাস’। মূলত জ্বালানি বিতরণ কার্যক্রমকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

    শুরুতে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য রাজধানীর দুটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে এই সেবা চালু করা হলেও শনিবার (১১ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আরও ৫ পাম্পকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

    এর ফলে বর্তমানে মোট সাতটি স্টেশনে ফুয়েল পাসের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করা যাচ্ছে। রোববার (১২ এপ্রিল) থেকে এসব পাম্পে মোটরসাইকেল চালকরা শুধু ফুয়েল পাস অ্যাপের মাধ্যমেই নিতে পারবেন পেট্রোল-অকটেন। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা সারাদেশে সব ধরনের যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

    জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মূলত জ্বালানি বিতরণব্যবস্থায় মনুষ্যচালিত প্রক্রিয়ার কারণে বিলম্বসহ বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।

    আবার একই ব্যক্তি একাধিকবার এসে সারিতে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছেন, যা জ্বালানির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তাবিত এই ডিজিটাল ব্যবস্থা জ্বালানির বিতরণ প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় করবে, তাৎক্ষণিক নজরদারির আওতায় নিয়ে আসবে। এই অ্যাপের বিআরটিএ কেন্দ্রীয় ডেটাবেজের সঙ্গে সংযোগ থাকবে।

    গ্রাহকদের কারও স্মার্টফোন না থাকলেও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন এবং কিউআর কোডটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন বলেও জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

    বলা হয়েছে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ফিলিং স্টেশনের মালিকেরা ডিজিটাল মাধ্যমে এন্ট্রি করার পরই গ্রাহকদের জ্বালানি তেল বিতরণ করতে পারবেন। কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে একজন গ্রাহক জ্বালানি নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে তার জন্য পূর্বনির্ধারিত বরাদ্দের পরিমাণ দেখতে পারবেন।

    জ্বালানি বিভাগ আরও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণের অবস্থা তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়বে, অনিয়ম ও অপচয় কমবে এবং সংকটকালীন সময়ে কার্যকরভাবে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে।

    এই সুবিধা পেতে গ্রাহককে গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপে নিবন্ধনের জন্য ফোন নম্বর যাচাইকরণের পাশাপাশি গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির ব্লুবুক বা স্মার্ট কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রদান করতে হবে।

    বর্তমানে রাজধানীর যেসব স্টেশনে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো হলো— তেজগাঁও এলাকার ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, আসাদগেটের সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জ এলাকার নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশন।

    এসব পাম্পে বর্তমানে মোটরসাইকেল চালকরা শুধুমাত্র ফুয়েল পাস অ্যাপ ব্যবহার করেই পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহ করতে পারছেন।

  • ‘পাবলিক পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীরা দুই বারের বেশি সুযোগ পাবেন না’

    ‘পাবলিক পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীরা দুই বারের বেশি সুযোগ পাবেন না’

    শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী  ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পাবলিক পরীক্ষায় ফেল করা কোনো শিক্ষার্থীকে দুইবারের বেশি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। 

    শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সামনে রেখে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন কেন্দ্রগুলোর সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

    তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী একবার, দুইবার, এমনকি তিন বা চারবার পর্যন্ত ফেল করলেও বারবার তাকে পড়ানো, রেজিস্ট্রেশন করা এবং পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া বর্তমান ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

    তিনি আরও বলেন, ফেল করা শিক্ষার্থীদের বারবার সুযোগ দিয়ে পাস করানো কি আমাদের প্রধান দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে নাকি আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব

    শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে বহু ধরনের (প্রায় ৫৬ ধরনের) প্রশ্নপত্র তৈরি করে শিক্ষার্থীদের পাস করানোর ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতে করে সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে কিনা, সে বিষয়েও ভাবতে হবে।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু ফেল করা শিক্ষার্থীদের পাশ করানোর দিকে মনোযোগ না দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে সামগ্রিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

  • চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুখবর

    চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুখবর

    চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সামনের দিনে বড় সুখবর আসছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থায় শূন্যপদে পাঁচ লাখ জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসব নিয়োগ শেষ করতে চায় সরকার। 

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রমতে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগ ও দপ্তর-সংস্থার শূন্যপদে নিয়োগের পরিকল্পনা ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

     

    পিএসসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মন্ত্রণালয় থেকে জানতে চেয়েছে আগামী ৬ মাসের মধ্যে পিএসসি কতজন জনবল নিয়োগ দেবে। আমরা আমাদের পুরো পরিকল্পনা জানিয়েছি। তবে কোন পদে কতজন নিয়োগ হবে, তা নথি দেখে বলতে হবে।’

    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সম্প্রতি জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    সব মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরিকল্পনা পেয়েছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এখন বাস্তবায়নের কাজ চলছে।’

    জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীও বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে ৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের চেষ্টা চলছে।’

    সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পাঁচ লাখ নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিপরীতে সরকারের সাড়ে ৮ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

    এর মধ্যে চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) শেষ চার মাসে (মার্চ-জুন) লাগবে সাড়ে ৪ কোটি টাকা। আর আগামী অর্থবছরের (২০২৬-২৭) জুলাই ও আগস্টে লাগবে ৪ কোটি টাকা।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘স্ট্যাটিসটিকস অব পাবলিক সার্ভেন্টস-২০২৪’ অনুযায়ী, সব শ্রেণি মিলিয়ে বর্তমানে ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন সরকারি চাকরিজীবী কর্মরত আছেন। এর বিপরীতে শূন্য আছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ। বর্তমানে সরকারি চাকরির প্রথম শ্রেণিতে কর্মরত আছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৭৩ জন, এর মধ্যে শূন্য পদ ৬৮ হাজার ৮৮৪টি।

    দ্বিতীয় শ্রেণিতে কর্মরত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬ জন, শূন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি পদ। তৃতীয় শ্রেণিতে কর্মরত ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫ জন, শূন্য ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি পদ। চতুর্থ শ্রেণিতে কর্মরত ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৭৭ জন, শূন্য ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি পদ।

  • দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

    দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

    টানা ৩ দিনের ছুটিতে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আগামীকাল রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়ে যা চলবে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পর্যন্ত। বাৎসরিক ছুটির তালিকা পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে। 

    ছুটির তালিকা অনুযায়ী, রবিবার (১২ এপ্রিল) বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একদিনের ছুটি রয়েছে।

    সোমবার (১৩ এপ্রিল) চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে একদিনের ছুটি থাকছে।

    এ ছাড়া মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে একদিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এতে টানা ৩ দিন বন্ধ থাকছে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

    এর আগে শুক্র ও শনিবার (১০-১১ এপ্রিল) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি থাকছে।

    সবমিলিয়ে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৫ দিনের ছুটিতে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

  • সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয় সংসদ গ্যালারিতে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০টি আসন রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি সেই আসন শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ দেয়ার জন্য আবেদন জানিয়ে পত্র লেখেন স্পিকারের কাছে। একইসঙ্গে বয়সে বড় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ১০০ আসন চেয়ে আবেদন জানান তিনি। স্পিকার সে আবেদন মঞ্জুর করেছেন। 

    বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে আরও বলা হয়, এখন থেকে শিক্ষার্থীরা সংসদ অধিবেশন দেখতে পাবেন। সংসদ পরিচালনা পদ্ধতি সম্পর্কেও জানতে পারবেন তারা। 

    এ প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে নৌবিহারে যেতেন, যাতে তারা রাষ্ট্রের সম্পদ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে আমিও চাই জেনজিরা রাষ্ট্র সম্পর্কে জানুক, রাজনীতি সচেতন হোক।

  • পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে করণীয় কী? জেনে নিন রিনিউ করার নিয়ম

    পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে করণীয় কী? জেনে নিন রিনিউ করার নিয়ম

    বিদেশ ভ্রমণ, কর্মসংস্থান, উচ্চশিক্ষা কিংবা চিকিৎসার জন্য পাসপোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি; কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় বা শেষের দিকে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে পাসপোর্ট রিনিউ বা নবায়ন করতে হয়। বর্তমানে দেশে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে করা যায়। ফলে নাগরিকদের জন্য এটি অনেক সহজ ও দ্রুত হয়ে থাকে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে পাসপোর্ট নবায়ন করতে পারেন।

    নাগরিক সেবা সহজে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর (ডিআইপি) ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থা চালু করেছে, যা এখন দেশের সব জেলায় কার্যকর রয়েছে। এই ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরে বসেই আবেদন জমা দেওয়া যায় এবং প্রয়োজনীয় ধাপগুলো অনলাইনে সম্পন্ন করা সম্ভব।

    পাসপোর্ট রিনিউ কেন গুরুত্বপূর্ণ

    পাসপোর্ট একজন নাগরিকের আন্তর্জাতিক পরিচয়পত্র। এটি ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ, ভিসা আবেদন বা অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকিং ও সরকারি সেবা পাওয়া সম্ভব নয়। সাধারণত অনেক দেশে প্রবেশের জন্য পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ছয় মাস থাকতে হয়। তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বা শেষ হলে দ্রুত নবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

    অনলাইনে পাসপোর্ট রিনিউ করার ধাপসমূহ

    বর্তমানে পাসপোর্ট রিনিউ করতে হলে অনলাইনে ই পাসপোর্ট ওয়েবসাইট এখানে গিয়ে আবেদন করতে হয়। প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে লগইন করতে হয়। এরপর ‘অ্যাপ্লাই ফর নিউ পাসপোর্ট’ অপশনে প্রবেশ করে রিনিউ আবেদন শুরু করা হয়।

    আবেদনের সময় প্রথমে পাসপোর্ট টাইপ নির্বাচন করতে হয়। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য, বর্তমান ঠিকানা এবং পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য প্রদান করতে হয়। পুরোনো এমআরপি বা ই-পাসপোর্ট নম্বর দিলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনেক তথ্য দেখায়, যা পূরণ করা সহজ করে দেয়।

    এরপর ‘আইডি ডকুমেন্ট’ ধাপে গিয়ে রিনিউয়ের কারণ নির্বাচন করতে হয়।  যেমন—

    মেয়াদ শেষ (Expired)

    হারানো (Lost/Stolen)

    তথ্য সংশোধন (Data Change)

    নষ্ট পাসপোর্ট (Unusable)

    সব তথ্য যাচাই শেষে আবেদন সাবমিট করতে হয় এবং একটি অ্যাপ্লিকেশন আইডি পাওয়া যায়, যা ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হয়।

    প্রবাসীদের জন্য বিশেষ নিয়ম

    বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকরা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে আবেদন করেন। ফর্মে ‘Are You Applying from Bangladesh?’ প্রশ্নে ‘No’ নির্বাচন করে বর্তমান দেশের নাম দিতে হয়। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্তভাবে রেসিডেন্স কার্ড বা আকামা যুক্ত করতে হতে পারে।

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

    পাসপোর্ট রিনিউ করতে সাধারণত যেসব কাগজপত্র লাগে—

    পুরোনো পাসপোর্টের মূল কপি ও ফটোকপি

    জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন

    অনলাইন আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি

    পাসপোর্ট ফি জমার রশিদ

    সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে NOC বা GO

    ফি ও সময়

    পাসপোর্টের মেয়াদ ও পৃষ্ঠার ওপর ভিত্তি করে ফি নির্ধারিত হয়। সাধারণত ৫ বছর ও ১০ বছরের মেয়াদে ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পাওয়া যায়। প্রসেসিং টাইপ অনুযায়ী খরচ ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত ১৫ থেকে ২১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট রিনিউ সম্পন্ন হয়। জরুরি সেবার ক্ষেত্রে সময় আরও কম হতে পারে।

    সাধারণ ভুল ও সতর্কতা

    অনেক আবেদনকারী ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েন। জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে তথ্য না মিললে আবেদন বাতিল হতে পারে। আবার অনেকেই দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে দ্রুত সেবা নেওয়ার চেষ্টা করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। ফি পরিশোধ ছাড়া আবেদন সম্পন্ন করা যায় না- এ বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

  • শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হেয়ার স্টাইল’ নির্ধারণ করে নোটিশ জারি, না মানলেই শা’স্তি

    শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হেয়ার স্টাইল’ নির্ধারণ করে নোটিশ জারি, না মানলেই শা’স্তি

    পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট ‘হেয়ার স্টাইল’ নির্ধারণ করে নোটিশ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লিটন উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ ক্যাম্পাসে টাঙানো হয়, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

    গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই নোটিশে বলা হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত মডেল অনুযায়ী চুল ছেঁটে এবং হাত-পায়ের নখ কেটে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে। নোটিশে চারদিক থেকে তোলা একটি নির্দিষ্ট ধরনের চুল কাটিংয়ের ছবি যুক্ত করা হয়েছে, যা ‘আর্মি কাট’ এর মতো।

    নির্দেশনায় আরো উল্লেখ করা হয়, এই নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ দায়ে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    নোটিশের নিচে উল্লেখ করা হয়েছে, সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশক্রমেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।

    বিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্তে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ একে শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে ইতিবাচকভাবে দেখলেও, কেউ এটিকে ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, “‘শৃঙ্খলা প্রয়োজন, তবে চুলের কাটিং নিয়ে শাস্তির হুমকি কতটা যৌক্তিক, তা ভেবে দেখা দরকার।’

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লিটন উদ্দিন জানান, শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও সমতা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিজু তামান্না জানান, শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মশৃঙ্খলার অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত।

    তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের চুল ছোট রাখা, নিয়মিত নখ কাটা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা স্বাভাবিক বিষয়। এটিকে নেতিবাচক না দেখে ইতিবাচক হিসেবে নেওয়া উচিত।’

  • কি’ডনি ড্যা’মেজ হওয়ার যে ৬ লক্ষণ অবহেলা করবেন না, জেনে নিন

    কি’ডনি ড্যা’মেজ হওয়ার যে ৬ লক্ষণ অবহেলা করবেন না, জেনে নিন

    কিডনির ক্ষতি প্রাথমিক পর্যায়ে খুব একটা টের পাওয়া যায় না। যে কারণে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (CKD) হওয়ার আগে এর প্রাথমিক লক্ষণ বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। যেসব লক্ষণ চোখ এড়িয়ে গেলে কিডনি ফেইলিওরের মতো ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। তবে আগেভাগে সতর্কতা সংকেতগুলো চিনতে পারলে সমস্যার প্রতিকার করা সহজ হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

    ১. ফেনা বা বুদবুদযুক্ত প্রস্রাব

    কিডনির ক্ষতির প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রস্রাবে ক্রমাগত ফেনা বা বুদবুদ। এই পরিস্থিতির নাম প্রোটিনুরিয়া। এর অর্থ হলো কিডনির ফিল্টারিং ইউনিট গ্লোমেরুলি প্রোটিনকে, যেমন অ্যালবুমিনকে প্রস্রাবে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। স্বাভাবিক কিডনি সাধারণত প্রচুর প্রোটিন প্রবেশ করতে দেয় না, তাই খালি চোখে দৃশ্যমান ফেনা একটি সতর্কতা সূচক যা চিকিৎসকের দ্বারা পরীক্ষা করা উচিত।

    ২. গোড়ালি, পা বা চোখের চারপাশে ফোলাভাব

    কিডনি সোডিয়াম এবং তরল ভালোভাবে ফিল্টার করতে সক্ষম না হলে অতিরিক্ত পানি এবং লবণ শরীরে জমা হয়। এটি সাধারণত দৃশ্যমান ফোলাভাব সৃষ্টি করে, বিশেষ করে গোড়ালি, পা এবং চোখের চারপাশের অংশে। বিশেষ করে সকালের সময় এসব স্থানে ফোলাভাব সাধারণত অকার্যকর কিডনি পরিস্রাবণের কারণে পানি ধরে রাখার ফলে হয়।

    ৩. প্রস্রাব বৃদ্ধি, বিশেষ করে রাতে

    কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রস্রাবের ধরণ পরিবর্তন। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঘন ঘন প্রস্রাব করার তাগিদ অনুভব করেন, বিশেষ করে রাতে। একে নকটুরিয়া বলা হয়। কিডনি ভালোভাবে প্রস্রাব ঘনীভূত করতে না পারলে এমনটা ঘটে। তাই প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং ঘন ঘন প্রস্রাব করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

    বিজ্ঞাপন

    ৪. ক্লান্তি এবং দুর্বলতা

    সুস্থ কিডনি এরিথ্রোপয়েটিন তৈরি করে। এটি একটি হরমোন যা লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে। ক্ষতিগ্রস্ত কিডনি এই হরমোন কম নিঃসরণ করে, যার ফলে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ কিডনি কার্যকারিতার কারণে রক্তে টক্সিন জমা হওয়ার ফলে এই লক্ষণগুলো দেখা দেয়।

    ৫. অনবরত চুলকানি

    দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের ফলে রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমা হতে পারে। যার ফলে তীব্র চুলকানি হয়, যাকে প্রুরিটাসও বলা হয়। এই চুলকানি সাধারণত স্থায়ী হয়, টপিকাল লোশন বা ক্রিম প্রয়োগ করলেও উপশম হয় না। এটি রাতে আরও বেশি হতে পারে।

    ৬. ক্ষুধামন্দা

    হঠাৎ ক্ষুধা কমে যাওয়াও হতে পারে কিডনির সমস্যার লক্ষণ। রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমা হলে তা হজম ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। যার ফলে বমি বমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ, এমনকি বমিও হতে পারে, যা খাবারের প্রতি আগ্রহ হ্রাস করে।