Author: Kolome71

  • আ’দা পা’নিতে নি’রাম’য় হবে যেসব রো’গ, জেনে নিন উপকারে আসবে

    আ’দা পা’নিতে নি’রাম’য় হবে যেসব রো’গ, জেনে নিন উপকারে আসবে

    আদা কাচা কিংবা রান্না সবভাবেই খাওয়া যায়। আবার অনেক রোগের ঘরোয়া সমাধান হিসেবেও কাজ করে। আদার গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদ এবং হোমিওপ্যাথিতেও এর ঠাই হয়েছে। আদা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যের পাওয়ার হাউস, যা আপনার ত্বক, চুল এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো।

    তাই চলুন জেনে নেই আদা পানি খেলে কী কী উপকার মিলবে-

    কোলেস্টেরল লেভেল কমায়

    শরীরে উচ্চ মাত্রায় এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। আদা পানি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হার্টের রোগ ও স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকিও কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন আদা খান তাদের শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়া, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে আদা পানি।

    আদা জল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ আদার জল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ, যা ফ্রি ব়্যাডিকেলের হাত থেকে আমাদের শরীরকে বাঁচায় এবং ক্যান্সার, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

    আদায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই, প্রতিদিন আদার পানি পান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা ও ফ্লু-র চিকিৎসায়ও দারুণ কাজ করে।

    ওজন কমায় 

    নিয়মিত আদার পানি পান শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে দারুণ কার্যকর। এটি দ্রুত চর্বি কমায়। খাবার ইচ্ছেও নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, আদা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রক্তে উচ্চ শর্করার মাত্রা খাবার ইচ্ছে আরও বাড়িয়ে তোলে। ফলে দ্রুত ওজন বাড়তে থাকে। আদার পানি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং খাওয়ার ইচ্ছে কমায়।

    চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী

    ত্বকের নানা সমস্যা দূর করে আদা পানি। ত্বক উজ্জ্বল করে এবং টানটান রাখে আদা। ত্বকে রিঙ্কেলস পড়তে দেয় না। আদার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য ত্বককে সমস্ত ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। ত্বককে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে বাঁচায় এবং ত্বক সুস্থ ও পরিষ্কার রাখে। এ ছাড়া, আদায় ভিটামিন এ এবং সি-এর উপস্থিতি চুলের গঠন উন্নত করে। রক্ত পরিষ্কার রাখে।

    হজম শক্তি বাড়ায়

    দিনে একবার আদা পানি খেলে পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং বদহজম, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস, অ্যাসিডটি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। হজম ক্ষমতা আরও উন্নত হয়।

    সূত্র: বোল্ড স্কাই। 

  • টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফা’ইনাল খে’লতে বাংলাদেশের যে স’মীক’রণ

    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফা’ইনাল খে’লতে বাংলাদেশের যে স’মীক’রণ

    ডারউইনের মাঠে বাংলাদেশের যে জয় এল, তা শুধু এক ম্যাচের ফল নয়; টাইগারদের ইতিহাসের পাতায় নতুন এক অধ্যায়। অস্ট্রেলিয়াকে নয় উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো অজিদের নিজেদের মাটিতে পরাজিত করল। লাল-সবুজ জার্সিতে টাইগারদের এই বিশাল জয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও বড় পরিবর্তন এনেছে।

    পাঁচ ম্যাচে তিন জয় ও এক ড্র নিয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট পারসেন্টেজ এখন ৬৬.৬৭। তারা চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। তাদের উপরে শুধু অস্ট্রেলিয়া (৭৭.৭৮%), দক্ষিণ আফ্রিকা (৭৫%) ও নিউ জিল্যান্ড (৭২.২২%)। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার মতো দলগুলোকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ।

    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছাতে শীর্ষ দুই স্থান দরকার। সাধারণত ৬৫ শতাংশের বেশি পয়েন্ট ধরে রাখতে হয়। বাংলাদেশ এখন সেই অবস্থানেই আছে। সামনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও একটি টেস্ট, তারপর দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সিরিজ রয়েছে। এই ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। 

    স্লো ওভার রেটের কারণে পেনাল্টি এড়াতেও সতর্ক থাকতে হবে। আর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে ২০২৭ সালের লর্ডস ফাইনালে পৌঁছানোর স্বপ্নও বাস্তব হতে পারে।

  • আ’দা খাও’য়ার ৫ টি অজা’না উ’পকা’রিতা! জেনে নিন এক্ষুনি সেই কাজে লাগবে

    আ’দা খাও’য়ার ৫ টি অজা’না উ’পকা’রিতা! জেনে নিন এক্ষুনি সেই কাজে লাগবে

    রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়ানোর উপকরণ হিসেবে আদার জুড়ি নেই। তবে আদার ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে প্রায় সকলেই বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন। শারীরিক নানা সমস্যায় আদা খাওয়ার বিষয়টি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে বেশ দ্রুত। এমনকি নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস মুক্তি দিতে পারে মারাত্মক বেশ কিছু রোগ থেকে।

    নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস করেই দেখুন না, শারীরিক অনেক সমস্যার সমাধান পাবেন। আর এজন্যই আদার গুণাগুণ এবং শারীরিক সমস্যা নিরাময়ে আদার ব্যবহার সকলেরই জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরী।

    ১. বমিভাব বা বমি হচ্ছে অনেক? আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করুন। তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন।

    ২.  উল্টাপাল্টা এবং বেশি ভাজাপোড়া খাবারের কারণে বুকজ্বলার সমস্যা হুট করেই শুরু হতে পারে। এক কাজ করুন, ২ কাপ পানিতে ২ ইঞ্চি আদা ছেঁচে জ্বাল দিয়ে চায়ের মতো তৈরি করে পান করুন। বুকজ্বলা কমে যাবে।

    ৩. আদার রস ব্যথানাশক ঔষধের মতো কাজ করে।

    সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন আদার রস অথবা পান করে নিতে পারেন, দুভাবেই ভালো উপকার পাবেন।

    ৪. নতুন আদার সাথে আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করে।

    ৫. আদা হজমে সমস্যা সমাধান করে এবং পেটে ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে ১ কাপ আদা চা পান করলে পুরোদিন পেট ফাঁপা বা বদহজম থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

  • সকালে দুধ চা নাকি লি’কার চা, কোনটি বেশি উ’পকারী, জেনে নিন

    সকালে দুধ চা নাকি লি’কার চা, কোনটি বেশি উ’পকারী, জেনে নিন

    সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর গরম ধোয়া ওঠা এক কাপ চা অনেকের দিনটি সুন্দর করে তোলে। চা পানে শরীর ও মন উভয়ই চাঙা থাকে। যাদের সকালে চা পানের অভ্যাস, তাদের কাছে এই চা যেন প্রথম প্রেমের মতো। যা চাইলেও ভুলে থাকা যায় না।

    নিয়মিত চা পানে বিভিন্ন শারীরিক উপকারিতা রয়েছে। এ কারণে অভ্যাসের বাইরে কেউ কেউ শুধু উপকারিতার জন্য সকালে চা পান করেন। কিন্তু স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য সকালে কোন চা বেশি নিরাপদ―দুধ চা নাকি লিকার চা? ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু মানুষ গাঢ় দুধ-চিনির চা পছন্দ করেন। আবার কারও পছন্দ লিকার চা বা লাল চা বা রং চা। কিন্তু খালি পেটে সবার জন্য সব চা নয়। তাহলে সকালে কোন চা উপকারী, তা জেনে নেয়া যাক-

    দুধ চা পানের ক্ষতিকর দিক:
    তীব্র অ্যাসিডিটি ও গ্যাস: চা পাতায় প্রাকৃতিকভাবে ক্যাফেইন ও ট্যানিন নামক উপাদান থাকে, যা পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়ায়। খালি পেটে পান করার জন্য চায়ে দুধ ও চিনি মেশানো হলে তা পেটে গিয়ে আরও ভারী হয় এবং দুধের প্রোটিন পরিপাকতন্ত্রে চাপ সৃষ্টি করে। এ কারণে মুহূর্তের মধ্যে অনেক বুক জ্বালা, পেটে গ্যাস, অম্লতা বা অ্যাসিডিটি ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

    অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কার্যকারিতা নষ্ট: চা পাতা হচ্ছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের প্রধান উৎস, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কিন্তু চায়ে যদি গরুর দুধ বা গুঁড়া দুধ মেশানো হয়, তাহলে দুধের প্রোটিন চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে সব পুষ্টিগুণ নষ্ট করে দেয়।

    কোষ্ঠকাঠিন্য ও পরিপাকে বাধা: চায়ে বিদ্যমান থিয়োফিলিন এবং দুধের ফ্যাট সকালে একসঙ্গে পেটে প্রবেশ করলে হজমপ্রক্রিয়া ধীর হয়। এ কারণে মলত্যাগে সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    লিকার চা পানের উপকারিতা ও নিরাপত্তা:
    হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস ও মেটাবলিজম বৃদ্ধি: নিয়মিত সকালে লিকার চা বা ব্ল্যাক টি পানে ভালো উপকারিতা পাওয়া যায়। লিকার চা বা ব্ল্যাক টি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। যা আপনার শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক হার বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে এবং রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে হৃদযন্ত্রকে রক্ষা করে।

    শক্তি বৃদ্ধি ও ব্রেন ফোকাস: লিকার চায়ে থাকা ক্যাফেইন এবং এল থিয়ানিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিড সকালে অলসতা কাটিয়ে মনকে সজীব ও সতেজ রাখতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে মনোযোগ বাড়াতেও অবদান রাখে।

    লিকার চায়ের সতর্কর্তা:
    লিকার চা দুধ চায়ের থেকে তুলনামূলক বেশি নিরাপদ হওয়ার পরও খালি পেটে অতিরিক্ত কড়া বা গাঢ় লিকার চা গ্রহণ করা মোটেও ঠিক নয়। এতে থাকা ট্যানিন খাবার থেকে আয়রন বা লোহা শোষণে বাধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্য সকালে হালকা লিকার চা পান করা উচিত।

    সকালে চা পানের নিয়ম:
    খালি পেটে পানি পান: সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সরাসরি চা পান না করে প্রথমে অন্তত ১ গ্লাস হালকা ইষদুষ্ণ পানি পান করা ভালো।

    হালকা কিছু খাওয়ার পর চা: সকালে খালি পেটে চা না খেয়ে বিস্কুট, ভেজানো কাঠবাদাম বা হালকা নাশতা খাওয়ার ১০-১৫ মিনিট পর চা পান করতে হবে।

    দুধ-চিনি কমানো: দুধ চা খেতে ইচ্ছা হলে এতে চিনি পরিমাণে খুবই কম দিতে হবে। আবার লিকার চা পানের অভ্যাস থাকলে কড়া লিকার এড়িয়ে চলুন। সম্ভব হলে খালি পেটে কিছু খাওয়ার পর তবেই চা পান করার অভ্যাস গড়ে তুরুন।

  • ২০২৭ সালের র’মজা’ন ও ঈ’দের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

    ২০২৭ সালের র’মজা’ন ও ঈ’দের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

    পরবর্তী রমজানের সময়সূচি ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘিরে শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ।

    কবে নাগাদ আসন্ন পবিত্র রমজান শুরু হতে যাচ্ছে, আর কবেই বা পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হবে, এই কৌতূহলের উত্তর দিল জর্দান নিউজ।

    মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব রাজ্যের হিজরি ক্যালেন্ডারের ওয়েবসাইট স্পষ্ট করেছে যে ১৪৪৮ সনের রমজান মাস ২০২৭ সালের প্রথম তৃতীয়াংশের মধ্যে পড়বে এবং আগামী বছর রমজানের সম্ভাব্য দিনটি হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি। ক্যালেন্ডারে দিনটি সোমবার পড়েছে।

    প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের পবিত্র রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যাবে শনিবার, যা ১৪৪৮ সনের শাবান মাসের ২৯ তারিখের সঙ্গে মিলে যায়। এর ফলে অষ্টম হিজরি মাস (৩০ দিন) পূর্ণ হবে এবং ৭ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) তা শেষ হবে। আর এর পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে।

    এ ছাড়া ২০২৭ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতরের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪৪৮ হিজরি সনের রমজান মাস ২৯ দিন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    যা আগামী বছরের ৮ মার্চ (সোমবার) শেষ হতে পারে। ফলে এর পরদিন ৯ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন হতে পারে।

  • একাদশে ভর্তি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে সভা, যেসব আলোচনা হলো

    একাদশে ভর্তি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে সভা, যেসব আলোচনা হলো

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর ফল পুনর্মূল্যায়ন এবং শ্রেণি কার্যক্রম শুরুসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (১৬ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি ও শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

    সভা সূত্রে জানা গেছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা অনেকাংশে আগের মতোই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নীতিমালায় এক থেকে দুইটি বিষয়ে পরিবর্তন আসতে পারে। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামানসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর ফল পুনর্মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি এবং একাদশের শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

    এ ছাড়া আগামী ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের নির্বাচনি পরীক্ষা আয়োজন এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৭ শুরুর বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

    তবে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালায় ঠিক কোন কোন বিষয়ে পরিবর্তন আসতে পারে এবং ভর্তির সুনির্দিষ্ট সময়সূচি কবে ঘোষণা করা হবে, সে বিষয়ে সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।

  • পে স্কে’ল কবে থেকে বা’স্তবা’য়ন? জানালেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

    পে স্কে’ল কবে থেকে বা’স্তবা’য়ন? জানালেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

    চলতি অর্থবছর থেকেই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। আজ রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

     তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে এবং যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে।

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় চলতি অর্থবছরেই সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে। সাধারণত পাঁচ বছর পরপর সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে স্কেল দেওয়া হয়। গত সরকার ১১ বছরেও পে স্কেল বাস্তবায়ন করেনি।

    এখন প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীর চাপ সামলাতে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।

    পে স্কেল বাস্তবায়নে অর্থনীতি চাপে পড়বে বলেও জানান তিনি। কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করতে হবে বলেও জানান তিনি।

    সরকারের অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উঠছে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা।

    ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত সচিব কমিটি খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করেছে। খসড়া প্রস্তাবনায়, নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থ বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়া উপস্থাপন করবে।

  • কো’লে’স্টের’ল কমাতে চি’য়ার চেয়েও এগিয়ে যে বীজ

    কো’লে’স্টের’ল কমাতে চি’য়ার চেয়েও এগিয়ে যে বীজ

    রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই অনেকেই খাবারের মাধ্যমে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তুলসী বীজ বা সবজা বীজ। নিয়মিত এই বীজ খেলে কোলেস্টেরল কমতে পারে—এমন দাবি ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও।

    ছোট কালো এই বীজ পানিতে ভিজলে ফুলে গিয়ে জেলির মতো আকার ধারণ করে। এতে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার, উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, পলিফেনল, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালশিয়ামের মতো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। এ কারণে চিয়া বীজের পাশাপাশি তুলসী বীজও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    মধুমেহ রোগের চিকিৎসক আশিস মিত্রের মতে, তুলসী বীজে থাকা দ্রবণীয় ডায়েটারি ফাইবার পানিতে ভিজে জেলির মতো হয়ে যায়। এই ফাইবার পরিপাকতন্ত্রে কোলেস্টেরল শোষণের প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি পিত্তথলি থেকে নিঃসৃত অ্যাসিড শরীর থেকে বের করে দিতেও এটি সহায়তা করতে পারে। ফলে খাবার থেকে শরীরে কোলেস্টেরল শোষণের পরিমাণ কমাতে তুলসী বীজ ভূমিকা রাখতে পারে।

    তবে শুধু তুলসী বীজ খেলেই শরীরে তৈরি হওয়া অতিরিক্ত ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমবে—এমনটা মনে করার কারণ নেই বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসক। তাঁর মতে, চিয়া বীজ বা ইসবগুলেও প্রচুর ফাইবার থাকে এবং এগুলো খাবার থেকে কোলেস্টেরল শোষণ কমাতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু লিভারে তৈরি হওয়া কোলেস্টেরলের ওপর এসব বীজের সরাসরি প্রভাব সীমিত।

    তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে শুধু কোনো একটি ‘সুপারফুড’-এর ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধও গ্রহণ করতে হতে পারে।

    তুলসী বীজ খাওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ হলো, বীজগুলো পানিতে ভিজিয়ে টক দই বা ইয়োগার্টের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। একইভাবে ঈষদুষ্ণ পানিতে ইসবগুল ভিজিয়েও খাওয়া যায়। তবে যাদের কোলেস্টেরল বেশি, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাদ্যতালিকায় এসব উপাদান যুক্ত করাই নিরাপদ।

  • অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

    অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

    ডারউইনে বাংলাদেশ চালকের আসনে ছিল একেবারে প্রথম দিন থেকেই। সময় যত গড়িয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের অবস্থানটা ক্রমেই শক্ত হয়েছে। দর্শক সমর্থকদের অপেক্ষাও ছিল বহুক্ষণ, বহু দিন ধরে। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, বাংলাদেশ ইতিহাসটা গড়েই ফেলল। অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ৯ উইকেটে। অজি মুল্লুকে প্রথমবার তাদেরই ধসিয়ে দিয়ে জেতার দারুণ স্বাদ এসে ধরা দিল ইন্দ্রিয়ে।

    বিস্তারিত আসছে…

  • রান্নায় সরাসরি ট্যাপের পানি ব্যবহার করছেন? বি’শেষ’জ্ঞদে’র স’তর্কবা’র্তা

    রান্নায় সরাসরি ট্যাপের পানি ব্যবহার করছেন? বি’শেষ’জ্ঞদে’র স’তর্কবা’র্তা

    রান্নায় আমরা অনেকেই সরাসরি কল বা ট্যাপের পানি ব্যবহার করি। অনেকেই কলের পানি নিরাপদ ভাবেন। আবার রান্নার সময় পানি ফুটে যাওয়ায় জীবাণুও নিশ্চয়ই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এমন ধারণাও প্রচলিত। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পানি ফুটিয়ে নিলেই সব ধরনের দূষণ থেকে মুক্ত হওয়া যায় না। 

    পানি ফুটালে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও কিছু পরজীবী ধ্বংস হতে পারে। তবে পানিতে দ্রবীভূত রাসায়নিক পদার্থ ফুটানোর পরও থেকে যেতে পারে। এর মধ্যে সীসা, আর্সেনিক, ফ্লোরাইড, নাইট্রেট, বিভিন্ন লবণ ও শিল্পকারখানার রাসায়নিক থাকতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, পানি ফুটানোর সময় এর একটি অংশ বাষ্প হয়ে বেরিয়ে যায়। কিন্তু পানিতে থাকা অনেক দ্রবীভূত পদার্থ বাষ্পের সঙ্গে বের হয় না। ফলে পানি কমে গেলে অবশিষ্ট পানিতে এসব পদার্থের ঘনত্ব বরং বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া পানির পাইপ বা সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে সীসার মতো কিছু ধাতু পানিতে মিশে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত সীসা দ্রবীভূত করতে পারে। তাই রান্নার জন্য গরম কলের পানি ব্যবহার না করে ঠান্ডা পানি নিয়ে তা গরম করার পরামর্শ দেয়া হয়। 

    পানির আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। এসব অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা খালি চোখে দেখা যায় না এবং স্বাদ বা গন্ধ থেকেও বোঝা যায় না। পানিতে এসব কণার উপস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গবেষণা ও উদ্বেগ বাড়ছে। তবে একবার কলের পানি দিয়ে ভাত বা অন্য কোনো খাবার রান্না করলেই ক্ষতি হবে এমনটা বলছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ঝুঁকির বড় বিষয় হলো দীর্ঘদিন ধরে দূষিত পানির সংস্পর্শে থাকা। অল্প পরিমাণে দূষিত উপাদান বারবার খাবার ও পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে দীর্ঘমেয়াদে তার প্রভাব পড়তে পারে। 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পান করার জন্য যদি পানি ফিল্টার বা পরিশোধন করে ব্যবহার করা হয়, তাহলে রান্নার পানির ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা অনুসরণ করা উচিত। কারণ রান্নায় ব্যবহৃত পানিতে থাকা উপাদানও শেষ পর্যন্ত খাবারের অংশ হয়ে শরীরে প্রবেশ করে।