পানির ৮০ ফুট গভীরে চলে গেছে বাসটি

দৌলতদিয়া ঘাটে ডুবে যাওয়া বাসটি পানির আরও গভীরে চলে গেছে। প্রথম দিকে বাসটির সন্ধান পাওয়া যায় ৩০ ফুট পানির নিচে। পরে সেটি আস্তে আস্তে পানির ৮০ ফুট নিচে চলে গেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছে।
 

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আস্তে আস্তে বাসটি পদ্মা নদীর ৮০ ফুট নিচে চলে গেছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ইতোমধ্যে ওই বাস থেকে ডুবুরি দল দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।

 

গোয়ালন্দ ফায়ার স্টেশনের ১টি ইউনিট এবং আরিচা ফায়ার স্টেশনের ১টি ডুবুরি ইউনিট উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরও ২টি ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলের দিকে রওয়ানা হয়েছে।

স্থানীয় ও বেঁচে যাওয়া বাসযাত্রীদের ভাষ্যমতে, ওই বাস থেকে ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী শুরুতেই বের হতে পেরেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদ্ধারকারী জাহাজ অনেক দেরিতে এসেছে পৌঁছেছে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দলও এক ঘণ্টার বেশি সময় পর উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন। 

সৌহার্দ্য বাসে থাকা আবদুল আজিজুল নামে এক যাত্রী জানান, তিনি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার গান্ধীমারা এলাকা থেকে এই বাসটিতে উঠেছিলেন। নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি সাঁতরে উপরে ‍উঠতে পারলেও তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।

বাসটি কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে এসেছিল। খুবই অল্প সংখ্যক যাত্রী সাঁতরে উপরে উঠতে পেরেছেন বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেছে। পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট থেকে আমাদের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
 

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *