1. admin@kolome71.com : admin :
  2. abdurrobsozol@gmail.com : আব্দুর রব সজল : আব্দুর রব সজল

ধর্মপাশা জালধরা জলমহাল নিয়ে দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে,রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬১ ভিউ

ধর্মপাশা ও মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা প্রশাসনের আওতাধীনে থাকা জালধরা নামক জলমহালটির দখল করা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দুইটি সমিতির সদস্যদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ নিয়ে বিবাদমান দুইটি গ্রুপের লোকজনের মধ্যে যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী এ উপজেলার অনূর্ধ্ব ২০ একর আয়তনের ১৭ টি বদ্ধ জলাশয় ১৪২৯ বাংলা সন হইতে ১৪৩১ বাংলা সন পর্যন্ত ৩ বছর মেয়াদে ইজারা দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলতি বছরের ১ মার্চ দরপত্র আহবান করা হয়। নীতিমালা অনুয়ায়ী নির্দিষ্ট জলমহালের নিকটবর্তী/ তীরবর্তী প্রকৃত মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড যা সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধিত সেই সব সমিতিগুলোই ওইসব জলমহাল ইজারায় অংশ গ্রহণ করতে পারবে।
এরমধ্যে জালধরা জলমহালটি ইজারা নেওয়ার জন্য স্থানীয় সলপ, মাইজবাড়ি,মাটিকাটা ও ফুলুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড ও সলপ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে নিবন্ধিত এই দুইটি সমিতি অংশ গ্রহণ করে। তবে ওই দুইটি সমিতির মধ্যে নানান জটিলতার কারনে উপজেলা প্রশাসন ওই জলমহালটির ইজারা সাময়িকভাবে স্থগিত করে দেন। পাশাপাশি ওই জলমহালটি নিয়ে সৃষ্ট জঠিলতা নিরসনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার সমন্বয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহা না হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী দুইটি সমিতির সদস্যরাসহ তাদের পক্ষের লোকজন মোখমুখী অবস্থানে রয়েছেন। এ নিয়ে যে কোনো মূহুর্তে এ দুইটি গ্রুপের লোকজন বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
সলপ, মাইজবাড়ি, মাটিকাটা ও ফুলুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে প্রতিদ্বন্দ্বী সমিতির সভাপতি বাচ্চু মিয়া বলেন, আমাদের সমিতিটি জালধরা জলমহালের তীরবর্তী। তাই নীতিমালা অনুযায়ী আমাদের সমিতিই এটি ইজারা পাওয়ার দাবীদার। তবে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী সমিতির লোকজন ওই জলমহালটির ইজারা বন্দোবস্ত না পেয়েই তারা অবৈধভাবে জলমহালটির বিভিন্নস্থানে কাটা- বাঁশ ফেলে দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে আমরাও তাদের এ বিষয়টি সহজে ছেড়ে দিবনা।
সলপ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, আমরা জালধরা জলমহালের পাশে থাকা শিমুলতলা নামক জলমহালটির রক্ষনা-বেক্ষণ করে আসছি। তবে ইজারা না পাওয়া পর্যন্ত জালধরা জলমহালে যাওয়ারতো প্রশ্নই আসেনা।
উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বেনুয়ার হোসেন খান পাঠান বলেন, জালধরা জলমহালটির ইজারা নিয়ে সৃষ্ট জঠিলতার বিষয়টি খুব শীঘ্রই সমাধান করা না হলে যে কোনো সময় এটি নিয়ে বিবাদমান দুইটি গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনতাসির হাসান বলেন, জালধরা জলমহালটি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দুইটি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির মধ্যে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দ্রুতই এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ সম্পর্কিত আরও নিউজ
© All rights reserved © 2019 News Theme
Customized BY NewsTheme