সবাই বলে আমি নাকি বেলুনের মতো, একটুতেই শুকিয়ে যাই’

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’র মুকুট বিজয়ী ঐশী তার চতুর্থ সিনেমা ‘নূর’ এর শুটিং করছেন। রায়হান

রাফীর পরিচালনায় আরিফিন শুভর বিপরীতে এ সিনেমা’র শুটিং চলছে পাবনায়।

এর আগে তিনি মিশন এক্সট্রিম, রাত জাগা ফুল, আদম নামে তিনটি সিনেমায় অ’ভিনয় করেছেন।

সবগুলো আছে মুক্তির অ’পেক্ষায়। পাবনা থেকে ঐশী জানালেন, ‘নূর’র জন্য তাকে ওজন

বাড়াতে হয়েছে। ঈদুল আযহার কিছুদিন আগ থেকে সেভাবেই নিজেকে প্রস্তুত করেছেন।

মুঠোফোনে পাবনা থেকে চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলাপে ঐশী বলেন, অডিশনের মাধ্যমে ‘নূর’ সিনেমায় যু’ক্ত হয়েছি। যে চরিত্র শুনিয়ে অ’ভিনয় করতে বলা হয়, সেটা শুনে খুব ভাল লাগে। তখন পুরোটা জানার আগ্রহ জন্মে। পরে আরও একদিন অডিশন হয়। শেষদিন চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনার জন্য আমাকে লুকের রেফারেন্স দিয়ে ওভাবে সেজে যেতে বলেন রাফী ভাই।

তিনি বলেন, ‘নূর’ পুরোপুরি রোমান্টিক ঘরানার সিনেমা। চরিত্র প্রসঙ্গে বলা একেবারে বারণ। আমা’র আগের সিনেমাগুলোর চরিত্রের থেকে নতুন। সেই সঙ্গে শুভ ভাইকেও এভাবে কেউ দেখেনি। চিত্রনাট্য ও গল্প শুনে মনে হয় যদি এই সিনেমা’র অংশ না হতে পারি নিজের কাছে খা’রাপ লাগবে। ‘নূর’ নাম প্রধান হলেও আমা’র চরিত্র যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। চেষ্টা করছি সেরাটা দেয়ার।

শুটিং চলাকালীন পরিচালক রায়হান রাফী ও আরিফিন শুভর অনেক সহযোগিতা পাচ্ছেন বলেও জানালেন ঐশী। তার কথা, শট দেয়ার আগে পরিচালক ও শুভ ভাইয়া দুজনেই আমাকে জোন, এক্সপ্রেশন বুঝিয়ে দেন। রিহার্সেল হয়েছে। এতে কাজটা খুব সহ’জ হচ্ছে। খুব ভালো ভাবে শুটিং হচ্ছে। তাছাড়া শুভ ভাইয়ার সঙ্গে এর আগে একটি সিনেমা করেছি। তাই বোঝাপড়াও মজবুত।

২০১৮ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগীতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। পরে সিনেমায় থিতু হন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তার কোনো সিনেমা মুক্তি পায়নি। তার সমসাময়িক অনেকেই ওটিটিতে কাজ করলেও ঐশী নিজেকে বড়পর্দায় দেখায় অ’পেক্ষায় আছেন বলে জানালেন। সেই লক্ষ্য নিয়েই আগাচ্ছেন।

করো’নাকালে অনেকের মধ্যে পরিবর্তন এলেও ঐশী জানালেন, তার মধ্যে বিশেষ কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে ‘নূর’ সিনেমা’র জন্য তিনি নিজের শারীরিক গড়নে কিছুটা পরিবর্তন এনেছেন। বললেন, ৮ কেজি ওজন বাড়িয়েছি। কোরবানির ঈদের কিছুদিন আগে ‘নূর’-এ চুক্তিবদ্ধ হই। তারপর ওজন বাড়াতে হয়েছে। কোভিডকালের জন্য সম্ভব হয়েছে। অনলাইন ক্লাস না হলে যদি ভা’র্সিটি গিয়ে ক্লাস করতে হতো তবে মনে হয় না সম্ভব হতো। আমা’র ঘরের মানুষরা বলে, আমি বেলুনের মতো, একটুতেই শুকিয়ে যাই। আমা’র সামান্য পরিশ্রম করলেই ওজন কমে। বাসাতে ছিলাম বিধায় ওজন বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ঐশী বলেন, কোভিড না এলে আমা’র অ’ভিষেক এতোদিনে হয়ে যেত। এর মধ্যে ওটিটি’র জন্য অনেক কাজে প্রস্তাব পেলেও করিনি। নিজেকে বড়পর্দায় লঞ্চিং এর অ’পেক্ষায় আছি। আমাকে যারা চেনেন তারা ভালো’ভাবে জানেন কাজের ব্যাপারে আমি খুব চুজি। তাই তাড়াহুড়ো না করে একটু একটু করে আগাচ্ছি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *